গার্মেন্টস শিল্পের সর্বোচ্চ রফতানিকারক দেশ চীন এবার বাংলাদেশ থেকে বিপুল
পরিমানের তৈরি পোশাক কিনবে। ২০১০ থেকে স্বল্প পরিমান পোশাক আমাদানি করলেও
বছর থেকে তাদের বেশিরভাগ পোশাক বাংলাদেশ থেকে আমদানি করার ইচ্ছা প্রকাশ
করেছে দেশটির শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
রোববার বিজিএমই ভবনের সম্মেলন কক্ষে “রিসিপশন অব চায়না ন্যাশন্যাল গার্মেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ডেলিগেশন” শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে চীন থেকে আগত ব্যাসায়ীরা এ কথা জানান। মূলত বাংলাদেশের গার্মেন্টস পণ্য আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করতেই চীনা ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে এসেছেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের বলেছেন, “বর্তমান সরকারের সহায়তায় চীন আরো পোশাক আমদানি করতে ইচ্ছুক। তিনি বিজিএমই-কে আশ্বাস দিয়ে বলেন, “ভবিষ্যতে বিভিন্ন দেশে পোশাক রফতানি বাড়াতে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।”
চীনের ন্যাশন্যাল গার্মেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ফেং ডেহু বলেন, “বাংলাদেশের শ্রমিকদের কর্মদক্ষতা চীনসহ সারাবিশ্বে প্রসংশনীয়। আমাদের ১৩০ কোটি মানুষের বাজার রয়েছে। জনসংখ্যা অনুযায়ী পোশাকের প্রয়োজন মেটাতে বছরে ৩৫৭ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করতে হয়। অতীতেও চীন বাংলাদেশ থেকে পোশাক কিনিছে। আশা রাখছি, এ বছর থেকে আমরা এদেশ থেকে আরো পোশাক কিনব।”
২০১১-১২ অর্থবছরে চীন ৩৫৭ কোটি ডলারের পোশাক বর্হিবিশ্ব থেকে আমদানি করেছে, যা তার পূর্ব বছরগুলো থেকেও বেশি। এর মধ্যে বাংলাদেশ ২০১১-১২ অর্থবছরে চীনে ১০২ মিলিয়ন ডলারের পোশাক রফতানি করেছে। ২০০৮-৯ অর্থবছরের চেয়ে যা এক হাজার ৩৩ শতাংশ বেশি। দিন দিন জীবনমান উন্নত হওয়ায় চীনে আমদানির পরিমান বেড়েই চলেছে।
২০১১ সালেও চীন ১৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি করেছে। বর্তমানে তারা বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান নির্মাণে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি করবে। বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পোশাক নিজেদের জন্য ব্যবহার ও বিভিন্ন দেশে রফতানি করে ব্যবসা ধরে রাখাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফচার অ্যাসোসিয়েসনের (বিজিএমই) সদস্যরা ছাড়াও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল অ্যাসোসিয়েসনের সভাপতি জাহাঙ্গির আলামিন এবং চীনের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
রোববার বিজিএমই ভবনের সম্মেলন কক্ষে “রিসিপশন অব চায়না ন্যাশন্যাল গার্মেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ডেলিগেশন” শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে চীন থেকে আগত ব্যাসায়ীরা এ কথা জানান। মূলত বাংলাদেশের গার্মেন্টস পণ্য আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করতেই চীনা ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে এসেছেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের বলেছেন, “বর্তমান সরকারের সহায়তায় চীন আরো পোশাক আমদানি করতে ইচ্ছুক। তিনি বিজিএমই-কে আশ্বাস দিয়ে বলেন, “ভবিষ্যতে বিভিন্ন দেশে পোশাক রফতানি বাড়াতে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।”
চীনের ন্যাশন্যাল গার্মেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ফেং ডেহু বলেন, “বাংলাদেশের শ্রমিকদের কর্মদক্ষতা চীনসহ সারাবিশ্বে প্রসংশনীয়। আমাদের ১৩০ কোটি মানুষের বাজার রয়েছে। জনসংখ্যা অনুযায়ী পোশাকের প্রয়োজন মেটাতে বছরে ৩৫৭ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করতে হয়। অতীতেও চীন বাংলাদেশ থেকে পোশাক কিনিছে। আশা রাখছি, এ বছর থেকে আমরা এদেশ থেকে আরো পোশাক কিনব।”
২০১১-১২ অর্থবছরে চীন ৩৫৭ কোটি ডলারের পোশাক বর্হিবিশ্ব থেকে আমদানি করেছে, যা তার পূর্ব বছরগুলো থেকেও বেশি। এর মধ্যে বাংলাদেশ ২০১১-১২ অর্থবছরে চীনে ১০২ মিলিয়ন ডলারের পোশাক রফতানি করেছে। ২০০৮-৯ অর্থবছরের চেয়ে যা এক হাজার ৩৩ শতাংশ বেশি। দিন দিন জীবনমান উন্নত হওয়ায় চীনে আমদানির পরিমান বেড়েই চলেছে।
২০১১ সালেও চীন ১৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি করেছে। বর্তমানে তারা বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান নির্মাণে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি করবে। বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পোশাক নিজেদের জন্য ব্যবহার ও বিভিন্ন দেশে রফতানি করে ব্যবসা ধরে রাখাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফচার অ্যাসোসিয়েসনের (বিজিএমই) সদস্যরা ছাড়াও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল অ্যাসোসিয়েসনের সভাপতি জাহাঙ্গির আলামিন এবং চীনের ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment