রাজধানীর ধানমন্ডি সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের শতাধিক ছাত্রীকে নির্যাতনের
ঘটনা তদন্তে রোববার দু’টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিদ্যালয়টির এক শিক্ষিকা
শতাধিক ছাত্রীর জামা ও চুল কেটে দিয়ে ওড়না রেখে দিলে গত শনিবারই বিকেলে এ
বিষেয় খবর দেয় বার্তা২৪ ডটনেট, এছাড়া বার্তা’র বরাতে কয়েকটি পত্রিকা রোববার
খবরটি দেয়।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকা বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের কাছের লোক হিসেবে পরিচিত হওয়ায় ছাত্রী-অভিভাবক ও অন্য শিক্ষকরা যখন মুখ খুলতে অস্বস্তিতে ছিলেন, তখন বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে খবরটি আসায় টনক নড়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।
বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পক্ষ থেকে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে।
মাউশি’র মহাপরিচালক প্রফেসর নোমান উর রশীদ বার্তা২৪ ডটনেটকে জানিয়েছেন, তিন কার্যদিবসের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে কমিটিকে। তদন্তের পর বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দেল মাহফুজা হোসাইনী জানান, বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটি দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে। প্রতিবেদনটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশিতেও জমা দেয়া হবে।
তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা ধিক্কারজনক। এতে আমি মর্মাহত।
প্রসঙ্গত, বিদ্যালয়ের নির্ধারিত পোশাক না পরার অভিযোগে বিদ্যালয়টির শিক্ষিকা মনজুরা খাতুন শতাধিক ছাত্রীদের জামা কেটে দিয়েছেন এবং অনেকের ওড়না রেখে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার দুপুর ১২ থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত এটা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন বলেছেন, ‘‘স্কুল ড্রেস পরে না আসায় ম্যাডাম ডেকে নিয়ে নিজ হাতে কাঁচি দিয়ে আমাদের গায়ের জামা ও মাথার চুল কেটে দিয়েছে। কারো কারো ওড়না রেখে দিয়েছে। কাটা জামা-চুল আর ওড়না ছাড়া আমাদের বাসায় ফিরতে হয়েছে।’’
নির্যাযিত ছাত্রীদের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘ছাত্রীদের ওপর এই ধরনের নির্যাতনের ঘটনা নজিরবিহীন। এটা সত্যিই দু:খজনক।’’
এক সঙ্গে শতাধিক ছাত্রীকে এ ধরনের নির্যাতন করার ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। শত শত ছাত্রীর অভিভাবক ঘটনার সত্যতা জানতে বিদ্যালয়ে ফোন করেছে।
অভিযুক্ত শিক্ষিকা মনজুরা খাতুনের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করতে চাইলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকা বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের কাছের লোক হিসেবে পরিচিত হওয়ায় ছাত্রী-অভিভাবক ও অন্য শিক্ষকরা যখন মুখ খুলতে অস্বস্তিতে ছিলেন, তখন বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে খবরটি আসায় টনক নড়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।
বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পক্ষ থেকে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে।
মাউশি’র মহাপরিচালক প্রফেসর নোমান উর রশীদ বার্তা২৪ ডটনেটকে জানিয়েছেন, তিন কার্যদিবসের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে কমিটিকে। তদন্তের পর বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দেল মাহফুজা হোসাইনী জানান, বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটি দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে। প্রতিবেদনটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশিতেও জমা দেয়া হবে।
তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা ধিক্কারজনক। এতে আমি মর্মাহত।
প্রসঙ্গত, বিদ্যালয়ের নির্ধারিত পোশাক না পরার অভিযোগে বিদ্যালয়টির শিক্ষিকা মনজুরা খাতুন শতাধিক ছাত্রীদের জামা কেটে দিয়েছেন এবং অনেকের ওড়না রেখে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার দুপুর ১২ থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত এটা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন বলেছেন, ‘‘স্কুল ড্রেস পরে না আসায় ম্যাডাম ডেকে নিয়ে নিজ হাতে কাঁচি দিয়ে আমাদের গায়ের জামা ও মাথার চুল কেটে দিয়েছে। কারো কারো ওড়না রেখে দিয়েছে। কাটা জামা-চুল আর ওড়না ছাড়া আমাদের বাসায় ফিরতে হয়েছে।’’
নির্যাযিত ছাত্রীদের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘ছাত্রীদের ওপর এই ধরনের নির্যাতনের ঘটনা নজিরবিহীন। এটা সত্যিই দু:খজনক।’’
এক সঙ্গে শতাধিক ছাত্রীকে এ ধরনের নির্যাতন করার ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। শত শত ছাত্রীর অভিভাবক ঘটনার সত্যতা জানতে বিদ্যালয়ে ফোন করেছে।
অভিযুক্ত শিক্ষিকা মনজুরা খাতুনের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করতে চাইলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।


















