Pages

Thursday, October 11, 2012

গোলাম রহমানের পদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

গোলাম রহমানের পদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)  চেয়ারম্যান গোলাম রহমানের নিজ পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ও বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম শিশির বুধবার বিকেলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দায়ের করেন। একইসঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ১০(৩) ধারা কেন সংবিধান বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, আবেদনে এই মর্মে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে। রুল বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় চেয়ারম্যান হিসেবে গোলাম রহমানের কার্যক্রম পরিচালনার ওপর অন্তর্বর্তীকালিন নিষেধাজ্ঞাও চাওয়া হয়েছে। রিটে আইন সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সচিব, দুদকের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান ও দুদকের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আবেদনটি বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চে শুনানির জন্য উপস্থাপন করবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রিটকারীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন। আইনজীবী কামাল হোসেন বলেন, ‘পিয়ন -চাপরাশির বক্তব্যে বিচার চলে না’ এমন বক্তব্য দিয়ে দুদক চেয়ারম্যান তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। এ বক্তব্যের ফলে দুদকের চেয়ারম্যান ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদ লংঘন করেছেন। তাই তিনি ওই পদে থাকতে পারেন না। এ বক্তব্য দিয়ে তিনি এক শ্রেণীর মানুষকে কটাক্ষ করেছেন। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, আবুল হোসেন হলমার্কসহ বেশ কয়েকটি উদারহণ টেনে রিটকারীর আইনজীবী বলেন, “যখনই বড় কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে তখনই দুদক চেয়ারম্যান তাদের পক্ষে সাফাই গেয়ে দুর্নীতিবাজদের পার পাওয়ার সুযোগ করে দেন।” তিনি বলেন, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে রয়েছে, ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয়লাভের অধিকারী।’ উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল রাতে তৎকালিন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিতের ব্যক্তিগত সহকারী ওমর ফারুকের গাড়িতে বিপুল অর্থ পাওয়ার যায়। এরপর ১৬ এপ্রিল ‘অর্থ কেলেঙ্কারির’ দায় নিজের কাঁধে নিয়ে রেলমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান সুরঞ্জিত। ওই ঘটনার পর থেকে ফারুকের গাড়িচালক আজম খানের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এমনকি দুদক ও রেল কর্তৃপক্ষ পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ার পরও আজম হাজির হননি। ছয় মাস ‘নিখোঁজ’ থাকার পর গত ৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির একটি প্রতিবেদনে হাজির হন চালক আজম। ওই প্রতিবেদনে আজম দাবি করেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সাবেক এপিএস ওমর ফারুক পিলখানায় যে অর্থসহ আটক হয়েছিলেন তার উৎস ছিল রেলের ‘নিয়োগ বাণিজ্য’। ওই টাকা সুরঞ্জিতের বাড়িতে পৌঁছানোর সময়ই ফারুক ‘আটক হন’। এ প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ার পর ৭ অক্টোবর রোববার কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুদকের যাবতীয় অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম সাক্ষ্য আইনের আওতায় হয়ে থাকে। যেসব সাক্ষ্য-প্রমাণ সাক্ষ্য আইন বহির্ভূত বা আদালতে প্রহণযোগ্য নয়, তা দুদকেও গ্রহণযোগ্য নয়। টেলিভিশনে প্রচারিত ওই ব্যক্তির বক্তব্য সাক্ষ্য আইনের আওতায় পড়ে না।’ তিনি বলেন, “মিডিয়াতে অনেক খবরই আসে, সবই কি আদালতে গ্রহণযোগ্য? মুখের কথায় যদি সব হতো তাহলে ড্রাইভার, চাপরাশির কথায় দেশের সব চলতো।”

Wednesday, October 10, 2012

রাষ্ট্রপতি হতে চান সু কি :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাষ্ট্রপতি হতে চান সু কি :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 মায়ানমারের অবিসংবাদিত বিরোধী নেত্রী আউং সান সু কি দেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করলেন। তিনি জানিযেছেন, তার দলের ইচ্ছে, এজন্য অবিলম্বে সংবিধান সংশোধন করতে হবে।

নেত্রী জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে দেশে সাধারণ নির্বাচন। তার আগে ভোটে লড়ার কৌশল ও পরিকল্পনা ঠিক করা হবে। প্রার্থী বাছাইয়ের আগেই সংবিধান সংশোধনের জন্য চাপ দেবে তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি।

কারণ চলতি সামরিক সরকার শাসিত সংবিধানের কয়েকটি ধারা এমনভাবে রাখা হয়েছে যাতে তিনি বা অন্য কেউ দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হতে না পারেন। কিন্তু এই ব্যবস্থা বদলাতে হবে। প্রসঙ্গত, ১৭ দিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে সোমবার দেশে ফিরলেন সু কি। তারপরই জানান ওই দাবি। যদিও সামরিক সরকার ও তাদের মুখপত্র নেত্রীর নয়া দাবি নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। সূত্র: ওয়েবসাইট।

বাকৃবিতে ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রফ্রন্টের ৩০ নেতাকর্মী আহত :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাকৃবিতে ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রফ্রন্টের ৩০ নেতাকর্মী আহত :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের প্রশাসন ভবন অবরোধ কর্মসূচিতে হামলা করেছে ছাত্রলীগ। এতে অন্তত ৩০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে ওই ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিচারের দাবিতে ও প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে বুধবার থেকে পুরো ক্যাম্পাসে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাকৃবির সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট।                                                    

জানা যায়, সোমবার থেকে বাকৃবির অনুষদীয় করিডোর ও প্রশাসন ভবনের সামনে সব ধরণের মিছিল-মিটিং-ধর্মঘট-অবোরোধের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে প্রশাসন। কিন্তু ওই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মঙ্গলবার দুপুর একটায় প্রগতিশীল ছাত্রজোটের ব্যানারে বাকৃবির সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট ও ছাত্র ইউনিয়ন টিএসসি থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে প্রশাসন ভবন অবরোধ করে।

এসময় তাদের অবরোধ কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বাধা দিলে ছাত্র ইউনিয়ন তাৎক্ষণিকভাবে অবরোধ কর্মসূচি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়। কিন্তু তখনও ছাত্রফ্রন্ট তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার না করায় প্রথমে ছাত্রফন্ট ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদেও মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ছাত্রফন্টের নেতা-কর্মীদের বেধরক পেটায়।

এতে ওই সংগঠনের সভাপতি সেঁজুতি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক কিশোর আহমেদ, সহ-সভাপতি অজিত দাস, সহ-সধারণ সম্পাদক বিপস্নব, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ, দফতর সম্পাদক জয়া, অর্থ সম্পাদক এনি, প্রচার সম্পাদক মিল্টন, গ্রন্থাগার সম্পাদক অর্পিতা, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক মিলনসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়। এদের মধ্যে আহত নারী নেতা-কর্মী রয়েছে ১২ জন।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে বাকৃবির হেলথ কেয়ার সেন্টার ও অধিকাংশকেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মমেক হাসপাতালে ভর্তিকৃতদের মধ্যে গুরুতর আহতরা হলেন-কিশোর, অজিত, বিপ্লব, জয়া, অর্পিতা, এনি, রাজিব ও শুভ।

ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি সেঁজুতি চৌধুরী জানান, আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের হামলায় আমাদের সকল নেতাকর্মী আহত হয়েছে এবং ওই সময় বাকৃবির প্রক্টর আমাদের এক নেত্রীকে লাঞ্ছিত করেছে।  এজন্য ওই ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের বিচার, প্রক্টরের পদত্যাগ ও অনার্স ভর্তি ফির বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবিতে আমরা বুধবার থেকে পুরো ক্যাম্পাসে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছি। 

ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মিসপি সরেন বলেন, “আমরা অবরোধ কর্মসূচিতে ছিলাম। তবে ছাত্রলীগ বাধা দিলে সংঘাত এড়াতে আমরা ওই কর্মসূচি থেকে সরে এসেছি। তবে আমরাও অনার্স ভর্তি ফির বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।” 

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুজ্জামান ইমন জানান, ওই ঘটনার সঙ্গে ছাত্রলীগ জড়িত নয়। তবে অবরোধ কর্মসূচির নামে ছাত্রফ্রন্টের নেতা-কর্মীরা শিক্ষকদের গায়ে হাত তুললে সাধারণ ছাত্ররা তা প্রতিহত করতে গেলে ওই ঘটনা ঘটে।     

বাকৃবির ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সুলতান উদ্দিন ভূইয়া বলেন, “পুরো ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ভর্তি ফির মূল্য বাড়ানোর বিষয়ে প্রশাসন এখনও আগের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে।

ভাইরাসে ধ্বংস হচ্ছে মৌমাছি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ভাইরাসে ধ্বংস হচ্ছে মৌমাছি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ক্ষুদ্র প্রাণী মৌমাছি বিশাল উপকার করছে মানবজাতির। কিন্তু সেই মৌমাছি এখন অস্তিত্বের হুমকিতে। বিশ্বব্যাপী মৌমাছি ধ্বংস হচ্ছে এর চেয়ে অতি ক্ষুদ্র এক পরজীবীর কারণে।

ভ্যারো নামের পরজীবী ডিফর্মড উইং ভাইরাস ছড়িয়ে দিচ্ছে মৌমাছির দেহে। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে মধু সংগ্রহকারী পতঙ্গটি।

গবেষকরা বলছেন, এ পর্যন্ত বিশ্বে বেশি মাত্রায় ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসগুলোর এটি একটি। এটি ছোট প্রাণিদেহে ছড়ানো বিভিন্ন ভাইরাসের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ।

বৃটেনের ইউনিভার্সিটি অব শেফিল্ডের গবেষকরা দু'বছর ধরে এ নিয়ে কাজ করছেন। সায়েন্স সাময়িকীতে এক নিবন্ধে তারা বলেন, মৌমাছির দেহে ইনজেকশনের মতো করে ভাইরাস ঢুকিয়ে দিচ্ছে ভ্যারো। সূত্র: বিবিসি

সুনীতাদের জন্য এবার আইসক্রিমের মহাকাশযাত্রা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

সুনীতাদের জন্য এবার আইসক্রিমের মহাকাশযাত্রা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 নিজের ‘পৃথিবীর’ বাড়িতে বসে শেষ কবে তারিয়ে তারিয়ে আইসক্রিম খেয়েছিলেন, হয়তো মনে করতে পারবেন না তিনি। অনেক দিন ধরে যে মহাকাশেই আস্তানা গেড়েছেন। অতঃ কিম? সেই ভাবনা থেকেই বোধহয় আইসক্রিমের মহাকাশযাত্রার পরিকল্পনা করেছিলেন তার সহকর্মীরা।

তিনি সুনীতা উইলিয়ামস। অনেক দিন যাবৎই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) বাসিন্দা সুনীতা। সম্প্রতি তার এবং তার বাকি দুই ‘প্রতিবেশীর’ জন্যই মহাকাশে আইসক্রিম পাঠানোর পরিকল্পনা করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা।

কী রকম সেই পরিকল্পনা? আসলে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং সেখানকার বাসিন্দাদের জন্য নতুন করে রসদ পাঠানোর কথা ভাবছিল নাসা। মূলত এই সব জিনিসপত্র নিয়েই গত রোববার নাসার বিশেষ মালবাহী রকেট (ক্যাপসুল) পাড়ি দেয় মহাকাশে।

নাসা সূত্রে খবর, রোববার রাতেই ক্যাপসুলটিকে কক্ষপথে স্থাপন করেন বিজ্ঞানীরা। আগামী বুধবার সেটির আইএসএসে পৌঁছনোর কথা।

নাসার বিজ্ঞানীরা জানান, ক্যাপসুলটিতে মহাকাশে পরীক্ষা চালানোর জন্য প্রায় ৪৫০ কেজি সরঞ্জাম তো রয়েছেই। তা ছাড়াও রয়েছে এক বিশেষ ধরনের ‘ফ্রিজ’। সেখানেই ভরা রয়েছে জিভে জল আনা চকোলেট-ভ্যানিলার মিশ্র স্বাদের আইসক্রিম। নাসার ম্যানেজার মাইকেল সাফ্রেদিনির ভাষায়, ‘বোনাস ফুড’। শনিবার ক্যাপসুলটির উৎক্ষেপণের আগে সংবাদমাধ্যমের সামনে যার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন তিনি।

আইসক্রিমের কথা ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন সুনীতা। বিষয়টি নিয়ে এতটাই উৎসাহী তিনি যে ভিডিওর মাধ্যমে কক্ষপথে ক্যাপসুলটিকে ঢুকতে দেখে বলেই ফেলেছেন, “ওকে ধরার জন্য মুখিয়ে আছি।” যদিও আইসক্রিম হাতে পেতে এখনো বেশ কিছুটা সময় বাকি, সে কথা বিলক্ষণ জানেন সুনীতা। তাই বুধবারের দিকে সোৎসাহে তাকিয়ে তিনি। বুধবারের অপেক্ষায় অবশ্য নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের বিজ্ঞানীরাও। তবে সুনীতার উৎসাহের নিরিখে তাদের উত্তেজনা কিছুটা হলেও ফিকে।

মহাকাশে বসে চকোলেট-ভ্যানিলা আইসক্রিম খাওয়া তো আর যে সে কথা নয়। সূত্র: আনন্দবাজার

রিচার্জ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট: আলোচনায় বসতে যাচ্ছে মোবাইল ফোন অপারেটররা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

রিচার্জ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট: আলোচনায় বসতে যাচ্ছে মোবাইল ফোন অপারেটররা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সেলফোন রিচার্জ ব্যবসায়ীদের চলমান আন্দোলন বন্ধে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে অপারেটররা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) অনানুষ্ঠানিকভাবে অপারেটরদের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গেছে।

দু-একদিনের মধ্যে এ বৈঠক হতে পারে। এ বিষয়ে এরই মধ্যে নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেছে সেলফোন অপারেটররা। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

রিচার্জে কমিশন বাড়ানোর দাবিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআরবিএ)। সংগঠনটি ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী সাহারা খাতুন এবং বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদকে এ ব্যাপারে স্মারকলিপি দেয়।

এতে ১১টি দাবি উল্লেখ করে তা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করা হয়। বিএমপিআরবিএ রিচার্জে কমিশনের হার ২ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার দাবি করেছে।

সংগঠনটি বলছে, রিচার্জ সেবা চালুর শুরু থেকে কমিশনের এ হার চালু রয়েছে। অথচ এ সময়ে কয়েক দফা বেড়েছে দ্রব্যমূল্য। এ ছাড়া সংগঠনটির মাধ্যমে নতুন সিম দেয়ার ব্যবস্থা, ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে ফেরতের ব্যবস্থা করা, রিচাজের্র পদ্ধতি সহজ ও উন্নত করার দাবি করেছে বিএমপিআরবিএ।

রিচার্জ ব্যবসায়ী ও সেলফোন অপারেটরদের পাশাপাশি এর সঙ্গে দেশের বিপুলসংখ্যক সেলফোন ব্যবহারকারীও সংশ্লিষ্ট। ফলে বিষয়টির একটি কার্যকর সমাধান প্রয়োজন। আলোচনার মাধ্যমে দুই পক্ষই এ ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারে।

