আগামিকাল শ্রীলংকায় শুরু হচ্ছে আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ। এটি টি-২০
বিশ্বকাপের চতুর্থ আসর। হাম্বানতোতার মাহেন্দ্র রাজাপাকসে ইন্টারন্যাশনাল
ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় টি-২০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী
ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক গ্রুপ-সিতে থাকা শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে।
এবারের টি-২০ বিশ্বকাপে মোট ১২টি দল অংশ নিচ্ছে। চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রথম পর্বের খেলা শেষে প্রতিটি গ্রুপ থেকে দুটি করে দল সুপার এইটে উন্নীত হবে।
এবারের টি-২০ আসরে অংশগ্রহণকারী দলগুলো হচ্ছে: গ্রুপ-এ: ভারত, ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তান; গ্রুপ-বি: অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ড; গ্রুপ-সি: শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে; গ্রুপ-ডি: পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশ।
দেশটির স্বাধীনতা লাভের পর আয়োজিত সর্ববৃহৎ এ টুর্নামেন্টে ভালো করার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। ইতোপূর্বে সহ-আয়োজক হয়ে ১৯৯৬ সালে ৫০ ওভার ফরম্যাটের বিশ্বকাপ জয়ী শ্রীলংকা আসন্ন টুর্নামেন্টের শিরোপা জয় করে বিশ্ব ইভেন্টে দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের আশা করছে।
১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপ জয় ছাড়া এখন পর্যন্ত বিশ্ব ইভেন্টের কোনো শিরোপা জয় করতে না পারলেও গত বছর অনুষ্ঠিত ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে রানার্স আপ হয়েছিল দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা।
এর আগে ২০০৭-০৮-এ দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম আসরে শ্রীলঙ্কা সেমিফাইনালে ওঠতে না পারলেও পরবর্তী আসর ২০০৯ সালে রানার্স আপ হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। সেবারের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ৮ উইকেটে হেরে যাওয়ায় শিরোপার দেখা মেলেনি লঙ্কানদের।
২০১০ সালে সর্বশেষ টি২০ আসরে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নেয় শ্রীলঙ্কা।
দীর্ঘ ৩৭ বছরের জাতিগত দাঙ্গা থেকে ২০০৯ সালে নিষ্কৃতি পাওয়া এ দ্বীপ রাষ্ট্রটি ১৯৯৬ ও ২০১১ সালের বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক হলেও এত বড় টুর্নামেন্ট এর আগে কখনো আয়োজন করেনি।
নতুনভাবে বর্ষসেরা ক্রিকেটারের খেতাব পাওয়া কুমার সাঙ্গাকারা, অধিনায়ক মাহেলা জয়াবর্ধনে ও তিলকারত্নে দিলশান ব্যাট হাতে বিধ্বংসী হয়ে উঠবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া শ্রীলঙ্কা দলে রয়েছেন মেধাবি অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ও থিসার পেরেরা।
এবারের টি-২০ বিশ্বকাপে মোট ১২টি দল অংশ নিচ্ছে। চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রথম পর্বের খেলা শেষে প্রতিটি গ্রুপ থেকে দুটি করে দল সুপার এইটে উন্নীত হবে।
এবারের টি-২০ আসরে অংশগ্রহণকারী দলগুলো হচ্ছে: গ্রুপ-এ: ভারত, ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তান; গ্রুপ-বি: অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ড; গ্রুপ-সি: শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে; গ্রুপ-ডি: পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশ।
দেশটির স্বাধীনতা লাভের পর আয়োজিত সর্ববৃহৎ এ টুর্নামেন্টে ভালো করার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। ইতোপূর্বে সহ-আয়োজক হয়ে ১৯৯৬ সালে ৫০ ওভার ফরম্যাটের বিশ্বকাপ জয়ী শ্রীলংকা আসন্ন টুর্নামেন্টের শিরোপা জয় করে বিশ্ব ইভেন্টে দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের আশা করছে।
