Pages

Monday, October 15, 2012

রামুর ঘটনায় বিচারিক কমিশন গঠনের আবেদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রামুর ঘটনায় বিচারিক কমিশন গঠনের আবেদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কক্সবাজারের রামু, উখিয়া, টেকনাফসহ কয়েকটি স্থানে বৌদ্ধ মন্দির ও বসতিতে হামলার ঘটনায় বিচারিক কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে একটি সম্পূরক আবেদন করা হয়েছে হাই কোর্টে।
 
রোববার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চে আবেদনটি করা হয়।
 
ওই ঘটনায় সংঘটিত সহিংসতা নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করে সরকার ও বিরোধীদলীয় নেতাদের দেয়া বক্তব্যে ১৬১ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণেরও আবেদন জানানো হয়েছে। আদালত শুনানি শেষে সোমবার আদেশের দিন ধার্য করেছেন।
 
এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৩ অক্টোবর হাই কোর্ট রুল জারি করেন এবং অন্তর্বতীকালীন নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত শুনানির জন্য ১৪ অক্টোবর পরবর্তী দিন ধার্য রেখেছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় রোববার ইউনুস আলী সম্পূরক আবেদনটি করেন। আবেদনে ওই সব এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেয়ারও নির্দেশনা চাওয়া হয়।
 
আবেদনে বলা হয়, ক্ষমতাসীন দলের নেতারা গণমাধ্যমে বলছেন, বিএনপির স্থানীয় সংসদ সদস্য ওই অপরাধ ঘটিয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপির নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগের নেতারা এটি ঘটিয়েছেন। এ অবস্থায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় তাদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা যেতে পারে।
 
পরে ইউনুস আলী আকন্দ সাংবাদিকদের বলেন, “আজ আবেদনটি আদালতে দাখিল করা হয়েছে ও শুনানি হয়েছে।” আদালত আগামীকাল এ বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য করেছেন বলেও জানান তিনি।
 
গত ৩ অক্টোবর বুধবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এক আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সারা দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্রসচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শকে নির্দেশ দিয়েছেন হাই কোর্ট। একই সঙ্গে কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বৌদ্ধ মন্দির ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার তদন্তে সরকার গঠিত কমিটির প্রতিবেদন ১৭ অক্টোবর আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
 
একইসঙ্গে চট্টগ্রামের পটিয়া এবং কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও পটিয়া এলাকায় মন্দির, বাড়ি, দোকানসহ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
 
একইসঙ্গে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ দেশের সব নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
 
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনূস আলী আকন্দ ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার দাখিল করা পৃথক রিট আবেদনে বুধবার হাই কোর্টের পৃথক দুটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

৫৩.৫ ভাগ এমপি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত: টিআইবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

৫৩.৫ ভাগ এমপি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত: টিআইবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জাতীয় সংসদের ৫৩.৫ ভাগ সদস্যই বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। ২৪.১ ভাগ সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এছাড়া প্রায় সব ক্ষেত্রেই দলীয় নেতা-কর্মীদের অপরাধের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে হত্যা, সরকারি নদী, খাল, পুকুর দখল, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও প্রতারণা ইত্যাদি।

রোববার দুপুর ১২টায় ব্রাক সেন্টারে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান টিআইবি’র (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ) এক সংবাদ সম্মেলনে ‘নবম জাতীয় সংসদের সদস্যদের ইতিবাচক ও নেতিবাচক ভূমিকা পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান প্রতিবেদন পাঠ করেন।

তিনি বলেন, “২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ড ও অনিয়মের ওপর প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, “সংসদ সদস্যরা প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রভাব সৃষ্টি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব বিস্তার, উন্নয়ন বরাদ্দের অপব্যবহারসহ বিভিন্ন নেতিবাচক কাজে জড়িত, এমন তথ্য আছে।”

তবে এসব নেতিবাচক কাজ থেকে তাদের দূরে রাথতে টিআইবি কিছু সুপারিশও দিয়েছে।

টিআইবি’র সুপারিশগুলো হলো: সমস্যার কারণ বিশ্লেষণ, নেতিবাচক কাজ থেকে তাদের বিরত থাকার পরামর্শ, জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ‘আচরণ বিধি’ বিল আইনে পরিণত করা, নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া, সংসদ সদস্যদের আর্থিক তথ্য প্রকাশ, তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত ‘জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠান’ আয়োজন। এসব সুপারিশ সংসদ সদস্যদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, টিআইবির রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

Sunday, October 14, 2012

বেপরোয়া বিএসএফ, কেড়ে নিল আরেক বাংলাদেশীর প্রাণ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

বেপরোয়া বিএসএফ, কেড়ে নিল আরেক বাংলাদেশীর প্রাণ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
  দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী মণ্ডুমালা সীমান্তে তারা কেড়ে নিল আরেক বাংলাদেশী যুবকের প্রাণ। আব্দুল খালেক চোখা (৩০) নামের ওই যুবককে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুলি করে হত্যা করে বিএসএফ। নিহত খালেক বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার রত্নাই মারাধার গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।

বিজিবি সূত্র জানায়, মন্ডুমালা সীমান্তের ৩৮৩/১ এস পিলার এলাকায় ভারত ভূখণ্ডে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ১৪ বিএসএফের সোনামতি ক্যাম্পের সদস্যরা আব্দুল খালেকসহ কয়েকজন বাংলাদেশী ব্যবসায়ীকে লক্ষ করে গুলি বর্ষণ করে। এতে পাঁজরে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই খালেক মারা যান।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল তৌহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া থেকে ১০০ গজ ভেতরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে বিএসএফ’র কাছে চিঠি দিয়ে প্রতিবাদ জানানো হবে বলেও জানান বিজিবি কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বিজিবি-বিএসএফ’র সম্মেলনে বিএসএফ মহাপরিচালক সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার করলেও আগের তুলনা সীমান্ত হত্যাকাণ্ড আরো বেড়ে গেছে। বিএসএসএফ মহাপরিচালকের ঘোষণার পর ঝরে গেছে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী নাগরিকের প্রাণ। বিশিষ্ট নাগরিকরা সীমান্তের এই হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

অক্সিজেনের অভাবে ছোট হয়ে যাচ্ছে মাছ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

অক্সিজেনের অভাবে ছোট হয়ে যাচ্ছে মাছ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে সমুদ্রের পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। এ কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ মাছের গড় আকার ছোট হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