এসব অভিযোগ সম্পর্কে বিএমপিআরবিএর সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানান, এখন থেকে এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেবে সংগঠন। প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনটির কমিটি রয়েছে বলে জানান তিনি।

দেশের ছয় সেলফোন অপারেটরের বিভিন্ন নামে এ রিচার্জ সেবা চালু রয়েছে। গ্রামীণফোন দেশে প্রথম এ রিচার্জ ব্যবস্থা চালু করে।

প্রতিষ্ঠানটি ফ্লেক্সিলোড নামে এ ইলেকট্রনিক বিল পরিশোধের ব্যবস্থা চালু করে ২০০৫ সালে। প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার খুচরা বিক্রেতার মাধ্যমে গ্রামীণফোনের গ্রাহকরা এ সুবিধা পেয়ে আসছে।

এ ছাড়া বাংলালিংক আই টপ-আপ, রবি ইজি লোড, এয়ারটেল ই-বিল, সিটিসেল ই-টপ আপ ও ই-বিল এবং টেলিটক টেলিরিচার্জ নামে এ ইলেকট্রনিক বিল পরিশোধ ব্যবস্থা চালু করেছে।

মরিয়ার, হিচকক, মনিরত্নম আর ঐশ্বরিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

মরিয়ার, হিচকক, মনিরত্নম আর ঐশ্বরিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 এতদিনে মনের মতন একখান চিত্রনাট্য পেয়েছিলেন নায়িকা; ক্ষণিক বিরতির পর তাই অনেকটা নিজের জীবনের সঙ্গে মিলে যায়- এমন কাহিনি নিয়েই রুপোলি পর্দায় ফেরার ফন্দি ভাঁজছিলেন তিনি! তাও কপালে সইল না?

আসলে নিন্দুকদের মুখে আচ্ছাসে ঝামা ঘষে আবার ছায়াছবির রুপোলি পর্দায় ফিরে আসছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন- এটা একদম পাকা খবর হয়েই ছিল। মোটের ওপর নেহাতই একখান মামুলি খবর; ঐশ্বরিয়া পেশায় অভিনেত্রী- তিনি তার তিলে তিলে তৈরি করা জায়গা খামোখা ছেড়ে দেবেনই বা কেন? মা হওয়ার সময় সব মেয়েরাই কাজেকম্মে ছুটি নেয়; ঐশ্বরিয়াও নিয়েছিলেন। কাজেই খবরটা নিয়ে ঢাকঢোল পেটানোর মতো কিছু আছে কি?

আলবাত আছে। যে ছবিতে দেখা যাবে মাদার বচ্চনকে এতদিন পর, সেই ছবির গল্পের নায়িকার পরিস্থিতির সঙ্গে ভালই মিল ছিল ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে বাজার গরম করা গুজগুজ-ফুসফুসের! তা, ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে বাজার কী বলে? কী বলে না- সেটা বলাই বোধহয় ভাল হবে। সবাই বলে, যোগ্যতার চেয়ে কিছু বেশিই পেয়ে গিয়েছেন ঐশ্বরিয়া; এতটাও সাফল্যের হকদার তিনি নন! এও রটে পাঁচকানে যে, বচ্চন-পরিবারের বধূ হওয়ার মতো ব্যক্তিত্বও তার নেই; ওটা নেহাতই পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা সুযোগ! পাশাপাশি, ইদানিং আরও একটা অভিযোগ আছে নায়িকার বিরুদ্ধে। এই ঐশ্বরিয়া আগের ঐশ্বরিয়ার মতো অতটাও গ্লাম্যারাস নন!

এইসব উড়ো খই আঁচল পেতে ধরাটা যে কোনও কাজের কথা নয়, তা তো সবাই জানে! লোকে কী না বলে- সে কথায় কান দিতে নেই। তা বলে কি একটু-আধটু মাথা গরম হয় না, নাকি ভাল করে ঠুকে দিতে সাধ যায় না নিন্দুকদের? অনেক দিন এসব সহ্য করেছেন ঐশ্বরিয়া; এবার মুখ খুলেছিলেন তিনি। তবে প্রেস কনফারেন্স ডেকে নয়; আগামী ছবির গল্প দিয়ে! কী সেই ছবি?

ছবির গল্পটা পরিচালকের নিজস্ব নয়; ১৯৩৮ সালের জনপ্রিয় ফরাসি লেখিকা দ্যু মরিয়ার-এর ‘রেবেকা’ থেকে অনুপ্রাণিত। আর পরিচালকের নাম মনি রত্নম। সেই গল্প বলছে, রেবেকা নামে এক মধ্যবিত্ত মেয়ে কপাল  জোরে বিয়ে হয়ে উঠেছিল এক অভিজাত পরিবারে। আর সেখান থেকেই শুরু হল বিপত্তি! ম্যাক্স-এর নববিবাহিতা বউকে নিয়ে কোনো সমস্যা না থাকলেও গভর্নেস মিসেস ডেনভার্স দু’ চক্ষে দেখতে পারতেন না বধূটিকে। কথায় কথায় তিনি মনে করিয়ে দিতেন, এই মেয়েটি ম্যাক্সের আগের বউ রেবেকার মতো সুন্দরী নয়, এই মেয়েটি অভিজাত পরিবারের বধূ হওয়ার যোগ্যই নয় ইত্যাদি ইত্যাদি। রেবেকার ছায়ার তলায় থাকতে থাকতে অতিষ্ঠ হয়ে কীভাবে রেবেকা-রহস্যের সমাধান করল নববিবাহিতা, সেটাই ‘রেবেকা’ উপন্যাসের মজা! এবার বোঝা যাচ্ছে তো, কেন এই চিত্রনাট্য কিছুটা হলেও খাপ খেয়ে যায় ঐশ্বরিয়ার পরিস্থিতির সঙ্গে?

অবশ্য ঐশ্বরিয়া আছেন, আর কোনো বিতর্ক নেই তার অভিনীত ছবি নিয়ে-তাও কি হতে পারে? কখনই পারে না। তা, এবারের বিতর্কটা কী? না, দু'-দুটো বিতর্ক ইতিমধ্যেই জমে উঠেছে তৈরি না-হওয়া এই ছবিটাকে ঘিরে। প্রথমত, মনি রত্নম-এর এই ‘রেবেকা’ নাকি হতে চলেছে আলফ্রেড হিচকক-এর ১৯৪০ সালের ওই একই নামের ছবির টুকলি! সেই ছবিতে নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ছিপছিপে সুন্দরী জোন ফন্টেন; সেই ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস মেনেই বেছে নেওয়া হয়েছে ঐশ্বরিয়াকে। অবশ্য, ছবির শেষটা মূল উপন্যাসে যা ছিল, তা প্রযোজকদের দাবি মেনে ছবিতে রাখতে পারেননি হিচকক। ম্যাক্স রেবেকাকে খুন করলেও হিচককের ছবিতে সেই মৃত্যুকে দেখানো হয়েছিল আকস্মিক এবং সুখী দাম্পত্যে ফিরে গিয়েছিল নায়ক-নায়িকা। তা, মনির ছবিতে শেষটা কেমন হবে? এই জায়গা থেকেই শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় বিতর্ক- ছবিটা আদৌ হচ্ছে কিনা!

সে কী? ছবি হচ্ছে না? গুজব যাই রটুক না কেন, মনি কিন্তু ঝেড়ে অস্বীকার করছেন আগামী এই ছবির কথা! 'এখনও কদল ছবি নিয়ে ভীষণই ব্যস্ত হয়ে আছে মনি, অন্য ছবি নিয়ে ভাবার সময় কোথায়', জানাচ্ছেন মনিজায়া সুহাসিনী! 'কদল' ছবি এখন পোস্ট-প্রোডাকশনের মুখে; সেটা শেষ হবে, তার সাফল্য উপভোগ করবেন, খানিক বিশ্রাম নেবেন- তার পরে না নতুন ছবির পরিকল্পনা! তাহলে এখন কী করবেন ঐশ্বরিয়া?

