Pages

Sunday, September 9, 2012

‘রক্ত ঢেলে আন্দোলন বিকৃত মানসিকতা’ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘রক্ত ঢেলে আন্দোলন বিকৃত মানসিকতা’ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 শিক্ষাঙ্গণে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তবে প্রয়োজনে কঠোর কিভাবে হতে হয়, তাও আমাদের জানা আছে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে খেলার অধিকার কারো নেই।  
 
শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের ‘সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম’ সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
 
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে দলের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস এবং কার্যনির্বাহী সদস্য এনামুল হক শামীম, ছাত্রলীগ সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছার-সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ, শ্রমিক লীগ সভাপতি শুকুর মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক রেজা, মহিলা লীগের সভাপতি আশরাফুন্নেছা মোশারফ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পিনু খান, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল, তাতী লীগের আহবায়ক এনাজুর রহমান চৌধুরী অংশ নেন।
 
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরকারনিযুক্ত ভিসি ও তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘একে, ওকে পছন্দ না বলে ছেলে মেয়েরা নিজেদের শরীর থেকে রক্ত নিচ্ছে। সেই রক্ত আবার সিঁড়িতে ঢেলে দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মাথায় এ ধরনের বিকৃত মানসিকতা কিভাবে আসে তা বুঝতে পারি না।’’
 
তিনি বলেন, ‘‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভিসি নিয়োগের এখতিয়ার প্রেসিডেন্টের। তিনি ভিসি নিয়োগ করে থাকেন। কিন্তু সেখানে কে থাকবে আর কে থাকবে না তা নিয়ে শিক্ষকরা আন্দোলন করেন, পরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে যোগ দেয়। রাতের বেলায় শিক্ষকের ছবি নামিয়ে ফেলা হচ্ছে। এসব করে যেসব শিক্ষকরা তাদের সহকর্মীদের অপমান করছেন, বা অপমান করতে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছেন ভবিষ্যতে তারা যে অপমানিত হবেন না বা এই শিক্ষার্থীরাই যে তাদের অপমান করবে না এর নিশ্চিয়তা কে দেবে। এজন্য আমি শিক্ষক সমাজকে সচেতন হতে বলবো।’’
 
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘যার অপসারণের জন্য তারা আন্দোলন করলো নির্বাচনে দেখা গেলো তিনিই সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন। ভোটের ওই ফলের পরে কি আন্দোলনকারীরা লজ্জা পেয়েছিলেন?’’

তত্ত্বাবধায়ক এলে কারো রক্ষা হবে না: প্রধানমন্ত্রী :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

তত্ত্বাবধায়ক এলে কারো রক্ষা হবে না: প্রধানমন্ত্রী :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাইছেন- তারাও রক্ষা পাবেন না যদি এমন সরকার ক্ষমতায় আসে।
 
শনিবার ঢাকায় এক দলীয় অনুষ্ঠানে বিগত বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘তাদের সময়ে যে হারে হারে দুর্নীতি হয়েছে তাতে তারা পুরো সিস্টেমই ধ্বংস করে দিয়েছিল। তাদের সময়ের জুলুম নির্যাতন মানুষ ভুলে যায়নি। এরপর আসলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সেই সময়ের চিত্র-ওতো মানুষের জানা আছে। তখন যারা ওই সরকারের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন তারাই এখন সরকারের সব কিছুতে দোষ খোঁজতে তৎপর। টকশোতে কথা বলে তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। তারা আবার সেই তত্ত্বাবধায়ক চাইছেন। আবার ওই ধরনের পরিস্থিতি এলে তাদেরওতো রক্ষা হবে না।’’
 
শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের ‘সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম’ সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
 
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে দলের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস এবং কার্যনির্বাহী সদস্য এনামুল হক শামীম, ছাত্রলীগ সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছার-সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ, শ্রমিক লীগ সভাপতি শুকুর মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক রেজা, মহিলা লীগের সভাপতি আশরাফুন্নেছা মোশারফ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পিনু খান, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল, তাতী লীগের আহবায়ক এনাজুর রহমান চৌধুরী অংশ নেন।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। সরকারের কার্যক্রমের ফসল জনগণ পাচ্ছে। যেখানে অনিয়ম দেখা দিচ্ছে সেখানেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। সরকার কাউকে ছেড়ে দিচ্ছে না।’’
 
সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা ছেড়ে আসার সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪৩০০ মেগাওয়াটে রেখে এসেছিলাম। এবার সাত বছর পর ক্ষমতায় এসে দেখি তা কমে ৩২০০ মেগাওয়াট নেমে এসেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারতো ইর্মাজেন্সি দিয়ে দেশ চালিয়েছে। সুশীল সমাজের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিরা সরকারে ছিল। তারাওতো দুই বছরে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে পারেনি।’’
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বর্তমান সরকারের মেয়াদে ৫১৮৩টি নির্বাচন হয়েছে। একটি নির্বাচনেওতো কেউ কোনো অভিযোগ করতে পারেনি। গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস আছে বলেই আমরা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে পেরেছি।’’
 
দেশে গণতান্ত্রিক অধিকার যাতে নিশ্চিত হয়, মানুষ যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ পায় সেই লক্ষে কাজ করতে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী। 
 
এছাড়া দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চলমান আন্দোলনের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেণ শিক্ষাঙ্গণে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। তিনি, তবে প্রয়োজনে কঠোর কিভাবে হতে হয়, তাও আমাদের জানা আছে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে খেলার অধিকার কারো নেই।

মশিউর ও আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে কেউ দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারেনি: শেখ হাসিনা :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

মশিউর ও আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে কেউ দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারেনি: শেখ হাসিনা :: 
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “পদ্মা সেতু নির্মাণে উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান ও সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হচ্ছে তার প্রমাণ কোথায়? শতবার চাওয়ার পরও তো কেউ তা দিতে পারল না। দুদকের তদন্তের স্বচ্ছতার কারণে সৈয়দ আবুল হোসেন পদত্যাগ করেছেন।” তবে সুনির্দিষ্ট কারো বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির প্রমাণ পেলে সে যতবড়ই শক্তিধর হোন তাকে ছাড়া হবে না বলেও বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন বলেও সূত্রটি জানায়।

শনিবার গণভবনে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এক বৈঠকে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী-এমপিদের কাছে সংগঠনের কোনো কাজে গেলে পাত্তা না দেয়ার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতারা।

বৈঠক সূত্র আরো জানায়, সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গুজব আছে একবার একটি দল ক্ষমতায় আসলে পরবর্তী নির্বাচনে আসতে পারে না। এবার সেই রেকর্ড ভাঙবে আওয়ামী লীগ। কারণ গত সাড়ে তিন বছরে আওয়ামী লীগ জনগণের উন্নয়নে যা করেছে, বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ বছর আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছর মিলিয়ে সাত বছরেও সেই উন্নয়ন হয়নি। হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সাহসের সঙ্গে পথ চলে সংগঠনকে শক্তিশালী করুন। যতই ষড়যন্ত্র বা অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হোক না কেন, জনগণ আমাদের সঙ্গেই আছে।”

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ফিরিস্থি জনগণের মধ্যে প্রচার করতে সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “যে যে সেক্টরে কাজ করেন, সেসব সেক্টরে বর্তমান সরকারের সাড়ে তিন বছরে যেসব উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।”

সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে কোনো পরিস্থিতিতে ভয় না পাওয়ার আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা ন্যায় ও সত্যের পথে আছি। যেকোনো সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে। ভয় পেলে চলবে না। পাশাপাশি তিনি সংগঠনকে তৃনমূল পর্যন্ত শক্তিশালী করতে নেতাদের নির্দেশ দেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান সরকারের আমলেই বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু হবে। এ নিয়ে হতাশার কিছু নেই।” নোবেল বিজয়ী ড. মোহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ওয়ান ইলেভেনের পর তিনি তার নতুন দল গঠনে ৮০ নেতার নাম দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই তালিকা থেকে মাত্র দু’জন ছাড়া অন্য কেউ তার দলে যোগ দেননি। এই রাগ থেকেই অনেক কিছু ঘটানো হচ্ছে। পদ্মা সেতু নির্মাণে জটিলতায় তার হাত থাকতে পারে।” তিনি হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ক্ষমা প্রার্থনার ভূঁয়সী প্রশংসা করেন।

এ বৈঠকে আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে সহযোগী সংগঠনের নেতারা বলেন, এমপি মন্ত্রীর কাছে গিয়ে সংগঠনের ব্যাপারে কোনো সাড়া পাওয়া যায় না। একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেলেই তারা কিছু পান। সংগঠনকে সারাদেশে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে গেলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের কিছু আব্দার রক্ষা করতে হয়। কিন্তু সেই কাজে মন্ত্রী-এমপিদের কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায় না। তারা শুধু নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত।

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতার সাথে কথা বলে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সভায় যেসব সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়নি, সেসব সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সম্মেলনের জন্য তাদের প্রস্ত্ততি আছে জানিয়ে বলেন, নেত্রী (শেখ হাসিনা) সময় দিলেই সম্মেলন করতে পারেন তারা।

সূত্র জানায়, বৈঠকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউসার সংগঠন চালানোর জন্য মাসিক টাকা দাবি করেন শেখ হাসিনার কাছে। কিন্তু তাতে সায় না দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “বঙ্গবন্ধুর জীবনী পড়ো। বঙ্গবন্ধু তো সংগঠন চালানোর জন্য কারো কাছ থেকে হাত পাতেননি।”

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম তার বক্তব্যে সহযোগী সংগঠনে কিছু সমস্যা আছে স্বীকার করে সেগুলো অচিরেই কেটে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে রুদ্ধদ্বার এই দীর্ঘ বৈঠকে বক্তব্য রাখেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউছার, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আখতার এমপি, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি, শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর আলী, ছাত্রলীগের সভাপতি এ এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল হোসেন। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় খালেদার :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় খালেদার :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে চলমান আন্দোলনকে বেগবান করতে করণীয় জানতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় বৈঠক করলেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

শনিবার রাতে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। রাতে ৯টায় শুরু হয়ে বৈঠক সাড়ে পৌনে ১২টায় শেষ হয়।

খালেদা জিয়া বিএনপি সমর্থিত পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের যে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন, এটি তার প্রথমটি। পেশাজীবী ছাড়া তিনি ১২টি সাংগঠনিক জেলা কমিটির বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

রোববার রাতে তার গুলশান কার্যালয়ে গাজীপুর জেলা বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন দলের চেয়ারপারসন।

বৈঠকে যারা অংশ নিলেন
মতবিনিময়ের এই অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞা, অধ্যাপক আনোয়াল্লাহ চৌধুরী, এস এম এ ফয়েজ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান, অধ্যাপক এনামুল হক চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, অধ্যাপক সদরুল আমিন, আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, অধ্যাপক জিন্নাতুন নেসা তালুকদার তাহমিনা বেগম, অধ্যাপক শাহিদা রফিক, অধ্যাপক আবদুল আজিজ ও অধ্যাপক তাজমেরী এস ইসলাম।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুল ইসলাম হাসান, শরীফ উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. আ ন ম মুনির আহমেদ, অধ্যাপক হাসান আহমেদ, সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক কে এ এম শাহাদত হোসেন মন্ডল, সিলেট শাহজালাল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামাল আহমেদ চৌধুরী, ও অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবাল।

এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক ফাইসুল ইসলাম ফারুকী, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো.মইনুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. মোশারফ হোসেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমান, এ এস এম শরফরাজ নেওয়াজ, মো. আলী নুর রহমান, তাহির আহমেদ, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইফুল আলম সিদ্দিকীসহ শতাধিক শিক্ষক মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘শিক্ষকরা বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরা ধরেছেন। বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের ফলে দেশে যে চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে সে বিষয়ে কথা বলেছেন। ’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সকল পেশার মানুষকে সঙ্গে আন্দোলন করতে বিএনপি চেয়ারপারসনকে পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষকরা।’’

এছাড়া সরকারের সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতির কারণে আন্তর্জাতিকভাবে দেশের যে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন শিক্ষকরা।

তিনি আরো জানান, ‘‘মতবিনিময় সভায় উপস্থিত শিক্ষকরা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপির আন্দোলনে খালেদা জিয়ার পাশে থাকবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন ।’’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

টিকফা চুক্তির আলোচনা আটকে আছে যেভাবে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

টিকফা চুক্তির আলোচনা আটকে আছে যেভাবে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সরকার আশা করছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি বা টিকফা চুক্তিতে তারা সই করতে পারবে। পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস ঢাকায় সাংবাদিকদের বলেছেন, টিকফার বিষয়ে এখনও যেসব মতবিরোধ আছে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সেগুলো কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

এই চুক্তির খসড়ায় কয়েকটি বিষয়ে বাংলাদেশের আপত্তির কারণে বছর চারেক আগে শুরু হওয়া এই আলোচনায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। গত বুধবার ওয়াশিংটন সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মণির সাথে মার্কিন কর্মকর্তারা টিকফা আলোচনা পুনরায় শুরুর করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশের পর কায়েস এই মন্তব্য করেন।

বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বিষয়ক সহযোগিতা কাঠামো চুক্তি বা টিকফা স্বাক্ষর করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে বেশ আগ্রহ রয়েছে। গত প্রায় চার বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে এনিয়ে আলোচনা চললেও মতপার্থক্যের কারণে এ নিয়ে কোনো চুক্তি স্বাক্ষর সম্ভব হয়নি। কয়েক মাস আগে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন টিকফা না হলে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশর শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাওয়া সম্ভব হবে না।

এক পর্যায়ে এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনাও থমকে যায়। কয়েকদিন আগেই ওয়াশিংটন সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনিকে জানানো হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ আলোচনায় ফিরতে আগ্রহী।

তবে শনিবার বাংলাদশের পররাষ্ট্রসচিব মিজারুল কায়েস সাংবাদিকদের জানিয়েছেন মতপার্থক্য নিয়ে টিকফা স্বাক্ষর করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তির মাধ্যমে একটি কাঠামোর মধ্যে আনতে চায়।

কবির বলেন, বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পণ্য পাঠাচ্ছে এবং বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে চায় । তিনি বলেন, বিনিয়োগরে ক্ষেত্রে মার্কিন বিনিয়োগকারীরা এক ধরনের নিরাপত্তা চায়।ত

তিনি বলেন, বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের সাথে নীতি পরিবর্তন হয়। এছাড়া বিভিন্ন কারণে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা থাকে। সাবেক এই রাষ্ট্রদূত বলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে টিকফা চুক্তি থাকলে এসব জটিলতা থাকবে না।

তবে দুর্নীতির সংজ্ঞা কি হবে এবং শ্রম অধিকারের কিছু বিষয়ে একমত হতে না পারায় টিকফা আলোচনা থেমে যায়। তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব কায়েস জানিয়েছেন দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে বাংলাদেশ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে চায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় তিরিশটি দেশের সঙ্গে ধরণের চুক্তি রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রীলংকা, নেপাল, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের সাথে টিফা নামে এই চুক্তি রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের ভেতরে অনেকেই এই ধরনের চুক্তির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশে শ্রম অধিকারের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি উচ্চ মানদন্ড দেখতে চায় যেটি টিকফা চুক্তিতে রয়েছে। তবে এর কিছু কিছু বিষয় রয়েছে যেটি বাংলাদেশের জন্য মেনে চলা বেশ কঠিন।

