Pages

Tuesday, September 4, 2012

নিজের জন্য ট্রাক কিনলেন আরনল্ড সোয়ার্জনেগার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

নিজের জন্য ট্রাক কিনলেন আরনল্ড সোয়ার্জনেগার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 প্রত্যেকটা মানুষের ভেতরেই থাকে বাহারি রঙের শখ। শখের তোলা নাকি লাখ টাকা। টাকার হিসেবে শখকে অবমূল্যায়িত করা কখনো ঠিক নয়। কারণ জীবনের নানাধাপে শখ পরিবর্তিত হয় কিন্তু তাই বলে প্রত্যেকটা সময়ের আবেদন তো ফেলনা নয়। সাবেক অলিম্পিয়া বডি বিল্ডার চ্যাম্পিয়ন হলিউড অভিনেতা আরনল্ড সোয়ার্জনেগার বিষয়টা বুঝিয়ে দিলেন। সম্প্রতি তিনি কিনেছেন একটি মনস্টার সাইজের ট্রাক। দাম আড়াই লাখ ডলার।
 
দুদিন আগে সান্তা মনিকায় ট্রাক চালনারত অবস্থায় দেখা গেল ক্যালিফোর্নিয়ার সাবেক গভর্নর সোয়ার্জনেগারকে। ‘মার্সিডিস বেঞ্জ ইউনিমগ ইন সিলভার’ গাড়িটি সাধারণত আর্মিদের ব্যবহার করতে দেখা যায়। প্রচণ্ড শক্তিশালী এই গাড়িটিকে জঙ্গলে দাবানল নেভানোর কাজে, ভয়ঙ্কর সব উদ্ধার তৎপরতা চালাতে অথবা পাওয়ার সাপ্লাই লাইনের কাজে ব্যবহার করা হয়। আর এই গাড়িটিকেই কিনা আর্নি ব্যবহার করছেন চলতে ফিরতে রাস্তায়! ওহ আচ্ছা! আরনন্ড সোয়ার্জনেগারকে সবাই ভালবেসে আর্নি বলে ডাকে।
 
যাই হোক! টার্মিনেটর, দ্য এক্সপেনডেবল টু- খ্যাত অভিনেতা আর্নির গাড়িটি কিন্তু ইর্ষা জাগানোর মতোই। তবে মেয়ে ভক্তরা তো ভীষণ খুশি।
 
এদিকে কথা উঠেছে আর্নি আর আগের মতো বডি বিল্ডিংয়ে মন দিচ্ছেন না। আর্নি বলেন, ‘বুড়িয়ে যাওয়াটা সবার জন্যেই বেশ বিপত্তির, শরীরের কার্যক্ষমতা কমে যায়, মাসল আর আগের মতো কথা শুনে না, ফাইটিং দৃশ্যগুলোর সঙ্গে তাল মেলানো কঠিন হয়ে যায়। তাতে কি! কিছু যায় আসে না। এই আছি বেশ।’ সূত্র: এনডিটিভি

আজ থেকে নতুন ধারাবাহিক ‘কাগজের বাড়ি’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

আজ থেকে নতুন ধারাবাহিক ‘কাগজের বাড়ি’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 অরুণ চৌধুরী’র রচনা ও পরিচালনায় ‘কাগজের বাড়ি’ নাটকে অভিনয় করেছেন- রাইসুল ইসলাম আসাদ, সূবর্ণা মুস্তাফা, তারিন জাহান, সাব্বির হাসান, মেহরিন নিসা, নয়ন হোসেন, তিনু করিম, এলিন প্রমুখ। সোমবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন এই ধারাবাহিকটি।
 
কাহিনী সংক্ষেপ: এক ক্ষয়িষ্ণু জমিদার বাড়ির গল্প। পূর্ব পুরুষ থেকে প্রাপ্ত এক বিশাল জমিদার বাড়ি। বেশকিছু জমিজমা, অলংকার ছাড়া রাইসুল ইসলাম আসাদ সাহেবদের অবশিষ্ট আর কিছুই নেই। সম্পদ, অর্থ-বিত্তের দিকে তার তেমন মনযোগও নেই। সারাদিন তিনি বাড়ির বিশাল লাইব্রেরিতে পড়ে থাকেন। আসাদ সাহেবের স্ত্রী সূবর্ণা। তাদের একমাত্র কন্যা মেহরিন।
 
পরিবারের সবাইকে নিয়ে মোটামুটি সুখেই কাটছিল। এক সকালে গ্রাম থেকে উন্নত শিক্ষার জন্য এই বাড়িতে এসে উপস্থিত হন সূবর্ণার খালাম্মার মেয়ে তারিন। কিন্তু তারিনের উপস্থিতি এই বাড়িতে ডেকে আনলো নতুন জটিলতা। গল্পের একপর্যায়ে তারিন অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই বাড়িতে অসুস্থ তারিনের চিকিৎসা চললো, বড় ডাক্তার দেখানো শুরু হলো। শুরু হলো নতুন কাহিনী।
 
এনটিভিতে আজ রাত ৮.১৫ মিনিটে প্রচার হবে নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘কাগজের বাড়ি’। নাটকটি প্রতি সপ্তাহের সোম ও মঙ্গলবার প্রচার হবে।

অস্কার বাছাই কমিটিতে চলচ্চিত্র জমার শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

অস্কার বাছাই কমিটিতে চলচ্চিত্র জমার শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 প্রতি বছরের মতো এবারো ৮৫তম অস্কার বিদেশী ভাষা বিভাগে প্রতিযোগিতার জন্য বাংলাদেশের ছবি মনোনয়নের জন্য বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ প্রযোজকদের কাছে চলচ্চিত্র আহ্বান করেছে।

বিএফএফএস’র সভাপতি চলচ্চিত্র প্রযোজক হাবিবুর রহমান খানকে চেয়ারম্যান সদস্য করে মোট নয় সদস্যের ‘৮৫ তম অস্কার বাংলাদেশ কমিটি’ গঠন করেছে বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ।

কমিটির সদস্যরা হলেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু; বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি কে. এম. আর. মঞ্জুর; বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সাবেক মহাসচিব শাহ আলম কিরণ; বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতি মিজ্ আরিফা জামান মৌসুমী; বাংলাদেশ চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থার  সভাপতি আবদুল লতিফ বাচ্চু; বাংলাদেশ ফিল্ম এডিটরস গিল্ড’র সভাপতি আবু মুসা দেবু; বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ড’র সদস্য নাসিরুদ্দিন দিলু; বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিশিষ্ট চলচ্চিত্র সমালোচক এবং চলচ্চিত্র পরিচালক সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী।

৮৫ তম অস্কার বাংলাদেশ কমিটি ও চলচ্চিত্র জমাদান প্রক্রিয়ায় সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করছে বি.এফ.এফ.এস -এর সাধারণ সম্পাদক শিহাব আহমেদ সিরাজী এবং মিডিয়া কর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে বি.এফ.এফ.এস -এর যুগ্ম সম্পাদক রাজীব আহসান। আগ্রহী প্রযোজকদেরকে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১২ বিকাল ৫টার মধ্যে বিএফএফএস কার্যালয় (ঠিকানা: ইস্টার্ন কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, রুম: ৭/৯, ৭৩, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০) -এ অস্কারের নিয়মাবলী অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রসহ ফরম পূরণ করে চলচ্চিত্র জমা দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। আবেদন ফরম ও নিয়মাবলীর সকল কাগজপত্র বিএফএফএস কার্যালয়ে পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার জন্য চলচ্চিত্রটিকে নূন্যতম যে সব শর্ত পূরণ করতে হবে তা হলো:
১. চলচ্চিত্রটি ১ অক্টোবর ২০১১ হতে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১২ এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে ধারাবাহিকভাবে নূন্যতম সাতদিন প্রদর্শিত হতে হবে।

২. চলচ্চিত্রটির প্রথম প্রদর্শন কোনোভাবেই কোনো টেলিভিশন চ্যানেল কিংবা অনলাইনে হওয়া চলবে না।

