Pages

Monday, October 15, 2012

থ্রিজি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

থ্রিজি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
  দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে দেশে প্রথমবারের মতো তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) মোবাইলফোন নেটওয়ার্ক সেবা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ভিডিও কলের মাধ্যমে রাষ্ট্রয়াত্ব মোবাইলফোন টেলিটক গ্রাহকদের জন্য ‘পরীক্ষামূলকভাবে’ থ্রিজি’র এই বাণিজ্যিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় টেলিটক’র থ্রিজি সিম ব্যবহার করে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেন শেখ হাসিনা।
 
সোমবার থেকে টেলিটক গ্রাভিটি ক্লাবের সদস্যরা এবং কয়েকদিন পর থেকে সাধারণ গ্রাহকরা প্যাকেজ সেবা গ্রহণের মাধ্যমে এই সেবা পাবেন বলে বার্তা২৪ ডটনেটকে জানিয়েছেন টেলিটক এর বিপণন পরিচালক হাবিবুর রহমান।
 
তিনি জানিয়েছেন, প্রথম দফায় ঢাকা এবং ঢাকার পার্শ্ববর্তী সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ এলাকায় অত্যাধুনিক এই সেবা পাওয়া যাবে। আর এ সংক্রান্ত তথ্য সোমবার গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানানো হবে।
 
তাহলে কি টেলিটক বাণিজ্যিকভাবে থ্রিজি সেবা দেয়ার সব প্রস্তুতি এখনো সম্পন্ন করতে পারেনি এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অপারগতা প্রকাশ করে টেলিটক এর এই কর্মকর্তা বলেন, “রাজধানীর টেলিটক গ্রাহকরা যাতে স্বাচ্ছন্দে থ্রিজি সেবা উপভোগ করতে পারেন তার জন্যে সব রকম প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ঢাকায় বিটিএস সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।” এর ফলে কল ড্রপ বা নেটওয়ার্কসংক্রান্ত অন্যান্য সমস্যা কমে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
 
টেলিটক এর সাধারণ গ্রাহকরা কীভাবে এই সেবা পেতে পারেন প্রশ্নের জবাবে হাবিবুর রহমান বলেন, “সাধারণ গ্রাহকরা কোড এসএমএস এর মাধ্যমে এই সেবার আওতায় আসেতে পারবেন। আর যদি গ্রাহকের সিমটি ১২৮কেবি না হয় তবে সেবা পেতে নতুন করে সিম ওঠাতে হবে।” এছাড়া খুব শিগগিরই রাজধানীতে টেলিটকের তিন হাজার রিটেইলার পয়েন্ট ও আটটি কাস্টমার সেন্টার থেকে থ্রিজি সিম বিক্রি শুরু হবে বলে তিনি জানান।
 
তিনি বলেন, “আমরা আপতত ২০ লাখ গ্রাহককে থ্রিজি সেবা প্রদানের পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছি। তবে প্রাথমিকভাবে ঢাকা শহরের চার লাখ গ্রাহক এই সুবিধা পাবেন।”
 
থ্রিজি চালুর কারণে কলরেটে কনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে কি না জানতে চাইলে হাবিবুর রহমান বলেন, “প্রাথমিকভাবে টেলিটক যে কলের যে হার নির্ধারণ করেছে তাতে ভয়েস কলের (শুধু কথা বলা) রেট এখন যা আছে থ্রি-জি’তেও তাই থাকবে। অন্যান্য সুবিধার জন্য যে বিল ঠিক করা হচ্ছে তা পাশবর্তী দেশ ভারত ও শ্রীলংকার চেয়ে কম হবে।”
 
সাধারণ গ্রাহকদের চেয়ে থ্রি জি সেবা গ্রহিতার চেয়ে অতিরিক্ত সুবিধা পাবে এমন প্রশ্নের জবাবে টেলিটক এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান বার্তা২৪ডটনেট-কে জানান, থ্রিজি চালু হলে থ্রিজি’তে কোনো কল ড্রাপ থাকবে না। মোবাইল হ্যান্ডসেটে ইন্টারনেটের গতি অন্তত দশগুন বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। অর্থাৎ এখন যে কাজ করতে দশ মিনিট লাগে থ্রিজি সেবা চুলুর কারণে এক মিনিটেই সেই কাজ শেষ করা যাবে।
 
তিনি আরো বলেন, একইভাবে গতি বেড়ে যাওয়ার কারণে মুঠোফোনেই টেলিভিশন দেখা যাবে। আর এ জন্য গ্রাহকদের প্রতি মিনিটে দুই টাকা খরচ হবে। এছাড়াও থ্রিজি নেটওয়ার্ক থাকার কারণে মোবাইলে যিনি কল করবেন তার ছবি দেখা যাওয়ার পাশাপাশি অবস্থান সম্পর্কেও জানা যাবে। ভিডিও কলের ক্ষেত্রে মিনিটে দুই টাকারও কম খরচ পড়বে। টেলিটকের থ্রি-জির সব সার্ভিসেই ১০ সেকেন্ড পালস সুবিধা থাকবে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমেই ঘরে বসেই সন্তানদের নিরাপত্তা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
 
এই থ্রিজি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেই আগামীতে পুলিশ শহরের সব সড়কের গাড়ির গতিবিধি দেখে অনাকাঙ্ক্ষিত জ্যাম নিয়ন্ত্রণও করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন টেলিটক এর এই শীর্ষ কর্মকর্তা।
 
থ্রিজি’ চালুর সঙ্গে সঙ্গে যেহেতু মোবাইলে টিভি দেখার সুযোগ বাড়বে সে সুযোগ কাজে লাগাতে টেলিটক কী ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে জানতে চাইলে মুজিবর রহমান বলেন, “বিষয়টি টেলিটক মাথায় রেখেছে। এজন্য উদ্বোধনের পরদিন থেকে মুঠোফেন টিভিলিংক শেয়ার স্থাপনে বিটিভি’র বাইরেও সময় টিভি, জিটিভি, আরটিভি ও মাইটিভি’ দেখার সুযোগ তৈরির আয়োজন করা হয়েছে।”
 
অপর এক প্রশ্নের জবাবে এসময় মুজিবুর রহমান আরো বলেন, “ভিডিও কল ও ইন্টারনেট ব্যবহারের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। থ্রি জি মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চ গতিতে তথ্য পরিবহণ সম্ভব বলে জিপিএসের মাধ্যমে পথ নির্দেশনা পাওয়া, উচ্চ গতির ইন্টারনেট ব্যবহারসহ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেয়া বিষয়েও গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।” সে জন্য ইতিমধ্যেই কেবল রাজধানীতেই ৪০টি বিটিএস ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

সাইফের বিয়ের পোশাকে কোনো এমব্রয়ডারি নেই :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

সাইফের বিয়ের পোশাকে কোনো এমব্রয়ডারি নেই :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
  ব্যাপারটাকে ‘কে কানেকশন’ বললেও চলে। করিনা আর কোয়েলের কথা হচ্ছে।

