টি২০ বিশ্বকাপের চতুর্থ আসরে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে
ওঠেছে। বৃহস্পতিবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালে
পাকিস্তানকে ১৬ রানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে লঙ্কানরা। এই নিয়ে চার আসরে
দুইবার ফাইনালে ওঠলো শ্রীলঙ্কা।
১৪০ রানে জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নামা পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৩ রানের বেশি এগুতে না পারায় সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নেয় হোয়াটমোরের শিষ্যরা।
লঙ্কান বাঁহাতি স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ একাই তিন উইকেটের পতন ঘটান পাকিস্তানের। এছাড়া অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ও অজন্তা মেন্ডিস নেন দুটি করে উইকেট। পেসার মালিঙ্গা চার ওভার বল করে কোনো উইকেট না পেলেও রান দেন মাত্র ১৯।
৩১ রানে ইমরান নাজিরের বিদায়ের পর ৫৫ রানে নাসির জামশেদ, ৫৭ রানে কামরান আকমল এবং ৬৪ রানে বিদায় নেন শোয়েব মালিক। ইমরান নাজির ২০ রান করলেও নাসির জামশেদ ৪, কামরান আকমল ১ এবং শোয়েব মালিক মাত্র ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
পাকিস্তানী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন অধিনায়ক মোহাম্মদ হাফিজ। তার ৪০ বলের ইনিংসে চারটি চার ও একটি ছক্কার মার রয়েছে। এছাড়া ওপেনার ইমরান নাজির ২০ এবং উমর আকমল ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন।
পাকিস্তানের অন্য ব্যাটসম্যানরা সাজঘরে আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন। নাসির জামশেদ ৪, কামরান আকমল ১, শোয়েব মালিক ৬, সোহেল তানভীর ৮ রান করলেও অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার শহিদ আফ্রিদি কোনো রান না করেই প্যাভিলিয়নে ফেরত যান।
এর আগে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে করে ১৩৯ রান।
শুরু থেকেই লঙ্কান ইনিংসের লাগাম টেনে ধরেন পাকিস্তানী পেসার সোহেল তানভীর। তানভীরের বোলিংয়ের বিরুদ্ধে খেলতেই পারছিলেন না লঙ্কান দুই ওপেনার মাহেলা জয়াবর্ধনে এবং তিলকরত্নে দিলশান। সোহেল তানভীর কোনো উইকেট পাননি। উইকেট না পেলে কি হবে, তিন ওভার বল করে মাত্র ১১ রান দেন সোহেল তানভীর।
অধিনায়ক মাহেলা জয়াবর্ধনে করেন সর্বোচ্চ ৪২ রান। তার ৩৬ বলের ইনিংসে সাতটি চারের মার রয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন দিলশান। ৪৩ বলে তিনটি চারের সাহায্যে ওই রান করেন তিনি।
কুমার সাঙ্গাকারা ১৮ এবং জীবান মেন্ডিস ১৫ রান করে আউট হন। শেষদিকে থিসারা পেরেরা ৭ বলে অপ: ১১ এবং অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ৬ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকলে লঙ্কানদের স্কোরবোর্ডে জমা পড়ে ৪ উইকেটে ১৩৯।
লঙ্কানদের যে চারটি উইকেটের পতন ঘটেছে তিনটি নিয়েছেন পাকিস্তানের স্পিনাররা। সাঈদ আজমল, শহীদ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ হাফিজ একটি করে। অপর উইকেটটি নেন পেসার উমর গুল।
১৪০ রানে জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নামা পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৩ রানের বেশি এগুতে না পারায় সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নেয় হোয়াটমোরের শিষ্যরা।
লঙ্কান বাঁহাতি স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ একাই তিন উইকেটের পতন ঘটান পাকিস্তানের। এছাড়া অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ও অজন্তা মেন্ডিস নেন দুটি করে উইকেট। পেসার মালিঙ্গা চার ওভার বল করে কোনো উইকেট না পেলেও রান দেন মাত্র ১৯।
৩১ রানে ইমরান নাজিরের বিদায়ের পর ৫৫ রানে নাসির জামশেদ, ৫৭ রানে কামরান আকমল এবং ৬৪ রানে বিদায় নেন শোয়েব মালিক। ইমরান নাজির ২০ রান করলেও নাসির জামশেদ ৪, কামরান আকমল ১ এবং শোয়েব মালিক মাত্র ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
পাকিস্তানী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন অধিনায়ক মোহাম্মদ হাফিজ। তার ৪০ বলের ইনিংসে চারটি চার ও একটি ছক্কার মার রয়েছে। এছাড়া ওপেনার ইমরান নাজির ২০ এবং উমর আকমল ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন।
পাকিস্তানের অন্য ব্যাটসম্যানরা সাজঘরে আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন। নাসির জামশেদ ৪, কামরান আকমল ১, শোয়েব মালিক ৬, সোহেল তানভীর ৮ রান করলেও অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার শহিদ আফ্রিদি কোনো রান না করেই প্যাভিলিয়নে ফেরত যান।
এর আগে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে করে ১৩৯ রান।
শুরু থেকেই লঙ্কান ইনিংসের লাগাম টেনে ধরেন পাকিস্তানী পেসার সোহেল তানভীর। তানভীরের বোলিংয়ের বিরুদ্ধে খেলতেই পারছিলেন না লঙ্কান দুই ওপেনার মাহেলা জয়াবর্ধনে এবং তিলকরত্নে দিলশান। সোহেল তানভীর কোনো উইকেট পাননি। উইকেট না পেলে কি হবে, তিন ওভার বল করে মাত্র ১১ রান দেন সোহেল তানভীর।
অধিনায়ক মাহেলা জয়াবর্ধনে করেন সর্বোচ্চ ৪২ রান। তার ৩৬ বলের ইনিংসে সাতটি চারের মার রয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন দিলশান। ৪৩ বলে তিনটি চারের সাহায্যে ওই রান করেন তিনি।
কুমার সাঙ্গাকারা ১৮ এবং জীবান মেন্ডিস ১৫ রান করে আউট হন। শেষদিকে থিসারা পেরেরা ৭ বলে অপ: ১১ এবং অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ৬ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকলে লঙ্কানদের স্কোরবোর্ডে জমা পড়ে ৪ উইকেটে ১৩৯।
লঙ্কানদের যে চারটি উইকেটের পতন ঘটেছে তিনটি নিয়েছেন পাকিস্তানের স্পিনাররা। সাঈদ আজমল, শহীদ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ হাফিজ একটি করে। অপর উইকেটটি নেন পেসার উমর গুল।

No comments:
Post a Comment