Pages

Friday, October 5, 2012

গর্জে উঠলেন প্রাক্তনরা, ফের কাঠগড়ায় ধোনি :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

গর্জে উঠলেন প্রাক্তনরা, ফের কাঠগড়ায় ধোনি :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। দল বিদায় নিতেই রে রে করে অধিনায়কের ওপর খড়গহস্ত কমবেশি সকলেই। ভারতীয় ক্রিকেটাররা বুধবারই দেশে ফিরে এসেছেন। টি-২০ বিশ্বকাপের প্রাক্তন চ্যাম্পিয়নদের বিদায়ের ঘটনায় বোর্ড এবার প্রকাশ্যেই বিবৃতি দিয়েছে। বোর্ডের সহসভাপতি রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, দলের খেলায় আমরা আদৌ খুশি নই। কী কারণে দল বিদায় নিয়েছে, সেটাই খুঁজে সমাধানের পথ বের করতে হবে।

ফেভারিট হিসেবে শুরু করেও কেন ধোনিরা সুপার এইট পর্বেই মুখ থুবড়ে পড়লেন, সেই নিয়ে কয়েকটি কারণ বেরিয়ে এসেছে। প্রথমত, ধোনির নেতৃত্বে ত্রুটি। দ্বিতীয়ত, দলগঠনের ব্যর্থতা। পরেরটি, সিনিয়রদের হতশ্রী পারফরম্যান্স। বিদেশের মাঠে টেস্টে ৮-০ হারের পরেও ধোনির নেতৃত্ব নিয়ে যথেষ্টই সমালোচনা হয়, কিন্তু কয়েকদিন পরে আবার যে কে সেই। কেন ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার মতো বিভিন্ন ফরম্যাটে পৃথক নেতা নির্বাচন করা হচ্ছে না, সেই নিয়েও এবার কথা উঠছে।

গাভাস্কার থেকে শুরু করে কুম্বলে, আবার ওয়াদেকার থেকে ভেঙ সরকার, সবাই দলের বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মত তুলে ধরেছেন। সানি গাভাস্কার যেমন পরিষ্কার বলেছেন, “আমি একবারও বলছি না, অধিনায়ক পাল্টালে কিংবা দলের বিন্যাস পরিবর্তন করলেই ম্যাজিকের মতো সবকিছু বদলে যাবে। কিন্তু কেন এমন হচ্ছে, সেই নিয়ে ক্রিকেটারদের কাছে জবাবদিহি করা জরুরি।”

কোচ ও অধিনায়ক বদলে ফেললেই কাজ হয়ে যাবে, সেই কথা না বললেও চেতন চৌহানের মতো প্রাক্তন ওপেনার জানান, “একা আমি ধোনিকে দোষারোপ করছি না, কিন্তু সে যেহেতু দলের নেতা, সেক্ষেত্রে ব্যর্থতা তাকে মেনে নিতেই হবে।”

কলম্বো থেকে দল ফেরত আসতেই এদিন জানা গেছে, শেবাগের গোড়ালির চোট মারাত্মক। তাকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টোয়েন্টি’তে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসকে খেলতে হবে। বীরুর চোট থাকা সত্ত্বেও কেন তাকে বাছাই করা হয়েছে, সেই নিয়ে গত নির্বাচকমণ্ডলীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

বীরু-ধোনি ব্যক্তিত্বের সংঘাত যে দলে বড় হয়ে উঠছে, তা নিয়ে বোর্ড কর্তারা কোচ ফ্লেচারের কাছে রিপোর্ট চাইতে পারেন। ম্যানেজার হিসেবে গিয়েছিলেন চেন্নাইয়ের রামস্বামী বাবা। অস্ট্রেলিয়ার মতো ম্যাচে শেবাগকে খেলানো হয়নি কেন, সেই নিয়েও প্রাক্তনদের মধ্যে কেউ কেউ সরব হয়েছেন। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হরভজন কেন দলে নেই, সেই নিয়েও প্রশ্ন করেছেন ওয়াদেকার। ‘সুলতান অব সুইং’ ওয়াসিম আকরামও বলেন, “ধোনির সবচেয়ে বড় ভুল কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের উইকেট স্পিন সহায়ক হওয়া সত্ত্বেও দুই স্পিনারে খেলানো হয়নি আসল ম্যাচগুলিতেও।”

প্রাক্তনদের একটা অংশ বলেছেন, জহিরের ক্রমাগত দুর্বল বোলিং, ফিল্ডিংয়ের পরেও অশোক দিন্দাকে ব্যবহার করা হয়নি। গম্ভীর, রায়না, রোহিত কেউই নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। এমনকি প্রতিটি ম্যাচে যে কোহলির ওপর বড়বেশি প্রত্যাশা করা হয়েছে, তাও অনেকে মানতে পারেননি।

ভেঙসরকারের মতো অজিত ওয়াদেকারও মানছেন, দলের ওপেনিং জুটি যদি রান পেয়ে যেতো, তাহলে কোহলির ওপর কিছুটা চাপ কমতো। কিন্তু তা না হওয়ায় শুরুতেই চাপে পড়ে গেছে দল।

গত ২০০৭ সালে টি-২০ বিশ্বকাপে সেরা হওয়ার পর থেকে ক্রমাগত ব্যর্থতা। সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হচ্ছে, সুপার এইট পর্বে বিদায়ের পরেও এবার আইসিসিটি টি-২০ র‌্যাংকিংয়ে ধোনিরা দ্বিতীয় স্থানে। শ্রীলঙ্কার পরেই। কিন্তু র‌্যাংকিংয়ে উত্থান নয়, ভারতীয় দলের সমস্যা যে গভীরে, তা জেনেই বোর্ড কর্তারা এবার কিছু সিনিয়রদের ব্যাপারে কড়া ভূমিকা নিতে পারেন। সেই কারণেই যে সন্দীপ পাতিলের নেতৃত্বাধীন নির্বাচকমণ্ডলীর কাছে আসন্ন বৈঠক খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে, সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।  সূত্র: ওয়েবসাইট।

চীনে ভূমিধসে ১৮ স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

চীনে ভূমিধসে ১৮ স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বৃহস্পতিবার ভূমিধসের ঘটনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮ শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে। চীনের এ অঞ্চলে সম্প্রতি কয়েক দফা ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল।

চীনের সরকারি সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইউনান প্রদেশে ঝেনহি গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণীকক্ষ ও খামারের দুটি ঘর মাটির নিচে চাপা পড়লে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এই খামার বাড়ি ধসেও অপর একজন চাপা পড়ে।
 
উল্লেখ্য, গত সাত সেপ্টেম্বর ইউনান প্রদেশে দু’দফা ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর তীব্রতা ছিল ৫.৬। এতে ৮১ জনের প্রাণহানি ঘটে।

জমির দাবিতে হাজার হাজার গরিব দিল্লি অভিমুখে :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

জমির দাবিতে হাজার হাজার গরিব দিল্লি অভিমুখে :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্য থেকে হাজার হাজার আদিবাসী ও ভূমিহীন গরিব মানুষ বুধবার দেশের রাজধানী দিল্লির দিকে এক বিশাল মিছিল নিয়ে এগোতে শুরু করেছেন।

বাসস্থান ও চাষের জমির ওপর নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি করছেন মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা।

তারা বলছেন, একদিকে অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ টানার চেষ্টা করছে ভারত, আর অন্যদিকে কয়েক কোটি মানুষের বাসস্থান বা চাষের জমিই নেই।

ভারত সরকারের দুই মন্ত্রীর সঙ্গে গতকাল তাদের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরে বুধবার দিল্লি অভিযান শুরু করেন আন্দোলনকারীরা।

অন্যদিকে ভারতের অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম বিবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আবারও বলেছেন যে, দেশের আর্থিক সংস্কারের গতি আরও বাড়ানো হবে।

