Pages

Tuesday, September 4, 2012

বিনা পয়সায় ‘শিরোনাম’ নিতে পারবে না গুগল! :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিনা পয়সায় ‘শিরোনাম’ নিতে পারবে না গুগল! :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

 জার্মান সরকার গত বুধবার এক বিতর্কিত আইন অনুমোদন করেছে৷ এই আইনের আওতায় জার্মান পত্রিকার শিরোনাম নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রদর্শনের জন্য গুগলকে পয়সা খরচ করতে হবে৷

গুগল নিউজের সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত৷ সার্চ জায়ান্ট গুগলের নিউজ ওয়েবসাইটটি দেখতে আসলে কোনো পত্রিকার প্রচ্ছদের মতো নয়৷ এই ওয়েবসাইটে সাধারণত বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত সংবাদের শিরোনাম এবং ছবি প্রকাশ করা হয়৷ এসব শিরোনাম বা ছবি বিভিন্ন সংবাদ ওয়েবসাইট থেকে গ্রহণ করা হয়৷ এরপর সেসব শিরোনাম বা ছবিতে ক্লিক করলে তৃতীয় ওয়েবসাইটটিতে সেটি দেখা যায়৷

গুগল ছাড়াও আরো অনেক ওয়েবসাইট এরকম সংবাদ পরিবেশনের সেবা প্রদান করে থাকে৷ তবে এই সেবা নিয়ে বিতর্কও রয়েছে৷ বিশেষ করে যেসব পত্রিকার সংবাদ শিরোনাম এভাবে প্রদর্শিত হয়, তারা এভাবে আর্থিকভাবে লাভবান হন না৷ জার্মান সরকার এই বিষয়টি বিবেচনায় এনে গত বুধবার একটি আইন অনুমোদন করেছে৷ এই আইনের আওতায় গুগলের মতো ‘নিউজ এগ্রিগেটর' ওয়েবসাইটগুলোকে অন্যান্য পত্রিকার সংবাদ শিরোনাম প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্টদেরকে অর্থ প্রদান করতে হবে৷

গুগল জার্মান সরকারের এই উদ্যোগের সমালোচনা করেছে৷ তারা এই আইন প্রকাশের দিনকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং আশা প্রকাশ করে বলেছে, জার্মান সংসদের নিম্ন কক্ষ বুন্ডেসটাগ’র উচিত হবে এই আইন বাতিল করে দেয়া৷

গুগল জার্মানির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘‘ইন্টারনেটে এধরনের হস্তক্ষেপ পৃথিবীতে এই প্রথম৷” এরফলে সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংবাদ পাওয়ার ক্ষেত্র কমে যাবে বলেও দাবি করেন গুগল মুখপাত্র৷

তবে তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ জাকারিয়া স্বপন মনে করেন, এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সমস্যায় পড়বেন না৷ তিনি বলেন, ‘‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ক্ষতির মুখে পড়বে না৷ তার কারণ হচ্ছে, যে নিউজগুলো যেখান থেকে পড়া দরকার, মানুষ সেখান থেকে গিয়েই পড়বে৷”

জার্মান সরকারের আইনে কার্যত কপিরাইট বিষয়ে একটি নতুন ধারা সৃষ্টি করা হয়েছে৷ এতে করে সংবাদ মাধ্যমগুলো তাদের শিরোনামও বিক্রির সুযোগ পাবে৷ জার্মান সরকারের মুখপাত্র স্টেফেন সাইবার্ট এই বিষয়ে বলেন, এই বিল শুধুমাত্র বাণিজ্যিক সংবাদ পোর্টালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে৷ তার মানে হচ্ছে ব্লগাররা, অলাভজনক সংস্থাগুলো, আইনজীবীরা এবং ভোক্তারা সংবাদ শিরোনাম উদ্ধৃতি করে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে পারবে এবং এক্ষেত্রে কোন বাধা নেই৷ তবে এই আইন প্রয়োগের আগে জার্মান সংসদ, বুন্ডেসটাগ’র চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন হবে৷

ওয়েবপোর্টাল প্রিয় ডটকম এর প্রতিষ্ঠাতা জাকারিয়া স্বপন মনে করেন, জার্মান সরকারের মতো বিশ্বের অন্যান্য দেশের সরকারেরও এধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত৷ তিনি বলেন, ‘‘অনলাইন পত্রিকাগুলো একটি ‘বিজনেস মডেল’ তৈরির চেষ্টা করছে৷ যাতে করে তারা একটি টেকসই অবস্থায় পৌঁছাতে পারে৷ এবং সেই অবস্থায় পৌঁছাতে গেলে এই ধরনের কার্যক্রমগুলোকে সমর্থন করতে হবে৷ আমি বলতে চাচ্ছি, জার্মানি এবং অন্যান্য দেশগুলো যে নিয়মের মধ্যে আসছে, যে গুগল অন্যান্য সাইটগুলোকে অর্থ প্রদান করবে, এই ‘ইকো সিস্টেম’ সমর্থন করতে হবে৷”

বলাবাহুল্য, গত কয়েক বছর ধরেই ইউরোপে গুগলের মতো নিউজ ওয়েবসাইটগুলোর সঙ্গে মূলধারার সংবাদপত্রের বিরোধ চলছে৷ ২০০৭ সালে বেলজিয়ামের আদালত সেদেশের সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের প্রথম লাইনে গুগলের নিউজ সাইটে প্রকাশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে৷ ২০০৫ সালে ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপি দাবি করে, গুগল অবৈধভাবে তাদের সংবাদ এবং ছবি সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করছে৷ এই ‘অবৈধ' কর্মকাণ্ড বন্ধে মামলাও করে সংবাদসংস্থাটি৷ দু'বছর পর অবশ্য গুগল এবং এএফপি বিষয়টি মীমাংসা করে ফেলে৷

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটেও এই বিলের সমালোচনা করেছেন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা৷ তবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করায় গণমাধ্যমগুলো আঙ্গেলা ম্যার্কেলের ক্যাবিনেটের ভূয়সী প্রশংসা করেছে৷ সূত্র: ডিডব্লিউ।

মিশর টিভিতে প্রথম হিজাবধারী নিউজ প্রেজেন্টার ফাতমা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

মিশর টিভিতে প্রথম হিজাবধারী নিউজ প্রেজেন্টার ফাতমা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

 মিশরের টেলিভিশনে নারীদের হিজাব পরে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা বা সংবাদ উপস্থাপনার ক্ষেত্রে যে বাধা ছিল তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে, কয়েক দশক পর দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলে রোববার হিজাব পরে প্রথমবারের মতো সংবাদ উপস্থাপন করলেন ফাতমা নাবিল নামে এক প্রেজেন্টার।

গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি মিশরে গণবিপ্লবের মুখে সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মুবারকের পতনের পর দেশটির টেলিভিশন চ্যানেলে নারীদের জন্য হিজাব পরে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা কিংবা সংবাদ উপস্থাপনার পথ খুলে গেছে। মিশর বিপ্লবের পর এখন দেশটির শাসন ক্ষমতায় রয়েছে ইসলামপন্থী ইখওয়ানুল মুসলিমিন এবং সে সুবাদেই সেখানে নারীদের জন্য হিজাব পরে টেলিভিশনে অনুষ্ঠান করা সহজ হয়েছে।

ফাতমা নাবিল রোববার দুপুরে মিশরের চ্যানেল ওয়ান-এ সংবাদ উপস্থাপন করেছেন। এ সময় তার মাথায় ছিল ক্রিম কালারের স্কার্ফ এবং গায়ে ছিল কালো রঙের কোট।

এর আগে মুবারক আমলে হিজাব পরে রেডিও কিংবা টেলিভিশন স্টেশনে নারী কর্মীরা কাজ করতে পারতেন কিন্তু তারা এ পোশাকে পর্দায় আসতে পারতেন না। হোসনি মুবারকের আমলে মিশর ছিল সেক্যুলার রাষ্ট্র। কিন্তু, ইসলামপন্থী নতুন সরকারের তথ্যমন্ত্রী সালাহ আবদেল মাকসুদ শনিবার একটি বেসরকারি টেলিভিশনে বলেন, “হিজাব পরে নারীদের টেলিভিশনে সংবাদ উপস্থাপনের পথে তো কোনো যুক্তিসঙ্গত বাধা দেখি না।”

এদিকে, টেলিভিশনে সংবাদ উপস্থাপনের পর ফাতমা নাবিল বলেছেন, “শেষ পর্যন্ত মিশর বিপ্লব দেশের মিডিয়ায় পৌঁছেছে।”

মিশরীয় নারীদের বেশিরভাগই হিজাব পরে থাকেন। তবে, বিপ্লবের পর দিন দিন দেশটিতে নেকাব ব্যবহারের মাত্রাও বাড়ছে। সূত্র: ওয়েবসাইট।

পঞ্চগড় বন বিভাগের জমিতে অবৈধ পাথর উত্তোলন :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

