Pages

Friday, October 26, 2012

বাংলাদেশ সফর চ্যালেঞ্জিং: গেইল

বাংলাদেশ সফর চ্যালেঞ্জিং: গেইল
 অভিজ্ঞ ওপেনিং ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল মনে করছেন যে, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেট দলের আসন্ন বাংলাদেশ সফরটা হবে চ্যালেঞ্জিং। আগামি ৩ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত দুটো টেস্ট পাঁচটি ওডিআই এবং একটি টি২০ ম্যাচ খেলার জন্য বাংলাদেশ সফর করবে ক্যারিবিয়ান দল। এই সফরের জন্য গত শনিবার ঘোষিত ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে আছেন গেইল। টি২০ বিশ্বকাপ জয়ের পর বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সিরিজে আত্মতুষ্টিতে না ভুগে সতর্ক থাকা উচিত বলে মনে করছেন এই ক্যারিবিয়ান ওপেনার।

তিনি বলেছেন, সফরটা খুবই চ্যালেঞ্জিং। কারণ নিজেদের মাটিতে বাংলাদেশ কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে সেটা আমাদের জানা আছে। হালকাভাবে নেয়ার মতো দল বাংলাদেশ নয়। তারপরও ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান দলের  অধিকাংশ সদস্যই বাংলাদেশের কন্ডিশন সম্পর্কে জানে বিধায়, এটা দলকে এগিয়ে রাখবে বলে মনে করছেন ৯৩টি টেস্ট, ২৩৪টি ওডিআই এবং ৩০টি আন্তর্জাতিক টি২০ ম্যাচের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন গেইল।

সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান অধিনায়ক বলেছেন, দলের বেশিরভাগ সদস্য এর আগে বাংলাদেশে টেস্ট এবং ওডিআই সিরিজ খেলেছে। অধিকাংশেরই বাংলাদেশে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। কাজেই সিরিজটা আকর্ষণীয় হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সফরে গিয়ে রান পাওয়া খুব সহজ নয়। কন্ডিশন সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। সেই যাতে যত দ্রুত সম্ভব এর সাথে মানিয়ে নেয়া চাই। কন্ডিশনের সাথে তাল মেলাতে পারলে অবশ্যই ভালো করা সম্ভব।

আসন্ন সিরিজের জন্য ঘোষিত ১৫ সদস্যের স্কোয়াডের অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি, ক্লার্ক এডওয়ার্ডস, ড্যারেন ব্র্যাভো, শিবনারায়ন চন্দরপল, কিরণ পাওয়েল, মারলন স্যামুয়েলস, কেমার রোচ, রবি রামপল এবং দীনেশ রামদিন গত বছর বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। সেবার ক্যারিবিয়ানরা তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ জেতে ২-১ ব্যবধানে। দুই টেস্টের সিরিজে জয় পায় ১-০তে।

উল্লেখ্য, আসন্ন সিরিজের জন্য ঘোষিত অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা গায়ানার বাঁহাতি স্পিনার বীরাস্বামী পারমল

বিদায় নীললোহিত :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিদায় নীললোহিত :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 মানুষের সঙ্গে জীবনের পরতে পরতে কাটানো অভিজ্ঞতা থেকেই সংগ্রহ করতেন তাঁর অনন্য সাহিত্য, কবিতা সৃষ্টির রসদ। তাঁর শেষ যাত্রায় সেই সাধারণ মানুষের আবেগ যেন ভেঙে পড়ল। বিশিষ্ট সাহিত্যিক তথা কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে, ভালবাসার ঝুলি উজাড় করে দিলেন আজীবন মানুষকে ভালবেসেছেন। চেষ্টা করতেন মানুষের সঙ্গে থাকার। মানুষের সঙ্গে জীবনের পরতে পরতে কাটানো অভিজ্ঞতা থেকেই সংগ্রহ করতেন তাঁর অনন্য সাহিত্য, কবিতা সৃষ্টির রসদ। তাঁর শেষ যাত্রায় সেই সাধারণ মানুষের আবেগ যেন ভেঙে পড়ল। বিশিষ্ট সাহিত্যিক তথা কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে ভালবাসার ঝুলি উজাড় করে দিলেন কবির গুনমুগ্ধ পাঠকরা।

বৃহস্পতিবার সকালে পিস হাভেনের বাইরের ভিড়ই জানান দিচ্ছিল কবিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নামবে। আনন্দবাজার পত্রিকার দফতর হয়ে শববাহী শকট রবীন্দ্রসদনে পৌঁছনোর পর সেই ছবিটাই বাস্তব রূপ পেল। প্রায় একঘণ্টার বেশি সময় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নিথর দেহ শায়িত ছিল সেখানে। একে একে যখন রাজনীতিক, কবি, সাহিত্যিকসহ বিশিষ্টজনেরা শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন, তখন বাইরে লম্বা লাইনে অপেক্ষমান অগুনতি সাধারণ মানুষ।

আক্ষরিক অর্থেই বাংলা সাহিত্যের একটি যুগের নাম সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। তাই তাঁর মৃত্যুতে বাস্তবিকই শেষ হল সেই যুগের। গত শতাব্দীর ছয়ের দশকের হাংরি জেনারেশনের পৃষ্ঠপোষক থেকে আটের দশকের অস্থির সময়। পরবর্তী আরও তিন দশকেও সুনীলের সাহিত্যে হাজারো নতুন বাঁক। তিনি চলে গেলেন ঠিকই, রেখে গেলেন অর্ধশতাব্দীর অনন্য দলিল, যার সাহিত্যমূল্য আবিষ্কর করে বিস্মিত হবে পরবর্তী অনেক প্রজন্মই। পরবর্তী অনেক প্রজন্মই। জন্ম বাংলাদেশের ফরিদপুরে। স্বাধীনতার সময় বয়স তেরো। খুব কাছ থেকে অনুভব করেছেন দেশভাগের যন্ত্রণা।

১৯৪৬-৪৭ দাঙ্গায় তাঁর মন বিধ্বস্ত। শুরু হয় তাঁর লেখালেখি। কবিতাই প্রথম প্রেম। কিছুটা কল্লোলের কবিদের মতন করে রবীন্দ্রনাথকে অস্বীকার করে এগোনর চেষ্টা। কৃত্তিবাস হল সেই স্ফুলিঙ্গ ছড়ানোর প্ল্যাটফর্ম। ছয়ের দশকে মলয় রায়চৌধুরী, সমীর রায়চৌধুরী নেতৃত্বে যে ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা হয়েছিল সেখানেও সুনীল। নকশাল আন্দোলনে উত্তাল সাতের দশক। সেই উত্তাল সময়েও স্বতন্ত্র সুনীল। তখন তিনি দাঁড়াও সুন্দর বা মন ভালো নেই-এর মতো কাব্যগ্রন্থ লিখছেন। সূত্র: জিনিউজ।

টক শোতে শাজাহান খান ও মিডিয়া :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

টক শোতে শাজাহান খান ও মিডিয়া :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
গত সোমবার মধ্যরাতে আরটিভির একটি টক শোতে বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার চোখ উপড়ে ফেলার হুমকি দেন নৌমন্ত্রী শাজাহান খান । আলোচনার এক পর্যায়ে মন্ত্রী নিজ চেয়ার থেকে ওঠে হাতের আস্তিন গুটিয়ে বিরোধীদলের নেতাকে মারতে উদ্যত হয়ে বলেন, “আমি এর আগেও অনেকের চোখ উপড়ে ফেলেছি, শাজাহান খান সবই পারে।” টক শোর বিষয় ছিল ‘ঈদ-পূজায় নিরাপদে ঘরে ফেরা’ ।

অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছিল। তবে এ ঘটনায় আরটিভি কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে সরাসরি সম্প্রচার সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। এ টক শো তেজগাঁও শিল্প এলাকায় আরটিভির নবনির্মিত স্টুডিও থেকে সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছিল।

