মন্ত্রীর জেহাদ ঘোষণার পরই কমতে শুরু করেছে অবৈধ ভিওআইপি কল। মাত্র ২৪
ঘণ্টার ব্যবধানে বৈধ পথে আন্তর্জাতিক কলের সংখ্যা বেড়েছে ৪২ লাখ ৩৮ হাজার
৮৪২ মিনিট।
প্রসঙ্গত, গত ২২ সেপ্টেম্বর ‘বিটিসিএল’র যোগশাজশে ভিওআইপির কোটি কোটি টাকা লুট’ শিরোনামে বার্তা২৪ ডটনেট-এ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই বিষয়টি সরকারকে ভাবিয়ে তোলে। এরপর কয়েকটি দৈনিক পত্রিকাও এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করলে বিব্রত অবাস্থার মুখোমুখি হয় টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।
অবৈধ ভিওআইপি সংশ্লিষ্ট সংবাদ নিয়ে গত রোববার বিটিসিএল পরিদর্শনে গিয়ে সেখানকার কর্মকর্তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সাহারা খাতুন। এসময় অবৈধ ভিওআইপি’র সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির ঘোষণা দেন তিনি।
এর আগে বিটিআরসিতে গিয়েও তিনি সেখানকার কর্মকর্তাদের অবৈধ ভিওআইপির বিরুদ্ধে তার অবস্থানের কথা পরিষ্কার করেন। এর পর থেকে প্রতিদিনই নিয়ন্ত্রক সংস্থায় ভিওআইপি কলের সংখ্যা জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে খোঁজ নেন মন্ত্রী।
এই ধারাবাহিকতায় সোমবারও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ ফোন করেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সাহারা খাতুন। বিটিআরসি চেয়ারম্যানের কাছে তিনি জানতে চান, বৈধ পথে আসা আন্তর্জাতিক কলের সংখ্যা বেড়েছে কি-না।
মন্ত্রীর প্রশ্নের জবাবে গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন, রোববার বৈধ পথে কল এসেছে তিন কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪২ মিনিট। এর আগের দিন শনিবার এসেছিল তিন কোটি ৩১ লাখ মিনিট। আর শুক্রবার ছুটির দিনে এই কলের পরিমাণ ছিল তিন কোটি ৬১ লাখ মিনিট।
মন্ত্রী হুঁশিয়ার করার সঙ্গে সঙ্গেই কল বৃদ্ধি সম্পর্কে জানতে চাইলে সরাসরি কোনো জবাব না দিয়ে অবৈধ ভিওআইপি রোধে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই গৃহীত নানা উদ্যোগের কথা জানান বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “প্রতিদিনই অপারেশন চলছে, অবৈধ সিম উদ্ধার হচ্ছে।”
তবে অবৈধ ভিওআইপিতে জড়িত বিটিসিএল ও টেলিটকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি গিয়াস উদ্দিন।
অবশ্য আগামীতে নুতন কিছু অভিনব পরিকল্পনা হাতে নেয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আর যদি ১৪/১৫টা দিন এই পদে থাকতে পারি তাহলে বৈধ কলের সংখ্যা চার কোটি মিনিটের ওপরে রেখে যেতে পারবো।”
প্রসঙ্গত, গত ২২ সেপ্টেম্বর ‘বিটিসিএল’র যোগশাজশে ভিওআইপির কোটি কোটি টাকা লুট’ শিরোনামে বার্তা২৪ ডটনেট-এ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই বিষয়টি সরকারকে ভাবিয়ে তোলে। এরপর কয়েকটি দৈনিক পত্রিকাও এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করলে বিব্রত অবাস্থার মুখোমুখি হয় টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।
অবৈধ ভিওআইপি সংশ্লিষ্ট সংবাদ নিয়ে গত রোববার বিটিসিএল পরিদর্শনে গিয়ে সেখানকার কর্মকর্তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সাহারা খাতুন। এসময় অবৈধ ভিওআইপি’র সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির ঘোষণা দেন তিনি।
এর আগে বিটিআরসিতে গিয়েও তিনি সেখানকার কর্মকর্তাদের অবৈধ ভিওআইপির বিরুদ্ধে তার অবস্থানের কথা পরিষ্কার করেন। এর পর থেকে প্রতিদিনই নিয়ন্ত্রক সংস্থায় ভিওআইপি কলের সংখ্যা জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে খোঁজ নেন মন্ত্রী।
এই ধারাবাহিকতায় সোমবারও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ ফোন করেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সাহারা খাতুন। বিটিআরসি চেয়ারম্যানের কাছে তিনি জানতে চান, বৈধ পথে আসা আন্তর্জাতিক কলের সংখ্যা বেড়েছে কি-না।
মন্ত্রীর প্রশ্নের জবাবে গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন, রোববার বৈধ পথে কল এসেছে তিন কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪২ মিনিট। এর আগের দিন শনিবার এসেছিল তিন কোটি ৩১ লাখ মিনিট। আর শুক্রবার ছুটির দিনে এই কলের পরিমাণ ছিল তিন কোটি ৬১ লাখ মিনিট।
মন্ত্রী হুঁশিয়ার করার সঙ্গে সঙ্গেই কল বৃদ্ধি সম্পর্কে জানতে চাইলে সরাসরি কোনো জবাব না দিয়ে অবৈধ ভিওআইপি রোধে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই গৃহীত নানা উদ্যোগের কথা জানান বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “প্রতিদিনই অপারেশন চলছে, অবৈধ সিম উদ্ধার হচ্ছে।”
তবে অবৈধ ভিওআইপিতে জড়িত বিটিসিএল ও টেলিটকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি গিয়াস উদ্দিন।
অবশ্য আগামীতে নুতন কিছু অভিনব পরিকল্পনা হাতে নেয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আর যদি ১৪/১৫টা দিন এই পদে থাকতে পারি তাহলে বৈধ কলের সংখ্যা চার কোটি মিনিটের ওপরে রেখে যেতে পারবো।”

No comments:
Post a Comment