ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে নবীনদের এগিয়ে আসার আহ্বান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেছেন, “বর্তমান
সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে নবীনদের সবচেয়ে বেশি কাজ করতে হবে। তাই
বিপিএটিসি’র প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে প্রশিক্ষণ লব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে এর
বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।”
মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি)র
অডিটোরিয়ামে ৫২তম বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ
আহ্বান জানান।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বিপিএটিসির প্রশিক্ষণ কোর্সে জলবায়ু পরিবর্তনের
নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলা এবং একই সঙ্গে খাদ্য সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত
করার বিষয়গুলো কোর্স কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করায় তাদের প্রশংসা করেন।
বিপিএটিসি কেন্দ্রের রেক্টর এ জেড এম শফিকুল আলমের সভাপতিত্বে এ সময়
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আবদুস সোবহান সিকদার, কোর্স পরিচালক
আফজাল হোসেন ছাড়াও এ সময় কেন্দ্রের সকল এমডিএস, পরিচালক, প্রশিক্ষাণার্থী ও
অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, “বর্তমানে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল আর্থ-সামাজিক
কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে একটি উন্নয়নশীল দেশকে এগিয়ে
নিয়ে যাওয়ার জন্য যে প্রশাসনিক যোগ্যতা প্রয়োজন তার একটি মজবুদ বুনিয়াদ
স্থাপনের মহৎ উদ্দেশেই এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।”
এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আপনাদের সার্বিক কাজে একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি
গড়ে উঠবে। দেশ ও দেশের মানুষকে সেবা করার মানসিকতা সৃষ্টি হবে। এছাড়া দীর্ঘ
চার মাস এক সঙ্গে অবস্থানের ফলে আপনাদের অনেকের মধ্যে যে বন্ধুত্ব গড়ে
উঠবে তা চাকরি জীবনে বিভিন্ন দাফতরিক কাজের সমন্বয় সাধনে একটি ইতিবাচক
মানসিকতার ভিত্তি স্থাপন করবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আবদুস
সোবহান সিকদার তার বক্তব্যে বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আপনাদের ওপর সরকারের
গুরুদায়িত্ব অর্পিত হবে। তাই দেশপ্রেমে উজ্জিবিত হয়ে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে
সব বিষয়ে আপনাদের নজর রেখে দেশের জন্য কাজ করে যেতে হবে।
চার মাস মেয়াদি এবারের এ বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্সে বাংলাদেশ সিভিল
সার্ভিসের ১৭টি ক্যাডার ও জুডিশিয়াল সার্ভিসের ২২৩ জন মাঠ পর্যায়ে নবীন
কর্মকর্তা অংশ নেন যাদের মধ্যে ৪৭ জন মহিলা কর্মকর্তা রয়েছে।