পঞ্চগড় বন বিভাগের জমিতে অবৈধ পাথর উত্তোলন :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

  পঞ্চগড় সদর থানার মীরগড় ও মাঝবাড়ি (সাতমেড়া) মৌজায় অবস্থিত বন বিভাগের সংরক্ষিত জমির বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন, উডলট বাগানের গাছ অবৈধভাবে কর্তন ও পাচারের অভিযোগে তিনজন বাগান মালির কাছ থেকে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। পঞ্চগড় সদর থানার ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসএফএনটিসি) বাগান মালির ওপর দোষ চাপিয়ে দিয়ে দুনীতি থেকে নিজেকে বাঁচার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
 
অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ, আব্দুল হামিদ বাগান মালি পঞ্চগড় সদর বিটে যোগদানের পর হতে বিট সদর দফতরে অবস্থান করে বিট কর্মকর্তার নির্দেশ মোতাবেক বিভিন্ন মৌজায় টহল দিতেন। সামাজিক বন বিভাগ দিনাজপুর জেলার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আলী আকবর পঞ্চগড় এসএফএনটিসি পরিদর্শনকালে পঞ্চগড় সদর বিটের বাগান মালির টহল এলাকা মীরগড় ও মাঝবাড়ি (সাতমেড়া) মৌজায় বন বিভাগের সংরক্ষিত জমির বিভিন্ন জাযগায় মাটি কেটে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন, উডলট বাগানের গাছ কর্তন ও পাচারের আলামত দেখতে পান। বাগানের মধ্যে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
 
কেন পাথর উত্তোলনকারীদের বাধা দেয়া হয়নি এবং এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবহিত করা হয়নি তা কারো বোধগম্য নয়।
 
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় যে, বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের বাড়ি পঞ্চগড় শহরে হওয়ায় তিনি নানা রকম দুনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। পঞ্চগড় তেতুঁলিয়া উপজেলার একশত জন উপকারভোগী গাছ চাষীদের জন্য ৪০ ভাগ টাকা এক বছর আগে এলেও সে টাকা এখনো গাছ চাষীদের হাতে দেয়া হয়নি। উপরন্তু প্রত্যেক গাছচাষীর কাছ থেকে তিনি দুই শত করে টাকা চাঁদা গ্রহণ করেছেন।
 
এ ছাড়া পঞ্চগড় সদরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীরগড় ও মাঝবাড়ি (সাতমেড়া) মৌজায় বন বিভাগের জমি থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করার সুযোগ দিয়ে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা গ্রহণ করেছেন বলে জানা যায়।
 
কৈফিয়তের বিয়য়ে বাগান মালি মো. আব্দুল হামিদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি গত বছর ১৪ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁও থেকে বদলি হয়ে পঞ্চগড় সদর বিটের অধীন বিষু নারায়নী টহল ফাঁড়িতে যোগদান করি। আমার কর্মস্থল বিষু নারায়নি টহল ফাঁড়িতে। সেহেতু সেখানকার  বাগান/বনাঞ্চল টহল ছাড়া সদর বিটের কোনো মৌজা, বাগান বা বনাঞ্চলে টহল করা বা তৎলগ্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করার সুযোগ আমার ছিল না বা বর্তমানেও নেই। অন্য কোনো ফাঁড়িতে টহলদারি করার জন্য মৌখিক বা লিখিত আদেশ আমাকে দেয়া হয়নি। এর অন্যথা হলে ইতিপূর্বেই আমার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ আমাকে কৈফিয়ত তলবসহ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন। 
 
পঞ্চগড় সদরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামকে বাগান মালির কৈফিয়ত ও দুনীতির বিষয়ে বললে তিনি বলেন, বাগান মালি তিনজনকে সামাজিক বন বিভাগ দিনাজপুর অফিস কৈফিয়ত তলব করেছে। আমি সম্পূর্ণ দুনীতিমুক্ত। বাগান মালিরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলেছে। বাগান মালিদের নামে অনেক অভিযোগ আমার কাছে রয়েছে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির কাণ্ডারী দুই শিক্ষক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির কাণ্ডারী দুই শিক্ষক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

 আগামী দুই বছরের জন্য দেশের তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবীদের সবচেয়ে পুরানো সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির (বিসিএস) অভিভাবকের দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক। সরকারের দুই আমলাকে হারিয়ে বিসিএস-২০১২ এর নির্বাচনে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজুল ইসলাম এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী জাহিদুর রহমান।

এই দুই শিক্ষকের নেতৃত্বেই গত শুক্রবার বিসিএস কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছেন ড. মাহফুজ-কাজি জাহিদ প্যানেলের পাঁচ প্রার্থী। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সভাপতি পদে বুয়েটের কম্পিউটার কৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজুল ইসলাম ৫০১ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সরকারের অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ২০১ ভোট।

প্রায় সাড়ে তিন হাজার ভোটারের মধ্যে ৭০১ জন ভোটার কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে নিজেদের ভোট প্রদান করেন। নির্বাচনে মহাসচিব পদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের সহকারি অধ্যাপক কাজি জাহিদুর রহমান (৪৫৯) ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী রাবিউল কায়সারকে (২২০) পরাজিত করেন।

নির্বাচনে অন্য বিজয়ীরা হলেন- ইয়াহিয়া তাহের (কোষাধ্যক্ষ), রাহাত হোসেন ফয়সল যুগ্ম সম্পাদক (একাডেমিক), আবদুর রহমান খান জিহাদ যুগ্ম সম্পাদক (ফিন্যান্স) এবং খান মোহাম্মদ কায়সার যুগ্ম সম্পাদক (এডমিন)।

এছাড়া সহ-সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বদ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আবদুস সোবহান, মিজানুর রহমান সিদ্দিক এবং এস এম তোফায়েল আহমেদ।

তিন মাস ধরে বৈদেশিক কল থেকে বঞ্চিত সৈয়দপুরবাসী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

তিন মাস ধরে বৈদেশিক কল থেকে বঞ্চিত সৈয়দপুরবাসী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

  প্রায় তিন মাস ধরে বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) সৈয়দপুর টেলিফোন এক্সচেঞ্জ’র বৈদেশিক বহির্গমন কল (আইএসডি) সেবা। ফলে প্রতি মাসে কয়েক লাখ টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।
 
আইএসডি কলের সব কারিগরি সুবিধা থাকলেও গত জুন থেকে সৈয়দপুর টেলিফোন এক্সেচেঞ্জ থেকে দেশের বাইরে ফোন করতে পারছেন না স্থানীয়রা। আইএসডি কল ব্যবহারকারী এমন একজন ভুক্তভোগী সৈয়দপুরের অ্যাগ্রো রিসার্চ কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী মো. নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তিন মাস ধরে তিনি বিদেশে আউটগোয়িং কল সুবিধা পাচ্ছেন না। এতে তার রফতানি বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
 
গ্রাহকদের এমন অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেননি বিটিসিএল’র সৈয়দপুর এক্সচেঞ্জের সহকারী প্রকৌশলী (এই) মো. রফিকুল ইসলাম। বেশ কিছুদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্য, পাকিস্তান, ইউরোপ ও আমেরিকায় কোনো কল যাচ্ছে না স্বীকার করে তিনি বলেন, তবে এক্সেস কোড অর্থাৎ ০১২ ডিজিট ব্যবহার করে ৫৫টি দেশে বহির্গমন কল সুবিধা স্বাভাবিক রয়েছে। কেবল কান্ট্রি কোড ব্যবহার করে সরাসরি বৈদেশিক কল সুবিধা পাচ্ছে না এখানকার টেলিফোন গ্রাহকরা।
 
আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে ‘দ্রুত এ ত্রুটি অপসারণে কাজ করা হবে’ বলে জানিয়েছেন বিটিসিএলের রংপুর বিভাগীয় মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. আসাদুল ইসলাম।
 
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈদেশিক কল করতে না পারার বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে মাসের পর মাস কেটে গেলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

প্রসঙ্গত, ১৯০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সৈয়দপুর টেলিফোন এক্সচেঞ্জটি। গত ২০০৬ সালে চার হাজার লাইনের ওই এক্সচেঞ্জটি ডিজিটালে উন্নীত করা হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠা থেকেই এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে অধিকসংখ্যক আইএসডি কল হয়ে থাকে। টেলিফোনে এ কল করতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন আমদানি- রফতানিকারকরা।

মিশরের বিপ্লব নিয়ে ছবির মহরত ভেনিসে :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

মিশরের বিপ্লব নিয়ে ছবির মহরত ভেনিসে :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 আমর ওয়াকেদ, সালেহ আল হানাফি এবং ফারাহ ইউসূফ অভিনীত ছবি ‘উইন্টার অফ ডিসকন্টেন্ট’ এর মহরত হচ্ছে ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে৷ মিশরে গণবিপ্লবের সময় এই ছবিটি তৈরি করেন ইব্রাহিম বাটুট৷

