গাজীপুর-৪ আসনের উপ-নির্বাচনের অভিজ্ঞতা আগামী নির্বাচনগুলোতে কাজ লাগাতে
চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এটি বর্তমান ইসির অধীনে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রথম
নির্বাচন। সুষ্ঠুভাবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠান হওয়াকে ইসি তাদের সফলতা হিসেবেই
দেখছে।
ইসি সটিবালয় সূত্র থেকে এ তথ্য জানা যায়।
সূত্র জানায়, কাপাসিয়া আসনের উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হলেও প্রস্ত্ততি নিয়ে কমিশনের কোনো ঘাটতি ছিলনা। তাছাড়া পুরো নির্বাচনে বড় ধরনের কোনো গোলাযোগের ঘটনা ঘটেনি। প্রতিটি কেন্দ্রের প্রয়োজনের তুলনায় বেশি আইনশৃংখলা বাহিনী সদস্য মোতায়েন করেছিল কমিশন।
এছাড়া স্কাইপের মাধ্যমে ইসি সচিবালয় থেকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ, ইসি সচিবালয় থেকে নিজস্ব পর্যবেক্ষণ মোতায়েন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও দেশী বিদেশী ১৬০ পর্যবেক্ষককে এ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতি দিয়েছে কমিশন।
এ সব পদক্ষেপের কারণে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে মনে করে কমিশন। এ নির্বাচন কমিশনের জন্যও একটি পরীক্ষা ছিল মনে করে নির্বাচন কমিশনারগণ। সে পরীক্ষায় তারা উত্তীর্ণ হয়েছে।
এ নির্বাচনের অভিজ্ঞতা পরবর্তী নির্বাচগুলোকে আরো ভালোভাবে অনুষ্ঠানে কমিশনের কাজে লাগবে বলেও মনে করেন তারা।
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কমিশন কোনো উদ্যোগই বাদ রাখেনি বলে জানায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ।
এ নির্বাচনে কমিশনের ভূমিকা নিরপেক্ষ ছিল বলে জানায় নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ।
এরই ধারাবাহিকতায় আগামী নভেম্বরের মধ্যে শূন্য ঘোষিত টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর চলতি মাসের শেষের দিকে এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল-১৩২ (ঘাটাইল) আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ডা. মতিউর রহমানের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য ঘোষিত হয়।
ইসি এ নির্বাচনটিকেও সফলতার সঙ্গে অনুষ্ঠান করে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে চায়।
ইসি সটিবালয় সূত্র থেকে এ তথ্য জানা যায়।
সূত্র জানায়, কাপাসিয়া আসনের উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হলেও প্রস্ত্ততি নিয়ে কমিশনের কোনো ঘাটতি ছিলনা। তাছাড়া পুরো নির্বাচনে বড় ধরনের কোনো গোলাযোগের ঘটনা ঘটেনি। প্রতিটি কেন্দ্রের প্রয়োজনের তুলনায় বেশি আইনশৃংখলা বাহিনী সদস্য মোতায়েন করেছিল কমিশন।
এছাড়া স্কাইপের মাধ্যমে ইসি সচিবালয় থেকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ, ইসি সচিবালয় থেকে নিজস্ব পর্যবেক্ষণ মোতায়েন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও দেশী বিদেশী ১৬০ পর্যবেক্ষককে এ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতি দিয়েছে কমিশন।
এ সব পদক্ষেপের কারণে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে মনে করে কমিশন। এ নির্বাচন কমিশনের জন্যও একটি পরীক্ষা ছিল মনে করে নির্বাচন কমিশনারগণ। সে পরীক্ষায় তারা উত্তীর্ণ হয়েছে।
এ নির্বাচনের অভিজ্ঞতা পরবর্তী নির্বাচগুলোকে আরো ভালোভাবে অনুষ্ঠানে কমিশনের কাজে লাগবে বলেও মনে করেন তারা।
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কমিশন কোনো উদ্যোগই বাদ রাখেনি বলে জানায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ।
এ নির্বাচনে কমিশনের ভূমিকা নিরপেক্ষ ছিল বলে জানায় নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ।
এরই ধারাবাহিকতায় আগামী নভেম্বরের মধ্যে শূন্য ঘোষিত টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর চলতি মাসের শেষের দিকে এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল-১৩২ (ঘাটাইল) আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ডা. মতিউর রহমানের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য ঘোষিত হয়।
ইসি এ নির্বাচনটিকেও সফলতার সঙ্গে অনুষ্ঠান করে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে চায়।

No comments:
Post a Comment