দু’জনেরই জন্ম ফিল্ম পরিবারে। দু’জনেই দুই ইন্ডাস্ট্রির প্রথম সারির তারকা। দুই কন্যাই জীবনসঙ্গী হিসাবে বেছে নিয়েছেন যাদের, তারাও ইন্ডাস্ট্রির মানুষ। অভিনেতার পাশাপাশি সাইফ আলি খান প্রযোজকও বটে। সেখানেও কোয়েলের হবু স্বামী নিসপাল রানের সঙ্গে তার দারুণ মিল।
 
কোয়েলের বাবা, রঞ্জিত মল্লিক আর করিনার হবু শাশুড়ি শর্মিলা ঠাকুর একসঙ্গে বেশ ক’টি বাংলা ছবিও করেছেন! করিনা বিয়ের পরে ‘দবাং ২’ ছবিতে একটি আইটেম নম্বর শু্যট করবেন বলে ঠিক করেছেন। কোয়েল ঋতুপর্ণ ঘোষের পরের ছবিতে মুখ্য ভূমিকায়। ছবির শু্যটিং আগে শুরু হলেও, শেষ হবে না ফেব্রুয়ারি মাসের আগে। তাই কোয়েল ছবিটা বিয়ের পরেই শেষ করবেন।

একজন অভিনেত্রীর পক্ষে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়াটা কোনো দিনই সহজ নয়। ঠিক কোন সময়টা বিয়ে এবং ক্যারিয়ারের জন্য সঠিক? ক্যারিয়ারের শীর্ষে থেকে বিয়ে করা মানেই কি ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাওয়া? নাকি আরো অপেক্ষা করা উচিত? কোয়েল বলছিলেন, “আমার মনে আছে, করিনাকে অনেক বার জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ও কখন বিয়ে করছে। আর ওকে প্রত্যেক বারই বলতে শুনেছি, ‘ইট উইল হ্যাপেন’।
 
আসলে বিয়ের তাগিদটা ভেতর থেকে আসা উচিত। এটাই আমার বিশ্বাস। কাজ আছে আর থাকবেও। তবে শুধু কাজের জন্য অন্য সব কিছু থমকে যাবে, এটা আমি বিশ্বাস করি না।
 
করিনার বিয়ের খবর শুনে ভীষণ খুশি কোয়েল। “খুব ভালো লাগছে। ওরা দু’জনেই দু’জনকে বহু বছর ধরে চেনে। বিয়ে অনেকটাই ভাগ্যের ব্যাপার। আশা করব দু’জনেই যেন ভালো বন্ধু হয়ে থাকতে পারে।”
 
করিনা যেভাবে বিয়ের পরে আইটেম নম্বর শ্যুটিং করবেন, সেটা কি কোনোভাবে কোয়েলকে প্রভাবিত করছে নিজের ক্যারিয়ার সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে? “করিনা ভীষণ বুদ্ধিমতী আর আমার বিশ্বাস ও ঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে। তবে ওর সিদ্ধান্তটা সম্পূর্ণ ওর নিজের। আমি এটুকু জানি যে, রানে ভীষণ সাপোর্টিভ আমার ক্যারিয়ার নিয়ে।”
 
তা হলে বিয়ের পরেও কাজ চালিয়ে যাবেন? “বিয়ে হওয়া মানে এই নয়, যে আমি একটা ছবির শু্যটিং মাঝপথে ছেড়ে দেব। আমি শু্যটিং নিশ্চয়ই শেষ করব। ঋতুপর্ণ ঘোষের ছবি ছাড়াও অন্যান্য ইন্টারেস্টিং অফার আছে। সেগুলো নিশ্চয়ই গুরুত্ব দিয়ে ভাবব।”

এখন কোয়েলের বিয়ের বাজার চলছে। “মা বিয়ের বাজারটা দেখছেন। আমি পুজোর বাজারটা। এই দু’টো ক্ল্যাশ করছে না,” কোয়েল বললেন। “আমার ঠাকুমার কিছু জরির ব্লাউজ আমার কাছে আছে। ভীষণ সুন্দর দেখতে। সিল্কটা কেমন পিঁজে গেছে। যদি ওটা কোনও ভাবে ঠিক করা যায়, তা হলে খুব ভালো লাগবে আমার।”

করিনার বিয়ের পোশাক নিয়ে আবার সামান্য জলঘোলা শুরু হয়েছে দুই ডিজাইনারের মধ্যে। এক দিকে ডিজাইনার রিতু কুমার বলছেন যে, তার কারিগরেরা নাকি শর্মিলা ঠাকুরের লেহেঙ্গাটা মেরামত করেছেন বেবোর জন্য। অন্য দিকে মণীশ মলহোত্র বলছেন যে, বেবোর বিয়ের সব পোশাক ওর করা।

আর সাইফ? ডিজাইনার রাঘবেন্দ্র রাঠৌর বলছেন, “আমরা প্রায় দেড় বছর ধরে সাইফের জন্য ডিজাইন করছি। তিন-চার মাস আগে সাইফ আমাকে ডেকে বলে ওর বিয়ের জন্য ডিজাইন করতে।” বেশির ভাগই হ্যান্ডলুম আর ব্রোকেড ফ্যাব্রিক ব্যবহার করেছি। তার সঙ্গে সাদা জোধপুরি ব্রোচ।
বুতামগুলো পটৌডি পরিবারের। “সাতখানা বোতামের মধ্যে রয়েছে জ্যুয়েলস। সাইফের কুর্তার কাটগুলো ভীষণ স্লিক। কোনো পোশাকেই কোনো এমব্রয়ডারি নেই।” সাইফের প্রথম পক্ষের ছেলেমেয়ে, ইব্রাহিম আর সারাও বিয়েতে আসবে। ইব্রাহিমের জন্যও একটি আচকান তৈরি করেছেন রাঘবেন্দ্র, ঠিক পটেডি ঘরানার স্টাইলে।

সব মিলিয়ে আট-ন’টা লুক তৈরি হয়েছে। একটা যেমন বেসিক রাজস্থানি ক্লাসিক লুক। এ ছাড়া আছে ভেলভেট সাদা-কালো বন্ধগলা। বেশ কয়েকটা ওয়েস্ট কোটও রয়েছে। “আমরা ইন্টারেস্টিং পকেট স্কার্ভসও ডিজাইন করেছি। লাল রংয়ের স্কার্ফগুলো ভীষণ ক্লাসিক। একটা মেরুন রংয়ের বন্ধগলা বানিয়েছি। পাগড়ি রয়েছে সঙ্গে।”

আর ধুতি? “না, স্কেচের সময় কোনো ধুতি ছিল না,” রাঘবেন্দ্র বলেন। সূত্র: আনন্দবাজার

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনেই তরুণদের স্ট্রোক :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনেই তরুণদের স্ট্রোক :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের ফলে তরুণদের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়েছে। গবেষণা শেষে নিউরোলজি ফাউন্ড নামের একটি জার্নালে প্রকাশিত নিবন্ধে বিজ্ঞানীরা একথা জানিয়েছেন।
 
