Wednesday, October 3, 2012
যুবদল সভাপতি আলাল গ্রেফতার :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
যুবদল সভাপতি আলাল গ্রেফতার :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
Tuesday, October 2, 2012
হলমার্ক এমডির ঋণ গ্রহণে অনিয়মের কথা স্বীকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
হলমার্ক এমডির ঋণ গ্রহণে অনিয়মের কথা স্বীকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
হলমার্কের ঋণ গ্রহণে অনিয়মের কথা হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালকও স্বীকার
করেছেন বলে জানিয়েছে সংসদীয় উপকমিটি। পাশাপাশি হলমার্কের ঋণ গ্রহণ
প্রক্রিয়ায় সোনালী ব্যাংকের অনিয়মের সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে বলে
জানিয়েছে উপকমিটি।
মঙ্গলবার হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে সংসদীয় উপকমিটি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদের বক্তব্য শোনার পর কমিটির আহ্বায়ক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
জানা গেছে, হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত সংসদীয় উপকমিটির ডাকে সাড়া দিয়ে মঙ্গলবার প্রায় দু ঘণ্টা বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তানভীর মাহমুদ ও মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ।
সংসদ ভবনে কমিটির আহ্বায়ক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সোনালী ব্যাংকের ঋণদান প্রক্রিয়ায় সুনির্দিষ্ট অনিয়ম পেয়েছি। এছাড়া বেশ কিছু অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। হলমার্কের ঋণ গ্রহণে অনিয়ম যে হয়েছে তা হলমার্ক ব্যবস্থাপনা পরিচালকও স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে সার্বিক বিষয়ে সুপারিশসহ কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি হওয়ার পর এ ঘটনায় কারা জড়িত সে বিষয়ে জানা যাবে।
তাজুল ইসলাম বলেন, হলমার্ক ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় উপকমিটি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনবোধ করছে না। কারণ এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে কেউ মোদাচ্ছের আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেনি। প্রয়োজন হলে তাকে ডাকা হবে।
তবে উপকমিটি প্রয়োজনে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে বৈঠক করবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
গত ৩ সেপ্টেম্বর অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কার্যক্রমে অসেন্তোষ প্রকাশ করে এবং সার্বিক কার্যক্রম তদন্তে মো. তাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে একটি উপকমিটি গঠন করা হয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে হলমার্ককে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের অনিয়মের বিষয়টি উঠে এলে দুর্নীতি দমন কমিশন এর তদন্ত শুরু করে।
হলমার্ক গ্রুপের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর সম্পৃক্ততার কথাও বিভিন্ন সংবাদপত্রে ছাপা হয়েছে। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদের ইঙ্গিত দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
৩ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকের প্রথম ১০ জন সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহীতার লেনদেনসহ ব্যাংকসমূহের সার্বিক কার্যক্রম এবং সম্প্রতি আলোচনায় আসা হলমার্কের ঋণ গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কমিটির সদস্য মো. তাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং এম এ মান্নান ও গোলাম দস্তগীর গাজীকে সদস্য করে গঠিত তিন সদস্যবিশিষ্ট উপকমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তাজুল ইসলাম ওইদিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর (পাঁচটি) সামগ্রিক চিত্র খতিয়ে দেখার জন্য এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘‘কমিটি হলমার্ক কেলেঙ্কারীকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কার্যক্রমের ব্যাপারে খুবই অসন্তুষ্ট।’’
মঙ্গলবার হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে সংসদীয় উপকমিটি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদের বক্তব্য শোনার পর কমিটির আহ্বায়ক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
জানা গেছে, হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত সংসদীয় উপকমিটির ডাকে সাড়া দিয়ে মঙ্গলবার প্রায় দু ঘণ্টা বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তানভীর মাহমুদ ও মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদ।
সংসদ ভবনে কমিটির আহ্বায়ক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সোনালী ব্যাংকের ঋণদান প্রক্রিয়ায় সুনির্দিষ্ট অনিয়ম পেয়েছি। এছাড়া বেশ কিছু অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। হলমার্কের ঋণ গ্রহণে অনিয়ম যে হয়েছে তা হলমার্ক ব্যবস্থাপনা পরিচালকও স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে সার্বিক বিষয়ে সুপারিশসহ কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি হওয়ার পর এ ঘটনায় কারা জড়িত সে বিষয়ে জানা যাবে।
তাজুল ইসলাম বলেন, হলমার্ক ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনা তদন্তে গঠিত অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় উপকমিটি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনবোধ করছে না। কারণ এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে কেউ মোদাচ্ছের আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করেনি। প্রয়োজন হলে তাকে ডাকা হবে।
তবে উপকমিটি প্রয়োজনে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে বৈঠক করবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
গত ৩ সেপ্টেম্বর অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কার্যক্রমে অসেন্তোষ প্রকাশ করে এবং সার্বিক কার্যক্রম তদন্তে মো. তাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে একটি উপকমিটি গঠন করা হয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে হলমার্ককে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের অনিয়মের বিষয়টি উঠে এলে দুর্নীতি দমন কমিশন এর তদন্ত শুরু করে।
হলমার্ক গ্রুপের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর সম্পৃক্ততার কথাও বিভিন্ন সংবাদপত্রে ছাপা হয়েছে। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদের ইঙ্গিত দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
৩ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকের প্রথম ১০ জন সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহীতার লেনদেনসহ ব্যাংকসমূহের সার্বিক কার্যক্রম এবং সম্প্রতি আলোচনায় আসা হলমার্কের ঋণ গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কমিটির সদস্য মো. তাজুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং এম এ মান্নান ও গোলাম দস্তগীর গাজীকে সদস্য করে গঠিত তিন সদস্যবিশিষ্ট উপকমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তাজুল ইসলাম ওইদিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর (পাঁচটি) সামগ্রিক চিত্র খতিয়ে দেখার জন্য এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘‘কমিটি হলমার্ক কেলেঙ্কারীকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কার্যক্রমের ব্যাপারে খুবই অসন্তুষ্ট।’’
‘ডেসটিনি কর্মকর্তাদের যেখানে পাওয়া যাবে গ্রেফতার করা হবে’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
‘ডেসটিনি কর্মকর্তাদের যেখানে পাওয়া যাবে গ্রেফতার করা হবে’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেছেন, ডেসটিনির ২২
কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে দুদক। তাদের যেখানে যেভাবে পাওয়া
যাবে গ্রেফতার করা হবে।
মঙ্গলবার বিকেলে দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার জামিন বাতিল করে আদালত তাদের আত্মসর্মপণের কথা বলেছে । কিন্তু তারা আত্মসর্মপণ না করে আদালতের আদেশ অমান্য করেছে। আইনের চোখে তারা এখন পলাতক। তাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গ্রেফতার করা উচিত।
গোলাম রহমান বলেন, ডেসটিনি দেশের আট লাখ মানুষের ভাগ্য নিয়ে প্রতারণা করেছে । তারা শুধু মানুষের আর্থিক ক্ষতি করছে না, এরা দেশের শত্রু। তাই তাদের আইনের হাতে তুলে দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে দুদক।
হলমার্ক কেলেংকারি বিষয়ে তিনি বলেন, সোনালী ব্যাংক ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে নানাভাবে জড়িতদের বিরুদ্ধে যে সিরিজ মামলাগুলো হতে যাচ্ছে, তার মধ্যে বেশ কিছু মামলার সুপারিশসহ অনুসন্ধান প্রতিবেদন তৈরির কাজ প্রায় শেষ। অনুসন্ধান পূর্ণাঙ্গভাবে শেষ করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক।
মঙ্গলবার বিকেলে দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার জামিন বাতিল করে আদালত তাদের আত্মসর্মপণের কথা বলেছে । কিন্তু তারা আত্মসর্মপণ না করে আদালতের আদেশ অমান্য করেছে। আইনের চোখে তারা এখন পলাতক। তাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গ্রেফতার করা উচিত।
গোলাম রহমান বলেন, ডেসটিনি দেশের আট লাখ মানুষের ভাগ্য নিয়ে প্রতারণা করেছে । তারা শুধু মানুষের আর্থিক ক্ষতি করছে না, এরা দেশের শত্রু। তাই তাদের আইনের হাতে তুলে দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে দুদক।
হলমার্ক কেলেংকারি বিষয়ে তিনি বলেন, সোনালী ব্যাংক ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে নানাভাবে জড়িতদের বিরুদ্ধে যে সিরিজ মামলাগুলো হতে যাচ্ছে, তার মধ্যে বেশ কিছু মামলার সুপারিশসহ অনুসন্ধান প্রতিবেদন তৈরির কাজ প্রায় শেষ। অনুসন্ধান পূর্ণাঙ্গভাবে শেষ করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক।
সীতাকুণ্ডে প্রতারকচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
সীতাকুণ্ডে প্রতারকচক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড জিনের বাদশা প্রতারকচক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার
করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বেলা তিনটায় সীতাকুণ্ড পৌরসদরের উত্তর বাজার বাইপাস
এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাতকানিয়া পৌরসদরের কেউচিয়া মাইজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সৌদিপ্রবাসী আব্দুল গফুরের স্ত্রী খুরশিদা আক্তার গিন্নির সঙ্গে জিনের বাদশা প্রতারকদল মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে গত রমজান মাসে ভয়ভীতি দেখিয়ে নয় ভরি স্বর্ণ এবং বিকাশের মাধ্যমে ৩৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে এ বিষয়টি সে তার চাচি মনোয়ারা বেগমকে (৩৮) জানায়।
মনোয়ারা বিষয়টি বুঝতে পেরে খুরশিদার কাছ থেকে প্রতারকচক্রের সদস্যদের মোবাইর নম্বর নিয়ে তাদের কাছে ফোন করে ফাঁদে ফেলানোর চেষ্টা করতে থাকে। জিনের বাদশারা একপর্যায়ে মনোয়ারাকে ছয়ভরি স্বর্ণের বিনিময়ে কোটি টাকা মূল্যের একটি স্বর্ণের মুর্তি দিবে বলে জানায় এবং এজন্য তাকে সীতাকুণ্ড আসতে বলে।
মনোয়ারার স্বামী আব্দুল মান্নান জানান, সে অনুযায়ী আমরা একটি টেক্সি নিয়ে সীতাকুন্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হই। এসময় খুরশিদা ও মনোয়ারাকে বাইপাস এলাকায় পাঠিয়ে দিয়ে আমি সীতাকুণ্ড মডেল থানায় পুলিশকে বিষয়টি জানালে পিএমআই সফিকুল ইসলাম নেতৃত্বে একদল পুলিশ বাইপাসের সামনে সাধারণ পোষাকে অবস্থান নেয়।
তখন মনোয়ারা বাইপাসের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতারক জিনের বাদশার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। এর কিছুক্ষণ পর জিনের বাদশার এক সদস্য মনোয়ারার সামনে এসে তাকে একটি পিতলের মূর্তি হাতে দেয়ার সময় পুলিশ গাইবান্ধা জেলার গবিন্দগঞ্জ থানার গোফিনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত ফয়েজ আলীর ছেলে রেজাউল (২৪), একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মতিয়ার (৩৫) ও ভগবানপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলীর ছেলে মঈনুল ইসলাম প্রকাশ জলিলকে (৩০) গ্রেফতার করে।
