মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় এক পুলিশ কনস্টেবলকে জিজ্ঞাসাবাদের
জন্য চারদিনের হেফাজতে নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত।
মরঙ্গলবার এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক এনায়েত করিম পুলিশ কনস্টেবল কাশেম আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক এনায়েত বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি করেছিলেন।
মামলার এজহারে বলা হয়েছে, সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাসাবোর হারুন হোটেলের সামনে পুলিশের নীল রঙের গাড়িতে (ঢাকা মেট্রো-ঘ-০২-২১৪৬) তিন ব্যক্তিকে দেখতে পান বাদী এনায়েত।
তিনি গাড়ির কাছাকাছি গেলে দুই ব্যক্তি গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায়। এ সময় আসামি কাসেম আলী গাড়িটি দ্রুত পেছনে নিতে গিয়ে শ্যামলী পরিবহনের বাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগিয়ে দেন। ফলে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
পরে গাড়িতে থাকা ৫৮২ বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে আটক করা হয়।
ফেনসিডিলসহ আটকের সময় ওই কনস্টেবলের পরনে পুলিশের পোশাক ছিল বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
আসামি কাসেমের বাড়ি দিনাজপুরের বিরল উপজেলায়।
মরঙ্গলবার এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক এনায়েত করিম পুলিশ কনস্টেবল কাশেম আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
সবুজবাগ থানার উপ-পরিদর্শক এনায়েত বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি করেছিলেন।
মামলার এজহারে বলা হয়েছে, সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাসাবোর হারুন হোটেলের সামনে পুলিশের নীল রঙের গাড়িতে (ঢাকা মেট্রো-ঘ-০২-২১৪৬) তিন ব্যক্তিকে দেখতে পান বাদী এনায়েত।
তিনি গাড়ির কাছাকাছি গেলে দুই ব্যক্তি গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায়। এ সময় আসামি কাসেম আলী গাড়িটি দ্রুত পেছনে নিতে গিয়ে শ্যামলী পরিবহনের বাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগিয়ে দেন। ফলে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
পরে গাড়িতে থাকা ৫৮২ বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে আটক করা হয়।
ফেনসিডিলসহ আটকের সময় ওই কনস্টেবলের পরনে পুলিশের পোশাক ছিল বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
আসামি কাসেমের বাড়ি দিনাজপুরের বিরল উপজেলায়।
No comments:
Post a Comment