১৯৯৩-৯৪ সাল পর্যন্ত একজনের যেখানে গড়ে ৭১ বছর বয়সের মধ্যে একবার স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটত, ২০০৫ সাল পর্যন্ত তা এসে ঠেকেছে ৬৯ বছর বয়সে। আরো দেখা গেছে, ১৯৯৩-৯৪ সালে ৭১ বছর বয়সের মধ্যে যেখানে ১৩ শতাংশ মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হতো, ২০০৫ সালে তা ১৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
 
প্রধান গবেষক জাপানের ওহিও’র সিনসিন্যাট বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন কলেজের আমেরিকান একাডেমি অব নিউরোলজি বিভাগের ফেলো ড. ব্রেট কিসেলা জানান, তরুণদের মধ্যে স্ট্রোকের পাশাপাশি ডায়াবেটিস, স্থূলতা ও উচ্চ কোলেস্টেরল সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে তিনি একটু আশার কথাও জানিয়েছেন। নিয়মিত ব্যয়াম ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস মানলে তরুণরা এ ধরনের সমস্যা থেকে সহজেই মুক্ত থাকতে পারেন। সূত্র: ডেইলি মেইল

যোগ দেয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রামের ডিসি প্রত্যাহার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

যোগ দেয়ার দু’সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রামের ডিসি প্রত্যাহার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ জয়নুল বারীকে প্রত্যাহার করে সেখানে নতুন ডিসি নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এ প্রত্যাহার এবং নিয়োগ করা হয়। প্রত্যাহারের পর জয়নুল বারীকে পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে নতুন ডিসি হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিসি আব্দুল মান্নান। তাকে চট্টগ্রামে বদলি করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক নূর মোহাম্মদ মজুমদারকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন ডিসি করা হয়েছে।

কক্সবাজারের ডিসি জয়নুল বারীকে গত ১৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের ডিসি হিসেবে বদলি করা হয়। চলতি অক্টোবর মাসে প্রথম দিকে তিনি চট্টগ্রামে যোগ দেন। কাজে যোগ দেয়ার মাত্র দু’সপ্তাহের মধ্যে তাকে প্রত্যাহার করা হলো।

এদিকে গত ১৯ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব পদে বদলির আদেশ পাওয়া ঢাকার ডিসি মুহিবুল হক রোববার পর্যন্ত তার নতুন কর্মস্থলে যোগ দেননি বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

ডিসি থাকা অবস্থাতেই গত ফেব্রুয়ারি মাসে মুহিবুল হক যুগ্ম-সচিব পদোন্নতি পান।

নিয়ম অনুযায়ী, উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারাই জেলা প্রশাসক পদে নিয়োগ পেয়ে থাকেন।

বিশ্বব্যাংকের তদন্ত প্যানেল দুদকে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্বব্যাংকের তদন্ত প্যানেল দুদকে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে গঠিত বিশ্বব্যাংকের তদন্ত প্যানেলের সদস্যরা বৈঠকের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যালয়ে গেছেন। রোববার বেলা সোয়া তিনটার দিকে তাদের বহনকারী গাড়ি রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে পৌঁছায়। সোমবারও কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করবে এই বিশেষজ্ঞ প্যানেল।
 
এর আগে শনিবার গভীর রাতে ঢাকায় এসে পৌঁছান বিশ্বব্যাংকের তদন্ত প্যানেলের সদস্যরা। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সাবেক প্রধান আইনজীবী লুই গ্যাবরিয়েল মোরেনো ওকাম্পো প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

৫ অক্টেবার আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে তিন সদস্যের প্যানেল গঠনের ঘোষণা দেয় বিশ্বব্যাংক। এই বিশেষজ্ঞ দলের অন্য দুই সদস্য হলেন হংকংয়ের দুর্নীতিবিরোধী স্বাধীন কমিশনের সাবেক কমিশনার টিমোথি টং ও আমেরিকার সিরিয়াস ফ্রড অফিসের সাবেক পরিচালক রিচার্ড অল্ডারম্যান।
 
গত বুধবার বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই প্রতিনিধিদলের সফর মূলত প্রাথমিক ও পরিচয়মূলক, যা নিয়মিত ও ধারাবাহিক বেশ কয়েকটি সফরের মধ্যে প্রথম। বিশেষজ্ঞ দলটি এবার পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি তদন্তের পর্যাপ্ততা পর্যালোচনা করবে। এরপর বিশ্বব্যাংকের কাছে পর্যালোচনা প্রতিবেদন পেশ করবে দলটি। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকার ও প্রকল্পের অন্য উন্নয়ন সহযোগীদেরও প্রতিবেদনের তথ্য জানানো হবে।

গত ২৯ জুন দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগে পদ্মা সেতুর ঋণচুক্তি বাতিল করেছিল বিশ্বব্যাংক। এরপর বিশ্বব্যাংকের দেয়া চারটি শর্ত পূরণ করায় নতুন করে পদ্মা সেতুতে ফিরে আসার ঘোষণা দেয় দাতা সংস্থাটি।

এখন বিশ্বব্যাংকের দেয়া চার শর্ত বাস্তবায়নের পাশাপাশি এই আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ দলের প্রতিবেদনের ওপরই পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুত ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ-সহায়তা নির্ভর করছে। এর বাইরে সেতু নির্মাণের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করতে আরেকটি দল চলতি মাসেই ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।

একটি মহল উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

একটি মহল উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচির ধারাবাহিকতা একটি মহল বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছেন।
 
রোববার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে নতুন প্রজন্মের থ্রিজি প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ অভিযোগ করেন।
 
জনগণকে সচেতন হয়ে উন্নয়ন ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
 
এ সময় প্রধানমন্ত্রী জানান, নতুন প্রজন্মের থ্রিজি প্রযুক্তির সেবা দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে।
 
দেশে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে এলো নতুন প্রজন্মের থ্রিজি প্রযুক্তি। ছবিসহ কথা বলা ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধার মোবাইল ফোন সেবা নিয়ে টেলিটক এ সুবিধা দেবে।
 
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী সাহারা খাতুন। অন্যদের মধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব সুনীল কান্তি বোস, বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জু, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্য প্রযুক্তিবিদ সজীব ওয়াজেদ জয় উপস্থিত ছিলেন।

রামুর ঘটনায় বিচারিক কমিশন গঠনের আবেদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রামুর ঘটনায় বিচারিক কমিশন গঠনের আবেদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কক্সবাজারের রামু, উখিয়া, টেকনাফসহ কয়েকটি স্থানে বৌদ্ধ মন্দির ও বসতিতে হামলার ঘটনায় বিচারিক কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে একটি সম্পূরক আবেদন করা হয়েছে হাই কোর্টে।
 
রোববার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চে আবেদনটি করা হয়।
 
ওই ঘটনায় সংঘটিত সহিংসতা নিয়ে একে অপরকে দোষারোপ করে সরকার ও বিরোধীদলীয় নেতাদের দেয়া বক্তব্যে ১৬১ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণেরও আবেদন জানানো হয়েছে। আদালত শুনানি শেষে সোমবার আদেশের দিন ধার্য করেছেন।
 
এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৩ অক্টোবর হাই কোর্ট রুল জারি করেন এবং অন্তর্বতীকালীন নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত শুনানির জন্য ১৪ অক্টোবর পরবর্তী দিন ধার্য রেখেছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় রোববার ইউনুস আলী সম্পূরক আবেদনটি করেন। আবেদনে ওই সব এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেয়ারও নির্দেশনা চাওয়া হয়।
 
আবেদনে বলা হয়, ক্ষমতাসীন দলের নেতারা গণমাধ্যমে বলছেন, বিএনপির স্থানীয় সংসদ সদস্য ওই অপরাধ ঘটিয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপির নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগের নেতারা এটি ঘটিয়েছেন। এ অবস্থায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় তাদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা যেতে পারে।
 
পরে ইউনুস আলী আকন্দ সাংবাদিকদের বলেন, “আজ আবেদনটি আদালতে দাখিল করা হয়েছে ও শুনানি হয়েছে।” আদালত আগামীকাল এ বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য করেছেন বলেও জানান তিনি।
 
গত ৩ অক্টোবর বুধবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এক আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সারা দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্রসচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শকে নির্দেশ দিয়েছেন হাই কোর্ট। একই সঙ্গে কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বৌদ্ধ মন্দির ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার তদন্তে সরকার গঠিত কমিটির প্রতিবেদন ১৭ অক্টোবর আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
 
একইসঙ্গে চট্টগ্রামের পটিয়া এবং কক্সবাজারের রামু, উখিয়া ও পটিয়া এলাকায় মন্দির, বাড়ি, দোকানসহ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
 
একইসঙ্গে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ দেশের সব নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
 
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনূস আলী আকন্দ ও ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়ার দাখিল করা পৃথক রিট আবেদনে বুধবার হাই কোর্টের পৃথক দুটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

৫৩.৫ ভাগ এমপি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত: টিআইবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

৫৩.৫ ভাগ এমপি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত: টিআইবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জাতীয় সংসদের ৫৩.৫ ভাগ সদস্যই বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। ২৪.১ ভাগ সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এছাড়া প্রায় সব ক্ষেত্রেই দলীয় নেতা-কর্মীদের অপরাধের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে হত্যা, সরকারি নদী, খাল, পুকুর দখল, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও প্রতারণা ইত্যাদি।

রোববার দুপুর ১২টায় ব্রাক সেন্টারে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান টিআইবি’র (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ) এক সংবাদ সম্মেলনে ‘নবম জাতীয় সংসদের সদস্যদের ইতিবাচক ও নেতিবাচক ভূমিকা পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান প্রতিবেদন পাঠ করেন।

তিনি বলেন, “২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ড ও অনিয়মের ওপর প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, “সংসদ সদস্যরা প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রভাব সৃষ্টি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব বিস্তার, উন্নয়ন বরাদ্দের অপব্যবহারসহ বিভিন্ন নেতিবাচক কাজে জড়িত, এমন তথ্য আছে।”

তবে এসব নেতিবাচক কাজ থেকে তাদের দূরে রাথতে টিআইবি কিছু সুপারিশও দিয়েছে।

টিআইবি’র সুপারিশগুলো হলো: সমস্যার কারণ বিশ্লেষণ, নেতিবাচক কাজ থেকে তাদের বিরত থাকার পরামর্শ, জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ‘আচরণ বিধি’ বিল আইনে পরিণত করা, নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া, সংসদ সদস্যদের আর্থিক তথ্য প্রকাশ, তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত ‘জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠান’ আয়োজন। এসব সুপারিশ সংসদ সদস্যদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, টিআইবির রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

Sunday, October 14, 2012

বেপরোয়া বিএসএফ, কেড়ে নিল আরেক বাংলাদেশীর প্রাণ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

বেপরোয়া বিএসএফ, কেড়ে নিল আরেক বাংলাদেশীর প্রাণ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
  দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী মণ্ডুমালা সীমান্তে তারা কেড়ে নিল আরেক বাংলাদেশী যুবকের প্রাণ। আব্দুল খালেক চোখা (৩০) নামের ওই যুবককে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুলি করে হত্যা করে বিএসএফ। নিহত খালেক বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার রত্নাই মারাধার গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।

বিজিবি সূত্র জানায়, মন্ডুমালা সীমান্তের ৩৮৩/১ এস পিলার এলাকায় ভারত ভূখণ্ডে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ১৪ বিএসএফের সোনামতি ক্যাম্পের সদস্যরা আব্দুল খালেকসহ কয়েকজন বাংলাদেশী ব্যবসায়ীকে লক্ষ করে গুলি বর্ষণ করে। এতে পাঁজরে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই খালেক মারা যান।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল তৌহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া থেকে ১০০ গজ ভেতরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে বিএসএফ’র কাছে চিঠি দিয়ে প্রতিবাদ জানানো হবে বলেও জানান বিজিবি কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বিজিবি-বিএসএফ’র সম্মেলনে বিএসএফ মহাপরিচালক সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার করলেও আগের তুলনা সীমান্ত হত্যাকাণ্ড আরো বেড়ে গেছে। বিএসএসএফ মহাপরিচালকের ঘোষণার পর ঝরে গেছে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী নাগরিকের প্রাণ। বিশিষ্ট নাগরিকরা সীমান্তের এই হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

অক্সিজেনের অভাবে ছোট হয়ে যাচ্ছে মাছ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

অক্সিজেনের অভাবে ছোট হয়ে যাচ্ছে মাছ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে সমুদ্রের পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। এ কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ মাছের গড় আকার ছোট হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

সম্প্রতি নেচার ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সমুদ্র থেকে আহরিত কড, প্লেইস, হ্যালিবাট, ফ্লাউন্ডারসহ প্রায় ৬শ’ প্রজাতির মাছের আকার ২০৫০ সালের মধ্যে ১৪ থেকে ২৪ শতাংশ কমে যাবে।

গবেষণা প্রতিবেদনটির প্রধান লেখক ও কানাডার ইউনিভার্সিটি অব বৃটিশ কলাম্বিয়ার গবেষক উইলিয়াম চেয়ং বলেন, এর ফলে প্রাকৃতিক খাদ্যচক্র এবং সারা বিশ্বে প্রোটিনের জোগানে ব্যাপক প্রভাব পড়বে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মাছের আকার যত বড় হয়, তাদের তত বেশি অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। আবার মাছের বৃদ্ধির জন্যও পর্যাপ্ত অক্সিজেন প্রয়োজন। অক্সিজেনের অভাবে এক পর্যায়ে মাছের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা ক্রমেই উষ্ণতর হতে থাকায় এতে মাছেদের বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। ফলে এ প্রজাতিটি উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর শীতল সমুদ্রে সরে যাবে।

এতে বলা হয়, ভারত মহাসাগরের মাছের আকার প্রায় ২৪, আটলান্টিক মহাসাগরে ২০ এবং প্রশান্ত মহাসাগরে ১৪ শতাংশ হ্রাস পাবে। এ তিনটির মধ্যে ভারত মহাসাগরে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় জলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।  সূত্র: রয়টার্স