অভিনেতা আমর ওয়াকেদ এই ছবি সম্পর্কে বলেন, ‘‘আমরা অত্যন্ত অনিশ্চিত পরিস্থিতির মধ্যে ছবিটির জন্য কাজ করেছিলাম৷ বিপ্লব তখন পুরোদস্তুর চলছে, সবদিকে বিশৃঙ্খল অবস্থা, মানুষের ভিড় ছিল সর্বত্র৷ কিন্তু আমরা এই ঘটনা থেকেই উৎসাহ পেয়েছিলাম৷ বিপ্লব থেকে পাওয়া সৃষ্টিশীল শক্তি আমাদেরকে সাহস জুগিয়েছে৷”

২০১০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি৷ সেদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের পদত্যাগের মাত্র একদিন আগের এই দিনটিতে তাহরির চত্বরে শুটিং শুরু করে ছবিটির নির্মাতা দল৷ তাহরির চত্বর ছিল মিশরের স্বৈরশাসক হোসনি মুবারকের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু৷ তাই ‘উইন্টার অফ ডিসকন্টেন্ট’ ছবির শুরুর দৃশ্যগুলোর জন্য সেটাই ছিল উপযুক্ত জায়গা৷

ভেনিসে গত ২৯ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া চলচ্চিত্র উৎসব চলবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত৷ এই উৎসবে ছবিটির মহরত অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷ ছবিতে ফারাহ ইউসূফ একজন টিভি সাংবাদিক হিসেবে অভিনয় করেছেন৷ মিশরের সরকার নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমের কড়া বিধিনিষেধ অতিক্রমের চেষ্টা করেন এই সাংবাদিক৷ আমর নামক একজন রাজনৈতিক কর্মীর বান্ধবী তিনি৷

মিশরের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে নির্মিত এই ফিচার ফিল্মে একপর্যায়ে বন্দি হন আমর৷ বন্দি অবস্থায় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার সঙ্গে পরিচয় ঘটে এক রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তার, যিনি কিনা দেশের প্রতি তথাকথিত ভালোবাসার কারণে সেদেশের সাধারণ নাগরিকদেরকে নির্যাতন করতে দ্বিধা করেন না৷ এভাবেই এগিয়ে যায় ছবির কাহিনি৷

ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করায় এই ছবি আন্তর্জাতিক নজর কুড়িয়েছে, সেকথা স্বীকার করলেন অভিনেতা সালেহ আল হানাফি৷ মিশরের গণবিপ্লবের পর সেদেশের চলচ্চিত্র ক্ষেত্রেও নতুন করে জেগে উঠেছে, মনে করেন ৪০ বছর বয়সি আল হানাফি৷ সূত্র: ডিডব্লিউ।

বিগ বি’র ৭০তম জন্মদিনে নিমন্ত্রিত ১০০০ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিগ বি’র ৭০তম জন্মদিনে নিমন্ত্রিত ১০০০ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 সত্তরের দশকের অ্যাঙ্গরি ইয়ং ম্যান থেকে হট সিটের ওয়াইজ ওল্ড সঞ্চালক। `সিলসিলা`র প্রেমিক পুরুষ থেকে অশীতিপর দাদামশায়ে উত্তরণ। চার দশক অতিক্রম করেও আজও তিনি বলিউডের শাহেনশা। সেই মানুষটিরই ৭০ বছরের জন্মদিন আগামী ১১ অক্টোবর। সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে আপাতত গালা ডিনারের আয়োজনে ব্যস্ত তার ৩৯ বছরের জীবনসঙ্গিনী জয়া বচ্চন।

স্ত্রী জয়া চান তার জীবনের বিশেষ মানুষটির জন্মদিন উদযাপিত হোক একেবারে ফিল্মি কায়দায়। মুম্বাইয়ের এক বিলাসবহুল পাঁচতারা হোটেলে এক হাজার লোকের পাত পড়বে সেদিন। শুধু তাই নয়, তারকাখচিত সেই অনুষ্ঠানে বলরুম আলোকিত করতে সুদূর সাগরপার থেকে উড়ে আসছেন আর্টিস্টরা। দিল্লির একটি দৈনিকে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বিগ বি`র বার্থডে পার্টিই হতে চলেছে এযাত্‍কালের বলিউডের সবথেকে গ্র্যান্ড গালা।


গত মে মাসে করণ জোহরের ৪০তম জন্মদিনের পার্টি ছিল এখনও পর্যন্ত টিনসেল টাউনের সবথেকে চর্টিত গালা। বিগ বি`র বার্থডে পার্টি নাকি ছাপিয়ে যেতে চলেছে করণের পার্টিকে। আর হবে নাই বা কেন। আফটার এল এর পিছনের মাস্টারমাইন্ডটি যে দ্য লেডি অফ হিস লাইফ!  সূত্র: জিনিউজ।

হুমায়ূনের শেষ ছবি ‘ঘেটুপুত্র কমলা’র মুক্তি শুক্রবার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

হুমায়ূনের শেষ ছবি ‘ঘেটুপুত্র কমলা’র মুক্তি শুক্রবার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

  ইমপ্রেস টেলিফিল্মের প্রযোজনায় নন্দিত চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত শেষ চলচ্চিত্র ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার। ঢাকার বলাকা সিনেওয়ার্ল্ড ও স্টার সিনেপে¬ক্সে। ছবিটি পর্যায়ক্রমে সারাদেশব্যাপী মুক্তি পাবে। ছবিটির কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন হুমায়ূন আহমেদ।

হুমায়ূন আহমেদ চিকিৎসারত অবস্থায় শেষবারের মতো দেশে এসেছিলেন গত মে মাসে। তখন তিনি তার শুভানুধ্যায়ী, বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের নিয়ে স্টার সিনেপে¬ক্সে ছবিটির বিশেষ প্রদর্শনী উপভোগ করেছিলেন। তার মনের আশা ছিল স্বঘোষিত শেষ ছবিকে তিনি বিশ্বব্যাপি রিলিজ দেবেন। কিন্তু অসুস্থতার জন্য পরবর্তীতে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে পারেননি।

এ ছবিতে অভিনয় করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছে তারিক আনাম খান, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, মুনমুন আহমেদ, মাসুদ আখন্দ, তমালিকা কর্মকার, শামিমা নাজমিন, প্রাণ রায়, বাউলশিল্পী কুদ্দুস বয়াতী ও তার দল,  অনি, প্রাপ্তি, আইনুন নাহার পুতুল, আব্দুল্লাহ রানা ও রফিকুল ইসলাম, এহসান। ঘেটুপুত্র কমলা’র কেন্দ্রীয় চরিত্রের অভিনেতা শিশুশিল্পী মামুন।

ছবির স্যুটিং হয়েছে হবিগঞ্জে। ছবির চিত্রগ্রহণ করেছেন মাহফুজুর রহমান খান। সম্পাদক ছলিম উল্লাহ ছলি। আবহ সঙ্গীত ইমন সাহা। সঙ্গীত পরিচালক মাকসুদ জামিল মিন্টু ও এস আই টুটুল। কণ্ঠশিল্পী ফজলুর রহমান বাবু, শফি মন্ডল ও প্রান্তি।
কোরিওগ্রাফি মেহের আফরোজ শাওন। শিল্প নির্দেশক মাসুম রহমান। রূপসজ্জা খলিলুর রহমান। পোষাক পরিকল্পনা এস এম মাঈনুদ্দিন ফুয়াদ। শব্দগ্রহণ ও পুর্ণ শব্দ সংযোজন ধ্বনি চিত্র লিঃ। সম্পাদনা লীলাচিত্র। চলচ্চিত্রটি নিবেদন করেছে প্রাণ ঝালমুড়ি।

কাহিনী বিন্যাস- প্রায় দেড়শ্ বছর আগে হবিগঞ্জ জেলার জলসুখা গ্রামের এক বৈষ্ণব আখড়ায় ঘেটুগান নামে নতুন সঙ্গীত ধারা সৃষ্টি হয়েছিল। মেয়েদের পোশাক পরে কিছু রূপবান কিশোর নাচগান করত। এদের নামই ঘেটু। গান হতো প্রচলিত সুরে, যেখানে উচ্চাঙ্গসঙ্গীতের প্রভাব ছিল স্পষ্ট। অতি জনপ্রিয় এই সঙ্গীত ধারায় নারীরুপী কিশোরদের উপস্থিতির কারণেই এর মধ্যে অশ্লীলতা ঢুকে পড়ে। বিত্তবানরা এইসব কিশোরকে যৌনসঙ্গী হিসেবে পাবার জন্যে লালায়িত হতে শুরু করেন। একসময় সামাজিকভাবে বিষয়টা স্বীকৃতি পেয়ে যায়। হাওর অঞ্চলের শৌখিনদার মানুষ জলবন্দি সময়টায় কিছুদিনের জন্যে হলেও ঘেটুপুত্র নিজের কাছে রাখবেন এই বিষয়টা স্বাভাবিকভাবে বিবেচিত হতে থাকে। শৌখিনদার মানুষের স্ত্রীরা ঘেটুপুত্রকে দেখতেন সতীন হিসেবে। 

