বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ও স্বাচিপ নেতা ডা. নারায়ণ চন্দ্র
দত্ত ওরফে নিতাই হত্যায় জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশের র্যাপিড
অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। র্যাবের দাবি এদের ৩ জন হত্যা পরিকল্পনাকারী
ও তিন জন হত্যাকারী।
আটককৃতদের মধ্যে নিতাইয়ের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ড্রাইভার মো. কামরুল হাসান (২৭), তার কম্পাউন্ডার মো. তরিকুল ইসলাম (২৪) ও রিলায়েন্স মেডিকেল অ্যান্ড সার্ভিসের ম্যানেজার মো. সাইফুর রহমানকে (৩৬) পরিকল্পনাকারী এবং মো. বকুল মিয়া (২৬), মো. রফিকুল ইসলাম (২৪) ও মো. সাঈদকে হত্যাকারী সন্দেহ করছে র্যাব।
রোববার বেলা আড়াইটার দিকে র্যাব হেড কোয়ার্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় র্যাব।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব জানায়, গত ২৩ আগস্ট বক্ষব্যাধি ইনষ্টিটিউট ও হাসপালের সহকারী অধ্যাপক ও চিকিৎসক নেতা নারায়ণ চন্দ্র দত্ত ওরফে ডা. নিতাই রাজধানীর মহাখালীতে বক্ষব্যাধি হাসপাতালের ডক্টরস কোয়ার্টারের নিজ বাসায় নৃশংসভাবে খুন হন হওয়ার পর থেকেই র্যাব হত্যাকারীদের খুজে বের করার ব্যাপারে তৎপর ছিল। র্যাব-১ ও র্যাবের গোয়েন্দা শাখার দলসমূহ যৌথভাবে গোয়েন্দ তথ্য বিশেস্নষনপূর্বক হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী এবং হত্যার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ব্যক্তিদেরকের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। হত্যাকারীদের আটকের উদ্দেশ্যে অভিযান অব্যাহত রাখে।
অভিযানের একপর্যায়ে গত ১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার দিকে ডা. নারায়ণ চন্দ্রের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ও হত্যাকান্ডের অন্যতম পরিকল্পনাকারী মো. কামরুল হাসানকে (২৭) বনানী এলাকার সাততলা বস্তি থেকে আটক করে র্যাব। পরে তার দেয়া তথ্য মতে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রিলায়েন্স মেডিক্যাল অ্যান্ড সার্ভিসেসের ম্যানেজার মো. সাইফুর রহমান (৩৬) ও ডা. নিতাইয়ের কম্পাউন্ডার মো. তারিকুল ইসলামকে (২৪) আটক করে।
পরবর্তীতে হত্যাকান্ডে সরাসরি অংশগ্রহণকারী মো. বকুল মিয়া (২৬), মো. রফিকুল ইসলাম (২৪) ও মো. সাঈদকে আটক করা হয় বলে জানায় র্যাব।
র্যাব আরো জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে হত্যার পরিকল্পনাকারী রিলায়েন্স মেডিক্যাল সার্ভিসের ম্যানেজার সাইদুর রহমান ৯ থেকে ১০ মাস পূর্বে কামরুলকে ডা. নিতাইয়ের গাড়িচালক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তিতে সহায়তা করেছিল। ম্যানেজার সাইদুর, কম্পাউন্ডার তারিক এবং গাড়িচালক কামরুল নিহতের টাকা-পয়সাসহ পারিবারিক ও রাজনৈতিক সকল বিষয়ে জ্ঞাত ছিল।
র্যাবের ভাষ্যমতে, গাড়িচালক কামরুল জানায় আনুমানিক ২ মাস আগে ম্যানেজার সাইদুর ও কম্পাউন্ডার তারিক গাড়িচালক কামরুলকে ডা. নিতাইয়ের বাসায় পেশাদার খুনি বা ডাকাত পাঠানোর প্রস্তাব দেয়।
ম্যানেজার সাইদুর ও কম্পাউন্ডার তারিক ড্রাইভার কামরুলকে আরো বলে, ডাক্তারের বাসায় ১০৮ ভরি স্বর্ণালংকার ও ২০ লক্ষ নগদ টাকা আছে, এগুলো ডাকাতি করে এনে নিজেরা ভাগ বাটোয়ারা করে নিবে। পরবর্তীতে কামরুলের পরিচিত পেশাদার খুনি রফিক ও তার অন্যান্য পেশাদার খুনি বকুল, মিন্টু, হোসেন, সাঈদ ও কামালকে নিয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে এ হত্যাকান্ড ঘটায়।