বাংলাদেশে প্রতি বছর ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন আড়াই লাখ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশে প্রতি বছর ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন আড়াই লাখ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশে প্রতি বছর দুই লাখ ৫০ হাজার মানুষ ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হন৷ কিন্তু তাদের মধ্য ৩৫ হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসকের কাছে যায় না৷ সচেতনতার অভাবে তারা টোটকা চিকিৎসা করায়৷

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন ক্যানসার রোগীর সংখ্যা ১২ লাখ৷ আর এই আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে৷

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. মোয়ারফ হোসেন জানান, প্রতি ১,০০০ জনে ১৮১ জন ক্যানসার আক্রান্ত৷ প্রতিবছর নতুন করে আক্রান্ত হন দুই লাখ ৫০ হাজার মানুষ৷ কিন্তু এদের অধিকাংশই চিকিৎসকের কাছে যান না৷ ফলে প্রতিবছর দুই লাখ মানুষ বাংলাদেশে ক্যানসারে মারা যান৷

তিনি জানান, মহিলারা সবচেয়ে বেশি ভোগেন জরায়ুর ক্যানসারে৷ যেখানে উন্নত বিশ্বে ১০০ জন ক্যানসার আক্রান্ত নারীর মধ্যে তিন থেকে পাঁচ জন জরায়ুর ক্যানসারে ভোগেন, সেখানে বাংলাদেশে এই সংখ্যা ২৫ জন৷ স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবেই এমন হচ্ছে বলে তার অভিমত৷

অধ্যাপক মোয়ারফ জানান, বাংলাদেশে ক্যানসার চিকিৎসা আন্তর্জাতিক মানের৷ কিন্তু সচেতনতা এবং অর্থের অভাবে অনেকেই সেই চিকিৎসা নিতে পারেন না৷ তবে তিনি ক্যানসার চিকিৎসার জন্য আরো বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার তাগিদ দেন৷

তার মতে, শুধু চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করলেই হবে সচেতনতামূলক কর্মসূচিও নিতে হবে৷ সচেতন হলে ক্যানসার রোগীকে প্রাথমিক পর্যায়েই চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হবে৷ তখন ক্যানসারে মৃত্যুর হার কমে যাবে৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

বয়স্কদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

বয়স্কদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বয়স্ক মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্যালিয়েটিভ কেয়ারকে জাতীয় ও তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে বলে মত দিয়েছেন বাংলাদেশ প্যালিয়েটিভ অ্যান্ড সাপোর্টিভ কেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডা.  রুমানা দৌলা।

শনিবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘বিশ্ব হসপিস ও প্রশমন সেবা দিবস-২০১২’ উপলক্ষে বাংলাদেশ প্যালিয়েটিভ অ্যান্ড সাপোর্টিভ কেয়ার ফাউন্ডেশন ও রোটারি ক্লাব ঢাকা মহানগর যৌথ মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. রুমানা বলেন, “পাঁচ বছর পরে পাঁচের কম বয়সি শিশুদের চেয়ে ৬৫ বা তার বেশি বয়েসের মানুষদের সংখ্যা হবে বেশি। এ বয়স্ক লোকেরা বার্ধক্যে উপনীত হলে ক্যানসার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগে থাকেন। তাদের অনেকেই ন্যূনতম চিকিৎসাসেবা পান না।”

মানববন্ধনে বক্তারা বয়স্ক মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ঝিলেন, জাতীয় ক্যানসার হাসপাতালের সহকারী রেজিস্টার ডা. অরুনাংশু দাস, ডানকান ব্রাদার্সের পরিচালক নূরুল আলম, রোটারি ক্লাব অব ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খলিল আল জায়ার এবং ক্যাটালিস্টের বিজনেস কনসালটেন্টের প্রিন্সিপাল শ্রাবণী সরকার।

স্বতন্ত্র ফিজিওথেরাপি কাউন্সিল গঠনের দাবি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

স্বতন্ত্র ফিজিওথেরাপি কাউন্সিল গঠনের দাবি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশে ফিজিওখেরাপি পেশার বয়স ৫২ বছর হলেও এখন পর্যন্ত এর কোনো নীতিমালা হয় নাই এবং নেই কোনো স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান। তাই ফিজিওথেরাপি পেশা ও পেশাজীবীদের নিয়ন্ত্রণ এবং রোগীদের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে দ্রুততার সঙ্গে স্বতন্ত্র ফিজিওথেরাপি কাউন্সিল গঠন করে এই পেশাকে গ্রহণযোগ্য করে তোলা উচিত।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ ম্যানুয়েল থেরাপি অ্যাসোসিয়েটস ও আইকন ফিজিও আয়োজিত দেশে ফিজিওথেরাপি শিক্ষা ও শারীরিক প্রতিবন্ধি ব্যবস্থাপনা শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইইউবিএটি এর ভিসি প্রফেসর এম আলিমুল্লাহ মিয়া বলেন, “নীতিমালা না থাকায় কিছু অশিক্ষিত সুবিধাবাদি গোষ্ঠি যন্ত্রপাতি কিনে ফিজিওথেরাপির নামে প্রতারণা করছে। অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিস্ট ছাড়া বিভিন্ন অপেশাদার লোকজনকে দিয়ে রোগীদের সর্বনাশ করছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ফিজিওথেরাপির প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাবে এবং এক পর্যায় এ পেশার বিলুপ্তি ঘটতে পারে।”

তিনি আরো বলেন, “পর্যাপ্ত সংখ্যাক দক্ষ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক তৈরিতে নতুন ফিজিওথেরাপি কলেজের দ্রুত বাস্তবায়ন ও সরকারি হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিষ্ট নিয়োগ দেয়া খুবই জরুরি।

সেমিনারে অন্যান্য বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে নন কমিউনিক্যাবল ডিজিজেস, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, বাত ব্যথা ও বিভিন্ন কারণে শারীরিক প্রতিবন্ধী, বিকলাঙ্গ এবং চলাচলে অক্ষম রোগীদের সংখ্যা দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ১০% লোক এ সব কারণে প্রতিবন্ধী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
তাই ফিজিওথেরাপি পেশাটি সরকারের গুরুত্বের সাথে দেখা উচিত। কারণ স্বাস্থ্য সেবার প্রকৃত উন্নয়নে ফিজিওথেরাপির বিকল্প নেই।

ঢাকা মেডিকেলের সাবেক ফিজিওথেরাপিস্ট প্রফেসর আবুল হোসেইন এর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, কুয়েত ইউনিভার্সিটির সিনিয়র কনসালটেন্ট প্রফেসর আব্দুল মজিদ মোল্লা, এনআইটিওআর এর ফিজিওথেরাপির সাবেক প্রফেসর এমএন আলম ও আইইউবিএটি এর পরিচালক ডা.এ এস এ মাসুদ।

উপকূলে এখনো নিখোঁজ বহু মানুষ, নেই উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