সে যাই হোক, ঐশ্বরিয়ার পক্ষে যে এই ছবি লাভজনক হতো-তাতে সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই। নায়িকার প্রথম ছবি ‘ইরুভর’-ও মনি রত্নমের হাত ধরেই; এবং যখনই প্রয়োজন পড়েছে, নায়িকার ডুবন্ত কেরিয়ারকে ‘গুরু’, ‘রাবণ’ প্রভৃতি একের পর এক হিট ছবি দিয়ে টেনে তুলেছেন মনি। এবারেও যে তার ব্যতিক্রম হত না- এমনটা আশা করাই যায়। কিন্তু ছবির ভবিষ্যত তো ঝুলে আছে শূন্যে! কী পরিণতি হবে নায়িকা এবং তার এই ছবির-সময়ই কেবল সেটার জবাব দেবে। সূত্র: ওয়েবসাইট।

এতদিন কোথায় ছিলেন :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

এতদিন কোথায় ছিলেন :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
  জ্ঞান হওয়া ইস্তক সেই রূপকথার বন্দিনী আমাকে বলতেন, ইংরেজি পড়। জীবনের দরজা খুলে যাবে। আমার মতো ভাত রান্না করতে হবে না। ছোটহাতের বি-কে উল্টে দিলে ডি হয়, এন হলো ডিগবাজি খাওয়া ইউ। নিজে হাতে শিখিয়েছিলেন। কাঁচের আলমারির রঙবেরঙয়ের ইয়ামোটা বইগুলো পড়তে পারার লোভ দেখিয়ে নির্ভুল বানান লেখাতেন ধৈর্য ধরে। স্টিভ জোবসকে জানার অনেক আগেই, অ্যাপল বানানে কটা পি লাগে, ঠিক জেনেছিলাম তারই কাছে।

তারপর কখন রেডিয়ান্ট রিডারের লক্ষ্মণরেখা পার হয়ে, বন্দিনীর আঙুলের মুঠি ছাড়িয়ে, তাকে অনেক পিছনে ফেলে ফিনিশ লাইন ছুঁয়ে ফেললাম। আলমারির ইংরেজি বই টেনে আগাপাশতলা পড়া হয়ে গেল। সাহেবি ঢংয়ে ইংরেজি বলে হাইহিল পরার ছাড়পত্র মিলে গেল। পিছন ফিরেও দেখিনি আমার রূপকথার রানি কোন দাগে আটকে রইলেন। স্বপ্নের সব রূপ-রস-নির্যাস আমাকে দিয়ে, আমার জীবনের দরজাটা খুলে দিয়ে, এখনও তিনি ধূমায়িত রান্নাঘরে প্রতিদিনের জীবন অনুশীলন করেন। করেই চলেন।

এক কখায়, ইংলিশ ভিংলিশ সেই সব রূপকথার বন্দিনীকে আবার সিংহাসনে বসাল। সেই মায়েরা, যাদের জীবনে বলার কিছুই নেই, তাদের গল্পই বললেন পরিচালক গৌরী শিন্ডে এবং শ্রীদেবী। একই সঙ্গে পরিচালক আর নায়িকার নাম বললাম। শ্রীদেবী, কামব্যাক হো তো অ্যায়সি! বিস্ময়বোধক শব্দ অভিধানে বড় কম। প্রত্যেক ফ্রেমে এই হিম্মতওয়ালি যেভাবে ‘চরিত্র’ হয়ে উঠলেন, না দেখলে কল্পনা করা অসম্ভব। এক সেকেন্ডও চোখ সরালে মিস করবেন তার অভিব্যক্তির অনুপুঙ্খ। ছবিতে ছেলের মনোরঞ্জনের জন্য মাইকেল জ্যাকসন-এর নাচ (যার আয়ু মোটে ছ সেকেন্ড) ছাড়া শ্রীদেবীর নাচ দেখতে পাবেন না। তাতে কী! যা দেখতে পাবেন, তাতেই বলবেনই, এতদিন কোথায় ছিলেন, শ্রীদেবী!

সব ‘সরস্বতী বিদ্যালয়ে’ পড়া, ইংরেজি-না-জানা ‘অসহায়’ মায়েদের সম্মিলিত চরিত্রর ঠাসবুননে তৈরি এক চরিত্রে, একা অভিনয় করে দেখালেন শ্রীদেবী। সংসারে থেকেও যারা প্রায় অদৃশ্য। যাদের মধুমালতী হাতের ছোঁয়ায় সুস্বাদু হয় ঘরের খাবার, একটা জানলা-দরজাহীন চৌখুপির মধ্যেই যাদের রাতদিনের শ্রম, তাদেরই গল্প।
শ্রীদেবীর চরিত্র শশী সকালের কাগজে বাইরের বিশ্বটুকু জানতে শুরু করলেই যার স্বামী ডেকে ওঠেন, চা চাই। ছেলের স্কুল, মেয়ের ক্লাসের স্ক্র্যাপবুক, মনের মতো খাবার, প্রাণান্ত পরিশ্রম আর অঢেল মমতা দিয়েও যে তার অক্ষমতাকে ঢাকা দিতে পারে না। তুচ্ছ হয়ে যায় ইংরেজি জানা মেয়ে ও স্বামীর কাছে। একটি ভাষা জানা-না-জানার মধ্যে দিয়েই একটি সংসারের মধ্যেও কেমন ক্ষমতার আসনগুলো ওলটপালট হয়ে যায়।।। এই শশীই অসাধারণ লাড্ডু বানায়। বাড়ি বাড়ি হোম ডেলিভারি দিয়ে খুঁজে নেয় মুক্তির স্বাদ। আয়রন চেস্টে জমিয়ে রাখে সঞ্চয়। সেখানেও স্বামীর তাচ্ছিল্য। তোমার কি এটা না করলেই নয়। লাড্ডু বানানোর জন্যই কি তোমার জন্ম হয়েছে?

তাক লাগালেন পরিচালক। কোনো গল্প ছাড়াই আড়াই ঘণ্টা সম্মোহিত করে রাখলেন দর্শককে। অথবা শুধুই দর্শকের সঙ্গে ট্রিকস খেলে চললেন? চার দেওয়ালের ভেতরের গল্পটা টেনে বের করে নিয়ে এলেন প্রথম বিশ্বে। নিউ ইয়র্কবাসী বোনের বড় মেয়ের বিয়ে, জোগাড়যন্ত্র করতে যেতে হবে তো! এক্ষেত্রে সাধারণত যা হয়, প্রায় পরিচারিকার সম্মান দিয়েই পাঠানো হয় একলা শশীকে। এবেলা তার ইংরেজি-না-জানার জোর খাটে না, স্বামী সংসার ছেড়ে একলা পাড়ি দিতে হয়, ইংরেজি-না-জানা গৃহবধূ বনাম ইংরেজি-সর্বস্ব নিউ ইয়র্ক। কেমন করে ‘সামনা’ করবে সে? এক কাপ কফি আর স্যান্ডউইচ কিনতে গিয়েই যেন সুনামির মুখোমুখি হয় শশী। এই অক্ষমতার হাতকড়া থেকে মুক্তির তাগিদ থেকেই একদিন ‘চুপিচুপি’ ফোন স্পোকেন ইংলিশ ক্লাসের স্কুলে। লজ্জার ঘোমটা খুলে। সারা জীবনের সিংহভাগ সঞ্চয় চারশ ডলারে ভাঙিয়ে নিয়ে ‘চুপিচুপি’ চার হপ্তার ক্লাশ শুরু করে দিলেন। চার দেওয়াল গণ্ডি থেকে ‘চুপিচুপি’ তিরের বেগে বেরিয়ে বিশ্বসংসারে শ্বাস নেওয়া। ভিংলিশ-এর গণ্ডি পেরিয়ে ইংলিশে উত্তরণ। এই ‘চুপিচুপি’-র বিশ্বে সঙ্গ দিল শশীর আমেরিকাবাসী বোনঝি।

