পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড- পিডিবি সূত্রে জানা গেছে ভাড়া বিদ্যুৎ
কেন্দ্রগুলোতে জ্বালানি তেল খরচের বিশাল অংকের ভর্তুকি আপাতত কিছুটা হলেও
কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে বেশ
কিছু ভাড়া ও দ্রুত ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনা বন্ধ করেছে
পিডিবি। ফলে বাধ্য হয়ে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মালিকানার এসব বিদ্যুৎ
কেন্দ্র উৎপাদন বন্ধ করেছে।
জ্বালানি তেল চালিত এসব কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার সুফলও পেতে শুরু করেছে নাজুক অর্থনৈতিক অবস্থায় থাকা সরকার। পিডিবি সূত্র বলছে, এর ফলে গত আগস্ট মাসের চেয়ে এই মাসে দেশে জ্বালানি তেল আমদানি শতকরা ২২ ভাগ কমবে। গত মাসে দুই লাখ পঁচিশ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়েছিল, সেপ্টেম্বরে তা কমে গিয়ে দাঁড়াবে এক লাখ পচাত্তর হাজার টনের কাছাকাছি।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রয়োজনীয় উচ্চমানের জ্বালানি তেলের দাম যখন আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত বাড়ছে, তখন আমদানির এই কমতিতে সরকারের বিরাট অংকের অর্থ সাশ্রয় হবে। আমদানিকৃত তেলের দামে অনেক ভর্তুকি দিয়ে ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কাছে বিক্রি করে সরকার। ফলে ভর্তুকির খরচও কমবে।
ভাড়া বিদ্যুতে ভর্তুকিজনিত লোকসান কমানোর পথে সরকারে স্বস্তি মিললেও এর বিরুপ প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে শিল্পখাতে, ব্যবসা-বাণিজ্যে এবং গৃহস্থালীতে। ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো উৎপাদন বন্ধ রাখায় লোডশেডিং বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে সরকার।
গত রমজান মাসের পুরোটা সময় যথাসম্ভব লোডশেডিং না করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য পিডিবি’কে ৫০০ কোটি টাকার একটি তহবিল দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। যাতে উচ্চমূল্যের আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি তেল কিনে তা ভর্তুকি দিয়ে ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কাছে বিক্রি করা এবং তাদের কাছ থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনে লোকসান দিয়ে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর খরচ সামলানো যায়।
এ তহবিলের ফলে জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে আগস্টের শেষ পর্যন্ত মোটামুটি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ছিল দেশে। আগস্টের ৪ তারিখে উৎপাদন সর্বোচ্চ ছয় হাজার তিনশত পঞ্চাশ মেগাওয়াটে পৌঁছেছিল।
কিন্তু পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে বেশ কিছু ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ায় লোডশেডিং বাড়াতে হচ্ছে পিডিবিকে। বর্তমানে উৎপাদন পাঁচ হাজার দুইশত মেগাওয়াটের কম-বেশি হচ্ছে দৈনিক, এতে করে কমবেশি একহাজার মেগাওয়াট মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
এ সিদ্ধান্তের প্রভাব অবশ্য গ্যাস জ্বালানি চালিত রাষ্ট্রায়ত্ব ১১ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পড়ছে না। পিডিবি জানিয়েছে, গ্যাস জ্বালানিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২ থেকে ৩ টাকা খরচ হয়। অন্যদিকে দেশে বর্তমানে ৩৪টি জ্বালানি তেল চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে যেগুলোতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১৬ থেকে ২০ টাকা খরচ হয়।
জ্বালানি তেল চালিত এসব কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার সুফলও পেতে শুরু করেছে নাজুক অর্থনৈতিক অবস্থায় থাকা সরকার। পিডিবি সূত্র বলছে, এর ফলে গত আগস্ট মাসের চেয়ে এই মাসে দেশে জ্বালানি তেল আমদানি শতকরা ২২ ভাগ কমবে। গত মাসে দুই লাখ পঁচিশ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়েছিল, সেপ্টেম্বরে তা কমে গিয়ে দাঁড়াবে এক লাখ পচাত্তর হাজার টনের কাছাকাছি।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রয়োজনীয় উচ্চমানের জ্বালানি তেলের দাম যখন আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত বাড়ছে, তখন আমদানির এই কমতিতে সরকারের বিরাট অংকের অর্থ সাশ্রয় হবে। আমদানিকৃত তেলের দামে অনেক ভর্তুকি দিয়ে ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কাছে বিক্রি করে সরকার। ফলে ভর্তুকির খরচও কমবে।
ভাড়া বিদ্যুতে ভর্তুকিজনিত লোকসান কমানোর পথে সরকারে স্বস্তি মিললেও এর বিরুপ প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে শিল্পখাতে, ব্যবসা-বাণিজ্যে এবং গৃহস্থালীতে। ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো উৎপাদন বন্ধ রাখায় লোডশেডিং বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে সরকার।
গত রমজান মাসের পুরোটা সময় যথাসম্ভব লোডশেডিং না করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য পিডিবি’কে ৫০০ কোটি টাকার একটি তহবিল দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। যাতে উচ্চমূল্যের আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি তেল কিনে তা ভর্তুকি দিয়ে ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কাছে বিক্রি করা এবং তাদের কাছ থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনে লোকসান দিয়ে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর খরচ সামলানো যায়।
এ তহবিলের ফলে জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে আগস্টের শেষ পর্যন্ত মোটামুটি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ছিল দেশে। আগস্টের ৪ তারিখে উৎপাদন সর্বোচ্চ ছয় হাজার তিনশত পঞ্চাশ মেগাওয়াটে পৌঁছেছিল।
কিন্তু পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে বেশ কিছু ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ায় লোডশেডিং বাড়াতে হচ্ছে পিডিবিকে। বর্তমানে উৎপাদন পাঁচ হাজার দুইশত মেগাওয়াটের কম-বেশি হচ্ছে দৈনিক, এতে করে কমবেশি একহাজার মেগাওয়াট মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
এ সিদ্ধান্তের প্রভাব অবশ্য গ্যাস জ্বালানি চালিত রাষ্ট্রায়ত্ব ১১ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পড়ছে না। পিডিবি জানিয়েছে, গ্যাস জ্বালানিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২ থেকে ৩ টাকা খরচ হয়। অন্যদিকে দেশে বর্তমানে ৩৪টি জ্বালানি তেল চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে যেগুলোতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১৬ থেকে ২০ টাকা খরচ হয়।









