যতই চিঠি চালাচালি হোক না কেন এ সরকারে আমলে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুতে
কোনো ঋণ দেবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর
রহমান। তিনি বলেন, “বিশ্বব্যাংক ঋণের বিষয়ে কোনো কাজ করেনি।”
মঙ্গলবার মিন্টু রোডে সরকারি বাসভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।
মসিউর বলেন, “বর্তমান সরকারের সময়ে পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ঋণচুক্তি সম্ভব নয়। বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর বিষয়ে পরামর্শক ও ঠিকাদার নিয়োগের কোনো বিষয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।”
গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছুটিতে যাওয়ার বিষয়টিন সত্যতা জানতে চাওয়া হলে মসিউর রহমান বলেন, “আমার ছুটিতে যাওয়ার বিষয়টি গৌণ। পদ্মা সেতু বিষয়ে ঋণচুক্তির বিষয়টি প্রধান।”
রাশিয়ার উদাহারণ টেনে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, “এক সময় রাশিয়ার গোলাটে মানুষকে নির্বাসনে পাঠানো হতো। আমাকে বাংলাদেশ সরকার গোলাটে পাঠাচ্ছে। আমি এখন বাংলাশে থেকেও রাশিয়ার গোলাটে বসবাস করছি বলে মনে করছি।”
তিনি তার কার্যালয়ে বহাল আছেন দাবি করে বলেন, “প্রতিদিনের মতো আজও কার্যালয়ে যোগদান করেছি।”
সরকারি কার্যক্রম থেকে তাকে সরিয়ে রাখার বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “সংঘবদ্ধ গুপ্তচরের নিয়োগের মাধ্যমে পদ্মা সেতুর কথিত দুর্নীতি প্রতিষ্ঠিত করছে বিশ্বব্যাংক। সরকার বিশ্বব্যাংকের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে আমলাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।” তিনি এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি জানান, মন্ত্রিপরিষদের খসড়া অনুমোদন বৈঠকে ছুটির বিষয়ে বিতর্ক এড়াতেই তিনি যোগ দেননি।
বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু বিষয়ে পরামর্শক নিয়োগের সময় একদল গুপ্তচর নিয়োগ দিয়েছে উল্লেখ করে মসিউর বলেন, “তারা বিশ্বব্যাংকের কাছে বাংলাদেশের কিছু আমলার অনিয়মের বিষয়ে জানায়। কিন্তু বিশ্বব্যাংক এখন পর্যন্ত তাদের কোনো নাম প্রকাশ না করে পদ্মা সেতুর ঋণচুক্তির বিষয়টি বিলম্ব করছে।”
তিনি আরো বলেন, “২০১০ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর ঠিকাদার নিয়োগের বিষয় নিয়ে তাদের কাছে কাগজপত্র দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারা এই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। তারা কানাডিয়ান কোম্পানিকে ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ দিতে চেয়েছে। আমাদের প্রাথমিক অনুসন্ধান কমিটি কানাডিয়ান কোম্পানিকে প্রথম হিসেবে বিবেচনা করেনি। এদের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ওয়াশিংটনে কেউ কেউ পদ্মা সেতুর কাজ পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করেন।”
সবশেষে পদ্মা সেতুর বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঋণচুক্তির বিষয়ে অনাস্থা প্রকাশ করে আলোচিত এই উপদেষ্টা বলেন, “সংসদে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন সেটি বাস্তবায়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।”
মঙ্গলবার মিন্টু রোডে সরকারি বাসভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।
মসিউর বলেন, “বর্তমান সরকারের সময়ে পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ঋণচুক্তি সম্ভব নয়। বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর বিষয়ে পরামর্শক ও ঠিকাদার নিয়োগের কোনো বিষয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।”
গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছুটিতে যাওয়ার বিষয়টিন সত্যতা জানতে চাওয়া হলে মসিউর রহমান বলেন, “আমার ছুটিতে যাওয়ার বিষয়টি গৌণ। পদ্মা সেতু বিষয়ে ঋণচুক্তির বিষয়টি প্রধান।”
রাশিয়ার উদাহারণ টেনে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, “এক সময় রাশিয়ার গোলাটে মানুষকে নির্বাসনে পাঠানো হতো। আমাকে বাংলাদেশ সরকার গোলাটে পাঠাচ্ছে। আমি এখন বাংলাশে থেকেও রাশিয়ার গোলাটে বসবাস করছি বলে মনে করছি।”
তিনি তার কার্যালয়ে বহাল আছেন দাবি করে বলেন, “প্রতিদিনের মতো আজও কার্যালয়ে যোগদান করেছি।”
সরকারি কার্যক্রম থেকে তাকে সরিয়ে রাখার বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “সংঘবদ্ধ গুপ্তচরের নিয়োগের মাধ্যমে পদ্মা সেতুর কথিত দুর্নীতি প্রতিষ্ঠিত করছে বিশ্বব্যাংক। সরকার বিশ্বব্যাংকের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে আমলাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।” তিনি এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি জানান, মন্ত্রিপরিষদের খসড়া অনুমোদন বৈঠকে ছুটির বিষয়ে বিতর্ক এড়াতেই তিনি যোগ দেননি।
বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু বিষয়ে পরামর্শক নিয়োগের সময় একদল গুপ্তচর নিয়োগ দিয়েছে উল্লেখ করে মসিউর বলেন, “তারা বিশ্বব্যাংকের কাছে বাংলাদেশের কিছু আমলার অনিয়মের বিষয়ে জানায়। কিন্তু বিশ্বব্যাংক এখন পর্যন্ত তাদের কোনো নাম প্রকাশ না করে পদ্মা সেতুর ঋণচুক্তির বিষয়টি বিলম্ব করছে।”
তিনি আরো বলেন, “২০১০ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর ঠিকাদার নিয়োগের বিষয় নিয়ে তাদের কাছে কাগজপত্র দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারা এই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। তারা কানাডিয়ান কোম্পানিকে ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ দিতে চেয়েছে। আমাদের প্রাথমিক অনুসন্ধান কমিটি কানাডিয়ান কোম্পানিকে প্রথম হিসেবে বিবেচনা করেনি। এদের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ওয়াশিংটনে কেউ কেউ পদ্মা সেতুর কাজ পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করেন।”
সবশেষে পদ্মা সেতুর বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঋণচুক্তির বিষয়ে অনাস্থা প্রকাশ করে আলোচিত এই উপদেষ্টা বলেন, “সংসদে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতু বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন সেটি বাস্তবায়ন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।”
No comments:
Post a Comment