সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। দল বিদায় নিতেই রে রে করে অধিনায়কের ওপর
খড়গহস্ত কমবেশি সকলেই। ভারতীয় ক্রিকেটাররা বুধবারই দেশে ফিরে এসেছেন। টি-২০
বিশ্বকাপের প্রাক্তন চ্যাম্পিয়নদের বিদায়ের ঘটনায় বোর্ড এবার প্রকাশ্যেই
বিবৃতি দিয়েছে। বোর্ডের সহসভাপতি রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, দলের খেলায় আমরা
আদৌ খুশি নই। কী কারণে দল বিদায় নিয়েছে, সেটাই খুঁজে সমাধানের পথ বের করতে
হবে।
ফেভারিট হিসেবে শুরু করেও কেন ধোনিরা সুপার এইট পর্বেই মুখ থুবড়ে পড়লেন, সেই নিয়ে কয়েকটি কারণ বেরিয়ে এসেছে। প্রথমত, ধোনির নেতৃত্বে ত্রুটি। দ্বিতীয়ত, দলগঠনের ব্যর্থতা। পরেরটি, সিনিয়রদের হতশ্রী পারফরম্যান্স। বিদেশের মাঠে টেস্টে ৮-০ হারের পরেও ধোনির নেতৃত্ব নিয়ে যথেষ্টই সমালোচনা হয়, কিন্তু কয়েকদিন পরে আবার যে কে সেই। কেন ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার মতো বিভিন্ন ফরম্যাটে পৃথক নেতা নির্বাচন করা হচ্ছে না, সেই নিয়েও এবার কথা উঠছে।
গাভাস্কার থেকে শুরু করে কুম্বলে, আবার ওয়াদেকার থেকে ভেঙ সরকার, সবাই দলের বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মত তুলে ধরেছেন। সানি গাভাস্কার যেমন পরিষ্কার বলেছেন, “আমি একবারও বলছি না, অধিনায়ক পাল্টালে কিংবা দলের বিন্যাস পরিবর্তন করলেই ম্যাজিকের মতো সবকিছু বদলে যাবে। কিন্তু কেন এমন হচ্ছে, সেই নিয়ে ক্রিকেটারদের কাছে জবাবদিহি করা জরুরি।”
কোচ ও অধিনায়ক বদলে ফেললেই কাজ হয়ে যাবে, সেই কথা না বললেও চেতন চৌহানের মতো প্রাক্তন ওপেনার জানান, “একা আমি ধোনিকে দোষারোপ করছি না, কিন্তু সে যেহেতু দলের নেতা, সেক্ষেত্রে ব্যর্থতা তাকে মেনে নিতেই হবে।”
কলম্বো থেকে দল ফেরত আসতেই এদিন জানা গেছে, শেবাগের গোড়ালির চোট মারাত্মক। তাকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টোয়েন্টি’তে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসকে খেলতে হবে। বীরুর চোট থাকা সত্ত্বেও কেন তাকে বাছাই করা হয়েছে, সেই নিয়ে গত নির্বাচকমণ্ডলীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
বীরু-ধোনি ব্যক্তিত্বের সংঘাত যে দলে বড় হয়ে উঠছে, তা নিয়ে বোর্ড কর্তারা কোচ ফ্লেচারের কাছে রিপোর্ট চাইতে পারেন। ম্যানেজার হিসেবে গিয়েছিলেন চেন্নাইয়ের রামস্বামী বাবা। অস্ট্রেলিয়ার মতো ম্যাচে শেবাগকে খেলানো হয়নি কেন, সেই নিয়েও প্রাক্তনদের মধ্যে কেউ কেউ সরব হয়েছেন। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হরভজন কেন দলে নেই, সেই নিয়েও প্রশ্ন করেছেন ওয়াদেকার। ‘সুলতান অব সুইং’ ওয়াসিম আকরামও বলেন, “ধোনির সবচেয়ে বড় ভুল কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের উইকেট স্পিন সহায়ক হওয়া সত্ত্বেও দুই স্পিনারে খেলানো হয়নি আসল ম্যাচগুলিতেও।”
প্রাক্তনদের একটা অংশ বলেছেন, জহিরের ক্রমাগত দুর্বল বোলিং, ফিল্ডিংয়ের পরেও অশোক দিন্দাকে ব্যবহার করা হয়নি। গম্ভীর, রায়না, রোহিত কেউই নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। এমনকি প্রতিটি ম্যাচে যে কোহলির ওপর বড়বেশি প্রত্যাশা করা হয়েছে, তাও অনেকে মানতে পারেননি।
ভেঙসরকারের মতো অজিত ওয়াদেকারও মানছেন, দলের ওপেনিং জুটি যদি রান পেয়ে যেতো, তাহলে কোহলির ওপর কিছুটা চাপ কমতো। কিন্তু তা না হওয়ায় শুরুতেই চাপে পড়ে গেছে দল।
গত ২০০৭ সালে টি-২০ বিশ্বকাপে সেরা হওয়ার পর থেকে ক্রমাগত ব্যর্থতা। সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হচ্ছে, সুপার এইট পর্বে বিদায়ের পরেও এবার আইসিসিটি টি-২০ র্যাংকিংয়ে ধোনিরা দ্বিতীয় স্থানে। শ্রীলঙ্কার পরেই। কিন্তু র্যাংকিংয়ে উত্থান নয়, ভারতীয় দলের সমস্যা যে গভীরে, তা জেনেই বোর্ড কর্তারা এবার কিছু সিনিয়রদের ব্যাপারে কড়া ভূমিকা নিতে পারেন। সেই কারণেই যে সন্দীপ পাতিলের নেতৃত্বাধীন নির্বাচকমণ্ডলীর কাছে আসন্ন বৈঠক খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে, সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। সূত্র: ওয়েবসাইট।
