বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে সমুদ্রের পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। এ
কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ মাছের গড় আকার ছোট হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন
বিজ্ঞানীরা।
সম্প্রতি নেচার ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সমুদ্র থেকে আহরিত কড, প্লেইস, হ্যালিবাট, ফ্লাউন্ডারসহ প্রায় ৬শ’ প্রজাতির মাছের আকার ২০৫০ সালের মধ্যে ১৪ থেকে ২৪ শতাংশ কমে যাবে।
গবেষণা প্রতিবেদনটির প্রধান লেখক ও কানাডার ইউনিভার্সিটি অব বৃটিশ কলাম্বিয়ার গবেষক উইলিয়াম চেয়ং বলেন, এর ফলে প্রাকৃতিক খাদ্যচক্র এবং সারা বিশ্বে প্রোটিনের জোগানে ব্যাপক প্রভাব পড়বে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মাছের আকার যত বড় হয়, তাদের তত বেশি অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। আবার মাছের বৃদ্ধির জন্যও পর্যাপ্ত অক্সিজেন প্রয়োজন। অক্সিজেনের অভাবে এক পর্যায়ে মাছের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা ক্রমেই উষ্ণতর হতে থাকায় এতে মাছেদের বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। ফলে এ প্রজাতিটি উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর শীতল সমুদ্রে সরে যাবে।
এতে বলা হয়, ভারত মহাসাগরের মাছের আকার প্রায় ২৪, আটলান্টিক মহাসাগরে ২০ এবং প্রশান্ত মহাসাগরে ১৪ শতাংশ হ্রাস পাবে। এ তিনটির মধ্যে ভারত মহাসাগরে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। সূত্র: রয়টার্স
সম্প্রতি নেচার ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সমুদ্র থেকে আহরিত কড, প্লেইস, হ্যালিবাট, ফ্লাউন্ডারসহ প্রায় ৬শ’ প্রজাতির মাছের আকার ২০৫০ সালের মধ্যে ১৪ থেকে ২৪ শতাংশ কমে যাবে।
গবেষণা প্রতিবেদনটির প্রধান লেখক ও কানাডার ইউনিভার্সিটি অব বৃটিশ কলাম্বিয়ার গবেষক উইলিয়াম চেয়ং বলেন, এর ফলে প্রাকৃতিক খাদ্যচক্র এবং সারা বিশ্বে প্রোটিনের জোগানে ব্যাপক প্রভাব পড়বে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মাছের আকার যত বড় হয়, তাদের তত বেশি অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। আবার মাছের বৃদ্ধির জন্যও পর্যাপ্ত অক্সিজেন প্রয়োজন। অক্সিজেনের অভাবে এক পর্যায়ে মাছের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা ক্রমেই উষ্ণতর হতে থাকায় এতে মাছেদের বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। ফলে এ প্রজাতিটি উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর শীতল সমুদ্রে সরে যাবে।
এতে বলা হয়, ভারত মহাসাগরের মাছের আকার প্রায় ২৪, আটলান্টিক মহাসাগরে ২০ এবং প্রশান্ত মহাসাগরে ১৪ শতাংশ হ্রাস পাবে। এ তিনটির মধ্যে ভারত মহাসাগরে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। সূত্র: রয়টার্স
No comments:
Post a Comment