হলমার্ক গ্রুপের শ্রমিকদের চাকরির নিশ্চয়তা ও ঈদের আগে বেতন-ভাতা পরিশোধের
দাবি জানিয়েছে শ্রমিক সংগঠন জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন।
মঙ্গলবার রাজধানীর ২৩/২ তোপখানা রোড়ে সংগঠনটির নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এ দাবি জানানে হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি বাহারানে সুলতান বাহার।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতা সহিদুল, অন্তর রহমান, মো. শামীম, জামাল শিকদার, হলমার্ক গ্রুপের শ্রমিক শহিদুল (এবিএস), আতাউর (জেএসএন), জিয়াসমিন (এবিএস), আলমগীর (এবিএস)।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বর্তমানে হলমার্ক গ্রুপের সবগুলো ইউনিট বন্ধ। বায়াররা পূর্বের কাজ ও নতুন করে কাজ দেয়া বন্ধ করেছে। ব্যাংকে এলসি বন্ধের কারণে টাকার লেনদেন বন্ধ। মালিক পক্ষও কারখানার আশেপাশেও থাকে না। আমরা শ্রমিকরা কাজ চাই, পাওনা বেতন-ভাতা চাই। আমাদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সরকারের কাছে হলমার্কের সব ইউনিট চালু রাখার দাবি জানাচ্ছি।
হলমার্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, আমরা ব্যাংকের টাকা আদায়ে পক্ষে। এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক এটা আমরাও চাই। কিন্তু সেটা কারখানা বন্ধ রেখে নয়। প্রয়োজনে প্রশাসক নিয়োগ করে হলমার্কের সব প্রতিষ্ঠান চালুর দাবি করছি।
মঙ্গলবার রাজধানীর ২৩/২ তোপখানা রোড়ে সংগঠনটির নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এ দাবি জানানে হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সভাপতি বাহারানে সুলতান বাহার।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতা সহিদুল, অন্তর রহমান, মো. শামীম, জামাল শিকদার, হলমার্ক গ্রুপের শ্রমিক শহিদুল (এবিএস), আতাউর (জেএসএন), জিয়াসমিন (এবিএস), আলমগীর (এবিএস)।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বর্তমানে হলমার্ক গ্রুপের সবগুলো ইউনিট বন্ধ। বায়াররা পূর্বের কাজ ও নতুন করে কাজ দেয়া বন্ধ করেছে। ব্যাংকে এলসি বন্ধের কারণে টাকার লেনদেন বন্ধ। মালিক পক্ষও কারখানার আশেপাশেও থাকে না। আমরা শ্রমিকরা কাজ চাই, পাওনা বেতন-ভাতা চাই। আমাদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সরকারের কাছে হলমার্কের সব ইউনিট চালু রাখার দাবি জানাচ্ছি।
হলমার্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, আমরা ব্যাংকের টাকা আদায়ে পক্ষে। এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক এটা আমরাও চাই। কিন্তু সেটা কারখানা বন্ধ রেখে নয়। প্রয়োজনে প্রশাসক নিয়োগ করে হলমার্কের সব প্রতিষ্ঠান চালুর দাবি করছি।
No comments:
Post a Comment