রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে সাংবাদিকের স্ত্রী ও কলেজ ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন।
শুক্রবার সকালে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। অপর দিকে মেরুল বাড্ডা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।
বনানী থানার উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান জানান, মহাখালী টিভিগেট জিপি চ/২০১ নম্বর তিন তলা ভবনের নীচ তলা থেকে বৈশাখি টেলিভিশনের নিউজরুম এডিটর জুয়েল হালদারের স্ত্রী তন্ত্রা রানী দে’র (২৫) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে তন্ত্রা আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত তন্ত্রা বারডেম হাসপাতালের নার্স ছিলেন।
অপর দিকে কাফরুল থনার এসআই জাকির হোসেন মাফুজা আনাম রিতা (১৭) নামের বিএফ শাহীন স্কুল এন্ড কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। তার পিতার নাম মেহেদী হাসান। বাংলাদেশ বিমানবাহীনি ঘাটি, নিহারিকা আবাসিক এলাকার ১৫৭/৬ নম্বর ভবনে মা-বাবার সঙ্গে থাকতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি নূর নগর দৌলতপুর খুলনা।
অপর দিকে সকাল আটটার দিকে মেরুল বাড্ডা মাছ বাজারের সামনে তুরাগ গাড়ির ধাক্কায় শাহীন (২০) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। তার লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। তবে ঘাতক চালককে আটক করা যায়নি।
শুক্রবার সকালে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। অপর দিকে মেরুল বাড্ডা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।
বনানী থানার উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান জানান, মহাখালী টিভিগেট জিপি চ/২০১ নম্বর তিন তলা ভবনের নীচ তলা থেকে বৈশাখি টেলিভিশনের নিউজরুম এডিটর জুয়েল হালদারের স্ত্রী তন্ত্রা রানী দে’র (২৫) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে তন্ত্রা আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত তন্ত্রা বারডেম হাসপাতালের নার্স ছিলেন।
অপর দিকে কাফরুল থনার এসআই জাকির হোসেন মাফুজা আনাম রিতা (১৭) নামের বিএফ শাহীন স্কুল এন্ড কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। তার পিতার নাম মেহেদী হাসান। বাংলাদেশ বিমানবাহীনি ঘাটি, নিহারিকা আবাসিক এলাকার ১৫৭/৬ নম্বর ভবনে মা-বাবার সঙ্গে থাকতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি নূর নগর দৌলতপুর খুলনা।
অপর দিকে সকাল আটটার দিকে মেরুল বাড্ডা মাছ বাজারের সামনে তুরাগ গাড়ির ধাক্কায় শাহীন (২০) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। তার লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। তবে ঘাতক চালককে আটক করা যায়নি।
No comments:
Post a Comment