একতা পরিষদ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এই মিছিলের আয়োজন করেছে-যার নাম দেয়া হয়েছে জন-সত্যাগ্রহ।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রায় ৫০ হাজার বাসস্থানহীন, উচ্ছেদ হয়ে যাওয়া গরিব মানুষ আজ সকালে মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের শহর গোয়ালিয়র থেকে সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরের জাতীয় রাজধানীর দিকে মিছিল শুরু করেছেন।

একতা পরিষদ বলছে, ভারতের প্রায় ২২ শতাংশ মানুষের থাকার জন্য কোনও জমি নেই – এদের মধ্যে আছেন প্রায় সাড়ে ছয় কোটি আদিবাসী, দলিত মানুষ- যাদের পূর্বপুরুষদের জমি থেকে উৎখাত করা হয়েছে।

একতা পরিষদের প্রধান ও প্রবীণ সমাজকর্মী পি ভি রাজাগোপাল ওই মিছিলের নেতৃত্ব দেওয়ার সময় বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলছিলেন, “আদিবাসী এলাকাগুলোতে বড় বাঁধ বা কয়লা খনি, লোহাখনি বানিয়ে দেওয়া হল। এই সব জমিতে আদিবাসী মানুষরা বহু পুরুষ ধরে বাস করে আসছিলেন। তাদের জমির কোনো দলিল কখনই ছিল না। শিল্পের জন্য যখন এই সব জমি নিয়ে নেয়া হলো- আদিবাসীরা কোনো ক্ষতিপূরণও পেলেন না। এক কথায় তাদের তাড়িয়ে দেয়া হলো নিজেদের জমি থেকে।”

আন্দোলনকারীদের সঙ্গে মঙ্গলবার পর্যন্তও আলোচনার চেষ্টা চালিয়েছেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী জয়রাম রমেশ ও বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া- যিনি গোয়ালিয়রের প্রাক্তন রাজবংশের বর্তমান উত্তারধিকারী।

রমেশ বলেন যে আন্দোলনের রাস্তায় না গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে। কিন্তু রাজাগোপাল জানিয়েছেন যে প্রায় একবছর ধরে তিনি সারা দেশ ঘুরেছেন- প্রধানমন্ত্রীকে তিরিশটিরও বেশি চিঠি লিখেছেন এই সমস্যার সমাধানের আবেদন জানিয়ে- কিন্তু কোনো উদ্যোগ সরকার নেয় নি... তাই মিছিল শুরু করা হয়েছে।

হাজার হাজার গরিব মানুষের এই মিছিল যখন শুরু হয়েছে, সেদিনই, বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতের অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম জানিয়েছেন, দেশে যে অর্থনৈতিক সংস্কার চলছে, তা আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর সরকার।

 “সরকারকে আরো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর এই সিদ্ধান্তগুলো দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে যে সরকার সংস্কারের পথে এগিয়ে চলেছে। নতুন বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কিছু বাধা এখনও আছে। তবে বেশ কিছু আইন আনা হচ্ছে-অর্থনীতিকে আরো উন্মুক্ত করে দেওয়ার জন্য। সরকার এগুলো থেকে পিছিয়ে আসবে না”, বলেন ভারতের অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমের।

সরকার ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে যে ভারতের খুচরো ব্যবসার বাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা লগ্নির সিদ্ধান্ত হয়েছে।

“এই দেশে বড় বড় শিল্প-কারখানা গড়ার জন্য জমি অধিগ্রহণের আইন রয়েছে-বড় পুঁজিপতিদের জমি দেয়ার জন্য আইন আছে। কেউ তার বিরোধিতা করলে শক্তি ব্যবহার করে তাদের মোকাবিলা করতে পারে রাষ্ট্র। অথচ গরিব, ভূমিহীনদের জমি দেয়ার জন্য বা নিজের জমিতে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কোনও আইন করতে কি সরকার পারে না?” প্রশ্ন পি ভি রাজাগোপালের।

উল্লেখ্য, মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের আর্থিক সংস্কারের সাম্প্রতিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের মনে যেমন ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তেমনই এ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোও ব্যাপক বিরোধিতায় নেমেছে।

এই ইস্যুতেই সরকারের ওপর থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছে ইউপিএ জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম জোট শরিক তৃণমূল কংগ্রেস। অন্য অনেক রাজ্য সরকারও কেন্দ্রের সংস্কার কর্মসূচির বিরোধিতা করছে প্রকাশ্যে।

এই রাজনৈতিক বিরোধিতার মধ্যেই আজ হাজার হাজার গরিব ভূমিহীন মানুষ রাজধানীর দিকে মিছিল নিয়ে এগতে শুরু করলেন-যা এ মাসের শেষ নাগাদ দিল্লি পৌঁছাবে। সূত্র: বিবিসি।

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, নজরদারির দৈনিক খরচ ১১ হাজার পাউন্ড :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, নজরদারির দৈনিক খরচ ১১ হাজার পাউন্ড :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
  দুই মহিলার যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ যাতে ব্রিটেন ছেড়ে পালাতে না পারেন, সেজন্য নজরদারি চালাতে প্রতিদিন ১১ হাজার পাউন্ড খরচ হচ্ছে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের। উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা তার সুইডেনে প্রত্যর্পণ ঠেকাতে লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে আশ্রয় নিয়েছেন।

দ্য ডেইলি মেইলের খবর, ওই দূতাবাসের আশপাশে দিনরাত ঘোরাফেরা করছে বৃটিশ  পুলিশ অফিসারদের শ্যেনদৃষ্টি। অ্যাসাঞ্জকে তারা চোখে চোখে রাখছেন। দূতাবাস ভবনে প্রবেশপথের মুখে তারা আড়াই লক্ষ পাউন্ড ব্যয়ে মোবাইল কমান্ড সিস্টেমও চালু করেছেন। ইতিমধ্যে নজরদারির খরচের অঙ্কটা ১০ লক্ষ পাউন্ড ছাড়িয়ে গিয়েছে এবং যতদিন অ্যাসাঞ্জ প্রত্যর্পণ আটকে রাখতে পারবেন, তা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে। লন্ডনের মেয়র বরিস জনসন জানিয়েছেন, ২০ জুন থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেরিয়ে গেছে ৯ লক্ষ পাঁচ হাজার পাউন্ড।

গত জুন মাসে জামিনে মুক্ত থাকা অবস্থায় ৪১ বছর বয়সী এই অস্ট্রেলিয় আচমকা একদিন পশ্চিম লন্ডনের নাইটসব্রিজ এলাকায়  ইকুয়েডর দূতাবাসে ঢুকে রাজনৈতিক আশ্রয় চান। আগস্টে লাতিন আমেরিকার দেশটি সেই আর্জি মঞ্জুর করে। যদিও ইকুয়েডরের বিদেশমন্ত্রী রিকার্ডো পিন্টো ইতিমধ্যে অ্যাসাঞ্জকে সাবধান করে দিয়ে বলেছেন, বৃটেন ছাড়ার অনুমতি না পেলে তাকে এক দশক দূতাবাসে আটকে থাকতে হতে পারে। কিন্তু ব্যাপারটা মিটে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। জাতিসংঘে গত সপ্তাহেই কথা হয়েছে পিন্টো ও বৃটিশ বিদেশ সচিব উইলিয়াম হেগের।কোনও রফাসূত্র বেরয়নি বলে জানিয়েছেন হেগ। এর মধ্যেই নানা মহল থেকে দাবি তোলা হয়েছে, জলের মতো অর্থ খরচ করে অ্যাসাঞ্জের ওপর নজরদারি বন্ধ করা হোক।

অ্যাসাঞ্জের ভয়, একবার সুইডেন তাকে হাতে পেলে সোজা আমেরিকায় পাঠিয়ে দেবে। ফাঁস হয়ে যাওয়া প্রায় আড়াই লক্ষ গোপন মার্কিন কূটনীতিক কেবল বা বার্তা প্রকাশ করে দেওয়ায় আমেরিকা তাকে কাঠগড়ায় তুলে এমন সব ধারায় বিচার করবে যাতে তার মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। সূত্র: ওয়েবসাইট।