কবির বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে বাংলাদেশ সরকারকে শিল্পমহলের সাথে আলোচনা করতে হবে এবং তাদের মতামতকেও গুরুত্ব দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, শ্রম অধিকারের বিষয়টি তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য খাতের শিল্প মালিকরা কিভাবে দেখবেন সে বিষয়টিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

কবির বলেন, টিকফা স্বাক্ষর করলে এর আওতায় যেসব বিষয় থাকবে সেগুলো মেনে চলার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে জোরালো তাগিদ থাকতে পারে। সেজন্যই বাংলাদেশ বিষয়টি বেশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সূত্র: বিবিসি।

প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়: আকবর আলি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়: আকবর আলি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনে
  তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান বলেছেন, ‘‘সংবিধান অনুযায়ী শতভাগ ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে। অন্য সবার হাতে আছে শূন্য শতাংশ ক্ষমতা। তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বা প্রধানমন্ত্রী কে হবেন সেটিই বিবেচ্য বিষয়। তাই প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।”

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। ‘দেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থা: উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড পিস স্টাডিজ (সিএসপিএস)। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শাহ আবদুল হান্নান।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারি দলের আরো চারজন এবং বিরোধী দলের থেকে পাঁচজন নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হতে পারে। তবে সরকারি দলের কারা কারা এতে থাকবে তা ঠিক করবে বিরোধী দল। অনুরূপভাবে বিরোধী দলের কোন পাঁচজন তা ঠিক করবে সরকারি দল।’’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প আরো একটি প্রস্তাব দিয়ে আকবর আলি খান বলেন, ‘‘আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সর্বশেষ পাঁচ প্রধান বিচারপতিদের মধ্যে থেকে যারা উপদেষ্টা হতে রাজি হবেন তারা নির্ধারণ করবেন কে প্রধান উপদেষ্টা হবেন। এটি করতে সংবিধান সংশোধন করতে হবে।’’

‘‘নির্বাচনকালে নির্বাচন কমিশনের কাছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় দেয়া হলেও ইসির নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা অন্য মন্ত্রণালয়গুলো সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। সুতরাং নির্বাচন কমিশন গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে সক্ষম হবে না।’’ যোগ করেন সাবেক এই উপদেষ্টা।

আকবর আলি বলেন, ‘‘১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস করা এবং বর্তমানে এটি তুলে দেয়ার সময়ও সংসদে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা সম্ভব হয়নি। এই ব্যবস্থার স্থায়ী কোনো সমাধান হতে পারে না। এই ব্যবস্থায় কত দিন চলবে তা সেময় নির্ধারণ না করা ছিল সব চেয়ে বড় ভুল।”

তিনি বলেন, ‘‘সংশোধিত সংবিধান অনুযায়ী যদি বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিন আগে নির্বাচন দেয়া হয় ও ক্ষমতাসীনরা যদি ১০ শতাংশ আসন পায় এবং জালিয়াতির অভিযোগে ওই নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করা হয়, তখন কি হবে? বিদ্যমান সংবিধানে এ সুযোগটি রয়ে গেছে। এটি সংশোধন করতে হবে।’’

এ ছাড়া বর্তমান সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন দিলে সংসদ সদস্যরা অন্যদের চেয়ে কিছু বেশি সুযোগ সুবিধা পাবে যা নির্বাচনে সমান সুযোগ তৈরির পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে বলেও মন্তব্য করেন সাবেক এই আমলা।

কেউই আর গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে পারবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দেশে সংঘাত ছিল, আছে ও থাকবে। তবে গত ৪০ বছরে কোনো অন্যায় অবিচার টেকেনি। আগামী ৪০ বছরেও পারবে না। বর্তমানে যে সাংবিধানিক জটিলতা দেখা দিয়েছে এর রাজনৈতিক সমাধান করতে হলে আগে লক্ষ ঠিক করতে হবে।’’

রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান রাজনৈতিক উপায় করতে হবে। অরাজনৈতিক উপায়ে এটি সমাধান করবার চিন্তা করা ঠিক হবে না। অরাজনৈতিক কোনো কিছুই বাংলাদেশসহ পৃথিবীর কোথাও টেকসই হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. তারেক শামসুর রেহমান। বিদ্যমান সংকট নিরসনে নির্দলীয় সরকারের ছয়টি বিকল্প প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি।

প্রস্তাবগুলো হলো: এক. বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হবার তিন মাস আগে মহাজোট সরকার পদত্যাগ করবে ও একটি নির্দলীয় সরকার শুধু তিন মাসের জন্য দায়িত্ব নেবে।

দুই. একটি ‘এলডার্স কাউন্সিল’ নির্দলীয় সরকারের দায়িত্ব নিবে, যারা শুধু নির্বাচন পরিচালনা করবে।

তিন. একজন সাবেক প্রধান বিচারপতির (অথবা একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তির) নেতৃত্বে সাংবিধানিক পদে অধিকারিদের নিয়ে একটি সরকার।

চার. স্পিকারের নেতৃত্বে দু’টি বড় দলের পাঁচজন করে নিয়ে একটি সরকার। তবে তারা কেউই আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

পাঁচ. যৌথ নেতৃত্বে (একজন বিএনপি ও একজন আওয়ামী লীগের মনোনীত) একটি নির্দলীয় সরকার, যাদের কেউই আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। এবং সর্বশেষ হচ্ছে, রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে একটি সরকার।

জ্বালানি ভর্তুকি কমাতে লোডশেডিং বাড়ানো হচ্ছে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

জ্বালানি ভর্তুকি কমাতে লোডশেডিং বাড়ানো হচ্ছে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড- পিডিবি সূত্রে জানা গেছে ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে জ্বালানি তেল খরচের বিশাল অংকের ভর্তুকি আপাতত কিছুটা হলেও কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে বেশ কিছু ভাড়া ও দ্রুত ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনা বন্ধ করেছে পিডিবি। ফলে বাধ্য হয়ে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মালিকানার এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদন বন্ধ করেছে।

জ্বালানি তেল চালিত এসব কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার সুফলও পেতে শুরু করেছে নাজুক অর্থনৈতিক অবস্থায় থাকা সরকার। পিডিবি সূত্র বলছে, এর ফলে গত আগস্ট মাসের চেয়ে এই মাসে দেশে জ্বালানি তেল আমদানি শতকরা ২২ ভাগ কমবে। গত মাসে দুই লাখ পঁচিশ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়েছিল, সেপ্টেম্বরে তা কমে গিয়ে দাঁড়াবে এক লাখ পচাত্তর হাজার টনের কাছাকাছি।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রয়োজনীয় উচ্চমানের জ্বালানি তেলের দাম যখন আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত বাড়ছে,  তখন আমদানির এই কমতিতে সরকারের বিরাট অংকের অর্থ সাশ্রয় হবে। আমদানিকৃত তেলের দামে অনেক ভর্তুকি দিয়ে ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কাছে বিক্রি করে সরকার। ফলে ভর্তুকির খরচও কমবে।

ভাড়া বিদ্যুতে ভর্তুকিজনিত লোকসান কমানোর পথে সরকারে স্বস্তি মিললেও এর বিরুপ প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে শিল্পখাতে, ব্যবসা-বাণিজ্যে এবং গৃহস্থালীতে। ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো উৎপাদন বন্ধ রাখায় লোডশেডিং বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে সরকার।

গত রমজান মাসের পুরোটা সময় যথাসম্ভব লোডশেডিং না করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য পিডিবি’কে ৫০০ কোটি টাকার একটি তহবিল দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। যাতে উচ্চমূল্যের আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি তেল কিনে তা ভর্তুকি দিয়ে ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কাছে বিক্রি করা এবং তাদের কাছ থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনে লোকসান দিয়ে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর খরচ সামলানো যায়।

