শিক্ষাঙ্গণে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তবে প্রয়োজনে কঠোর কিভাবে হতে হয়, তাও
আমাদের জানা আছে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে খেলার অধিকার কারো
নেই।
শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের ‘সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম’ সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে দলের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ
আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক
এডভোকেট আফজাল হোসেন, উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস এবং কার্যনির্বাহী
সদস্য এনামুল হক শামীম, ছাত্রলীগ সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ, সাধারণ
সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোল্লা মো. আবু
কাওছার-সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ, শ্রমিক লীগ সভাপতি শুকুর মাহমুদ,
সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী,
সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা,
সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক রেজা, মহিলা লীগের সভাপতি আশরাফুন্নেছা মোশারফ,
ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পিনু খান, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার,
সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল, তাতী লীগের আহবায়ক এনাজুর রহমান চৌধুরী অংশ নেন।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে
সরকারনিযুক্ত ভিসি ও তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলন
প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘একে, ওকে পছন্দ না বলে ছেলে মেয়েরা নিজেদের শরীর
থেকে রক্ত নিচ্ছে। সেই রক্ত আবার সিঁড়িতে ঢেলে দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মাথায়
এ ধরনের বিকৃত মানসিকতা কিভাবে আসে তা বুঝতে পারি না।’’
তিনি বলেন, ‘‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভিসি নিয়োগের এখতিয়ার প্রেসিডেন্টের।
তিনি ভিসি নিয়োগ করে থাকেন। কিন্তু সেখানে কে থাকবে আর কে থাকবে না তা নিয়ে
শিক্ষকরা আন্দোলন করেন, পরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে যোগ দেয়। রাতের বেলায়
শিক্ষকের ছবি নামিয়ে ফেলা হচ্ছে। এসব করে যেসব শিক্ষকরা তাদের সহকর্মীদের
অপমান করছেন, বা অপমান করতে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছেন ভবিষ্যতে তারা যে
অপমানিত হবেন না বা এই শিক্ষার্থীরাই যে তাদের অপমান করবে না এর নিশ্চিয়তা
কে দেবে। এজন্য আমি শিক্ষক সমাজকে সচেতন হতে বলবো।’’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘যার অপসারণের জন্য তারা আন্দোলন করলো নির্বাচনে দেখা
গেলো তিনিই সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন। ভোটের ওই ফলের পরে কি আন্দোলনকারীরা
লজ্জা পেয়েছিলেন?’’
No comments:
Post a Comment