এসময় পুলিশ তাদের কাছ থেকে একটি মাইক্রোবাসও আটক করে। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে জিনের বাদশা পরিচয়ে এ চক্রটি বিভিন্ন মানুষদের ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা পয়সা স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিয়ে সর্বশান্ত করছে। মঙ্গলবার পুলিশ কৌশলে তাদের কয়েকজনকে আটক করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাতকানিয়া পৌরসদরের কেউচিয়া মাইজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সৌদিপ্রবাসী আব্দুল গফুরের স্ত্রী খুরশিদা আক্তার গিন্নির সঙ্গে জিনের বাদশা প্রতারকদল মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে গত রমজান মাসে ভয়ভীতি দেখিয়ে নয় ভরি স্বর্ণ এবং বিকাশের মাধ্যমে ৩৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে এ বিষয়টি সে তার চাচি মনোয়ারা বেগমকে (৩৮) জানায়।
মনোয়ারা বিষয়টি বুঝতে পেরে খুরশিদার কাছ থেকে প্রতারকচক্রের সদস্যদের মোবাইর নম্বর নিয়ে তাদের কাছে ফোন করে ফাঁদে ফেলানোর চেষ্টা করতে থাকে। জিনের বাদশারা একপর্যায়ে মনোয়ারাকে ছয়ভরি স্বর্ণের বিনিময়ে কোটি টাকা মূল্যের একটি স্বর্ণের মুর্তি দিবে বলে জানায় এবং এজন্য তাকে সীতাকুণ্ড আসতে বলে।
মনোয়ারার স্বামী আব্দুল মান্নান জানান, সে অনুযায়ী আমরা একটি টেক্সি নিয়ে সীতাকুন্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হই। এসময় খুরশিদা ও মনোয়ারাকে বাইপাস এলাকায় পাঠিয়ে দিয়ে আমি সীতাকুণ্ড মডেল থানায় পুলিশকে বিষয়টি জানালে পিএমআই সফিকুল ইসলাম নেতৃত্বে একদল পুলিশ বাইপাসের সামনে সাধারণ পোষাকে অবস্থান নেয়।
তখন মনোয়ারা বাইপাসের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতারক জিনের বাদশার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। এর কিছুক্ষণ পর জিনের বাদশার এক সদস্য মনোয়ারার সামনে এসে তাকে একটি পিতলের মূর্তি হাতে দেয়ার সময় পুলিশ গাইবান্ধা জেলার গবিন্দগঞ্জ থানার গোফিনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত ফয়েজ আলীর ছেলে রেজাউল (২৪), একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মতিয়ার (৩৫) ও ভগবানপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলীর ছেলে মঈনুল ইসলাম প্রকাশ জলিলকে (৩০) গ্রেফতার করে।
এসময় পুলিশ তাদের কাছ থেকে একটি মাইক্রোবাসও আটক করে। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে জিনের বাদশা পরিচয়ে এ চক্রটি বিভিন্ন মানুষদের ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা পয়সা স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিয়ে সর্বশান্ত করছে। মঙ্গলবার পুলিশ কৌশলে তাদের কয়েকজনকে আটক করে।
রূপগঞ্জে গার্মেন্ট শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
রূপগঞ্জে গার্মেন্ট শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
নারায়ণগঞ্জ, ২ অক্টোবর: বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ
উপজেলার আউখাব এলাকার হারবেস্ট রিচ (বেনেটেক্স) গার্মেন্টের শ্রমিকরা
মঙ্গলবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।
এ সময় মহাসড়কের উভয় পশের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ
যানজটের। এ পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে গার্মেন্ট শ্রমিকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার
ঘটনা ঘটে।
শ্রমিকরা জানায়, গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের শ্রমিকদের বেতন ভাতা দিই
দিচ্ছি করে মালিকপক্ষ টালবাহানা শুরু করেন। মঙ্গলবার সকালে শ্রমিকরা মালিক
পক্ষের কাছ থেকে তাদের বকেয়া বেতন ভাতা দাবি করেন। এ সময় মালিক পক্ষ
বেতনভাতা পরিশোধের কোনো ধরনের আশ্বাস দেননি।
বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারখানার ভেতরে বিক্ষোভ
শুরু করেন। দুপুরে ১২ টার দিকে বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা বেতনভাতা পাওয়ার আশ্বাস
না পেয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ
করেন।
দুপুর একটা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ চলে। পরে পুলিশ এসে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের
ধাওয়া করলে পুলিশের সঙ্গে গার্মেন্ট শ্রমিকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা
ঘটে। এক পর্যায়ে পুলিশ অবরোধকারী শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তবে হতাহতের
খবর পাওয়া যায়নি।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান খান জানান, বকেয়া
বেতনভাতার দাবিতে শ্রমিকরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। বর্তমানে
পরিস্থিতি শান্ত। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ, ২ অক্টোবর: বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ
উপজেলার আউখাব এলাকার হারবেস্ট রিচ (বেনেটেক্স) গার্মেন্টের শ্রমিকরা
মঙ্গলবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।
এ সময় মহাসড়কের উভয় পশের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ
যানজটের। এ পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে গার্মেন্ট শ্রমিকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার
ঘটনা ঘটে।
শ্রমিকরা জানায়, গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের শ্রমিকদের বেতন ভাতা দিই
দিচ্ছি করে মালিকপক্ষ টালবাহানা শুরু করেন। মঙ্গলবার সকালে শ্রমিকরা মালিক
পক্ষের কাছ থেকে তাদের বকেয়া বেতন ভাতা দাবি করেন। এ সময় মালিক পক্ষ
বেতনভাতা পরিশোধের কোনো ধরনের আশ্বাস দেননি।
বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারখানার ভেতরে বিক্ষোভ
শুরু করেন। দুপুরে ১২ টার দিকে বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা বেতনভাতা পাওয়ার আশ্বাস
না পেয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ
করেন।
দুপুর একটা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ চলে। পরে পুলিশ এসে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের
ধাওয়া করলে পুলিশের সঙ্গে গার্মেন্ট শ্রমিকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা
ঘটে। এক পর্যায়ে পুলিশ অবরোধকারী শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তবে হতাহতের
খবর পাওয়া যায়নি।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান খান জানান, বকেয়া
বেতনভাতার দাবিতে শ্রমিকরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। বর্তমানে
পরিস্থিতি শান্ত। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
মান বাঁচানোর ম্যাচে ‘এ’ দলের বিশাল জয় :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
মান বাঁচানোর ম্যাচে ‘এ’ দলের বিশাল জয় :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
হারানোর ছিল না কিছুই। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুটিতে জয় নিয়ে সিরিজ
নিজেদের করে নেয় সফরকারিরা। তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজ হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) দল
নেমেছিল ফুরফুরে মেজাজে। তবে শেষ ম্যাচটা ‘এ’ দলের ক্রিকেটারদের কাছে হয়ে
পড়েছিল মান বাঁচানোর শেষ সুযোগ। আজ মিরপুরে শুধু নিজেদের সম্মান রক্ষাই নয় ৯
উইকেটের বিশাল জয় নিয়ে আগের দুই ওয়ানডে হারেরও ঝাল মিটিয়েছেন
আনামুল-মমিনুলরা। বোলারদের তান্ডবে মাত্র ৫৪ রানে গুটিয়ে যাওয়া
ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে জয়টা এসেছে মাত্র ৮ ওভার ৪ বলে।
চারদিনের ম্যাচে ক্যারিবীয় দলটি কোনো পাত্তা না পেলেও ওয়ানডে সিরিজে
বাঁ-হাতি স্পিনারদের কল্যাণে প্রথম দুই ম্যাচেই সহজ জয় তুলে নেয় সফরকারিরা।
এরপরই প্রশ্ন ওঠে নির্বাচকদের দল গঠন ও ‘এ’ দলের ব্যাটসম্যানদের বাঁ-হাতি
স্পিন ভীতি নিয়ে। আজ তাই একাদশে পরিবর্তনটা একরকম নিশ্চিতই ছিল। একাদশ থেকে
বাদ পড়েন আগের দুই ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দেয়া রকিবুল হাসানও। সব মিলিয়ে ৬
পরিবর্তন। আসিফ আহমেদ রাতুল ও মাহমুদুল হাসান লিমনের সঙ্গে একাদশে যোগ দেন
আবুল হাসান রাজু, জিয়াউর রহমান, মমিনুল হক ও সৌম্য সরকার। তবে ম্যাচের নায়ক
কোনো ব্যাটসম্যান নন সেই বোলাররাই। তাও আবার এককভাবে কেউ নন।
মর্যাদা রক্ষার শেষ সুযোগটা ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন আবুল হাসান, সৌম্য
সরকার, নাঈম ইসলাম ও এনামুল হক। প্রত্যেকেই দখল করেন দুটি করে উইকেট। আর
তাতে মাত্র ১৮ ওভারেই কফিনবন্দি হাইপারফরম্যান্স দল।
টস জয়ের পর ব্যাট করতে নেমেই ‘এ’ দলের বোলারদের তোপেড় মুখে ৩৫ রানেই নেই
ক্যারিবীয়দের সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যান। ম্যাচের প্রথম বলে ফ্লেচারের (০) রান
আউটের পর পরের চার উইকেট ভাগাভাগি করেন রাজু ও সৌম্য। এরপর হাত ঘোরাতে এসে
নাঈম, এনামুলরাও আঘাত হানেন দুবার করে। ১৮ ওভারে বাক্সবন্দি হওয়ার আগে ৫৪
রান সংগ্রহ করে এইচপি দল। জবাবে প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই হাঁটুতে চোট
নিয়ে মাঠ ছাড়েন ওপেনার সৌম্য। দলীয় ৪ রানে শাহরিয়ার নাফীসও বিদায় নিলে
কিছুটা শংকা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু আনামুল (২৩)-মোমিনুল (২৫) জুটি বাকি পথটা
পাড়ি দেন নির্বিঘ্নেই। ৮.৪ ওভারে ম্যাচ জিতে মিটিয়ে নেন আগের দুই ম্যাচ
হারের ঝালটাও।
হারানোর ছিল না কিছুই। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুটিতে জয় নিয়ে সিরিজ
নিজেদের করে নেয় সফরকারিরা। তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজ হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) দল
নেমেছিল ফুরফুরে মেজাজে। তবে শেষ ম্যাচটা ‘এ’ দলের ক্রিকেটারদের কাছে হয়ে
পড়েছিল মান বাঁচানোর শেষ সুযোগ। আজ মিরপুরে শুধু নিজেদের সম্মান রক্ষাই নয় ৯
উইকেটের বিশাল জয় নিয়ে আগের দুই ওয়ানডে হারেরও ঝাল মিটিয়েছেন
আনামুল-মমিনুলরা। বোলারদের তান্ডবে মাত্র ৫৪ রানে গুটিয়ে যাওয়া
ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে জয়টা এসেছে মাত্র ৮ ওভার ৪ বলে।
চারদিনের ম্যাচে ক্যারিবীয় দলটি কোনো পাত্তা না পেলেও ওয়ানডে সিরিজে
বাঁ-হাতি স্পিনারদের কল্যাণে প্রথম দুই ম্যাচেই সহজ জয় তুলে নেয় সফরকারিরা।
এরপরই প্রশ্ন ওঠে নির্বাচকদের দল গঠন ও ‘এ’ দলের ব্যাটসম্যানদের বাঁ-হাতি
স্পিন ভীতি নিয়ে। আজ তাই একাদশে পরিবর্তনটা একরকম নিশ্চিতই ছিল। একাদশ থেকে
বাদ পড়েন আগের দুই ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দেয়া রকিবুল হাসানও। সব মিলিয়ে ৬
পরিবর্তন। আসিফ আহমেদ রাতুল ও মাহমুদুল হাসান লিমনের সঙ্গে একাদশে যোগ দেন
আবুল হাসান রাজু, জিয়াউর রহমান, মমিনুল হক ও সৌম্য সরকার। তবে ম্যাচের নায়ক
কোনো ব্যাটসম্যান নন সেই বোলাররাই। তাও আবার এককভাবে কেউ নন।
মর্যাদা রক্ষার শেষ সুযোগটা ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন আবুল হাসান, সৌম্য
সরকার, নাঈম ইসলাম ও এনামুল হক। প্রত্যেকেই দখল করেন দুটি করে উইকেট। আর
তাতে মাত্র ১৮ ওভারেই কফিনবন্দি হাইপারফরম্যান্স দল।
টস জয়ের পর ব্যাট করতে নেমেই ‘এ’ দলের বোলারদের তোপেড় মুখে ৩৫ রানেই নেই
ক্যারিবীয়দের সেরা পাঁচ ব্যাটসম্যান। ম্যাচের প্রথম বলে ফ্লেচারের (০) রান
আউটের পর পরের চার উইকেট ভাগাভাগি করেন রাজু ও সৌম্য। এরপর হাত ঘোরাতে এসে
নাঈম, এনামুলরাও আঘাত হানেন দুবার করে। ১৮ ওভারে বাক্সবন্দি হওয়ার আগে ৫৪
রান সংগ্রহ করে এইচপি দল। জবাবে প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই হাঁটুতে চোট
নিয়ে মাঠ ছাড়েন ওপেনার সৌম্য। দলীয় ৪ রানে শাহরিয়ার নাফীসও বিদায় নিলে
কিছুটা শংকা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু আনামুল (২৩)-মোমিনুল (২৫) জুটি বাকি পথটা
পাড়ি দেন নির্বিঘ্নেই। ৮.৪ ওভারে ম্যাচ জিতে মিটিয়ে নেন আগের দুই ম্যাচ
হারের ঝালটাও।
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমির পথে পাকিস্তান :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমির পথে পাকিস্তান :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
অস্ট্রেলিয়াকে ৩২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের স্বপ্ন জিইয়ে
রাখলো পাকিস্তান। তবে দিনের অপর ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ভারত হারলেই