এ তহবিলের ফলে জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে আগস্টের শেষ পর্যন্ত মোটামুটি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ছিল দেশে। আগস্টের ৪ তারিখে উৎপাদন সর্বোচ্চ ছয় হাজার তিনশত পঞ্চাশ মেগাওয়াটে পৌঁছেছিল।

কিন্তু পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে বেশ কিছু ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ায় লোডশেডিং বাড়াতে হচ্ছে পিডিবিকে। বর্তমানে উৎপাদন পাঁচ হাজার দুইশত মেগাওয়াটের কম-বেশি হচ্ছে দৈনিক, এতে করে কমবেশি একহাজার মেগাওয়াট মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

এ সিদ্ধান্তের প্রভাব অবশ্য গ্যাস জ্বালানি চালিত রাষ্ট্রায়ত্ব ১১ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পড়ছে না। পিডিবি জানিয়েছে, গ্যাস জ্বালানিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২ থেকে ৩ টাকা খরচ হয়। অন্যদিকে দেশে বর্তমানে ৩৪টি জ্বালানি তেল চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে যেগুলোতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১৬ থেকে ২০ টাকা খরচ হয়।

নামে বেনামে ৮০ প্রতিষ্ঠান হলমার্কের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

নামে বেনামে ৮০ প্রতিষ্ঠান হলমার্কের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কয়েক হাজার কোটি টাকার ব্যাংক জালিয়াতিতে জড়িত হলমার্ক গ্রুপের রয়েছে নামে বেনামে ৮০টি প্রতিষ্ঠান। হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ বলেন,  ৭০ থেকে ৮০টি  প্রতিষ্ঠান রয়েছে হলমার্ক গ্রুপের। সোনালী ব্যাংকের রুপসী শাখা থেকে ৫৭টি প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণের বিপরীতে লেনদেন করা হয়েছে। তবে এসব লেনদেনে কোনো অনিয়ম হয়নি বলে দাবি তার।
দুদকের কাছে সেসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা দিয়েছে গ্রুপটি সেগুলো হলো হলমার্ক ফ্যাশন লিমিটেড, ববি ফ্যাশন লিমিটেড, ওয়ালমার্ট ফ্যাশন লিমিটেড, হলমার্ক ডিজাইন ফ্যাশান লিমিটেড, ওয়ারাস  ফ্যাশন লিমিটেড, হলমার্ক স্টাইল লিমিটেড, ববিডেনির কম্পিউটার লিমিটেড, হলমার্ক নিটিং লিমিটেড, ডাইয়িং লিমিটেড, ইসলাম ফ্যাশান লিমিটেড, মাহমুদ অ্যাপারাস লিমিটেড, ফারহান ফ্যাশান লিমিটেড, ফেলি ডেলিকেট লিমিটেড, মোবেলাম ফ্যাশান লিমিটেড, ডন অ্যাপারেন্স লিমিটেড,ওয়ালমার্ট অ্যাপারেন্স লিমিটেড, এ.এন ডিজাইন লিমিটেড, হলমার্ক ডেনিন ফ্যাশান লিমিটেড, হলমার্ক ডেনিন কম্পোজিট লিমিটেড, হলমার্ক প্যাকেজ লিমিটেড, হলমার্ক নীট কম্পোজিট লিমিটেড, হলমার্ক স্পিনিং মিল, স্টার স্পিনিং মিল, ববি ফ্র্যাস্ক প্রিন্টিং লিমিটেড, স্পিনিং মিলস, সোহেল স্পিনিং মিলস, বিটিএল মিল, মাহিন টেক্সটাইল, পিনাকল টেক্সটাইল, প্রিন প্রিন্টার্স, সোহেল স্পিনিং, ইসলাম ফ্যাশান লিমিটেড ও হলমার্ক ফ্যাশান লিমিটেড ।
এসব প্রতিষ্ঠান ডায়িং, প্যাকেজিং, আবাসন, ট্রাভেল এজেন্সিসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত।
কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নিবন্ধনের কাগজপত্র ও কার্যালয় থাকলে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো কার্যক্রম নেই। এসব প্রতিষ্ঠানকে উৎপাদনমুখী ও রফতানিকারক দেখিয়ে ব্যাংকের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা।
প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে একাধিকবার ঋণ নেয়ার প্রমাণও পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এদিকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদেও প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের কাছ থেকে অস্তিত্বহীনতার বিষয়টি পরিস্কার হয়।
গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদের দাবি করছেন যে সোনালী ব্যাংক থেকে যে পরিমাণ ঋণ তিনি নিয়েছেন, তার চেয়ে ২০ গুণ সম্পত্তি রয়েছে গ্রুপের। অথচ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সূত্রে জানা যায়, হলমার্ক সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক করের পরিমাণ কয়েক লাখ টাকা মাত্র।

Saturday, September 8, 2012

সিটিসেলকে এক মাসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

সিটিসেলকে এক মাসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

দ্বিতীয় প্রজন্মের (টু জি) লাইসেন্স নবায়নের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পরিশোধ না করায় দেশের প্রথম মুঠোফোন অপারেটর সিটিসেলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। এতে আগামী এক মাসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বিটিআরসি সূত্র জানায়, বেঁধে দেয়া সময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধ না করায় এই শো-কজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।

সূত্র মতে, টাকা জমা দেয়ার শেষ দিনে সিটিসেল বিটিআরসিতে একটি চিঠি পাঠিয়ে টাকা সংস্থান করতে না পারায় নির্দিষ্ট সময়ে টাকা জমা দেয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বলে একটি কৈফিয়তপত্র পাঠিয়ে সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে।
তবে এমন পরিস্থিতিতে টাকা পরিশোধের সময় বাড়ানোর আইনগত কোনো সুযোগ না থাকায় বিটিআরসি তাদের সময় বাড়ানোর আবেদন মঞ্জুরে অপারগ হয়ে নিয়ম অনুযায়ী কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. জিয়া আহমেদ জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ে টাকা না দেয়ায় সিটিসেলকে এক মাসের মধ্যে জবাব চেয়ে শোকজ করা হয়েছে। তাদের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।

এদিকে বকেয়া থাকা অপর তিন অপারেটর গ্রামীণফোন, বাংলালিংক ও রবি’র কাছ থেকে প্রাপ্ত লাইসেন্স নবায়নের দ্বিতীয় কিস্তির দুই হাজার ৩৭২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বৃহস্পতিবার ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট ১৫ শতাংশ ভ্যাটের টাকাসহ এই অর্থ পরিশোধ করে প্রতিষ্ঠান তিনটি।

প্রসঙ্গত, টু-জি লাইসেন্স নবায়নের দ্বিতীয় কিস্তি বাবদ সিটিসেলকে ১৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধের জন্য নোটিশ দিয়েছিলে বিটিআরসি। লাইসেন্স নবায়ন শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত এই ফি’র সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করে আরো সাড়ে ১৯ কোটি টাকা পরিশোধ করেত হবে সিটিসেলকে।

অবৈধ আন্তর্জাতিক কল অনুসন্ধানে বিটিআরসি :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

অবৈধ আন্তর্জাতিক কল অনুসন্ধানে বিটিআরসি :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

আন্তর্জাতিক কল আসার মাধ্যম হিসেবে কাজ করা গেটওয়েগুলোর (আইজিডব্লিউ) মূল কারণ।

আইজিডব্লিউ কলের নিয়ন্ত্রকগুলো খতিয়ে দেখতে এবং রাষ্ট্রীয় ল্যান্ডফোন অপারেটর বিটিসিএলের মোট কলের হিসাব খতিয়ে দেখতে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আগামী সপ্তাহ থেকে ওই অনুসন্ধান চালাবে বাংলাদেশ টেলিকমিউনেশন নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