ইংলিশ ক্লাশটা নিয়ে দুচারটে কথা বলি। এটাও একটা ভিংলিশ-এর মিনি-বিশ্ব। স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, চাইনিজ, ওয়েস্ট-ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানি আর ভারতীয় ছাত্র পড়তে আসে এখানে। ইংরেজিতে কথা বলতে পারলে স্প্যানিশ গভর্নেস তার মালকিনের ছেলেকে স্প্যানিশ শিখে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারবে। দক্ষিণ ভারতীয় আইটি স্পেশালিস্ট তার সহকর্মীদের উচিত শিক্ষা দিতে পারবে। পাকিস্তানি ড্রাইভার আমেরিকান বান্ধবী পাবে। ইংরেজি শেখার তাগিদ যাদের আলাদা আলাদা। তবু ইংরেজি না-বলেও একজন ফ্রেঞ্চ নির্দ্বিধায় মনের কথা বোঝাতে পারে এক মারাঠি গৃহবধূকে। সত্যি, চমৎকার স্ক্রিপ্টের ব্যবহার! চোখে আঙুল দিয়ে দেখালেন ইংরেজি ভাষার সারশূন্যতা। মেহদি নেবউ-এর অভিনয় মনে থাকবে অনেকদিন।

ক্লাইম্যাক্স শটের কথাও বলে রাখি একটু। বিয়েবাড়ির পার্টিতে টার্ন আসে শশীর, বিবাহিত দম্পতির উদ্দেশে কিছু বলার জন্য। ইংলিশ স্পিকিং কোর্স করার পর শশী নির্ভুল ইংরেজিতে কথা বলে না। কিন্তু মনের কথা প্রকাশ করতে পারে। নিজের ভেতরে গুমরে থাকা অভিমান উগরে দেয় না, বোধগম্য ভাষায় মোলায়েমভাবে নিজের উপলব্ধির কথা বলে। ক্র্যাশ কোর্সের লক্ষ্যই তাই। লজ্জায় কুঁকড়ে থাকা অভিব্যক্তির গিঁটগুলো খুলে দিয়ে ভাবপ্রকাশের রাস্তা করে দেয়া। শশীর স্পিচে উঠে আসে একটাই আবেদন। বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী ‘ইকোয়াল’। সংসারে কেউ কারওর ছোট নয়। পরিচালক যেভাবে নাটকীয় পরিস্থিতি সৃষ্টির প্রলোভন থেকে দূরে থাকলেন, তাতে আরও পরিষ্কার হল তার গবেষণার পরিধিটাও।

এইখানে বলে নিই, ছবির নাম কেন ‘ইংলিশ-ভিংলিশ’। শুধু শ্রীদেবীর কল্যাণে নয়। প্লেনে সহযাত্রী হিসেবে অমিতাভ বচ্চনের সদর্প উপস্থিতিই এর কারণ। ঘাবড়াবেন না। তিনিই ছবিতে বলেছেন, ‘সময় এসেছে ইংরেজি ভাষাকে ভ্যাংচানোর! আর ভয় পেলে চলবে না।’ ছবিতে মিডাস টাচ এই বিগ বি-ই। পাশাপাশি শ্রীদেবী-অমিতাভ। অসাধারণ কমিক সিকোয়েন্স। এক শব্দে, ঐতিহাসিক!

এক নিঃশ্বাসে দেখার মতো ছবি। আধুনিক এবং প্রাচীনমনস্কদের সমানভাবে অবশ্যদ্রষ্টব্য। আর অবশ্যই, যদি এখনও খুব বেশি দূরে চলে গিয়ে না থাকেন, তাহলে ছবি দেখা শেষ করে সেই রূপকথার বন্দিনীকে একবার জড়িয়ে ধরুন। একটি ভাষা না-জানার অপরাধে, তাকে উপহার দেয়া শ্লেষ আর অপমানগুলো ফিরিয়ে নেয়ার সুযোগ না-ই বা পেলেন! সূত্র: জিনিউজ।

স্ট্রোকের ক্ষতি সারাবে ওষুধ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

স্ট্রোকের ক্ষতি সারাবে ওষুধ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

 স্ট্রোকের কারণে মস্তিষ্কে রক্ত জমে যাওয়াসহ নানা জটিলতা সারিয়ে তুলবে ওষুধ। এ জন্য অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হবে না। ল্যানচেট নিউরোলজি অব মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, স্ট্রোকের জটিলতা সারিয়ে তুলতে এনএ-১ নামক একটি ওষুধ ব্যবহার করা নিরাপদ। স্ট্রোকের কারণে মস্তিষ্কের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমন ১৮৫ জন রোগী নিয়ে পরীক্ষা চালিয়ে আমেরিকা ও কানাডার বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, এনএ-১ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত কোষ সারিয়ে তোলে।

প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই ওষুধ অক্সিজেনের অভাবে মরে যাওয়া কোষগুলো রক্ষা করে। কানাডা ও বৃটেনের প্রায় ১৪টি হাসপাতালে রোগীদের মাঝে সামান্য পরিমাণে এনএ-১ ব্যবহার করে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে গবেষক দল। ৯২ জন রোগীর দেহে সরাসরি ইনজেকশনের মাধ্যমে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। অন্য ৯৩ জনের দেহে স্যালাইনের মাধ্যমে ওষুধ দেয়া হয়।

গবেষকরা জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যে ওষুধ ব্যবহারকারীদের লক্ষণীয় পরিবর্তন হয়েছে। স্ট্র্রোক অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, এই ওষুধের ব্যবহার আশাব্যঞ্জক; তবে এ নিয়ে আরো গবেষণার প্রয়োজন আছে। সূত্র: বিবিসি

‘তামাকের মাধ্যমে বছরে ৫৭ লাখ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়’ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘তামাকের মাধ্যমে বছরে ৫৭ লাখ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়’ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. ক্যাপ্টেন অব. মুজিবুর রহমান ফকির বলেছেন, ‘‘প্রতি বছর ৫৭ লাখ লোক তামাকের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বছরে তামাকজাত পণ্যে সরাসরি আক্রান্ত হয় ৩৭ হাজার লোক। এ সংক্রান্ত চিকিৎসায় বছরে ব্যয় হয় ৫ হাজার কোটি টাকা।’’

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় তামাকমুক্ত দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও জনস্বাস্থ্য’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সমন্বয়কারী সাইফুদ্দিন আহমেদ।

মুজিবুর রহমান ফকির বলেন, ‘‘তামাকের এই ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে হলে সবার আগে দরকার জনসচেতনতা। দেশের জনগণ যখন এর ক্ষতিকর দিক জানবে, তখন তারা তামাকজাত পণ্য ব্যবহার থেকে সরে আসবে।’’

তিনি বলেন, ‘‘আইন করলেই হবে না, আইনের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। এ সংক্রান্ত আইনটিতে বেশ কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে, যা খুব শিগগিরই সংসদে পাস হবে।’’

তামাকমুক্ত দেশ গড়তে হলে রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই বলেও মনে করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, ‘‘তামাকের ব্যবহার শুন্যের কোঠায় আনতে হলে সবার আগে দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছার। কারণ,  যারাই ক্ষমতায় থাকে, তারা ভোট হারানোর ভয়ে জনগণের জন্য কার্যকর এই ক্ষেত্রটিতে কেনো উদ্যোগ নেয় না।’’

