৮৫ শতাংশ এমপি ইন্টারনেট ও ল্যাপটপ ব্যবহার না জানলেও আগামী ডিসেম্বরে
৩৫০টি ল্যাপটপ বিতরণের প্রস্তুত গ্রহণ করেছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
তবে এ তালিকায় প্রথমে সরকারি দলের সদস্যদের আগে দেয়া হবে। বিরোধী দলের সদস্যদের দেয়া হবে পরে।
জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালে নবম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে এমপিদের নিবার্চনীয় এলাকায় কম্পিউটার দেয়ার আশ্বাস দেন। জাতীয় সংসদের স্পিকার তা সংসদে ঘোষণা করেন।
সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী এলাকার জনগণের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগ দেয়ার জন্য প্রায় পাঁচ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয় প্রস্তাব করে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। প্রস্তাবটি অর্থমন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় তিন বছর আগে।
তবে দীর্ঘ দিন ধরে অর্থ বরাদ্দ না দেয়ায় প্রকল্পটির মুখ থুবরে যায়। সম্পতি একনেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদ সদস্যদের ৩৫০টি ল্যাপটপ কেনা বাবদ তিন কোটি ৬৩ লাখ টাকা অনুমোদন দেন।
জাতীয় সংসদ সচিবালয় আগামী নভেম্বরের মধ্যে ল্যাপটপ কেনা সম্পন্ন করে ডিসেম্বরে বিরতণের প্রস্তুতি নিয়েছে।
এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সচিব মাহফুজার রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বার্তা২৪ ডটনেকে বলেন, “সরকারিভাবে সংসদ সদস্যদের জন্য ল্যাপটপ কেনার জন্য অর্থমন্ত্রণালয় তিন কোটি ৬৩ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছে।”
তিনি আরো বলেন, “বরাদ্দ করা অর্থ ছাড় পাওয়া গেলে আগামী নভেম্বর মাসে ল্যাপটপ কেনা হবে।”
৮৫ শতাংশ সংসদ সদস্য ইন্টারনেট ও ল্যাপটপ ব্যবহার জানেন না এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “সংসদ সদস্যদের কম্পিউটার সম্পকেং সংসদে প্রশিক্ষণকেন্দ্র খোলা হয়েছে। সংসদ সদস্যরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ল্যাপটপ বিতরণ করতে করতে তারা শিখে যাবেন।”
এ প্রসঙ্গে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধানের সাথে কথা হলেন তিনি বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমি ল্যাপটপ চালানো জানি না। তবে শিখে নেব।”
অন্যদিক নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী জানান, ল্যাপটপ তার সর্বক্ষণের সঙ্গী এবং তার রয়েছে একটি নিজস্ব ওয়েবপেজও।
আকরাম চৌধুরী আরো জানান, নির্বাচনী এলাকার লোকজনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার জন্য ব্যবহার করছেন ইন্টারনেট। যখন তিনি এলাকায় থাকেন না, তখনো এলাকাবাসী ইমেইলে তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারেন, তাদের সমস্যার কথা জানাতে পারেন
তবে এ তালিকায় প্রথমে সরকারি দলের সদস্যদের আগে দেয়া হবে। বিরোধী দলের সদস্যদের দেয়া হবে পরে।
জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালে নবম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে এমপিদের নিবার্চনীয় এলাকায় কম্পিউটার দেয়ার আশ্বাস দেন। জাতীয় সংসদের স্পিকার তা সংসদে ঘোষণা করেন।
সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী এলাকার জনগণের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগ দেয়ার জন্য প্রায় পাঁচ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয় প্রস্তাব করে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। প্রস্তাবটি অর্থমন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় তিন বছর আগে।
তবে দীর্ঘ দিন ধরে অর্থ বরাদ্দ না দেয়ায় প্রকল্পটির মুখ থুবরে যায়। সম্পতি একনেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদ সদস্যদের ৩৫০টি ল্যাপটপ কেনা বাবদ তিন কোটি ৬৩ লাখ টাকা অনুমোদন দেন।
জাতীয় সংসদ সচিবালয় আগামী নভেম্বরের মধ্যে ল্যাপটপ কেনা সম্পন্ন করে ডিসেম্বরে বিরতণের প্রস্তুতি নিয়েছে।
এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সচিব মাহফুজার রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বার্তা২৪ ডটনেকে বলেন, “সরকারিভাবে সংসদ সদস্যদের জন্য ল্যাপটপ কেনার জন্য অর্থমন্ত্রণালয় তিন কোটি ৬৩ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছে।”
তিনি আরো বলেন, “বরাদ্দ করা অর্থ ছাড় পাওয়া গেলে আগামী নভেম্বর মাসে ল্যাপটপ কেনা হবে।”
৮৫ শতাংশ সংসদ সদস্য ইন্টারনেট ও ল্যাপটপ ব্যবহার জানেন না এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “সংসদ সদস্যদের কম্পিউটার সম্পকেং সংসদে প্রশিক্ষণকেন্দ্র খোলা হয়েছে। সংসদ সদস্যরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ল্যাপটপ বিতরণ করতে করতে তারা শিখে যাবেন।”
এ প্রসঙ্গে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধানের সাথে কথা হলেন তিনি বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমি ল্যাপটপ চালানো জানি না। তবে শিখে নেব।”
অন্যদিক নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আকরাম হোসেন চৌধুরী জানান, ল্যাপটপ তার সর্বক্ষণের সঙ্গী এবং তার রয়েছে একটি নিজস্ব ওয়েবপেজও।
আকরাম চৌধুরী আরো জানান, নির্বাচনী এলাকার লোকজনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার জন্য ব্যবহার করছেন ইন্টারনেট। যখন তিনি এলাকায় থাকেন না, তখনো এলাকাবাসী ইমেইলে তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারেন, তাদের সমস্যার কথা জানাতে পারেন

No comments:
Post a Comment