ভয়েস ওভার ইন্টারন্টে প্রটোকল (ভিওআইপি) বৈধ পথে কল আসার সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এক বছর আগে যেখানে বৈধ পথে আসা ইনকামিং কলের পরিমাণ ৫২ মিলিয়ন মিনিট ছিল এখন  তা নেমে এসেছে ২৫/২৬ মিলিয়ন মিনিটে। ফলে বিপুল পরিমাণ অংকের রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল  অব. জিয়া আহমেদ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “সব গেটওয়ে অপারেটর ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটা টিম গঠন করা হয়েছে। আর বিটিআরসি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে অনুসন্ধান করা হবে। এখন থেকে ভিওআইপির নব সুইচ রুমও পরিদর্শন করা হবে।”

একটা নির্দিষ্ট চক্র অনেক দিন ধরেই ওই ব্যবসা করে আসছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল আর টেলিটক এখন ভিওআইপির ব্যবসার নেতৃত্ব দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
 

বন্ধু সালমানকে স্মরণ করলেন প্রিতি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বন্ধু সালমানকে স্মরণ করলেন প্রিতি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

সালমান খানকে তার জীবনের জন্য বন্ধু বলে আখ্যায়িত করেছেন বলিউডের মিষ্টি মেয়ে বলে পরিচিত প্রিতি জিনতা। সম্প্রতি দেয়া এক ইন্টারভিউতে প্রিতি এমনই উচ্ছসিত ভাবে প্রসংশা করছিলেন টাইগার সাল্লুর।

ইন্টারভিউতে অনেকটা গদগদ হয়েই প্রিতি বলেন, “একটা মানুষ যখন শুধু ভালো কিছু করবে তখন তার গুণকীর্তন করতে হবে তা ঠিক নয়। আমি আমার জীবনের সব পর্যায়ে সালমানকে দেখেছি। এমনকি যখন আমি আইপিএল নিয়ে মামলায় ছিলাম কিংবা অর্থনৈতিক চাপের সময়। একমাত্র তখন সালমানকেই আমি আমার পাশে পেয়েছি। এটি আমার কাছে অনেক কিছু।”

সাক্ষাতকারে প্রিতি সালমানের নতুন ব্লকবাস্টার ‘এক থা টাইগারেরও প্রশংসা করতে ভুলেননি। আর সালমানের উদারতার কথা বলতে গিয়ে যেন আরেকবার নুয়ে পড়েছিলেন এই চকলেটি এ্যাকট্রেস। তিনি বলেন, “সালমানই একমাত্র লোক যে কিনা আমার পাশে এমন করে ছিলো এবং তার সাধ্য অনুযায়ি আমাকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করেছে।”

শুধু বন্ধু সালমানকে স্মরণ করেই দায় সারেননি প্রিতি। সেই সঙ্গে মনে করেছেন তাদের দুজনের করা অন্যতম সেরা ছবিগুলোর কথাও। কেনো সালমান-প্রিতি জুটি হিসেবে সফল এমন প্রশ্নের জবাবে প্রিতি জানান, কারণ তারা একে অপরের সঙ্গে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন।

উল্লেখ্য, সালমান-প্রিতি জুটির অন্যতম ছবিগুলো হলো “হার দিল জো পেয়ার কারেগা, চোরি চোরি চুপকে চুপকে, দিলনে জিসে আপনা কাঁহা, হিরোস এবং জায়ে মন।

বলিউড আবার ফিরবে কাশ্মিরে, আশায় শাহরুখ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বলিউড আবার ফিরবে কাশ্মিরে, আশায় শাহরুখ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
আবার আসিব ফিরে, ফিরবে বলিউডও। জীবনে প্রথম বার কাশ্মিরে এসেছিলেন। কাশ্মির ছেড়ে যাওয়ার আগে ফিরে আসার অঙ্গীকারই করে গেলেন শাহরুখ খান। আশা রাখলেন, তার নতুন ছবি দেখে পর্যটকরা নতুন করে উৎসাহিত হবেন কাশ্মিরে আসার জন্য। আসতে পারে বলিউডের অন্যান্য ইউনিটও।

শাহরুখের জাদু কি তবে কাশ্মিরকে আরো জনপ্রিয় করবে? ঠিক তেমনটা দাবি করলেন না অবশ্য। কিছুটা বিনয়ের সুরেই বললেন, “আমি খুব বড়সড় কেউ নই। তবে বড় ব্যানারের নামীদামি শিল্পীদের ছবি দেখে মানুষ নিশ্চয়ই এখানে আসবেন।”

টানা ন’দিন ধরে কাশ্মির উপত্যকায় শ্যুটিং করেছেন শাহরুখ। আর যাওয়ার শ্রীনগরে সাংবাদিক সম্মেলনে বলে গেলেন, “আমাদের লন্ডন বা সুইৎজারল্যান্ডে শ্যুটিং করতে দেখে, সেই সব জায়গায় মানুষ ঘুরতে যান। আমার আশা, এই ছবিতে কাশ্মিরকে দেখে মানুষ আবার এখানে ভিড় করে বেড়াতে আসবেন।” সেই সঙ্গে তার আশা, বলিউডও পছন্দের শ্যুটিং স্পটটাকে আবার খুঁজে পাবে ভূস্বর্গে। বলিউডের অন্য তারকারাও আসবেন কাশ্মিরে শ্যুটিং করতে।

যশ চোপড়া নিজেই প্রায় তিন দশক পরে কাশ্মিরে এলেন। ‘কভি কভি’ আর ‘সিলসিলা’র পরে যশরাজের কোনো ছবিরই শ্যুটিং হয়নি উপত্যকায়। নতুন ছবিটির নাম এখনো ঠিক হয়নি। তবে যশরাজের পক্ষ থেকে ছবিটিকে ‘প্রেমের গল্পের শেষ কথা’ বলে প্রচার করা হচ্ছে। ছবিতে শাহরুখের সঙ্গে আছেন অনুষ্কা শর্মা আর ক্যাটরিনা কাইফ।

গতকাল বিকেলে অনুষ্কার সঙ্গে হেলিকপ্টারে শ্রীনগর পৌঁছন তিনি। তাদের ঘিরে ভক্তদের উন্মাদনা ছিল তীব্র। তাদের অতি উৎসাহের ঠেলায় আজ সাংবাদিক বৈঠকও বারবার বিঘ্নিত হয়েছে।

শুরুতেই চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা। শাহরুখকে ঘিরে ভক্ত আর সাংবাদিকদের হুড়োহুড়ি। চিৎকার চেঁচামেচির ঠেলায় প্রথমে বেশ কিছু ক্ষণ শাহরুখতে এক কথা দু’বার করে বলতে হচ্ছিল। শেষমেশ শত্রুঘ্ন সিংহের কায়দায় শাহরুখকেও গলা তুলতে হলো। ‘খামোশ’! তার পর নিজেই চেয়ার ছেড়ে উঠে ভিড় সামলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন শাহরুখ। কাউকে কাউকে তো বসার জায়গাও দেখিয়ে দিতে দেখা গেল তাকে। যদিও সে সব নিয়ে বলিউডের এই জনপ্রিয় তারকার নিজের খুব একটা মাথাব্যথা ছিল না। সাংবাদিকদের একের পর এক প্রশ্নের উত্তর দিলেন। জানালেন, পরের বার চেষ্টা করবেন পরিবারকে নিয়ে আসার। “মনের অনেক সংশয় দূর করতে এই সফরটা আমাকে ভীষণ ভাবে সাহায্য করবে। এখানকার সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করেছে। আবেগে আমি পরিপূর্ণ।”

আসলে কাশ্মিরের সঙ্গে একটা পারিবারিক যোগাযোগও রয়েছে শাহরুখের। তার ঠাকুমা ছিলেন এই উপত্যকার বাসিন্দা। সাংবাদিক বৈঠকে শাহরুখ বলেন, “কাম্মিরে আসাটা আমার কাছে একটা স্বপ্নের মতো। আমার ঠাকুমা এখানকার লোক ছিলেন। আর আমার বাবা সব সময় আমাকে এখানে আনতে চাইতেন। উনি যখন মারা যান, আমার বয়স মাত্র ১৫।”