৩. অবশ্যই চলচ্চিত্রটির ইংরেজি সাবটাইটেল থাকতে হবে।

আহা! হাতের কাছে পথের খাবার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

আহা! হাতের কাছে পথের খাবার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 হাতের কাছে যদি পাওয়া যায় মনমতো পথের খাবার, তাহলে কেমন হয় বলুনতো! ভোজনরসিকদের জন্য সুখবরই বটে! চলতে ফিরতে হরদম পেটপূজা, আহা কি মজা! শুধু ভোজনরসিক মানুষদের ক্ষেত্রেই নয়, আকর্ষণীয় খাবারের প্রতি সবারই আছে দুর্বার আগ্রহ। আগ্রহকে আরো দুর্দমনীয় করতে ‘হাতের কাছে পথের খাবার’ অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে চ্যানেল-নাইন এ প্রতি সোমবার রাত ০৯.২৫। শহরের অলি গলির মজাদার খাবার এই অনুষ্ঠানে দেখানো হয়।
 
কাজের প্রয়োজনে কোনো না কোনো সময় আমাদের প্রত্যেককেই বাড়ির বাহির হতে হয়। ব্যবসা কিংবা চাকরিসূত্রে যেখানেই কাজ করি না কেন হয়তো দেখা যাবে আমাদের আশেপাশেই আছে রসনাবিলাসের কোনো চটকদার উপাদান। খুব আহামরি কিছু হয়তো না আবার দামও বেশি না কিন্তু স্বাদের দিক দিয়ে সেটা বিখ্যাত হয়ে গেছে। এই বিষয়টিকে তুলে আনা হয়েছে ‘হাতের কাছে পথের খাবার’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।
 
অনেকেই কোথাও বেড়াতে গেলে সেই অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য কোনো খাবারের খোঁজ করেন। যদি আগে থেকেই সেসব খাবারের কথা জানা থাকে তবে কার না ভালো লাগবে!  আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জনপ্রিয় অভিনেতা যিনি ভোজনরসিক মানুষ হিসেবে পরিচিত, সেই তুষার খান উপস্থাপনা করছেন হাতের কাছে পথের খাবার অনুষ্ঠানটি। বাংলাদেশের বিভিন্ন সুপরিচিত ও জনপ্রিয় খাবার মানুষের মধ্যে আরো আর্কষণীয় করে প্রচার করাই এই অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে।

বিগ বি-র দাড়ি ধরে টানল ছোট্ট আরাধ্যা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিগ বি-র দাড়ি ধরে টানল ছোট্ট আরাধ্যা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 ভারতীয়দের কাছে তিনি শাহেনশা। গুরুগম্ভীর কন্ঠস্বর, ৬ ফুট উচ্চতায় অসাধারণ ব্যক্তিত্বের মানুষটিকে শ্রদ্ধা করার পাশাপাশি ভয়ে এড়িয়েও চলেন অনেকেই। আর এহেন একজন মানুষের নাকি একেবারে দাড়ি ধরে টান মারল একরত্তি এক মেয়ে! কে সে? আর কেউ নয়, বিগ বির ৯ মাসের আদরের নাতনি ম্যাডাম আরাধ্যা বচ্চন।

চলতি সপ্তাহেই শুরু হতে চলেছে `কউন বনেগা ক্রোড়পতি সিজন ৬`। তারই লঞ্চ উপলক্ষে দিল্লির এক দৈনিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে পুঁচকে আরাধ্যার এই নতুন দুষ্টুমির কথা জানালেন উল্লসিত দাদা। নিজের লাডলি নাতনি সম্বন্ধে বললেন, “আরাধ্যা এখনও কথা বলতে পারে না। তবে আমার দাড়ি ধরে টানে। দাড়িওলা এই বুড়ো মানুষটা যে স্পেশ্যাল সেটা আরাধ্য বোঝে।”

আরাধ্যার সঙ্গে নিজের অদ্ভুত মিলের কথাও এদিন মিডিয়ার সঙ্গে ভাগ করে নিলেন বিগ বি। ঠিক তার হাই প্রোফাইল দাদুর মতোই নাকি আরাধ্যাও সুপার এনার্জিটিক। শেষরাত পর্যন্ত খেলায়, দুষ্টুমিতে মেতে থাকে আরাধ্যা। আর তাই অগত্যা অভি-অ্যাশকেও প্রায় সারা রাত জেগেই কাটাতে হয়। সূত্র: জিনিউজ।

কলকাতাজুড়ে ডেঙ্গু আতঙ্ক :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

কলকাতাজুড়ে ডেঙ্গু আতঙ্ক :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

 ভারতের পশ্চিবঙ্গের রাজধানী কলকাতাজুড়ে চরম ডেঙ্গু আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে শহরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা তিন দেখানো হলেও বেসরকারি হিসাব বলছে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা ১০ ছাড়িয়ে গেছে। কলকাতার পাশাপাশি একই ছবি জেলাগুলিতেও৷ সরকারি, বেসরকারি হাসপাতালে তাই এখন রোগীদের ব্যাপক ভিড়৷
 
জানা যায়, শনিবারও শহরের বিসি রায় হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক শিশুর। এছাড়া রোববার শহরের চিত্তরঞ্জন শিশু হাসপাতালে, ড্যানিয়েল জন গোমস নামে ইকবালপুরের বাসিন্দা ও চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে৷
 
সরকারি হিসাবে রাজ্যে এই মুহূর্তে ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা শুধু কলকাতাতেই এনএস ওয়ান এবং ম্যাক অ্যালাইজা প্রায় ১৬০০জন৷ এছাড়া পুরো রাজ্যে এর সংখ্যা ২৪০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
 
এদিকে ডেঙ্গুর এমন বিস্তারে সরকারের ভূমিকায় বিভ্রান্তি বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছে রাজ্যের বিভিন্ন পত্রিকা। বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠছে, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃতের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ করছে না সরকার৷ যদিও সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷
 
পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, সমস্ত তথ্য তারা ওয়েবসাইটে প্রতিদিন প্রকাশ করছে৷ যদিও বিভিন্ন মহলের অভিযোগ, স্বাস্থ্য দফতরের ওয়েবসাইটটি প্রায় সপ্তাহখানেক ধরেই খোলা যাচ্ছে না৷ সূত্র: আনন্দবাজার

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ৮ অস্বাভাবিক মৃত্যু :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ৮ অস্বাভাবিক মৃত্যু :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় কয়েদিসহ আট জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে পল্লবি এলাকার রেনেটা হাউজের লিফট ছিড়ে ফারুক (৩৬) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। তার লাশ উদ্ধার ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

সোমবার সকালে ওয়ারী থানা এলাকায় রাজধানী সুপার মার্কেট পাশে করাত মিলের পানির ট্যাংক পরিস্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে মনিরুল নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

একই দিন সকালে বনানী এলাকার দুই নম্বর সড়কের একটি ছয়তলা ভবনের ছাদ থেকে পরে অজ্ঞাত শিশু (১০) এর মৃত্যু হয়। লাশ উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ভাটারা থানা এলাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বি ব্লকের ছয় নম্বর সড়কের একটি বাসার ছাদ থেকে পরে জিহাদী নামের ১৪ বছরের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে আদাবর এলাকায় মাহী রহমান নামের এক গৃহবধুর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তার স্বামীর নাম রিয়াদ রহমান। সকাল আটটার দিকে ছয় নম্বর সড়কের ৬০১ নম্বর বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।

এদিকে শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায় সড়ক দূঘটনায় অজ্ঞাত পুরুষ (৩৫) এর মৃত্যু হয়েছে। তার পরনে ছিল চেক লুঙ্গি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

অপর দিকে রোববার রাতে জুলি ওরফে জুই (৫০) নামের এক কয়েদির ঢামেক হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। তিনি একটি অপহরণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত কয়েদি।  তিনি অসুস্থ হয়ে ২৪ আগস্ট থেকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

সকালে কদমতলী এলাকার মোমিনবাগ থেকে ফিরোজা বেগম (৪৫) নামের এক জনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে মিডফোর্ট হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। তিনি মানসিক প্রতিবন্ধি ছিলেন।
 

ক্ষুদ্র ঋণে ঋণী তিন নারী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ক্ষুদ্র ঋণে ঋণী তিন নারী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 নোবেল জয়ী ড. মোহাম্মদ ইউনুসের কথা বলতেই গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের সুবিদাভোগী সালেহা-রোজিনা-তাহসিনা কাঁদলেন। বললেন, তিনি  তো আমাদের জন্মদাতা পিতার চেয়ে বেশি কিছু। তিনি গ্রামীণ ব্যাংকে নেই এজন্য আমরা উদ্বিগ্ন ও হতাশ।

বৃহষ্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক প্রতিবাদ সভায় সিরাজগঞ্জ, ময়মনসিংহ, গাজিপুর, চট্টগ্রামসহ সারা দেশ  থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যরা এসেছিলেন তাদের মনের অনুভুতি ও আকুতি জানাতে। এদের মধ্যে সালেহা-রোজিনা ও তাহসিনার কথা হয় বার্তা২৪ ডটনেট’র সংগে।

তারা সকলেই  বললেন, গ্রামীণ ব্যাংক আমাদের শুধু ঋণ দেয়নি। সুখ-শান্তিতে নিশ্চিন্তে বেঁচে থাকার জন্য জীবনের একটি গাইড লাইনও দিয়েছে। সে অনুযায়ী আমরা আমাদের দারিদ্র্যতা তাড়িয়েছি এবং সংসারে  স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে এনেছি। ছেলে-মেয়েরা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারছে। আমাদের সন্তানেরা  উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখছে।

তারা কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমাদের যখন ভিক্ষার ঝুলি হাতে নেয়ার মতো অবস্থা সহায়-সম্বল ছিল না, তখন গ্রামীণ ব্যাংক আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। ঋণ সহায়তা দিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। তাতে সংসার ভালই চলছে। সম্পদ বাড়ছে। তিন বেলা খেতে পারছি। শিশু সন্তানরা পুষ্টিহীনতায় ভুগছে না।  গ্রামীণ ব্যাংকের উচ্চ শিক্ষ ঋণে কেউ কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। ছাত্র অবস্থায় এই ঋণের টাকার কোনো সুদ দিতে হবে না। এমন ‘বান্ধব’ আমরা কোথায় পাবো। একজন পিতা দুইটি সন্তানকে খেতে দিতে পারে না। আর ড. ইউনুস ৮৪ লাখ গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যকে অন্তত দুইবেলা খাওয়া পড়ার ব্যবস্থা করেছেন। সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমরা মনে করি ড. ইউনুস আমাদের জন্মদাতা পিতার চেয়ে বেশি কিছু। তার বিরুদ্ধে যে যত কথাই বলুক আমরা তা এখন আর বিশ্বাস করি না।

গাজীপুর জেলার চৌরাস্তা পোতাদিয়া গ্রামের  সালেহা বেগম বলেন, ‘‘১৯৮৮ সালে দেড় হাজার টাকা ঋণ নেই গ্রামীণ ব্যাংক থেকে। আমার স্বামী ভাড়ায় রিকসা চালাতেন। দৈনিক যা আয় হতো ভাড়ার টাকা মিটিয়ে তাতে সংসার চলতো না। প্রথম ঋণের টাকা দিয়ে আমার স্বামীকে একটা রিকশা কিনে দেই। এ টাকা পরিশোধ করার পর গ্রামীণ ব্যাংক থেকে আবার ঋণ নিয়ে ব্যাবসা শুরু করলাম। স্বামীকে আর  রিকসা  চালাতে দেইনি। এভাবে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে থাকলে আমাকে বেশি টাকা ঋণ দিতে থাকে। এদিয়ে আমি আর আমার স্বামী ব্যাবসা করি। পর্যায়ক্রমে আমাদের ব্যাবসা সম্প্রসারণ হতে থাকে। এখন আমাদের   গাজীপুর চৌরাস্তায় দু’টি দোকান আর একটি নিজস্ব ট্রাক আছে। এতে আমার সংসারের সকলের কর্মসংস্থান হয়েছে। এছাড়া আরো ১২ জন বেতন ভূক্ত কর্মচারি রয়েছে। ’’

সালেহা বলেন, “আমার তিন ছেলে। অভাবের তাড়নায় ছেলেদের বেশি লেখাপড়া করাতে পারিনি। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে যদি আমি ঋণ না  পেতাম তাহলে আমার ছেলেদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হতো না। সমাজে এরা হয়তো চোর ডাকাত বা সন্ত্রাসী হতো। আমি হয়তো বাসা-বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করতাম। দুঃখ যন্ত্রণার জীবন বয়ে বেড়াতাম।

তিনি বলেন, আমার মতো এই গাজীপুরে তিন হাজার মহিলা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন। চার হাজার ঋণ গ্রহীতা রয়েছে।

সিরাজগঞ্জ জেলার রাউতারা গ্রামের রোজিনা বেগম বলেন, ‘‘আজ থেকে চব্বিশ বছর আগে আমি ছিলাম হত দরিদ্র। দিনে এক বেলা খাবার জুটত না।  স্বামী কৃষিকাজ করতেন। সংসারে অভাব-অনটন লেগেই ছিল। নুন আনতে পানতা ফুরানোর অবস্থা। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে প্রথমে দুই হাজার টাকা ঋণ নেই। সেই টাকা দিয়ে ধান-চালের ব্যাবসা শুরু করি। এরপর দ্বিতীয় কিস্তিতে চার হাজার টাকা নিলাম । এভাবে আমি ঋণ নিতে থাকি। আর ব্যাবসায় আস্তে আস্তে উন্নতি হতে থাকে। এর পর  আমাকে পিছনে ফিরে থাকাতে হয়নি।"

রোজিনা বলেন, আমার দুই ছেলে। বড় ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাকাউন্টিংয়ে অনার্স শেষ বর্ষে পড়ছে।  ছোট ছেলেও তেজগাও  কলেজে  অনার্স পড়ে। আমার দুই ছেলের পড়াশুনা করাতে পারতাম না যদি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সূদবিহিন উচ্চ শিক্ষ ঋণ না  পেতাম।

তিনি বলেন, এক সময় আমার দিকে কেউ ফিরেও তাকাতো না। আজ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি থেকে সাধারণ মানুষ সবাই আমার কাছে আসে পরামর্শ এবং সহযোগিতা নেয়ার জন্য। আমাদের এলাকায়  পাঁচ হাজার মহিলা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছে।

ময়মনসিংহ জেলার চোকাইতলা গ্রামের তাহসিনা খাতুন বলেন, “আমি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ২০০৫ সালে সাড়ে পাচঁ হাজার টাকা ঋণ নেই। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার আগে আমি সোনালী ব্যাংকে যাই ঋণ নেয়ার জন্য। কিন্তু আমাদের মতো গরিব মানুষের এই সব ব্যাংকর শর্তপূরণ সম্ভব নয়। ঋণ পাওয়াটা ছিল আমাদের জন্য খুবই কঠিন। আমাকে ব্যাংক থেকে বললো বাড়ির দলিল ও জামিনদার দিতে হবে। এছাড়া  আরো কত ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হবে। শেষ পর্যন্ত আর ঋণ নেয়া হলো না। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে খুব সহজে ঋণ পেলাম। এই টাকা তুলে আমার স্বামীর ফার্মেসি  ব্যাবসায় বিনিয়োগ করি। বর্তমানে আমি সাড়ে তিন লাখ টাকা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে  ঋণ নিয়েছি।”

তাসসিনা বলেন, আমার দুই মেয়ে এক ছেলে। বড় মেয়ে ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন কলেজে অর্নাস ৩য় বর্ষে পড়ছে। ছোট মেয়ে মাওলানা ভাসানী প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের ১ম বর্ষে পড়ছে। পড়াশুনা করাতে অনেক খরচ। তাই গ্রামীণ ব্যাংক থেকে উচ্চ শিক্ষা ঋণ নিয়েছি। এর মধ্যে আমার ছোট মেয়ে গ্রামীণ কল্যাণ বৃত্তি পাবে মাসে তিন হাজার টাকা।