উপকূলে এখনো নিখোঁজ বহু মানুষ, নেই উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোয় বৃহস্পতিবার ভোররাতে ঝড়ের আঘাতের পর এলাকায় এখনো অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা, যদিও সেখানকার প্রশাসন বলছে, গভীর সমুদ্রে থাকার কারণে মাছ ধরার ট্রলারগুলো ফিরে আসতে সময় লাগছে।

তবে স্থানীয়দের মধ্যে তাতে আশংকা কাটেনি। স্থানীয়রা সরকারি তৎপরতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করলেও কর্তৃপক্ষ বলছে, সেখানে এর মধ্যেই ত্রাণ তৎপরতা শুরু করা হয়েছে, যদিও দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে সাহায্য পৌঁছতে কিছুটা সময় লাগছে।

উপকূলীয় জেলাগুলোয় বাসিন্দাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ঝড়ের পর থেকে চট্টগ্রাম, ভোলা আর নোয়াখালী মিলে তিনশ'র বেশি জেলে নৌকা এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

সেই হিসাবে এখনো কোনোরকম খোঁজ পাওয়া যায়নি, এরকম জীবিত বা মৃত মানুষের সংখ্যা কয়েক হাজার।

ভোলায় মনপুরার সখিনা খাতুন টেলিফোনে বলেন, তার স্বামী, একটি জেলে নৌকার কর্মী, মোতাহার হোসেন ঝড়ের পর থেকেই নিখোঁজ রয়েছেন।

“হঠাৎ আসা ঝড়ে তাদের নৌকা উল্টে গেলে অন্য কর্মীরা সাঁতরে উপকূলে ফিরে আসতে পেরেছে, কিন্তু আমার স্বামীর এখনো কেো খোঁজ নেই।” বলছেন সখিনা।

মনপুরার একজন মাছ ব্যবসায়ী ফারুক উদ্দিন জানান, বুধবার ছিল সেখানে সাপ্তাহিক হাটের দিন। সে কারণে সেখানে আশেপাশের এলাকাগুলো থেকে নৌকা নিয়ে অনেক মানুষ এসেছিলেন। তাদের অনেকের এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

সরকারি হিসাবে, ঝড়ের পর এই তিনটি জেলায় মৃতের সংখ্যা আরো চারজন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭।

কিন্তু স্থানীয়রা বলছেন, প্রকৃতপক্ষে এই সংখ্যা আরো বেশি। কারণ দুর্গম এলাকায় যোগাযোগের সমস্যার কারণে অনেক জায়গায় স্থানীয়ভাবে মৃতদেহ দাফন করা হয়েছে।

তারা অভিযোগ করছেন, নিখোঁজদের সন্ধানে সরকারিভাবে কোনো উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা হয়নি।

তবে এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, নিখোঁজ বলে যেসব জেলে নৌকার কথা বলা হচ্ছে, এসব নৌকা খুব তাড়াতাড়ি ফিরে আসবে বলেই তারা আশা করছেন। কারণ গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার কারণে এসব নৌকার ফিরে আসতে সময় লাগছে।

এই ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম বলেন, নৌকা বা মানুষ নিখোঁজ রয়েছে, এরকম অভিযোগ এখনো তাদের কাছে নেই।”

তিনি বলেন, “'মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলা হলেও, আমাদের কাছে বা পুলিশের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি যে তাদের কোনো আত্মীয়কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।”

সরকারিভাবে ত্রাণ কার্যক্রম বা নিখোঁজদের উদ্ধারে তৎপরতার অভিযোগ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলছেন, গাছপালা পড়ে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে, এমনকি যাদের ত্রাণ দেয়া হবে, তারাও নিজেদের ভেঙে যাওয়া ঘরবাড়ি নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে প্রথমদিন ত্রাণ বিতরণে সেভাবে ব্যবস্থা নেয়া যায়নি।

তবে শুক্রবার থেকে সরকারি তরফে সেখানে ত্রাণ কার্যক্রম পুরোমাত্রায় শুরু করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সেখানে এখন ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে চাল, টিন আর নগদ টাকা বিতরণ শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রত্যন্ত এসব জেলায় নৌপথে চলাচল করা গেলেও, রাস্তায় রাস্তায় বড় আকারের গাছ পড়ে থাকার কারণে এখনো সড়কপথের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি। সূত্র: বিবিসি

উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময় জনসাধারণকে রক্ষায় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে সব ধরনের অবকাঠামো নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিম্নভূমির দেশ। এদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ৩৪ শতাংশ লোক বাস করে। দেশে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস বেড়ে যাওয়ার কারণে জনগণের আশ্রয়ের জন্য অধিকহারে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্র প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাই জনসাধারণকে আশ্রয় দেয়ার জন্য উপকূলীয় এলাকায় আমাদের সব ধরণের অবকাঠামো তৈরি করতে হবে।

এছাড়া তিনি দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতা বাড়াতে কিশোরী ও নারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান এবং দুর্যোগ-উত্তর পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন কর্মসূচীতে তাদের অংশ নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ হ্রাস দিবস উপলক্ষে উদ্বোধনী কর্মসূচিতে ভাষণকালে এ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, বন্যা, খরা, ভূমিক্ষয় ও লবণাক্ততার কারণে এখানকার জনগণের জীবন ও জীবিকা হুমকির মধ্যে রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের অবস্থান ভূকম্পন এলাকায় হওয়ায় এ দেশে বড়ো ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া তীব্র জনঘনত্ব, অপরিকল্পিত নগরায়ন, ত্রুটিপূর্ণ ভবন নির্মাণ হতাহতের ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এদেশে অগ্নিকাণ্ড, সড়ক ও লঞ্চ দুর্ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়, যা পরিস্থিতিকে আরো ভয়াবহ করে তুলছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী নীল ওয়াকার।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এম আসলাম আলম বক্তব্য রাখেন। সূত্র: বাসস

হালনাগাদে সারাদেশে লক্ষ্যমাত্রার ৬৮ শতাংশ ভোটার নিবন্ধিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

হালনাগাদে সারাদেশে লক্ষ্যমাত্রার ৬৮ শতাংশ ভোটার নিবন্ধিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দেশব্যাপী ভোটার তালিকা হালনাগাদে এ পর্যমত্ম ৪৭ লাখ ৫৯ হাজার ভোটার নিবন্ধন করতে সক্ষম হয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যা লক্ষ্যমাত্রার ৬৮ শতাংশ। ৭০ লাখ ভোটার নিবন্ধনের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ থেকে প্রকাশিত হাল নাগাদ কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এ হিসাব ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১২ পর্যমত্ম।

পরিকল্পনা অনুযায়ী এখন পর্যমত্ম নিবন্ধন অবশিষ্ট থাকছে ২২ লাখ ৪১ হাজার ভোটার। প্রাক্কলিত ৪৩ হাজার ৮০০ জন করে প্রতিদিন নিবন্ধনের আওতায় এলে অবশিষ্টদের তালিকাভুক্ত করতে কমিশনের আরো ৫২ দিন সময় লাগবে।