বাবাকে ছাড়া এখানে এসে মনটা ভারী হয়ে গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সব কিছু ছাপিয়ে ভূস্বর্গের নিসর্গেই মুগ্ধ শাহরুখ। ফেসবুক আর টুইটারের মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে গত কয়েক দিন ধরে বারবার সে কথা পোস্ট করেছেন তিনি। পহেলগাম থেকে গুলমার্গ। কখনো পাহাড়ের নিস্তব্ধতা, কখনো বা কাশ্মীরি খাবার। আবার কখনো বা উপত্যকার মানুষের ভালোবাসা। সব কিছুই ছুঁয়ে গিয়েছে তাঁকে। ছুঁয়ে গিয়েছে কাশ্মিরের ভালবাসা। এ দিন বললেন, “এখানকার মানুষ খুব সদয়, ধৈর্যশীল আর অসম্ভব ভালো।” প্রিয়জনের জন্মভিটে ছাড়ার আগে আবেগে ঘন শাহরুখের গলা। সূত্র: আনন্দবাজার

বার্ধক্য রোধে মাছের তেল :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

বার্ধক্য রোধে মাছের তেল :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পরিমিত ব্যায়াম করলে এবং প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ তৈলাক্ত মাছ রাখলে তা বার্ধক্য রোধে সহায়তা করে। নতুন এক গবেষণায় বৃটিশ গবেষকরা এমন তথ্য জানিয়েছেন।

গবেষণায় দেখা যায়, ৬৫ বছর বয়সী মহিলাদের মধ্যে যারা প্রতিদিন জলপাই তেল সমৃদ্ধ খাবার খান এবং নিয়মিত ব্যায়াম করেন তাদের তুলনায় যারা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ তৈলাক্ত মাছ খাবার হিসেবে গ্রহণ করেন তাদের দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা কম থাকে এবং তাদের পেশিশক্তিও দ্বিগুণ হয়।

ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ ও ছোট মাছ খেলে হূদরোগের ঝুঁকি কম থাকে এবং বিভিন্ন রোগ থেকে শরীর রক্ষা পায়। এর মধ্যে ধমনীতে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়া ধরনের হূদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস পায়।

গবেষকরা তাই সবাইকে বেশি করে মাছের তেল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সূত্র: বিবিসি

বাবার সম্পত্তি নিয়ে ভ্রাতৃবিরোধে প্রাণ হারায় খাইরুল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাবার সম্পত্তি নিয়ে ভ্রাতৃবিরোধে প্রাণ হারায় খাইরুল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
পৈতৃক সম্পতির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সোহরাওয়ার্দী তার বড় ভাই শহীদুলের সাথে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে। এই বিরোধের জেরধরেই বড় ভাবীকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ক্রস ফায়ারে পড়ে নিহত হন নিরাপরাধ জেনারেটর মেকানিক খাইরুল ইসলাম।
 
এলাকাবাসীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বাড়ির মালিক আব্দুল আওয়ালের ৫২৬ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলার ছাদে তার বড় ছেলে লিংকনের মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান চলছিলো। ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন তিন শতাধিক অতিথি। আমন্ত্রিত হয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন আ. আওয়ালের শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ওই সময় আওলের ছোট সম্বন্ধি সোহরাওয়ার্দী তার বড় ভাই একেএম শহীদুলের সাথে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হয় এবং তাকে ব্যাপক গালিগালাজ করে। উপস্থিত আত্মীয়-স্বজনরা তাদের শান্ত করে সোহরাওয়ার্দীকে নিয়ে ছাদ থেকে নিচে চলে আসেন। অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে চলে যায় সোহরাওয়ার্দী। এর কিছুক্ষণ পর কয়েকজন ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে পুনরায় অনুষ্ঠানস্থলে এসে বড় ভাইকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। স্বামীকে গালিগালাজ ও অপমান সহ্য করতে না পেরে ঘটনাস্থলে আসেন সোহরাওয়ার্দীর বড় ভাবী। কথা নিয়ে সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে ভাবীর বাকবিতন্ডা চলতে থাকে। এক পর্যায়ে সোহরাওয়ার্দী তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিস্তল দিয়ে গুলি করে। সেই গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে জেনারেটর মেকানিক খাইরুলের বুকে বিদ্ধ হয় এবং রক্তাক্ত খাইরুলকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
 
অনুষ্ঠান চলাকালে হত্যাকান্ডের ঘটনায় আমন্ত্রিত অতিথিরা ওই স্থান ত্যাগ করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় খায়রুলকে বাড়ির পাশের ড্রেন থেকে তুলে গাড়ীচালক জুলহাস ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়। হত্যাকাণ্ডের কথা ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে এসে হাজির হয় র‌্যাব-৩, সিআইডি, ডিবিসহ স্থানীয় থানা পুলিশ সদস্যরা। তারা ঘটনাস্থলে থাকা লোকজনদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
 
আ. আওয়ালের বাড়ির দারোয়ান আজহার জানান, তিনি তখন বাড়ির মূল দরজায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে হঠাৎ করে শোরগোল শোনা যায়। এক পর্যায়ে দেখা যায় সোহরাওয়ার্দীর বড় ভাবী নিচে নেমে এসেছে এবং সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হয়েছে। সেখানে কি হয়েছে তিনি তা জানাতে পারেননি। তার পাশেই খাইরুল দাঁড়ানো ছিলেন হঠাৎ একটি গুলির শব্দ ও খাইরুলকে নিচে পড়ে যেতে দেখেন। পরবর্তীতে কিছু বুঝে ওঠার আগেই সোহরাওয়ার্দী ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সটকে পড়েন এবং খাইরুল নিচে পড়ার কিছুক্ষণ পর ড্রেনের মধ্যে পড়ে যায়। তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
 
ওই বাড়ির মালিক আব্দুল আওয়াল জানান, তার দুই সম্বন্ধী মধ্যে (বড় ভাই শহীদুল ও ছোট ভাই সোহরাওয়ার্দী) দীর্ঘদিন ধরে খিলগাঁওয়ের সিপাহীবাগের সম্পদ নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। বৃহস্পতিবার তার বড় ছেলে লিংকনের মেয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান চলছিলো। এসময় সোহরাওয়ার্দী এসে তৃতীয় তলার অনুষ্ঠানস্থলে তার  বড় ভাই শহীদুলের সাথে দুর্ব্যবহার করে। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির মত ঘটনা ঘটনার সম্ভাবনা থাকায় সোহরাওয়ার্দীকে আত্ময়-স্বজনরা বাড়ির নিচে নিয়ে যায়। সোহরাওয়ার্দী ওই সময় অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে চলে গেলেও কিছুক্ষণ পর পুনরায় ফিরে এসে তাকে গালিগালাজ করতে থাকে। ওই সময় স্বামীর সাথে দুর্ব্যবহারের কথা শুনে শহীদুলের স্ত্রী নিচে নেমে এসে সোহরাওয়ার্দীর সাঙ্গে ঝগড়া শুরু করেন। উপস্থিত আত্মীয়-স্বজনরা তাদের শান্ত হতে বললেও সোহরাওয়ার্দী তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়েন। ওই গুলি বড় ভাবীর শরীরে বিদ্ধ না হয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে জেনারেটর মেকানিক খাইরুলের বুকের বাম পাশে বিদ্ধ হয়ে মারা যায় বলে জানান তিনি।
 
শুক্রবার দুপুরে ময়না তদমত্ম শেষে নিহত খাইরুলের লাশ তার গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এ ব্যাপারে খিলগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
 
উলেস্নখ্য, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে খিলগাঁও হাই স্কুলের বালুর মাঠ সংলগ্ন ১১ নম্বর সড়কের ৫২৬ নম্বর বাড়ির পাশে খাইরুল ইসলাম গুলিতে গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ময়না তদন্তের জন্য লাশটি মর্গে পাঠানো হয়।
 