এই ঘটনায় গত দু দিন ধরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সমালোচনার ঝড় বইছে। সরকারের ভেতরে-বাইরে থেকেও সমালোচনার তীরে বিদ্ধ হচ্ছেন এই প্রভাবশালী মন্ত্রী। গণমাধ্যমগুলোও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ ছাপছে। বৃহস্পতিবার দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন বিষয়টি নিয়ে লিড নিউজ করেছে। শিরোনাম দিয়েছে ‘ফের বিতর্কে মন্ত্রী শাজাহান খান’।

এছাড়া ঘটনার পর রফিকুল ইসলামের প্রতিক্রিয়াকেও গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ ছেপেছে দৈনিক পত্রিকাগুলো। প্রথম আলো’র সপ্তম পৃষ্ঠায় সিঙ্গেল কলামে শিরোনাম- ‘মন্ত্রীরাও সন্ত্রাসী আচরণ শুরু করেছেন।’ একই শিরোনামে ছেপেছে আমার দেশ তৃতীয় পৃষ্ঠায় তিন কলাম।

বুধবারও এই ঘটনায় ফলাওভাবে সংবাদ ছেপেছে দৈনিকগুলো। ইত্তেফাকের প্রথম পাতায় সিঙ্গেল কলামে শিরোনাম দিয়েছে- ‘টিভি টক শোতে মল্লযুদ্ধ হওয়ার উপক্রম’।আমার দেশের প্রথম পাতায় তিন কলামের বক্স করে শিরোনাম দেয়া হয় ‘টক শোতে ভিন্ন দৃশ্য: হাত থাকতে মুখে কী?’। পত্রিকাটির সম্পাদকীয় পাতায় এই বিষয়ে সিরাজুর রহমানের কলাম ছাপা হয়েছে। শিরোনাম ছিল- ‘ভাষার শালীনতা এবং মন্ত্রিত্বের যোগ্যতা’। কালের কন্ঠের দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় দুই কলামের শিরোনাম- ‘টকশোতে নৌমন্ত্রী চোখ তুলে নেয়ার হুমকি দিয়েছেন: ব্যারিস্টার রফিকুল’।

ঘটনার বিস্তারিত
আরটিভির নিয়মিত মধ্যরাতের টক শো 'আওয়ার ডেমোক্রেসি'র অনুষ্ঠানেই সেদিন বৃহৎ পরিসরে অনেকটা গোলটেবিল ধাঁচে আয়োজন করা হয় 'ঈদ-পূজায় নিরাপদে ঘরে ফেরা' শীর্ষক আলোচনা। বক্তব্য শুরু করেন নৌমন্ত্রী মো. শাজাহান খান। নৌপথের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, বিগত জোট সরকারের আমলে নৌপরিবহন খাতের কোনো উন্নয়ন হয়নি। তখন চাঁদাবাজি আর দুর্নীতি হয়েছে এ খাতে। মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় টার্মিনালে চাঁদাবাজি করেছেন।

তার এ বক্তব্যের তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপি নেতা সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, 'আমাদের সময় দুর্নীতি আর চাঁদাবাজি হয়েছে, এখন কি এসব বন্ধ হয়ে গেছে? সে সময় বেশি চাঁদাবাজি হয়েছে, নাকি এখন বেশি হচ্ছে- সেই হিসাব দেন। এখন তো লোকজন আপনাদের চোর বলছে।' এ সময় শাজাহান খান কিছুটা উত্তেজিত হয়ে বলেন, 'আপনি চুপ করুন। আমার বলা শেষ হলে আপনি বলবেন।' জবাবে রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, 'এ অনুষ্ঠানে আমাকে দাওয়াত দেওয়ার সময় বলা হয়েছিল যে, কোনো রকম আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেয়া হবে না। কিন্তু এখন দেখছি শুধু আমাদের আমলের বদনাম করা হচ্ছে।'

এ পর্যায়ে উপস্থাপক বলেন, 'জনাব রফিকুল ইসলাম মিয়া, আপনাকে বলার সুযোগ দেওয়া হবে, আপনি তখন বলবেন।' কিন্তু তাতে কর্ণপাত না করে তিনি শাজাহান খানের কথার পিঠে কথা বলে যাচ্ছিলেন। আর এতেই প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন নৌমন্ত্রী। 'আপনি' থেকে হঠাৎ 'তুমি' সম্বোধন শুরু করেন তিনি।

মন্ত্রী উত্তেজিত স্বরে বলেন, 'আপনার কথা বলার অধিকার আছে। আমার কথার মধ্যে কেন বলছেন? রফিক সাহেব, আপনি আমাকে ধমক দিলেন, আমি শুনে গেলাম, এইটা মনে করার কোনো কারণ নেই। আমি শাজাহান খান আপনার চাইতে কোনো অংশে কম নই, এইটা মনে রাইখেন। আপনি বেশি কথা বলবেন না। রফিক সাহেব, আমি শাজাহান খান কাউকে তোয়াক্কা করি না, এইটা মনে রাইখেন। আপনি কী মনে করেছেন? বেয়াদবের মতো কথা বলেন।... বেয়াদবের হাড্ডি।'

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় সঞ্চালক রোবায়েত ফেরদৌস প্রযোজক ও ক্যামেরাম্যানদের উদ্দেশে বলেন, 'বন্ধ করো', 'ব্রেকে যাও', 'বর্তমান প্রজন্ম তাদের কাছে কী শিখছে', 'টকশো বন্ধ করো'। কিন্তু তাতেও থামছিলেন না শাজাহান খান। ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া টেবিল চাপড়ে বলতে থাকেন, 'স্টপ ইট'। অন্যদিকে মন্ত্রী শাজাহান খান চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতাকে শাসাতে থাকেন। একপর্যায়ে অনুষ্ঠানের অন্যতম আলোচক চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন চেয়ার ছেড়ে টক শো থেকে বেরিয়ে যেতে উদ্যত হন। এ সময় টকশো বন্ধ হয়ে যায়।

কিন্তু তাতেও থামছিলেন না দুই নেতা। চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ান দুজনই। শাজাহান খান হুঙ্কার দিয়ে বলে ওঠেন, 'হারামজাদা, তুমি জানো না একজন মন্ত্রীর সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে হয়! তোমাকে আজ জুতাপেটা করব।' মন্ত্রীর এসব কথায় একেবারেই হতভম্ব হয়ে যান রফিকুল ইসলাম মিয়া। তিনি মাথা নিচু করে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন স্টুডিও থেকে। এ সময় তার দিকে তেড়ে যান মন্ত্রী শাজাহান খান। বলে ওঠেন, 'রফিক, তুমি শাজাহান খানকে চেনো না। আজ, এখন তোমার চোখ তুলে ফেলব। মারামারি করতে চাইলে চলো ফিল্ডে নামি।'

এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি ইসরাফিল আলমও নৌমন্ত্রীর পক্ষ নিয়ে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে বকাঝকা করতে থাকেন। তবে বাকি সবাই নীরবে দেখতে থাকেন সেই দৃশ্য। এমনকি অপর দুই এমপি গোলাম মওলা রনি ও রাশেদা বেগম হীরাও নিজ নিজ আসনে বসে ছিলেন চুপচাপ।

একপর্যায়ে রফিকুল ইসলাম মিয়া স্টুডিও থেকে বেরিয়ে যান। উঠে দাঁড়ান ইলিয়াস কাঞ্চনসহ অন্যরা। কিন্তু আরটিভির স্টাফদের অনুরোধে তারা আবার চেয়ারে বসেন। এ পর্যায়ে রাশেদা বেগম হীরা চেয়ার থেকে উঠে বেরিয়ে যান। এ সময় আওয়ামী লীগের এমপি ইসরাফিল আলম তাকে উদ্দেশ করে বলেন, 'আপনি আবার কোথায় যাচ্ছেন।' জবাবে রাশেদা বেগম হীরা বলেন, 'আমি প্রচণ্ড ভয় পেয়েছি। তাই আর বসতে চাই না।'