যখন যারাই রাষ্ট্রক্ষমতায় আসুক তাদের দেশের জনগণের কাছে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক আইজিপি ড. এম এনামুল হক, উবিনীগ নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতার প্রমুখ।

সন্তান জন্মদানে অক্ষমদের জন্য সুখবর :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

সন্তান জন্মদানে অক্ষমদের জন্য সুখবর :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
  সন্তান জন্ম দিতে যারা অক্ষম তাদের অনেকের মুখে হাসি ফুটতে আর বেশি বাকি নেই- এমন দাবি করেছেন জাপানের একদল বিজ্ঞানী৷ কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের দেহে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে পুরোপুরি সফল হয়েছেন৷

সৃষ্টির আদিকাল থেকেই মানুষ সন্তানের বাবা-মা হতে চান৷ জগতের সব প্রাণীই চায়৷ এই চাওয়া চিরকালীন৷ কিন্তু চাইলেও অনেকে সন্তানের মা-বাবা হতে পারেন না৷ কারো কারো জন্য এই ‘না পাওয়ার ব্যথা' অবর্ণনীয়৷ এবার একদল কোষবিজ্ঞানীর উদ্ভাবন এই হতাশা থেকে মুক্তির উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখাচ্ছে৷

যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান জার্নাল ‘সায়েন্স'- এ প্রকাশিত হয়েছে একটি নিবন্ধ৷ ওই নিবন্ধের মাধ্যমেই জানা গেছে কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন বিজ্ঞানীর অভূতপূর্ব সাফল্যের খবর৷ জাপানের এই বিজ্ঞানীদের দাবি, যারা সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম, তাদের এই অক্ষমতা দূর করার সম্ভাবনা সৃষ্টির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন তারা৷ সাধারণ কোষ থেকে ডিম্বকোষ তৈরি করে দেখিয়েছেন তাঁরা।

মানুষের বড় বড় আবিষ্কারের নেপথ্যে রয়েছে গিনিপিগ, মশা, মাছি, গরু বা ভেড়ার মতো প্রাণীদের অনেক অবদান৷ কিছুদিন আগে ক্লোনিংয়ের সার্থক রূপায়ণ প্রমাণ করে দেখাতে জন্ম দেয়া হলো মেয়ে-ভেড়া ডলিকে৷ ভেড়া ডলির নাম তাই মানব ইতিহাসে অক্ষয় হয়ে আছে। কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা তাঁদের সাফল্য প্রমাণ করে দেখাতে বেছে নিয়েছিলেন একটি ইঁদুরকে৷ প্রাপ্তবয়স্ক ইঁদুরটি সন্তানের জন্ম দিতে অক্ষম৷ একে সক্ষম করতে প্রথমে বিজ্ঞানীরা তার দেহ থেকে কোষ নিয়ে সেগুলোর কিছু জিন পাল্টে দিয়ে এমন করে ফেললেন যার ফলে কোষগুলো একেবারে পুরুষদের শুক্রাণু বা মেয়েদের ডিম্বাণু তৈরির সহায়ক আদি কোষের অনুরূপ হয়ে গেল৷ সেই কোষগুলো নিয়ে সাধারণ কোষের সঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করা হলো ডিম্বকোষ৷ তারপর ডিম্বকোষ প্রোথিত হলো ইঁদুরের দেহে৷ তারপর সেই ইঁদুরের দেহে তৈরি হলো জননকোষ৷ প্রক্রিয়াটা খুব সহজ মনে হলেও মোটেই সহজ নয়৷ তারপর জননকোষগুলো নিয়ে রাখা হয় টেস্ট টিউবে আর সেখানেই অবশেষে তৈরি হয় নতুন ভ্রূণ৷ তারপর শেষ ধাপ৷ এ পর্যায়ে দরকার পড়ে ‘সারোগেট মাদার'-এর৷ অন্য একটি মেয়ে ইঁদুর এনে তার সহায়তায় জন্ম দেয়া হয় সুস্থ, স্বাভাবিক এক ইঁদুরছানা৷

দীর্ঘদিনের গবেষণা শেষে প্রাপ্তিটা কিন্তু আনন্দে আত্মহারা হবার মতোই৷ নারী-পুরুষের সরাসরি মিলন ছাড়া, দেহের সাধারণ কোষ নিয়ে ধাপে ধাপে এগিয়ে এক পর্যায়ে সুস্থ শিশুর জন্ম দেয়া- এ প্রায় এক অবিশ্বাস্য কাণ্ড! বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই প্রক্রিয়ায় যেসব নারী মা হতে ব্যাকুল, কিন্তু দেহে ডিম্বাণু তৈরি হয় না বলে পারছেন না, তাঁরাও মা হতে পারবেন৷ তাঁদের দেহ থেকেও কোষ নিয়ে একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেই সেটা সম্ভব বলে মনে করছেন অনেকে৷

কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মিচিনোরি সাইতো মনে করেন, তাঁদের এই সাফল্য ডিম্বাণু সৃষ্টির প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরো স্বচ্ছ ধারণা দেবে এবং সন্তান জন্ম দেয়ায় অক্ষমতার কারণ শনাক্ত করতেও সাহায্য করবে৷ তবে তিনি বলেছেন, এখনো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সময় আসেনি, পথ এখনো অনেক বাকি৷ গবেষণার সাফল্য সম্পর্কে সংশয়মুক্ত হতে মানুষ আর বানরের দেহে একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সন্তান জন্ম দেয়া যায় কিনা তা দেখার পরিকল্পনা আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷

কিন্তু কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক কাতসুহিকো হায়াসি মনে করেন, মানুষের দেহে সরাসরি এ প্রক্রিয়া চালানোর কথা ভাবা এখনো সম্ভব নয়, কারণ, ইঁদুর নিয়ে কাজ করতে গিয়েই সম্প্রতি দেখা গেছে, আদি কোষ নিয়ে সেগুলোকে আবার অন্য একটি জীবিত ভ্রূণের কোষের সঙ্গে নিষিক্ত করতে হয় এবং তা করতে গেলে ওই ভ্রুণটি মারা যায়৷ কথা হলো, এভাবে নতুন শিশুর জন্ম দিতে গিয়ে অন্য একটি ভ্রূণ হত্যা কি সবাই মেনে নেবেন? অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষেরই কিন্তু এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হওয়ার কথা৷ সে কারণে মানবদেহে এই প্রক্রিয়া যাচাই করে দেখার আগে গবেষণা করে বিকল্প উপায় বের করার পক্ষে কাসুহিকো হায়াসি৷ সূত্র: ডয়েচে ভেলে ও এএফপি।

কাজ ও বেতন-ভাতার দাবি হলমার্ক শ্রমিকদের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

কাজ ও বেতন-ভাতার দাবি হলমার্ক শ্রমিকদের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 হলমার্ক গ্রুপের শ্রমিকদের চাকরির নিশ্চয়তা ও ঈদের আগে বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি জানিয়েছে শ্রমিক সংগঠন জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন।

মঙ্গলবার রাজধানীর ২৩/২ তোপখানা রোড়ে সংগঠনটির নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এ দাবি জানানে হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি বাহারানে সুলতান বাহার।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতা সহিদুল, অন্তর রহমান, মো. শামীম, জামাল শিকদার, হলমার্ক গ্রুপের শ্রমিক শহিদুল (এবিএস), আতাউর (জেএসএন), জিয়াসমিন (এবিএস), আলমগীর (এবিএস)।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বর্তমানে হলমার্ক গ্রুপের সবগুলো ইউনিট বন্ধ। বায়াররা পূর্বের কাজ ও নতুন করে কাজ দেয়া বন্ধ করেছে। ব্যাংকে এলসি বন্ধের কারণে টাকার লেনদেন বন্ধ। মালিক পক্ষও কারখানার আশেপাশেও থাকে না। আমরা শ্রমিকরা কাজ চাই, পাওনা বেতন-ভাতা চাই। আমাদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সরকারের কাছে হলমার্কের সব ইউনিট চালু রাখার দাবি জানাচ্ছি।