নিহত খাইরুলের পিতার নাম জয়নাল আবেদিন, তার গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের ত্রীবন্দরে। খায়রুল খিলগাঁওয়ের রোড-১১ এর ৫৩৪/সি নম্বর বাড়িতে বসবাস করতেন। নিহত খাইরুলের ৩ ভাই ১ বোন। ভাই বোনদের মধ্যে সে তৃতীয়।

খিলগাঁওয়ে সস্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ১ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

খিলগাঁওয়ে সস্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ১ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 রাজধানীর খিলগাঁও উচ্চবিদ্যালয় সংলগ্ন বালুর মাঠে সন্ত্রাসীদের গুলিতে মোহাম্মদ সাইদুল (২৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্প পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, স্থানীয় জেনারেটর ব্যবসায়ীর সহযোগী সাইদুলকে গুলিবিদ্ধ অস্থায় ৪/৫ জন লোক রাত ১১ টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় সঙ্গে থাকা সবাই পালিয়ে গেলেও একজনকে আটক করে ক্যাম্প পুলিশ।

খিলগাঁও থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম শেখ বার্তা২৪ ডটনেটকে, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে স্থানীয় সরোয়ার্দী তার ভাবি সালেহাকে লক্ষ্য করে গুলি করলে বালুর মাঠে থাকা সাইদুলের বুকের বাম পাশে বিদ্ধ হয়। ঘটনার পর থেকে সরোয়ার্দী পলাতক রয়েছে।

ফেন্সিডিলসহ টিঅ্যান্ডটি কর্মচারী গ্রেফতার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফেন্সিডিলসহ টিঅ্যান্ডটি কর্মচারী গ্রেফতার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
পৃথক দুইটি অভিযানে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকায় টিঅ্যান্ডটি কর্মচারীসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় দুই হাজার পাঁচশ বোতল ফেন্সিডিল ও একটি প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।
 
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, টিএন্ডটি কর্মচারী মো. ফখরুল ইসলাম (৪০), মো. ইলিয়াস হোসেন (৪০), মো. তৌহিদুল ইসলাম ওরফে সুমন (৪৫)। অপর অভিযানে গ্রেফতার মো. মাছুম (৪২) ও মো. মতিয়ার রহমান (৩৮)।
 
গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ রাত সোয়া ৭টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ (পশ্চিম) এর অবৈধ মাদক উদ্ধার ও প্রতিরোধ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেয়ে পল্টন থানাধীন ইস্টার্ণ প্লাজা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় একটি প্রাইভেট কার আটক করে ও তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
 
এ সময় তাদের কাছ থেকে ২০২০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে গোয়েন্দা পুলিশ এবং মাদক বহনকারী একটি প্রাইভেট কার (রেজিঃ নং ঢাকা মেট্রোঃ গ-২৯-৩৩৬৪) আটক করা হয়।
 
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মশিউর হমানের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয় বলেও জানায় গোয়েন্দা পুলিশ।
 
গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, মো. ফখরুল ইসলাম একজন টিএন্ডটি কর্মচারী। তিনি বেনাপোল, সাতক্ষীরা ও সীমান্তবর্তী এলাকা হতে দীর্ঘদিন ধরে বড় চালানের মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিলেন।
 
মো. ইলিয়াস হোসেন ঢাকায় গ্রেফতারকৃত মো. ফখরম্নল ইসলাম এর কাছ থেকে মাদক দ্রব্য সংগ্রহ করে পাইকারি দর হিসেবে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করেন এবং তৌহিদুল ইসলাম সুমন নিজস্ব প্রাইভেট কারে ফেন্সিডিল বহন করেন।
 
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ১৯৯০ সালের  মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পল্টন থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে বলেও জানায় গোয়েন্দা পুলিশ। 
 
এদিকে, একইদিনে গোয়েন্দা পুলিশের(পশ্চিম) পৃথক একটি দল অভিযান পরিচালনা করে রমনা থানা এলাকা হতে পাঁচশ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী মো. মাছুম (৪২) ও মো. মতিয়ার রহমান (৩৮)কে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে রমনা থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

ল্যাপটপ পাচ্ছেন এমপিরা, ব্যবহার জানেন না ৮৫ শতাংশ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ল্যাপটপ পাচ্ছেন এমপিরা, ব্যবহার জানেন না ৮৫ শতাংশ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
  ৮৫ শতাংশ এমপি ইন্টারনেট ও ল্যাপটপ  ব্যবহার না জানলেও আগামী ডিসেম্বরে ৩৫০টি ল্যাপটপ বিতরণের প্রস্তুত গ্রহণ করেছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

তবে এ তালিকায় প্রথমে সরকারি দলের সদস্যদের আগে দেয়া হবে। বিরোধী দলের সদস্যদের দেয়া হবে পরে।

জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালে নবম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে এমপিদের নিবার্চনীয় এলাকায় কম্পিউটার দেয়ার আশ্বাস দেন। জাতীয় সংসদের স্পিকার তা সংসদে ঘোষণা করেন।

সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী এলাকার জনগণের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগ দেয়ার জন্য প্রায় পাঁচ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয় প্রস্তাব করে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। প্রস্তাবটি অর্থমন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় তিন বছর আগে।

তবে দীর্ঘ দিন ধরে অর্থ বরাদ্দ না দেয়ায় প্রকল্পটির মুখ থুবরে যায়। সম্পতি একনেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদ সদস্যদের ৩৫০টি ল্যাপটপ কেনা বাবদ তিন কোটি ৬৩ লাখ টাকা অনুমোদন দেন।

জাতীয় সংসদ সচিবালয় আগামী নভেম্বরের মধ্যে ল্যাপটপ কেনা সম্পন্ন করে ডিসেম্বরে বিরতণের প্রস্তুতি নিয়েছে।

এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সচিব মাহফুজার রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বার্তা২৪ ডটনেকে বলেন, “সরকারিভাবে সংসদ সদস্যদের জন্য ল্যাপটপ কেনার জন্য অর্থমন্ত্রণালয়  তিন কোটি ৬৩ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছে।”

তিনি আরো বলেন, “বরাদ্দ করা অর্থ ছাড় পাওয়া গেলে  আগামী নভেম্বর মাসে ল্যাপটপ কেনা হবে।”

৮৫ শতাংশ সংসদ সদস্য ইন্টারনেট ও ল্যাপটপ ব্যবহার জানেন না এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “সংসদ সদস্যদের কম্পিউটার সম্পকেং সংসদে প্রশিক্ষণকেন্দ্র খোলা হয়েছে। সংসদ সদস্যরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ল্যাপটপ বিতরণ করতে করতে তারা শিখে যাবেন।”

এ প্রসঙ্গে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধানের সাথে কথা হলেন তিনি বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমি ল্যাপটপ চালানো জানি না। তবে শিখে নেব।”

অন্যদিক নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী জানান, ল্যাপটপ তার সর্বক্ষণের সঙ্গী এবং তার রয়েছে একটি নিজস্ব ওয়েবপেজও।

আকরাম চৌধুরী আরো জানান, নির্বাচনী এলাকার লোকজনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার জন্য ব্যবহার করছেন ইন্টারনেট। যখন তিনি এলাকায় থাকেন না, তখনো এলাকাবাসী ইমেইলে তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারেন, তাদের সমস্যার কথা জানাতে পারেন

স্পীকার ও মন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, গ্রেফতার ৫ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

স্পীকার ও মন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, গ্রেফতার ৫ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 রাজধানীর উত্তরায় স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার ও বাণিজ্য মন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা করার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।  গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, নিপ্পন কসমেটিকসের এমডি আবুল কাশেম ওরফে পাপ্পু (৩৯), জেনারেল ম্যানেজার মো. ইয়াছিন আরাফাত (৩০), মো. শফিকুল ইসলাম (২৮), ফিরোজ কিবরিয়া (৫০) ও মো. আমিনুল ইসলাম (৩২)।
 
