Pages

Tuesday, September 4, 2012

পঞ্চগড় বন বিভাগের জমিতে অবৈধ পাথর উত্তোলন :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

পঞ্চগড় বন বিভাগের জমিতে অবৈধ পাথর উত্তোলন :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

  পঞ্চগড় সদর থানার মীরগড় ও মাঝবাড়ি (সাতমেড়া) মৌজায় অবস্থিত বন বিভাগের সংরক্ষিত জমির বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন, উডলট বাগানের গাছ অবৈধভাবে কর্তন ও পাচারের অভিযোগে তিনজন বাগান মালির কাছ থেকে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। পঞ্চগড় সদর থানার ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসএফএনটিসি) বাগান মালির ওপর দোষ চাপিয়ে দিয়ে দুনীতি থেকে নিজেকে বাঁচার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
 
অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ, আব্দুল হামিদ বাগান মালি পঞ্চগড় সদর বিটে যোগদানের পর হতে বিট সদর দফতরে অবস্থান করে বিট কর্মকর্তার নির্দেশ মোতাবেক বিভিন্ন মৌজায় টহল দিতেন। সামাজিক বন বিভাগ দিনাজপুর জেলার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আলী আকবর পঞ্চগড় এসএফএনটিসি পরিদর্শনকালে পঞ্চগড় সদর বিটের বাগান মালির টহল এলাকা মীরগড় ও মাঝবাড়ি (সাতমেড়া) মৌজায় বন বিভাগের সংরক্ষিত জমির বিভিন্ন জাযগায় মাটি কেটে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন, উডলট বাগানের গাছ কর্তন ও পাচারের আলামত দেখতে পান। বাগানের মধ্যে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
 
কেন পাথর উত্তোলনকারীদের বাধা দেয়া হয়নি এবং এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবহিত করা হয়নি তা কারো বোধগম্য নয়।
 
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় যে, বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের বাড়ি পঞ্চগড় শহরে হওয়ায় তিনি নানা রকম দুনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। পঞ্চগড় তেতুঁলিয়া উপজেলার একশত জন উপকারভোগী গাছ চাষীদের জন্য ৪০ ভাগ টাকা এক বছর আগে এলেও সে টাকা এখনো গাছ চাষীদের হাতে দেয়া হয়নি। উপরন্তু প্রত্যেক গাছচাষীর কাছ থেকে তিনি দুই শত করে টাকা চাঁদা গ্রহণ করেছেন।
 
এ ছাড়া পঞ্চগড় সদরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীরগড় ও মাঝবাড়ি (সাতমেড়া) মৌজায় বন বিভাগের জমি থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করার সুযোগ দিয়ে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা গ্রহণ করেছেন বলে জানা যায়।
 
কৈফিয়তের বিয়য়ে বাগান মালি মো. আব্দুল হামিদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি গত বছর ১৪ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁও থেকে বদলি হয়ে পঞ্চগড় সদর বিটের অধীন বিষু নারায়নী টহল ফাঁড়িতে যোগদান করি। আমার কর্মস্থল বিষু নারায়নি টহল ফাঁড়িতে। সেহেতু সেখানকার  বাগান/বনাঞ্চল টহল ছাড়া সদর বিটের কোনো মৌজা, বাগান বা বনাঞ্চলে টহল করা বা তৎলগ্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করার সুযোগ আমার ছিল না বা বর্তমানেও নেই। অন্য কোনো ফাঁড়িতে টহলদারি করার জন্য মৌখিক বা লিখিত আদেশ আমাকে দেয়া হয়নি। এর অন্যথা হলে ইতিপূর্বেই আমার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ আমাকে কৈফিয়ত তলবসহ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন। 
 
পঞ্চগড় সদরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামকে বাগান মালির কৈফিয়ত ও দুনীতির বিষয়ে বললে তিনি বলেন, বাগান মালি তিনজনকে সামাজিক বন বিভাগ দিনাজপুর অফিস কৈফিয়ত তলব করেছে। আমি সম্পূর্ণ দুনীতিমুক্ত। বাগান মালিরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলেছে। বাগান মালিদের নামে অনেক অভিযোগ আমার কাছে রয়েছে।

No comments:

Post a Comment