১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপ জয় ছাড়া এখন পর্যন্ত বিশ্ব ইভেন্টের কোনো শিরোপা জয় করতে না পারলেও গত বছর অনুষ্ঠিত ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে রানার্স আপ হয়েছিল দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা।
এর আগে ২০০৭-০৮-এ দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম আসরে শ্রীলঙ্কা সেমিফাইনালে ওঠতে না পারলেও পরবর্তী আসর ২০০৯ সালে রানার্স আপ হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। সেবারের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ৮ উইকেটে হেরে যাওয়ায় শিরোপার দেখা মেলেনি লঙ্কানদের।
২০১০ সালে সর্বশেষ টি২০ আসরে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নেয় শ্রীলঙ্কা।
দীর্ঘ ৩৭ বছরের জাতিগত দাঙ্গা থেকে ২০০৯ সালে নিষ্কৃতি পাওয়া এ দ্বীপ রাষ্ট্রটি ১৯৯৬ ও ২০১১ সালের বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক হলেও এত বড় টুর্নামেন্ট এর আগে কখনো আয়োজন করেনি।
নতুনভাবে বর্ষসেরা ক্রিকেটারের খেতাব পাওয়া কুমার সাঙ্গাকারা, অধিনায়ক মাহেলা জয়াবর্ধনে ও তিলকারত্নে দিলশান ব্যাট হাতে বিধ্বংসী হয়ে উঠবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া শ্রীলঙ্কা দলে রয়েছেন মেধাবি অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ও থিসার পেরেরা।
ব্যাটসম্যান উইকেটরক্ষক সাঙ্গাকারা বলেন, ‘হাম্বানতোতায় প্রচণ্ড বাতাস, পাল্লেকেলেতে সুইং এবং সিম আর কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ব্যাটিং উইকেট দেখার জন্য প্রস্তুত থাকুন।’
অপরদিকে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল জিম্বাবুয়েও চেষ্টা করবে ভালো কিছু করার। তাদের দলে রয়েছে হ্যামিলটন মাসাকাদজা, মাতসিকানরি, এলটন চিগুম্বুরার মতো অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। নিজেদের দিনে উইলো হাতে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠলে তা যেকোনো দলের জন্যই বিপদজনক।
এছাড়া জিম্বাবুয়ের বোলিং বিভাগও ফেলনা নয়। তাদের রয়েছে ব্রায়ান ভিটোরি ও এমপফুর মতো ভালো মানের পেসার। স্পিন বিভাগে রেমন্ড প্রাইস ও অভিজ্ঞ প্রসপার উৎসেয়া তো রয়েছেনই।
টি২০ বিশ্বকাপের আসরে এ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে একবার মুখোমুখি হয়েছে। সেটি ২০১০ সালে টি-২০ বিশ্বকাপের গত আসরে। সেই খেলায় শ্রীলঙ্কা ডি/এল মেথডে ১৪ রানে হারিয়েছিল জিম্বাবুয়েকে।
২০০৭-০৮-এ টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকা অনুষ্ঠিত সেবারের আসরের ফাইনালে ভারত পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।
২০০৯ সালে দ্বিতীয় আসরের শিরোপা জিতে পাকিস্তান। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৮ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে পাকিস্তান।
২০১০ সালে নিজেদের মাটিতে গত আসরের শিরোপা জিতে ইংল্যান্ড। ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে সাত উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় পল কলিংউড বাহিনী।
শ্রীলঙ্কা (সম্ভাব্য): দিলশান মুনাবীরা, তিলকরত্নে দিলশান, মাহেলা জয়াবর্ধনে (অধিনায়ক), কুমার সাঙ্গাকারা, লাহিরু থিরিমান্নে, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ, নুয়ান কুলাসেকারা, থিসারা পেরেরা, লাসিথ মালিঙ্গা, অজন্তা মেন্ডিস ও আকিলা ধনঞ্জয়া।
জিম্বাবুয়ে (সম্ভাব্য): হ্যামিলটন মাসাকাদজা, ভুসি সিবান্দা, ব্রেন্ডন টেইলর, ক্রেইগ আরভিন, স্টুয়ার্ট মাতসিকিনারি, এলটন চিগুম্বুরা/ম্যালকম ওয়েলার, প্রসপার উৎসেয়া, গ্রায়েম ক্রেমার, রিচার্ড মুজাঙ্গে, কাইল জার্ভিস ও ক্রিস এমপফু।

No comments:
Post a Comment