ক্যামেরার পিছনেও মহিলাদের চাই :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

ক্যামেরার পিছনেও মহিলাদের চাই :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 এবারকার ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে যে ৫২টি ছবি দেখানো হচ্ছে, তার মধ্যে ২১টি ছবির পরিচালক মহিলা৷ উৎসব শুরু হয়েছে মিরা নায়ার’এর ‘‘দ্য রিলাকটান্ট ফান্ডামেন্টালিস্ট’’ ছবিটি দিয়ে৷ দৃশ্যত যুগ বদলাচ্ছে৷

ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের পরিচালক আলবের্তো বার্বেরা বলেছেন, মহিলা চিত্রপরিচালকদের জন্য কোনো কোটা ছিল না৷ এক শতকের বেশি ধরে সিনেমা প্রধানত একটি পুরুষ-অধ্যুষিত পরিবেশ ছিল৷ এখন সিনেমাও উপলব্ধি করেছে যে, মহিলাদের একটি নিজস্ব সৃজনীশক্তি আছে৷

ভেনিসে এবার গোল্ডেন লায়ন পুরস্কারের জন্য যে ১৮টি ছবি প্রতিযোগিতায় নামছে, তাদের মধ্যে চারটির পরিচালক মহিলা৷ নায়ার অবশ্য মহিলা পরিচালক প্রসঙ্গে ভেনিসে আয়োজিত একটি সম্মেলনে বলেছেন যে, তিনি চিরকালই মহিলাদের সম্ভাবনায় বিশ্বাস করে এসেছেন এবং নিজে মহিলা হওয়াটাকে কোনোদিনই তার শিল্পকলার পথে প্রতিবন্ধক বলে মনে করেননি৷ এছাড়া মহিলারা এমন কিছু বাস্তবের সন্ধান জানেন, পুরুষরা যা থেকে বঞ্চিত, বলে নায়ার মন্তব্য করেন৷

জোই কাসাভেটিস’র মতো মার্কিন মহিলা চিত্রপরিচালকরা আবার ওই তকমাটাকে কিছুটা একপেশে, একঘরে করা বলে মনে করেন৷ ইটালির গিয়াদা কোলাগ্রান্দে আবার মনে করেন, ইটালিতে ওটা সত্যিই একটা সমস্যা, কেননা এখানে মনোবৃত্তি মান্ধাতার আমলের এবং চিত্রপরিচালকদের মাত্র পাঁচ কি ছয় শতাংশ মহিলা৷

ইউরোপ-অ্যামেরিকাতেই যদি এই দশা হয়, তাহলে সৌদি আরবে যে কী পরিস্থিতি হবে, তা সহজেই আন্দাজ করা যেতে পারে৷ এই প্রথম ভেনিসে একটি সৌদি কাহিনিচিত্র প্রদর্শিত হচ্ছে৷ এবং তার পরিচালক এক মহিলা৷

হাইফা আল মনসুর’র ‘ওয়াজদা’ এক আশ্চর্য কাহিনি৷ এক সৌদি কিশোরী, এক টিনেজারের সাইকেল কেনার স্বপ্নকে ঘিরে বোনা ছবিটিতে রক্ষণশীল সৌদি সমাজে নারী স্বাধীনতার সীমানাগুলোকে পরখ করে দেখা হচ্ছে৷ তিনি ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনাটাকেই দেখাতে চেয়েছিলেন, বলেছেন আল মনসুর৷

মনসুরের ছবির সৌদি কিশোরী যেমন পশ্চিমি গান এবং ফ্যাশনের ভক্ত হওয়ার ফলে বিপদে পড়ে, ছবি তৈরি করতে গিয়ে আল মনসুরকেও কম ঝামেলা পোহাতে হয়নি৷ কিছু এলাকায় ভ্যানে বসে ওয়াকি-টকি হাতে চিত্রপরিচালনা করতে হয়েছে, কেননা মহিলা হিসেবে তিনি প্রকাশ্যে পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করতে পারেন না৷

সৌদি আরবে ফিল্ম বলে কিছু নেই, প্রকাশ্যে ফিল্ম প্রদর্শন নিষিদ্ধ৷ মনসুরকে প্রযোজক যোগাড় করতে জার্মানি অবধি যেতে হয়েছে৷ তবে যে সব সৌদি সংস্থা ছবিটিতে অর্থ প্রদান করেছে, তাদের মধ্যে সৌদি রাজ পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত রোতানা স্টুডিওস’ও আছে৷ এখানেই আগামীতে পরিবর্তনের অগ্রদূত দেখছেন হাইফা আল মনসুর। সূত্র: এএফপি।

গাছ-বাড়ি নির্মাণ করবেন জে.কে রাওলিং :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

গাছ-বাড়ি নির্মাণ করবেন জে.কে রাওলিং :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 রূপকথা আর বাস্তব কি কখনো এক হয়! মাঝে মাঝে এক করলে কিন্তু মন্দ হয় না। আর কল্পনাকে গেঁথে যিনি পর্দায় বাস্তবাকারে ফুটিয়ে তোলেন বিষয়টা সেই জে.কে রাওলিংয়ের চেয়ে ভালো করে আর কেই বা বুঝবেন। কল্পনার একটি ধারণাকে বাস্তব করতে চলেছেন হ্যারি পটার সিরিজের বিখ্যাত লেখিকা রাওলিং।

লেখিকা জে.কে রাওলিং নিজের সন্তানদের কাছে ভীষণ প্রিয় একজন মা। রাওলিং বাস্তব জীবনে তিন সন্তানের জননী। জনপ্রিয় এই লেখিকা নিজ সন্তানদের বিনোদনের উদ্দেশ্যে একটি সুদৃশ্য গাছ-বাড়ি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার এই সিদ্ধান্তের কথা তিনি সম্প্রতি নিউ ইয়র্কের টাইম এন্টারটেইনমেন্টের কাছে প্রকাশ করলেন।

কল্পকাহিনী হ্যারি পটারের ‘হগওয়ার্ট, দ্য উইজারর্ডিং স্কুল’ পর্বে রাওলিং দেখিয়েছেন অদ্ভুত সুন্দর একটি গাছবাড়ি। ধারণাটা কল্পকাহিনীতে ব্যবহার করলেও তখন থেকেই বিষয়টা মাথায় গেঁথে গিয়েছিল। আর এখন সেটাই সত্যিতে রূপান্তরিত করছেন। রাওলিং এডিনবার্গে অবস্থিত তার নিজ সাবারবান ম্যানসনের একটি গাছে নির্মাণ করবেন সুন্দর একটি গাছ-বাড়ি। ম্যানসনটি ১৭ শতকের পুরানো। গাছ-বাড়িটি হবে ৪০ ফুট উঁচু। ঠিক হটওয়ার্টের সেই বাড়িটির অনুরূপ।

গাছ-বাড়ি নির্মাণে খরচ পড়বে আড়াই লাখ ডলার। পরিকল্পনা অনুযায়ী গাছ-বাড়িতে বাচ্চাদের জন্য আলাদা আলাদা সিঙ্গেল রুম থাকবে, গোপন সুরঙ্গ থাকবে, দড়ির সেতু থাকবে, কপিকল ও অগ্নিনির্বাপক পোল থাকবে, থাকবে সর্পিল সিঁড়ি। আরো অনেককিছুই থাকবে প্রয়োজন অনুযায়ী। সন্তানদের জন্য কি অদ্ভুত স্বপ্নের ভুবন!

তবে জে.কে রাওলিংয়ের এই আশায় বাধ সেজেছেন তার কিছু প্রতিবেশী। ক্র্যামন্ড ও বার্নটন সম্প্রদায়ভুক্ত প্রতিবেশীদের মতে গাছ-বাড়ির কাঠামো সেখানকার আশেপাশের ভূচিত্র ও সংরক্ষিত এলাকার ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে।

এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এডিনবার্গের প্ল্যানিং অ্যান্ড বিল্ডিং স্ট্যার্ন্ডাডের প্রধান জন বিউরি বলেছেন, গাছ-বাড়ি সংরক্ষিত এলাকার জন্যে কোনো রকম খারাপ প্রভাব ফেলবে না। সুতরাং রাওলিং গাছ-বাড়ি নির্মাণের অনুমতি পেয়ে গেছেন। কি মজা! রাওলিংয়ের সন্তানদের নিশ্চয়ই এখন আর তর সইছে না।

উত্তম কুমারের জন্মদিন আজ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

উত্তম কুমারের জন্মদিন আজ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 কে প্রথম কাছে এসেছি/কে প্রথম চেয়ে দেখেছি/কিছুতেই পাই না ভেবে/কে প্রথম ভালোবেসেছি-তুমি না আমি!
 