কিছুক্ষণ পর দেখা যায়, আরটিভির কর্মকর্তারা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ও রাশেদা বেগম হীরাকে আবার স্টুডিওতে ফিরিয়ে এনেছেন। তাদের অংশগ্রহণেই কয়েক মিনিট পর আবার শুরু হয় অনুষ্ঠানটি এবং সরাসরি সম্প্রচার করা হয় বাকি অংশ। টকশোর শেষ অংশের আলোচনায় আর তেমন উত্তাপ-উত্তেজনা ছিল না। অনুষ্ঠান শেষে আরটিভি কর্মীদের অনুরোধে মন্ত্রী শাজাহান খান স্টুডিও থেকে বের হওয়ার পথে হাত মেলান ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার সঙ্গে।

মন্ত্রী হওয়ার পর শাজাহান খান বহুবার বিতর্কের সৃষ্টি করলেও এবারের ঘটনাটি যেন পেছনের সব ঘটনাকেই ছাপিয়ে গেছে। পরীক্ষা ছাড়াই সাড়ে ২৭ হাজার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ এবং 'গরু-ছাগল চিনতে পারে' এমন চালকদের লাইসেন্স দেওয়ার প্রস্তাব করে গত বছর বিতর্কের সৃষ্টি করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন শাজাহান খান। তার উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের চেয়ারম্যান নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের ছবি পদদলিত করার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

২০১১ সালের ২ জুন ও ১২ জুলাই দুই দফায় নৌমন্ত্রী ২৭ হাজার ৩৮০ জন অদক্ষ চালককে ভারী ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার সুপারিশ করেন বিআরটিএ'র কাছে। মিডিয়ার বিরুদ্ধে কথা বলেও তিনি বিতর্কে আসেন।

টক শোতে এমন ঘটনার পর বিএনপি সরকার আমলের সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, “কোনো সভ্য মানুষ এ ধরনের ভাষায় কথা বলতে পারে না।” তবে মন্ত্রী শাজাহান খান সাংবাদিকদের বলেছেন, “আমি রাগের মাথায় কী বলেছি মনে নেই। উনার অসদাচরণ সহ্যের মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।”

বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ে বিতর্ক :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ে বিতর্ক :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্বের উষ্ণায়ন নিয়ে বিতর্ক বহু দিন ধরেই চলছে। এতে নানা মুনির নানা মত। নাসার নেত্বত্ব মনে করে যে, এটা হলো মানুষের বাঁচার জন্য করা কাজকর্মের পরিণাম। কিন্তু এর সঙ্গে একমত নন নাসার অন্যান্য কর্মীরা। ৪৯ জন মহাকাশচারী ও নাসা কর্মী একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন, যাতে তাঁরা বিশ্বের উষ্ণায়নের বিষয়ে মানুষের কাজকর্ম দায়ী বলে স্বীকার করতে চান নি।

অন্যদিকে উষ্ণায়ন যে বিশ্বে আরও চরম হচ্ছে, তাতে মানুষের দোষ নিশ্চয়ই রয়েছে, এরকম মনে করে বিশ্ব বন্যপ্রাণী তহবিলের ‘আবহাওয়া ও শক্তি উত্পাদন’ প্রকল্পের রুশ পরিচালক আলেক্সেই ককোরিন। তার মতে, মানুষের আবহাওয়ার উপরে প্রভাব এখন অন্যান্য কারণকে ছাপিয়ে উঠছে। আশা করব মানবসমাজ আবহাওয়ার উপরে প্রভাব কমাবে।

আলেক্সেই ককোরিন মনে করেন, মানুষ আবহাওয়াকে পাল্টাতে পারে না কিন্তু সেই গ্রিন হাউস এফেক্ট, যা সৌর সক্রিয়তার প্রভাবের সঙ্গে একই রকমের শক্তিশালী, তা মানুষ তৈরি করতে পেরেছে। আর এটাই আবহাওয়া ব্যবস্থাকে টলিয়ে দিয়েছে। এই বিশেষজ্ঞ মনে করেন, কম করে হলেও আগামী অর্ধশতক আমাদের আবহাওয়ার অনিয়মের মধ্যেই বাঁচতে হবে ও তা মানিয়েও নিতে হবে।

কিন্তু মানব সমাজকে শুধু গরমের সঙ্গেই নয়, ঠাণ্ডার সঙ্গেও টক্কর দিতে হবে, যা এখনই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। এরকম কথা জোর দিয়ে বলেছেন বিশ্ব নিয়ে বিজ্ঞানের সংযুক্ত সভার সভাপতি ড. নিকোলাই দবরেত্সভ। তার অভিমত, “গত তিন বছরের ঘটনা দেখিয়ে দিয়েছে যে, ভেনিসের খালগুলোতে পানি জমে গিয়েছিল, স্পেনে আঙ্গুর গাছ শীতে জমে গিয়েছিল, আর মস্কো শহর এবং ইউরোপের অনেক জায়গাজুড়েই ছিল শীতল বসন্ত কাল, যা প্রমাণ করেছে যে, সাময়িক ভাবে ঠাণ্ডা হওয়াও শুরু হয়েছে। আর্কটিক অঞ্চলে বরফের সঙ্গেও এই রকম ঘটছে। সব চেয়ে কম বরফ ছিল ২০০৭ সালে, ২০০৮ ছিল সেই রকমই। আর ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালে এবং এই বছরের শুরুতে আবার বরফের পরিমাণ বাড়তে শুরু করেছে”।
তবে যখন বিশেষজ্ঞরা এসব বিতর্কে ব্যস্ত, তখন বিশ্বের বেশির ভাগ লোকের জন্য সবচেয়ে বেশি চিন্তার বিষয় হয়েছে বাস্তব সব প্রশ্ন: খরা ও বন্যা কত বেশি প্রভাব ফেলবে, বন্যা ও ঝঞ্ঝা থেকে জিনিসের দাম কত বাড়বে? কারণ এর সঙ্গে তার খাদ্য উৎপাদনের বিষয়টি গভীরভাবে জড়িত। সূত্র: ওয়েবসাইট।

সঙ্গীতে বর্ষসেরা নারী কেটি পেরি

সঙ্গীতে বর্ষসেরা নারী কেটি পেরি

রক-পপ সঙ্গীতাঙ্গনে নবাগত জনপ্রিয় তারকাদের অন্যতম কেটি পেরির ২৮তম জন্মবার্ষিকী৷ মার্কিন এই তারকা বিগত কয়েক বছরে তার সঙ্গীত জীবনে পেয়ে আসছেন সাফল্য, খ্যাতি এবং স্বীকৃতি৷
২০০৮ সালে ‘ওয়ান অফ দ্য বয়েজ' অ্যালবামের মধ্য দিয়ে বিশ্ব পপসঙ্গীতের অঙ্গনে গীতিকার, সুরকার, বাদক ও গায়িকা কেটি পেরির আত্মপ্রকাশ৷ আমেরিকাসহ বিশ্বের বহু দেশে হিট গানের তালিকায় প্রথম দিকে স্থান অধিকার করে এই অ্যালবাম৷ ‘আই কিসড আ গার্ল' বছরের শ্রেষ্ঠ গান হিসেবে গ্র্যামি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়৷

তৃতীয় অ্যালবাম ‘টিনএজ ড্রিম' তাকে এনে দেয় বিরাট সাফল্য৷ এই অ্যালবামের পাঁচটি গান বিখ্যাত বিলবোর্ড সঙ্গীত তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে নেয়৷ মাইকেল জ্যাকসন ছাড়া সঙ্গীত-ইতিহাসে তিনিই প্রথম নারী শিল্পী যিনি এই মাইলফলক অর্জন করতে পেরেছেন৷