গণতন্ত্র হত্যাচেষ্টার সময়ে আতাউস সামাদের প্রয়োজন ছিল: ফখরুল :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

গণতন্ত্র হত্যাচেষ্টার সময়ে আতাউস সামাদের প্রয়োজন ছিল: ফখরুল :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “প্রখ্যাত সাংবাদিক আতাউস সামাদ এমন সময় চলে গেলেন, যখন দেশের গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যার চেষ্টা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এমন সময় তার মতো সাহসী সাংবাদিকের খুব প্রয়োজন ছিল।”

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আতাউস সামাদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক আমারদেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন সাংবাদিক আতাউস সামাদ। তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক শফিক রেহমান, মাহফুজ উল্লাহ, চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম, পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান জিনাতুন্নেছা তাহমিনা খাতুন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি আব্দুস শহীদ, প্রকৌশলী আ ন হ আখতার হোসেন, প্রফেসর ড. খলিলুর রহমান, কৃষিবিদ এম এ করিম, আবুল কাশেম, আতাউস সামাদের ভাই সাংবাদিক আতিকুস সামাদ প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, “আতাউস সামাদের সমাজ বদলের লেখা আমাদের আকর্ষিত করতো। তিনি সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলতেন। পাকিস্তানি স্বৈরশাসন এবং তার পরে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে কলমের মাধ্যমে সাহসী করে তুলেছিলেন।”

মাহমুদুর রহমান বলেন, “দেশের বিভক্ত সমাজে সব কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে আতাউস সামাদ সাহসের সঙ্গে সত্য কথা বলতেন। তিনি চলে গিয়ে যে ভার আমাদের ওপর রেখে গেছেন, তা যেন সইতে পারছি না।”

শফিক রেহমান বলেন, “এই দেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে আতাউস সামাদ বিরল। তিনি সঠিক খবর দেয়ার চেষ্টা করতেন। তার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রীসহ সবাই শোকবিবৃতি দিলেও স্বৈরাচার এরশাদ কোনো বিবৃতি দেননি। এতে বুঝা যায় যে, তিনি একজন সৎ সাংবাদিক ছিলেন।”

সভা পরিচালনা করেন পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

গণতন্ত্র হত্যাচেষ্টার সময়ে আতাউস সামাদের প্রয়োজন ছিল: ফখরুল :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

গণতন্ত্র হত্যাচেষ্টার সময়ে আতাউস সামাদের প্রয়োজন ছিল: ফখরুল :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “প্রখ্যাত সাংবাদিক আতাউস সামাদ এমন সময় চলে গেলেন, যখন দেশের গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যার চেষ্টা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এমন সময় তার মতো সাহসী সাংবাদিকের খুব প্রয়োজন ছিল।”

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আতাউস সামাদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক আমারদেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন সাংবাদিক আতাউস সামাদ। তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক শফিক রেহমান, মাহফুজ উল্লাহ, চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম, পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান জিনাতুন্নেছা তাহমিনা খাতুন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি আব্দুস শহীদ, প্রকৌশলী আ ন হ আখতার হোসেন, প্রফেসর ড. খলিলুর রহমান, কৃষিবিদ এম এ করিম, আবুল কাশেম, আতাউস সামাদের ভাই সাংবাদিক আতিকুস সামাদ প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, “আতাউস সামাদের সমাজ বদলের লেখা আমাদের আকর্ষিত করতো। তিনি সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলতেন। পাকিস্তানি স্বৈরশাসন এবং তার পরে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে কলমের মাধ্যমে সাহসী করে তুলেছিলেন।”

মাহমুদুর রহমান বলেন, “দেশের বিভক্ত সমাজে সব কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে আতাউস সামাদ সাহসের সঙ্গে সত্য কথা বলতেন। তিনি চলে গিয়ে যে ভার আমাদের ওপর রেখে গেছেন, তা যেন সইতে পারছি না।”

শফিক রেহমান বলেন, “এই দেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে আতাউস সামাদ বিরল। তিনি সঠিক খবর দেয়ার চেষ্টা করতেন। তার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রীসহ সবাই শোকবিবৃতি দিলেও স্বৈরাচার এরশাদ কোনো বিবৃতি দেননি। এতে বুঝা যায় যে, তিনি একজন সৎ সাংবাদিক ছিলেন।”

সভা পরিচালনা করেন পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

সাংবাদিক হাবীবুর রহমান ভূঁইয়া কিছু স্মৃতি কিছু কথা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

সাংবাদিক হাবীবুর রহমান ভূঁইয়া কিছু স্মৃতি কিছু কথা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

আবু দারদা যোবায়ের বিন হাবীব
ঢাকা, ৪ অক্টোবর: আমার আব্বা মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান ভূঁইয়ার আজ (৪ অক্টোবর ) চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী । চার বছর আগে দুই হাজার আট সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সাথে জড়িত ছিলেন । ভারত বিভাগের আগে কলকাতায় তিনি কাজ করেছেন ইত্তেহাদ ও মাওলানা আকরাম খাঁ সম্পাদিত আজাদ পত্রিকায়। পরে বাংলাদেশে তিনি দৈনিক আখবার, সাপ্তাহিক আরাফাত এবং  দৈনিক আজাদ পত্রিকায় কাজ করেছেন ’৮৬ সালে দৈনিক ইনকিলাব প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত।

সর্বশেষ  দৈনিক আজাদ পত্রিকা লালবাগের ঢাকেশ্বরী রোড থেকে প্রকাশিত হতো। আব্বার সাথে আরো অনেক সাংবাদিক আজাদ ছেড়ে দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় যোগ দিয়েছিলেন। আর ইনকিলাবের শুরুটা ছিল দেশের প্রথম কম্পিটারাইজড পত্রিকা যা পুরোটাই ছিল আধুনিক ছাপার  যাবতীয় প্রযুক্তি সম্পন্ন। ’৮৬ সালের জুন মাসে প্রকাশিত দৈনিক ইনকিলাবের শুরুতে আব্বা মফস্বল ডেস্কের বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। পদোন্নতি পেয়ে  সিনিয়র সাব এডিটর হিসেবে ২০০৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত কাজ করেন তিনি। তখন সংবাদপত্রে ইন্টারনেট, ই-মেইলের ব্যবহার খুব একটা ছিল বলে আমার মনে পড়ে না। ডাক বিভাগের খামে, ফ্যাক্স আর টেলিফোনে দেশের নানা প্রান্তের সংবাদ পাঠাতেন জেলা প্রতিনিধিরা। তখন জেলা-উপজেলা থেকে এক বা একাধিক সংবাদদাতা প্রতিনিধি হবার প্রতিযোগিতায় নামেন। কখনো কখনো এসব বিষয় নিয়ে বাসায় আব্বা কথা বলতেন।

সাংবাদিকতা পেশায় জড়িয়ে বুঝতে পারি নিজস্ব সংবাদদাতা হতে কত কৌশলই না নেন অনেকেই। তখন দুই একজন প্রতিনিধি আমাদের বাসায়ও এসেছেন। কখনো আব্বা তাদের হাসি মুখে, সাধ্য মতো আপ্যায়ন করে বিদায় দিয়েছেন আবার কখনো করতে পারেনি। এতে কেউ কেউ খুশি কিংবা কষ্ট পেলেও আব্বার করার কিছুই ছিল না।

যতদূর মনে পড়ে আমার বড় বোনের শ্বশুরবাড়ি যে জেলায়, সেই জেলার প্রতিনিধি হতে ইচ্ছুক এক সাংবাদিক আমাদের বাসায় মিষ্টি নিয়ে এসেছিলেন। আব্বা মিষ্টি রাখতে রাজি হননি। কেননা তখনো ওই সাংবাদিক ভদ্রলোক জেলা প্রতিনিধি হবার জন্য ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দিন সাহেবের হাতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হননি।

বেচারা  নাছোড়বান্দা, বললেন, “আমার জেলায় আপনার মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন, আমি তো সে হিসেবে আপনার বাসায় আসতে পারি, আপনি আমাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখুন।”

