নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো বিষয়ে সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়ে তেল গ্যাস
বিদ্যুৎ বন্দর ও খনিজ সম্পদ রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু
মুহাম্মদ বলেছেন, “৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্ধিত বিদ্যুতের দাম প্রত্যাহার
করা না হলে আগামী সপ্তাহে জালানি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি
কমিশন (বিইআরসি) ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।”
রোববার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে তিনি এই আল্টিমেটাম দেন। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সংগঠনটি এই সমাবেশের আয়োজন করে।
আনু মুহাম্মদ বলেন, “৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্ধিত বিদ্যুতের দাম প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে অতীতে যত বার বিদুত্যের দাম বাড়ান হয়েছে তা এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়কে পুনঃ বিবেচনা করতে হবে। তা না হলে কঠোর আন্দোলন ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।”
কনকো ফিলিপসের সঙ্গে সরকারের করা চুক্তি বাতিল করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “বহুজাতিক কোম্পানিগুলো মাথার ওপর বসিয়ে না রাখা হলে এবং প্রভাবমুক্ত করা গেলে নিজেদের সম্পদ দিয়েই সমস্যা মেটানো সম্ভব।”
তিনি বলেন, “রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সুষ্ঠু পরিকল্পনায় আনা এবং মেরামত করা হলে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। তা না করার করণে ২ টাকার বিদ্যুৎ কুইক রেন্টালের মাধ্যমে ১৫ টাকায় জনগণকে কিনতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে বিদ্যুতের দাম আরো বাড়বে।’’
এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এখন তামাশা ও প্রহসনে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে আনু মুহাম্মদ বলেন, “এই কমিশন তামাশা ও প্রহসন ছাড়া আর কিছুই না। সরকার সিদ্ধান্ত নিলেই তারা গণআদালতে শুনানি করে। আর সুযোগ না থাকলে শুনানি ছাড়াই দাম বাড়িয়ে দেয়। এই কমিশনের কোনো প্রয়োজন নেই।”
বিইআরসি’র কর্মকর্তাদের পেছনে রাষ্ট্রীয় অর্থ খরচ না করে সেই অর্থে দু’জন ভূ-তাত্ত্বিক প্রকৌশলীকে বাপেক্সে নিয়োগ দিলে বিদ্যুতের আরো উন্নতি সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।
‘বাপেক্সকে ঠিক মতো কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না’ এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘‘বাপেক্সকে কাজের সুযোগ দেয়া হলে উত্তলিত গ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধান করা যাবে। এ ছাড়াও উত্তলিত কয়লা বিদুৎ উৎপাদনে কাজে লাগাতে হবে।’’
সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা রাগিব হাসান মুন্নু, সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, জোনায়েদ সাকি, মোস্তফা মিশু।
রোববার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে তিনি এই আল্টিমেটাম দেন। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সংগঠনটি এই সমাবেশের আয়োজন করে।
আনু মুহাম্মদ বলেন, “৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্ধিত বিদ্যুতের দাম প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে অতীতে যত বার বিদুত্যের দাম বাড়ান হয়েছে তা এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়কে পুনঃ বিবেচনা করতে হবে। তা না হলে কঠোর আন্দোলন ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।”
কনকো ফিলিপসের সঙ্গে সরকারের করা চুক্তি বাতিল করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “বহুজাতিক কোম্পানিগুলো মাথার ওপর বসিয়ে না রাখা হলে এবং প্রভাবমুক্ত করা গেলে নিজেদের সম্পদ দিয়েই সমস্যা মেটানো সম্ভব।”
তিনি বলেন, “রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সুষ্ঠু পরিকল্পনায় আনা এবং মেরামত করা হলে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। তা না করার করণে ২ টাকার বিদ্যুৎ কুইক রেন্টালের মাধ্যমে ১৫ টাকায় জনগণকে কিনতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে বিদ্যুতের দাম আরো বাড়বে।’’
এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এখন তামাশা ও প্রহসনে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে আনু মুহাম্মদ বলেন, “এই কমিশন তামাশা ও প্রহসন ছাড়া আর কিছুই না। সরকার সিদ্ধান্ত নিলেই তারা গণআদালতে শুনানি করে। আর সুযোগ না থাকলে শুনানি ছাড়াই দাম বাড়িয়ে দেয়। এই কমিশনের কোনো প্রয়োজন নেই।”
বিইআরসি’র কর্মকর্তাদের পেছনে রাষ্ট্রীয় অর্থ খরচ না করে সেই অর্থে দু’জন ভূ-তাত্ত্বিক প্রকৌশলীকে বাপেক্সে নিয়োগ দিলে বিদ্যুতের আরো উন্নতি সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।
‘বাপেক্সকে ঠিক মতো কাজ করতে দেয়া হচ্ছে না’ এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘‘বাপেক্সকে কাজের সুযোগ দেয়া হলে উত্তলিত গ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধান করা যাবে। এ ছাড়াও উত্তলিত কয়লা বিদুৎ উৎপাদনে কাজে লাগাতে হবে।’’
সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা রাগিব হাসান মুন্নু, সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, জোনায়েদ সাকি, মোস্তফা মিশু।

No comments:
Post a Comment