ছোট ভাইয়ের হত্যার বর্ণনা দিলেন বড় ভাই :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ছোট ভাইয়ের হত্যার বর্ণনা দিলেন বড় ভাই :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ষষ্ঠ সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন।

সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী ডাক্তার মো.হাসানুজ্জামান (৬৭) তার জবানবন্দি পেশ করেন।

জবানবন্দি শেষে তাকে জেরা করার জন্য আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করে  ট্রাইব্যুনাল।  

জাবানবন্দিতে সাক্ষী হাসানুজ্জামান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ শুরু আগেই আমার ভাই পাকিস্তানের নৌবাহিনী থেকে ছুটি নিয়ে একমাসের জন্য বাড়িতে আসেন। আমার শ্বশুর বাড়ি রামগড় গ্রামের সন্নিকটে আহাম্মদ নগর হাইস্কুলে পাকসেনা ও রাজাকার ক্যাম্প স্থাপন করে। সেখানে ব্যাপক হত্যা নির্যাতন চালানো হতো বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজনকে ধরে এনে। শ্বশুর বাড়ির কাছে ক্যাম্প থাকায় আমার ছোট ভাই কাম্পটি রেকি করেন। আমার শ্বশুর বাড়িতে ৯১৭১ সালের ৩০ জুন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে দরজায় কড়া নেড়ে ভাই ভাই বলে ডাকতে থাকেন এবং ক্ষুধার্ত বলে তারা খাবার চায়। মুক্তি বাহিনীর নাম শুনে আমার ছোট ভাই ঘর থেকে দরজা খুলে অতি উৎসাহে বের হয়ে আসে এবং আমার চাচা শ্বশুর মকবুল হোসেন তাদেরকে বেঞ্চে বসতে দিয়ে একটি পাতিলে করে মুড়ি খেতে দেয়। আরেক চাচা শ্বশুর সৈয়দ রহমান ও ভাইয়া ভাই জমসেদ আলী তাদের কাছে যায়।”

তিনি আরো বলেন,  ওই সময় আমার চাচা শ্বশুর আচঁ করতে পারেন যে এরা মুক্তিযোদ্ধা নন। আল বদরের কামারুজ্জানরা। তখন তারা আমার ভাইকে অনেক কৌশলে তাদের বলয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে। আমার ভাই বুঝতে পারেননি। তখন কামারুজ্জান আমার ভাইকে বলেন, “আমরা আলবদর ক্যাম্পে  আক্রমণ করবো। পাক বাহিনীর ক্যাম্পটি যেন দেখিয়ে দেয়া হয়।”

সাক্ষী বলেন, “ভাইকে নিয়ে তারা যখন ক্যাম্পের দিকে রওয়ানা দেন তখন  চাচা শ্বশুর তাদের বসা বেঞ্চে ম্যাগজিম ভর্তি একটি অস্ত্র দেখতে পান। এটা ফেরত দিতে তাদের কাছে যায়। ফেরত দিতে গেলে তারা তাকে তাদের সঙ্গে যেতে বাধ্য করেন। তাদেরকে পাক বাহিনীর ক্যাম্প দেখিয়ে দেয়ার পরেও তারা তাকে দমক দিয়ে সঙ্গে যেতে বলেন।”

সাক্ষী বলেন, “আমার ভাই বুঝতে পেরে তখন তিনি প্রস্রাবের কথা বলে পাট ক্ষেত দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান। ওই সময় তার গায়ে সাদা রঙের গেঞ্জি পড়া ছিল বলে শুনেছি। আলবদও বাহিনীর লোকেরা পাট ক্ষেতে অনেক খোঁজা খোঁজির পরে আমার ভাইকে তাদের ক্যাম্পে নেয়া হয়। ক্যাম্পে নিয়ে তারা  আমার ভাইকে সারা রাত অমানুষিক নির্যাতন চালায়। তার একটি  কান কেটে ফেলা হয় বলে জানায় ওই ক্যাম্পে এবং আশে পাশে কর্মরত লোকেরা “

সাক্ষী আরো বলেন, “আহাম্মদ আলী মেম্বার আমার ছোট ভাইয়ের নির্যাতনের চিহ্ন দেখেন। পরের দিন সকালে ক্যাম্পের বাইরে রাস্তায় এনে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে আমার ভাইয়ের লাশটি টেনে হিচড়ে নিয়ে ওই রাস্তার পাশে একটি পুলের নিচে ফেলে দেয়া হয়।”

তিনি বলেন, “দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে আমি আমার শ্বশুর বাড়িতে গেলে আমার ভাইয়ের হত্যার বর্ণনা চাচা শ্বশুর ও তার ভাই শমসের আলীর কাছে ও অন্যান্য কর্মরত শ্রমিদের কাছে থেকে শুনেছি।”

আমার চাচা শ্বশুর সৈয়দ রহমান আমাকে স্পষ্ট করে জানান যে আলবদর নেতা কামারুজ্জামানকে তিনি চিনতে পেরেছেন। তাদের কথার ভিত্তিতে আলবদর নেতা কামারুজ্জানসহ দশ জনের মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
এ মামলা দায়েরের পরে একজন অফিসার  তদন্ত করতে আসেন। পরে মামলার কোনো অগ্রগতি না দেখে আমার চাচাত ভাইকে সঙ্গে নিয়ে আমার পিতা শেরপুরে কোর্টে যায়।

সাক্ষী বলেন, “আমি কামারুজ্জামানকে চিনি না। তবে পত্র পত্রিকায় তার ছবি দেখেছি। পরে সাক্ষীকে একটি প্রশ্ন করে আসামির আইনজীবী জানতে চায়, যে আপনার বাড়ি এবং আসামি কামারুজ্জামানের বাড়ির দূরত্ব কত।  জবাবে সাক্ষী বলেন ১৫ মাইল হবে।

এর আগে সকালে কামারুজ্জামানের পঞ্চম সাক্ষীকে জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী কফিল উদ্দিন চৌধুরী। জেরায় তাকে বিভিন্ন ধরণের প্রশ্ন করেন আসামীপক্ষের আইনজীবী। পরে ষষ্ঠ সাক্ষীর জেরা আগামী পাঁচ সেপ্টম্বর  পর্যন্ত মূলতবি করা হয়।

ড্যাব’র কোন্দলে ৩ চিকিৎসক হত্যা পরিকল্পনা, র‌্যাবের দাবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ড্যাব’র কোন্দলে ৩ চিকিৎসক হত্যা পরিকল্পনা, র‌্যাবের দাবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাব’র (ডক্টরস অসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) দুই গোষ্ঠির কোন্দলে খুন হতে যাচ্ছিলেন রাজধানীর তিন চিকিৎসক, এমনটি দাবি করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। হত্যা পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে এক চিকিৎসকসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে অভিজাত বাহিনীটি।
 
গ্রেফতারকৃতরা হলেন তারা হলেন ডা. কামরুল, মিঠু ওরফে প্রশান্ত, জয়নাল, তুষার, মেহের আলী ও মোস্তফা।
 
সোমবার দুপুরে র‌্যাব সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় সাংবাদিকদের সামনে আটককৃতদের হাজির করা হয়।
 
র‌্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাক্তার কামরুল হত্যার সম্পূর্ণ পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টা সম্পর্কে র‌্যাবকে বিস্তারিত জানিয়েছেন। ড্যাব’র মহাসচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও তার অনুসারী এবং ড্যাব’র সম্পাদক ডা. দোলন ও তার অনুসারীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডা. জাহিদ গ্রুপের অনুসারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং ড্যাবে ডা. জাহিদের তুলনায় নিজের অবস্থান শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে তিন চিকিসককে হত্যার পরিকল্পনা করে ডা. দোলন গ্রুপ।
 