তখন আব্বা বললেন, “আপনি কত কেজি মিষ্টি এনেছেন, বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছি আপনাদের জেলায়, মিষ্টির দাম কত, আমি একটি শর্তে মিষ্টি নিতে পারি আপনাকে অবশ্যই টাকা নিতে হবে।”

অবশেষে টাকার বিনিময়ে আব্বা ওই মিষ্টি রাখেন। পরে আব্বার কাছে শুনেছি -সাংবাদিক পরিচয়ে অনেকই -হয়তো আব্বার সাথে সম্পর্ক গড়ে স্থানীয় কারো পক্ষে কিংবা বিপক্ষে সংবাদ ছাপিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করতে পারেন। এমন আশংকায় আব্বা সবসময়ই সতর্ক থাকতেন।

আরেকটি ঘটনা, সম্ভবত ’৮৭ সালের।  ফরিদপুরের এক  সাংবাদিক রাতে আমাদের বাসায় মিষ্টি নিয়ে হাজির। বৃহত্তর ফরিদপুরের একটি জেলার ইনকিলাবের জেলা সংবাদদাতা হতে চান তিনি। আগেই বলেছি সে সময় এক জেলা থেকে একাধিক প্রতিনিধি খবর পাঠাতেন। তাই ইনকিলাব পত্রিকার মতো জনপ্রিয় ও বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রের নিজস্ব সংবাদদাতা হতে কারো কারো চেষ্টা তদবিরের শেষ ছিল না । একদিন রাতে হঠাৎ বাসার গেটে শব্দ শুনে আমি এগিয়ে যাই । এক ভদ্রলোক বাসায় এসে হাজির সাথে মিষ্টি, পরিচয় দিলেন অমুক জেলার অধিবাসী ।

আব্বা ওনাকে প্রশ্ন করলেন, “আপনি আমার বাসায় এসেছেন কেন ? আপনার তো আমার বাসায়  আসার দরকার নেই, আবার মিষ্টি নিয়ে এসেছেন কেন?”

জবাবে তিনি জানান, তার জেলা সদরে নিজস্ব চারতলা বাড়ি আছে, আছে ঠিকাদারি ব্যবসা - শখে সাংবাদিকতা করতে চান ইত্যাদি। আমি তখন আব্বার পাশে দাঁড়ানো। আব্বা বললেন, “এই মিষ্টি আমিও খাই না, আমার ছেলেমেয়েরাও খায় না ।”

সাংবাদিক ভদ্রলোক জানান, তিনি ঢাকায় একটি  বোর্ডিং এ উঠেছেন। তখন আব্বা বললেন মিষ্টি  বোর্ডিংয়ে নিয়ে যান।  সাংবাদিক হতাশ হয়ে আমাদের বাসা থেকে বিদায় নেন। পররর্তীতে আর জানি না তিনি ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদদাতা হতে পেরেছিলেন কিনা। আরেকটি ঘটনা আববার কাছে শুনেছি । একজন সাংবাদিক জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দিন সাহেব চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করার আগেই সম্পাদকের স্বাক্ষর করা পরিচয়পত্র নিয়ে তিনি বিভিন্ন জায়গায় নিজের পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। একদিন হঠাৎ সম্পাদক সাহেব আব্বাকে হাবিবুর রহমান সাহেব সম্বোধন করে ওই সাংবাদিকের পরিচয়পত্র দেয়া নিয়ে জানতে চান । আব্বা সম্পাদক সাহেবকে বলেছিলেন, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। সম্পাদক বাহাউদ্দিন সাহেব পরে ওই সাংবাদিককে ডেকে পাঠান। ওই সাংবাদিক জানান, তিনি, দৈনিক ইকিলাবের জনৈক সাংবাদিক (নামটা সঙ্গত কারণেই প্রকাশ করা   হলো না) যিনি একটি সাংবাদিক সংগঠনের নেতাও ছিলেন, তিনি সম্পাদক সাহেবের স্বাক্ষর জাল করে ওই সাংবাদিককে ইনকিলাব পত্রিকার প্রতিনিধির পরিচয়পত্র বানিয়ে দিয়েছেন। এ ঘটনার পর ওই সাংবাদিক নেতার ইনকিলাব থেকে চাকরি চলে যায়।

এই ঘটনার পর আব্বার ওপর সম্পাদক সাহেবের আস্থা আরো বেড়ে যায়। এমন আরো অনেক ঘটনা রয়েছে যা বলে শেষ করা যাবে না।

এ ঘটনাগুলো বলার কারণ হচ্ছে আব্বা কখনোই মিথ্যার সাথে আপস করেননি। যারা উনার সাথে সাংবাদিকতা করেছেন তারা তা ভালো করে জানেন। আর আমাদের উনি শিখিয়েছেন মিথ্যাকে পূঁজি করে কোনো কিছু না করার । বর্তমানে দেশে অসংখ্য দৈনিক সংবাদপত্র, দুই ডজনের মতো বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আর অনলাইন পত্রিকা চালু হয়েছে। কিন্তু সৎ ও বস্ত্তনিষ্ঠ পেশাদারি সাংবাদিকতার বিকাশ তেমন ঘটেনি বলে আমার ধারনা। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রায়ই কতিপয় সাংবাদিকের আচরণ দেখে নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জা লাগে।

আব্বার মৃত্যুবার্ষিকীর এই দিনে আমার কামনা আমরা যাতে সততা ও ন্যায় নিষ্টার সাথে আমাদের পেশাগত মর্যাদা ও নিজেদের আত্নসম্মানবোধ বজায় রাখতে পারি। আল্লাহ আব্বাকে জান্নাত নসিব করুন। আমিন।

আবু দারদা যোবায়ের বিন হাবীব: বিশেষ প্রতিনিধি, এটিএন বাংলা
                                                        abudarda.aribah@gmail.com

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আজ শুরু :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আজ শুরু :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে এবং তা আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

প্রথম দিন এ১, এ২, ও এ৩ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং এ৪ ও এ৫ ইউনিটের পরীক্ষা ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। এ৬, এ৭ ও বি ইউনিটের পরীক্ষা ৬ অক্টোবর। ডি ও ই ইউনিটের পরীক্ষা ৭ অক্টোবর, সি১, সি২ ও জি ইউনিটের পরীক্ষা ৮ অক্টোবর ও এইচ, এফ১ ও এফ২ ইউনিটের পরীক্ষা ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতিদিন পরীক্ষা সকাল ৯টায় শুরু হবে এবং ৫টা পর্যন্ত চলবে। তবে প্রত্যক পরীক্ষার মাঝখানে এক ঘণ্টা করে বিরতি থাকবে।

শেরপুরের ব্রজেন্দ্র মাস্টার বাড়ি এখন ‘বক বাড়ি’ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

শেরপুরের ব্রজেন্দ্র মাস্টার বাড়ি এখন ‘বক বাড়ি’ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দূর থেকে বাঁশ ঝাড়টির দিকে তাকালে মনে হয় যেন সাদা সাদা ফুলের কোনো বাঁশ বাগান। কাছাকাছি আসতেই শোনা যায় কক কক আর কিচির মিচির শব্দ। চারদিক মুখরিত হয় সেই শব্দে।
 
প্রতিদিন সকালে ঝাঁকে ঝাঁকে ওই বাঁশ বাগান থেকে সাদা সাদা বক বের হয়ে যায় খাদ্যের সন্ধানে। সারাদিন নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবায় গিয়ে খাদ্যের চাহিদা মিটিয়ে সন্ধ্যায় সারি বেঁধে নিড়ে ফেরে। এমনি এক দৃশ্য দেখা যায় শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার বাঘবের গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ব্রজেন্দ্র বর্মনের বাড়িতে।
 
এলাকাবাসী তাই ব্রজেন্দ্র মাস্টারের বাড়িটির নাম দিয়েছে ‘বক বাড়ি’। ওই গ্রামের বাইরে থেকে কেউ বেড়াতে আসলে অনেকটা হকচকিত হয়ে কিছুক্ষণের জন্য হলেও থমকে দাঁড়িয়ে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন ওই বাড়ির দিকে।
 
শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার ওই গ্রামের ব্রজেন্দ্র মাস্টারের বাড়িটি এলাকায় এক সময় ‘মাস্টার বাড়ি’ নামে পরিচিত থাকলেও বর্তমানে ‘বক বাড়ি’ নামে চেনেন সবাই। বাড়িটির পেছনে বিশাল একটি বাঁশ ঝাড়। এই বাঁশ ঝাড়টিতেই প্রায় এক যুগ ধরে বাসা করে আছে  কয়েক হাজার বক।
 
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ব্রজেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ জানান, প্রতিদিন ভোরে বকের কলকাকলীতে ঘুম ভাঙে বাড়ির লোকজনের। সারাদিন বিভিন্ন স্থান থেকে খাদ্য গ্রহণ করে সন্ধ্যার অন্ধকার নেমে আসার আগেই পাখিগুলো বাসায় ফিরে আসে।
 
তিনি জানান, বেশ কয়েক বছর আগে দুই থেকে তিন হাজার বকের বাস ছিলো এখানে। প্রতিকুল আবহাওয়া আর খাদ্য সংকটের কারণে বর্তমানে এর সংখ্যা দাড়িয়েছে প্রায় এক হাজারে। বছরের প্রায় চার মাস বকগুলো এখানে থাকে। বিশেষ করে, বর্ষাকালে এদের আগমন ঘটে। ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়ে যখন উড়তে পারে তখন তাদের যাওয়ার সময় হয়ে যায়।
 
বকের ডিম, ছানা, পরিত্যক্ত মাছ খাওয়ার লোভে বাঁশ ঝাড়ের নিচে জড়ো হয় সাপ, গুইসাপ, বেজীসহ বিভিন্ন প্রকারের পশু ও জীব জন্তু।
 
ব্রজেন্দ্র মাস্টার বকগুলোকে খুব পছন্দ করেন। নিজের সন্তানের মত ভালবাসেন। রাত-দিন নজরে রাখেন, কেউ যেন এদের কোনো প্রকার ক্ষতি না করতে পারে।
 
তিনি জানান, ইদানিং বকের সঙ্গে ওইসব বাশঁ ঝাড়ে পানকৌড়িও সহাবস্থান বা আস্তানা করতে শুরু করেছে। বক ও পানকৌড়ি পরস্পর ভিন্ন প্রজাতির পাখি হলেও তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয় না কখনো।
 
ঝড়-বৃষ্টিতে অনেক সময় বকের ছানা মাটিতে পড়ে গেলে ব্রজেন্দ্র মাস্টার এবং তার পরিবারের অন্য সদস্যরা আবার সে ছানাগুলোকে বকের বাসায় রেখে আসে। ওদের নিরাপদ আশ্রয়ের কথা ভেবে কখনো বাঁশঝাড় থেকে বাঁশ কাটেন না তিনি।
 
ইতিমধ্যে বকদের দখলের কারণে বাঁশগুলো দিনদিন মরে যাচ্ছে। বকের বিষ্ঠা খুব দুগন্ধযুক্ত হলেও সে গন্ধ ব্রজেন্দ্র মাস্টারের পরিবারের সদস্যদের সহ্য হয়ে গেছে। সন্ধ্যার আগে গ্রামের মানুষ ওই বক বাড়ির দিকে আপন মনে চেয়ে থাকে ঝাকে ঝাকে বকগুলোর ঘরে ফেরার দৃশ্য দেখতে।
 
তাই গ্রামবাসীও ব্রজেন্দ্র মাস্টারের মতোই বকগুলোকে খুবই ভালবাসেন। কেউ শিকারে এলে গ্রামবাসীই প্রতিরোধ করেন। ভোরে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে যাওয়া বকের দৃশ্য আর সন্ধ্যায় ফের বাসায় ফেরার প্রতিযোগিতা দেখলে মন জুড়িয়ে যায়।
 
জেলার আর কোথাও এক সঙ্গে এতগুলো বক দেখা যায় না। ওই গ্রাম এবং আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের কৌতুহলী মানুষ ব্রজেন্দ্র মাস্টারের বাড়ির পাশে এই মনমুগ্ধকর অপরূপ দৃশ্য দেখতে ছুটে আসে প্রতিদিন।
 
ব্রজেন্দ্র মাস্টার বর্তমানে ওই বাঁশ ঝাড়ের নিচে একটি পুকুর খনন করে মাছ চাষ করেছেন। বৃষ্টির সময় বকের বিষ্ঠা পানিতে মিশে পুকুরে মাছের খাদ্য তৈরি হয়। মাছের জন্য পুকুরে আলাদা কোনো খাদ্যের প্রয়োজন হয় না। ফলে মাছ চাষেও বেশ লাভলান হচ্ছেন তিনি।

মঙ্গল ভ্রমণের সুযোগ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

মঙ্গল ভ্রমণের সুযোগ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ঘরের কম্পিউটারের সামনে বসে, অথবা স্মার্টফোনে মাধ্যমে পৃথিবীর মানচিত্রের যে কোনো প্রান্তে ‘ভারচুয়াল' টহল দেওয়া আর কোনো বিস্ময়ের ঘটনা নয়৷ এবার মঙ্গলগ্রহেও পৌঁছানোর সুবিধা করে দিচ্ছে নাসা৷

বার্লিন, ৫ অক্টোবর: ঘরের কম্পিউটারের সামনে বসে, অথবা স্মার্টফোনে মাধ্যমে পৃথিবীর মানচিত্রের যে কোনো প্রান্তে ‘ভারচুয়াল' টহল দেওয়া আর কোনো বিস্ময়ের ঘটনা নয়৷ এবার মঙ্গলগ্রহেও পৌঁছানোর সুবিধা করে দিচ্ছে নাসা৷
 
‘গুগল আর্থ', বিং ম্যাপস থেকে শুরু করে ‘ফোরস্ক্যায়ার'-এর মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় যে কোনো প্রান্ত চষে বেড়ানো যায়৷ চাই শুধু ইন্টারনেট সংযোগ৷ আর স্মার্টফোনের জিপিএস সেন্সরের নাগাল পেলে তো আরও ভালো৷ আশেপাশের দোকান-বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ সহ কত প্রয়োজনীয় পণ্য ও পরিষেবারই যে খোঁজ পাওয়া যায়৷ আছে ‘অগমেন্টেড রিয়্যালিটি' অ্যাপ, যার সাহায্যে স্মার্টফোনের ক্যামেরা কাজে লাগিয়ে এ সবের খোঁজ পাওয়া যায়৷
 
এবার মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা ‘ফোরস্ক্যায়ার'-এর সঙ্গে জোট বেঁধে এমনই সুযোগ করে দিচ্ছে মঙ্গলগ্রহ চষে বেড়ানোর৷ না, মঙ্গলগ্রহে হ্যামবার্গারের দোকান বা ইন্টারনেট কাফে নেই৷ কিন্তু মার্স রোভার'এর অত্যাধুনিক ক্যামেরার চোখে যে অপরূপ দৃশ্য দেখা যাচ্ছে, সাধারণ মানুষও যদি তার স্বাদ পায়, তাহলে মন্দ কী! মঙ্গলগ্রহের মাটি, খানা-খন্দ, খাল-বিলের মধ্যে হয়তো লুকিয়ে রয়েছে কত রহস্য৷ এতকাল শুধু বিজ্ঞানীরাই সেই সেই ছবি দেখতে পেতেন৷ এবার সাধারণ মানুষও বিপুল উৎসাহে মঙ্গল অভিযানে অংশ নিতে পারছেন৷ ফলে প্রকল্পকে ঘিরে উচ্ছ্বাস ও সমর্থনও বাড়বে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ ব্যয় সংকোচের এই যুগে আরও বেশি মানুষকে মহাকাশ গবেষণা সম্পর্কে আগ্রহী করে তুলতে পারলে ক্ষতি কী? নাসা বা ‘ফোরস্ক্যায়ার'-এর ওয়েবসাইটেই পেয়ে যাবেন এই উদ্যোগে অংশ নেওয়ার উপায় সম্পর্কে তথ্য৷
 