তার আসল নাম ক্যাথরিন এলিজাবেথ হাডসন৷ জন্ম ১৯৮৪ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা বারবারা শহরে, এক রক্ষণশীল পরিবারে৷ গসপেল সঙ্গীতের মধ্য দিয়েই শুরু হয় তার সঙ্গীতচর্চা৷ ১৩ বছর বয়স থেকে গিটারে তার স্বশিক্ষা৷ এ সময় বিখ্যাত ব্রিটিশ রক সঙ্গীতগোষ্ঠী ‘কুইন'-এর একটি অ্যালবাম শোনার পর থেকেই এই গোষ্ঠীর কর্ণধার ফ্রেডি মার্কারির গভীর অনুরাগী হয়ে ওঠেন তিনি৷ ১৭ বছর বয়সে পরিবারের কঠোর নিয়মানুবর্তিতার বেড়া পেরিয়ে তিনি চলে আসেন লস অ্যাঞ্জেলেসে৷ এখানে তাঁর পরিচয় হয় প্রযোজক ও গীতিকার গ্লেন ব্যালার্ডের সাথে৷ তারই সহযোগিতায় ২০০৭ সালে ক্যাপিটাল রেকর্ডের সাথে চুক্তিবদ্ধ হোন কেটি৷ সেই থেকেই শুরু হয় তাঁর সফল সঙ্গীত জীবন৷

বিশ্বব্যাপী সাত কোটিরও বেশি অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে তার৷ স্বতঃস্ফূর্ত সুরেলা কণ্ঠে, রক ও গসপেল সংগীতের ছোঁয়ায় এক নতুন স্বাদের পপ সংগীত উপহার দিয়েছেন তাঁর অসংখ্য অনুরাগীদের৷ এ বছর সেপ্টেম্বর মাসে বিলবোর্ড সঙ্গীত ম্যাগাজিনের ২০১২ সালের ‘উওমেন অফ দ্য ইয়ার' হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি৷ ২০০৯ সালে ‘শ্রেষ্ঠ আন্তর্জাতিক নবাগত সঙ্গীত শিল্পী' হিসেবে ব্রিটসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন প্রতিভাবান সঙ্গীত শিল্পী কেটি পেরি৷সূত্র: ডয়েচে ভেলে।

ঈদে যানজট, দুর্ভোগ ও চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করলেন যোগাযোগমন্ত্রী

ঈদে যানজট, দুর্ভোগ ও চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করলেন যোগাযোগমন্ত্রী
 কোরবানির ঈদে সড়ক ও মহাসড়কে যানজট, দুর্ভোগ ও চাঁদাবাজি অনেক কমেছে বলে দাবি করেছেন যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তবে একই সাথে কিছু সড়ক ও মহাসড়কে যে দীর্ঘদিন ধরে যানজট ও চাঁদাবাজি রয়েছে তা স্বীকার করে জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

যাত্রীর তুলনায় যানবাহনের কম সক্ষমতা, সড়ক-মহাসড়কের আইন না মানার প্রবণতা, রাস্তার উপর গরুর হাট বসানো, গরুবাহী গাড়ির ধীরগতি ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি যানজটের অন্যতম কারণ বলে দাবি করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনা রোধে প্রতিটি সড়কে প্রয়োজনীয় রেকার রাখা হয়েছে। যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন মহাসড়কে টিম রয়েছে। এছাড়া আজ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত পেট্রোল পাম্প খেলা থাকবে।

তিনি বলেন, যানজট কমানোর জন্য আমরা বঙ্গবন্ধু সেতুর মেরামত কাজ আট দিন বন্ধ রেখেছি, যাতে করে ঈদে মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারেন।

জনাব কাদের বলেন, গত বছরের চেয়ে এবার ঈদে সড়ক ও মহাসড়কগুলো বেশি চলাচল উপযোগী রয়েছে। মহাসড়ক বেহাল অবস্থায় রয়েছে এমন অভিযোগ এবার নেই।

রাস্তায় যানজট ও চাঁদাবাজি বন্ধে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, হাইওয়ে পুলিশ এবং র‌্যাব একযোগে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, এবার ঈদে বিআরটিসি মোট ৮৪০টি বাস রাস্তায় নামিয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা থেকে ৪৫০টি, অন্যান্য ডিপো থেকে ৩৯০টি এবং সার্বক্ষণিকভাবে রাখা হয়েছে ৩০টি বাস এবং ভারত থেকে আরো ২৯০টি বাস পেয়েছি। এর মধ্যে এসি বাসগুলো আসবে আগামী ডিসেম্বর।

ভুয়া ক্রেতাদের খপ্পরে কুরবানির পশুর দাম চড়া :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ভুয়া ক্রেতাদের খপ্পরে কুরবানির পশুর দাম চড়া :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ব্যবসায়ীদের নিযুক্ত দালালরা ক্রেতা সেজে রাজধানীতে কুরবানির পশুর দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার গাবতলীতে কুরবানির পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেল, ট্রাক থেকে গরু নামানোর আগেই বাজারে চালু দামের চেয়ে বেশি দাম দিয়ে গরু কিনে নিচ্ছে একদল লোক। সেখানে দাঁড়িয়ে অসহায়ের মত তা দেখছিলেন ফার্মগেট থেকে আসা ক্রেতা ফজলে আবেদ। জনাব আবেদ বললেন,  এরা গরু ব্যবসায়ী নয়, ক্রেতাও নয়।  এরা মৌসুমি দালাল। বাজারে আসা সব গরুই যেহেতু এখন এদের হাতে পড়ছে, তাই আমরা এদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছি।

এই দালালরা গরু কিনলেও, অন্য এক ধরনের দালাল দেখা গেল- যারা কিনছেন না, তবে ক্রেতাদের কাছে গরুর দাম বেশি বলে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

আফতাবনগর বাজারের এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বললেন, এদেরকে আমাদের অনেক ব্যবসায়ীরা টাকা দিয়ে রেখেছেন। এদের কাজ শুধু ক্রেতাদের কাছে গিয়ে বেশি দাম বলা।

এই ধরনের কত লোক রয়েছে জানতে চাইলে বলেন, এটাতো এক একটা গ্রুপের লোক। কোনো গ্রুপে কত আছে বলা যাচ্ছে না। তবে এক একটা বাজারে পাঁচশতের বেশি লোক কাজ করে।

Thursday, October 25, 2012

সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা পাচার ডেসটিনির এমডি ও চেয়ারম্যানের স্বীকার

সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা পাচার ডেসটিনির এমডি ও চেয়ারম্যানের স্বীকার
ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমিন ও চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন অর্থ আত্মসাতের পর পাচারের অভিযোগ স্বীকার করে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মহানগর হাকিম সাইফুর রহমান ও হারুন অর রশীদ তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

দুদক জিআরও জানিয়েছে, তারা মামলার অভিযোগের সব বক্তব্য সমর্থন করে দুই মামলাতেই মুদ্রা স্থানান্তরের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

১৮ দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ার আগেই জবানবন্দি এমএলএম কোম্পানি ডেসটিনির এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তা জবানবন্দি দিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগে দুদকের করা দুটি মামলায় গত ১১ অক্টোবর ঢাকার সিনিয়র  বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে তা নাকচ করে ডেসটিনির এই দুই কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠায় আদালত। সেদিনই জ্ঞিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের হেফাজতে নেয়ার আবেদন করা হয়।

গত ১৪ অক্টোবর ওই আবেদনের শুনানি শেষে দুই মামলায় নয় দিন করে প্রত্যেককে ১৮ দিনের হেফাজতে নেয়ার আদেশ দেন ঢাকার মহানগর হাকিম এরফানউল্লাহ।

সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের পর পাচারের অভিযোগে গত ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় এই দুই জনসহ ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক।

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেশন (এমএলএম) ও ট্রি-প্লান্টেশেন প্রকল্পের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা অর্থ পাচারের ‘প্রমাণ’ পেয়ে দুদকের উপপরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারি পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা দুটি দায়ের করেন।

বাংলাদেশের ক্রিকেটকে গ্রাস করেছে রাজনীতি: পাইবাস :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশের ক্রিকেটকে গ্রাস করেছে রাজনীতি: পাইবাস :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশের জাতীয় দলের প্রধান কোচ রিচার্ড পাইবাস জানিয়েছেন, তিনি দায়িত্ব পালনের জন্য আর বাংলাদেশে ফিরছেন না।