গ্রুপ-২ থেকে সুপার ফোর নিশ্চিত হবে পাকিস্তানের।
আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের দেয়া ১৫০ রানের জবাবে খেলতে নামা
অজিদের শুরু থেকেই চেপে ধরে পাকিস্তানের বোলাররা। ১৯ রানের মধ্যে প্রথম
সারির দুই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। এদিন বিধ্বংসী ওয়াটসনের ব্যাটে ঝড় উঠতে
দেয়নি রাজা হাসান। ৮ রান করা ওয়াটসনকে এলবিডব্লিউ ফাঁদে ফেলেন এই স্পিনার।
আরেক ওপেনার ওয়ার্নারও সুবিধে করতে পারেনি এদিন। ওয়ার্নারকে (৮) ফেরান
হাফিজ।
তবে প্রথম উইকেটে খেলতে নামা হাসি দলকে টেনে নেয়ার চেষ্টা চালান। ওয়েডকে
সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে ৪০ রানের জুটি গড়েন হাসি। তবে দলকে জয়ী করে মাঠ
ছাড়তে পারেননি এই মারকুটে ব্যাটসম্যান। ৪৭ বলে চারটি চার এবং একটি ছক্কা
হাকিয়ে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন হাসি।
এছাড়া বেইলি ১৫ এবং ওয়েড ১৩ রান করলেও আর কোনো ব্যাটনস্যানের কাছ থেকে সম্মানজনক কোনো স্কোর আসেনি।
অজিদের ক্রিজে আসা-যাওয়ার মিছিলে সামিল করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান
সাঈদ আজমল। এই স্পিনারের বলে খুব একটা সুবিধে করতে পারছিলো না অজিরা। ৪
ওভার বল করে ১৭ রানে তিনটি উইকেট নেন আজমল। এড়াছা রাজা হাসান এবং হাফিজ
উভয়েই দুটি করে উইকেট ভাগাভাগি করে নেন।
এর আগে, আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম, কলম্বোতে টস হেরে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান করে পাকিস্তান।
শুরুটা পাকিস্তানেরও ভালো ছিলো না। দলীয় ৫ রানের মাথায় ওপেনার হাফিজেকে
এলবিডব্লিউ ফাঁদে ফেলেন স্টার্ক। ব্যাট হাতে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি আরেক
ওপেনার ইমরান নাজিরও। ১৪ রান করে ওয়াটসনের বলে বেইলির হাতে ক্যাচ তুলে দেন
নাজির।
তবে নাসির জামশেদ এবং কামরান আকমলের তৃতীয় উইকেট জুটি ঘুরে দাঁড়ালে বড়
সংগ্রহের পথেই এগুতে থাকে পাকিস্তানের ইনিংস। এই জুটির ব্যাট থেকে আসে
সর্বোচ্চ ৭৯ রান।
দলীয় ১০৮ রানের সময় তৃতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। ডোহার্টির বলে
ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন জামশেদ। তবে আউট হওয়ার
আগে নিজের ক্যারিয়ার ফিফটি তুলে নেন। ৪৬ বলে চারটি চার এবং দুটি ছক্কা
হাকিয়ে ৫৫ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস খেলেন জামশেদ।
১৫.১ ওভারে জামশেদের পথ ধরেন কামরান আকমল। ৩২ রান করা আকমলকে ফেরান স্টার্ক।
১০৮ রানে তিন উইকেট হারানো পাক শিবিরকে বাকি পথটুকু পাড়ি দিতে সাহায্য
করেন উমর আকমল-আব্দুল রাজ্জাক। এই দুই জুটির ব্যাট থেকে আসে ২৮ রান। উমর
আকমল ৯ রানে অপরাজিত থাকলেও ২২ রান করা রাজ্জাককে ফেরান কামিন্স।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানের লো স্কোর সংগ্রহ করে পাকিস্তান।
অজিদের হয়ে মিচেল স্টার্ক ২০ রানে তিন উইকেট নেন।
অস্ট্রেলিয়াকে ৩২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালের স্বপ্ন জিইয়ে
রাখলো পাকিস্তান। তবে দিনের অপর ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ভারত হারলেই
গ্রুপ-২ থেকে সুপার ফোর নিশ্চিত হবে পাকিস্তানের।
আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের দেয়া ১৫০ রানের জবাবে খেলতে নামা
অজিদের শুরু থেকেই চেপে ধরে পাকিস্তানের বোলাররা। ১৯ রানের মধ্যে প্রথম
সারির দুই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। এদিন বিধ্বংসী ওয়াটসনের ব্যাটে ঝড় উঠতে
দেয়নি রাজা হাসান। ৮ রান করা ওয়াটসনকে এলবিডব্লিউ ফাঁদে ফেলেন এই স্পিনার।
আরেক ওপেনার ওয়ার্নারও সুবিধে করতে পারেনি এদিন। ওয়ার্নারকে (৮) ফেরান
হাফিজ।
তবে প্রথম উইকেটে খেলতে নামা হাসি দলকে টেনে নেয়ার চেষ্টা চালান। ওয়েডকে
সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে ৪০ রানের জুটি গড়েন হাসি। তবে দলকে জয়ী করে মাঠ
ছাড়তে পারেননি এই মারকুটে ব্যাটসম্যান। ৪৭ বলে চারটি চার এবং একটি ছক্কা
হাকিয়ে ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন হাসি।
এছাড়া বেইলি ১৫ এবং ওয়েড ১৩ রান করলেও আর কোনো ব্যাটনস্যানের কাছ থেকে সম্মানজনক কোনো স্কোর আসেনি।
অজিদের ক্রিজে আসা-যাওয়ার মিছিলে সামিল করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অবদান
সাঈদ আজমল। এই স্পিনারের বলে খুব একটা সুবিধে করতে পারছিলো না অজিরা। ৪
ওভার বল করে ১৭ রানে তিনটি উইকেট নেন আজমল। এড়াছা রাজা হাসান এবং হাফিজ
উভয়েই দুটি করে উইকেট ভাগাভাগি করে নেন।
এর আগে, আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম, কলম্বোতে টস হেরে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান করে পাকিস্তান।
শুরুটা পাকিস্তানেরও ভালো ছিলো না। দলীয় ৫ রানের মাথায় ওপেনার হাফিজেকে
এলবিডব্লিউ ফাঁদে ফেলেন স্টার্ক। ব্যাট হাতে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি আরেক
ওপেনার ইমরান নাজিরও। ১৪ রান করে ওয়াটসনের বলে বেইলির হাতে ক্যাচ তুলে দেন
নাজির।
তবে নাসির জামশেদ এবং কামরান আকমলের তৃতীয় উইকেট জুটি ঘুরে দাঁড়ালে বড়
সংগ্রহের পথেই এগুতে থাকে পাকিস্তানের ইনিংস। এই জুটির ব্যাট থেকে আসে
সর্বোচ্চ ৭৯ রান।
দলীয় ১০৮ রানের সময় তৃতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। ডোহার্টির বলে
ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন জামশেদ। তবে আউট হওয়ার
আগে নিজের ক্যারিয়ার ফিফটি তুলে নেন। ৪৬ বলে চারটি চার এবং দুটি ছক্কা
হাকিয়ে ৫৫ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস খেলেন জামশেদ।
১৫.১ ওভারে জামশেদের পথ ধরেন কামরান আকমল। ৩২ রান করা আকমলকে ফেরান স্টার্ক।
১০৮ রানে তিন উইকেট হারানো পাক শিবিরকে বাকি পথটুকু পাড়ি দিতে সাহায্য
করেন উমর আকমল-আব্দুল রাজ্জাক। এই দুই জুটির ব্যাট থেকে আসে ২৮ রান। উমর
আকমল ৯ রানে অপরাজিত থাকলেও ২২ রান করা রাজ্জাককে ফেরান কামিন্স।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানের লো স্কোর সংগ্রহ করে পাকিস্তান।
অজিদের হয়ে মিচেল স্টার্ক ২০ রানে তিন উইকেট নেন।
হংকংয়ে যাত্রীবাহী লঞ্চডুবি, ৩৬ যাত্রীর মৃত্যু :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
হংকংয়ে যাত্রীবাহী লঞ্চডুবি, ৩৬ যাত্রীর মৃত্যু :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
হংকংয়ের লাম্মা দ্বীপের কাছে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চডুবির ঘটনায় ৩৬ যাত্রীর
মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। প্রায় দেড়শ যাত্রীবাহী লঞ্চটি সোমবার রাতে একটি
প্রমোদতরীর সঙ্গে ধাক্কা লেগে পানিতে তলিয়ে যায়।
হংকংয়ের ইতিহাসের অন্যতম বড় এ নৌদুর্ঘটনায় আরো শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছে। আহতদের হংকংয়ের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
লঞ্চটিতে করে হংকং ইলেকট্রিক কোম্পানি'র কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা
চীনের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠান দেখার জন্য ভিক্টোরিয়া হারবারে যাচ্ছিলেন।
বেঁচে যাওয়া যাত্রীরা জানিয়েছেন, হংকং ইলেকট্রিক কোম্পানির লঞ্চটি ধাক্কা
খাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে পানিতে ডুবে যায়।
বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী জানিয়েছেন, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে আমাদের জাহাজ
তলিয়ে যায়। কিন্তু আমাদেরকে উদ্ধার করার জন্য কমপক্ষে ২০ মিনিট সময় প্রয়োজন
ছিল। অন্য এক মহিলা যাত্রী বলেন, “আমরা সবাই আটকা পড়ে গিয়েছিলাম। ভাবছিলাম
মরতে যাচ্ছি।”
বেশ কিছু যাত্রী ডুবন্ত লঞ্চের জানালার কাঁচ ভেঙে বেরিয়ে আসেন এবং সাতরে তীরে পৌঁছে যান।
হংকং সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, লঞ্চডুবির ঘটনায় ঘটনাস্থলে ২৮ জন এবং
হাসপাতালে নেয়ার পর আরো আটজন মারা গেছে। এ ছাড়া, আহত আরো কমপক্ষে ১০০ জনকে
পাঁচটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে নয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ডুবে যাওয়া লঞ্চের কোনো যাত্রী পানির তোড়ে দূরে ভেসে গেছে কিনা তা দেখার জন্য সাগরে উদ্ধার অভিযান চলছে। সূত্র: আইআরআইবি
হংকংয়ের লাম্মা দ্বীপের কাছে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চডুবির ঘটনায় ৩৬ যাত্রীর
মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। প্রায় দেড়শ যাত্রীবাহী লঞ্চটি সোমবার রাতে একটি
প্রমোদতরীর সঙ্গে ধাক্কা লেগে পানিতে তলিয়ে যায়।
হংকংয়ের ইতিহাসের অন্যতম বড় এ নৌদুর্ঘটনায় আরো শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছে। আহতদের হংকংয়ের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
লঞ্চটিতে করে হংকং ইলেকট্রিক কোম্পানি'র কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা
চীনের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠান দেখার জন্য ভিক্টোরিয়া হারবারে যাচ্ছিলেন।
বেঁচে যাওয়া যাত্রীরা জানিয়েছেন, হংকং ইলেকট্রিক কোম্পানির লঞ্চটি ধাক্কা
খাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে পানিতে ডুবে যায়।
বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী জানিয়েছেন, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে আমাদের জাহাজ
তলিয়ে যায়। কিন্তু আমাদেরকে উদ্ধার করার জন্য কমপক্ষে ২০ মিনিট সময় প্রয়োজন
ছিল। অন্য এক মহিলা যাত্রী বলেন, “আমরা সবাই আটকা পড়ে গিয়েছিলাম। ভাবছিলাম
মরতে যাচ্ছি।”
বেশ কিছু যাত্রী ডুবন্ত লঞ্চের জানালার কাঁচ ভেঙে বেরিয়ে আসেন এবং সাতরে তীরে পৌঁছে যান।
হংকং সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, লঞ্চডুবির ঘটনায় ঘটনাস্থলে ২৮ জন এবং
হাসপাতালে নেয়ার পর আরো আটজন মারা গেছে। এ ছাড়া, আহত আরো কমপক্ষে ১০০ জনকে
পাঁচটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে নয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ডুবে যাওয়া লঞ্চের কোনো যাত্রী পানির তোড়ে দূরে ভেসে গেছে কিনা তা দেখার জন্য সাগরে উদ্ধার অভিযান চলছে। সূত্র: আইআরআইবি
১০ বছর পর ইসরাইল নামে কিছু থাকবে না: কিসিঞ্জার :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
১০ বছর পর ইসরাইল নামে কিছু থাকবে না: কিসিঞ্জার :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিসিঞ্জার বলেছেন, এটা বলতে দ্বিধা নেই যে, আগামী ১০ বছর পর ইসরাইল নামে আর কিছু থাকবে না।
এ সম্পর্কে মার্কিন রাজনৈতিক ভাষ্যকার কেভিন ব্যারেট এক প্রবন্ধে বলেছেন,
“কিসিঞ্জারের এ মন্তব্য সোজাসাপ্টা ও নিষ্ঠুর। তিনি বলছেন না যে, ইসরাইল
বিপদের মধ্যে আছে, তবে এটা বলছেন যে, তাকে রক্ষা করা সম্ভব হতো আরো কয়েক
ট্রিলিয়ন ডলার সহায়তা দিলে এবং আমাদের সামরিক বাহিনী দিয়ে এর শত্রুদেরকে
গুঁড়িয়ে দিলে।”
কেভিন ব্যারেট আরো লিখেছেন, “তিনি সমাধানের কোনো উপায় বলছেন না বরং তিনি শধু বলছেন: আগামী ২০২২ সালের পর ইসরাইল আর টিকে থাকবে না।”
ব্যারেটের এ প্রবন্ধ ইরানের ইংরেজি ভাষার নিউজ চ্যানেল প্রেস টিভির
ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। মার্কিন ১৬টি গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত
স্টাডি কমিশনের তৈরি করা প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে তিনিও কিসিঞ্জারের
বক্তব্যকে সমর্থন করেন। ‘প্রিপেয়ারিং ফর এ পোস্ট-ইসরাইল মিডল ইস্ট’ নামে
গোয়েন্দা কমিশনের এ প্রতিবেদন চলতি বছরের প্রথম দিকে প্রণয়ন করা হয়েছে।
ব্যারেট বলেন, আরব অঞ্চলে ইসলোমি জাগরণের ফলে ফিলিস্তিনিদের আত্মাহুতি এবং
ইসলামি ইরানের জেগে ওঠার ফলে ভবিষ্যত দিনগুলোতে ইসরাইল টিকতে পারবে না।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- একশ' কোটির বেশি
মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে ইসরাইলকে অব্যাহত সমর্থন দেয়ার মতো সামরিক ও
অর্থনৈতিক শক্তি আমেরিকার নেই। এর বিপরীতে মার্কিন সরকারকে তার নিজ স্বার্থ
দেখতে হবে এবং ইসরাইলের লাগাম টেনে ধরা উচিত।
যেসব কারণে ইসরাইলের পতন হবে তার মধ্যে আমেরিকায় বসবাসকারী ইহুদিদের
মধ্যে ইসরাইল ইস্যুতে দিন দিন বেড়ে চলা অনৈক্য, ১/১১'র ঘটনায় ইসরাইল
জড়িত বলে মানুষের মাঝে ধারণা বদ্ধমূল হওয়া এবং ইসরাইলের গোড়াবাদী নীতির
প্রতি মার্কিন জনগণের বিরূপ ধারণা উল্লেখযোগ্য বলে ব্যারেট তার প্রবন্ধে
উল্লেখ করেছেন।
প্রবন্ধের শেষ দিকে তিনি বলেছেন, মার্কিন নীতি-নির্ধারকদের জন্য সহজ পথ
হচ্ছে কিসিঞ্জারের বক্তব্য মেনে নেয়া- ‘ইসরাইল তার আয়ুর শেষ পর্যায়ে
পৌঁছেছে।’ সূত্র: আইআরআইবি
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিসিঞ্জার বলেছেন, এটা বলতে দ্বিধা নেই যে, আগামী ১০ বছর পর ইসরাইল নামে আর কিছু থাকবে না।
এ সম্পর্কে মার্কিন রাজনৈতিক ভাষ্যকার কেভিন ব্যারেট এক প্রবন্ধে বলেছেন,
“কিসিঞ্জারের এ মন্তব্য সোজাসাপ্টা ও নিষ্ঠুর। তিনি বলছেন না যে, ইসরাইল
বিপদের মধ্যে আছে, তবে এটা বলছেন যে, তাকে রক্ষা করা সম্ভব হতো আরো কয়েক
ট্রিলিয়ন ডলার সহায়তা দিলে এবং আমাদের সামরিক বাহিনী দিয়ে এর শত্রুদেরকে
গুঁড়িয়ে দিলে।”
কেভিন ব্যারেট আরো লিখেছেন, “তিনি সমাধানের কোনো উপায় বলছেন না বরং তিনি শধু বলছেন: আগামী ২০২২ সালের পর ইসরাইল আর টিকে থাকবে না।”
ব্যারেটের এ প্রবন্ধ ইরানের ইংরেজি ভাষার নিউজ চ্যানেল প্রেস টিভির
ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। মার্কিন ১৬টি গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত
স্টাডি কমিশনের তৈরি করা প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে তিনিও কিসিঞ্জারের
বক্তব্যকে সমর্থন করেন। ‘প্রিপেয়ারিং ফর এ পোস্ট-ইসরাইল মিডল ইস্ট’ নামে
গোয়েন্দা কমিশনের এ প্রতিবেদন চলতি বছরের প্রথম দিকে প্রণয়ন করা হয়েছে।
ব্যারেট বলেন, আরব অঞ্চলে ইসলোমি জাগরণের ফলে ফিলিস্তিনিদের আত্মাহুতি এবং
ইসলামি ইরানের জেগে ওঠার ফলে ভবিষ্যত দিনগুলোতে ইসরাইল টিকতে পারবে না।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- একশ' কোটির বেশি
মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করে ইসরাইলকে অব্যাহত সমর্থন দেয়ার মতো সামরিক ও
অর্থনৈতিক শক্তি আমেরিকার নেই। এর বিপরীতে মার্কিন সরকারকে তার নিজ স্বার্থ
দেখতে হবে এবং ইসরাইলের লাগাম টেনে ধরা উচিত।
যেসব কারণে ইসরাইলের পতন হবে তার মধ্যে আমেরিকায় বসবাসকারী ইহুদিদের
মধ্যে ইসরাইল ইস্যুতে দিন দিন বেড়ে চলা অনৈক্য, ১/১১'র ঘটনায় ইসরাইল
জড়িত বলে মানুষের মাঝে ধারণা বদ্ধমূল হওয়া এবং ইসরাইলের গোড়াবাদী নীতির
প্রতি মার্কিন জনগণের বিরূপ ধারণা উল্লেখযোগ্য বলে ব্যারেট তার প্রবন্ধে
উল্লেখ করেছেন।
প্রবন্ধের শেষ দিকে তিনি বলেছেন, মার্কিন নীতি-নির্ধারকদের জন্য সহজ পথ
হচ্ছে কিসিঞ্জারের বক্তব্য মেনে নেয়া- ‘ইসরাইল তার আয়ুর শেষ পর্যায়ে
পৌঁছেছে।’ সূত্র: আইআরআইবি
ইসলামাবাদে পরকীয়া রামুতে সহিংসতা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
ইসলামাবাদে পরকীয়া রামুতে সহিংসতা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
নিউজপেপার রিভিউ সপ্তাহ শুরুর দিন অর্থাৎ গত বুধবার ২৬ সেপ্টেম্বর একটি
পরকীয়ার খবর ছাপিয়ে সবাইকে ছাড়িয়ে যায় ইত্তেফাক। এই কথিত পরকীয়ার
পাত্রপাত্রী গ্ল্যামার জগতের কেউ নন, ফলে খবরটি সহজেই ইত্তেফাকে দ্বিতীয়
শীর্ষ সংবাদের স্থান দখল করে। সংবাদটির শিরোনাম: ‘হিনা-বিলাওয়াল প্রেমের
গুজবে জারদারির সিংহাসনে কাঁপন!’ হিনা অর্থাৎ হিনা রব্বানী খার হচ্ছেন
পাকিস্তানের অপেক্ষাকৃত কমবয়সী, সুন্দরী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর বিলাওয়াল
হচ্ছেন সেদেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও সাবেক
প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেনজির ভুট্টোর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং একই সঙ্গে শাসকদল
পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান। অসমবয়সী দুই রাজনীতিকের এই
কথিত প্রেমের খবরটি স্বভাবতই পাঠকের তীব্র কৌতূহলের বিষয় হতে পারে- বিষয়টি
যথার্থভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছে ইত্তেফাক এবং পপুলার কাভারেজ দিয়েছে। অন্য
পত্রিকাগুলো এক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ে।
সপ্তাহশেষে এই কথিত পরকীয়ার কেচ্ছা মিইয়ে আসে। তবে উল্লেখযোগ্য হলো, এই
কেচ্ছাটির সাথে বাংলাদেশের ‘ব্লিৎস’ নামের একটি অদৃশ্য সাময়িকীর নাম উঠে
এসেছে বার বার। তারাই এই ‘খবর’টি সর্বপ্রথম ফাঁস করে।
একই দিন ইত্তেফাকের প্রথম পৃষ্ঠায় ডাবল কলাম বক্স করে ছাপানো “ধনাঢ্য
‘ভালোমানুষটি’ যখন ডাকাত!” শীর্ষক সংবাদটিও ছিল শিউরে ওঠার মতো। আবদুল ওহাব
নামে ঢাকার ধামরাই উপজেলার এই ব্যক্তি কোটিপতি ব্যবসায়ী। এলাকার সবচাইতে
বড় চাতালের মালিক। যখন যেই দল ক্ষমতায় যায় সেই দলের নেতা বনে যায় সে। পুলিশ
পর্যন্ত সমীহ করে তাকে। অথচ তলে তলে সে একজন ডাকাত! আমাদের সমাজ কতটা পচে
গেলে গেছে, পিনাকি দাসগুপ্তের এই রিপোর্টটি তারই একটি জ্বলন্ত প্রমাণ হয়ে
থাকলো।
পচাগলা সমাজের আরো একই নমুনা মেলে ওই দিনেরই আমার দেশ-এর শীর্ষ সংবাদে।
আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান হাই কোর্টের বিচারপতি
শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের বিরুদ্ধে ২৯টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কাছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে মানি
লন্ডারিং বা অর্থ পাচার, বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় আইন ভঙ্গ, সম্পদের হিসাব
গোপন করতে মিথ্যা তথ্য প্রদান, বিচারপতিদের আচরণবিধি ভঙ্গ ইত্যাদি। একজন
বিচারপতির বিরুদ্ধেই যদি এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ ওঠে, তাহলে সমাজের কী
অবস্থা, তা কি আর খুলে বলার অপেক্ষা রাখে? কিন্তু সমাজ না হয় পচে গেছে,
মিডিয়ার কী হাল! প্রথম আলো, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ প্রভৃতি প্রথম সারির
দৈনিক কেন খবরটিকে গুরুত্ব দিল না?- এ প্রশ্ন পাঠক করতেই পারে।
২৭ সেপ্টেম্বরের পত্রপত্রিকা আসে একটি দুঃসংবাদ নিয়ে- বিবিসিখ্যাত বরেণ্য
সাংবাদিক আতাউস সামাদ আর নেই। সব পত্রিকা প্রথম পৃষ্ঠায় খবরটি ছাপায়, তবে
সিঙ্গল কলামে। শুধু আমার দেশ দ্বিতীয় শীর্ষ সংবাদ হিসাবে তিন কলাম বক্স করে
খবরটিকে। এদিন সৈয়দ আবদাল আহমদের রিপোর্ট ‘আতাউস সামাদের শেষ উক্তি: আমি
একজন সুখী মানুষ...’ ছিল ব্যতিক্রমী ও মর্মস্পর্শী।
এছাড়া ওই দিন সব পত্রিকার শীর্ষ সংবাদ ছিল পদ্মা সেতু বিতর্ক। বোঝাই
যাচ্ছিল, পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নে বিশ্বব্যাংক ‘ফিরে আসছে’ বলা হলেও
বিষয়টি এতো সোজা নয়, বরং বড়ই জটপাকানো। যেমন জটপাকানো হলমার্ক-সোনালী
ব্যাংক ঋণ কেলেঙ্কারিও। এদিন পত্রপত্রিকায় সোনালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের
কয়েকজন সাবেক সদস্যের দুদকে দেয়া বক্তব্য ছাপা হয়। তারা দুদককে সাফ বলে
দিয়েছেন, সব দোষ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের। আগের দিন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলেছে,
হলমার্কের বিরুদ্ধে মামলা করবে না সোনালী ব্যাংক। মামলা করতে হলে করবে
দুদক।
২৭ সেপ্টেম্বর ইত্তেফাকে জামিউল আহসান সিপু রিপোর্ট করেছেন ‘সপ্তাহের
ছুটির দিনেই হত্যাযজ্ঞ’। এই রিপোর্টে জানা যায়, ঢাকায় সিরিয়াল কিলারের
আবির্ভাব ঘটেছে। তার হাতেই খুনের শিকার হচ্ছে পুলিশের সোর্স, ডিশ লাইনের
কর্মচারি অথবা নিম্ন আয়ের অন্য কোনো মানুষ। এক্ষেত্রে সন্দেহভাজন হিসাবে
নাম উঠে এসেছে জনৈক সালাউদ্দিনের। যাত্রাবাড়ি থানার ওসি বলেছেন,
‘সালাউদ্দিন থানার তালিকার এক নম্বর সন্ত্রাসী’। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো,
এক নম্বর সন্ত্রাসীটির কোনো ছবিই নাকি যাত্রাবাড়ি থানায় নেই। অথচ ওসি
বলেছেন, ‘সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার করতে সোর্স লাগানো হয়েছে’।
২৮ সেপ্টেম্বর ইত্তেফাক শীর্ষ সংবাদ করে ‘আন্দোলনের প্রস্তুতি থাকলেও
সমঝোতায় আগ্রহী ১৮ দল’। রিপোর্টের উপশিরোনাম ‘ফের ওয়ান-ইলেভেন চায় না কেউ,
আওয়ামী লীগের প্রস্তাবের অপেক্ষায় বিএনপি’। রিপোর্টটি করেছেন শামছুদ্দীন
আহমেদ। একই দিন বিপরীত বক্তব্য পাওয়া যায় কালের কণ্ঠের এক রিপোর্টে।
মোশাররফ বাবলুর করা ওই রিপোর্টের শিরোনাম ‘আন্দোলনেই জোর দিচ্ছে বিএনপি’।
অবশ্য বিএনপি নেতারা সমঝোতা ও সংলাপের চিন্তাও মাথায় রেখেছেন, সেকথাও বলা
হয় রিপোর্টে।
একই দিন আমার দেশ-এ কাদের গনি চৌধুরীর রিপোর্ট ‘সরকারের শেষ বছরে
রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি বিক্রির হিড়িক’ ছিল উদ্বেগজনক। এতে বলা হয়, পানির দামে
এসব সম্পত্তি তুলে দেয়া হচ্ছে সরকারি দলের নেতা ও ব্যবসায়ীদের হাতে।
রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি বিক্রিতে এগিয়ে আছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।
ওই দিন বিভিন্ন পত্রিকায় চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের দুই
পক্ষের হানাহানির খবর ও ছবি ছাপায় বিভিন্ন পত্রিকা। এক্ষেত্রে সবচাইতে
ভালো কাভারেজটি ছিল প্রথম আলোর। তারা পাঁচ কলাম ছবি ও দুই কলাম খবর ছাড়াও
এর নেপথ্য কাহিনী ছাপায় সিঙ্গল কলামে। ‘নেপথ্যে নৌ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ’
শীর্ষক রিপোর্টটি করেছেন চট্টগ্রাম থেকে মাসুদ মিলাদ।
২৯ সেপ্টেম্বর আমার দেশ শীর্ষ সংবাদ করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে। শিরোনাম: ‘বিশ্বব্যাংকের সংস্কার
চাইলেন শেখ হাসিনা’। নিঃসন্দেহে সাহসী চাওয়া। কিন্তু এধরনের সাহসী
বক্তব্যকে প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ সিঙ্গল কলামে ছাপালো কেন, সে প্রশ্ন পাঠক
করতেই পারে। একই খবরের সাথে পার্শ্বসংবাদ হিসেবে আরেকটি খবর
‘প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত আসনে বসে ভাষণ শুনলেন জয়’ দিয়েছে আমার দেশ। তারা
প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসে থাকা তার পুত্রের ছবিও ছেপেছে। সরকারের কেউ
না-হয়েও সরকারপ্রধানের আসনে বসে পড়াও নিঃসন্দেহে সাহসী কাজ। আর সেই কাজের
খবর ও ছবি ছাপানোও কম দুঃসাহসের কাজ নয়। এজন্য ধন্যবাদ পেতে পারে আমার দেশ।
আগের দিন চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের মহিউদ্দিন ও লতিফ গ্রুপের ছবি ছাপিয়েছিল
সব পত্রিকা। পরদিন ২৯ সেপ্টেম্বর ফলোআপে বাজিমাত করে কালের কণ্ঠ। তারা ২০১০
সালের ১৩ জুন মহিউদ্দিন-লতিফ আলিঙ্গন ও চুম্বন এবং আগের দিনের হানাহানির
ছবি পাশাপাশি ছাপায়। সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে রফিকুল বাহারের তিন কলাম রিপোর্ট
‘ওর মাথায় সিট আছে: মহিউদ্দিন, তার আসল রূপ বেরিয়েছে: লতিফ’ ভালো ফলোআপ,
তবে শিরোনামে ‘সিট’ শব্দটি দেখে পাঠক মজা পেয়ে প্রশ্ন করতে পারেন, মাথায়
‘ছিট’ থাকে, ‘সিট’ (আসন) এলো কোত্থেকে?
একই দিন ইত্তেফাকের শীর্ষ সংবাদে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল
আহমদের বক্তব্যটি পড়েও ‘মজা’ পেতে পারেন পাঠক। তোফায়েল আহমদ বলেছেন ‘আফসার
বিএনপিরই এজেন্ট’। উল্লেখ্য, এই আফসার হচ্ছেন আওয়ামী লীগেরই মরহুম নেতা,
মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের
ভাই। তাকেই যদি বিএনপি ‘এজেন্ট’ বানিয়ে ফেলতে পারে, তাহলে তো বলতে হয়,
রাজনীতির খেলায় আওয়ামী লীগকে পেছনে ফেলে বিএনপি অনেক এগিয়ে গেছে।
একই দিন ইত্তেফাক-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সংবাদ ‘কমে যাচ্ছে নদীনির্ভর জীবিকা’ ছিল সুন্দর। রিপোর্টটি করেছেন রফিকুল বাসার ও লিটন বাশার।
এ দিন সবচাইতে তাৎপর্যপূর্ণ রিপোর্টটি ছিল নয়া দিগন্তে। আশরাফুল ইসলামের
করা রিপোর্টটির শিরোনাম ‘নিজের কূপ উচ্চমূল্যে গ্যাজপ্রমকে দিয়ে অন্যের
কাজে ব্যস্ত বাপেক্স’। এতে বলা হয়, নিজেদের পাঁচটি গ্যাসকূপ খননের কাজ
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গ্যাজপ্রমকে ছেড়ে দিয়ে ‘ঠিকাদারিতে’ ব্যস্ত
হয়ে পড়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্স। এ পাঁচ কূপ খননের জন্য রুশ
প্রতিষ্ঠানটিকে বাপেক্সের দিতে হবে ৮০০ কোটি টাকা। জমি অধিগ্রহণ, রাস্তাঘাট
নির্মাণ ইত্যাদিতে ব্যয় হবে আরো ২০০ কোটি টাকা। সবমিলিয়ে ব্যয় ১০০০ কোটি
টাকা। একই সময়ে অন্যের কূপ খনন করে বাপেক্সের আয় হবে ২০০ কোটি টাকা।
৩০ সেপ্টেম্বর আরো একজন বিশিষ্ট সাংবাদিকের মৃত্যুসংবাদ ছাপা হয়
পত্রপত্রিকায়। তিনি ফাজলে রশীদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি। দীর্ঘ
দিন যাবৎ নিউ ইয়র্ক প্রবাসী ছিলেন তিনি। নিউ এজ, আমার দেশ ও নয়া দিগন্ত তার
ইন্তেকালের খবরটি প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপলেও ‘শীর্ষস্থানীয়’ কয়েকটি পত্রিকা
ছেপেছে ভেতরের পাতায়; হেলাফেলা করে। এ কী অসচেতনতা নাকি অজ্ঞতা- কে বলবে?
০১ অক্টোবরের সংবাদপত্রগুলো আসে একটি বড় দুঃসংবাদ নিয়ে। ইত্তেফাক লিখেছে,
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় উত্তম কুমার বড়ুয়া নামে এক যুবক তার ফেসবুক
অ্যাকাউন্টে পবিত্র কোরআনের অবমাননাকর ১৭টি ছবি পোস্ট করলে উত্তেজনার
সূত্রপাত হয়। একটি পোস্টে নিজের ছবি ও মোবাইল ফোন নম্বরও দেয় উত্তম। বিষয়টি
নজরে এলে স্থানীয় কয়েকজন যুবক উত্তমকে ফোন করেন। জবাবে উত্তম অশ্রাব্য
ভাষায় গালিগালাজ করে। এদিকে মোবাইল ফোনে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ জনতা
রামু উপজেলা সদরে সমবেত হতে থাকে এবং এর পরবর্তী ঘটনাগুলো (বৌদ্ধপল্লীতে
হামলা, বৌদ্ধবিহারে আগুন ইত্যাদি) ঘটতে থাকে।
বিভিন্ন পত্রিকা খবরটিকে শীর্ষ সংবাদ করলেও এর সূত্রপাতের কারণটি সবাচইতে
স্পষ্ট ও বিস্তারিতভাবে লিখতে পেরেছে ইত্তেফাক। অন্য পত্রিকাগুলো
এক-দু’লাইনে কারণ বর্ণনা করে দায় সেরেছে। কালের কণ্ঠের রিপোর্টটি ছিল এদিক
থেকে সবচাইতে অসম্পূর্ণ। ঘটনার জন্য দায়ী উত্তমের ছবি ছেপেছে নয়া দিগন্ত।
আমার দেশ-এর শিরোনাম ‘বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা’
ছিল যথার্থ। ইত্তেফাক-এর আরেকটি শিরোনাম ছিল উল্লেখযোগ্য- ‘হামলায় বিএনপি
এমপি জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’। পরদিন অর্থাৎ আজ
মঙ্গলবার প্রথম আলোর শীর্ষ সংবাদের শিরোনাম: ‘বৌদ্ধপল্লীতে হামলা: সন্দেহে
রোহিঙ্গাজঙ্গিরা’। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন দাবি করছেন বিএনপি এমপি জড়িত
থাকার প্রমাণ তার কাছে আছে এবং প্রথম আলো যখন সন্দেহের তীর ছুঁড়ছে
‘রোহিঙ্গা জঙ্গিদের’ দিকে, ঠিক তখনই একটি ছবি ছেপে টেক্কা দিয়েছে আমার দেশ।
আজ ০২ সেপ্টেম্বর প্রথম পৃষ্ঠায় দুই কলামে ছাপা ছবিটির ক্যাপশনে (ছবি
পরিচিতি) বলা হয়: ‘২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১০টায় এই মিছিলটি বের করেন আওয়ামী
মৎস্যজীবী লীগের রামু উপজেলা সভাপতি আনছারুল হক ভূট্টো। পরে ওই মিছিলই হয়ে
ওঠে সহিংসতার কারণ। মিছিলটির শুরুতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা ছাত্রলীগের নেতা
সাদ্দাম হোসেন (বাঁ থেকে চতুর্থ, গেঞ্জি পরা), তার বাঁ পাশে যুবলীগ নেতার
ভাই হাফেজ মুহাম্মদ (কালো পাঞ্জাবি)। ওই সমাবেশ থেকে হরতালের মতো কর্মসূচিও
ঘোষণা দেয়া হয়েছিল’।
০১ সেপ্টেম্বর কাপাসিয়া উপনির্বাচনের ফলও ছাপায় বিভিন্ন পত্রিকা। এতে জয়ী
হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমি। সব পত্রিকা রিমি অথবা আওয়ামী
লীগ প্রার্থী জয়ী শিরোনাম করলেও প্রথম আলো লিখেছে, ‘তাজউদ্দীন-কন্যার
বিজয়’। ‘ভোটারবিহীন নির্বাচন’ শব্দ ব্যবহার করেছে কালের কণ্ঠ ও আমার দেশ।
কালের কণ্ঠের শিরোনাম ‘ভোটারবিহীন নির্বাচনে রিমির জয়, চাচার
প্রত্যাখ্যান’ এবং আমার দেশ শিরোনাম দিয়েছে ‘ভোটারবিহীন তামাশার নির্বাচন,
প্রথম পরীক্ষায় ইসি ফেল’। প্রথম আলো ‘ভোটারবিহীন’ শব্দটি ব্যবহার না করলেও
সিঙ্গল কলামে রিপোর্ট করেছে ‘ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার যত কারণ’।
নিউজপেপার রিভিউ সপ্তাহ শুরুর দিন অর্থাৎ গত বুধবার ২৬ সেপ্টেম্বর একটি
পরকীয়ার খবর ছাপিয়ে সবাইকে ছাড়িয়ে যায় ইত্তেফাক। এই কথিত পরকীয়ার
পাত্রপাত্রী গ্ল্যামার জগতের কেউ নন, ফলে খবরটি সহজেই ইত্তেফাকে দ্বিতীয়
শীর্ষ সংবাদের স্থান দখল করে। সংবাদটির শিরোনাম: ‘হিনা-বিলাওয়াল প্রেমের
গুজবে জারদারির সিংহাসনে কাঁপন!’ হিনা অর্থাৎ হিনা রব্বানী খার হচ্ছেন
পাকিস্তানের অপেক্ষাকৃত কমবয়সী, সুন্দরী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর বিলাওয়াল
হচ্ছেন সেদেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও সাবেক
প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেনজির ভুট্টোর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং একই সঙ্গে শাসকদল
পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান। অসমবয়সী দুই রাজনীতিকের এই
কথিত প্রেমের খবরটি স্বভাবতই পাঠকের তীব্র কৌতূহলের বিষয় হতে পারে- বিষয়টি
যথার্থভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছে ইত্তেফাক এবং পপুলার কাভারেজ দিয়েছে। অন্য
পত্রিকাগুলো এক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ে।
সপ্তাহশেষে এই কথিত পরকীয়ার কেচ্ছা মিইয়ে আসে। তবে উল্লেখযোগ্য হলো, এই
কেচ্ছাটির সাথে বাংলাদেশের ‘ব্লিৎস’ নামের একটি অদৃশ্য সাময়িকীর নাম উঠে
এসেছে বার বার। তারাই এই ‘খবর’টি সর্বপ্রথম ফাঁস করে।
একই দিন ইত্তেফাকের প্রথম পৃষ্ঠায় ডাবল কলাম বক্স করে ছাপানো “ধনাঢ্য
‘ভালোমানুষটি’ যখন ডাকাত!” শীর্ষক সংবাদটিও ছিল শিউরে ওঠার মতো। আবদুল ওহাব
নামে ঢাকার ধামরাই উপজেলার এই ব্যক্তি কোটিপতি ব্যবসায়ী। এলাকার সবচাইতে
বড় চাতালের মালিক। যখন যেই দল ক্ষমতায় যায় সেই দলের নেতা বনে যায় সে। পুলিশ
পর্যন্ত সমীহ করে তাকে। অথচ তলে তলে সে একজন ডাকাত! আমাদের সমাজ কতটা পচে
গেলে গেছে, পিনাকি দাসগুপ্তের এই রিপোর্টটি তারই একটি জ্বলন্ত প্রমাণ হয়ে
থাকলো।
পচাগলা সমাজের আরো একই নমুনা মেলে ওই দিনেরই আমার দেশ-এর শীর্ষ সংবাদে।
আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান হাই কোর্টের বিচারপতি
শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের বিরুদ্ধে ২৯টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কাছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে মানি
লন্ডারিং বা অর্থ পাচার, বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় আইন ভঙ্গ, সম্পদের হিসাব
গোপন করতে মিথ্যা তথ্য প্রদান, বিচারপতিদের আচরণবিধি ভঙ্গ ইত্যাদি। একজন
বিচারপতির বিরুদ্ধেই যদি এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ ওঠে, তাহলে সমাজের কী
অবস্থা, তা কি আর খুলে বলার অপেক্ষা রাখে? কিন্তু সমাজ না হয় পচে গেছে,
মিডিয়ার কী হাল! প্রথম আলো, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ প্রভৃতি প্রথম সারির
দৈনিক কেন খবরটিকে গুরুত্ব দিল না?- এ প্রশ্ন পাঠক করতেই পারে।
২৭ সেপ্টেম্বরের পত্রপত্রিকা আসে একটি দুঃসংবাদ নিয়ে- বিবিসিখ্যাত বরেণ্য
সাংবাদিক আতাউস সামাদ আর নেই। সব পত্রিকা প্রথম পৃষ্ঠায় খবরটি ছাপায়, তবে
সিঙ্গল কলামে। শুধু আমার দেশ দ্বিতীয় শীর্ষ সংবাদ হিসাবে তিন কলাম বক্স করে
খবরটিকে। এদিন সৈয়দ আবদাল আহমদের রিপোর্ট ‘আতাউস সামাদের শেষ উক্তি: আমি
একজন সুখী মানুষ...’ ছিল ব্যতিক্রমী ও মর্মস্পর্শী।
এছাড়া ওই দিন সব পত্রিকার শীর্ষ সংবাদ ছিল পদ্মা সেতু বিতর্ক। বোঝাই
যাচ্ছিল, পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নে বিশ্বব্যাংক ‘ফিরে আসছে’ বলা হলেও
বিষয়টি এতো সোজা নয়, বরং বড়ই জটপাকানো। যেমন জটপাকানো হলমার্ক-সোনালী
ব্যাংক ঋণ কেলেঙ্কারিও। এদিন পত্রপত্রিকায় সোনালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের
কয়েকজন সাবেক সদস্যের দুদকে দেয়া বক্তব্য ছাপা হয়। তারা দুদককে সাফ বলে
দিয়েছেন, সব দোষ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের। আগের দিন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলেছে,
হলমার্কের বিরুদ্ধে মামলা করবে না সোনালী ব্যাংক। মামলা করতে হলে করবে
দুদক।
২৭ সেপ্টেম্বর ইত্তেফাকে জামিউল আহসান সিপু রিপোর্ট করেছেন ‘সপ্তাহের
ছুটির দিনেই হত্যাযজ্ঞ’। এই রিপোর্টে জানা যায়, ঢাকায় সিরিয়াল কিলারের
আবির্ভাব ঘটেছে। তার হাতেই খুনের শিকার হচ্ছে পুলিশের সোর্স, ডিশ লাইনের
কর্মচারি অথবা নিম্ন আয়ের অন্য কোনো মানুষ। এক্ষেত্রে সন্দেহভাজন হিসাবে
নাম উঠে এসেছে জনৈক সালাউদ্দিনের। যাত্রাবাড়ি থানার ওসি বলেছেন,
‘সালাউদ্দিন থানার তালিকার এক নম্বর সন্ত্রাসী’। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো,
এক নম্বর সন্ত্রাসীটির কোনো ছবিই নাকি যাত্রাবাড়ি থানায় নেই। অথচ ওসি
বলেছেন, ‘সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার করতে সোর্স লাগানো হয়েছে’।
২৮ সেপ্টেম্বর ইত্তেফাক শীর্ষ সংবাদ করে ‘আন্দোলনের প্রস্তুতি থাকলেও
সমঝোতায় আগ্রহী ১৮ দল’। রিপোর্টের উপশিরোনাম ‘ফের ওয়ান-ইলেভেন চায় না কেউ,
আওয়ামী লীগের প্রস্তাবের অপেক্ষায় বিএনপি’। রিপোর্টটি করেছেন শামছুদ্দীন
আহমেদ। একই দিন বিপরীত বক্তব্য পাওয়া যায় কালের কণ্ঠের এক রিপোর্টে।
মোশাররফ বাবলুর করা ওই রিপোর্টের শিরোনাম ‘আন্দোলনেই জোর দিচ্ছে বিএনপি’।
অবশ্য বিএনপি নেতারা সমঝোতা ও সংলাপের চিন্তাও মাথায় রেখেছেন, সেকথাও বলা
হয় রিপোর্টে।
একই দিন আমার দেশ-এ কাদের গনি চৌধুরীর রিপোর্ট ‘সরকারের শেষ বছরে
রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি বিক্রির হিড়িক’ ছিল উদ্বেগজনক। এতে বলা হয়, পানির দামে
এসব সম্পত্তি তুলে দেয়া হচ্ছে সরকারি দলের নেতা ও ব্যবসায়ীদের হাতে।
রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি বিক্রিতে এগিয়ে আছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।
ওই দিন বিভিন্ন পত্রিকায় চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের দুই
পক্ষের হানাহানির খবর ও ছবি ছাপায় বিভিন্ন পত্রিকা। এক্ষেত্রে সবচাইতে
ভালো কাভারেজটি ছিল প্রথম আলোর। তারা পাঁচ কলাম ছবি ও দুই কলাম খবর ছাড়াও
এর নেপথ্য কাহিনী ছাপায় সিঙ্গল কলামে। ‘নেপথ্যে নৌ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ’
শীর্ষক রিপোর্টটি করেছেন চট্টগ্রাম থেকে মাসুদ মিলাদ।
২৯ সেপ্টেম্বর আমার দেশ শীর্ষ সংবাদ করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে। শিরোনাম: ‘বিশ্বব্যাংকের সংস্কার
চাইলেন শেখ হাসিনা’। নিঃসন্দেহে সাহসী চাওয়া। কিন্তু এধরনের সাহসী
বক্তব্যকে প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ সিঙ্গল কলামে ছাপালো কেন, সে প্রশ্ন পাঠক
করতেই পারে। একই খবরের সাথে পার্শ্বসংবাদ হিসেবে আরেকটি খবর
‘প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত আসনে বসে ভাষণ শুনলেন জয়’ দিয়েছে আমার দেশ। তারা
প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসে থাকা তার পুত্রের ছবিও ছেপেছে। সরকারের কেউ
না-হয়েও সরকারপ্রধানের আসনে বসে পড়াও নিঃসন্দেহে সাহসী কাজ। আর সেই কাজের
খবর ও ছবি ছাপানোও কম দুঃসাহসের কাজ নয়। এজন্য ধন্যবাদ পেতে পারে আমার দেশ।
আগের দিন চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের মহিউদ্দিন ও লতিফ গ্রুপের ছবি ছাপিয়েছিল
সব পত্রিকা। পরদিন ২৯ সেপ্টেম্বর ফলোআপে বাজিমাত করে কালের কণ্ঠ। তারা ২০১০
সালের ১৩ জুন মহিউদ্দিন-লতিফ আলিঙ্গন ও চুম্বন এবং আগের দিনের হানাহানির
ছবি পাশাপাশি ছাপায়। সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে রফিকুল বাহারের তিন কলাম রিপোর্ট
‘ওর মাথায় সিট আছে: মহিউদ্দিন, তার আসল রূপ বেরিয়েছে: লতিফ’ ভালো ফলোআপ,
তবে শিরোনামে ‘সিট’ শব্দটি দেখে পাঠক মজা পেয়ে প্রশ্ন করতে পারেন, মাথায়
‘ছিট’ থাকে, ‘সিট’ (আসন) এলো কোত্থেকে?
একই দিন ইত্তেফাকের শীর্ষ সংবাদে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল
আহমদের বক্তব্যটি পড়েও ‘মজা’ পেতে পারেন পাঠক। তোফায়েল আহমদ বলেছেন ‘আফসার
বিএনপিরই এজেন্ট’। উল্লেখ্য, এই আফসার হচ্ছেন আওয়ামী লীগেরই মরহুম নেতা,
মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের
ভাই। তাকেই যদি বিএনপি ‘এজেন্ট’ বানিয়ে ফেলতে পারে, তাহলে তো বলতে হয়,
রাজনীতির খেলায় আওয়ামী লীগকে পেছনে ফেলে বিএনপি অনেক এগিয়ে গেছে।
একই দিন ইত্তেফাক-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সংবাদ ‘কমে যাচ্ছে নদীনির্ভর জীবিকা’ ছিল সুন্দর। রিপোর্টটি করেছেন রফিকুল বাসার ও লিটন বাশার।
এ দিন সবচাইতে তাৎপর্যপূর্ণ রিপোর্টটি ছিল নয়া দিগন্তে। আশরাফুল ইসলামের
করা রিপোর্টটির শিরোনাম ‘নিজের কূপ উচ্চমূল্যে গ্যাজপ্রমকে দিয়ে অন্যের
কাজে ব্যস্ত বাপেক্স’। এতে বলা হয়, নিজেদের পাঁচটি গ্যাসকূপ খননের কাজ
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গ্যাজপ্রমকে ছেড়ে দিয়ে ‘ঠিকাদারিতে’ ব্যস্ত
হয়ে পড়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্স। এ পাঁচ কূপ খননের জন্য রুশ
প্রতিষ্ঠানটিকে বাপেক্সের দিতে হবে ৮০০ কোটি টাকা। জমি অধিগ্রহণ, রাস্তাঘাট
নির্মাণ ইত্যাদিতে ব্যয় হবে আরো ২০০ কোটি টাকা। সবমিলিয়ে ব্যয় ১০০০ কোটি
টাকা। একই সময়ে অন্যের কূপ খনন করে বাপেক্সের আয় হবে ২০০ কোটি টাকা।
৩০ সেপ্টেম্বর আরো একজন বিশিষ্ট সাংবাদিকের মৃত্যুসংবাদ ছাপা হয়
পত্রপত্রিকায়। তিনি ফাজলে রশীদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি। দীর্ঘ
দিন যাবৎ নিউ ইয়র্ক প্রবাসী ছিলেন তিনি। নিউ এজ, আমার দেশ ও নয়া দিগন্ত তার
ইন্তেকালের খবরটি প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপলেও ‘শীর্ষস্থানীয়’ কয়েকটি পত্রিকা
ছেপেছে ভেতরের পাতায়; হেলাফেলা করে। এ কী অসচেতনতা নাকি অজ্ঞতা- কে বলবে?
০১ অক্টোবরের সংবাদপত্রগুলো আসে একটি বড় দুঃসংবাদ নিয়ে। ইত্তেফাক লিখেছে,
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় উত্তম কুমার বড়ুয়া নামে এক যুবক তার ফেসবুক
অ্যাকাউন্টে পবিত্র কোরআনের অবমাননাকর ১৭টি ছবি পোস্ট করলে উত্তেজনার
সূত্রপাত হয়। একটি পোস্টে নিজের ছবি ও মোবাইল ফোন নম্বরও দেয় উত্তম। বিষয়টি
নজরে এলে স্থানীয় কয়েকজন যুবক উত্তমকে ফোন করেন। জবাবে উত্তম অশ্রাব্য
ভাষায় গালিগালাজ করে। এদিকে মোবাইল ফোনে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ জনতা
রামু উপজেলা সদরে সমবেত হতে থাকে এবং এর পরবর্তী ঘটনাগুলো (বৌদ্ধপল্লীতে
হামলা, বৌদ্ধবিহারে আগুন ইত্যাদি) ঘটতে থাকে।
বিভিন্ন পত্রিকা খবরটিকে শীর্ষ সংবাদ করলেও এর সূত্রপাতের কারণটি সবাচইতে
স্পষ্ট ও বিস্তারিতভাবে লিখতে পেরেছে ইত্তেফাক। অন্য পত্রিকাগুলো
এক-দু’লাইনে কারণ বর্ণনা করে দায় সেরেছে। কালের কণ্ঠের রিপোর্টটি ছিল এদিক
থেকে সবচাইতে অসম্পূর্ণ। ঘটনার জন্য দায়ী উত্তমের ছবি ছেপেছে নয়া দিগন্ত।
আমার দেশ-এর শিরোনাম ‘বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা’
ছিল যথার্থ। ইত্তেফাক-এর আরেকটি শিরোনাম ছিল উল্লেখযোগ্য- ‘হামলায় বিএনপি
এমপি জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’। পরদিন অর্থাৎ আজ
মঙ্গলবার প্রথম আলোর শীর্ষ সংবাদের শিরোনাম: ‘বৌদ্ধপল্লীতে হামলা: সন্দেহে
রোহিঙ্গাজঙ্গিরা’। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন দাবি করছেন বিএনপি এমপি জড়িত
থাকার প্রমাণ তার কাছে আছে এবং প্রথম আলো যখন সন্দেহের তীর ছুঁড়ছে
‘রোহিঙ্গা জঙ্গিদের’ দিকে, ঠিক তখনই একটি ছবি ছেপে টেক্কা দিয়েছে আমার দেশ।
আজ ০২ সেপ্টেম্বর প্রথম পৃষ্ঠায় দুই কলামে ছাপা ছবিটির ক্যাপশনে (ছবি
পরিচিতি) বলা হয়: ‘২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১০টায় এই মিছিলটি বের করেন আওয়ামী
মৎস্যজীবী লীগের রামু উপজেলা সভাপতি আনছারুল হক ভূট্টো। পরে ওই মিছিলই হয়ে
ওঠে সহিংসতার কারণ। মিছিলটির শুরুতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা ছাত্রলীগের নেতা
সাদ্দাম হোসেন (বাঁ থেকে চতুর্থ, গেঞ্জি পরা), তার বাঁ পাশে যুবলীগ নেতার
ভাই হাফেজ মুহাম্মদ (কালো পাঞ্জাবি)। ওই সমাবেশ থেকে হরতালের মতো কর্মসূচিও
ঘোষণা দেয়া হয়েছিল’।
০১ সেপ্টেম্বর কাপাসিয়া উপনির্বাচনের ফলও ছাপায় বিভিন্ন পত্রিকা। এতে জয়ী
হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমি। সব পত্রিকা রিমি অথবা আওয়ামী
লীগ প্রার্থী জয়ী শিরোনাম করলেও প্রথম আলো লিখেছে, ‘তাজউদ্দীন-কন্যার
বিজয়’। ‘ভোটারবিহীন নির্বাচন’ শব্দ ব্যবহার করেছে কালের কণ্ঠ ও আমার দেশ।
কালের কণ্ঠের শিরোনাম ‘ভোটারবিহীন নির্বাচনে রিমির জয়, চাচার
প্রত্যাখ্যান’ এবং আমার দেশ শিরোনাম দিয়েছে ‘ভোটারবিহীন তামাশার নির্বাচন,
প্রথম পরীক্ষায় ইসি ফেল’। প্রথম আলো ‘ভোটারবিহীন’ শব্দটি ব্যবহার না করলেও
সিঙ্গল কলামে রিপোর্ট করেছে ‘ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার যত কারণ’।
নিউ ইয়র্ক প্রেস ক্লাবে দেয়া সংবর্ধনায় শাবান মাহমুদ যা বলেছিলেন :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
নিউ ইয়র্ক প্রেস ক্লাবে দেয়া সংবর্ধনায় শাবান মাহমুদ যা বলেছিলেন :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিশেষ প্রতিনিধি ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের
সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদকে নিউ ইয়র্ক প্রেস ক্লাবে দেয়া সংবর্ধনায় তার
একটি বক্তব্য নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
জাতিসংঘের ৬৭তম অধিবেশনের খবর কভার করতে সম্প্রতি তিনি ইয়র্ক সফরে যান।
ওই সময় নিউ ইয়র্ক প্রেস ক্লাবে দেয়া সংবর্ধনায় শাবান মাহমুদ এক প্রশ্নের
জবাবে বলেন, গণতান্ত্রিক সরকারে ধারাবাহিকতার স্বার্থে আগামী জাতীয়
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে র্নিদলীয় নিরোপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
অধীনে। কিন্তু অনলাইন নিউজপেপার বার্তা টুয়েন্টিফোর ডটনেট পরিবেশিত নিউ
ইয়র্ক প্রতিনিধির পাঠানো খবরে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের’ পরিবর্তে
‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পাঠকমহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি
হওয়ায় নিউ ইয়র্ক থেকে ফিরে এসে শাবান মাহমুদ তার দেয়া ব্যাখ্যায় বলেছেন,
“বার্তা২৪ ডটনেট’র প্রতিনিধির মিস কোট’র কারণে পাঠকমহলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি
হলেও কার্যত আমি সেদিন ‘তত্ত্বাবধায়ক’ নয়, “অন্তর্বর্তীকালীন’ সরকারের কথা
বলেছি।
সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিশেষ প্রতিনিধি ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের
সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদকে নিউ ইয়র্ক প্রেস ক্লাবে দেয়া সংবর্ধনায় তার
একটি বক্তব্য নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
জাতিসংঘের ৬৭তম অধিবেশনের খবর কভার করতে সম্প্রতি তিনি ইয়র্ক সফরে যান।
ওই সময় নিউ ইয়র্ক প্রেস ক্লাবে দেয়া সংবর্ধনায় শাবান মাহমুদ এক প্রশ্নের
জবাবে বলেন, গণতান্ত্রিক সরকারে ধারাবাহিকতার স্বার্থে আগামী জাতীয়
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে র্নিদলীয় নিরোপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
অধীনে। কিন্তু অনলাইন নিউজপেপার বার্তা টুয়েন্টিফোর ডটনেট পরিবেশিত নিউ
ইয়র্ক প্রতিনিধির পাঠানো খবরে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের’ পরিবর্তে
‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পাঠকমহলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি
হওয়ায় নিউ ইয়র্ক থেকে ফিরে এসে শাবান মাহমুদ তার দেয়া ব্যাখ্যায় বলেছেন,
“বার্তা২৪ ডটনেট’র প্রতিনিধির মিস কোট’র কারণে পাঠকমহলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি
হলেও কার্যত আমি সেদিন ‘তত্ত্বাবধায়ক’ নয়, “অন্তর্বর্তীকালীন’ সরকারের কথা
বলেছি।
রাবি’র ঘটনায় জামায়াত-শিবির জড়িত: স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
রাবি’র ঘটনায় জামায়াত-শিবির জড়িত: স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু বলেছেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংর্ঘষের সঙ্গে জামায়াত-শিবির জড়িত।”
মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিজকক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আগামী ৬ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ও
বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়ার পরিবেশ নষ্ট করার জন্য তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক।”
তিনি বলেন, “এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে
দেখা হচ্ছে। এছাড়া রামুর সঙ্গে এ ঘটনার কোনো সম্পৃক্তা আছে কিনা তাও দেখা
হবে।”
ওই ঘটনার তদন্তে কোনো গাফলাতি পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল হবে কিনা এমন প্রশ্নে নিরুত্তর থাকেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু বলেছেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংর্ঘষের সঙ্গে জামায়াত-শিবির জড়িত।”
মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিজকক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আগামী ৬ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ও
বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়ার পরিবেশ নষ্ট করার জন্য তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক।”
তিনি বলেন, “এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে
দেখা হচ্ছে। এছাড়া রামুর সঙ্গে এ ঘটনার কোনো সম্পৃক্তা আছে কিনা তাও দেখা
হবে।”
ওই ঘটনার তদন্তে কোনো গাফলাতি পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল হবে কিনা এমন প্রশ্নে নিরুত্তর থাকেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৩০ :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৩০ :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ছাত্রলীগ ও
ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদকসহ পাঁচজন
গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ উভয় সংগঠনের কমপক্ষে ৩০
নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের
কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়
মেডিকেল সেন্টার এবং নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ শিবির নেতাকর্মীরা হলেন, শিবিরের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন
ইয়াহিয়া, ফোকলোর ৩য় বর্ষের জাহাঙ্গীর আলম, ইসলামিক স্টাডিজের শরীফ এবং
ব্যবস্থাপনা বিভাগের আরিফ। গুলিবিদ্ধ আরেকজনের নাম একনো পাওয়া যায়নি।
আহত শিবিরের অন্য কর্মীরা হলেন, আমির হুসাইন, ওয়াহিদ, ইব্রাহীম হোসাইন,
জহির, আল-আমিন, মামুন এবং ছাত্রলীগের আখেরুজ্জামান তাকিম (বহিষ্কৃত), তৌহিদ
আল তুহিন (বহিষ্কৃত) ও পাঁচজন সাধারণ শিক্ষার্থীসহ কমপক্ষে ৩০ জন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে কয়েকজন শিবিরকর্মী
বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্র ভবনের সামনে অবস্থান করছিল। এ সময় ছাত্রলীগ
কর্মীরা অস্ত্রশস্ত্রসহ শিবিরকর্মীদের ধাওয়া করলে তারা শহীদুল্লাহ কলা
ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। এরপর দুই শতাধিক শিবিরকর্মী সেখানে জড়ো হলে
ছাত্রলীগকর্মীরা পিস্তল, হাসুয়া, রামদা, কিরিস, চাইনিজ কুড়াল, রড, হকিস্টিক
ও লাঠিসোঠাসহ শিবিরকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে। শিবিরকর্মীরাও
পাল্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এসময় ছাত্রলীগ কর্মীরা প্রায় ৫০ রাউন্ড
গুলি ছোড়ে। ছাত্রলীগের অস্ত্রের মুখে টিকে থাকলে না পেরে শিবিরকর্মীরা
পিছু হটে বিশ্ববিদ্যালয় মূল ফটক দিয়ে বেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর
এলাকায় অবস্থান নেয়।
পরে ছাত্রলীগকর্মীরা মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন ভবনে অবস্থানরত
কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীকে শিবির সন্দেহে মারধর করে। তারা প্রশাসনিক ভবন-১
এ হামলা চালিয়ে জনসংযোগ দফতরে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি বাস ভাঙচুর করে। এ
সময় তাদের শান্ত করতে গেলে ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন সহকারী
প্রক্টরকে লাঞ্ছিত করে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
ছাত্রলীগ হলে হলে অবস্থান নিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর জুলফিকার আলী বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন,
“আমরা ছাত্রলীগকে বাধা দিতে গেলে তারা উল্টো আমাদের ছয় সদস্যকে লাঞ্ছিত
করে।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হোসাইন দিপু বলেন,
“শিবিরকর্মীরা পুলিশের উপস্থিতে ছাত্রলীগের ওপর হামলা চালিয়েছে। বর্তমান
প্রশাসন ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির সভাপতি আশরাফুল আলম ইমন বার্তা২৪
ডটনেটকে বলেন, “ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা শিবিরকর্মীদের ওপর অতর্কিত সশস্ত্র
হামলা চালিয়েছে।” তিনি হামলাকারীদের শাস্তি দাবি করেন।
ছাত্র উপদেষ্টা গোলাম সাত্তার তাপু বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমরা
পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্যাম্পাসে
অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।”
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ছাত্রলীগ ও
ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদকসহ পাঁচজন
গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ উভয় সংগঠনের কমপক্ষে ৩০
নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের
কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়
মেডিকেল সেন্টার এবং নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ শিবির নেতাকর্মীরা হলেন, শিবিরের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন
ইয়াহিয়া, ফোকলোর ৩য় বর্ষের জাহাঙ্গীর আলম, ইসলামিক স্টাডিজের শরীফ এবং
ব্যবস্থাপনা বিভাগের আরিফ। গুলিবিদ্ধ আরেকজনের নাম একনো পাওয়া যায়নি।
আহত শিবিরের অন্য কর্মীরা হলেন, আমির হুসাইন, ওয়াহিদ, ইব্রাহীম হোসাইন,
জহির, আল-আমিন, মামুন এবং ছাত্রলীগের আখেরুজ্জামান তাকিম (বহিষ্কৃত), তৌহিদ
আল তুহিন (বহিষ্কৃত) ও পাঁচজন সাধারণ শিক্ষার্থীসহ কমপক্ষে ৩০ জন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে কয়েকজন শিবিরকর্মী
বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্র ভবনের সামনে অবস্থান করছিল। এ সময় ছাত্রলীগ
কর্মীরা অস্ত্রশস্ত্রসহ শিবিরকর্মীদের ধাওয়া করলে তারা শহীদুল্লাহ কলা
ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। এরপর দুই শতাধিক শিবিরকর্মী সেখানে জড়ো হলে
ছাত্রলীগকর্মীরা পিস্তল, হাসুয়া, রামদা, কিরিস, চাইনিজ কুড়াল, রড, হকিস্টিক
ও লাঠিসোঠাসহ শিবিরকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে। শিবিরকর্মীরাও
পাল্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এসময় ছাত্রলীগ কর্মীরা প্রায় ৫০ রাউন্ড
গুলি ছোড়ে। ছাত্রলীগের অস্ত্রের মুখে টিকে থাকলে না পেরে শিবিরকর্মীরা
পিছু হটে বিশ্ববিদ্যালয় মূল ফটক দিয়ে বেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর
এলাকায় অবস্থান নেয়।
পরে ছাত্রলীগকর্মীরা মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন ভবনে অবস্থানরত
কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীকে শিবির সন্দেহে মারধর করে। তারা প্রশাসনিক ভবন-১
এ হামলা চালিয়ে জনসংযোগ দফতরে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি বাস ভাঙচুর করে। এ
সময় তাদের শান্ত করতে গেলে ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন সহকারী
প্রক্টরকে লাঞ্ছিত করে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
ছাত্রলীগ হলে হলে অবস্থান নিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর জুলফিকার আলী বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন,
“আমরা ছাত্রলীগকে বাধা দিতে গেলে তারা উল্টো আমাদের ছয় সদস্যকে লাঞ্ছিত
করে।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হোসাইন দিপু বলেন,
“শিবিরকর্মীরা পুলিশের উপস্থিতে ছাত্রলীগের ওপর হামলা চালিয়েছে। বর্তমান
প্রশাসন ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির সভাপতি আশরাফুল আলম ইমন বার্তা২৪
ডটনেটকে বলেন, “ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা শিবিরকর্মীদের ওপর অতর্কিত সশস্ত্র
হামলা চালিয়েছে।” তিনি হামলাকারীদের শাস্তি দাবি করেন।
ছাত্র উপদেষ্টা গোলাম সাত্তার তাপু বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমরা
পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্যাম্পাসে
অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।”
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আরো অর্থ দেবে অস্ট্রেলিয়া :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আরো অর্থ দেবে অস্ট্রেলিয়া :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে আরো অর্থ সহায়তা দেবে।
মঙ্গলবার অসএইড-এর দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া বিভাগের সহকারী মহাপরিচালক স্কট
ডাওসন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে সচিবালয়ে দেখা করে এ কথা
জানান।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গঠিত ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ
রেজিলিয়েন্স ফান্ড’ (বিসিসিআরএফ)-এ অস্ট্রেলিয়া ইতোমধ্যে ১৬ মিলিয়ন মার্কিন
ডলার অর্থ সহায়তা দিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা হয়।
হাছান মাহমুদ অসএইড কর্মকর্তাকে বলেন, বিসিসিআরএফ-এ বিভিন্ন দেশ থেকে
ইতোমধ্যে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বিভিন্ন
মন্ত্রণালয়ের অধীনে কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়নে ১৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যয় হয়েছে।
স্কট ডাওসন জানান, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষমতা
বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে অত্যন্ত আগ্রহী। খুব শীঘ্রই অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে এ
খাতে আরো অর্থ সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে আরো অর্থ সহায়তা দেবে।
মঙ্গলবার অসএইড-এর দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া বিভাগের সহকারী মহাপরিচালক স্কট
ডাওসন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে সচিবালয়ে দেখা করে এ কথা
জানান।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গঠিত ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ
রেজিলিয়েন্স ফান্ড’ (বিসিসিআরএফ)-এ অস্ট্রেলিয়া ইতোমধ্যে ১৬ মিলিয়ন মার্কিন
ডলার অর্থ সহায়তা দিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা হয়।
হাছান মাহমুদ অসএইড কর্মকর্তাকে বলেন, বিসিসিআরএফ-এ বিভিন্ন দেশ থেকে
ইতোমধ্যে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বিভিন্ন
মন্ত্রণালয়ের অধীনে কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়নে ১৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যয় হয়েছে।
স্কট ডাওসন জানান, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষমতা
বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে অত্যন্ত আগ্রহী। খুব শীঘ্রই অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে এ
খাতে আরো অর্থ সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেবে।
হারিয়ে যাচ্ছে বৃটেনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
হারিয়ে যাচ্ছে বৃটেনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
বৃটেনের আবহাওয়া সম্প্রতি ভালো যাচ্ছে না। গত মাসে দেশটির উত্তরাঞ্চলের
কোনো কোনো এলাকায় ৫০ শতাংশ বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পেয়েছিল। বেশ কয়েকটি স্থানে
সেপ্টেম্বর মাসের গড় তাপমাত্রা এক থেকে দেড় ডিগ্রিতে ওঠানামা করেছে।
গত সপ্তাহে দক্ষিণের কিছু স্থানে প্রবল ঝড় বয়ে গেছে। বুধবার ছিল কখনো বৃষ্টি, কখনো রোদ। তবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আবহাওয়া কিছুটা ভালো ছিল। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশটির সমুদ্রের আশপাশের এলাকায় এখনো বিপদসঙ্কেত অব্যাহত রয়েছে। সেখানে বন্যার পানি বেড়ে গেছে। আবার বৃষ্টি হলে তলিয়ে যেতে পারে বহু এলাকা।
বৃটেনের সবুজ ও সতেজ প্রকৃতি হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবেশবিদরা। বৃটেনের নজরকাড়া পর্যটন স্পটগুলোর মধ্যে কনউই নদীর সৈকত দেশী-বিদেশী পর্যটকদের বেশি টানে। সৈকতের পাশেই রয়েছে পঞ্চদশ শতাব্দীর পুরনো একটি বাড়ি। দেখতে খুবই সুন্দর। সবুজ, লাল ও হলুদ রংয়ের গাছপালা দিয়ে আবৃত বাড়িটি। শরতের বিকেলের মিষ্টি রোদ এসে ভবনটিতে পড়লে চমত্কার লাগে। সকালের সূর্যের আলোতে বাড়িটিতে যেন রংধনুর সৃষ্টি হয়। শরত্কালে এখানে পর্যটকদের ভিড় জমে। সৌন্দর্যপ্রিয় মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ওই বাড়িটি।
পর্যটন ব্যবসায়ীদের ধারণা, প্রতিকূল আবহাওয়ায় এবার পর্যটকদের সমাগম কমে যেতে পারে। পাশাপাশি পর্যটন স্থানগুলোর সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যেতে পারে।
জানা যায়, ওই বাড়িটি বৃটেন সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। টিম মিডস্ক নামে এক ব্যক্তি সরকারের কাছ থেকে বাড়িটি নিলামে নিয়ে নাম দিয়েছেন হোয়ান্ট টি রোম।
দর্শনার্থীরা জানিয়েছেন-গাছপালা, পাহাড় ও নদীর মিলনস্থলে বাড়িটি অবস্থিত। এর সৌন্দর্য সত্যিই অবিশ্বাস্য। সূত্র: ডেইলি মেইল
গত সপ্তাহে দক্ষিণের কিছু স্থানে প্রবল ঝড় বয়ে গেছে। বুধবার ছিল কখনো বৃষ্টি, কখনো রোদ। তবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আবহাওয়া কিছুটা ভালো ছিল। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশটির সমুদ্রের আশপাশের এলাকায় এখনো বিপদসঙ্কেত অব্যাহত রয়েছে। সেখানে বন্যার পানি বেড়ে গেছে। আবার বৃষ্টি হলে তলিয়ে যেতে পারে বহু এলাকা।
বৃটেনের সবুজ ও সতেজ প্রকৃতি হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবেশবিদরা। বৃটেনের নজরকাড়া পর্যটন স্পটগুলোর মধ্যে কনউই নদীর সৈকত দেশী-বিদেশী পর্যটকদের বেশি টানে। সৈকতের পাশেই রয়েছে পঞ্চদশ শতাব্দীর পুরনো একটি বাড়ি। দেখতে খুবই সুন্দর। সবুজ, লাল ও হলুদ রংয়ের গাছপালা দিয়ে আবৃত বাড়িটি। শরতের বিকেলের মিষ্টি রোদ এসে ভবনটিতে পড়লে চমত্কার লাগে। সকালের সূর্যের আলোতে বাড়িটিতে যেন রংধনুর সৃষ্টি হয়। শরত্কালে এখানে পর্যটকদের ভিড় জমে। সৌন্দর্যপ্রিয় মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ওই বাড়িটি।
পর্যটন ব্যবসায়ীদের ধারণা, প্রতিকূল আবহাওয়ায় এবার পর্যটকদের সমাগম কমে যেতে পারে। পাশাপাশি পর্যটন স্থানগুলোর সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যেতে পারে।
জানা যায়, ওই বাড়িটি বৃটেন সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। টিম মিডস্ক নামে এক ব্যক্তি সরকারের কাছ থেকে বাড়িটি নিলামে নিয়ে নাম দিয়েছেন হোয়ান্ট টি রোম।
দর্শনার্থীরা জানিয়েছেন-গাছপালা, পাহাড় ও নদীর মিলনস্থলে বাড়িটি অবস্থিত। এর সৌন্দর্য সত্যিই অবিশ্বাস্য। সূত্র: ডেইলি মেইল
মন্ত্রীর হুঙ্কারে বৈধ ভিওআইপি বেড়েছে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
মন্ত্রীর হুঙ্কারে বৈধ ভিওআইপি বেড়েছে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
মন্ত্রীর জেহাদ ঘোষণার পরই কমতে শুরু করেছে অবৈধ ভিওআইপি কল। মাত্র ২৪
ঘণ্টার ব্যবধানে বৈধ পথে আন্তর্জাতিক কলের সংখ্যা বেড়েছে ৪২ লাখ ৩৮ হাজার
৮৪২ মিনিট।
প্রসঙ্গত, গত ২২ সেপ্টেম্বর ‘বিটিসিএল’র যোগশাজশে ভিওআইপির কোটি কোটি টাকা লুট’ শিরোনামে বার্তা২৪ ডটনেট-এ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই বিষয়টি সরকারকে ভাবিয়ে তোলে। এরপর কয়েকটি দৈনিক পত্রিকাও এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করলে বিব্রত অবাস্থার মুখোমুখি হয় টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।
অবৈধ ভিওআইপি সংশ্লিষ্ট সংবাদ নিয়ে গত রোববার বিটিসিএল পরিদর্শনে গিয়ে সেখানকার কর্মকর্তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সাহারা খাতুন। এসময় অবৈধ ভিওআইপি’র সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির ঘোষণা দেন তিনি।
এর আগে বিটিআরসিতে গিয়েও তিনি সেখানকার কর্মকর্তাদের অবৈধ ভিওআইপির বিরুদ্ধে তার অবস্থানের কথা পরিষ্কার করেন। এর পর থেকে প্রতিদিনই নিয়ন্ত্রক সংস্থায় ভিওআইপি কলের সংখ্যা জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে খোঁজ নেন মন্ত্রী।
এই ধারাবাহিকতায় সোমবারও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ ফোন করেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সাহারা খাতুন। বিটিআরসি চেয়ারম্যানের কাছে তিনি জানতে চান, বৈধ পথে আসা আন্তর্জাতিক কলের সংখ্যা বেড়েছে কি-না।
মন্ত্রীর প্রশ্নের জবাবে গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন, রোববার বৈধ পথে কল এসেছে তিন কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪২ মিনিট। এর আগের দিন শনিবার এসেছিল তিন কোটি ৩১ লাখ মিনিট। আর শুক্রবার ছুটির দিনে এই কলের পরিমাণ ছিল তিন কোটি ৬১ লাখ মিনিট।
মন্ত্রী হুঁশিয়ার করার সঙ্গে সঙ্গেই কল বৃদ্ধি সম্পর্কে জানতে চাইলে সরাসরি কোনো জবাব না দিয়ে অবৈধ ভিওআইপি রোধে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই গৃহীত নানা উদ্যোগের কথা জানান বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “প্রতিদিনই অপারেশন চলছে, অবৈধ সিম উদ্ধার হচ্ছে।”