অথবা-
সূর্য ডোবার পালা আসে যদি আসুক বেশ তো/ গোধুলির রঙে হবে এ ধরনী স্বপ্নের দেশ তো/বেশ তো, বেশ তো।
 
আবার-
যদি হই চোরকাটা ওই শাড়ির ভাঁজে/দুষ্টু যে হয় এমন কষ্ট তারই সাজে/ যদি হই কাঁকন তোমার ওই হাতে/রিনিঝিনি বাজবো আমি দিনে রাতে/চেয়েও আমায় চাওনা যে-
 
মনে পড়ছে এই গানগুলো? সব বয়সী বাঙালির প্রাণের গান। অসম্ভব ব্যক্তিত্বের অধিকারী মহানায়ক উত্তম কুমারের ঠোঁটে গানগুলো কি অসাধারণ হয়েই না উঠেছিল। আজ ৩ সেপ্টেম্বর মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মদিন।
 
উত্তম কুমারের আসল নাম অরুন কুমার চ্যাটার্জি। তিনি ১৯২৬ সালের এই দিনে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার সাউথ সাবারবান স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন। ভর্তি হন গোয়েঙ্কা কলেজে। মধ্যবিত্ত পরিবারের হাল ধরার জন্যে গ্র্যাজুয়েশন শেষ না করেই কলকাতা পোর্টে কেরানীর চাকরি শুরু করেন।
 
মঞ্চে কাজ করার সময়ই অভিনয়ের প্রেমে পড়েন। মায়াডোর নামের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান কিন্তু শেষপর্যন্ত ছবিটি মুক্তি পায়নি। উত্তম কুমারের প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি দৃষ্টিদান। উত্তম কুমার সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেন সাড়ে চুয়াত্তর ছবিতে অভিনয় করে। এই ছবিতে প্রথমবারের মতো তার সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়েছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুচিত্রা সেন। সেই থেকে ইতিহাস সৃষ্টি শুরু হলো। বাংলা চলচ্চিত্রে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও সফল জুটি উত্তম-সুচিত্রা। দুজনেরই বিয়ের পর চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটেছে।
 
হারানো সুর, সপ্তপদী, পথে হল দেরি, আনন্দ আশ্রম, নায়ক, চাওয়া পাওয়া, বিপাশা, সাগরিকা, খেলাঘর, ভ্রান্তিবিলাস, উত্তরায়ন একের পর এক ছবিতে দর্শকদের মনে ঠাঁই করে নেন উত্তম কুমার। ছোটি সি মুলাকাত, দেশপেমী, মেরা করম মেরা ধরম- নামের কয়েকটি হিন্দি ছবিতেও তিনি অভিনয় করেছেন। সবার আইডলে পরিণত হয়েছেন। হয়ে ওঠেছেন মহানায়ক। এ্যান্টনি ফিরিঙ্গি ও চিড়িয়াখানা ছবিতে অসামান্য অভিনয় দক্ষতার জন্য উত্তম কুমার এই দুই ছবিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
 
অভিনয়ে আসার আগেই পারিবারিক পছন্দে বিয়ে করেছিলেন গৌরি চট্টোপাধ্যায়কে। প্রেমিক পুরুষ হিসেবে সবার কাছে আকাঙ্ক্ষিত ছিলেন তিনি। তার সঙ্গে একাধিক নায়িকার প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে গুঞ্জন উঠেছে। দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন অভিনেত্রী সুপ্রিয়া দেবীকে। যদিও বিয়ের বৈধ কোনো দলিল নেই। সুপ্রিয়া দেবীও জানতেন উত্তম কুমারের বহু সম্পর্কে জড়িয়ে যাবার কথা। ভালোবাসতেন বলে মেনে নিয়েছিলেন অনেক কিছুই। স্ত্রী গৌরির ঘরে গৌতম চট্টোপাধ্যায় নামে এক সন্তান জন্মগ্রহণ করে। উত্তম কুমারের নাতী গৌরব টালিউড অভিনেতা।
 
উত্তম কুমার ছিলেন একজন ভার্সেটাইল অভিনেতা। সব ধরনের চরিত্রে নিজেকে উপস্তাপন করেছেন। বাঙালির মনের কোনে তিনি রোমান্টিক ইমেজ ধারণ করলেও প্রতিমুহূর্তে নিজেকে ভেঙে-চুরে নতুন করে আবিষ্কার করতে চেয়েছেন। নতুন কিছু জানার তৃষ্ণা তার মধ্যে ছিল প্রবল। ভালো করে ইংরেজি বলার আকাঙ্ক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত অভিনেতা থাকাকালীই বাড়িতে শিক্ষক রেখে ইংরেজি শিখেছেন। আর পছনদ করতেন খেতে। স্ত্রী সুপ্রিয়া দেবীর হাতের নানা পদের মুখরোচক রান্না ছিল মহানায়কের ভীষণ প্রিয়।
 
দ্রুত মুটিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিয়েছিল। গুরুপাক সমস্ত খাবারের প্রতি একসময় ডাক্তার নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন। কিন্তু উত্তম কুমার সেসব একদম গায়ে লাগাননি। ১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।

নিজের জন্য ট্রাক কিনলেন আরনল্ড সোয়ার্জনেগার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

নিজের জন্য ট্রাক কিনলেন আরনল্ড সোয়ার্জনেগার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 প্রত্যেকটা মানুষের ভেতরেই থাকে বাহারি রঙের শখ। শখের তোলা নাকি লাখ টাকা। টাকার হিসেবে শখকে অবমূল্যায়িত করা কখনো ঠিক নয়। কারণ জীবনের নানাধাপে শখ পরিবর্তিত হয় কিন্তু তাই বলে প্রত্যেকটা সময়ের আবেদন তো ফেলনা নয়। সাবেক অলিম্পিয়া বডি বিল্ডার চ্যাম্পিয়ন হলিউড অভিনেতা আরনল্ড সোয়ার্জনেগার বিষয়টা বুঝিয়ে দিলেন। সম্প্রতি তিনি কিনেছেন একটি মনস্টার সাইজের ট্রাক। দাম আড়াই লাখ ডলার।
 
দুদিন আগে সান্তা মনিকায় ট্রাক চালনারত অবস্থায় দেখা গেল ক্যালিফোর্নিয়ার সাবেক গভর্নর সোয়ার্জনেগারকে। ‘মার্সিডিস বেঞ্জ ইউনিমগ ইন সিলভার’ গাড়িটি সাধারণত আর্মিদের ব্যবহার করতে দেখা যায়। প্রচণ্ড শক্তিশালী এই গাড়িটিকে জঙ্গলে দাবানল নেভানোর কাজে, ভয়ঙ্কর সব উদ্ধার তৎপরতা চালাতে অথবা পাওয়ার সাপ্লাই লাইনের কাজে ব্যবহার করা হয়। আর এই গাড়িটিকেই কিনা আর্নি ব্যবহার করছেন চলতে ফিরতে রাস্তায়! ওহ আচ্ছা! আরনন্ড সোয়ার্জনেগারকে সবাই ভালবেসে আর্নি বলে ডাকে।
 
যাই হোক! টার্মিনেটর, দ্য এক্সপেনডেবল টু- খ্যাত অভিনেতা আর্নির গাড়িটি কিন্তু ইর্ষা জাগানোর মতোই। তবে মেয়ে ভক্তরা তো ভীষণ খুশি।
 
এদিকে কথা উঠেছে আর্নি আর আগের মতো বডি বিল্ডিংয়ে মন দিচ্ছেন না। আর্নি বলেন, ‘বুড়িয়ে যাওয়াটা সবার জন্যেই বেশ বিপত্তির, শরীরের কার্যক্ষমতা কমে যায়, মাসল আর আগের মতো কথা শুনে না, ফাইটিং দৃশ্যগুলোর সঙ্গে তাল মেলানো কঠিন হয়ে যায়। তাতে কি! কিছু যায় আসে না। এই আছি বেশ।’ সূত্র: এনডিটিভি

আজ থেকে নতুন ধারাবাহিক ‘কাগজের বাড়ি’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

আজ থেকে নতুন ধারাবাহিক ‘কাগজের বাড়ি’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 অরুণ চৌধুরী’র রচনা ও পরিচালনায় ‘কাগজের বাড়ি’ নাটকে অভিনয় করেছেন- রাইসুল ইসলাম আসাদ, সূবর্ণা মুস্তাফা, তারিন জাহান, সাব্বির হাসান, মেহরিন নিসা, নয়ন হোসেন, তিনু করিম, এলিন প্রমুখ। সোমবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন এই ধারাবাহিকটি।
 