ইএসপিএন ক্রিকইনফো-কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে রিচার্ড পাইবাস বাংলাদেশের ক্রিকেট কর্তৃপক্ষের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “তার পক্ষে আর কোচের দায়িত্ব পালনের কোনো সুযোগ নেই।”

রিচার্ড পাইবাস বলেন, “কোনো চুক্তি ছাড়াই গত পাঁচ মাস ধরে তিনি সরল বিশ্বাসে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সবার ধৈর্যেরই একটা সীমা আছে। বাংলাদেশের কোচ হিসেবে তার দায়িত্ব পালন একবারে অসম্ভব করে তোলা হয়েছে।”

রিচার্ড পাইবাস জানান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এ বছরের শুরু থেকে তাকে তিনবার হেড কোচ হওয়ার প্রস্তাব দেন। তিনি দুবার এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। কারণ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এই দায়িত্ব পালনের জন্য তাকে যতটা সময় দেয়ার জন্য বলছিলেন, ততটা সময় দেয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। কারণ তার নিজের পরিবারকে যদি সময় দিতে হয়, বাংলাদেশে তার পক্ষে এতটা সময় কাটানো সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, “এরপর তৃতীয়বার যখন তাকে আবারো ওই প্রস্তাব দেয়া হয়, তখন তিনি শর্ত দেন যে বাংলাদেশ দলের বিভিন্ন সফরের ফাঁকে ফাঁকে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় তার পরিবারের কাছে ফিরে যেতে চান। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাতে রাজী হয়। কিন্তু তারা কখনোই এই বিষয়টি লিখিত চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেনি। ফলে তিনি ওই চুক্তি সই করতে অস্বীকৃতি জানান।”

এর পর তিনি বিষয়টি সুরাহার জন্য ছয় দফা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি। এ কারণেই তিনি বাংলাদেশে ফিরে যাবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

রিচার্ড পাইবাস বলেন, “বাংলাদেশ দলকে যেন তিনি বোর্ডের পরিচালকদের হস্তক্ষেপ ছাড়া পরিচালনা করতে পারেন তার নিশ্চয়তা চেয়েছিলেন। বোর্ডের প্রেসিডেন্ট মোস্তফা কামাল তাকে সেই আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে সেটা কখনোই ঘটেনি।”
 
ক্রিকেট বোর্ড বার বার তার কাজে হস্তক্ষেপ করেছে। এদের কেউ কেউ শুধু তার কাজে বাধাই সৃষ্টি করেনি, ক্রিকেট সম্পর্কে তারা ছিল একেবারে অজ্ঞ।

রিচার্ড পাইবাস বলেন, “বাংলাদেশ দল যখন সফরে যায়, তখন বোর্ড সদস্যরা ট্যুর ডেলিগেশনের প্রধানের মতো আচরণ করেন। অথচ এটা তো টিম ম্যানেজারের কাজ। তারা টিম মিটিং এ থাকতে চান, টিম বাসে চড়তে চান, এমনকি ড্রেসিং রুমেও নাক গলাতে চান।”

রিচার্ড পাইবাস বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রশংসা করে বলেন, “তাদের আসলেই কিছু ভালো খেলোয়াড় আছে। মুশফিকুর রহিম, সাকিব, তামিম—এরা খুবই ভালো খেলোয়াড়। ক্রিকেট ভালোবাসেন এমন কিছু নিবেদিত ক্রিকেট কর্মকর্তাও আছেন। কিন্তু রাজনীতি সবকিছুকে গ্রাস করেছে। সূত্র: বিবিসি।

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা: মিয়ানমারে কারফিউ :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা: মিয়ানমারে কারফিউ :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

 মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে আরো দুটি শহরে বৌদ্ধ এবং রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করা হয়েছে।

মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে মঙ্গলবার রাতে ওই সাম্প্রদায়িক সংঘাত মিন বায়া ও ম্রাউক নামে দুটি শহরে ছড়িয়ে পড়ে।
এই শহর দুটিতে আরো পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বিবিসির মিয়ানমার বিভাগ বলছে বুধবারের সহিংসতায় ম্রাউক শহরে অন্তত একজন নিহত হয়েছে।

গত রোববার থেকে বৌদ্ধ এবং রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে শুরু হওয়া এই সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় এখনও পর্যন্ত চারজন নিহত এবং এক হাজারের বেশি বাড়ি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।
রাখাইন রাজ্যের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সহিংসতা চলছে এবং বাড়িঘরে আগুণ ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে।
সেই মুখপাত্র জানান, আগুন নেভানোটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ এবং কর্তৃপক্ষ সে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

গত মে মাসে একজন বৌদ্ধ মহিলাকে কয়েকজন মুসলমান ধর্ষণ করেছে, এমন খবরে বৌদ্ধ এবং রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়।

তারপর থেকেই সেখানে এক ধরনের উত্তেজনা রয়েছে। কিন্তু এবারের সহিংসতা কেন শুরু হলো সেটি পরিষ্কার নয়। যদিও উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ পরস্পরকে দোষারোপ করছে।
তবে এই সহিংসতা এমন এক সময়ে শুরু হলো যার কয়েক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশের কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ মন্দির এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

মিয়ানমার সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমান এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনার দীর্ঘ এক পটভূমি রয়েছে। মিয়ানমারে সরকার রোহিঙ্গা মুসলমানদের সে দেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়না।

রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে বর্ণনা করে মিয়ানমার সরকার। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমার এ দাবিকে বরাবরই খারিজ করে দিয়ে আসছে।

জাতিসংঘের মতে রোহিঙ্গারা হচ্ছে মিয়ানমার পশ্চিমাঞ্চলীয় ভাষা-গত এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু যারা নিগ্রহের শিকার।

ঢাবি চারুকলায় শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঢাবি চারুকলায় শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
 যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। চারটি ডিগ্রিতে প্রথম শ্রেণী পাওয়া প্রার্থীকে বাদ দিয়ে তিনটিতে প্রথম শ্রেণী পাওয়া ও বাইরের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রিধারীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

গত মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত পাস হয় বলে সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, গত ৪ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগে প্রভাষক পদে দুজন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। এতে যোগ্যতা হিসেবে শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স থাকার কথা উল্লেখ করা হয়। কিন্তু যদি অনার্স ও মাস্টার্সে ডিগ্রিধারী না পাওয়া যায়, তাহলে মাস্টার্সে ডিগ্রি থাকতে হবে। এই দুটি পদের জন্য আবেদন করেন সাতজন। গত শনিবার বাছাই বা সিলেকশন কমিটির সভা ছিল। এই সিলেকশন কমিটিতে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন পাঁচজন। বাছাই শেষে সঞ্জয় চক্রবর্তী ও মাসুদা খাতুন জুঁই শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের জন্য প্রভাষক পদে মনোনীত হয়েছেন বলে শোনা গেলেও মঙ্গলবার রাতে সিন্ডিকেট সভায় তা পাস হয়।

সূত্র মতে, সিন্ডিকেটে পাস হওয়া সঞ্জয় চক্রবর্তী ভারতের শান্তিনিকেতন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স করেছেন। কিন্তু মাসুদা আক্তার জুঁইয়ের কোনো অনার্স ডিগ্রি নেই। তিনি প্রাচ্যকলা বিভাগ থেকে তিন বছরের ডিগ্রি কোর্স করেছেন।

অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও সঞ্জয় কুমার দেকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। সঞ্জয় কুমার শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের প্রথম ব্যাচের ছাত্র। এছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষাতেই প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ। বিজ্ঞপ্তিতে দেয়া শর্ত অনুযায়ী যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছে কম যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীকে।