‘ফোরস্ক্যায়ার' আসলে ইন্টারনেট সংযোগ ও জিপিএস ব্যবহার করে একাধিক পরিষেবার মেলবন্ধন ঘটায়৷ একদিকে ফেসবুক'এর মতো সোশাল মিডিয়া, অন্যদিকে গুগল'এর মতো মানচিত্রের সমন্বয়ে যে কোনো ব্যবহারকারী নিজেদের ও বন্ধুদের অবস্থান, আশেপাশের আকর্ষণীয় গন্তব্য জেনে নিতে পারেন৷ বাকিটা তাদের মর্জি৷
 
গত ৬ই অগাস্ট মার্স রোভার মঙ্গলগ্রহের গেল ক্রেটার এলাকায় অবতরণ করেছে৷ দুই বছর ধরে এই যান মঙ্গলগ্রহ অন্বেষণ করবে৷ গেল ক্রেটারে নেমেই রোভার সেখানে জলের চিহ্ন পেয়েছে৷ অতএব এককালে মঙ্গলগ্রহে প্রাণ ছিল, এই তত্ত্বের সমর্থনকারীরা উৎসাহিত হয়ে পড়েছেন৷ এই অভিযানে যা জানা যাবে, সেই তথ্য পৃথিবীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও আগাম পূর্বাভাষ দিতে পারে বলে অনেক বিজ্ঞানী আশা করছেন৷ অতএব অপেক্ষা কেন, আমরাও যোগ দিতে পারি ঐতিহাসিক এই অভিযানে৷
 

তথ্যপ্রযুক্তি এখন আমাদের দোড়গোড়ায়: শিল্পমন্ত্রী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

তথ্যপ্রযুক্তি এখন আমাদের দোড়গোড়ায়: শিল্পমন্ত্রী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বলেছেন, মহাজোট সরকার শিল্পসমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দেয়ায় তথ্যপ্রযুক্তি এখন আমাদের প্রত্যেকের দোরগোড়ায়।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর পান্থপথে এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘একাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেম ফর এসএমই’জ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং ও ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মমতাজ উদ্দিন আহমেদ এফসিএমএ, ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ-এর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলামসহ এসএমই ফাউন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
এ সময় শিল্পমন্ত্রী বলেন, “গ্রাম-গ্রামান্তরে ঘরে ঘরে এখন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে এবং ইন্টারনেট প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ঘটেছে। ফলে ঘরে বসেই আমরা সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ, বিশ্বব্যাপী ব্যবসা, কেনাকাটা ও হিসাব করছি।”

তবে মাইক্রোলেভেলে এখনো কম্পিউটার বেইজড একাউন্টিং সিস্টেম পুরোমাত্রায় চালু হয়নি বলে মন্ত্রী মনে করেন।
তিনি আরো বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা ম্যানুয়ালি খাতা-কলমে লিখে এবং ক্যালকুলেটর দিয়ে হিসাব করে থাকি। প্রযুক্তির অভাবনীয় প্রসারের ফলে হিসাববিজ্ঞান অনেক আধুনিক ও সহজ হয়েছে। একাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেমে আমাদের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বা শিল্প কারখানার হিসাব রাখলে ব্যবসা পরিচালনা খুব সহজ হবে।
কম্পিউটার বেইজড একাউন্টিং সিস্টেম এসএমই খাতে নতুন ধারণার প্রবর্তনে সহায়ক হবে বলেও তিনি মনে করেন।
বার্তা ২৪ ডটনেট/এসএমএকে/এসএইচ

৮ ডিসেম্বর এসিএম-আইসিপিসির ঢাকা পর্ব :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

৮ ডিসেম্বর এসিএম-আইসিপিসির ঢাকা পর্ব :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
আগামী ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর এসিএম-আইসিপিসি (অ্যাসোসিয়েশন অব কম্পিউটিং মেশিনারিজ-ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং কনটেস্ট) এশীয় অঞ্চলের ঢাকা পর্বের প্রতিযোগিতা।

দেশের সবগুলো পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে মুল প্রতিযোগিতার আগে আগাসী ১০ নভেম্বর অনলাইনে প্রাথমিক পর্বের আয়োজন করছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)।

এজন্য ৭ অক্টোবর নিবন্ধন শুরু হয়ে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। এখান থেকে ঢাকা পর্বের জন্য সর্বোচ্চ ১৫০টি দল নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত দল ছাড়াও ঢাকা পর্বে আরো অংশ্রগ্রহণ করবে ভারত, চীন, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল এবং মালয়েশিয়া থেকে আসা দল।
এটি হবে এশিয়ার মধ্যে এ যাবত কালের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার আসর। এ  পর্বের বিজয়ীরা আগামী বছর রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে মূলপর্বে অংশগ্রহণ করবেন।

রাজধানীর রিপোটার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ। এসময় এসিএম কাউন্সিল বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক আবুল এল হক, ডিআইইউ-এর অধ্যাপক ড. সৈয়দ আকতার হোসেন, প্রোগ্রামিং  প্রতিযোগিতার পরিচালক (বিচারক) শাহরিয়ার মনজুর সুমিতস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
 

উপন্যাসের নায়িকা হয়ে ফিরছেন ঐশ্বরিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

উপন্যাসের নায়িকা হয়ে ফিরছেন ঐশ্বরিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 অবেশেষে ঐশ্বরিয়াভক্তদের সব অপেক্ষা আর জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটতে চলেছে। দীর্ঘ দেড় বছর পর অভিনয়ে ফিরছেন ঐশ্বরিয়া। মাতৃত্বজনিত কারণে এই অভিনয়-বিরতিতে ছিলেন তিনি।
 
এবারও তিনি ফিরছেন তার প্রিয় পরিচালক  মনিরত্নমের হাত ধরেই। তার চরিত্রটিও অন্যরকম। এবার একটি বিশ্বখ্যাত উপন্যাসের নায়িকা হিসেবে পর্দায় আসবেন তিনি।

১৯৩৮ সালে লেখা ডাফনে ডু মুরিয়ের উপন্যাস `রেবেকা` নিয়ে ছবি করছেন মনিরত্নম। এই ছবিতে প্রধান চরিত্র মিসেস দি উইন্টারের ভূমিকায় অভিনয় করবেন ঐশ্বরিয়া।
 
ভিক্টোরীয় প্রেক্ষাপটে সদ্যবিবাহিত এক নারীর জীবনকাহিনী রেবেকা। হাউসমেডের কাছ থেকে ক্রমাগত স্বামীর প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তুলনা শুনতে শুনতেই মিসেস উইন্টার একদিন আবিষ্কার করেন স্বামীর ভালোবাসা। এ কাহিনিকেই একুশ শতকের ভারতীয় প্রেক্ষাপটে চিত্রনাট্য তৈরির কাজে ব্যস্ত মনিরত্নম।

মনিরত্নমের ছবি `ইরুভার` দিয়েই ১৯৯৭ সালে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন ঐশ্বরিয়া। মাতৃত্বকালীন বিরতিতে যাওয়ার আগে তার শেষ ছবি `রাবণ`ও ছিল মনির পরিচালনায়।

স্পিলবার্গের ছবিতে অ্যান হ্যাথওয়ে? :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

স্পিলবার্গের ছবিতে অ্যান হ্যাথওয়ে? :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 স্টিভেন স্পিলবার্গের আগামী ছবিতে ক্রিস হেমসওয়ার্থের সঙ্গে অভিনয় করতে চলেছেন অ্যান হ্যাথওয়ে। হলিউডে গুঞ্জন ‘থর’-খ্যাত অভিনেতার পাশাপাশি স্পিলবার্গের বহু প্রতিক্ষীত সায়েন্স ফিকশন ‘রোবোপোক্যালিপ্স’-এ শীর্ষ মহিলা চরিত্রে অভিনয় করবেন বছর তিরিশের এই মার্কিন অভিনেত্রী।

