পেয়ারা বাংলাদেশের অতি পরিচিত একটি ফল। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই পাওয়া এই
ফলটি, মূলত বর্ষাকালীন একটি ফল। কাঁচা অথবা পাকা উভয় অবস্থাতেই পেয়ারার
ত্বক থাকে গাঢ় সবুজ। তবে পাকা ফলের শাঁস সাধারণত লাল হয়ে থাকে।
পেয়ারা একটি উচ্চ পুষ্টিমানের ফল। ফলটিতে রয়েছে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি ও ভিটামিন-সি। এমনকি একটি পেয়ারা একটি কমলার চেয়েও চার গুণ বেশি ভিটামিন-সি ধারণ করে। ভিটামিন-সি হলো একটি প্রধান এন্টি অক্সিডেন্ট, যেটি কোষকে ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ থেকে রক্ষা করে। শুধু তাই নয়, ভিটামিন-সি আমাদের শরীরের ত্বকে বয়ে আনে পুষ্টি।
পেয়ারার ভেতরের চেয়ে বাইরের খোসায় রয়েছে বেশি পরিমাণে ভিটামিন-সি, যা স্কার্ভি নামক চর্মরোগসহ নানা ধরনের ত্বকের অসুখের বিরুদ্ধে কাজ করে। সর্দি, হাঁচি, কাশি দূর করতেও জুড়ি মেলা ভার পেয়ারার। এছাড়া আমাদের ত্বককে খতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে রক্ষা করে পেয়ারার বাইরের সবুজ ত্বক।
পেয়ারাতে রয়েছে যথেষ্ট ক্যারোটিনয়েড নামক পুষ্টি উপাদান, যেটি ভাইরাসজনিত ইনফেকশন থেকে আমাদের রক্ষা করে। ডায়রিয়ার জীবাণুকে করে দুর্বল। পেয়ারার ভিটামিন দৃষ্টিকে করে শক্তিশালী। পেয়ারায় বিদ্যমান খনিজ উপাদান পটাসিয়াম ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাগনেসিয়াম শরীরের কোষের দুর্বলতা দূরীকরণে উপকার দেয়।
আমাদের ত্বকে টানটান ভাব আনয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে পেয়ারা। এতে তারুণ্য বজায় থাকে দীর্ঘকাল। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব বেশি মিষ্টি পেয়ারা খাওয়া উচিত নয়। কারণ এটি ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের কচি পেয়ারা খাওয়া ভালো। কারণ তা তাদের রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।
প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারাতে পুষ্টি হিসেবে ক্যালোরি পাওয়া যায় ১১২ গ্রা., ময়েশ্চার ১৩৩ গ্রা., ডায়াটারি ফাইবার ৮.৯ গ্রা., প্রোটিন ৪২ গ্রা., আঁশ ২.৩ গ্রা., কার্বোহাইড্রেড ২৩.৬ গ্রা., ফসফরাস ৬৩ মিলি গ্রা., পটাসিয়াম ৬৮৮ মিলি.গ্রা., ভিটমিন-সি ৩৭৭ মিলিগ্রাম।
পেয়ারা একটি উচ্চ পুষ্টিমানের ফল। ফলটিতে রয়েছে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি ও ভিটামিন-সি। এমনকি একটি পেয়ারা একটি কমলার চেয়েও চার গুণ বেশি ভিটামিন-সি ধারণ করে। ভিটামিন-সি হলো একটি প্রধান এন্টি অক্সিডেন্ট, যেটি কোষকে ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ থেকে রক্ষা করে। শুধু তাই নয়, ভিটামিন-সি আমাদের শরীরের ত্বকে বয়ে আনে পুষ্টি।
পেয়ারার ভেতরের চেয়ে বাইরের খোসায় রয়েছে বেশি পরিমাণে ভিটামিন-সি, যা স্কার্ভি নামক চর্মরোগসহ নানা ধরনের ত্বকের অসুখের বিরুদ্ধে কাজ করে। সর্দি, হাঁচি, কাশি দূর করতেও জুড়ি মেলা ভার পেয়ারার। এছাড়া আমাদের ত্বককে খতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে রক্ষা করে পেয়ারার বাইরের সবুজ ত্বক।
পেয়ারাতে রয়েছে যথেষ্ট ক্যারোটিনয়েড নামক পুষ্টি উপাদান, যেটি ভাইরাসজনিত ইনফেকশন থেকে আমাদের রক্ষা করে। ডায়রিয়ার জীবাণুকে করে দুর্বল। পেয়ারার ভিটামিন দৃষ্টিকে করে শক্তিশালী। পেয়ারায় বিদ্যমান খনিজ উপাদান পটাসিয়াম ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাগনেসিয়াম শরীরের কোষের দুর্বলতা দূরীকরণে উপকার দেয়।
আমাদের ত্বকে টানটান ভাব আনয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে পেয়ারা। এতে তারুণ্য বজায় থাকে দীর্ঘকাল। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব বেশি মিষ্টি পেয়ারা খাওয়া উচিত নয়। কারণ এটি ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের কচি পেয়ারা খাওয়া ভালো। কারণ তা তাদের রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।
প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারাতে পুষ্টি হিসেবে ক্যালোরি পাওয়া যায় ১১২ গ্রা., ময়েশ্চার ১৩৩ গ্রা., ডায়াটারি ফাইবার ৮.৯ গ্রা., প্রোটিন ৪২ গ্রা., আঁশ ২.৩ গ্রা., কার্বোহাইড্রেড ২৩.৬ গ্রা., ফসফরাস ৬৩ মিলি গ্রা., পটাসিয়াম ৬৮৮ মিলি.গ্রা., ভিটমিন-সি ৩৭৭ মিলিগ্রাম।
No comments:
Post a Comment