সম্প্রতি নেচার ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সমুদ্র থেকে আহরিত কড, প্লেইস, হ্যালিবাট, ফ্লাউন্ডারসহ প্রায় ৬শ’ প্রজাতির মাছের আকার ২০৫০ সালের মধ্যে ১৪ থেকে ২৪ শতাংশ কমে যাবে।

গবেষণা প্রতিবেদনটির প্রধান লেখক ও কানাডার ইউনিভার্সিটি অব বৃটিশ কলাম্বিয়ার গবেষক উইলিয়াম চেয়ং বলেন, এর ফলে প্রাকৃতিক খাদ্যচক্র এবং সারা বিশ্বে প্রোটিনের জোগানে ব্যাপক প্রভাব পড়বে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মাছের আকার যত বড় হয়, তাদের তত বেশি অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। আবার মাছের বৃদ্ধির জন্যও পর্যাপ্ত অক্সিজেন প্রয়োজন। অক্সিজেনের অভাবে এক পর্যায়ে মাছের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা ক্রমেই উষ্ণতর হতে থাকায় এতে মাছেদের বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। ফলে এ প্রজাতিটি উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর শীতল সমুদ্রে সরে যাবে।

এতে বলা হয়, ভারত মহাসাগরের মাছের আকার প্রায় ২৪, আটলান্টিক মহাসাগরে ২০ এবং প্রশান্ত মহাসাগরে ১৪ শতাংশ হ্রাস পাবে। এ তিনটির মধ্যে ভারত মহাসাগরে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।  সূত্র: রয়টার্স

বাংলাদেশে প্রতি বছর ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন আড়াই লাখ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশে প্রতি বছর ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন আড়াই লাখ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশে প্রতি বছর দুই লাখ ৫০ হাজার মানুষ ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হন৷ কিন্তু তাদের মধ্য ৩৫ হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসকের কাছে যায় না৷ সচেতনতার অভাবে তারা টোটকা চিকিৎসা করায়৷

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন ক্যানসার রোগীর সংখ্যা ১২ লাখ৷ আর এই আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে৷

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. মোয়ারফ হোসেন জানান, প্রতি ১,০০০ জনে ১৮১ জন ক্যানসার আক্রান্ত৷ প্রতিবছর নতুন করে আক্রান্ত হন দুই লাখ ৫০ হাজার মানুষ৷ কিন্তু এদের অধিকাংশই চিকিৎসকের কাছে যান না৷ ফলে প্রতিবছর দুই লাখ মানুষ বাংলাদেশে ক্যানসারে মারা যান৷

তিনি জানান, মহিলারা সবচেয়ে বেশি ভোগেন জরায়ুর ক্যানসারে৷ যেখানে উন্নত বিশ্বে ১০০ জন ক্যানসার আক্রান্ত নারীর মধ্যে তিন থেকে পাঁচ জন জরায়ুর ক্যানসারে ভোগেন, সেখানে বাংলাদেশে এই সংখ্যা ২৫ জন৷ স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবেই এমন হচ্ছে বলে তার অভিমত৷

অধ্যাপক মোয়ারফ জানান, বাংলাদেশে ক্যানসার চিকিৎসা আন্তর্জাতিক মানের৷ কিন্তু সচেতনতা এবং অর্থের অভাবে অনেকেই সেই চিকিৎসা নিতে পারেন না৷ তবে তিনি ক্যানসার চিকিৎসার জন্য আরো বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার তাগিদ দেন৷

তার মতে, শুধু চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করলেই হবে সচেতনতামূলক কর্মসূচিও নিতে হবে৷ সচেতন হলে ক্যানসার রোগীকে প্রাথমিক পর্যায়েই চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হবে৷ তখন ক্যানসারে মৃত্যুর হার কমে যাবে৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

বয়স্কদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

বয়স্কদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বয়স্ক মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্যালিয়েটিভ কেয়ারকে জাতীয় ও তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে বলে মত দিয়েছেন বাংলাদেশ প্যালিয়েটিভ অ্যান্ড সাপোর্টিভ কেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডা.  রুমানা দৌলা।

শনিবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘বিশ্ব হসপিস ও প্রশমন সেবা দিবস-২০১২’ উপলক্ষে বাংলাদেশ প্যালিয়েটিভ অ্যান্ড সাপোর্টিভ কেয়ার ফাউন্ডেশন ও রোটারি ক্লাব ঢাকা মহানগর যৌথ মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. রুমানা বলেন, “পাঁচ বছর পরে পাঁচের কম বয়সি শিশুদের চেয়ে ৬৫ বা তার বেশি বয়েসের মানুষদের সংখ্যা হবে বেশি। এ বয়স্ক লোকেরা বার্ধক্যে উপনীত হলে ক্যানসার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগে থাকেন। তাদের অনেকেই ন্যূনতম চিকিৎসাসেবা পান না।”

মানববন্ধনে বক্তারা বয়স্ক মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ঝিলেন, জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের সহকারী রেজিস্টার ডা. অরুনাংশু দাস, ডানকান ব্রাদার্সের পরিচালক নূরুল আলম, রোটারি ক্লাব অব ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খলিল আল জায়ার এবং ক্যাটালিস্টের বিজনেস কনসালটেন্টের প্রিন্সিপাল শ্রাবণী সরকার।

স্বতন্ত্র ফিজিওথেরাপি কাউন্সিল গঠনের দাবি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

স্বতন্ত্র ফিজিওথেরাপি কাউন্সিল গঠনের দাবি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশে ফিজিওখেরাপি পেশার বয়স ৫২ বছর হলেও এখন পর্যন্ত এর কোনো নীতিমালা হয় নাই এবং নেই কোনো স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান। তাই ফিজিওথেরাপি পেশা ও পেশাজীবীদের নিয়ন্ত্রণ এবং রোগীদের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে দ্রুততার সঙ্গে স্বতন্ত্র ফিজিওথেরাপি কাউন্সিল গঠন করে এই পেশাকে গ্রহণযোগ্য করে তোলা উচিত।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ ম্যানুয়েল থেরাপি অ্যাসোসিয়েটস ও আইকন ফিজিও আয়োজিত দেশে ফিজিওথেরাপি শিক্ষা ও শারীরিক প্রতিবন্ধি ব্যবস্থাপনা শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইইউবিএটি এর ভিসি প্রফেসর এম আলিমুল্লাহ মিয়া বলেন, “নীতিমালা না থাকায় কিছু অশিক্ষিত সুবিধাবাদি গোষ্ঠি যন্ত্রপাতি কিনে ফিজিওথেরাপির নামে প্রতারণা করছে। অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিস্ট ছাড়া বিভিন্ন অপেশাদার লোকজনকে দিয়ে রোগীদের সর্বনাশ করছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ফিজিওথেরাপির প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাবে এবং এক পর্যায় এ পেশার বিলুপ্তি ঘটতে পারে।”