শুক্রবার ডিএমপি মিডিয়া সেলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
 
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি মাসের ৬  তারিখে আড়াইটার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ (উত্তর) এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন সেক্টর-১৪, বাড়ি-৭৯, গাউছুল আজম প্রধান সড়ক এলাকা, উত্তরা ঢাকায় অবস্থিত নিপ্পন কসমেটিকস প্রোঃ ইনঃ লিঃ এর তৃতীয় তলায় অভিযান পরিচালনা করে প্রতারক চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ (উত্তর) এর ক্রাইম এনালাইসিস সেলের সহকারী পুলিশ কমিশনার রায়হানুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
 
গোয়েন্দা পুলিশ আরো জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের অফিসে বিভিন্ন ধরনের ভেজাল পণ্য সামগ্রী উন্নত প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে বিক্রয় করত।  এক্ষেত্রে তারা বিভিন্ন জেলায় পণ্য সামগ্রী বিক্রয়ের জন্য মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ডিলার নিয়োগ করত। ডিলারগণের কাছ থেকে তারা টাকা নেয়ার পরে কোনো পণ্য সামগ্রী প্রদান করতো না। বিভিন্ন সময়ে মাল সরবরাহের তারিখ প্রদান করে সময়ক্ষেপন করতো।
 
এছাড়াও তারা বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানে বেকার যুবকদের চাকরি প্রদানের নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিত। তাদের প্রতারণার বিষয়ে যাতে কেউ সন্দেহ না করে সে জন্য তারা কৌশলে এমডি আবুল কাশেম ওরফে পাপ্পু এর সাথে মাননীয় স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার ও বাণিজ্য মন্ত্রীর ছবি দেয়ালে টাঙ্গিয়ে রাখতো।

মহাখালীতে সাংবাদিকের স্ত্রীর আত্মহত্যা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

মহাখালীতে সাংবাদিকের স্ত্রীর আত্মহত্যা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে সাংবাদিকের স্ত্রী ও কলেজ ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন।

শুক্রবার সকালে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। অপর দিকে মেরুল বাড্ডা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।

বনানী থানার উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান জানান, মহাখালী টিভিগেট জিপি চ/২০১ নম্বর তিন তলা ভবনের নীচ তলা থেকে বৈশাখি টেলিভিশনের নিউজরুম এডিটর জুয়েল হালদারের স্ত্রী তন্ত্রা রানী দে’র (২৫) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে তন্ত্রা আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত তন্ত্রা বারডেম হাসপাতালের নার্স ছিলেন।

অপর দিকে কাফরুল থনার এসআই জাকির হোসেন মাফুজা আনাম রিতা (১৭) নামের বিএফ শাহীন স্কুল এন্ড কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। তার পিতার নাম মেহেদী হাসান। বাংলাদেশ বিমানবাহীনি ঘাটি, নিহারিকা আবাসিক এলাকার ১৫৭/৬ নম্বর ভবনে মা-বাবার সঙ্গে থাকতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি নূর নগর দৌলতপুর খুলনা।

অপর দিকে সকাল আটটার দিকে মেরুল বাড্ডা মাছ বাজারের সামনে তুরাগ গাড়ির ধাক্কায় শাহীন (২০) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। তার লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। তবে ঘাতক চালককে আটক করা যায়নি।

নুহাশপল্লীতে প্রকাশকদের মিলাদ


 বরেণ্য কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের স্মরণে শুক্রবার দুপুরে নুহাশ পল্লীতে কোরানখানি, মিলাদ, দোয়া ও এতিমদের আপ্যায়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশ সমিতি ও হুমায়ূন আহমেদের প্রকাশকবৃন্দ যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন।
 
শুক্রবার সকাল থেকে পিরুজালী ও আশপাশের এলাকা থেকে কয়েকটি এতিমখানা ও মাদ্রাসার দুই শতাধিক এতিমশিশু কোরআন খতম করে। দুপুরে প্রকাশকরা  হুমায়ূন আহমেদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এসময় তারা ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন। পিরুজালী মাহমুদ আলী হাফিজিয়া মাদ্রাসার মাওলানা আরিফুর রহমান মোনাজাত পরিচালনা করেন। পরে তারা এতিম শিশুদের আপ্যায়ন করান।
 
প্রকাশকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অন্য প্রকাশের সত্ত্বাধিকারি মাজহারুল ইসলাম, সময় প্রকাশনার ফরিদ আহমেদ, অনন্যা প্রকাশনীর মনিরুল ইসলাম, কাকলী প্রকাশনীর কেএম নাসির আহমেদ, অবসর প্রকাশনীর আলমগীর রহমান, শিখা প্রকাশনীর নজরুল ইসলাম বাহার, অনুপম প্রকাশনীর মিলন কান্তি নাথ, বাংলা প্রকাশের ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসান, পার্ল পাবলিকেশন্সের হাসান জায়েদী, অন্বেষা প্রকাশনের শাহাদাৎ হোসেন, মাওলা প্রকাশনীর আহমেদ মাহমুদল হক ও সুবর্ণ প্রকাশনীর মাহফুজুল হক।
 
নুহাশ পল্লীর ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, নুহাশ পল্লীতে শুক্রবারও হাজারো হুমায়ূন ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারতের জন্য সকাল আটটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর‌্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।  
 
ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে কবর জিয়ারতের চাইতে নুহাশ পল্লীতে ঘুরে বেড়া আসা লোকদের সংখ্যা বেশি। অনেকেই পরিবার-পরিজন বা বন্ধু-বান্ধব নেয় বেড়াতে আসছেন। বাসে করে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাসফর ও পিকনিক করার জন্যও নুহাশ পল্লীতে আসছেন। নুহাশ পল্লী কেবলমাত্র হুমায়ূন আহমেদের কবর জিয়ারতের জন্য খোলা থাকলেও দর্শনার্থীরা তা মানছেন না। এ নিয়ে শুক্রবার সকালে নুহাশ পল্লীর কর্মচারীদের সঙ্গে দর্শনার্থীদের কয়েকদফা কথা কাটাকাটি হয়েছে।
 
পলস্নীর ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম বুলবুল জানান, হুমায়ূন আহমেদ স্যারে কবর জিয়ারত করতে আসা লোকজনের জন্য আলাদা রাস্তা ও সীমানা নির্ধারণ করে তারের বেড়া দেয়া হলেও দর্শনার্থীরা পল্লীর কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্য আচরণ করে জোরপূর্বক ভিতরে প্রবেশ করছেন। কারো বাধা তারা মানছেন না।
 
তিনি জানান, দর্শনার্থীদের অনেকে বইরে থেকে খাবার ও পানীয় সামগ্রী এনে ভিতরের পরিবেশ নোংরা করছেন। এখানে পয়ঃনিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকলেও যত্রতত্র প্রশ্রাব পায়খানা করা হচ্ছে। কেউ কেউ এটিকে বিনোদন কেন্দ্র মনে করে প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরতে এসে এর পরিবেশ নষ্ট করছেন। হুমায়ূন আহমেদ স্যারের হাতে লাগানো অনেক গাছের ডালাপালা ভেঙে নিয়ে যাচ্ছে। ভেষজ উদ্ভিদ বাগানের অনেক ক্ষতি হয়েছে।
 
সাইফুল ইসলাম বুলবুল দর্শনার্থীদের প্রতি আহবান জানান, তারা যেনো কেবলমাত্র হুমায়ূন স্যারের কবর জিয়ারত ছাড়া এবং নির্ধারিত সিমানার বাইরে অন্য কোন স্থানে না যান। এর সৌন্দর্য যেনো নষ্ট না হয়। এটি কোনো বিনোদন কেন্দ্র নয়।