এ বিষয়ে বাছাই কমিটির চেয়ারপারসন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরিন আহামদ উত্তেজিতভাবে এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘‘চারুকলার বিষয়ে এত ইন্টারেস্ট কেন? এত ফোন কেন?’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘এই নিয়োগে কোনো ধরনের অবিচার বা অনিয়ম করা হয়নি। সঞ্জয় কুমারের জন্য আমারও খারাপ লাগছে। তবে তার নামে মামলা রয়েছে। মামলা তো আর এমনি এমনি হয়নি, এর পিছনে কারণও তো আছে। যা কিছু রটে তা কিছু সত্যও তো বটে।’’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিথ্যা মামলায় সাক্ষী না দেয়ায় সঞ্জয় কুমার দেকে গৌণ আসামি করে মামলা করা হয়। ওই মামলার তদন্ত শেষে ডিবি সঞ্জয়কে নির্দোষ বলে রিপোর্ট দেয়ার পর তা নিষ্পত্তি হয়ে যায়। গত শনিবার সিলেকশন বোর্ডের আগে তার নামে মামলার উকিল তুষার তালুকদার মামলা পুনরুজ্জীবিত করা হবে বলে প্রো-ভিসিকে চিঠি দেন। সঞ্জয় কুমার দেকে হয়রানি করার জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এক নেতা, যিনি জগন্নাথ হলের ছাত্র, তিনি পুনরায় ওই উকিলকে দিয়ে এটি করিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘সিলেকশন কমিটি বিভিন্ন দিক যাচাই-বাছাই করেই এই নিয়োগের সুপারিশ করেছে। সে অনুযায়ী সিন্ডিকেটে শুধু এই নিয়োগ অনুমোদন করা হয়েছে।’’

এবার আইটেম গানে প্রিয়াঙ্কা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

এবার আইটেম গানে প্রিয়াঙ্কা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
কারিনা কাপুর ও কাটরিনার পর এবার বলিউডের আরেক শীর্ষ অভিনেত্রীর অভিষেক হতে চলেছে আইটেম গানে। তিনি আর কেউ নন,  প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। খুব শিগগিরই আইটেম গানের মাধ্যমে নিজের জাদু ছড়াতে আসছেন এ অভিনেত্রী। এর আগে বেশ কিছু গানে খোলামেলা পারফর্ম করেছেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্ত পরিপূর্ণ আইটেম গানে তাকে অংশ নিতে দেখা যায়নি কখনও।

সম্প্রতি একতা কাপুরের প্রোডাকশনের দুটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। এর মধ্যে একটি হলো ‘শুটআউট এট ওয়াদালা’, যেটি পরিচালনা করছেন সঞ্চয় গুপ্তা। আর অন্য নাম না ঠিক হওয়া ছবিটি পরিচালনা করছেন তিগমানসু ধূলিয়া। এ ছবিটিতে প্রধান নারী চরিত্রে ইমরান খানের বিপরীতে দেখা যাবে তাকে।

এদিকে ‘শুটআউট ওয়াদালা’ ছবিতেই প্রথমবারের মতো একটি আইটেম গানে অংশ নেবেন প্রিয়াঙ্কা। জানা গেছে, আইটেম গানের বাইরে একটি মুজরাও করবেন এ ছবিতে। আর আইটেম গানে প্রিয়াঙ্কা উপস্থাপিত হবেন ব্যাপক খোলামেলাভাবে। গানটিতে প্রিয়াঙ্কার পোশাক, মেকআপ, হেয়ার স্টাইলের জন্য একটি আন্তর্জাতিক টিম নিয়ে আসারও পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত প্রিয়াঙ্কাকে সবচেয়ে গ্ল্যামারাস রূপ দেয়ার জন্য পরিচালকের এই পরিকল্পনা। চলতি বছরেই এই আইটেম গানটির শুটিং হওয়ার কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া বলেন, আসলে অনেক দিন এই ছবিটির শিডিউল দিতে পারছিলাম না। এতোদিন পর একতা কাপুরের দুটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ভালো লাগছে। কারণ, দুটি ছবিরই কাহিনী অনেক চমৎকার। আর প্রথমবারের মতো পূর্ণ আইটেম গানে অংশ নিচ্ছি। এখানে হট প্রিয়াঙ্কাকেই দর্শকরা খুঁজে পাবেন, তবে একটু ভিন্ন আঙ্গিকে। আশা করছি ভালো কিছুই হবে।

হার্ট সার্জারিতে রোবট! :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

হার্ট সার্জারিতে রোবট! :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
শল্যচিকিৎসকদের ছুরি-কাঁচি চালানোর দিন মনে হয় শেষ! অবাক হচ্ছেন? একই সঙ্গে ভাবছেন, তারা কি আর অস্ত্রোপচার করবেন না? না, বিষয়টি এমন নয়। প্রযুক্তি-মাতাল বিশ্বে চিকিৎসকরা এখনো হাত দিয়ে ছুরি-কাঁচি চালাবেন, তা কি আর হয়? ওই কাজটি করার দরকারও নেই। কারণ তাদের সহায়তায় এসে গেছে রোবট সার্জন। এরই মধ্যে রোবট সার্জনের সাহায্যে প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যের নিউ ক্রস হাসপাতালে সফলতার সঙ্গে বাইপাস সার্জারি করা হয়েছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, ২২ বছর বয়সী নাতালিয়া জোন্সের হার্টে একটি ছিদ্র ছিল। তার অস্ত্রোপচারে 'ডা ভিনসি' নামের সার্জারি রোবট ব্যবহার করা হয়। অপারেশনের সময় রোবটটিকে নিয়ন্ত্রণ করেন হার্ট বিশেষজ্ঞরা। তারা থ্রিডি মানের ছবির মাধ্যমে সম্পূর্ণ অপারেশনটি পর্যবেক্ষণ করেন এবং নিয়ন্ত্রণ প্যানেলের সাহায্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

চিকিৎসকরা জানান, প্রচলিত ধারায় রোগীর বুকের একটা অংশ কেটে এ ধরনের অস্ত্রোপচার করা হতো। তবে রোবটের সাহায্যে বুকের পাঁজরের সামান্য অংশ কেটে এ অস্ত্রোপচার করা হয়। তাই প্রচলিত ব্যবস্থার তুলনায় রোবটের সাহায্যে অস্ত্রোপচার বেশি নিরাপদ।

সার্জন স্টিফেন বিলিং বলেন, রোবটের সাহায্যে অস্ত্রোপচারে রোগী তুলনামূলক কম ব্যথা পায়। এ ছাড়া রোগী আগের তুলনায় তাড়াতাড়ি সুস্থও হয়ে উঠবে। জোন্সের হৃৎপিণ্ডের ১ দশমিক ৩ ইঞ্চির ছিদ্রটি মাত্র ৯ ঘণ্টায়ই সেরে ওঠে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরেক সার্জন মনিদ্রার ভাব্রা বলেন, যুক্তরাজ্যে প্রথমবারের মতো রোবটের সাহায্যে বাইপাস সার্জারি করতে পেরে আমরা গর্বিত। সূত্র : বিবিসি।

ফাঁকা হচ্ছে রাজধানী ঢাকা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফাঁকা হচ্ছে রাজধানী ঢাকা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
ঈদের ছুটিতে ফাঁকা হচ্ছে রাজধানী ঢাকা। ২ কোটি ঢাকাবাসীর মধ্যে দেড় কোটিই ঈদ উদযাপন করতে নাড়ির টানে গ্রামের বাড়ি ছুটছে।

রাজধানীর রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে গেছে। আগামীকালের মধ্যে অনেকটা জনশূন্য হয়ে পড়বে রাজধানী। আর জনশূন্য রাজধানীতে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনগণের সহযোগিতা চেয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ।

সড়কের অবস্থা বেহাল। পথে পথে চরম ভোগান্তি পোহাতে হবে। মহাসড়কে থাকবে দীর্ঘ যানজট। ট্রেনের শিডিউলেও বিপর্যয় ঘটতে পারে এতসব দুর্ভোগের আগাম খবর জেনেও মানুষ ঈদ উৎসবের জন্য নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে। ফাঁকা হচ্ছে রাজধানী ঢাকা। রাজধানীর যানজটের চিত্র এখন মহাসড়কে।