কাহিনী সংক্ষেপ: এক ক্ষয়িষ্ণু জমিদার বাড়ির গল্প। পূর্ব পুরুষ থেকে প্রাপ্ত এক বিশাল জমিদার বাড়ি। বেশকিছু জমিজমা, অলংকার ছাড়া রাইসুল ইসলাম আসাদ সাহেবদের অবশিষ্ট আর কিছুই নেই। সম্পদ, অর্থ-বিত্তের দিকে তার তেমন মনযোগও নেই। সারাদিন তিনি বাড়ির বিশাল লাইব্রেরিতে পড়ে থাকেন। আসাদ সাহেবের স্ত্রী সূবর্ণা। তাদের একমাত্র কন্যা মেহরিন।
 
পরিবারের সবাইকে নিয়ে মোটামুটি সুখেই কাটছিল। এক সকালে গ্রাম থেকে উন্নত শিক্ষার জন্য এই বাড়িতে এসে উপস্থিত হন সূবর্ণার খালাম্মার মেয়ে তারিন। কিন্তু তারিনের উপস্থিতি এই বাড়িতে ডেকে আনলো নতুন জটিলতা। গল্পের একপর্যায়ে তারিন অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই বাড়িতে অসুস্থ তারিনের চিকিৎসা চললো, বড় ডাক্তার দেখানো শুরু হলো। শুরু হলো নতুন কাহিনী।
 
এনটিভিতে আজ রাত ৮.১৫ মিনিটে প্রচার হবে নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘কাগজের বাড়ি’। নাটকটি প্রতি সপ্তাহের সোম ও মঙ্গলবার প্রচার হবে।

অস্কার বাছাই কমিটিতে চলচ্চিত্র জমার শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

অস্কার বাছাই কমিটিতে চলচ্চিত্র জমার শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 প্রতি বছরের মতো এবারো ৮৫তম অস্কার বিদেশী ভাষা বিভাগে প্রতিযোগিতার জন্য বাংলাদেশের ছবি মনোনয়নের জন্য বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ প্রযোজকদের কাছে চলচ্চিত্র আহ্বান করেছে।

বিএফএফএস’র সভাপতি চলচ্চিত্র প্রযোজক হাবিবুর রহমান খানকে চেয়ারম্যান সদস্য করে মোট নয় সদস্যের ‘৮৫ তম অস্কার বাংলাদেশ কমিটি’ গঠন করেছে বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ।

কমিটির সদস্যরা হলেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু; বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি কে. এম. আর. মঞ্জুর; বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সাবেক মহাসচিব শাহ আলম কিরণ; বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতি মিজ্ আরিফা জামান মৌসুমী; বাংলাদেশ চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থার  সভাপতি আবদুল লতিফ বাচ্চু; বাংলাদেশ ফিল্ম এডিটরস গিল্ড’র সভাপতি আবু মুসা দেবু; বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ড’র সদস্য নাসিরুদ্দিন দিলু; বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিশিষ্ট চলচ্চিত্র সমালোচক এবং চলচ্চিত্র পরিচালক সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী।

৮৫ তম অস্কার বাংলাদেশ কমিটি ও চলচ্চিত্র জমাদান প্রক্রিয়ায় সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করছে বি.এফ.এফ.এস -এর সাধারণ সম্পাদক শিহাব আহমেদ সিরাজী এবং মিডিয়া কর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে বি.এফ.এফ.এস -এর যুগ্ম সম্পাদক রাজীব আহসান। আগ্রহী প্রযোজকদেরকে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১২ বিকাল ৫টার মধ্যে বিএফএফএস কার্যালয় (ঠিকানা: ইস্টার্ন কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, রুম: ৭/৯, ৭৩, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০) -এ অস্কারের নিয়মাবলী অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রসহ ফরম পূরণ করে চলচ্চিত্র জমা দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। আবেদন ফরম ও নিয়মাবলীর সকল কাগজপত্র বিএফএফএস কার্যালয়ে পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার জন্য চলচ্চিত্রটিকে নূন্যতম যে সব শর্ত পূরণ করতে হবে তা হলো:
১. চলচ্চিত্রটি ১ অক্টোবর ২০১১ হতে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১২ এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে ধারাবাহিকভাবে নূন্যতম সাতদিন প্রদর্শিত হতে হবে।

২. চলচ্চিত্রটির প্রথম প্রদর্শন কোনোভাবেই কোনো টেলিভিশন চ্যানেল কিংবা অনলাইনে হওয়া চলবে না।

৩. অবশ্যই চলচ্চিত্রটির ইংরেজি সাবটাইটেল থাকতে হবে।

আহা! হাতের কাছে পথের খাবার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

আহা! হাতের কাছে পথের খাবার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 হাতের কাছে যদি পাওয়া যায় মনমতো পথের খাবার, তাহলে কেমন হয় বলুনতো! ভোজনরসিকদের জন্য সুখবরই বটে! চলতে ফিরতে হরদম পেটপূজা, আহা কি মজা! শুধু ভোজনরসিক মানুষদের ক্ষেত্রেই নয়, আকর্ষণীয় খাবারের প্রতি সবারই আছে দুর্বার আগ্রহ। আগ্রহকে আরো দুর্দমনীয় করতে ‘হাতের কাছে পথের খাবার’ অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে চ্যানেল-নাইন এ প্রতি সোমবার রাত ০৯.২৫। শহরের অলি গলির মজাদার খাবার এই অনুষ্ঠানে দেখানো হয়।
 
কাজের প্রয়োজনে কোনো না কোনো সময় আমাদের প্রত্যেককেই বাড়ির বাহির হতে হয়। ব্যবসা কিংবা চাকরিসূত্রে যেখানেই কাজ করি না কেন হয়তো দেখা যাবে আমাদের আশেপাশেই আছে রসনাবিলাসের কোনো চটকদার উপাদান। খুব আহামরি কিছু হয়তো না আবার দামও বেশি না কিন্তু স্বাদের দিক দিয়ে সেটা বিখ্যাত হয়ে গেছে। এই বিষয়টিকে তুলে আনা হয়েছে ‘হাতের কাছে পথের খাবার’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।
 
অনেকেই কোথাও বেড়াতে গেলে সেই অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য কোনো খাবারের খোঁজ করেন। যদি আগে থেকেই সেসব খাবারের কথা জানা থাকে তবে কার না ভালো লাগবে!  আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জনপ্রিয় অভিনেতা যিনি ভোজনরসিক মানুষ হিসেবে পরিচিত, সেই তুষার খান উপস্থাপনা করছেন হাতের কাছে পথের খাবার অনুষ্ঠানটি। বাংলাদেশের বিভিন্ন সুপরিচিত ও জনপ্রিয় খাবার মানুষের মধ্যে আরো আর্কষণীয় করে প্রচার করাই এই অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে।

বিগ বি-র দাড়ি ধরে টানল ছোট্ট আরাধ্যা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিগ বি-র দাড়ি ধরে টানল ছোট্ট আরাধ্যা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 ভারতীয়দের কাছে তিনি শাহেনশা। গুরুগম্ভীর কন্ঠস্বর, ৬ ফুট উচ্চতায় অসাধারণ ব্যক্তিত্বের মানুষটিকে শ্রদ্ধা করার পাশাপাশি ভয়ে এড়িয়েও চলেন অনেকেই। আর এহেন একজন মানুষের নাকি একেবারে দাড়ি ধরে টান মারল একরত্তি এক মেয়ে! কে সে? আর কেউ নয়, বিগ বির ৯ মাসের আদরের নাতনি ম্যাডাম আরাধ্যা বচ্চন।

চলতি সপ্তাহেই শুরু হতে চলেছে `কউন বনেগা ক্রোড়পতি সিজন ৬`। তারই লঞ্চ উপলক্ষে দিল্লির এক দৈনিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে পুঁচকে আরাধ্যার এই নতুন দুষ্টুমির কথা জানালেন উল্লসিত দাদা। নিজের লাডলি নাতনি সম্বন্ধে বললেন, “আরাধ্যা এখনও কথা বলতে পারে না। তবে আমার দাড়ি ধরে টানে। দাড়িওলা এই বুড়ো মানুষটা যে স্পেশ্যাল সেটা আরাধ্য বোঝে।”

আরাধ্যার সঙ্গে নিজের অদ্ভুত মিলের কথাও এদিন মিডিয়ার সঙ্গে ভাগ করে নিলেন বিগ বি। ঠিক তার হাই প্রোফাইল দাদুর মতোই নাকি আরাধ্যাও সুপার এনার্জিটিক। শেষরাত পর্যন্ত খেলায়, দুষ্টুমিতে মেতে থাকে আরাধ্যা। আর তাই অগত্যা অভি-অ্যাশকেও প্রায় সারা রাত জেগেই কাটাতে হয়। সূত্র: জিনিউজ।