তবে সূত্রে খবর, হ্যাথওয়ের সঙ্গে আলোচনা একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়। হেমসওয়ার্থ অবশ্য চলতি বছরের জুলাই থেকেই এই প্রজেক্টে কাজ শুরু করেছেন। ছবিটি প্রযোজনা করছেন টম রথম্যান। স্পিলবার্গ ইতিমধ্যেই রথম্যানের উচ্ছ্বসিত প্রসংশা করেছেন।

ড্যান্যুয়েল এইচ উইলসনের লেখা রোবোপোক্যালিপ্স বইটি আর্কোস নামের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ওয়েব দুনিয়া আক্রমণের গল্প। রোবট দুনিয়ার সঙ্গে মানবজাতির লড়াই নিয়েই এই ছবি।

আগামী ডিসেম্বরেই অ্যান হ্যাথওয়ে অভিনীত অস্কারজয়ী পরিচালক টম হুপারের পরবর্তী ছবি ‘লে মিসারেব্ল’ মুক্তি পাচ্ছে। এই ছবিতে অ্যানের নতুন লুকের এক্সপেরিমেন্টেশন ইতিমধ্যেই দর্শক মহলে যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ধূমপান স্ট্রোকের বড় কারণ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ধূমপান স্ট্রোকের বড় কারণ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 এত দিন ক্যানসারের বড় কারণ হিসেবে ধূমপানকে দায়ী করা হতো। হার্ট অ্যাটাকেও এর ভূমিকা কম নয়। এবার জানা গেল, স্ট্রোকের পেছনেও ধূমপানের বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে।

সম্প্রতি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর সমীক্ষায় এই তথ্য ধরা পড়েছে।

জানা গেছে, ভারতে যত মানুষ স্ট্রোকের শিকার হয়, এর মধ্যে অন্তত ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রেই দায়ী ধূমপান। এ তথ্যকে সমর্থন করেছে আমেরিকার ন্যাশনাল স্ট্রোক অ্যাসোসিয়েশনের মুখপত্র ‘স্ট্রোক অ্যান্ড সেরিব্রোভাস্কুলার ডিজিজেজ’। তাদের মতে, বিশ্বে স্ট্রোকের অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে আসছে ধূমপান। ভারতের মতো দেশে এই হার ক্রমশ বাড়ছে।

আইসিএমআর চার বছর ধরে এক লাখ মানুষের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে যে রিপোর্টটি তৈরি করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, রোগের চেনা ধাঁচ বদলে যাচ্ছে। সমীক্ষাদলের সদস্য, স্নায়ুচিকিৎসক শ্যামল দাস বলেন, “এত দিন মনে করা হতো ডায়াবেটিস এবং হাইপার টেনশনই স্ট্রোকের জন্য দায়ী। সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে ধূমপানও ক্ষতি করছে খুব বেশি মাত্রায়।”

বিশেষজ্ঞরা জানান, কয়েক বছর আগেও ৫৫ থেকে ৭০ বছরের বয়সীদের স্ট্রোক বেশি হতো। ইদানীং এটা চল্লিশের আশপাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। এর জন্য ধূমপানই মূল কারণ বলে চিকিৎসকদের অভিমত। এর সঙ্গে নারীদের মধ্যেও স্ট্রোকের প্রবণতা বাড়ছে। একই সঙ্গে ধূমপান এবং বছরের পর বছর গর্ভনিরোধক ওষুধ খেলে স্ট্রোক বেশি হয় বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র গবেষণায় জানা গিয়েছে। সূত্র: আ.বা.

মানুষিক রোগীকে ‘পাগল’ না বলাই শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

মানুষিক রোগীকে ‘পাগল’ না বলাই শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
মানুষিক কোনো রোগীকে ‘পাগল’ না বলাই হতে পারে তার জন্য শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা। মানুষিক রোগীদের প্রতি অবহেলা বা তাচ্ছিল্য না করে তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করা, সঠিক চিকিৎসা প্রদান এবং পারিবারিক সহায়তার মাধ্যমে সুস্থ্য করা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা নগরীর স্কুল হেলথ ক্লিনিকে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ‘মানসিক রোগীদের প্রতি মনোভাব ও আচরণ’ শীর্ষক কর্মশালার কার্যকরী সেশনে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব মেন্টাল হেলথ’র সহকারী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঢাকা এ কর্মশালার আয়োজন করে।

ডা. হেলাল উদ্দিন আরো জানান, বাংলাদেশে মানুষিক রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিন দিন বাড়ছে। বর্তমানে দেশে মানুষিক স্বাস্থ্য সেবায় ১৮৯ জন সাইকোলজিস্ট ও ১০ জন সাইকো থেরাপিস্ট রয়েছেন।  এছাড়া ৭০০ জন সাধারণ চিকিৎসককে এ ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। খুলনা বিভাগে একমাত্র খুলনা মেজিকেল কলেজ হাসপাতালে এ চিকিৎসা সেবার সুযোগ রয়েছে। সারদেশে বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রে মানুষিক রোগীদের চিকিৎসার জন্য মাত্র ৮২৮টি শয্যা রয়েছে।

তিনি আরো জানান, দেশের জনসংখ্যার ১৬ দশমিক একভাগ লোক কোনো না কোনোভাবে মানসিক রোগী। এর মধ্যে নারীদের সংখ্যা বেশি। শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগের হার ১৮ দশমিক চার শতাংশ।

সকালে কর্মশালার উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক ও এই কর্মসূচির লাইন ডাইরেক্টর ডা. দীন মোহাম্মদ। সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম মোর্ত্তুজা শিকদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন এবং খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. গৌর প্রিয় মজুমদার।

কর্মশালায় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দফতরের প্রতিনিধি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা অংশ নেন।

Thursday, October 4, 2012

রামুতে আতঙ্ক কাটেনি: বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রামুতে আতঙ্ক কাটেনি: বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কক্সবাজারের রামুর বৌদ্ধ বিহার ও বসতবাড়িতে সহিংস ঘটনার পাঁচদিন পরও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে আতঙ্ক কাটেনি। স্থানীয় বৌদ্ধ ভিক্ষু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের নিরাপত্তা ও সহিংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তারা ঘটনাটিকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোন থেকে না দেখে বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দোষিদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রামুকে বলা হয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির তীর্থস্থান। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের একই সঙ্গে পাশাপাশি বসবাসের হাজার বছরের ঐতিহ্য। কিন্তু ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রামুর বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধদে বাড়িতে হামলা অগ্নিসংযোগের পর মুসলমান এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজনদের মধ্যে হাজার বছরের লালিত বিশ্বাসের মাঝে চিড় ধরেছে।

উত্তম কুমার বড়ুয়া নামে এক যুবকের ফেসবুক একাউন্টে কোরআন অবমাননার ছবি ট্যাগ করার ঘটনা নিয়ে হাজার হাজার মুসলমানদের বিক্ষোভ চলাকালে একদল উশৃঙ্খল লোক বৌদ্ধ বিহার ও তাদের বাড়িঘরে তাণ্ডব চালায়। ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বৌদ্ধদের উপসনালয় ও তাদের বাড়িঘরে। এরপর থেকেই শুরু স্থানীয় বৌদ্ধদের মনে দাঁনাবাধে ভয়-শঙ্কা। সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার পর থেকেই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের পাশপাশি বিভিন্ন ধরনের তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করলেও মনে ভর করেছে অনিশ্চয়তা।

ইতোমধ্যে এই সহিংস ঘটনার পেছনে কারা জড়িত ছিল তার তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সহিংস ঘটনার ৮ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘটনাস্থলে এসে দোষিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। এবং ঢাকায় গিয়ে এই ঘটনার পেছনে বিরোধী দলের জড়িত থাকার কথাও বলেন। তদন্ত শুরু না হওয়ার পূর্বেই মন্ত্রীর ওই ঘোষণায় ঘটনাস্থল রামুতে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কায় স্বয়ং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারাও শঙ্কিত হয়ে উঠেন। তাদের আশঙ্কা দেশের অন্যান্য সহিংস ঘটনার মতো এটাতেও কোনো রাজনীতিকরণ হবে কিনা! তারা এই ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তেরও দাবি করেছেন।

