বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “প্রখ্যাত
সাংবাদিক আতাউস সামাদ এমন সময় চলে গেলেন, যখন দেশের গণতন্ত্রকে গলাটিপে
হত্যার চেষ্টা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এমন সময়
তার মতো সাহসী সাংবাদিকের খুব প্রয়োজন ছিল।”
বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আতাউস সামাদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক আমারদেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন সাংবাদিক আতাউস সামাদ। তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক শফিক রেহমান, মাহফুজ উল্লাহ, চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম, পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান জিনাতুন্নেছা তাহমিনা খাতুন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি আব্দুস শহীদ, প্রকৌশলী আ ন হ আখতার হোসেন, প্রফেসর ড. খলিলুর রহমান, কৃষিবিদ এম এ করিম, আবুল কাশেম, আতাউস সামাদের ভাই সাংবাদিক আতিকুস সামাদ প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল বলেন, “আতাউস সামাদের সমাজ বদলের লেখা আমাদের আকর্ষিত করতো। তিনি সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলতেন। পাকিস্তানি স্বৈরশাসন এবং তার পরে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে কলমের মাধ্যমে সাহসী করে তুলেছিলেন।”
মাহমুদুর রহমান বলেন, “দেশের বিভক্ত সমাজে সব কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে আতাউস সামাদ সাহসের সঙ্গে সত্য কথা বলতেন। তিনি চলে গিয়ে যে ভার আমাদের ওপর রেখে গেছেন, তা যেন সইতে পারছি না।”
শফিক রেহমান বলেন, “এই দেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে আতাউস সামাদ বিরল। তিনি সঠিক খবর দেয়ার চেষ্টা করতেন। তার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রীসহ সবাই শোকবিবৃতি দিলেও স্বৈরাচার এরশাদ কোনো বিবৃতি দেননি। এতে বুঝা যায় যে, তিনি একজন সৎ সাংবাদিক ছিলেন।”
সভা পরিচালনা করেন পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আতাউস সামাদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক আমারদেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন সাংবাদিক আতাউস সামাদ। তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক শফিক রেহমান, মাহফুজ উল্লাহ, চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম, পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান জিনাতুন্নেছা তাহমিনা খাতুন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি আব্দুস শহীদ, প্রকৌশলী আ ন হ আখতার হোসেন, প্রফেসর ড. খলিলুর রহমান, কৃষিবিদ এম এ করিম, আবুল কাশেম, আতাউস সামাদের ভাই সাংবাদিক আতিকুস সামাদ প্রমুখ।
মির্জা ফখরুল বলেন, “আতাউস সামাদের সমাজ বদলের লেখা আমাদের আকর্ষিত করতো। তিনি সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলতেন। পাকিস্তানি স্বৈরশাসন এবং তার পরে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে কলমের মাধ্যমে সাহসী করে তুলেছিলেন।”
মাহমুদুর রহমান বলেন, “দেশের বিভক্ত সমাজে সব কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে আতাউস সামাদ সাহসের সঙ্গে সত্য কথা বলতেন। তিনি চলে গিয়ে যে ভার আমাদের ওপর রেখে গেছেন, তা যেন সইতে পারছি না।”
শফিক রেহমান বলেন, “এই দেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে আতাউস সামাদ বিরল। তিনি সঠিক খবর দেয়ার চেষ্টা করতেন। তার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রীসহ সবাই শোকবিবৃতি দিলেও স্বৈরাচার এরশাদ কোনো বিবৃতি দেননি। এতে বুঝা যায় যে, তিনি একজন সৎ সাংবাদিক ছিলেন।”
সভা পরিচালনা করেন পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

No comments:
Post a Comment