বুধবার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল ও দনিয়া কোরবানির পশুরহাট পরিদর্শন করেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। যানজটের কারণ হিসেবে তিনি রাস্তায় গরুর হাট, মহাসড়কে ‘আনফিট’ গাড়ি বিকল হয়ে যাওয়া এবং গরু পরিবহনকারী ট্রাকগুলো ধীর গতিতে চলাচলকে দায়ী করেছেন।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট দূর করতে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ মহাসড়কে বর্তমানে যানজট নেই। সেখানে সড়ক বিভাগ সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তারা রয়েছেন এবং তদারকি করছেন।

যানজট নিয়ে মন্ত্রী বলেন ‘‘যা হওয়ার হয়ে গেছে, যাত্রীদের দুর্ভোগ কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’’ যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। সড়কের অবস্থা এমন বেহাল হলেও মন্ত্রীর দাবি, দেশের কোনো মহাসড়কের অবস্থা বেহাল নেই।

সকাল সাড়ে ১০টায় সচিবালয় ফাঁকা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সকাল সাড়ে ১০টায় সচিবালয় ফাঁকা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 শেষ কার্যদিবসে প্রশাসনের প্রাণ কেন্দ্র সচিবালয় ফাঁকা হয়ে গেছে। সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন ঈদের ছুটির কারণে এ অবস্থা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঘুরে লক্ষ করা গেছে,  প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অনেক সচিব এসেছেন, আবার অনেক সচিব আসেননি। অনেক মন্ত্রণালয়ে শুধু  উপ-সচিব থেকে নিম্নশ্রেণীর কর্মকর্তারা রয়েছেন। অনেক কর্মকর্তা গত মঙ্গলবার অফিস করে চলে গেছেন, আবার অনেক কর্মকর্তা তার বসদের বলে চলে গেছেন।

এদিকে আজ সকালে সচিবালয়ে অনেক কর্মকর্তা এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে ১০টার মধ্যে সচিবালয় ত্যাগ করেছেন। অথচ সকাল থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অফিস করার বিধান রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সচিব বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “ঈদ ও পূজাকে সামনে রেখে অনেক কর্মকর্তা আগেই চলে গেছেন। আর যারা আছেন তারা সকালে অফিসে এসেই স্বাক্ষর করে চলে যাচ্ছেন। তবে এটা নিয়ম নয়।”

এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আব্দুস সোবাহান শিকদারের সাথে কথা হলে তিনি এ বিষয় কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাত ময়দান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাত ময়দান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
পবিত্র হজ পালিত হচ্ছে আজ। সকাল থেকেই আরাফাতের ময়দান মুখরিত হচ্ছে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে। এভাবে তালবিয়া পাঠ করে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজের উপস্থিতি জানাচ্ছেন লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান (হাজি)। মিনা থেকে আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন তারা। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে বসে থাকবেন তারা। মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুতবা দিচ্ছেন সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি আবদুল আজিজ আল শাইখ।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৫০ টিরও বেশি দেশ থেকে এবার প্রায় ২২ লাখ মুসলিম হজ পালন করছেন। বাংলাদেশ থেকে গেছেন এক লাখ ১১ হাজার ২৭৯ জন হাজি।

আজ আরাফাতের ময়দানে খুতবার পর জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন হাজিরা। তারা সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করে পাঁচ কিলোমিটার দূরের মুজদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন। রাতে সেখানে অবস্থান করবেন খোলা মাঠে শয়তানের প্রতিকৃতিতে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় পাথর সংগ্রহ করবেন সেখান থেকে।

শুক্রবার মুজদালিফায় ফজরের নামাজ আদায় করে হাজিরা কেউ ট্রেনে, কেউ গাড়িতে, কেউ হেঁটে মিনায় যাবেন এবং নিজ নিজ তাঁবুতে ফিরবেন। মিনায় বড় শয়তানকে সাতটি পাথর মারার পর পশু কোরবানি দিয়ে মাথা ন্যাড়া করে গোসল করবেন। সেলাইবিহীন দুই টুকরো কাপড় বদল করবেন।

এরপর স্বাভাবিক পোশাক পরে মিনা থেকে মক্কায় গিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ সাতবার তাওয়াফ করবেন। কাবার সামনের দুই পাহাড় সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে ‘সাঈ’ (সাতবার দৌড়াবেন) করবেন। সেখান থেকে তারা আবার মিনায় যাবেন। সেখানে আরো এক বা দুই দিন অবস্থান করে হজের অন্য আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করবেন। মিনার কাজ শেষে আবার মক্কায় বিদায়ী তাওয়াফ করার পর যারা মদিনায় যাননি, তারা মদিনায় যাবেন। যারা আগে মদিনায় গেছেন, তারা নিজ নিজ দেশে ফিরবেন।

Wednesday, October 24, 2012

বেনাপোল সীমান্তে বাংলাদেশীদের লক্ষ্য করে বিএসএফের গুলি :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

বেনাপোল সীমান্তে বাংলাদেশীদের লক্ষ্য করে বিএসএফের গুলি :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট


বেনাপোলের বড় আচড়া সীমান্তে বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশী চোরাকারবারীদের
লক্ষ্য করে বিএসএফ এক রাউন্ড গুলি ছুড়েছে। সীমান্ত এলাকায় বর্তমানে বিরাজ
করছে উত্তেজনা।



বেনাপোল চেকপোস্ট বিজিবি নায়েক সুবেদার আব্দুল্লা জানান, গত কয়েকদিন ধরে
বাংলাদেশী চোরাকারবারীদের ভারতে প্রবেশ নিয়ে ভারত সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ
করছে। সন্ধ্যার দিকে চোরাকারবারীদের একটি দল বড় আচড়া সীমান্তের রেললাইনের
পাশ দিয়ে ভারতে প্রবেশ করার চেষ্টা করলে বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে এক রাউন্ড
গুলি ছোড়ে। এ সময় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।



তবে বাংলাদেশ সীমান্তে বিজিবির শক্তি বৃদ্ধি করা হয়েছে। ভারত সীমান্তেও শক্তি বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।



এ ঘটনায় উভয় সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

সোনারগাঁয়ে স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

সোনারগাঁয়ে স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট


নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে কাঁচপুর এলাকায় চাঁদার দাবিতে এক স্কুলছাত্রী
অপহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে অপহৃত
স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ করেছেন।



ছাত্রীর নাম মারজু (১৪)। সে কাঁচপুর সিনহা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী।



অপহৃত  স্কুলছাত্রীর বাবা রতন জানান, উপজেলার কাঁচপুর সেনপাড়া এলাকার
আলতাফ হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া তারা। একই বাড়ির ভাড়াটিয়া পলাশ ও তার সহযোগী
জাকির আমার কাছ থেকে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে
সন্ত্রাসীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মঙ্গলবার দুপুরে আমার মেয়ে মারজুকে অপহরণ
করে নিয়ে যায়।



সন্ত্রাসীরা মোবাইল ফোনে আমাদের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছে।
দাবিকৃত চাঁদা না দিলে আমার মেয়েকে তারা ফেরত দিবে না বলে হুমকি দিচ্ছে।



সোনারগাঁ থানার অফির্সাস ইনচার্জ (ওসি) হারুন-অর-রশিদ জানান, সিনহা উচ্চ
বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী মারজু ও হিন্দু সম্প্রদায়ের পলাশ একই
বাড়িতে ভাড়া থাকতো বলে শুনেছি। স্কুলছাত্রী অপহরণ কিনা এখনও সঠিক বলা
যাচ্ছে না।



এ ঘটনায় থানায় বুধবার রাতে একটি অভিযোগ নেয়া হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রাজধানীতে শতাধিক অবৈধ পশুর হাট :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজধানীতে শতাধিক অবৈধ পশুর হাট :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দুই সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি ছাড়াই রাজধানীতে গড়ে উঠেছে প্রায় শতাধিক ভ্রাম্যমাণ পশুর হাট।

