Pages

Tuesday, September 4, 2012

হুমায়ূনের শেষ ছবি ‘ঘেটুপুত্র কমলা’র মুক্তি শুক্রবার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

হুমায়ূনের শেষ ছবি ‘ঘেটুপুত্র কমলা’র মুক্তি শুক্রবার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

  ইমপ্রেস টেলিফিল্মের প্রযোজনায় নন্দিত চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত শেষ চলচ্চিত্র ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার। ঢাকার বলাকা সিনেওয়ার্ল্ড ও স্টার সিনেপে¬ক্সে। ছবিটি পর্যায়ক্রমে সারাদেশব্যাপী মুক্তি পাবে। ছবিটির কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন হুমায়ূন আহমেদ।

হুমায়ূন আহমেদ চিকিৎসারত অবস্থায় শেষবারের মতো দেশে এসেছিলেন গত মে মাসে। তখন তিনি তার শুভানুধ্যায়ী, বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের নিয়ে স্টার সিনেপে¬ক্সে ছবিটির বিশেষ প্রদর্শনী উপভোগ করেছিলেন। তার মনের আশা ছিল স্বঘোষিত শেষ ছবিকে তিনি বিশ্বব্যাপি রিলিজ দেবেন। কিন্তু অসুস্থতার জন্য পরবর্তীতে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে পারেননি।

এ ছবিতে অভিনয় করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছে তারিক আনাম খান, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, মুনমুন আহমেদ, মাসুদ আখন্দ, তমালিকা কর্মকার, শামিমা নাজমিন, প্রাণ রায়, বাউলশিল্পী কুদ্দুস বয়াতী ও তার দল,  অনি, প্রাপ্তি, আইনুন নাহার পুতুল, আব্দুল্লাহ রানা ও রফিকুল ইসলাম, এহসান। ঘেটুপুত্র কমলা’র কেন্দ্রীয় চরিত্রের অভিনেতা শিশুশিল্পী মামুন।

ছবির স্যুটিং হয়েছে হবিগঞ্জে। ছবির চিত্রগ্রহণ করেছেন মাহফুজুর রহমান খান। সম্পাদক ছলিম উল্লাহ ছলি। আবহ সঙ্গীত ইমন সাহা। সঙ্গীত পরিচালক মাকসুদ জামিল মিন্টু ও এস আই টুটুল। কণ্ঠশিল্পী ফজলুর রহমান বাবু, শফি মন্ডল ও প্রান্তি।
কোরিওগ্রাফি মেহের আফরোজ শাওন। শিল্প নির্দেশক মাসুম রহমান। রূপসজ্জা খলিলুর রহমান। পোষাক পরিকল্পনা এস এম মাঈনুদ্দিন ফুয়াদ। শব্দগ্রহণ ও পুর্ণ শব্দ সংযোজন ধ্বনি চিত্র লিঃ। সম্পাদনা লীলাচিত্র। চলচ্চিত্রটি নিবেদন করেছে প্রাণ ঝালমুড়ি।

কাহিনী বিন্যাস- প্রায় দেড়শ্ বছর আগে হবিগঞ্জ জেলার জলসুখা গ্রামের এক বৈষ্ণব আখড়ায় ঘেটুগান নামে নতুন সঙ্গীত ধারা সৃষ্টি হয়েছিল। মেয়েদের পোশাক পরে কিছু রূপবান কিশোর নাচগান করত। এদের নামই ঘেটু। গান হতো প্রচলিত সুরে, যেখানে উচ্চাঙ্গসঙ্গীতের প্রভাব ছিল স্পষ্ট। অতি জনপ্রিয় এই সঙ্গীত ধারায় নারীরুপী কিশোরদের উপস্থিতির কারণেই এর মধ্যে অশ্লীলতা ঢুকে পড়ে। বিত্তবানরা এইসব কিশোরকে যৌনসঙ্গী হিসেবে পাবার জন্যে লালায়িত হতে শুরু করেন। একসময় সামাজিকভাবে বিষয়টা স্বীকৃতি পেয়ে যায়। হাওর অঞ্চলের শৌখিনদার মানুষ জলবন্দি সময়টায় কিছুদিনের জন্যে হলেও ঘেটুপুত্র নিজের কাছে রাখবেন এই বিষয়টা স্বাভাবিকভাবে বিবেচিত হতে থাকে। শৌখিনদার মানুষের স্ত্রীরা ঘেটুপুত্রকে দেখতেন সতীন হিসেবে। 

No comments:

Post a Comment