আটককৃতদের ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় র্যাব।
আটককৃতদের মধ্যে নিতাইয়ের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ড্রাইভার মো. কামরুল হাসান (২৭), তার কম্পাউন্ডার মো. তরিকুল ইসলাম (২৪) ও রিলায়েন্স মেডিকেল অ্যান্ড সার্ভিসের ম্যানেজার মো. সাইফুর রহমানকে (৩৬) পরিকল্পনাকারী এবং মো. বকুল মিয়া (২৬), মো. রফিকুল ইসলাম (২৪) ও মো. সাঈদকে হত্যাকারী সন্দেহ করছে র্যাব।
রোববার বেলা আড়াইটার দিকে র্যাব হেড কোয়ার্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় র্যাব।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব জানায়, গত ২৩ আগস্ট বক্ষব্যাধি ইনষ্টিটিউট ও হাসপালের সহকারী অধ্যাপক ও চিকিৎসক নেতা নারায়ণ চন্দ্র দত্ত ওরফে ডা. নিতাই রাজধানীর মহাখালীতে বক্ষব্যাধি হাসপাতালের ডক্টরস কোয়ার্টারের নিজ বাসায় নৃশংসভাবে খুন হন হওয়ার পর থেকেই র্যাব হত্যাকারীদের খুজে বের করার ব্যাপারে তৎপর ছিল। র্যাব-১ ও র্যাবের গোয়েন্দা শাখার দলসমূহ যৌথভাবে গোয়েন্দ তথ্য বিশেস্নষনপূর্বক হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী এবং হত্যার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ব্যক্তিদেরকের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। হত্যাকারীদের আটকের উদ্দেশ্যে অভিযান অব্যাহত রাখে।
অভিযানের একপর্যায়ে গত ১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার দিকে ডা. নারায়ণ চন্দ্রের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ও হত্যাকান্ডের অন্যতম পরিকল্পনাকারী মো. কামরুল হাসানকে (২৭) বনানী এলাকার সাততলা বস্তি থেকে আটক করে র্যাব। পরে তার দেয়া তথ্য মতে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রিলায়েন্স মেডিক্যাল অ্যান্ড সার্ভিসেসের ম্যানেজার মো. সাইফুর রহমান (৩৬) ও ডা. নিতাইয়ের কম্পাউন্ডার মো. তারিকুল ইসলামকে (২৪) আটক করে।
পরবর্তীতে হত্যাকান্ডে সরাসরি অংশগ্রহণকারী মো. বকুল মিয়া (২৬), মো. রফিকুল ইসলাম (২৪) ও মো. সাঈদকে আটক করা হয় বলে জানায় র্যাব।
র্যাব আরো জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে হত্যার পরিকল্পনাকারী রিলায়েন্স মেডিক্যাল সার্ভিসের ম্যানেজার সাইদুর রহমান ৯ থেকে ১০ মাস পূর্বে কামরুলকে ডা. নিতাইয়ের গাড়িচালক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তিতে সহায়তা করেছিল। ম্যানেজার সাইদুর, কম্পাউন্ডার তারিক এবং গাড়িচালক কামরুল নিহতের টাকা-পয়সাসহ পারিবারিক ও রাজনৈতিক সকল বিষয়ে জ্ঞাত ছিল।
র্যাবের ভাষ্যমতে, গাড়িচালক কামরুল জানায় আনুমানিক ২ মাস আগে ম্যানেজার সাইদুর ও কম্পাউন্ডার তারিক গাড়িচালক কামরুলকে ডা. নিতাইয়ের বাসায় পেশাদার খুনি বা ডাকাত পাঠানোর প্রস্তাব দেয়।
ম্যানেজার সাইদুর ও কম্পাউন্ডার তারিক ড্রাইভার কামরুলকে আরো বলে, ডাক্তারের বাসায় ১০৮ ভরি স্বর্ণালংকার ও ২০ লক্ষ নগদ টাকা আছে, এগুলো ডাকাতি করে এনে নিজেরা ভাগ বাটোয়ারা করে নিবে। পরবর্তীতে কামরুলের পরিচিত পেশাদার খুনি রফিক ও তার অন্যান্য পেশাদার খুনি বকুল, মিন্টু, হোসেন, সাঈদ ও কামালকে নিয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে এ হত্যাকান্ড ঘটায়।
আটককৃতদের ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় র্যাব।

No comments:
Post a Comment