অসাধু ব্যবসায়ীরা রাস্তার মোড়, সরকারি কলোনি, বিভিন্ন স্কুলের ছোট খেলার মাঠকে পশুর হাট হিসেবে বেছে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা এসব হাট নিয়ন্ত্রণ করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা যায়, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের দুই অংশ মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে ২০টি পশুর হাট ইজারা দিয়েছে। তবে রাজধানী ঘুরে একেবারেই ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। সিটি কর্পেরেশনের দুই অংশেই গড়ে উঠেছে ভ্রাম্যমাণ ছোট ছোট শতাধিক পশুর হাট।

ঢাকা দক্ষিনের কমলাপুর স্টেডিয়াম, মতিঝিল কলোনির কয়েকটি রাস্তার মোড়, ধানমণ্ডির বিভিন্ন সড়ক, আনন্দবাজার ও চানখারপুল, মগবাজার চৌরাস্তা, শান্তিনগর বাজার এলাকায় ছোট ছোট অবৈধ প্রায় অর্ধশত হাট বসেছে।

অবৈধ পশুর হাটে পশু বিক্রির ব্যাপারে মতিঝিল কলোনি বাজারের মোড়ে সিরাজগঞ্জ থেকে পশু বিক্রি করতে আসা মোহাম্মদ আলী বলেন, “এলাকার মানুষের অনুমতি নিয়েই এখানে ভেড়া ও খাসি বিক্রি করছিল। বিক্রি ভালো হলে ওদের মিষ্টি মুখ করাবো।”

তবে ওরা কারা জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে এ প্রতিবেদক কিছু কিনতে এসছেন কিনা জানতে চান।

একাধিক স্থানীয় ও পশু বিক্রেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “প্রত্যেক ঈদেই এসব অবৈধ হাট বসে। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তাদের দলীয় নেতাকর্মীরা এসব অবৈধ হাটের নিয়ন্ত্রণ নেয়। পশুর ধরন বুঝে তারা বিক্রেতাদের থেকে ২০০ হতে সর্ব্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। অবশ্য কখনো কখনো অবৈধ হাটে বিক্রির দিন অনুয়ায়ীও চুক্তি হয়। এখানে দুই হাজার হতে সর্বোচ্চ দশ হাজার পর্যন্ত টাকা নেয়া হয়।”

ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম বলেন, “শুনেছি এমনটি হচ্ছে। কয়েকটি অবৈধ হাট উচ্ছেদও করা হয়েছে।”

অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার গাবতলী এলাকার বেড়িবাধ, বিমান বন্দর সংলগ্ন রাস্তার মোড়, রায়েরবাজার মোড় হতে বাবুবাজার সেতু ও ইংলিশ রোড়ের পার্কেও বসেছে ছোট ছোট পশুর হাট।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা  ফসিউল্লাহ বলেন, “এ ব্যাপারগুলো অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযোগের প্রমাণ পেলে নিয়ম মেনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

অবৈধ এসব হাট সরিয়ে দিতে পুলিশকেও তেমন কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি বলে স্থানীয়রা জানান। উল্টো এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ওসি আবুবকর সিদ্দিক বলেন, “হাটে জায়গা কম। তাই পশু বিক্রেতারা অনেকটা বাধ্য হয়েই হাটের পাশের রাস্তায় বসেছেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যেন ঘটতে না পারে সে ব্যাপারে পুলিশ সতর্ক আছে। অবৈধ পশুর হাট হতে সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা চাঁদা আদায় করছেন এমন অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, “কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। তাছাড়া এমন কিছু ঘটেছে বলে শুনিনি।”   

পুলিশের বক্তব্যের ব্যাপারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইফুল বলেন, “পশু বিক্রেতারা রাস্তায় হয়তো বাধ্য হয়েই পশু বিক্রি করছেন। কেউ চাঁদা নিলে তাদের অধিকাংশই পুলিশকে লিখিত অভিযোগ করতে পারবে না। কারণ, আবেদন করতে যে শিক্ষাগত যোগ্যতা দরকার, অনেকেরই তা নেই। তাই পুলিশ বলেছে, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে।”

৪৮ ঘণ্টায় বর্জ্য অপসারণ করবে ডিসিসি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

৪৮ ঘণ্টায় বর্জ্য অপসারণ করবে ডিসিসি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট




 কোরবানীর ঈদের রাজধানীতে প্রায় চার লাখ পশু কোরবানী করা হবে বলে আশা
প্রকাশ করেছেন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন। এসব পশু থেকে প্রায় ২০ হাজার মেট্রিকটন
বর্জ্য উৎপাদিত হবে।



কোরবানীর পশুর বর্জ্য অপসারণের জন্য নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডের বর্জ্য
ব্যবস্থাপনা বিভাগের সকল কর্মকর্তা  কর্মচারীর ঈদের ছুটি বাতিল করেছে দুই
সিটি কর্পোরেশন।



উভয় সিটি কর্পোরেশন পাঁচ হাজার ১০০ পরিচ্ছন্ন কর্মীর পাশাপাশি এবার আরো অতিরিক্ত দুই হাজার শ্রমিক নিয়োগ দিবে।



ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা
ক্যাপ্টেন বিপন কুমার সাহা বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, কোরবানীর বর্জ্য ৪৮
ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের লক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।



তিনি বলেন, “এবার রাজধানীতে ৪ লাখ পশু জবাই হবে। এসব পশু থেকে ২০ হাজার
মেট্রিকটন বর্জ্য উৎপাদতি হবে। কোরবানীর বর্জ্য যাতে দ্রুততম সময়ের অপসারণ
করা যায় সেজন্য ডিএসসিসির আওতাধীন ১০টি পশুরহাট থেকে পশু ক্রয়কারীদের
জবাইকৃত পশুর বর্জ্য সংরক্ষণে মোট ৬০ হাজার পরিবেশ বান্ধব পলিব্যাগ বিতরণের
ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।”



তিনি বেলন, “বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম এবং পশুর হাট পরিচালনার লক্ষে প্রধান
স্বাস্থ্য কর্মকতার নেতৃত্বে ১৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটিসহ দুটি উপ-কমিটি
গঠন করা হয়েছে।”



বিপন কুমার সাহা বলেন, “সাবিকভাবে কোরবানীর বর্জ্য সংগ্রহ কাজে গতিশীলতা
আনার লক্ষে ৬০০ ভ্যান সার্ভিসের  দুই হাজার ৪০০ জনবলও একাজে নিয়োজিত
থাকবে।”



তিনি বলেন, “কোরবানীর পশুর হাটসহ নগরীকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষে
ডিএসসিসি ১০টি হাটের জন্য ৬টি পে-লোডার, ৫টি টায়ার ডোলার, ২৫টি ডাম্পার,
৪টি ট্রেইলর, ২টি প্রাইম মোভার ও ১০টি পানির গাড়ি সরবরাহ ব্যবস্থা করা
হয়েছে।”



তিনি বলেন, “এছাড়াও কোরবানীর বর্জ্যের দুগন্ধ-রোগ এবং জীবানুর বিস্তার
রোধে স্যাভলন মিশ্রিত পানি দিয়ে জবাইকৃত স্থানটি ধুয়ে ফেলে সাথে সাথে
ব্লিচিং পাউডার ছিটানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর জন্য ২০১ ড্রাম  বিস্নচিং
পাউটার সংরক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিচ্ছন কাজের জন্য চাঁদরাতসহ ঈদের দিন
পর্যন্ত ১১৮টি খোলা গাড়ি, ৩৪টি কন্টেইনার ক্যারিয়ার নিয়োজিত থাকবে।”



বিপন কুমার সাহা বলেন, “মাতুয়াইলে সেনেটারি ল্যান্ডফিলে পরিবেশ সম্মতভাবে
বর্জ্য অপসারণের জন্য ৩টি একেভেটর, ৩টি বুলডোজার, ২টি টায়ার ডোজার
সাবক্ষণিক নিয়োজিত রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”