দ্বিতীয় দফায় দলীয় কর্মীদের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার পর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দলের অপর নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর
বিরুদ্ধে নালিশ করেছেন চট্টগ্রামের সরকারদলীয় সাংসদ ও চেম্বার অব কমার্সের
সাবেক প্রেসিডেন্ট এম এ লতিফ।
নিজের উপর হামলা এবং চেম্বার ভবনের ভাঙচুরের বিচার চেয়ে বিদেশে অবস্থানরত দলীয় প্রধানের কাছেও ফোন করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে হামলার ঘটনার পরপরই চেম্বার কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন লতিফ। এতে চেম্বারের বর্তমান সভাপতি জাতীয় পার্টি নেতা মোর্শেদ মুরাদ ইব্রাহিম, সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম, চেম্বার পরিচালক ওয়াহিদ সিরাজ স্বপন, মাহফুজুল হক শাহ, সৈয়দ ছগির আহম্মদ, এস এম শফি উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত চেম্বার সভাপতি মোর্শেদ মুরাদ জানান, হামলার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যেই স্বরাস্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে ।
সংবাদ সম্মেলনে লতিফ হামলা এবং ভাঙচুরের জন্য মহিউদ্দিনের অনুসারী ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে দায়ী করেছেন। এ সময় পুলিশের নীরব ভূমিকারও সমালোচনা করেন তিনি।
সাংসদ লতিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন। সেখানেও তাকে এ ঘটনার বিষয়ে ওয়াকিবহাল করার ব্যবস্থা করেছি।
তিনি বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী আমার বিরুদ্ধে, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ-যুবলীগের কিছু সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়েছেন। তাদের ব্যবহার করে মহিউদ্দিন দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন।
সমাবেশে হামলার জন্য পুলিশের সমালোচনা করে সাংসদ বলেন, “আমরা যখন শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করছিলাম, তখন দেখেছি কিছু লোক হাতে লাঠি নিয়ে মাথায় লাল হলুদ কাপড় বেঁধে আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে। আমরা ব্যবসায়ীরা ভদ্রলোক। পুলিশ আমাদের মতো ভদ্রলোকদের সরে যেতে বলেছে আর লাঠিয়াল বাহিনীকে চেম্বারের সামনে আসার সুযোগ করে দিয়েছে।”
দেশটা আজ মগের মুল্লুক হয়ে গেছে মন্তব্য করে লতিফ বলেন, মহিউদ্দিনের লেলিয়ে দেয়া মাস্তান বাহিনী ব্যবসায়ীদের উপর কিভাবে হামলা করেছে সেটি সবাই দেখেছেন। তিনি দুটি মামলা করেছেন। আমরা আদালতে সব অভিযোগের জবাব দেব।
এর আগে সকালে চেম্বার ভবনের সামনে ১৪ দলের সমাবেশে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইনামুল হক দানু কর্তৃক সাংসদ লতিফকে দলের সব কর্মকাণ্ডে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা প্রসঙ্গে লতিফ বলেন, “আমাকে অবাঞ্ছিত করার ক্ষমতা মহিউদ্দিন কিংবা দানুর নেই। প্রধানমন্ত্রী আমাদের দলের সভানেত্রী। সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।”
নিজের উপর হামলা এবং চেম্বার ভবনের ভাঙচুরের বিচার চেয়ে বিদেশে অবস্থানরত দলীয় প্রধানের কাছেও ফোন করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে হামলার ঘটনার পরপরই চেম্বার কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন লতিফ। এতে চেম্বারের বর্তমান সভাপতি জাতীয় পার্টি নেতা মোর্শেদ মুরাদ ইব্রাহিম, সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম, চেম্বার পরিচালক ওয়াহিদ সিরাজ স্বপন, মাহফুজুল হক শাহ, সৈয়দ ছগির আহম্মদ, এস এম শফি উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত চেম্বার সভাপতি মোর্শেদ মুরাদ জানান, হামলার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যেই স্বরাস্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে ।
সংবাদ সম্মেলনে লতিফ হামলা এবং ভাঙচুরের জন্য মহিউদ্দিনের অনুসারী ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে দায়ী করেছেন। এ সময় পুলিশের নীরব ভূমিকারও সমালোচনা করেন তিনি।
সাংসদ লতিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন। সেখানেও তাকে এ ঘটনার বিষয়ে ওয়াকিবহাল করার ব্যবস্থা করেছি।
তিনি বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী আমার বিরুদ্ধে, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ-যুবলীগের কিছু সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়েছেন। তাদের ব্যবহার করে মহিউদ্দিন দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন।
সমাবেশে হামলার জন্য পুলিশের সমালোচনা করে সাংসদ বলেন, “আমরা যখন শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করছিলাম, তখন দেখেছি কিছু লোক হাতে লাঠি নিয়ে মাথায় লাল হলুদ কাপড় বেঁধে আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে। আমরা ব্যবসায়ীরা ভদ্রলোক। পুলিশ আমাদের মতো ভদ্রলোকদের সরে যেতে বলেছে আর লাঠিয়াল বাহিনীকে চেম্বারের সামনে আসার সুযোগ করে দিয়েছে।”
দেশটা আজ মগের মুল্লুক হয়ে গেছে মন্তব্য করে লতিফ বলেন, মহিউদ্দিনের লেলিয়ে দেয়া মাস্তান বাহিনী ব্যবসায়ীদের উপর কিভাবে হামলা করেছে সেটি সবাই দেখেছেন। তিনি দুটি মামলা করেছেন। আমরা আদালতে সব অভিযোগের জবাব দেব।
এর আগে সকালে চেম্বার ভবনের সামনে ১৪ দলের সমাবেশে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইনামুল হক দানু কর্তৃক সাংসদ লতিফকে দলের সব কর্মকাণ্ডে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা প্রসঙ্গে লতিফ বলেন, “আমাকে অবাঞ্ছিত করার ক্ষমতা মহিউদ্দিন কিংবা দানুর নেই। প্রধানমন্ত্রী আমাদের দলের সভানেত্রী। সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।”