এর মাঝখানে সম্ভাব্য ছুটির পরিমাণ ১০ দিন। সারাদেশে নিবন্ধন শেষ করার সম্ভাব্য সময় ২০১২ সালের ১৫ ডিসেম্বর। এ পর্যমত্ম মোট ৩৫২টি উপজেলায় নিবন্ধন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

সম্পন্নকৃত এলাকাগুলোতে নতুন করে ভোটার নিবন্ধনের হার সাত দশমিক সাত শতাংশ। বর্তমানে আরো ৮১টি উপজেলায় হালনাগাদ কার্যক্রম চলছে।

নিবন্ধনের জন্য বাকি উপজেলার সংখ্যা ১৬৪টি। চলতি মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে আরো ৪৪টি উপজেলার কাজ শেষ হবে। এতে অমত্মত আরো সাড়ে তের লাখ ভোটার নিবন্ধিত হবে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘‘কাজ ভালভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী হালনাগাদ কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হবো আমরা।’’

যারা এখনো ভোটার হতে পারেনি তাদের সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়নি। তারাও ভোটার হতে পারবে বলে মত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার জাবেদ আলী।

এদিকে নির্বাচন কমিশন সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘‘সারাদেশে ভোটার তালিকা প্রণয়নের কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি আমরা লক্ষ্যমাত্রায় পৌছতে পারবো।’’

ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন “বিচারালয় মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। কিন্ত  মামলার দীর্ঘসূত্রতার জন্যই মানুষ অনেক সময় বিচারালয়মুখি হয় না। যার ফলে মানুষ আইনি অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

শনিবার মহানগর দায়রা জজ আদালতের জগন্নাথ-সোহেল স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা, ঢাকা জেলা কমিটি এবং ব্র্যাক মানবাধিকার ও আইন সহায়তা কর্মসূচির যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিকত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ  বলেন, “অনেকেই বলে থাকেন, একবার আদালতের দ্বারস্থ হলে সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারবো কিনা তার নিশ্চয়তা নেই। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত না হলে গণতন্ত্র কখনও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় না।”

তিনি  বলেন, দেওয়ানি মামলার মতো ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায়ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধন করা হচ্ছে। কারাগারে আটকদের ৬০-৭০ ভাগই বিচারাধীন মামলার আসামি। এটি সংশোধিত হলে ছোট ছোট ফৌজদারি অপরাধ আদালতের বাইরেও নিষ্পত্তি করা যাবে। ফলে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হবে।

এ সময় আইনমন্ত্রী আরো বলেন, “মানবাধিকার কমিশন আমরাই গঠন করেছি। কিন্তু কমিশনের কাছ থেকে আমরা আশানুরূপ ফল পাইনি। কমিশনের কাজ হলো কোথাও মানবাধিকার লংঘিত হলে তা খুঁজে বের করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রাণালয়ে সুপারিশ করা। কিন্তু আমার জানা মতে কমিশন এ পর্যন্ত কোনো সুপারিশ আমার মন্ত্রণালয়ে পাঠায়নি।”

তিনি বলেন, “তাকে (কমিশনের চেয়ারম্যান) দেখি সভা-সেমিনার ও টেলিভিশনে বিরোধী দলের নেতাদের মতো বক্তৃতা দিতে।”

ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, ব্র্যাকের হিউম্যান রাইটস্ অ্যান্ড লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস এর পরিচালক ড. ফস্টিনা পেরেরা, মহানগর দায়রা জজ মো. জহুরুল হক, ঢাকা জেলা প্রশাসক মহিবুল হক, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিকাশ কুমার সাহা, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

ডেসটিনির সঙ্গে জড়িত অসাধুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: নৌপরিবহণমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ডেসটিনির সঙ্গে জড়িত অসাধুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: নৌপরিবহণমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 নৌপরিবহণমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, “যারা ডেসটিনিকে নিয়ে অসাধু ব্যবসা করেছে, সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সেই লক্ষ্যে খুব দ্রুতই ডেসটিনি পরিচালনার জন্য প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।”
 
শনিবার সকালে মাদারীপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের র‌্যালি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
 
সরকার ডেসটিনি বন্ধের জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। বরং পরিচালনায় অনিয়ম দূর করতে সেখানে প্রশাসক নিয়োগ দিচ্ছে বলেও জানান শাজাহান খান।
 
র‌্যালি উদ্বোধনকালে নৌমন্ত্রী বলেন, “মাদারীপুরের আড়িয়াল খাঁ নদে দেড় শ’ কোটি টাকার ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করায় নৌপথের গতিপথ সমান্তরাল ও অপসারিত পলি দিয়ে নদী ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা জোরালো হবে। এতে ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুত ও সহজ হবে।”

দুর্যোগ প্রশমন দিবসের র‌্যালিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ছিদ্দিকুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নজরুল হোসেন, জনস্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী আ. রহিম খান প্রমুখ।

পরে মাদারীপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দুর্যোগ কিভাবে মোকাবেলা করা যায়, সেই বিষয় মহড়া প্রদর্শন করে। এ সময় সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।
 

কাল দুদকের মুখোমুখি হবে বিশ্বব্যাংক প্যানেল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

কাল দুদকের মুখোমুখি হবে বিশ্বব্যাংক প্যানেল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগের দুর্নীতি তদন্তে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ প্যানেলের সাথে কাজ করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) । রোববার বিশ্বব্যাংকের তিন সদস্যের প্যানেলের সাথে সকাল ১১টায় বৈঠক হবে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে। 
 
দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন , বিশ্বব্যাংকের বিশেষ প্যানেল দুই দিনের সফরে কাল ঢাকায় আসবে। আগামীকাল সকাল ১১টার দিকে তাদের সাথে দুদকের প্রথম  বৈঠক হবে বলে ।
 
পরদিন সোমবারও তাদের সাথে আবার দুদকের বৈঠক হবে বলে তিনি জানান।
 
রোববার  বিশ্বব্যাংকের প্যানেলের তিন বিশেষজ্ঞ প্রথমে বৈঠক করবেন দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান, কমিশনার (অনুসন্ধান) মো. বদিউজ্জামান ও কমিশনার (তদন্ত) মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে। এরপর বৈঠক করবেন দুদকের অনুসন্ধান দলের চার সদস্যের কমিটির সঙ্গে। অনুসন্ধান কমিটির সঙ্গে বৈঠকে শুধু অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তা ও প্যানেলের তিন সদস্য থাকবেন।
 
গোলাম রহমান আরও বলেন, বিশ্বব্যাংকের বিশেষ প্যানেলের সাথে কাজ করার বিষয়টি নিয়ে দুদকের প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ ।
 
আজ শনিবার ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও দুদকের চেয়ারম্যান, কমিশনার ও পদ্মা সেতুর অনুসন্ধানের দলের সাথে  এক বিশেষ আলোচনা করা হয়েছে।
 
পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির বিষয়ে এ পর্যন্ত দুদক মোট ৩১ জনকে জিঙ্গাসাবাদ করেছে । এই জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে যে তথ্যউপাত্ত পাওয়া গেছে  তার  প্রতিটি কাগজপত্রর  ফটোকপি বিশ্বব্যাংকের কাছে দেওয়া হবে। কারণ বিশ্বব্যাংকের কাছে তথ্যউপাত্ত অনুবাদ করে দিলে সেখানে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতে পারে। তাই মূল কাগজ বিশ্বব্যাংকের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দুদকের পক্ষ থেকে।
         