তিনি আরো বলেন, “পর্যাপ্ত সংখ্যাক দক্ষ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক তৈরিতে নতুন ফিজিওথেরাপি কলেজের দ্রুত বাস্তবায়ন ও সরকারি হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিষ্ট নিয়োগ দেয়া খুবই জরুরি।

সেমিনারে অন্যান্য বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে নন কমিউনিক্যাবল ডিজিজেস, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, বাত ব্যথা ও বিভিন্ন কারণে শারীরিক প্রতিবন্ধী, বিকলাঙ্গ এবং চলাচলে অক্ষম রোগীদের সংখ্যা দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ১০% লোক এ সব কারণে প্রতিবন্ধী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
তাই ফিজিওথেরাপি পেশাটি সরকারের গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত। কারণ স্বাস্থ্য সেবার প্রকৃত উন্নয়নে ফিজিওথেরাপির বিকল্প নেই।

ঢাকা মেডিকেলের সাবেক ফিজিওথেরাপিস্ট প্রফেসর আবুল হোসেইন এর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, কুয়েত ইউনিভার্সিটির সিনিয়র কনসালটেন্ট প্রফেসর আব্দুল মজিদ মোল্লা, এনআইটিওআর এর ফিজিওথেরাপির সাবেক প্রফেসর এমএন আলম ও আইইউবিএটি এর পরিচালক ডা.এ এস এ মাসুদ।

উপকূলে এখনো নিখোঁজ বহু মানুষ, নেই উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

উপকূলে এখনো নিখোঁজ বহু মানুষ, নেই উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোয় বৃহস্পতিবার ভোররাতে ঝড়ের আঘাতের পর এলাকায় এখনো অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা, যদিও সেখানকার প্রশাসন বলছে, গভীর সমুদ্রে থাকার কারণে মাছ ধরার ট্রলারগুলো ফিরে আসতে সময় লাগছে।

তবে স্থানীয়দের মধ্যে তাতে আশংকা কাটেনি। স্থানীয়রা সরকারি তৎপরতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করলেও কর্তৃপক্ষ বলছে, সেখানে এর মধ্যেই ত্রাণ তৎপরতা শুরু করা হয়েছে, যদিও দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে সাহায্য পৌঁছতে কিছুটা সময় লাগছে।

উপকূলীয় জেলাগুলোয় বাসিন্দাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ঝড়ের পর থেকে চট্টগ্রাম, ভোলা আর নোয়াখালী মিলে তিনশ'র বেশি জেলে নৌকা এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

সেই হিসাবে এখনো কোনোরকম খোঁজ পাওয়া যায়নি, এরকম জীবিত বা মৃত মানুষের সংখ্যা কয়েক হাজার।

ভোলায় মনপুরার সখিনা খাতুন টেলিফোনে বলেন, তার স্বামী, একটি জেলে নৌকার কর্মী, মোতাহার হোসেন ঝড়ের পর থেকেই নিখোঁজ রয়েছেন।

“হঠাৎ আসা ঝড়ে তাদের নৌকা উল্টে গেলে অন্য কর্মীরা সাঁতরে উপকূলে ফিরে আসতে পেরেছে, কিন্তু আমার স্বামীর এখনো কেো খোঁজ নেই।” বলছেন সখিনা।

মনপুরার একজন মাছ ব্যবসায়ী ফারুক উদ্দিন জানান, বুধবার ছিল সেখানে সাপ্তাহিক হাটের দিন। সে কারণে সেখানে আশেপাশের এলাকাগুলো থেকে নৌকা নিয়ে অনেক মানুষ এসেছিলেন। তাদের অনেকের এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

সরকারি হিসাবে, ঝড়ের পর এই তিনটি জেলায় মৃতের সংখ্যা আরো চারজন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭।

কিন্তু স্থানীয়রা বলছেন, প্রকৃতপক্ষে এই সংখ্যা আরো বেশি। কারণ দুর্গম এলাকায় যোগাযোগের সমস্যার কারণে অনেক জায়গায় স্থানীয়ভাবে মৃতদেহ দাফন করা হয়েছে।

তারা অভিযোগ করছেন, নিখোঁজদের সন্ধানে সরকারিভাবে কোনো উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা হয়নি।

তবে এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, নিখোঁজ বলে যেসব জেলে নৌকার কথা বলা হচ্ছে, এসব নৌকা খুব তাড়াতাড়ি ফিরে আসবে বলেই তারা আশা করছেন। কারণ গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার কারণে এসব নৌকার ফিরে আসতে সময় লাগছে।

এই ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম বলেন, নৌকা বা মানুষ নিখোঁজ রয়েছে, এরকম অভিযোগ এখনো তাদের কাছে নেই।”

তিনি বলেন, “'মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলা হলেও, আমাদের কাছে বা পুলিশের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি যে তাদের কোনো আত্মীয়কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।”

সরকারিভাবে ত্রাণ কার্যক্রম বা নিখোঁজদের উদ্ধারে তৎপরতার অভিযোগ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলছেন, গাছপালা পড়ে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে, এমনকি যাদের ত্রাণ দেয়া হবে, তারাও নিজেদের ভেঙে যাওয়া ঘরবাড়ি নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে প্রথমদিন ত্রাণ বিতরণে সেভাবে ব্যবস্থা নেয়া যায়নি।

তবে শুক্রবার থেকে সরকারি তরফে সেখানে ত্রাণ কার্যক্রম পুরোমাত্রায় শুরু করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সেখানে এখন ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে চাল, টিন আর নগদ টাকা বিতরণ শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রত্যন্ত এসব জেলায় নৌপথে চলাচল করা গেলেও, রাস্তায় রাস্তায় বড় আকারের গাছ পড়ে থাকার কারণে এখনো সড়কপথের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি। সূত্র: বিবিসি

উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময় জনসাধারণকে রক্ষায় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে সব ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিম্নভূমির দেশ। এদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ৩৪ শতাংশ লোক বাস করে। দেশে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস বেড়ে যাওয়ার কারণে জনগণের আশ্রয়ের জন্য অধিকহারে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাই জনসাধারণকে আশ্রয় দেয়ার জন্য উপকূলীয় এলাকায় আমাদের সব ধরণের অবকাঠামো তৈরি করতে হবে।