রামু উপজেলা বৌদ্ধ ঐক্য ও কল্যাণ পরিষদের  সাধারণ সম্পাদক তরুণ বড়ুয়া বলেন, “রামুর সহিংস ঘটনায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন আতঙ্কিত হলেও স্থানীয় প্রশাসনের নেয়া নানা পদক্ষেপে বর্তমানে পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত রয়েছে। দেশের মন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের আতঙ্ক কাটাতে এবং সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনার নানা উদ্যোগ নিচ্ছেন।”

রামু উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল বলেন, “রামুর ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রবাহিত না করে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টামত্মমূলক শাস্তি হোক এটাই এখন সকলের প্রত্যাশা।

বৌদ্ধ মন্দির ও বসতবাড়িতে হামলার নিন্দা এফবিসিসিআই’র :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বৌদ্ধ মন্দির ও বসতবাড়িতে হামলার নিন্দা এফবিসিসিআই’র :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সম্প্রতি কক্সবাজার জেলার রামু এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার বৌদ্ধ মন্দির¬ ও বসতবাড়িতে অনাকাঙ্ক্ষিত নগ্ন হামলায় ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছে।

বৃহস্পতিবার সংগঠনটির মহাসচিব মীর শাহাবুদ্দিন আহমেদ প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নজিরবিহীন এ হামলায় শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বুদ্ধের মূর্তিসহ বহু মূল্যবান ঐতিহাসিক দ্রব্যাদি ও সম্পদ বিনষ্ট হওয়ায় সারা দেশবাসীর সঙ্গে এদেশের ব্যবসায়ী সমাজ ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত। এ সম্পদহানীর জন্য বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরদের প্রতি এফবিসিসিআই গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছে। এ ঘৃণ্য ঘটনায় বাংলাদেশে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরাজমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর এক বড় আঘাত যা কখনই কাম্য নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বার্থান্বেষী মহলের উস্কানি ও ইন্ধন ব্যতীত এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয় বলে এফবিসিসিআই মনে করে। দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এ ঘৃণ্য ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি এফবিসিসিআই আহবান জানাচ্ছে।

এছাড়াও সংঘটিত এলাকায় দ্রুত শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থান ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন যাতে নাগরিক জীবন স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরে আসতে পারে এবং স্থানীয় ব্যবসা বাণিজ্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হতে পারে।

এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে পুনরায় না ঘটে সেজন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এফবিসিসিআই অনুরোধ জানাচ্ছে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেশের ভাবমূর্তি, বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ বিষয়ে বিশেষ নজর দিতে হবে। বিশেষ করে এ ধরনের বিচ্ছিন্ন ঘটনা বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যকার ‘বর্ডার ট্রেড’-এর ক্ষেত্রে যাতে প্রভাব ফেলতে না পারে সে জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া জররি।

দেশে ঐতিহ্যগতভাবে বিরাজমান সাম্প্রদায়িক সহমর্মিতা, সৌহার্দ্য এবং সহনশীলতা রক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য সমগ্র ব্যবসায়ী সমাজের পক্ষ থেকে এফবিসিসিআই সকলের প্রতি আহবান জানানো হয়।

বেসরকারি শিক্ষকদের প্রতীকী অনশন কাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বেসরকারি শিক্ষকদের প্রতীকী অনশন কাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
এমপিওভুক্তির দাবিতে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে চলমান অবস্থান ধর্মঘটের পাশাপাশি প্রতীকী অনশন করবে নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারি ঐক্যজোট।

শিক্ষক-পুলিশ সংঘর্ষের পর বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া তিনটায় সংগঠনের সভাপতি এশারত আলী বার্তা২৪ ডটনেটকে এতথ্য জানান।

তিনি বলেন, “আমাদের দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”

দীর্ঘদিন ধরে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষক-কর্মচারিরা।

গত সোমবার থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা। বুধবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে যাওয়ার পথে শিশু পার্কের সামনে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন শিক্ষকরা। সেখানেই আন্দোলনকারীরা রাস্তায় বসে পড়েন। পরে এশারত আলীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিতে ছয় সদস্যের শিক্ষক প্রতিনিধি দল গণভবনে যান। বিকেল পাঁচটায় আন্দোলনকারীরা সাংবাদিকদের জানান পরদিন সচিবালয় ঘেরাও করা হবে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হন শিক্ষকরা। বেলা ১২টার দিকে সচিবালয় ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে কদমফোয়ারা থেকে পুলিশি বেরিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে সচিবালয় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এ সময় পুলিশের টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জে অর্ধশতাধিক শিক্ষক আহত হন বলে অভিযোগ করেন সংগঠনের সভাপতি। আহতদের মধ্যে ছয় জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি।

আহতদের ক’জন হলেন- ঠাকুরগাঁওয়ের নিতাই চন্দ্র ও ফারুক হোসেন, ময়মনসিংহের সুরুজ্জামান, খুলনার কাহারুল ইসলাম, পঞ্চগড়ের বুলবুল আহমেদ, টাঙাইলের শাহিব উদ্দিন ও শেখ রফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রামের মাকসুদুর রহমান এবং নোয়াখালীর শহীদুল ইসলাম।

দুপুরে এশারত আলী বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “সরকারের নির্দেশেই শিক্ষকদের ওপর পুলিশ হামলা চালিয়েছে। আমাদের যৌক্তিক দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”

পুলিশের রমনা জোনের এসি শিবলী নোমান বলেন, “সচিবালয়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ব্যারিকেড দিয়েছে। শিক্ষকরা নিয়ম ভেঙে তা সরাতে গেলে তাদের সরিয়ে দেয়া হয়। কারো ওপর হামলার কোনো প্রশ্নই আসে না।”
 

মতিয়ার চৌধুরীর বিষয়ে আদেশ ৮ অক্টোবর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

মতিয়ার চৌধুরীর বিষয়ে আদেশ ৮ অক্টোবর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বিচারাধীন বিষয়ে বক্তব্য দেয়ায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার বিষয়ে আদেশের তারিখ আগামী ৮ অক্টোবর ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-২এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃতে ট্রাইব্যুনাল এ আদেশের দিন ধার্য করে।

বৃহস্পতিবার সকালে তার আইনজীবী রোজিয়া সুলতানা (চমন) লিখিত জবাব দেয়ার বিষয়ে সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেয়।

এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বরের লিখিত জবাব দেয়ার বিষয়ে দিন ধার্য ছিল ওই দিনও তার আইনজীবী সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করে দেন।

মতিয়া চৌধুরীর পক্ষে প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন ও আসামিপক্ষে ব্যারিস্টার এহসান সিদ্দিক শুনানিতে অংশ নেন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন মামলা নিয়ে আদালতের বাইরে বক্তব্য দেয়ায় কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের আইন ভঙ্গের অভিযোগে এনে আবেদন করেছিল কামারুজ্জামানের আইনজীবী।

গত ২৯ আগস্ট মানবতাববেরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের পক্ষ থেকে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মো. মনির এ আবেদন করেন।

প্রসঙ্গত ডিফেন্সের আবেদনে বলা হয়, গত ৭ আগস্ট কুষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর এলাকায় ঈদ সামগ্রী বিতরণের সময় তিনি ওই স্থানে ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কে বক্তব্য দেন। বক্তৃতায় তিনি বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে যারা সাফাই সাক্ষী দিতে ট্রাইব্যুনালে আসবে তারা ঘরে ফিরতে পারবে কিনা। ঘরে ফেরার আগেই জনগণ পিটিয়ে তাদের বিচার করে ফেলবে।”

আবেদনে আরো বলা হয় যে, ওই স্থানে মতিয়া চৌধুরী আরো বলেন, “যারা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সাক্ষ্য দেবে তাদের চিহ্নিত করে এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।”