তবে অবৈধ ভিওআইপিতে জড়িত বিটিসিএল ও টেলিটকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি গিয়াস উদ্দিন।
অবশ্য আগামীতে নুতন কিছু অভিনব পরিকল্পনা হাতে নেয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আর যদি ১৪/১৫টা দিন এই পদে থাকতে পারি তাহলে বৈধ কলের সংখ্যা চার কোটি মিনিটের ওপরে রেখে যেতে পারবো।”
প্রসঙ্গত, গত ২২ সেপ্টেম্বর ‘বিটিসিএল’র যোগশাজশে ভিওআইপির কোটি কোটি টাকা লুট’ শিরোনামে বার্তা২৪ ডটনেট-এ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই বিষয়টি সরকারকে ভাবিয়ে তোলে। এরপর কয়েকটি দৈনিক পত্রিকাও এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করলে বিব্রত অবাস্থার মুখোমুখি হয় টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।
অবৈধ ভিওআইপি সংশ্লিষ্ট সংবাদ নিয়ে গত রোববার বিটিসিএল পরিদর্শনে গিয়ে সেখানকার কর্মকর্তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সাহারা খাতুন। এসময় অবৈধ ভিওআইপি’র সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির ঘোষণা দেন তিনি।
এর আগে বিটিআরসিতে গিয়েও তিনি সেখানকার কর্মকর্তাদের অবৈধ ভিওআইপির বিরুদ্ধে তার অবস্থানের কথা পরিষ্কার করেন। এর পর থেকে প্রতিদিনই নিয়ন্ত্রক সংস্থায় ভিওআইপি কলের সংখ্যা জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে খোঁজ নেন মন্ত্রী।
এই ধারাবাহিকতায় সোমবারও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদ ফোন করেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী সাহারা খাতুন। বিটিআরসি চেয়ারম্যানের কাছে তিনি জানতে চান, বৈধ পথে আসা আন্তর্জাতিক কলের সংখ্যা বেড়েছে কি-না।
মন্ত্রীর প্রশ্নের জবাবে গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন, রোববার বৈধ পথে কল এসেছে তিন কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪২ মিনিট। এর আগের দিন শনিবার এসেছিল তিন কোটি ৩১ লাখ মিনিট। আর শুক্রবার ছুটির দিনে এই কলের পরিমাণ ছিল তিন কোটি ৬১ লাখ মিনিট।
মন্ত্রী হুঁশিয়ার করার সঙ্গে সঙ্গেই কল বৃদ্ধি সম্পর্কে জানতে চাইলে সরাসরি কোনো জবাব না দিয়ে অবৈধ ভিওআইপি রোধে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই গৃহীত নানা উদ্যোগের কথা জানান বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “প্রতিদিনই অপারেশন চলছে, অবৈধ সিম উদ্ধার হচ্ছে।”
তবে অবৈধ ভিওআইপিতে জড়িত বিটিসিএল ও টেলিটকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি গিয়াস উদ্দিন।
অবশ্য আগামীতে নুতন কিছু অভিনব পরিকল্পনা হাতে নেয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আর যদি ১৪/১৫টা দিন এই পদে থাকতে পারি তাহলে বৈধ কলের সংখ্যা চার কোটি মিনিটের ওপরে রেখে যেতে পারবো।”
অ্যাক্সিডেন্ট পার্টিতে পাঁচ অধ্যায়ের মিউজিক :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
অ্যাক্সিডেন্ট পার্টিতে পাঁচ অধ্যায়ের মিউজিক :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
গত শুক্রবারই মুক্তি পেয়েছে শিবপ্রসাদ ও নন্দিতার নতুন ছবি
`অ্যাক্সিডেন্ট’। সেই উপলক্ষেই শনিবার রাতের পার্টিতে চাঁদের হাট বসছিল
কলকাতার এক নামী রেস্তোরাঁয়। সেই পার্টিতেই হয়ে গেল প্রীতম ডি গুপ্তার নতুন
ছবি `পাঁচ অধ্যায়`-এর মিউজিক রিলিজ। আর তাই পার্টিতে একস্ট্রা গ্ল্যামার
অ্যাড করতে উপস্থিত ছিলেন `পাঁচ অধ্যায়`-এর নায়িকা বলিউড বিউটি দিয়া
মির্জাও।
`ইচ্ছে` এবং `মুক্তধারা`র সাফল্যের পর অ্যাক্সিডেন্ট নিয়েও আত্মবিশ্বাসী পরিচালক শিবু বলেন, “অ্যাক্সিডেন্ট একজন সাধারণ মানুষের গল্পো’। ইতিমধ্যেই হিট ছবির গানও।
গ্ল্যামারস পার্টির মধ্যেই ছিল বাঙালি রসিকতাও। প্রীতমের `এক্সট্রা সাইজ` নিয়ে রসিকতায় মেতে ছিলেন `পাঁচ অধ্যায়`-এর সঙ্গীত পরিচালক শান্তনু মৈত্র ও দুই গীতিকার অনিন্দ্য-চন্দ্রিল। আমাকে বলা হয়েছিল, “ভালো করে লেখো। টাকা দেবো। পুজোর আগে”-অনিন্দ্যর রসিকতায় হাসিতে ফেটে পড়ছিল ব্যাঙ্কোয়েট হল।
তবে সবকিছুর মধ্যেই `আইসিং অন দ্য টপ` ছিল দিয়ার ভাঙা ভাঙা বাংলা। শান্তনু, দিয়া, অনিন্দ্যরা ছাড়াও পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন `অ্যাক্সিডেন্ট`-এর প্রযোজক কৌস্তভ রায়, পরিচালক অনিকেত চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রনীল, সাহেব ও `পাঁচ অধ্যায়`-এর পরিচালক শিবাজি পাঁজা। সূত্র: জি নিউজ
`ইচ্ছে` এবং `মুক্তধারা`র সাফল্যের পর অ্যাক্সিডেন্ট নিয়েও আত্মবিশ্বাসী পরিচালক শিবু বলেন, “অ্যাক্সিডেন্ট একজন সাধারণ মানুষের গল্পো’। ইতিমধ্যেই হিট ছবির গানও।
গ্ল্যামারস পার্টির মধ্যেই ছিল বাঙালি রসিকতাও। প্রীতমের `এক্সট্রা সাইজ` নিয়ে রসিকতায় মেতে ছিলেন `পাঁচ অধ্যায়`-এর সঙ্গীত পরিচালক শান্তনু মৈত্র ও দুই গীতিকার অনিন্দ্য-চন্দ্রিল। আমাকে বলা হয়েছিল, “ভালো করে লেখো। টাকা দেবো। পুজোর আগে”-অনিন্দ্যর রসিকতায় হাসিতে ফেটে পড়ছিল ব্যাঙ্কোয়েট হল।
তবে সবকিছুর মধ্যেই `আইসিং অন দ্য টপ` ছিল দিয়ার ভাঙা ভাঙা বাংলা। শান্তনু, দিয়া, অনিন্দ্যরা ছাড়াও পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন `অ্যাক্সিডেন্ট`-এর প্রযোজক কৌস্তভ রায়, পরিচালক অনিকেত চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রনীল, সাহেব ও `পাঁচ অধ্যায়`-এর পরিচালক শিবাজি পাঁজা। সূত্র: জি নিউজ
আলুর গুণাগুণ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
আলুর গুণাগুণ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
বহুকাল ধরেই আলু নামক খাদ্যটি স্থূলতা বাড়িয়ে দেয়- এমন অভিযোগে দুষ্ট।
সত্যিই কি তাই? এ খাবারটি নিয়ে নানা ধরনের গল্পও চালু আছে। এমনকি একে কেউ
সবজি বলতেও রাজি নয়। আলুতে শুধুই শর্করা রয়েছে। এমনসব অভিযোগ থেকে আলুকে
রক্ষা করতে উঠেপড়ে লেগেছেন মার্কিন গবেষকরা।
আলুর বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ খণ্ডন করেছেন তারা। ১. আলু রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়-সাধারণ এই অভিযোগের
পরিপ্রেক্ষিতে তারা জানিয়েছেন, এটি নির্ভর করে কীভাবে আলু খাওয়া হচ্ছে। সাধারণভাবে আলু খেলে কোনো সমস্যা হয় না। তবে ডুবো তেলে ভেজে আলু খেলে শর্করার মাত্রা বাড়তেই পারে।
২. মাসে একবার আলু খাওয়া উচিত: মাসে নয়, দিনে একটি করে মাঝারি আকারের আলু খাওয়া উচিত। যাতে কার্বোহাইড্রেটের কোনো ঘাটতি না হয়।
৩. আলুতে অতিমাত্রায় ক্যালরি আছে: ২৬০ গ্রামের একটি আলুতে মাত্র ২৭৮ ক্যালরি থাকে। নিয়মিত অধিক পরিমাণে খেলেই এই ক্যালরি ক্ষতি করে, নতুবা নয়।
৪. আলু সবজি নয়: টিউব জাতীয় মূল হওয়ার পরও মুলা, গাজর যেখানে সবজি আলু নয় কেন? আলুও একটি সবজি। আলুতেও ভিটামিন, পানি রয়েছে।
৫. আলুতে সাধারণ কার্বোহাইড্রেট থাকে: একদম ভুল তথ্য। আলুতে একটি জটিল ধরনের কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরের শক্তির জন্য অতি প্রয়োজনীয়। সূত্র: ইয়াহু নিউজ
আলুর বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ খণ্ডন করেছেন তারা। ১. আলু রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়-সাধারণ এই অভিযোগের
পরিপ্রেক্ষিতে তারা জানিয়েছেন, এটি নির্ভর করে কীভাবে আলু খাওয়া হচ্ছে। সাধারণভাবে আলু খেলে কোনো সমস্যা হয় না। তবে ডুবো তেলে ভেজে আলু খেলে শর্করার মাত্রা বাড়তেই পারে।
২. মাসে একবার আলু খাওয়া উচিত: মাসে নয়, দিনে একটি করে মাঝারি আকারের আলু খাওয়া উচিত। যাতে কার্বোহাইড্রেটের কোনো ঘাটতি না হয়।
৩. আলুতে অতিমাত্রায় ক্যালরি আছে: ২৬০ গ্রামের একটি আলুতে মাত্র ২৭৮ ক্যালরি থাকে। নিয়মিত অধিক পরিমাণে খেলেই এই ক্যালরি ক্ষতি করে, নতুবা নয়।
৪. আলু সবজি নয়: টিউব জাতীয় মূল হওয়ার পরও মুলা, গাজর যেখানে সবজি আলু নয় কেন? আলুও একটি সবজি। আলুতেও ভিটামিন, পানি রয়েছে।
৫. আলুতে সাধারণ কার্বোহাইড্রেট থাকে: একদম ভুল তথ্য। আলুতে একটি জটিল ধরনের কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরের শক্তির জন্য অতি প্রয়োজনীয়। সূত্র: ইয়াহু নিউজ
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
বেনাপোল বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে।
ভারতে মহাত্মাগান্ধীর জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল থেকে আমদানি রফতানি
বন্ধ রাখা হয়েছে। আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকায় দু’দেশের বন্দর এলাকায় আটকা
পড়েছে শতশত পন্যবোঝাই ট্রাক।
ভারতের পেট্রাপোল বন্দরর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস স্টাফ ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী জানান, ভারতে মহাত্মাগান্ধী জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার সারাদিন আমদানি রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল আওয়াল হাওলাদার জানান, বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল বন্দর ও কাস্টমসে কাজকর্ম স্বাভাবিক নিয়মে চলছে। বন্দরে মালামাল লোড আনলোডসহ পণ্য খালাশ প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।
কাস্টমস হাউজের যুগ্ম কমিশনার আকবর হোসেন জানান, আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকলেও কাস্টম হাউজের শুল্কায়নের কাজকর্ম স্বাভাবিক নিয়মে চলছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট কাম কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহম্মেদ জানান, আমদানি রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকার কারণে উভয় সীমান্তে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে। দেশের সিংহভাগ গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিজসহ বিভিন্ন শিল্প কল কারখানার কাঁচা মাল আমাদনি হয়ে তাকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে।
ভারতের পেট্রাপোল বন্দরর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস স্টাফ ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্ত্তিক চক্রবর্তী জানান, ভারতে মহাত্মাগান্ধী জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার সারাদিন আমদানি রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল আওয়াল হাওলাদার জানান, বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল বন্দর ও কাস্টমসে কাজকর্ম স্বাভাবিক নিয়মে চলছে। বন্দরে মালামাল লোড আনলোডসহ পণ্য খালাশ প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।
কাস্টমস হাউজের যুগ্ম কমিশনার আকবর হোসেন জানান, আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকলেও কাস্টম হাউজের শুল্কায়নের কাজকর্ম স্বাভাবিক নিয়মে চলছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট কাম কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহম্মেদ জানান, আমদানি রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকার কারণে উভয় সীমান্তে শত শত পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে। দেশের সিংহভাগ গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিজসহ বিভিন্ন শিল্প কল কারখানার কাঁচা মাল আমাদনি হয়ে তাকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে।
সেপ্টেম্বরে রেমিটেন্স বেড়েছে ৩৫ শতাংশ :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
সেপ্টেম্বরে রেমিটেন্স বেড়েছে ৩৫ শতাংশ :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৮৫ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। এই হিসাবে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এ সব তথ্য পাওয়া গেছে।
আলোচ্য সময়ে সবচেয়ে বেশি রেমিটন্স এসেছে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। এর পরিমাণ ৭৫ কোটি ১৬ লাখ ডলার।
আর সবচেয়ে বেশি এসেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের মাধ্যমে। এই ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছে ২৮ কোটি ৮১ লাখ ডলার।
এ সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মাধ্যমে ২৯ কোটি ডলার রেমিটেন্স এসেছে। সূত্র: বাসস
প্রবাসীরা সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ১১৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন।
গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৮৫ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। এই হিসাবে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এ সব তথ্য পাওয়া গেছে।
আলোচ্য সময়ে সবচেয়ে বেশি রেমিটন্স এসেছে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। এর পরিমাণ ৭৫ কোটি ১৬ লাখ ডলার।
আর সবচেয়ে বেশি এসেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের মাধ্যমে। এই ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছে ২৮ কোটি ৮১ লাখ ডলার।
এ সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মাধ্যমে ২৯ কোটি ডলার রেমিটেন্স এসেছে। সূত্র: বাসস
Subscribe to:
Posts (Atom)
