এছাড়া তিনি দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতা বাড়াতে কিশোরী ও নারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান এবং দুর্যোগ-উত্তর পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন কর্মসূচীতে তাদের অংশ নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ হ্রাস দিবস উপলক্ষে উদ্বোধনী কর্মসূচিতে ভাষণকালে এ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, বন্যা, খরা, ভূমিক্ষয় ও লবণাক্ততার কারণে এখানকার জনগণের জীবন ও জীবিকা হুমকির মধ্যে রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান ভূকম্পন এলাকায় হওয়ায় এ দেশে বড়ো ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া তীব্র জনঘনত্ব, অপরিকল্পিত নগরায়ন, ত্রুটিপূর্ণ ভবন নির্মাণ হতাহতের ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এদেশে অগ্নিকাণ্ড, সড়ক ও লঞ্চ দুর্ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়, যা পরিস্থিতিকে আরো ভয়াবহ করে তুলছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী নীল ওয়াকার।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এম আসলাম আলম বক্তব্য রাখেন। সূত্র: বাসস

হালনাগাদে সারাদেশে লক্ষ্যমাত্রার ৬৮ শতাংশ ভোটার নিবন্ধিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

হালনাগাদে সারাদেশে লক্ষ্যমাত্রার ৬৮ শতাংশ ভোটার নিবন্ধিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দেশব্যাপী ভোটার তালিকা হালনাগাদে এ পর্যমত্ম ৪৭ লাখ ৫৯ হাজার ভোটার নিবন্ধন করতে সক্ষম হয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যা লক্ষ্যমাত্রার ৬৮ শতাংশ। ৭০ লাখ ভোটার নিবন্ধনের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ থেকে প্রকাশিত হাল নাগাদ কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এ হিসাব ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১২ পর্যমত্ম।

পরিকল্পনা অনুযায়ী এখন পর্যমত্ম নিবন্ধন অবশিষ্ট থাকছে ২২ লাখ ৪১ হাজার ভোটার। প্রাক্কলিত ৪৩ হাজার ৮০০ জন করে প্রতিদিন নিবন্ধনের আওতায় এলে অবশিষ্টদের তালিকাভুক্ত করতে কমিশনের আরো ৫২ দিন সময় লাগবে।

এর মাঝখানে সম্ভাব্য ছুটির পরিমাণ ১০ দিন। সারাদেশে নিবন্ধন শেষ করার সম্ভাব্য সময় ২০১২ সালের ১৫ ডিসেম্বর। এ পর্যমত্ম মোট ৩৫২টি উপজেলায় নিবন্ধন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

সম্পন্নকৃত এলাকাগুলোতে নতুন করে ভোটার নিবন্ধনের হার সাত দশমিক সাত শতাংশ। বর্তমানে আরো ৮১টি উপজেলায় হালনাগাদ কার্যক্রম চলছে।

নিবন্ধনের জন্য বাকি উপজেলার সংখ্যা ১৬৪টি। চলতি মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে আরো ৪৪টি উপজেলার কাজ শেষ হবে। এতে অমত্মত আরো সাড়ে তের লাখ ভোটার নিবন্ধিত হবে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘‘কাজ ভালভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী হালনাগাদ কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হবো আমরা।’’

যারা এখনো ভোটার হতে পারেনি তাদের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়নি। তারাও ভোটার হতে পারবে বলে মত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার জাবেদ আলী।

এদিকে নির্বাচন কমিশন সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘‘সারাদেশে ভোটার তালিকা প্রণয়নের কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি আমরা লক্ষ্যমাত্রায় পৌছতে পারবো।’’

ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন “বিচারালয় মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। কিন্ত  মামলার দীর্ঘসূত্রতার জন্যই মানুষ অনেক সময় বিচারালয়মুখি হয় না। যার ফলে মানুষ আইনি অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

শনিবার মহানগর দায়রা জজ আদালতের জগন্নাথ-সোহেল স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা, ঢাকা জেলা কমিটি এবং ব্র্যাক মানবাধিকার ও আইন সহায়তা কর্মসূচির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিকত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ  বলেন, “অনেকেই বলে থাকেন, একবার আদালতের দ্বারস্থ হলে সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারবো কিনা তার নিশ্চয়তা নেই। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে গণতন্ত্র কখনও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় না।”

তিনি  বলেন, দেওয়ানি মামলার মতো ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায়ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধন করা হচ্ছে। কারাগারে আটকদের ৬০-৭০ ভাগই বিচারাধীন মামলার আসামি। এটি সংশোধিত হলে ছোট ছোট ফৌজদারি অপরাধ আদালতের বাইরেও নিষ্পত্তি করা যাবে। ফলে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হবে।

এ সময় আইনমন্ত্রী আরো বলেন, “মানবাধিকার কমিশন আমরাই গঠন করেছি। কিন্তু কমিশনের কাছ থেকে আমরা আশানুরূপ ফল পাইনি। কমিশনের কাজ হলো কোথাও মানবাধিকার লংঘিত হলে তা খুঁজে বের করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রাণালয়ে সুপারিশ করা। কিন্তু আমার জানা মতে কমিশন এ পর্যন্ত কোনো সুপারিশ আমার মন্ত্রণালয়ে পাঠায়নি।”

তিনি বলেন, “তাকে (কমিশনের চেয়ারম্যান) দেখি সভা-সেমিনার ও টেলিভিশনে বিরোধী দলের নেতাদের মতো বক্তৃতা দিতে।”

ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, ব্র্যাকের হিউম্যান রাইটস্ অ্যান্ড লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস এর পরিচালক ড. ফস্টিনা পেরেরা, মহানগর দায়রা জজ মো. জহুরুল হক, ঢাকা জেলা প্রশাসক মহিবুল হক, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিকাশ কুমার সাহা, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

ডেসটিনির সঙ্গে জড়িত অসাধুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: নৌপরিবহণমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ডেসটিনির সঙ্গে জড়িত অসাধুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: নৌপরিবহণমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 নৌপরিবহণমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, “যারা ডেসটিনিকে নিয়ে অসাধু ব্যবসা করেছে, সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সেই লক্ষ্যে খুব দ্রুতই ডেসটিনি পরিচালনার জন্য প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।”
 
শনিবার সকালে মাদারীপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের র‌্যালি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
 
সরকার ডেসটিনি বন্ধের জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। বরং পরিচালনায় অনিয়ম দূর করতে সেখানে প্রশাসক নিয়োগ দিচ্ছে বলেও জানান শাজাহান খান।
 
র‌্যালি উদ্বোধনকালে নৌমন্ত্রী বলেন, “মাদারীপুরের আড়িয়াল খাঁ নদে দেড় শ’ কোটি টাকার ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করায় নৌপথের গতিপথ সমান্তরাল ও অপসারিত পলি দিয়ে নদী ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা জোরালো হবে। এতে ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুত ও সহজ হবে।”

দুর্যোগ প্রশমন দিবসের র‌্যালিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ছিদ্দিকুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নজরুল হোসেন, জনস্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী আ. রহিম খান প্রমুখ।

পরে মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দুর্যোগ কিভাবে মোকাবেলা করা যায়, সেই বিষয় মহড়া প্রদর্শন করে। এ সময় সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।
 

কাল দুদকের মুখোমুখি হবে বিশ্বব্যাংক প্যানেল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

কাল দুদকের মুখোমুখি হবে বিশ্বব্যাংক প্যানেল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগের দুর্নীতি তদন্তে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ প্যানেলের সাথে কাজ করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) । রোববার বিশ্বব্যাংকের তিন সদস্যের প্যানেলের সাথে সকাল ১১টায় বৈঠক হবে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে। 
 
দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন , বিশ্বব্যাংকের বিশেষ প্যানেল দুই দিনের সফরে কাল ঢাকায় আসবে। আগামীকাল সকাল ১১টার দিকে তাদের সাথে দুদকের প্রথম  বৈঠক হবে বলে ।
 
পরদিন সোমবারও তাদের সাথে আবার দুদকের বৈঠক হবে বলে তিনি জানান।
 
রোববার  বিশ্বব্যাংকের প্যানেলের তিন বিশেষজ্ঞ প্রথমে বৈঠক করবেন দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান, কমিশনার (অনুসন্ধান) মো. বদিউজ্জামান ও কমিশনার (তদন্ত) মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে। এরপর বৈঠক করবেন দুদকের অনুসন্ধান দলের চার সদস্যের কমিটির সঙ্গে। অনুসন্ধান কমিটির সঙ্গে বৈঠকে শুধু অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তা ও প্যানেলের তিন সদস্য থাকবেন।
 
গোলাম রহমান আরও বলেন, বিশ্বব্যাংকের বিশেষ প্যানেলের সাথে কাজ করার বিষয়টি নিয়ে দুদকের প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ ।
 
আজ শনিবার ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও দুদকের চেয়ারম্যান, কমিশনার ও পদ্মা সেতুর অনুসন্ধানের দলের সাথে  এক বিশেষ আলোচনা করা হয়েছে।
 
পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির বিষয়ে এ পর্যন্ত দুদক মোট ৩১ জনকে জিঙ্গাসাবাদ করেছে । এই জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে যে তথ্যউপাত্ত পাওয়া গেছে  তার  প্রতিটি কাগজপত্রর  ফটোকপি বিশ্বব্যাংকের কাছে দেওয়া হবে। কারণ বিশ্বব্যাংকের কাছে তথ্যউপাত্ত অনুবাদ করে দিলে সেখানে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতে পারে। তাই মূল কাগজ বিশ্বব্যাংকের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দুদকের পক্ষ থেকে।
         
বিশ্বব্যাংকের তিন সদস্যের প্যানেলের প্রধান হলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সাবেক প্রধান আইনজীবী লুই গাব্রিয়েল মোরিনো ওকাম্পো।  অন্য দুজন হলেন টিমোথি টং এবং রিচার্ড ওন্ডারম্যান।
 
দুদক সূত্র জানায়, গত জুন মাসে পদ্মা সেতু প্রকল্পে কানাডিয়ান কোম্পানি এসএনসি-লাভালিনকে পরামর্শক হিসেবে কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ঘুষের আদান-প্রদান করা হয় বলে অভিযোগ উঠে । অভিযোগ রয়েছে, কানাডায় এসএনসি-লাভালিনে কর্মরত কর্মকর্তা রমেশ শাহ (কানাডিয়ান নাগরিক) পদ্মা সেতুর ঘুষের তালিকা তৈরি করেছেন ।
 
তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় এসএনসি-লাভালিন কর্মকর্তা রমেশ শাহ ও মো. ইসমাইল হোসেনকে গ্রেফতার করেছিল কানাডিয়ান পুলিশ। বর্তমানে তারা জামিনে মুক্ত আছেন। তাদের সঙ্গেও প্যানেলের যোগাযোগ হয়েছে বলে জানা গেছে।
 
দুদকের চার সদস্যের বিশেষ অনুসন্ধান কমিটিতে রয়েছেন সিনিয়র উপ-পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী, এএসএম আবদুল আল-জাহিদ,  গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী ও মির্জা জাহিদুল আলম। এ টিমকে সার্বিকভাবে সহায়তা করবেন মহাপরিচালক (বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত) খোন্দকার আমিনুর রহমান।

রাজধানীতে সক্রিয় নারী প্রতারকচক্র :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজধানীতে সক্রিয় নারী প্রতারকচক্র :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
  রাজধানীতে এখন নারীরাও প্রতারণার ফাঁদ পাতছেন। মুঠোফোন কিংবা সাক্ষাতে পরিচয়ের সূত্র ধরে কৌশলে অপহরণ চেষ্টা, ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায়, মারধর ও ছিনতাই করে সর্বস্ব লুটের কাজে প্রতারকচক্রের সহযোগী হয়ে তারা কাজ করছেন। প্রতারণার শিকার হয়ে অনেকেই নিঃস্ব হয়েছেন। তবে সামাজিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অনেকেই মুখ খুলছেন না।

অন্যদিকে রাজধানীতে এ ধরনের ঘটনার বিস্তৃতি ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তেমন তৎপরতাও চেখে পড়ছে না। বরং অনেকের অভিযোগ, এ ধরনের কাজের সঙ্গে তাদেরও সম্পৃক্ততা রয়েছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর কয়েকটি স্থানে এমন ঘটনা ঘটছে। নারী প্রতারকরা পান্থপথের বসুন্ধরা সিটি, হাতিরপুলের ইস্টার্ন প্লাজা, এলিফেন্ট রোডের ইস্টার্ন প্লাসের উল্টোদিক, নিকেতনের পাশে ফুয়াং ক্লাবের সামনের রাস্তা প্রতারণার প্রধান স্পট হিসেবে বেছে নিচ্ছে।