হলমার্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, আমরা ব্যাংকের টাকা আদায়ে পক্ষে। এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক এটা আমরাও চাই। কিন্তু সেটা কারখানা বন্ধ রেখে নয়। প্রয়োজনে প্রশাসক নিয়োগ করে হলমার্কের সব প্রতিষ্ঠান চালুর দাবি করছি।

কোরবানির দিন বিকেলের মধ্যে পশুর বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

কোরবানির দিন বিকেলের মধ্যে পশুর বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
দেশের সব সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় আসন্ন কোরবানির ঈদের দিন বিকেলের মধ্যে পশুর বর্জ্য অপসারণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘ঈদুল আজহার কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এ নির্দেশ দেন।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের (স্থানীয় সরকার বিভাগের) সচিব আবু আলম মো. শহীদ খানসহ দেশে ১০ টি সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকা সিটি করপোরেশনে এ বছর ২০ টি পশুর হাট বসবে। কোনো অবস্থাতেই এসব হাট অবস্থাতেই সড়কের উপরে বসাতে দেয়া হবে না। এ বছরেই প্রথমবারের মতো কোরবানির পশু কেনার সময়েই বর্জ্য সংরক্ষেণের জন্য এটি করে পলিথিনের ব্যাগ সরবরাহ করা হবে। এ কাজে সহায়তা করবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থ্যা (এনজিও)। তবে ব্যাগটি নামমাত্র মূল্যে দেয়া হবে। ব্যাগে সংরক্ষণকৃত বর্জ্য দ্রত অপসারণের জন্যই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “আগামী বছর থেকে আবাসিক এলাকায় কোনো পশুরহাট বসাতে দেয়া হবে না। পাশাপাশি রাজধানীর বৃহত্তম পশুর হাট নয়াবাজারকে স্থানান্তনের করা হবে। ২০ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত রাজধানীর হাট চলবে।”

‘ঘুষখোর’ কর কর্মকর্তার জামিন নাকচ, কারাগারে প্রেরণ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘ঘুষখোর’ কর কর্মকর্তার জামিন নাকচ, কারাগারে প্রেরণ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
ঢাকার কর অঞ্চল ৫-এর অতিরিক্ত কর কমিশনার কাজী আশিকুর রহমানের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর হাকিম এরফান উল্লাহ এ আদেশ দেন।

ওই কর কমিশনারের জামিন আবেদন করে শুনানি করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতকে বলেন , একজন সরকারি কর্মচারীকে সন্দেহমূলকভাবে আটক করা হয়েছে। তার চাকরির স্বার্থে তাকে জামিন দেওয়া হোক।

এ সময় দুদকের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধিতা করে আদালতকে বলেন , “ওই কর কমিশনার একজন ঘুষখোর। সে এর আগেও ঘুষের সঙ্গে জড়িত ছিল। তাকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে।”

গত ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকার সার্কেল ১০৪ এবং কর অঞ্চল ৫-এ কমর্রত ছিলেন অতিরিক্ত কর কমিশনার কাজী আশিকুর রহমান।

এ সময় ওত পেতে থাকা দুদকের সহকারী পরিচালক এবং এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. ফজলুল হক ঘুষ গ্রহণের সময় তাকে হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় একজন নির্বাহী হাকিমও ছিলেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, করদাতা মিজানুর রহমানের কাছে আসামি এক লাখ টাকা ঘুষ চেয়েছিলেন।  ওই করদাতা ‘ঘুষখোর’ কর্মকর্তার ব্যাপারে দুদককে জানান। পরে দুদকের কর্মকর্তারা করদাতার মাধ্যমে কৌশলে আসামি আশিককে ৫০ হাজার টাকাসহ আটক করেন।

এ ঘটনায় পল্টন থানায় গত ২০ সেপ্টেম্বর দুদকের কর্মকর্তা ফজলুল হক বাদী হয়ে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মাদক মামলায় পুলিশ কনস্টেবল চারদিনের রিমান্ডে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

মাদক মামলায় পুলিশ কনস্টেবল চারদিনের রিমান্ডে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় এক পুলিশ কনস্টেবলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারদিনের হেফাজতে নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত।

মরঙ্গলবার এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক এনায়েত করিম পুলিশ কনস্টেবল কাশেম আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক এনায়েত বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি করেছিলেন।

মামলার এজহারে বলা হয়েছে, সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাসাবোর হারুন হোটেলের সামনে পুলিশের নীল রঙের গাড়িতে (ঢাকা মেট্রো-ঘ-০২-২১৪৬) তিন ব্যক্তিকে দেখতে পান বাদী এনায়েত।

তিনি গাড়ির কাছাকাছি গেলে দুই ব্যক্তি গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায়। এ সময় আসামি কাসেম আলী গাড়িটি দ্রুত পেছনে নিতে গিয়ে শ্যামলী পরিবহনের বাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগিয়ে দেন। ফলে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

পরে গাড়িতে থাকা ৫৮২ বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে আটক করা হয়।

ফেনসিডিলসহ আটকের সময় ওই কনস্টেবলের পরনে পুলিশের পোশাক ছিল বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।

আসামি কাসেমের বাড়ি দিনাজপুরের বিরল উপজেলায়।

৮ মামলায় তানভীর-তুষারের জামিন আবেদন নামঞ্জুর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

৮ মামলায় তানভীর-তুষারের জামিন আবেদন নামঞ্জুর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সোনালী ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় গ্রেফতার হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ এবং তার শ্যালক ও হলমার্কের জিএম তুষার মাহমুদের বাকি আটটি মামলায় জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার আসামিপক্ষে আটটি মামলায় জামিনের আবেদন করে শুনানি করলে মহানগর হাকিম আব্দুস সালাম এ জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে সোমবার সিএমএম আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট এরফান উল্লাহ তাদের ২৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া অপর একটি অস্ত্র মামলায় তানভীরকে আরো পাঁচ দিনের রিমান্ড দেন মহানগর হাকিম কেশব রায়।

আসামিপক্ষে জামিন শুনানিতে বলা হয়, দুদকের দায়ের করা এ মামলায় রিমান্ড আবেদনের কোনো প্রয়োজন নেই। তাদেরকে হয়রানি করার জন্যই এ অযৌক্তিক রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। তারা নিয়ম মোতাবেক ঋণ নিয়েছেন এবং নিয়ম মোতাবেক তা পরিশোধ করা হবে।

অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করে বলা হয়, তাদের এসব মামলায়ও ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন পেন্ডিং আছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা সোমবার ম্যাজিস্ট্রেট এরফান উল্লাহ’র আদালতে আসামিদের হাজির করে ১১ টি মামলায় ১০ দিন করে মোট ১১০ দিন রিমান্ড চান। তবে ১১ টি মামলার রিমান্ডের আবেদন থাকলেও সোমবার তিনটি মামলায় রিমান্ড শুনানির জন্য উপস্থাপন করেন দুদক’র প্রসিকিউটিং জি.আরও।

রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মিরপুর থেকে সোনালী ব্যাংকের ঋণপত্র জালিয়াতির ঘটনায় হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। একই সঙ্গে তার শ্যালক ও হলমার্কের জিএম তুষার মাহমুদকেও গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ দুই লাখ টাকা এবং ম্যাগাজিন ও গুলিসহ একটি পিস্তল উদ্ধার করে র‌্যাব। রাতেই তানভীরকে রমনা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