কলকাতাজুড়ে ডেঙ্গু আতঙ্ক :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

কলকাতাজুড়ে ডেঙ্গু আতঙ্ক :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

 ভারতের পশ্চিবঙ্গের রাজধানী কলকাতাজুড়ে চরম ডেঙ্গু আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে শহরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা তিন দেখানো হলেও বেসরকারি হিসাব বলছে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ১০ ছাড়িয়ে গেছে। কলকাতার পাশাপাশি একই ছবি জেলাগুলিতেও৷ সরকারি, বেসরকারি হাসপাতালে তাই এখন রোগীদের ব্যাপক ভিড়৷
 
জানা যায়, শনিবারও শহরের বিসি রায় হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক শিশুর। এছাড়া রোববার শহরের চিত্তরঞ্জন শিশু হাসপাতালে, ড্যানিয়েল জন গোমস নামে ইকবালপুরের বাসিন্দা ও চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে৷
 
সরকারি হিসাবে রাজ্যে এই মুহূর্তে ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা শুধু কলকাতাতেই এনএস ওয়ান এবং ম্যাক অ্যালাইজা প্রায় ১৬০০জন৷ এছাড়া পুরো রাজ্যে এর সংখ্যা ২৪০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
 
এদিকে ডেঙ্গুর এমন বিস্তারে সরকারের ভূমিকায় বিভ্রান্তি বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছে রাজ্যের বিভিন্ন পত্রিকা। বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠছে, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃতের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ করছে না সরকার৷ যদিও সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷
 
পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, সমস্ত তথ্য তারা ওয়েবসাইটে প্রতিদিন প্রকাশ করছে৷ যদিও বিভিন্ন মহলের অভিযোগ, স্বাস্থ্য দফতরের ওয়েবসাইটটি প্রায় সপ্তাহখানেক ধরেই খোলা যাচ্ছে না৷ সূত্র: আনন্দবাজার

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ৮ অস্বাভাবিক মৃত্যু :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ৮ অস্বাভাবিক মৃত্যু :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় কয়েদিসহ আট জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে পল্লবি এলাকার রেনেটা হাউজের লিফট ছিড়ে ফারুক (৩৬) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। তার লাশ উদ্ধার ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

সোমবার সকালে ওয়ারী থানা এলাকায় রাজধানী সুপার মার্কেট পাশে করাত মিলের পানির ট্যাংক পরিস্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে মনিরুল নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

একই দিন সকালে বনানী এলাকার দুই নম্বর সড়কের একটি ছয়তলা ভবনের ছাদ থেকে পরে অজ্ঞাত শিশু (১০) এর মৃত্যু হয়। লাশ উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ভাটারা থানা এলাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বি ব্লকের ছয় নম্বর সড়কের একটি বাসার ছাদ থেকে পরে জিহাদী নামের ১৪ বছরের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে আদাবর এলাকায় মাহী রহমান নামের এক গৃহবধুর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তার স্বামীর নাম রিয়াদ রহমান। সকাল আটটার দিকে ছয় নম্বর সড়কের ৬০১ নম্বর বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।

এদিকে শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় সড়ক দূঘটনায় অজ্ঞাত পুরুষ (৩৫) এর মৃত্যু হয়েছে। তার পরনে ছিল চেক লুঙ্গি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

অপর দিকে রোববার রাতে জুলি ওরফে জুই (৫০) নামের এক কয়েদির ঢামেক হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। তিনি একটি অপহরণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত কয়েদি।  তিনি অসুস্থ হয়ে ২৪ আগস্ট থেকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

সকালে কদমতলী এলাকার মোমিনবাগ থেকে ফিরোজা বেগম (৪৫) নামের এক জনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে মিডফোর্ট হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। তিনি মানসিক প্রতিবন্ধি ছিলেন।
 

ক্ষুদ্র ঋণে ঋণী তিন নারী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ক্ষুদ্র ঋণে ঋণী তিন নারী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 নোবেল জয়ী ড. মোহাম্মদ ইউনুসের কথা বলতেই গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের সুবিদাভোগী সালেহা-রোজিনা-তাহসিনা কাঁদলেন। বললেন, তিনি  তো আমাদের জন্মদাতা পিতার চেয়ে বেশি কিছু। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকে নেই এজন্য আমরা উদ্বিগ্ন ও হতাশ।

বৃহষ্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক প্রতিবাদ সভায় সিরাজগঞ্জ, ময়মনসিংহ, গাজিপুর, চট্টগ্রামসহ সারা দেশ  থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যরা এসেছিলেন তাদের মনের অনুভুতি ও আকুতি জানাতে। এদের মধ্যে সালেহা-রোজিনা ও তাহসিনার কথা হয় বার্তা২৪ ডটনেট’র সংগে।

তারা সকলেই  বললেন, গ্রামীণ ব্যাংক আমাদের শুধু ঋণ দেয়নি। সুখ-শান্তিতে নিশ্চিন্তে বেঁচে থাকার জন্য জীবনের একটি গাইড লাইনও দিয়েছে। সে অনুযায়ী আমরা আমাদের দারিদ্র্যতা তাড়িয়েছি এবং সংসারে  স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে এনেছি। ছেলে-মেয়েরা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারছে। আমাদের সন্তানেরা  উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখছে।

তারা কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমাদের যখন ভিক্ষার ঝুলি হাতে নেয়ার মতো অবস্থা সহায়-সম্বল ছিল না, তখন গ্রামীণ ব্যাংক আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ঋণ সহায়তা দিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। তাতে সংসার ভালই চলছে। সম্পদ বাড়ছে। তিন বেলা খেতে পারছি। শিশু সন্তানরা পুষ্টিহীনতায় ভুগছে না।  গ্রামীণ ব্যাংকের উচ্চ শিক্ষ ঋণে কেউ কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। ছাত্র অবস্থায় এই ঋণের টাকার কোনো সুদ দিতে হবে না। এমন ‘বান্ধব’ আমরা কোথায় পাবো। একজন পিতা দুইটি সন্তানকে খেতে দিতে পারে না। আর ড. ইউনুস ৮৪ লাখ গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যকে অন্তত দুইবেলা খাওয়া পড়ার ব্যবস্থা করেছেন। সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমরা মনে করি ড. ইউনুস আমাদের জন্মদাতা পিতার চেয়ে বেশি কিছু। তার বিরুদ্ধে যে যত কথাই বলুক আমরা তা এখন আর বিশ্বাস করি না।

গাজীপুর জেলার চৌরাস্তা পোতাদিয়া গ্রামের  সালেহা বেগম বলেন, ‘‘১৯৮৮ সালে দেড় হাজার টাকা ঋণ নেই গ্রামীণ ব্যাংক থেকে। আমার স্বামী ভাড়ায় রিকসা চালাতেন। দৈনিক যা আয় হতো ভাড়ার টাকা মিটিয়ে তাতে সংসার চলতো না। প্রথম ঋণের টাকা দিয়ে আমার স্বামীকে একটা রিকশা কিনে দেই। এ টাকা পরিশোধ করার পর গ্রামীণ ব্যাংক থেকে আবার ঋণ নিয়ে ব্যাবসা শুরু করলাম। স্বামীকে আর  রিকসা  চালাতে দেইনি। এভাবে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে থাকলে আমাকে বেশি টাকা ঋণ দিতে থাকে। এদিয়ে আমি আর আমার স্বামী ব্যাবসা করি। পর্যায়ক্রমে আমাদের ব্যাবসা সম্প্রসারণ হতে থাকে। এখন আমাদের   গাজীপুর চৌরাস্তায় দু’টি দোকান আর একটি নিজস্ব ট্রাক আছে। এতে আমার সংসারের সকলের কর্মসংস্থান হয়েছে। এছাড়া আরো ১২ জন বেতন ভূক্ত কর্মচারি রয়েছে। ’’

সালেহা বলেন, “আমার তিন ছেলে। অভাবের তাড়নায় ছেলেদের বেশি লেখাপড়া করাতে পারিনি। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে যদি আমি ঋণ না  পেতাম তাহলে আমার ছেলেদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হতো না। সমাজে এরা হয়তো চোর ডাকাত বা সন্ত্রাসী হতো। আমি হয়তো বাসা-বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করতাম। দুঃখ যন্ত্রণার জীবন বয়ে বেড়াতাম।

তিনি বলেন, আমার মতো এই গাজীপুরে তিন হাজার মহিলা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন। চার হাজার ঋণ গ্রহীতা রয়েছে।

সিরাজগঞ্জ জেলার রাউতারা গ্রামের রোজিনা বেগম বলেন, ‘‘আজ থেকে চব্বিশ বছর আগে আমি ছিলাম হত দরিদ্র। দিনে এক বেলা খাবার জুটত না।  স্বামী কৃষিকাজ করতেন। সংসারে অভাব-অনটন লেগেই ছিল। নুন আনতে পানতা ফুরানোর অবস্থা। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে প্রথমে দুই হাজার টাকা ঋণ নেই। সেই টাকা দিয়ে ধান-চালের ব্যাবসা শুরু করি। এরপর দ্বিতীয় কিস্তিতে চার হাজার টাকা নিলাম । এভাবে আমি ঋণ নিতে থাকি। আর ব্যাবসায় আস্তে আস্তে উন্নতি হতে থাকে। এর পর  আমাকে পিছনে ফিরে থাকাতে হয়নি।"