এ মাসের প্রথম দিকে এলিফ্যান্ট রোডের মাল্টিপ্লান শপিংমলের উল্টো দিকে কফি হাউস রেস্তোরাঁয় বেবী নামের এক নারীর সঙ্গে তরুণ ব্যবসায়ী ইমরানের পরিচয় হয়। বেবী বয়সে বেশ বড় হলেও দুজনেই বন্ধুত্বের সম্পর্কে আবদ্ধ হন। তবে কিছুদিন না যেতেই বেবীর সঙ্গে মহাখালী এলাকার আবাসিক একটি হোটেলে ইমরান দেখা করতে গেলে তাকে কয়েকজন যুবক মারধর করে মোবাইল ফোনসহ কয়েক হাজার টাকা কেড়ে নেয়।


গত সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী সাব্বির ঢাকায় আসেন। ঢাকার পান্থপথের এক পরিচিত শপিং সেন্টারে নতুন মোবাইল কিনতে যান। এ সময় পাশের দোকানে মোবাইল কিনতে আসা সুন্দরী এক তরুণীর ইশারায় শপিংমলের নিচে আসতেই কয়েকজন যুবক তাকে ঘিরে ধরে সর্বস্ব লুট করে নেয়। এ ব্যাপারে থানায় কোনো অভিযোগ করা হলে তাকে মেরে ফেলা হবে বলেও যুবকেরা হুমকি দেন।

এ বছরের জুন মাসে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মিঠুনের (ছদ্মনাম) মুঠোফোনে অনন্যা নামের এক তরুণীর ফোন আসে। পরিচয়ের কয়েক মাসে মুঠোফোনেই তাদের প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুজনে বিয়ের সিদ্ধান্তও নেন। এ সময় গড়ে ওঠে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তরুণীটি দুজনের একান্তে কাটানো কিছু সময়ের ছবিও তুলে রাখেন। তারপর থেকেই শুরু হয় ব্ল্যাকমেইল।

নিজেদের অনন্যার বন্ধু দাবি করে নানা সময়ে অপরিচিত মোবাইল নম্বর থেকে কিছু যুবক মিঠুনকে ফোন করে। এ সময় তারা অনন্যা ও মিঠুনের গোপন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দেবার হুমকি দেয়। মিঠুনের কাছে তারা মোটরসাইকেল এবং দুই লাখ টাকা দাবি করে। এ ঘটনার পর থেকেই অনন্যার মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। সামাজিক সম্মানের ভয়ে জুলাই-ডিসেম্বর সেশনের সেমিস্টারের ৬৭ হাজার টাকা, পালসার মোটরসাইকেল এবং নকিয়া এন৮ মোবাইল ফোনের বিনিময়ে মিঠুন তাদের সাথে ঘটনার মীমাংসা করতে বাধ্য হন।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মিঠুন বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, ‘‘সামাজিক দিক বিবেচনা করে এ ব্যাপারে কোনো থানায় লিখিত অভিযোগ করিনি। তবে আর কেউ যেন প্রতারণার শিকার না হন, সেজন্য গণমাধ্যমকে জানাচ্ছি।’’

পুলিশের কথা

এ ব্যাপারে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার আবদুল জলিল মণ্ডল বলেন, ‘‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এ জাতীয় ঘটনায় লিখিত অভিযোগ তেমন পাওয়া যায় না। তবে পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’’

র‌্যাব পরিচালক (তদন্ত) রওশন আরা এ ব্যাপারে কিছু না বলে মৃদু হেসে বলেন, ‘‘এমন ঘটনার নজির আছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না পেলে কারো ব্যাপারেই ব্যবস্থা নেয়া যায় না।’’

সুরঞ্জিতের বক্তব্যে টিআইবির উদ্বেগ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সুরঞ্জিতের বক্তব্যে টিআইবির উদ্বেগ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 রেলওয়ে কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রচারিত সংবাদের ব্যাপারে দফতরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বক্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সঙ্গে আজমের বক্তব্য সংগ্রহকারী আরটিভির সাংবাদিক বায়েজিদ আহমেদের নিরাপত্তা দেয়ারও দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।

শনিবার এক বিবৃতির মাধ্যমে টিআইবি এ দাবি জানায়।

বিবৃতিতে টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “গত ১০ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের দেয়া হুমকি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও অবাধ তথ্য প্রবাহে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করবে। এ ধরনের অবস্থান এক দিকে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে ও অন্যদিকে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের পরিপন্থী।”

তিনি বলেন, “গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদে ক্ষতিগ্রস্ত হলে যে কারোরই আইনগত প্রতিকার চাওয়ার অধিকার রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার পরিবর্তে রেলওয়ে ঘুষ কেলেঙ্কারির তথ্য প্রকাশে ক্ষুব্ধ হয়ে সংবাদ সম্মেলন করে গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত যে বিষোদগার করেছেন তা গণতন্ত্রের অপরিহার্য অনুষঙ্গ অবাধ তথ্য প্রবাহের বিরুদ্ধে উপহাসমূলক অবস্থানের শামিল।”

স্বাধীন গণমাধ্যম তথা গণতান্ত্রিক আচরণের পরিপন্থি অবস্থান না নেয়ার জন্য সুরঞ্জিত সেনের প্রতি আহ্বানও জানান তিনি।

আরটিভির সিনিয়র প্রতিবেদক বায়েজিদ আহমেদ হুমকির শিকার হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে সহায়ক তথ্য প্রকাশ করার কারণে এ ধরনের হুমকির সম্মুখীন হওয়ার ফলে সরকারের প্রতি সংবাদমাধ্যম তথা জনগণের আস্থাহীনতা বাড়বে।

বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি বায়েজিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার বেসরকারি টেলিভিশন আরটিভিতে এক সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর অনেক তথ্য ফাঁস করেন সাবেক রেলমন্ত্রীর এপিএস ওমর ফারুকের গাড়িচালক আজম খান। এর প্রতিক্রিয়া জানাতে গত বুধবার সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি এ ঘটনাকে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে সংশ্লিষ্ট মিডিয়ার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দেন। এছাড়া তিনি মিডিয়া মালিকদের সমালোচনাও করেন।

প্রসঙ্গত, গত ৯ এপ্রিল রাতে এপিএস ওমর ফারুক তালুকদারের গাড়িতে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাওয়ার ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তৎকালীন রেলমন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ১৬ এপ্রিল ব্যক্তিগত সহকারীর ‘অর্থ কেলেঙ্কারির’ দায় নিজের কাঁধে নিয়ে রেলমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। পরে দুদক তদন্তে সুরঞ্জিতকে নির্দোষ প্রমাণ করে।