বিশ্বব্যাংকের তিন সদস্যের প্যানেলের প্রধান হলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সাবেক প্রধান আইনজীবী লুই গাব্রিয়েল মোরিনো ওকাম্পো।  অন্য দুজন হলেন টিমোথি টং এবং রিচার্ড ওন্ডারম্যান।
 
দুদক সূত্র জানায়, গত জুন মাসে পদ্মা সেতু প্রকল্পে কানাডিয়ান কোম্পানি এসএনসি-লাভালিনকে পরামর্শক হিসেবে কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ঘুষের আদান-প্রদান করা হয় বলে অভিযোগ উঠে । অভিযোগ রয়েছে, কানাডায় এসএনসি-লাভালিনে কর্মরত কর্মকর্তা রমেশ শাহ (কানাডিয়ান নাগরিক) পদ্মা সেতুর ঘুষের তালিকা তৈরি করেছেন ।
 
তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় এসএনসি-লাভালিন কর্মকর্তা রমেশ শাহ ও মো. ইসমাইল হোসেনকে গ্রেফতার করেছিল কানাডিয়ান পুলিশ। বর্তমানে তারা জামিনে মুক্ত আছেন। তাদের সঙ্গেও প্যানেলের যোগাযোগ হয়েছে বলে জানা গেছে।
 
দুদকের চার সদস্যের বিশেষ অনুসন্ধান কমিটিতে রয়েছেন সিনিয়র উপ-পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী, এএসএম আবদুল আল-জাহিদ,  গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী ও মির্জা জাহিদুল আলম। এ টিমকে সার্বিকভাবে সহায়তা করবেন মহাপরিচালক (বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত) খোন্দকার আমিনুর রহমান।

রাজধানীতে সক্রিয় নারী প্রতারকচক্র :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজধানীতে সক্রিয় নারী প্রতারকচক্র :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
  রাজধানীতে এখন নারীরাও প্রতারণার ফাঁদ পাতছেন। মুঠোফোন কিংবা সাক্ষাতে পরিচয়ের সূত্র ধরে কৌশলে অপহরণ চেষ্টা, ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায়, মারধর ও ছিনতাই করে সর্বস্ব লুটের কাজে প্রতারকচক্রের সহযোগী হয়ে তারা কাজ করছেন। প্রতারণার শিকার হয়ে অনেকেই নিঃস্ব হয়েছেন। তবে সামাজিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অনেকেই মুখ খুলছেন না।

অন্যদিকে রাজধানীতে এ ধরনের ঘটনার বিস্তৃতি ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তেমন তৎপরতাও চেখে পড়ছে না। বরং অনেকের অভিযোগ, এ ধরনের কাজের সঙ্গে তাদেরও সম্পৃক্ততা রয়েছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর কয়েকটি স্থানে এমন ঘটনা ঘটছে। নারী প্রতারকরা পান্থপথের বসুন্ধরা সিটি, হাতিরপুলের ইস্টার্ন প্লাজা, এলিফেন্ট রোডের ইস্টার্ন প্লাসের উল্টোদিক, নিকেতনের পাশে ফুয়াং ক্লাবের সামনের রাস্তা প্রতারণার প্রধান স্পট হিসেবে বেছে নিচ্ছে।

এ মাসের প্রথম দিকে এলিফ্যান্ট রোডের মাল্টিপ্লান শপিংমলের উল্টো দিকে কফি হাউস রেস্তোরাঁয় বেবী নামের এক নারীর সঙ্গে তরুণ ব্যবসায়ী ইমরানের পরিচয় হয়। বেবী বয়সে বেশ বড় হলেও দুজনেই বন্ধুত্বের সম্পর্কে আবদ্ধ হন। তবে কিছুদিন না যেতেই বেবীর সঙ্গে মহাখালী এলাকার আবাসিক একটি হোটেলে ইমরান দেখা করতে গেলে তাকে কয়েকজন যুবক মারধর করে মোবাইল ফোনসহ কয়েক হাজার টাকা কেড়ে নেয়।


গত সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী সাব্বির ঢাকায় আসেন। ঢাকার পান্থপথের এক পরিচিত শপিং সেন্টারে নতুন মোবাইল কিনতে যান। এ সময় পাশের দোকানে মোবাইল কিনতে আসা সুন্দরী এক তরুণীর ইশারায় শপিংমলের নিচে আসতেই কয়েকজন যুবক তাকে ঘিরে ধরে সর্বস্ব লুট করে নেয়। এ ব্যাপারে থানায় কোনো অভিযোগ করা হলে তাকে মেরে ফেলা হবে বলেও যুবকেরা হুমকি দেন।

এ বছরের জুন মাসে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মিঠুনের (ছদ্মনাম) মুঠোফোনে অনন্যা নামের এক তরুণীর ফোন আসে। পরিচয়ের কয়েক মাসে মুঠোফোনেই তাদের প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুজনে বিয়ের সিদ্ধান্তও নেন। এ সময় গড়ে ওঠে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তরুণীটি দুজনের একান্তে কাটানো কিছু সময়ের ছবিও তুলে রাখেন। তারপর থেকেই শুরু হয় ব্ল্যাকমেইল।

নিজেদের অনন্যার বন্ধু দাবি করে নানা সময়ে অপরিচিত মোবাইল নম্বর থেকে কিছু যুবক মিঠুনকে ফোন করে। এ সময় তারা অনন্যা ও মিঠুনের গোপন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দেবার হুমকি দেয়। মিঠুনের কাছে তারা মোটরসাইকেল এবং দুই লাখ টাকা দাবি করে। এ ঘটনার পর থেকেই অনন্যার মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। সামাজিক সম্মানের ভয়ে জুলাই-ডিসেম্বর সেশনের সেমিস্টারের ৬৭ হাজার টাকা, পালসার মোটরসাইকেল এবং নকিয়া এন৮ মোবাইল ফোনের বিনিময়ে মিঠুন তাদের সাথে ঘটনার মীমাংসা করতে বাধ্য হন।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মিঠুন বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, ‘‘সামাজিক দিক বিবেচনা করে এ ব্যাপারে কোনো থানায় লিখিত অভিযোগ করিনি। তবে আর কেউ যেন প্রতারণার শিকার না হন, সেজন্য গণমাধ্যমকে জানাচ্ছি।’’

পুলিশের কথা

এ ব্যাপারে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার আবদুল জলিল মণ্ডল বলেন, ‘‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এ জাতীয় ঘটনায় লিখিত অভিযোগ তেমন পাওয়া যায় না। তবে পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’’

র‌্যাব পরিচালক (তদন্ত) রওশন আরা এ ব্যাপারে কিছু না বলে মৃদু হেসে বলেন, ‘‘এমন ঘটনার নজির আছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না পেলে কারো ব্যাপারেই ব্যবস্থা নেয়া যায় না।’’