রোজিনা বলেন, আমার দুই ছেলে। বড় ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাকাউন্টিংয়ে অনার্স শেষ বর্ষে পড়ছে।  ছোট ছেলেও তেজগাও  কলেজে  অনার্স পড়ে। আমার দুই ছেলের পড়াশুনা করাতে পারতাম না যদি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সূদবিহিন উচ্চ শিক্ষ ঋণ না  পেতাম।

তিনি বলেন, এক সময় আমার দিকে কেউ ফিরেও তাকাতো না। আজ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি থেকে সাধারণ মানুষ সবাই আমার কাছে আসে পরামর্শ এবং সহযোগিতা নেয়ার জন্য। আমাদের এলাকায়  পাঁচ হাজার মহিলা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছে।

ময়মনসিংহ জেলার চোকাইতলা গ্রামের তাহসিনা খাতুন বলেন, “আমি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ২০০৫ সালে সাড়ে পাচঁ হাজার টাকা ঋণ নেই। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার আগে আমি সোনালী ব্যাংকে যাই ঋণ নেয়ার জন্য। কিন্তু আমাদের মতো গরিব মানুষের এই সব ব্যাংকর শর্তপূরণ সম্ভব নয়। ঋণ পাওয়াটা ছিল আমাদের জন্য খুবই কঠিন। আমাকে ব্যাংক থেকে বললো বাড়ির দলিল ও জামিনদার দিতে হবে। এছাড়া  আরো কত ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হবে। শেষ পর্যন্ত আর ঋণ নেয়া হলো না। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে খুব সহজে ঋণ পেলাম। এই টাকা তুলে আমার স্বামীর ফার্মেসি  ব্যাবসায় বিনিয়োগ করি। বর্তমানে আমি সাড়ে তিন লাখ টাকা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে  ঋণ নিয়েছি।”

তাসসিনা বলেন, আমার দুই মেয়ে এক ছেলে। বড় মেয়ে ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন কলেজে অর্নাস ৩য় বর্ষে পড়ছে। ছোট মেয়ে মাওলানা ভাসানী প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের ১ম বর্ষে পড়ছে। পড়াশুনা করাতে অনেক খরচ। তাই গ্রামীণ ব্যাংক থেকে উচ্চ শিক্ষা ঋণ নিয়েছি। এর মধ্যে আমার ছোট মেয়ে গ্রামীণ কল্যাণ বৃত্তি পাবে মাসে তিন হাজার টাকা।

ছোট ভাইয়ের হত্যার বর্ণনা দিলেন বড় ভাই :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ছোট ভাইয়ের হত্যার বর্ণনা দিলেন বড় ভাই :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ষষ্ঠ সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন।

সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী ডাক্তার মো.হাসানুজ্জামান (৬৭) তার জবানবন্দি পেশ করেন।

জবানবন্দি শেষে তাকে জেরা করার জন্য আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করে  ট্রাইব্যুনাল।  

জাবানবন্দিতে সাক্ষী হাসানুজ্জামান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ শুরু আগেই আমার ভাই পাকিস্তানের নৌবাহিনী থেকে ছুটি নিয়ে একমাসের জন্য বাড়িতে আসেন। আমার শ্বশুর বাড়ি রামগড় গ্রামের সন্নিকটে আহাম্মদ নগর হাইস্কুলে পাকসেনা ও রাজাকার ক্যাম্প স্থাপন করে। সেখানে ব্যাপক হত্যা নির্যাতন চালানো হতো বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজনকে ধরে এনে। শ্বশুর বাড়ির কাছে ক্যাম্প থাকায় আমার ছোট ভাই কাম্পটি রেকি করেন। আমার শ্বশুর বাড়িতে ৯১৭১ সালের ৩০ জুন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে দরজায় কড়া নেড়ে ভাই ভাই বলে ডাকতে থাকেন এবং ক্ষুধার্ত বলে তারা খাবার চায়। মুক্তি বাহিনীর নাম শুনে আমার ছোট ভাই ঘর থেকে দরজা খুলে অতি উৎসাহে বের হয়ে আসে এবং আমার চাচা শ্বশুর মকবুল হোসেন তাদেরকে বেঞ্চে বসতে দিয়ে একটি পাতিলে করে মুড়ি খেতে দেয়। আরেক চাচা শ্বশুর সৈয়দ রহমান ও ভাইয়া ভাই জমসেদ আলী তাদের কাছে যায়।”

তিনি আরো বলেন,  ওই সময় আমার চাচা শ্বশুর আচঁ করতে পারেন যে এরা মুক্তিযোদ্ধা নন। আল বদরের কামারুজ্জানরা। তখন তারা আমার ভাইকে অনেক কৌশলে তাদের বলয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে। আমার ভাই বুঝতে পারেননি। তখন কামারুজ্জান আমার ভাইকে বলেন, “আমরা আলবদর ক্যাম্পে  আক্রমণ করবো। পাক বাহিনীর ক্যাম্পটি যেন দেখিয়ে দেয়া হয়।”

সাক্ষী বলেন, “ভাইকে নিয়ে তারা যখন ক্যাম্পের দিকে রওয়ানা দেন তখন  চাচা শ্বশুর তাদের বসা বেঞ্চে ম্যাগজিম ভর্তি একটি অস্ত্র দেখতে পান। এটা ফেরত দিতে তাদের কাছে যায়। ফেরত দিতে গেলে তারা তাকে তাদের সঙ্গে যেতে বাধ্য করেন। তাদেরকে পাক বাহিনীর ক্যাম্প দেখিয়ে দেয়ার পরেও তারা তাকে দমক দিয়ে সঙ্গে যেতে বলেন।”

সাক্ষী বলেন, “আমার ভাই বুঝতে পেরে তখন তিনি প্রস্রাবের কথা বলে পাট ক্ষেত দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান। ওই সময় তার গায়ে সাদা রঙের গেঞ্জি পড়া ছিল বলে শুনেছি। আলবদও বাহিনীর লোকেরা পাট ক্ষেতে অনেক খোঁজা খোঁজির পরে আমার ভাইকে তাদের ক্যাম্পে নেয়া হয়। ক্যাম্পে নিয়ে তারা  আমার ভাইকে সারা রাত অমানুষিক নির্যাতন চালায়। তার একটি  কান কেটে ফেলা হয় বলে জানায় ওই ক্যাম্পে এবং আশে পাশে কর্মরত লোকেরা “

সাক্ষী আরো বলেন, “আহাম্মদ আলী মেম্বার আমার ছোট ভাইয়ের নির্যাতনের চিহ্ন দেখেন। পরের দিন সকালে ক্যাম্পের বাইরে রাস্তায় এনে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে আমার ভাইয়ের লাশটি টেনে হিচড়ে নিয়ে ওই রাস্তার পাশে একটি পুলের নিচে ফেলে দেয়া হয়।”

তিনি বলেন, “দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে আমি আমার শ্বশুর বাড়িতে গেলে আমার ভাইয়ের হত্যার বর্ণনা চাচা শ্বশুর ও তার ভাই শমসের আলীর কাছে ও অন্যান্য কর্মরত শ্রমিদের কাছে থেকে শুনেছি।”

আমার চাচা শ্বশুর সৈয়দ রহমান আমাকে স্পষ্ট করে জানান যে আলবদর নেতা কামারুজ্জামানকে তিনি চিনতে পেরেছেন। তাদের কথার ভিত্তিতে আলবদর নেতা কামারুজ্জানসহ দশ জনের মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
এ মামলা দায়েরের পরে একজন অফিসার  তদন্ত করতে আসেন। পরে মামলার কোনো অগ্রগতি না দেখে আমার চাচাত ভাইকে সঙ্গে নিয়ে আমার পিতা শেরপুরে কোর্টে যায়।

সাক্ষী বলেন, “আমি কামারুজ্জামানকে চিনি না। তবে পত্র পত্রিকায় তার ছবি দেখেছি। পরে সাক্ষীকে একটি প্রশ্ন করে আসামির আইনজীবী জানতে চায়, যে আপনার বাড়ি এবং আসামি কামারুজ্জামানের বাড়ির দূরত্ব কত।  জবাবে সাক্ষী বলেন ১৫ মাইল হবে।

এর আগে সকালে কামারুজ্জামানের পঞ্চম সাক্ষীকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী কফিল উদ্দিন চৌধুরী। জেরায় তাকে বিভিন্ন ধরণের প্রশ্ন করেন আসামীপক্ষের আইনজীবী। পরে ষষ্ঠ সাক্ষীর জেরা আগামী পাঁচ সেপ্টম্বর  পর্যন্ত মূলতবি করা হয়।