প্রধানমন্ত্রীর মুখে দুর্নীতির অভিযোগ শোভা পায় না: মওদুদ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রধানমন্ত্রীর মুখে দুর্নীতির অভিযোগ শোভা পায় না: মওদুদ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, “পুরো সরকার যখন দুর্নীতিতে নিমজ্জিত তখন প্রধানমন্ত্রীর মুখে অন্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ শোভা পায় না।”

শনিবার দুপুরে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘প্রবীণ সাংবাদিক আতাউস সামাদ ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও খালেদা জিয়ার ছোট ভাই মরহুম মেজর অব. সাঈদ এস্কান্দারের স্মরণে’ জিয়া পরিষদ আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এ কথা বলেন।

শুক্রবার সকালে বিএনপির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর ওইদিন বিকেলে এক অনুষ্ঠানে মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে প্রতিবেদনের গ্রহযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তার এ বক্তব্যের জবাবে শনিবার মওদুদ এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মওদুদ আহমদ বলেন, “ভুলে যাবেন না, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আপনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে ১৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আপনিও দীর্ঘ ১১ মাস জেলে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এখন আপনি নিজের মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।”

তিনি বলেন, “এসব মামলায় আপনার বিচার ও সাজা হলে ১০৮ বছরের জেল হতো।”

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আমাকে প্রতারক বললেও আমি দেশের প্রধানমন্ত্রীকে মিথ্যাবাদী ও প্রতারক বলে অপমান করতে চাই না। তবে তার ভাষা ব্যবহারে সংযত হওয়া উচিত। আমরা একজন আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন প্রধানমন্ত্রী চাই।”

মওদুদ আরো বলেন, “বিশ্বব্যাংক আপনার সরকারকে বিশ্বচোর হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। আপনারা পদ্মা সেতু, ডেসটিনি, হলমার্ক, রেলসহ কোনো দুর্নীতি থেকেই ছাড় পাবে না। আপনারা বিচার না করলেও আমরা বিচার ভবিষ্যতে বিচার করব।”

রামুর ঘটনায় বিএনপির তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যেও সমালোচনা করে তিনি বলেন, “রামুর ঘটনায় আমরা একটা নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি করে সত্য ঘটনা তুলে ধরতে চেয়েছি, প্রতিবেদনেও সত্য কথা বলেছি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যেভাবে এ প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তাতে মনে হয় আমরা সত্যি কথাই বলেছি।”

মওদুদ আরো বলেন, “প্রতিবেদনের কোনো বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কোনো উত্তর না দিয়ে উল্টো ব্যক্তিগতভাবে আমাকে আক্রমণ করেছেন। এটা আওয়ামী লীগের চরিত্র।”

নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকার বাধ্য হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জিয়া পরিষদের সভাপতি কবীর মুরাদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান, এ কে এম মনসুর, অ্যাডভোকেট দেওয়ান মাহফুজুর রহমান ফরহাদ, আবদুল্লাহিল মাসুদ ও ডা. মাজহারুল আল।

ব্যর্থতা ঢাকতেই মওদুদকে প্রধানমন্ত্রীর আক্রমণ: রিজভী :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

ব্যর্থতা ঢাকতেই মওদুদকে প্রধানমন্ত্রীর আক্রমণ: রিজভী :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সকল ক্ষেত্রের ব্যর্থতা ঢাকতে প্রধানমন্ত্রী মিথ্যাকে বিকৃত করে অসত্য ও অরুচিকর বক্তব্য দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রম্নহুল কবির রিজভী ।

শনিবার বিকেলে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

রিজভী অভিযোগ করে বলেন, ‘‘বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মিথ্যা ও অরুচিকর বক্তব্য শুধু দুঃখজনকই নয়, এ ধরণের বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি তার পদকে কলঙ্কিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন তিনি।’’

প্রধানমন্ত্রী দেশের সম্মানিত ব্যক্তিদের অসম্মান করে যেসব কথা বলেন, তারই ধারাবাহিকতায় মওদুদ আহমদের মতো একজন সম্মানিত ব্যক্তিকে আক্রমণ করে কথা বলছেন বলেও  অভিযোগ করেন রিজভী।

শুক্রবার রাজধানীতে শ্রমিক লীগের এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে রামুর ঘটনায় বিএনপির তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে মওদুদ আহমদের কঠোর সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘যে লোক দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত ও রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমাপ্রাপ্ত তার রিপোর্ট বাংলাদেশের মানুষের কাছে কতোটা গ্রহণযোগ্য এটাই বড় প্রশ্ন?’’

রিজভী বলেন, ‘‘মওদুদ আহমদ রাষ্ট্রপতির কাছে সাজা মওকুফের আবেদন করেননি। সামরিক শাসক এরশাদের সময় তার বিরুদ্ধে যে রায় দেয়া হয়েছিল পরবর্তীতে বিচারপতিদের রিভিউ করলে তার সাজা বাতিল হয়। তাই প্রধানমন্ত্রীর এ ধরণের বক্তব্য ভিত্তিহীন।’’

টেলিভিশনে রাতের টকশোগুলোতে যারা অংশগ্রহণ করেন তাদেরকে সিধেল চোরের সঙ্গে তুলনা করে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘‘তার এ ধরণের বক্তব্য গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করবে।’’

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকতুল্লাহ বুলু, ঢাকা মহানগরের সদস্য সচিব আবদুস সালাম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সহ-দফতর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুল করিম শাহিন, নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক শিকদার প্রমুখ।

রামুর ঘটনায় সরকার ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টায় লিপ্ত: খালেদা জিয়া :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

রামুর ঘটনায় সরকার ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টায় লিপ্ত: খালেদা জিয়া :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 রামু, উখিয়া ও পটিয়ায় বৌদ্ধ বসতি ও মন্দিরে হামলার মতো গুরুতর বিষয়টিকে সরকার রাজনৈতিক রঙে রঞ্জিত করে ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

তিনি বলেন, ‘‘সরকারের এই অপচেষ্টা  আগুন নিয়ে খেলার শামিল । তাই এটা বন্ধ করে অবিলম্বে একটি বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’’

শনিবার খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘‘ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পরও বাংলাদেশের জনগণ এ ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে জানতে পারেনি। এ অবস্থায় আমরা চুপ করে থাকতে পারি না।’’

তিনি সরকারের কাছে অবিলম্বে একটি বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানান।