ফেভারিট হিসেবে শুরু করেও কেন ধোনিরা সুপার এইট পর্বেই মুখ থুবড়ে পড়লেন, সেই নিয়ে কয়েকটি কারণ বেরিয়ে এসেছে। প্রথমত, ধোনির নেতৃত্বে ত্রুটি। দ্বিতীয়ত, দলগঠনের ব্যর্থতা। পরেরটি, সিনিয়রদের হতশ্রী পারফরম্যান্স। বিদেশের মাঠে টেস্টে ৮-০ হারের পরেও ধোনির নেতৃত্ব নিয়ে যথেষ্টই সমালোচনা হয়, কিন্তু কয়েকদিন পরে আবার যে কে সেই। কেন ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার মতো বিভিন্ন ফরম্যাটে পৃথক নেতা নির্বাচন করা হচ্ছে না, সেই নিয়েও এবার কথা উঠছে।
গাভাস্কার থেকে শুরু করে কুম্বলে, আবার ওয়াদেকার থেকে ভেঙ সরকার, সবাই দলের বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মত তুলে ধরেছেন। সানি গাভাস্কার যেমন পরিষ্কার বলেছেন, “আমি একবারও বলছি না, অধিনায়ক পাল্টালে কিংবা দলের বিন্যাস পরিবর্তন করলেই ম্যাজিকের মতো সবকিছু বদলে যাবে। কিন্তু কেন এমন হচ্ছে, সেই নিয়ে ক্রিকেটারদের কাছে জবাবদিহি করা জরুরি।”
কোচ ও অধিনায়ক বদলে ফেললেই কাজ হয়ে যাবে, সেই কথা না বললেও চেতন চৌহানের মতো প্রাক্তন ওপেনার জানান, “একা আমি ধোনিকে দোষারোপ করছি না, কিন্তু সে যেহেতু দলের নেতা, সেক্ষেত্রে ব্যর্থতা তাকে মেনে নিতেই হবে।”
কলম্বো থেকে দল ফেরত আসতেই এদিন জানা গেছে, শেবাগের গোড়ালির চোট মারাত্মক। তাকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টোয়েন্টি’তে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসকে খেলতে হবে। বীরুর চোট থাকা সত্ত্বেও কেন তাকে বাছাই করা হয়েছে, সেই নিয়ে গত নির্বাচকমণ্ডলীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
বীরু-ধোনি ব্যক্তিত্বের সংঘাত যে দলে বড় হয়ে উঠছে, তা নিয়ে বোর্ড কর্তারা কোচ ফ্লেচারের কাছে রিপোর্ট চাইতে পারেন। ম্যানেজার হিসেবে গিয়েছিলেন চেন্নাইয়ের রামস্বামী বাবা। অস্ট্রেলিয়ার মতো ম্যাচে শেবাগকে খেলানো হয়নি কেন, সেই নিয়েও প্রাক্তনদের মধ্যে কেউ কেউ সরব হয়েছেন। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হরভজন কেন দলে নেই, সেই নিয়েও প্রশ্ন করেছেন ওয়াদেকার। ‘সুলতান অব সুইং’ ওয়াসিম আকরামও বলেন, “ধোনির সবচেয়ে বড় ভুল কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের উইকেট স্পিন সহায়ক হওয়া সত্ত্বেও দুই স্পিনারে খেলানো হয়নি আসল ম্যাচগুলিতেও।”
প্রাক্তনদের একটা অংশ বলেছেন, জহিরের ক্রমাগত দুর্বল বোলিং, ফিল্ডিংয়ের পরেও অশোক দিন্দাকে ব্যবহার করা হয়নি। গম্ভীর, রায়না, রোহিত কেউই নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। এমনকি প্রতিটি ম্যাচে যে কোহলির ওপর বড়বেশি প্রত্যাশা করা হয়েছে, তাও অনেকে মানতে পারেননি।
ভেঙসরকারের মতো অজিত ওয়াদেকারও মানছেন, দলের ওপেনিং জুটি যদি রান পেয়ে যেতো, তাহলে কোহলির ওপর কিছুটা চাপ কমতো। কিন্তু তা না হওয়ায় শুরুতেই চাপে পড়ে গেছে দল।
গত ২০০৭ সালে টি-২০ বিশ্বকাপে সেরা হওয়ার পর থেকে ক্রমাগত ব্যর্থতা। সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হচ্ছে, সুপার এইট পর্বে বিদায়ের পরেও এবার আইসিসিটি টি-২০ র্যাংকিংয়ে ধোনিরা দ্বিতীয় স্থানে। শ্রীলঙ্কার পরেই। কিন্তু র্যাংকিংয়ে উত্থান নয়, ভারতীয় দলের সমস্যা যে গভীরে, তা জেনেই বোর্ড কর্তারা এবার কিছু সিনিয়রদের ব্যাপারে কড়া ভূমিকা নিতে পারেন। সেই কারণেই যে সন্দীপ পাতিলের নেতৃত্বাধীন নির্বাচকমণ্ডলীর কাছে আসন্ন বৈঠক খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে, সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। সূত্র: ওয়েবসাইট।

No comments:
Post a Comment