পরিকল্পনার অনুসারে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার ডা. মোফাখখারুল ইসলাম রানা, ভাষানটেক এলাকার ডা. বাহার ও শেওড়াপাড়া এলাকার ডা. উজ্জলকে হত্যার চক্রান্ত করে ড্যাব নেতা ডাক্তার কামরুল। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি পেশাদার খুনি মিঠু ওরফে প্রশান্তসহ তার সহযোগীদের ভাড়া করে। গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে র‌্যাব বিষয়টি জানতে পারে।
 
রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১১ টার দিকে মিরপুরের ছয় নম্বর সেক্টরের তিন নম্বর সড়কের একটি নির্মাণাধীন ভবনের সামনে থেকে এই ছয় জনকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিন রাউন্ড গুলিসহ একটি পিস্তল ও চাকু উদ্ধার করা হয়।

পদ্মা সেতু: দাতাদের সিদ্ধান্তের পর জানাবেন অর্থমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পদ্মা সেতু: দাতাদের সিদ্ধান্তের পর জানাবেন অর্থমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 পদ্মা সেতু প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও জাইকার সিদ্ধান্তের পর এ বিষয়ে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর সংবাদ মাধ্যমকে জানাবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
 
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে মন্ত্রণালয়ে নিজ কক্ষের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।
 
মুহিত বলেন, “বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও জাইকা’র সম্মিলিত মতামতের পাশাপাশি আমাদেরও নিজস্ব একটা রয়েছে। সবশেষে আপনাদের বিষয়টি জানাবো।”
 
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ব অর্থনৈতিক সম্মেলনে যোগ দিতে চীনে যাওয়ার কথা রয়েছে অর্থমন্ত্রী  আবুল মাল আব্দুল মুহিতের।
 
সোনালী ব্যাংক প্রসঙ্গে  মুহিত বলেন, “আমি যেটা বলবো সেটা তথ্যভিত্তিক হবে, পত্রিকার রিপোর্টভিত্তিক নয়।”
 
তবে এ বিষয়ে মন্ত্রী কবে কথা বলবেন সেটা সুনির্দিষ্ট করে না জানালেও তিনি বলেন, “সম্ভবত কালও বলতে পারি, কিংবা দেশের বাইরে যাওয়ার আগে বলবো।”

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে সংশোধনী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে সংশোধনী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 মন্ত্রিসভা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনালের আইনের দুটি সংশোধনীতে আজ অনুমোদন দিয়েছে।

ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষে রায়ের পর আপিলের সময়সীমা বর্তমান ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিনে কমিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে যা আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদ অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন এমন বিধানে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। আর ওদিকে আসামী পক্ষের আইনজীবিরা একে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করে আবারো আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে এতে অভিযুক্তরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) দ্বিতীয় সংশোধনী আইন-২০১২ এর খসড়ায় অনুমোদন দেয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া জানান, আইন মন্ত্রণালয়ের বিচার ও সংসদ বিষয়ক শাখা উত্থাপিত এই খসড়ায় মূলত দুটি সংশোধনী আনা হয়েছে। এতে বিচারের আপিলের সময়সীমা বর্তমান ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিনে কমিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এই প্রস্তাব অনুযায়ী আসামি পক্ষের আইনজীবী রায় ঘোষণার দিনই বিনামূল্যে মামলার রায়ের কপি পাবেন এবং নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলায় আপিল করতে পারেন।

ভুঁইয়া আরো জানান মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদ অধিবেশনেই এই সংশোধনী উত্থাপন করা হবে।

এদিকে, ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের একজন আইনজীবী জিয়াদ আল মালুম এই সংশোধনীকে সময়োপযোগী হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন এতে করে বিচারের দ্রুত নিষ্পত্তি হবে এবং ভুক্তভোগী ও সংক্ষুব্ধ মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।

তবে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন একাধিক অভিযুক্তের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক এই পরিবর্তনকে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করে অভিযুক্তরা ন্যায়বিচার বঞ্চিত হবেন বলে শংকা প্রকাশ করেছেন।

তবে ট্রাইব্যুনালের বিচারে তাড়াহুড়া করা হচ্ছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে সে প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে মো. মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া বলেন মন্ত্রিপরিষদের আলোচনায় এমন কোনো উদ্বেগের কথা আলোচিত হয়নি।

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নানা মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিরোধী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ১০ জন নেতাসহ মোট ১১ জনের বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। সূত্র: বিবিসি।

হলমার্ক কেলেঙ্কারি খতিয়ে দেখবে সংসদীয় কমিটি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

হলমার্ক কেলেঙ্কারি খতিয়ে দেখবে সংসদীয় কমিটি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 হলমার্ক গ্রুপকে ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকসহ রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে দুই সদস্যের উপ কমিটি গঠন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সোমবার কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।

এর আগে হলমার্ক গ্রুপকে সোনালী ব্যাংকের আড়াই হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন উদ্যোগ নেয়।

সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চারটি রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক ( সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী) ও বেসিক ব্যাংকের প্রথম ১০ জন সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহীতার লেনদেনসহ ব্যাংকগুলোর সার্বিক কার্যক্রম এবং সম্প্রতি আলোচনায় আসা হলমাকের্র ঋণ গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখবে কমিটি।

সংসদীয় কমিটির সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ অন্য সদস্যরা ছিলেন। গঠিত সাব কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন এম এ মান্নান ও গোলাম দস্তগীর গাজী।

তাজুল বলেন ব্যাংকগুলোর আর্থিক লেনদেন ও নিয়মগুলো সঠিকভাবে প্রতিপালন হচ্ছে কিনা, তা তারা খতিয়ে দেখবেন।

রাষ্ট্রায়াত্ত পাঁচটি ব্যাংকের কার্যক্রমে সংসদীয় কমিটি অসন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং সার্বিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে একটি সাব কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন কমিটির সদস্য মো. তাজুল ইসলাম। তাজুল এই সাব কমিটির আহবায়ক মনোনীত হয়েছেন। প্রতিবেদন দিতে দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

তাজুল বলেন, ‘‘কমিটির সবাই হলমার্ক কেলেঙ্কারিকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কার্যক্রমের ব্যাপারে খুবই অসন্তুষ্ট।’’

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে হলমার্ককে ২ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের অনিয়মের বিষয়টি উঠে আসে। এরপর দুর্নীতি দমন কমিশন এর তদন্ত শুরু করে।

ঋণ দেওয়ায় অনিয়মের অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের প্রায় ২০ জন কর্মকর্তাকে ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। টাকা ফেরত চেয়ে হলমার্ক গ্রুপকে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্তও নিয়েছে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

ফারুককে হামলায় পুলিশের দোষ নেই, মামলা খারিজ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফারুককে হামলায় পুলিশের দোষ নেই, মামলা খারিজ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 গত বছরের জুলাইতে বিএনপির হরতালে জাতীয় সংসদের সামনে মানিক মিয়া এভিনিউতে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ। প্রতিবেদনটি গ্রহণ করে ঢাকার একটি আদালত মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন।
 
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ ও গোয়েন্দা তথ্য বিভাগের সহকারি পুলিশ কমিশনার মো. ওবায়দুল হক সোমবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।
 
মামলায় বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া প্রতিবেদনটির বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন দাখিলের জন্য সময় চান। তবে মহানগর হাকিম মো. হাসিবুল হকের আদালত পুলিশি প্রতিবেদন গ্রহণ করে বাদীর আইনজীবীর সময় আবেদন নাকচ করে দেন এবং মামলাটি খারিজ করে দেন।  আদালতের এ আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিপি জয়নাল আবেদীন ফারুক এবং তার সাথের অনান্য রাজনৈতিক নেতা বিশেষ করে সংসদ সদস্য পাপিয়া, শাম্মী আক্তারের অতিরিক্ত বাড়াবাড়ির কারনে হরতালের সময় ওই ঘটনার অবতারণা হয়েছে। আর বিশৃঙ্খলার সময় কোন কোন পুলিশ আঘাত করেছে তা হেলমেট পরা থাকার কারণে তাদের শনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনাটি তদন্ত করে আসামীদের (পুলিশ) বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
 
এ প্রতিবেদনের বিরোধিতা করে মামলার বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, দেশের পুলিশ আজ কি ধরণের আইনের শাসন নিশ্চিত করছে তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ এই পুলিশ প্রতিবেদন।
 
তিনি বলেন, দেশের মানুষ জানে এবং মিডিয়া ও দেখেছে সরকারের পুলিশ বাহিনী কিভাবে ভিপি জয়নাল আবদিন ফারুককে পিটিয়ে তার শরীরের কাপড় খুলে ফেলে তাকে আহত করেছে।
 
তিনি বলেন, বিরোধী নেতাকে পেটানো সে সব পুলিশের পদোন্নতিও হয়েছে বলে মিডিয়ায় খবর বেরিয়েছে। আর আজ তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রত্যক্ষ সাক্ষী এবং মিডিয়ার তথ্য সংগ্রহকারীদের কাছ থেকে কোনো প্রকার তথ্য সংগ্রহ ছাড়াই সরকারের নির্দেশ মোতাবেক এ একপেশে অসত্য প্রতিবেদন দাখিল করেছে।
 
প্রসঙ্গত, ওই হামলার ঘটনায় বিএনপির সংসদ সদস্য আশ্রাফ উদ্দিন নিজাম বাদী হয়ে গত বছরের ১২ জুলাই সিএমএম আদালতে পুলিশের ২ কর্মকর্তা এবং অজ্ঞাতনামা আরো ২৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
 
ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশকে প্রতিবেদন দিতে আদেশ দেন।
 
সেদিন যা ঘটেছিল
গত বছরের ৬ জুলাই বিএনপি’র হরতাল চলাকালে জাতীয় সংসদে দলটির চিফ হুইপ ফারুকের ওপর ওই পুলিশি হামলার ঘটনা ঘটে। ‘‘শুয়ারের বাচ্চা, থাপরাইয়া তোর দাঁত ফেলে দেবো’’- পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এভাবেই অকথ্য গালিগালাজ দিয়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপকে পেটাতে শুরু করেন। বসের এই মারমুখী আচরণ দেখে কনস্টেবলরা পরম উৎসাহে জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। শুরু হয় কিল-ঘুষি-লাথি। টেলিভিশনে প্রচারিত এই চিত্র দেখে যে কারো এটাই ভাবা স্বাভাবিক যে, এ যেন সংঘবদ্ধ হায়েনার আক্রমণ। এমন কঠিন মন্তব্য করেছেন একটি টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরাম্যান। তিনি ওই সময় সেখানে দায়িত্বে ছিলেন।
 
প্রত্যক্ষদর্শী মিডিয়াকর্মীরা জানান, শুরু থেকেই মারমুখী আচরণ করছিলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) বিপ্লব কুমার সরকার। বিএনপির ৩০ জন এমপিকে ঠেকাতে সেখানে পুলিশ সদস্য ছিলেন শতাধিক। ন্যাম ভবনের সামনে তারা সমবেত হওয়ার সাথে সাথে তাদের ঘিরে ফেলে পুলিশ। ফারুকের গায়ে ছিল নীল-সাদা স্ট্রাইপের গেঞ্জি। পুলিশের এক কর্মকর্তা তাকে টিটকারি দিয়ে বলেন, হরতাল করবি, এই কারণে গেঞ্জি পড়ে বের হয়েছিস। দেখি, কিভাবে হরতাল করিস।  এরপরই দু’পক্ষে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
 
এক পর্যায়ে এক কথা-দু’কথায় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপকে গালিগালাজ শুরু করে পুলিশের দুই কর্মকর্তা। উত্তেজিত হয়ে বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ‘‘শুয়ারের বাচ্চা, থাপরাইয়া তোর দাঁত ফেলে দেবো’’। তখন ফারুক চিৎকার করে বলতে থাকেন, “পারলে ফেল দেখি।” তৎক্ষণাৎ এডিসি হারুন-অর-রশীদ পেছন দিক থেকে তেড়ে এসে অন্যান্য পুলিশ কনস্টেবলদের নিয়ে ফারুকের ওপর হামলা চালান। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিপ্লব সরকার ও হারুন-অর-রশিদকে অনুসরণ করে তাদের অধীনস্থ পুলিশ সদস্যরা অমানবিকভাবে পেটাতে থাকেন জয়নুল আবদিন ফারুককে। কর্মকর্তারা চিৎকার করে বলতে থাকেন, “মার”। কনস্টেবলরা মৌমাছির মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে ফারুকের ওপর। শুরু হয় কিল-ঘুষি-লাথি।
 
তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাকে ঘিরে ফেলে পুলিশ। টানাহেঁচড়াতে ফারুকের গেঞ্জি খুলে নেয় পুলিশ। তখন দেখা যায়, ফারুকের মাথা থেকে রক্ত ঝরে সারা গা রক্তাক্ত হয়ে গেছে।
 
এই অবস্থায় বিএনপির অন্যান্য এমপিরা ফারুককে ন্যাম ভবনের ভেতরে নেয়ার চেষ্টা করেন। সেখানেও পুলিশ তাকে তাড়া করে।
 
ফারুক লিফটে ওঠার চেষ্টা করেন। সেখানে থেকে পুলিশ সদস্যরা তাকে টেনে-হিঁচড়ে চ্যাংদোলা করে গাড়িতে ওঠায়। গাড়ির কিনারে উঠিয়েই ড্রাইভার গাড়ি চালিয়ে দেয়। গাড়ি থেকে ছিটকে পড়ে যান ফারুক। এ সময় তিনি মাথায় ভয়ানক আঘাত পান। নিস্তেজ হয়ে কংক্রিটের সড়কে পড়ে থাকেন। তার জিভ বেরিয়ে আসে। এরপর তার সহকর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান
 
কে এই বিপ্লব সরকার ও হারুন-অর-রশী
পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা যায়, এসি বিপ্লব কুমার সরকারের জন্ম কিশোরগঞ্জ সদরের খরমপট্টিতে। ছাত্রজীবনে তিনি ছিলেন সক্রিয় ছাত্রলীগ নেতা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল শাখার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ২১তম বিসিএসে পুলিশে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
 
অন্যদিকে, তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন-অর-রশীদও ছিলেন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। তার জন্ম কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামন উপজেলার গাগড়া ইউনিয়নের হোসেনপুর গ্রামে। তিনি ২০তম বিসিএসে পুলিশে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

Monday, September 3, 2012

রংপুরে গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে রাকাব কর্মকর্তা লাপাত্তা :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

রংপুরে গ্রাহকদের কোটি টাকা নিয়ে রাকাব কর্মকর্তা লাপাত্তা :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) রংপুরের মিঠাপুকুর শাখার সিনিয়র অফিসার মতিয়ার রহমান গ্রাহকদের এক কোটিরও বেশি টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে গেছেন। তিনি গত ৩১ মে থেকে অফিসে যাচ্ছেন না।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তার অফিসে না আসার বিষয়ে তদন্ত করে ডিজিএমকে জানালেও এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এ নিয়ে সেখানকার ঋণ গ্রহীতারা এখন চরম বিপাকে পড়ে গেছেন। ব্যাংকের ভাবমর্যাদা চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে।

রাকাব সূত্র জানায়, মিঠাপুকুর শাখায় প্রায় ১৬০ জন সিসি গ্রহীতার কাছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়। এটি সুপারভাইজড করতেন ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা মতিয়ার রহমান। ব্যাংক সূত্র জানায়, ৫০ থেকে ৫৫ জন সিসি ঋণগ্রহীতা বিভিন্ন সময়ে এক কোটিরও বেশি  ঋণ ও সুদের টাকা পরিশোধ করলে মতিয়ার রহমান কৌশলে গ্রাহকদের রশিদ দেয়া থেকে বিরত থাকেন এবং সেই টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে নিজের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কাজে লাগান।