তিনি বলেন, ‘‘আমরা হুঁশিয়ার করে দিতে চাই সংখ্যালঘুদের জান, মাল ও উপাসনালয়ের ওপর কোনো প্রকার হুমকি বা ক্ষতিসাধন বরদাশত করতে পারি না। সকল প্রকার ধর্মীয় ও নৃ-গোষ্ঠীগত উগ্রতার আমরা তীব্র নিন্দা করি এবং ধর্ম, নৃ-গোষ্ঠী বা জাতিগত ভিন্নতাকে হীন সাম্প্রদায়িক স্বার্থে ব্যবহার করার অপপ্রয়াস আমাদের প্রতিহত করতেই হবে।’’

তিনি বলেন, ‘‘আমাদের বুঝতে হবে যে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষার মধ্য দিয়েই কেবল আমরা আমাদের ঐক্য ও শক্তি বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে সক্ষম হবো। বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবার ক্ষেত্রেও যা অত্যন্ত জরুরি।’’

তিনি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যাতে এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে না ঘটে। কেউ এ ধরণের ঘটনা ঘটাবার দুঃসাহস না করে সে জন্য দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহবান তিনি।

তিনি বলেন, ‘‘ আমাদের প্রমাণ করতে হবে জাতি-ধর্ম-গোষ্ঠী নির্বিশেষে আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশী এবং এই দেশের নাগরিক।’’

খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘‘দেশে-বিদেশে বাংলাদেশীরা এই ঘটনায় যেমন উদ্বিগ্ন, তেমনি এই জঘন্য হামলার ঘটনা বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের মাথা হেট করে দিয়েছে। এই ঘটনার ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কোনো বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের নিশ্চয়তা না পাওয়ায় বন্ধুদেশগুলো বিব্রত এবং বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে।’’

এইভাবে অপরাধ ও অপরাধীকে প্রশ্রয় দেয়ার কারণে বাংলাদেশের সমাজ ও জনগণের প্রতি প্রতিবেশী দেশগুলোর জনগণের মধ্যে যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়ে চলেছে তা উপমহাদেশে বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য বিপর্যয়ের কারণ হয়ে উঠতে পারে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশকে জবাবদিহি করতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন খালেদা জিয়া।

আবারো এক-এগারোর আশঙ্কা শেখ হাসিনার :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

আবারো এক-এগারোর আশঙ্কা শেখ হাসিনার :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আবারো এক-এগারোর আশঙ্কা করছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমাদের দেশে কিছু কিছু লোক আছেন, যাদের ক্ষমতায় যাওয়ার খায়েশ আছে, কিন্তু নির্বাচন করার সাহস নেই। তারা জনগণের সামনে দাঁড়াতে পারেন না। কারণ জনগণের ওপর তাদের আস্থা নেই। তারাই অসাংবিধানিক সরকার চান।” শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সভার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ক্ষমতার খায়েশধারীদের কারণে বার বার দেশে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।তারা বার বার অসাংবিধানিক ব্যবস্থাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ভালো সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন, কিভাবে ওই তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে আরো রাখা যায়, সে ফতোয়ো দিয়েছিলেন। তারাই এখন সেচ্চার। আমার কেন যেন মনে হয় আবারো সেই ১/১১ সৃষ্টি চেষ্টা চলছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ক্ষমতায় যাওয়া খায়েশধারীরা জনগণকে ভয় পায় বলেই নির্বাচনে আসতে চান না। কারণ জনগণের ওপর তাদের আস্থা নেই।” জনগণের ওপর আমাদের আস্থা আছে, আমাদের ওপরও জগণের আস্থা আছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “ফতেয়াবাজরা তো অসাংবিধানিক সরকার চাবেন। কারণ এসব ফতোয়বাজরা সাংবিধানিক সরকারের সময়ে মূল্য পান না। অসাংবিধানিক সরকার এলে তাদের মূল্য বাড়ে। সে কারণে তারা অসাংবিধানিক সরকার চায়।” প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, “আমরা মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। দেশের অনেক উন্নতি হয়েছে। সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া গ্রামের মানুষ পাচ্ছেন। শুধু পাচ্ছেন না কিছু লোক।” প্রধানমন্ত্রী টকশো’কে ইঙ্গিত করে বলেন, “যারা টকশো করেন তারা চোখে চোখে কালো চশমা পড়েন। তারা সরকারের কোনো উন্নয়ন দেখতে পান না। মধ্যরাতে জেগে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন তারা। রাত জেগে শুধু নাই নাই নাই করছেন।” দীর্ঘদিন পর আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির এ বৈঠকে প্রায় সব সদস্যই উপস্থিত ছিলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন, দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, আমির হোসেন আমু, আব্দুর জলিল, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি প্রমুখ।

Saturday, October 13, 2012

বিয়ের আগে ঝামেলায় সাইফ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিয়ের আগে ঝামেলায় সাইফ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আর কদিন পরই বিয়ের পরই পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন সাইফ আলি খান। অথচ এরই মধ্যে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়লেন পতৌদির নবাব। তার বিরুদ্ধে একেবারে পুলিস কেস দায়ের করে দিয়েছেন এক ব্যক্তি!

ঘটনাটা হলো, গত ফেব্রুয়ারিতে তাজমহলে ইকবাল শর্মা নামক এক প্রবাসী ভারতীয়কে হেনস্থা করেছিলেন কারিনার হবু বর সাইফ। এর জের ধরেই তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল কোবালা থানা পুলিস।

২২ ফেব্রুয়ারি তাজের ওয়াসাবি রেস্তোরাঁয় ইকবাল শর্মার সঙ্গে বচসা বাঁধে সাইফের। গড়ায় হাতাহাতি পর্যন্ত। এরপরই সাইফের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ইকবাল। তবে ১৫ হাজার টাকার বন্ডে জামিনও পেয়ে যান সাইফ।

ঘটনাটা ফেব্রুয়ারির হলেও সেলিব্রিটি বলেই হয়তো চার্জশিট দিতে দেরি করেছিল পুলিশ। কিন্তু বিয়ের মুখে এসে ফেঁসে গেলেন তিনি। এখন যে কোনো মূহূর্তে শুনানির জন্য আদালতে হাজিরা দিতে হতে পারে তাকে।

তাকে জামাই হিসেবে দেখতে যখন অধীর দেশ-বিদেশের ভক্তরা, তখন এ যে একেবারেই উটকো ঝামেলা!সুত্র: জি নিউজ