মন্ত্রিসভা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের
বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনালের আইনের দুটি সংশোধনীতে আজ অনুমোদন দিয়েছে।
ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষে রায়ের পর আপিলের সময়সীমা বর্তমান ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিনে কমিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে যা আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদ অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন এমন বিধানে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। আর ওদিকে আসামী পক্ষের আইনজীবিরা একে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করে আবারো আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে এতে অভিযুক্তরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) দ্বিতীয় সংশোধনী আইন-২০১২ এর খসড়ায় অনুমোদন দেয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া জানান, আইন মন্ত্রণালয়ের বিচার ও সংসদ বিষয়ক শাখা উত্থাপিত এই খসড়ায় মূলত দুটি সংশোধনী আনা হয়েছে। এতে বিচারের আপিলের সময়সীমা বর্তমান ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিনে কমিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই প্রস্তাব অনুযায়ী আসামি পক্ষের আইনজীবী রায় ঘোষণার দিনই বিনামূল্যে মামলার রায়ের কপি পাবেন এবং নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলায় আপিল করতে পারেন।
ভুঁইয়া আরো জানান মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদ অধিবেশনেই এই সংশোধনী উত্থাপন করা হবে।
এদিকে, ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের একজন আইনজীবী জিয়াদ আল মালুম এই সংশোধনীকে সময়োপযোগী হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন এতে করে বিচারের দ্রুত নিষ্পত্তি হবে এবং ভুক্তভোগী ও সংক্ষুব্ধ মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।
তবে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন একাধিক অভিযুক্তের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক এই পরিবর্তনকে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করে অভিযুক্তরা ন্যায়বিচার বঞ্চিত হবেন বলে শংকা প্রকাশ করেছেন।
তবে ট্রাইব্যুনালের বিচারে তাড়াহুড়া করা হচ্ছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে সে প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে মো. মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া বলেন মন্ত্রিপরিষদের আলোচনায় এমন কোনো উদ্বেগের কথা আলোচিত হয়নি।
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নানা মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিরোধী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ১০ জন নেতাসহ মোট ১১ জনের বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। সূত্র: বিবিসি।
ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষে রায়ের পর আপিলের সময়সীমা বর্তমান ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিনে কমিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে যা আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদ অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন এমন বিধানে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। আর ওদিকে আসামী পক্ষের আইনজীবিরা একে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করে আবারো আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে এতে অভিযুক্তরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) দ্বিতীয় সংশোধনী আইন-২০১২ এর খসড়ায় অনুমোদন দেয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া জানান, আইন মন্ত্রণালয়ের বিচার ও সংসদ বিষয়ক শাখা উত্থাপিত এই খসড়ায় মূলত দুটি সংশোধনী আনা হয়েছে। এতে বিচারের আপিলের সময়সীমা বর্তমান ৬০ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিনে কমিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই প্রস্তাব অনুযায়ী আসামি পক্ষের আইনজীবী রায় ঘোষণার দিনই বিনামূল্যে মামলার রায়ের কপি পাবেন এবং নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলায় আপিল করতে পারেন।
ভুঁইয়া আরো জানান মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদ অধিবেশনেই এই সংশোধনী উত্থাপন করা হবে।
এদিকে, ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের একজন আইনজীবী জিয়াদ আল মালুম এই সংশোধনীকে সময়োপযোগী হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন এতে করে বিচারের দ্রুত নিষ্পত্তি হবে এবং ভুক্তভোগী ও সংক্ষুব্ধ মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।
তবে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন একাধিক অভিযুক্তের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক এই পরিবর্তনকে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করে অভিযুক্তরা ন্যায়বিচার বঞ্চিত হবেন বলে শংকা প্রকাশ করেছেন।
তবে ট্রাইব্যুনালের বিচারে তাড়াহুড়া করা হচ্ছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে সে প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে মো. মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া বলেন মন্ত্রিপরিষদের আলোচনায় এমন কোনো উদ্বেগের কথা আলোচিত হয়নি।
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নানা মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিরোধী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ১০ জন নেতাসহ মোট ১১ জনের বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। সূত্র: বিবিসি।

No comments:
Post a Comment