এর মধ্যে সিসি লোন গ্রহীতা আব্দুল হাকিমের এক লাখ ৫০ হাজার, শাহজাহানের পাঁচ লাখ, মিজানুর রহমান রিন্টুর ১১ লাখ, জিয়াউল ইসলাম রিপনের আট লাখ, রেজাউল কবির টিটুর চার লাখ, ছোট হযরতপুরের মোজাম্মেলের ৮০ হাজার, টুটুলের চার লাখ, কামরুল ইসলামের দুই লাখ, কাটারী এলাকার আব্দুল বাতেনের ১৯ হাজার ৩০০, লতিবপুরের আমজাদ হোসেনের ২৫ হাজারসহ প্রায় এক কোটি টাকা। এসব টাকা তিনি ব্যাংকে জমা না দিয়ে জমি ক্রয়, ইটভাটার শেয়ার, আলুর ব্যবসা, বাড়ি বানানো এবং সুদের ব্যবসায় খাটান। বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়লে ঋণগ্রহীতারা ‘হয় টাকা নয় রশিদের জন্য’ চাপ সৃষ্টি করলে সুচতুর মতিয়ার রহমান চলতি বছর ৩১ মে ব্যাংক থেকে লাপাত্তা হয়ে যান। গত ২ সেপ্টেম্বর রোববার পর্যন্ত তিনি আর ব্যাংকে যাননি। ব্যাংকে না তিনি অসুস্থ মর্মে আবেদন দিয়ে ব্যাংকের কাছে আনলিভ ছুটি দাবি করেন।

এভাবে আনঅথরাইজড এ্যবসেন্স’র হওয়ার কারণে ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আমিনুল হক বিষয়টি তদন্তের জন্য ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা রশিদুন্নবী লেবু ও নুরুল আমীনকে দায়িত্ব দেন। তদন্ত কমিটি মতিয়ার রহমানের রংপুর মহানগরীর মিস্ত্রিপাড়া জামতলা মসজিদ এলাকার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাননি। সেখান থেকে গ্রামের বাড়ি উপজেলার মোমিনপুরে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। গ্রাহকদের টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে নিজে নিয়ে অন্য কাজে লাগানো, টাকার জন্য মতিয়ারের ওপর গ্রাহকদের চাপ বিষয়টি সরেজমিনে অবহিত হন তদন্ত কর্মকর্তারা।

বিষয়টি জানিয়ে একটি লিখিত তদন্ত রিপোর্ট পেশ করা হয় ব্যবস্থাপকের কাছে। ব্যবস্থাপক তদন্ত রিপোর্টসহ এ বিষয়ে ‘টাকার বিষয়েই আনঅথরাইজড এ্যবসেন্স উল্লেখ করে ডিজিএম’র কাছে লিখিত চিঠি পাঠান। তবে ডিজিএম এখন পর্যন্ত মতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি বরং তাকে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেয়ার জন্য সুযোগ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ ওঠেছে, শাখা ব্যবস্থাপক আমিনুল হকও আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে তাকে টাকা পরিশোধের সুযোগ করে দিয়েছেন। এজন্য তিনি বিষয়টি অভ্যমন্তরীণ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে অবহিত হওয়া সত্ত্বে ঋণগ্রহীতাদের কাছে লিখিতভাবে ঋণ এবং সুদের টাকা পরিশোধের জন্য কোনো চাপ দেননি। বরং তাকে আনঅথরাইজড এ্যাবসেন্স ছুটি ‘আনলিভ’ পাইয়ে দেয়ার জন্য চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর মতিয়ার রহমান গ্রাহকদের সাথে দেখা করে টাকা ফেরত দেয়ার বিভিন্ন তারিখ দিচ্ছেন। এমনকি এই বিপুল পরিমাণ টাকা তিনি সুদের ওপর নিয়েছেন বলেও বলে বেড়াচ্ছেন।

মতিয়ার রহমানের ঘনিষ্ট  সূত্র জানায়, এই বিপুল পরিমাণ টাকা পরিশোধের জন্য তিনি গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের কাছ থেকে সময় নিয়ে এসেছেন। তিনি টাকা জোগাড় করার জন্য তার জমি ও বাড়ি বিক্রির চেষ্টা করছেন।  এছাড়াও টাকার বিপরীতে  মিজানুর রহমান রিন্টুকে তার একটি ফ্লাট দিয়ে দেয়ার কথাও বলছেন।

শাখা ব্যবস্থাপক আমিনুল হক বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, “বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর আমি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করি। রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টি ডিজিএমকে জানিয়েছি। সেখান থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

ডিজিএম মহিদুল হক বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, এ বিষয়ে টাকার কারণে আনঅথরাইজড এ্যবসেন্সে বিষয়ে শাখা ব্যবস্থাপকের পত্র আমি  পেয়েছি।” এরপর কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সে বিষয়ে তিনি কোনো উত্তন দেননি।

তদন্ত কর্মকর্তা রশিদুন্নবী বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, “আমরা তদন্তকালে মতিয়ার মেরুদণ্ডের ব্যথাজনিত বেশ কিছু কাগজপত্র দেখিয়েছেন। রিপোর্ট শাখা ব্যবস্থাপককে দেয়া হয়েছে।” এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

এদিকে এ ঘটনার পর রাকাবের ওই শাখার ভাবমুর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে। গ্রাহকরা উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন। তারা কোনো কুল কিনারা খুঁজে পাচ্ছেন না।

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. শাহ নেওয়াজ আলী বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যপারে মতিয়ার রহমানের সঙ্গে বারবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক কিনবে চীন :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক কিনবে চীন :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

 গার্মেন্টস শিল্পের সর্বোচ্চ রফতানিকারক দেশ চীন এবার বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমানের তৈরি পোশাক কিনবে।  ২০১০ থেকে স্বল্প পরিমান পোশাক আমাদানি করলেও বছর থেকে তাদের বেশিরভাগ পোশাক বাংলাদেশ থেকে আমদানি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে দেশটির শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

রোববার বিজিএমই ভবনের সম্মেলন কক্ষে “রিসিপশন অব চায়না ন্যাশন্যাল গার্মেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ডেলিগেশন” শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে চীন থেকে আগত ব্যাসায়ীরা এ কথা জানান। মূলত বাংলাদেশের গার্মেন্টস পণ্য আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করতেই চীনা ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে এসেছেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের বলেছেন, “বর্তমান সরকারের সহায়তায় চীন আরো পোশাক আমদানি করতে ইচ্ছুক। তিনি বিজিএমই-কে আশ্বাস দিয়ে বলেন, “ভবিষ্যতে বিভিন্ন দেশে পোশাক রফতানি বাড়াতে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।”



চীনের ন্যাশন্যাল গার্মেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ফেং ডেহু বলেন, “বাংলাদেশের শ্রমিকদের কর্মদক্ষতা চীনসহ সারাবিশ্বে প্রসংশনীয়। আমাদের ১৩০ কোটি মানুষের বাজার রয়েছে। জনসংখ্যা অনুযায়ী পোশাকের প্রয়োজন মেটাতে বছরে ৩৫৭ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করতে হয়। অতীতেও চীন বাংলাদেশ থেকে পোশাক কিনিছে। আশা রাখছি, এ বছর থেকে আমরা এদেশ থেকে আরো পোশাক কিনব।”

২০১১-১২ অর্থবছরে চীন ৩৫৭ কোটি ডলারের পোশাক বর্হিবিশ্ব থেকে আমদানি করেছে, যা তার পূর্ব বছরগুলো থেকেও বেশি। এর মধ্যে বাংলাদেশ ২০১১-১২ অর্থবছরে চীনে ১০২ মিলিয়ন ডলারের পোশাক রফতানি করেছে।  ২০০৮-৯ অর্থবছরের চেয়ে যা এক হাজার ৩৩ শতাংশ বেশি। দিন দিন জীবনমান উন্নত হওয়ায় চীনে আমদানির পরিমান বেড়েই চলেছে।

 ২০১১ সালেও চীন ১৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি করেছে। বর্তমানে তারা বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান নির্মাণে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি করবে। বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পোশাক নিজেদের জন্য ব্যবহার ও বিভিন্ন দেশে রফতানি করে ব্যবসা ধরে রাখাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফচার অ্যাসোসিয়েসনের (বিজিএমই) সদস্যরা ছাড়াও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল অ্যাসোসিয়েসনের সভাপতি জাহাঙ্গির আলামিন এবং চীনের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