ঋণপত্র জালিয়াতির ঘটনায় হলমার্ক গ্রুপের এমডি তানভীর মাহমুদ ও সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবিরসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের দায়ে বৃহস্পতিবার রমনা থানায় ১১টি মামলা করে দুদক। মামলায় সোনালী ব্যাংকের ২০ জন ও হলমার্কের সাত জনকে আসামি করা হয়েছে।

তাজুলের চেম্বারে ডিবির তল্লাশি: নিন্দা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

তাজুলের চেম্বারে ডিবির তল্লাশি: নিন্দা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ডিফেন্স টিমের অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামের চেম্বারে মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ১০ থেকে ১২ সদস্যের গোয়েন্দা টিম (ডিবি) হানা দেয়।

তারা সেখানে অবস্থানরত আইনজীবী এবং কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। ঘটনার সময় আইনজীবী তাজুল ইসলাম ছিলেন না। তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ডিফেন্স টিমের সদস্য অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম, ব্যরিস্টার নাজিব মোমেন, অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, অ্যাডভোকেট সাজ্জাদ হোসাইন, অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত আইনজীবীরা এ ধরনের আকস্মিক অভিযানের কোনো সার্চ ওয়ারেন্ট আছে কিনা জানতে চাইলে ওয়ারেন্ট নেই বলে জানানো হয়।

উপস্থিত আইনজীবীরা প্রশাসনের এ ধরনের কার্যক্রমে প্রকারান্তরে ডিফেন্স টিমের মামলা পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও হয়রানি করা হচ্ছে বলে প্রতিবাদ করলে ডিবির সদস্যরা কিছুক্ষণ পরে বের হয়ে যায়।

পুলিশি হয়রানির নিন্দা জানিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, “সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়ে অভিযুক্তদের সাক্ষীদের বাড়িতে বাড়িতে যেমন তল্লাশি চালাচ্ছে, তেমনি আমার চেম্বারে হানা দিয়েছে।”

তিনি বলেন, “মামলার প্রস্তুতি কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির ঘৃন্য প্রয়াস চালিয়েছে। এর মাধ্যমে সরকার প্রমাণ করেছে ডিফেন্স টিম মামলা পরিচালনায় অংশগ্রহণ করুক তা সরকার চায় না। একটি স্পর্শকাতর মামলার কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যবহৃত চেম্বারে পুলিশের উপস্থিতি ও ত্রাস সৃষ্টি নজিরবিহীন।”

তিনি বলেন, “আমরা মনে করি, এ ধরনের হয়রানিমূলক হানার মাধ্যমে আইনজীবীদের ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করা হচ্ছে ও মামলার প্রস্তুতি গ্রহণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।”

ডিফেন্সের এ আইনজীবী এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি পুলিশি হয়রানি বন্ধের জন্য আদালতের  হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মঙ্গলবার তাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত লিখিত প্রতিবাদে এসব তথ্য জানানো হয়।

ডিবি পুলিশের উপস্থিতির বিষয়টি বুধবার আদালতের নজরে আনা হবে বলেও তিনি জানান।

২১ জেলার পরিবহণ ধর্মঘট স্থগিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

২১ জেলার পরিবহণ ধর্মঘট স্থগিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
১১ দফা দাবিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ২১ জেলায় সড়ক পরিবহণ মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের পরিবহণ ধর্মঘট ১২ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটায় ফরিদপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল সড়ক পরিবহণ মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি এসএম শাহ আলম মুকুল জানান, সরকারের উচ্চ  পর্যায়ে কথা-বার্তা হওয়ার পর আপাতত এ ধর্মঘট স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এদিকে আগামী শনিবার সকাল ১০ টায় মাদারীপুরে যোগাযোগ ওবাইদুল কাদের ও নৌ পরিবহণ মন্ত্রী  শাহজাহান খানের সঙ্গে মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতাদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

শেয়ারবাজারে কারসাজি বন্ধে তিনটি আইনের অনুমোদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

শেয়ারবাজারে কারসাজি বন্ধে তিনটি আইনের অনুমোদন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
শেয়ারবাজারে অনিয়ম ও কারসাজি বন্ধ করতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের প্রশাসনিক ও পরিচালনা সংক্রান্ত বিধি-বিধান পরিবর্তন করে তিনটি আইনের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

এ তিনটি আইন হলো ‘সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) আইন ২০১২’ ‘দি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ (সংশোধন) আইন ২০১২’ এবং ‘দি এক্সচেঞ্জ (ডিমিউচুয়ালাইজেশন) আইন ২০১২’।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন ভুইঞা সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

এ তিনটি আইন ছাড়াও সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সড়ক বিভাগের উপস্থাপিত ‘সড়ক তহবিল বোর্ড আইন, ২০১২’ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের উপস্থাপিত ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) আইন, ২০১২’ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) আইন ২০১২’ অনুযায়ী আইনটির মেয়াদ আরো দুই বছরের জন্য বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১১ অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের ১১ অক্টোবর পর্যন্ত আইনটি কার্যকর থাকবে।

মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ায় এবং সংসদ চলমান না থাকায় এটি অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হবে। পরবর্তীতে সংসদের অধিবেশনে এটি আইন আকারে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

শেয়ারবাজার সংক্রান্ত তিনটি আইনে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের চাকরির মেয়াদ তিন বছর থেকে বাড়িয়ে চার করা হয়েছে।

তবে কমিশনের গোপনীয় তথ্য গোপন রাখতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এতে গোপন তথ্য প্রকাশের জন্য কমিশনের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান এবং কমিশনারদের ওপর কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

কোনো চেয়ারম্যান বা কমিশনার কমিশনের গোপন তথ্য প্রকাশ করে দিলে তাদের সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। বিধান রাখা হয়েছে বিশেষ আদালত গঠনেরও।

খুনিদের কেউ বিদেশে থাকলেও নিয়ে আসা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

খুনিদের কেউ বিদেশে থাকলেও নিয়ে আসা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বহুল আলোচিত সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, “যে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের বাইরে খুনিদের কেউ যদি বিদেশেও থাকেন তাকে দেশে নিয়ে আসা হবে।”

মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই তাকে তাগিদ দিয়েছেন বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এর আগে বিকেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার দফতরে সাংবাদিকদের জানান, সাগর-রুনি হত্যায় জড়িত সন্দেহভাজন সাতজনকে শনাক্তের পর গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত সাতজনের একজন সাগর-রুনির পারিবারিক বন্ধু তানভীর। আরেকজন তাদের বাড়ির এক পাহারাদার। বাকি পাঁচজন হলেন ডা. নারায়ণ চন্দ্র দত্ত নিতাই হত্যা মামলার আসামি। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে সাগর-রুনির বাড়ির আরেক পাহারাদার হুমায়ুন কবিরকেও শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। কবিরকে ধরিয়ে দিতে ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন তিনি।

সন্ধ্যায় ধানমন্ডির বেঙ্গল গ্যালারিতে স্পেনের চিত্রশিল্পী ফান্সিসকো গয়ার চিত্রপ্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মহিউদ্দিন খান আলমগীর। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস, স্পেনের রাষ্ট্রদূত লুই গেখাগশাকন, বেঙ্গল গ্যালারি অব ফাইন আর্টসর পরিচালক সুবীর চৌধুরী।

ফান্সিসকো গয়ার জন্ম ১৭৪৬ এবং মৃত্যু ১৮২৮ সালে। প্রদর্শনীতে তার ৮৪টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে। এটি চলবে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত।