হাসপাতালের প্রধান হিসাব রক্ষক কর্মকর্তাকে ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায়
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ৪৬ জন নার্স চার মাস ধরে বেতন
পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। গত ঈদুল ফিতরের আগে হাসপাতালটির পরিচালক ড.
একেএম মুজিবুর রহমান বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেছিলেন যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং
ঈদের আগেই বেতন হয়ে যাবার কথা। কিন্তু ঈদের ছুটির পর রোববার পর্যন্ত বেতন
হয়নি তাদের।
হাসপাতালটির ৪৬ জন স্টাফ নার্স তাদের জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসের বেতন পাননি। হাসপাতাসের হিসাব সংরক্ষণ কর্মকর্তা কাজী মুরাদ হোসেন নার্সদের বেতনসংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্ব পালন করেন। বেতন সমস্যার সমাধান করে দেবেন বলে তিনি নার্সপ্রতি ৬০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছেন।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এ নিয়ে নার্সদের মধ্যে আলোচনা হয়। কেউ কেউ বাড়তি ঝামেলা এড়াতে ঘুষ দিতে রাজিও হন। তবে সবাই ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় বাকিরা এ ব্যাপারে পিছিয়ে যান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্টাফ নার্স বার্তা২৪ ডটনেটের কাছে এমন অভিযোগ করেছেন।
নার্সরা অভিযোগ করে বলেন, মুরাদ সাহেব স্টাফ নার্সদের বেতনের নথি সময় মতো মহাহিসাব নিরীক্ষকের অফিসে পাঠায়নি। তাই আমরা বেতন পাচ্ছেন না। ঈদেও বেতনবিহীন অবস্থায় নানা দুর্ভোগের মধ্যে পালন করতে বাধ্য হয়েছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নার্স দাবি করেন, বেতনের ব্যাপারে কাউকে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। যদি কেউ জানতে পারে নার্সরা তাদের দুঃখের কথা কাউকে বলেছেন, তাহলে নানাভাবে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হবে। এমন অনেক নজির হাসপাতালে আছে বলেও তারা জানান।
হাসপাতালের হিসাবরক্ষন শাখার ঊর্ধমান সহকারী ইকবাল হোসেন বলেন, “হাসপাতালে ৪৬ জন স্টাফ নার্স আছেন। তাদের চাকরি অস্থায়ী। তারা জুন মাস থেকে বেতন পান না। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ ছাড়া তারা বেতন পাবেন না।’’
ঈদের আগে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেছিলেন, এ কথা স্মরণ করিয়ে দিলে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক ড. একেএম মুজিবুর রহমান রোববার আবারো বললেন, ‘‘নার্সদের বেতন কেন হয় না তা জানতে অফিসে আসুন।’’
হাসপাতালটির ৪৬ জন স্টাফ নার্স তাদের জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসের বেতন পাননি। হাসপাতাসের হিসাব সংরক্ষণ কর্মকর্তা কাজী মুরাদ হোসেন নার্সদের বেতনসংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্ব পালন করেন। বেতন সমস্যার সমাধান করে দেবেন বলে তিনি নার্সপ্রতি ৬০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছেন।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এ নিয়ে নার্সদের মধ্যে আলোচনা হয়। কেউ কেউ বাড়তি ঝামেলা এড়াতে ঘুষ দিতে রাজিও হন। তবে সবাই ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় বাকিরা এ ব্যাপারে পিছিয়ে যান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্টাফ নার্স বার্তা২৪ ডটনেটের কাছে এমন অভিযোগ করেছেন।
নার্সরা অভিযোগ করে বলেন, মুরাদ সাহেব স্টাফ নার্সদের বেতনের নথি সময় মতো মহাহিসাব নিরীক্ষকের অফিসে পাঠায়নি। তাই আমরা বেতন পাচ্ছেন না। ঈদেও বেতনবিহীন অবস্থায় নানা দুর্ভোগের মধ্যে পালন করতে বাধ্য হয়েছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নার্স দাবি করেন, বেতনের ব্যাপারে কাউকে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। যদি কেউ জানতে পারে নার্সরা তাদের দুঃখের কথা কাউকে বলেছেন, তাহলে নানাভাবে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হবে। এমন অনেক নজির হাসপাতালে আছে বলেও তারা জানান।
হাসপাতালের হিসাবরক্ষন শাখার ঊর্ধমান সহকারী ইকবাল হোসেন বলেন, “হাসপাতালে ৪৬ জন স্টাফ নার্স আছেন। তাদের চাকরি অস্থায়ী। তারা জুন মাস থেকে বেতন পান না। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ ছাড়া তারা বেতন পাবেন না।’’
ঈদের আগে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেছিলেন, এ কথা স্মরণ করিয়ে দিলে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক ড. একেএম মুজিবুর রহমান রোববার আবারো বললেন, ‘‘নার্সদের বেতন কেন হয় না তা জানতে অফিসে আসুন।’’

No comments:
Post a Comment