মিঠাপুকুরে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে আহত ৪০, নিখোঁজ ৩ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

মিঠাপুকুরে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে আহত ৪০, নিখোঁজ ৩ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

 রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শাল্টিরহাটের ফুলচকি এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে পড়েছে। এতে ৪০ শ্রমিক আহত হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে তিনজন। রোববার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, নিম্নমানের কাজের কারণে রোববার দুপুরে রংপুরের মিঠাপুকুর-ফুলবাড়ি এশিয়ান হাইওয়ের পাশে শাল্টিরহাটে অংকুর স্পেশালাইজড কোল্ডস্টোরেজের ছাদ ধসে পড়ে। এতে প্রায় ৪০ শ্রমিক আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।

আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে পারভীন, আয়াকুব,শাহীন, মোরশেদের অবস্থা আংশকাজনক। তিন শ্রমিক চাপা পড়ে আছে বলে ধারণা করছেন শ্রমিকরা।

মাহমুদ নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ছাদ ধসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকরা ছোটাছুটি করতে থাকে। স্থানীয়রা ৩০ থেকে ৪০ জনকে উদ্ধার করে হাসাপাতালে পাঠায়। নিচে তিন শ্রমিক আটকা পড়ে আছে।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী আজিজুল ইসলাম জানান, নিম্নমানের কাজের কারণেই ছাদটি ধসে পড়েছে। ঈদগাহ মাঠ অবৈধভাবে দখল করে কোল্ডস্টোরটি নির্মাণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ঘটনার পরপরই কোল্ডস্টোরের ম্যানেজার দিলীপ ও তত্ত্বাবধায়ক হামিদুল পালিয়ে যান। নীলফামারীর সেলিম নামে এক ব্যবসায়ী এই কোল্ডস্টোরেজটি নির্মাণ করছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

রংপুর ফায়ার সার্ভিসের  উপ-সহকারী কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম জানান, উদ্ধার কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। রাত আটটায় প্রথম দিনের মতো উদ্ধারকাজ শেষ করা হয়েছে। সোমবার আবার উদ্ধার কাজ শুরু হবে। উদ্ধারকাজ চূড়ান্তভাবে শেষ হওয়ার পরেই বোঝা যাবে কেউ মারা গেছে কিনা।

যশোরে শিশু ধর্ষণ চেষ্টা অভিযোগে যুবক গ্রেফতার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

যশোরে শিশু ধর্ষণ চেষ্টা অভিযোগে যুবক গ্রেফতার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

 যশোরে একটি শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে রোববার বিকেলে শিশির (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে শিশুটির পিতা বাদী হয়ে যশোর কোতয়ালি লী থানায় মামলা করেন।

গেফতারকৃত শিশির যশোর সদর থানার বেনেয়ালি গ্রামের কালাম হোসেনের ছেলে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী পুলিশ জানায়, ঘটনার শিকার শিশুটি একটি প্রাইমারি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী। গত ২৯ অগাস্ট বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে সে বাড়ির পাশের মাঠে খেলতে যায়। এ সময় শিশির তাকে ডেকে পাশের বাগানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে শিশির পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা শালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার আশ্বাস দিয়ে ওই শিশুর পিতাকে তখন মামলা করতে দেয়নি। কিন্তু স্থানীয়রা বিষয়টির কোনো সুরাহা না করে গড়িমসি করায় রোববার দুপুরে তিনি মামলা করেন।

মামলার পর বিকেলে পুলিশ শিশিরকে বেনেয়ালি গ্রাম থেকে আটক করেছে।

নারায়ণগঞ্জে স্কুলে বোমাসদৃশ বস্তু, শিক্ষার্থীদের আতঙ্ক :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

নারায়ণগঞ্জে স্কুলে বোমাসদৃশ বস্তু, শিক্ষার্থীদের আতঙ্ক :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

নারায়ণগঞ্জ নগরের হাজীগঞ্জ এলাকায় সরকারি আইইটি স্কুল বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়ার হুমকির আধাঘণ্টার মধ্যে স্কচটেপ মোড়ানো দু’টি বস্তু উদ্ধার করেছে র্যাব। রোববার দুপুরে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ও র‌্যাব-১১ সদস্যরা স্কুলের একটি স্থান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দু’টি বস্তু উদ্ধার করে। এ ঘটনায় স্কুলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বস্তু দু’টি আদৌ বোমা কি না তা পরীক্ষার জন্য র‌্যাবের বোমা বিশেষজ্ঞ দলকে বিকেলে ঘটনা স্থলে এসেছে।

আইইটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আকতার জানান, রোববার দুপুরে সহকারী শিক্ষক মহববত আলীর ব্যবহৃত মোবাইলে একটি এয়ারটেল নাম্বার থেকে ফোন করে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি জানায়, স্কুলটি কিছুক্ষণের মধ্যেই বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়া হবে। স্কুলের বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী বোমা রাখা আছে। মোবাইলে উড়ো এ হুমকি পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ও র‌্যাবকে খবর দেয়া হয়।

পরে র‌্যাব ও পুলিশ স্কুলের পশ্চিম দিকের সিঁড়ির নিচে একটি বেঞ্চের পাশ থেকে স্কচটেপ মোড়ানো দু’টি বস্তু উদ্ধার করে। ঘটনার পরপর স্কুল ছুটি ঘোষণা করা হয়।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আবদুল মতিন বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, এগুলো বোমা কি না তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। উদ্ধার করা বস্তু দু’টি বালতির মধ্যে পানিতে চুবিয়ে রাখা হয়েছে।

র‌্যাবের বোমা বিশেষজ্ঞ দলকে খবর দিলে তারা বিকেলে এসে পরীক্ষা করছে।

ইরাক যুদ্ধের জন্য বুশ-ব্লেয়ারের বিচার চাইলেন আর্চবিশপ টুটু :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইরাক যুদ্ধের জন্য বুশ-ব্লেয়ারের বিচার চাইলেন আর্চবিশপ টুটু :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

 ইরাক যুদ্ধে গণহত্যার অপরাধে আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ও ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারকে হেগের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রখ্যাত মানবাধিকারকর্মী আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু। রোববার ব্রিটিশ দৈনিক অবজারভারে প্রকাশিত নিবন্ধে তিনি এ দাবি তোলেন।

নিবন্ধে নোবেল বিজয়ী টুটু লিখেছেন, ২০০৩ সালে ইরাকে হামলার মাধ্যমে বুশ-ব্লেয়ার দু’জনই আগ্রাসন চালিয়েছেন। এ অপরাধে তাদের কঠোর শাস্তি হওয়া দরকার।

এ ধরনের অপরাধের জন্য এর আগে আফ্রিকা ও এশিয়ার অনেক নেতাকেই হেগের আদালতে যেতে হয়েছে; কাজেই বুশ-ব্লেয়ারের একই পরিণতি হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন টুটু।

ইরাক আগ্রাসনকে মধ্যপ্রাচ্যের সব সঙ্কটের জন্য দায়ী করে ডেসমন্ড টুটু বলেন, এ সামরিক হঠকারিতা অন্য যেকোনো সংঘাতের চেয়ে বিশ্বকে আরো বেশি দ্বিধাবিভক্ত করেছে।  ইরাকের কথিত গণবিধ্বংসী অস্ত্রের বিষয়ে সাবেক ওই দুই নেতা মিথ্যা কথা বলেছেন বলে অভিযোগ করেন টুটু।

এর আগে চলতি সপ্তাহের গোড়ার দিকে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের সঙ্গে এক মঞ্চে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানান ডেসমন্ড টুটু। এর কারণ হিসেবে তিনি ইরাক যুদ্ধে ব্লেয়ারের ঘৃণ্য ভূমিকাকেই দায়ী করেন। সূত্র: বিবিসি।