Pages

Sunday, October 14, 2012

ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন “বিচারালয় মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। কিন্ত  মামলার দীর্ঘসূত্রতার জন্যই মানুষ অনেক সময় বিচারালয়মুখি হয় না। যার ফলে মানুষ আইনি অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

শনিবার মহানগর দায়রা জজ আদালতের জগন্নাথ-সোহেল স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা, ঢাকা জেলা কমিটি এবং ব্র্যাক মানবাধিকার ও আইন সহায়তা কর্মসূচির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিকত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ  বলেন, “অনেকেই বলে থাকেন, একবার আদালতের দ্বারস্থ হলে সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারবো কিনা তার নিশ্চয়তা নেই। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে গণতন্ত্র কখনও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় না।”

তিনি  বলেন, দেওয়ানি মামলার মতো ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায়ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধন করা হচ্ছে। কারাগারে আটকদের ৬০-৭০ ভাগই বিচারাধীন মামলার আসামি। এটি সংশোধিত হলে ছোট ছোট ফৌজদারি অপরাধ আদালতের বাইরেও নিষ্পত্তি করা যাবে। ফলে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হবে।

এ সময় আইনমন্ত্রী আরো বলেন, “মানবাধিকার কমিশন আমরাই গঠন করেছি। কিন্তু কমিশনের কাছ থেকে আমরা আশানুরূপ ফল পাইনি। কমিশনের কাজ হলো কোথাও মানবাধিকার লংঘিত হলে তা খুঁজে বের করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রাণালয়ে সুপারিশ করা। কিন্তু আমার জানা মতে কমিশন এ পর্যন্ত কোনো সুপারিশ আমার মন্ত্রণালয়ে পাঠায়নি।”

তিনি বলেন, “তাকে (কমিশনের চেয়ারম্যান) দেখি সভা-সেমিনার ও টেলিভিশনে বিরোধী দলের নেতাদের মতো বক্তৃতা দিতে।”

ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, ব্র্যাকের হিউম্যান রাইটস্ অ্যান্ড লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস এর পরিচালক ড. ফস্টিনা পেরেরা, মহানগর দায়রা জজ মো. জহুরুল হক, ঢাকা জেলা প্রশাসক মহিবুল হক, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিকাশ কুমার সাহা, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

No comments:

Post a Comment