Pages

Saturday, November 10, 2012

যতটা এগোনোর কথা ছিল ততটা সম্ভব হয়নি-পাপন



১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ একযুগ পূর্তির পর টেস্ট খেলতে নামবে। আর কাল হচ্ছে সেই পূর্তির ১০ নভেমস্বর। ঠিক এর আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বললেন,‘টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করতে হলে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগুতে হবে।

২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পাওয়াকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের বিশাল একটি বড় অর্জন স্বীকার করলেও তিনি মনে করেন বার বছরে (এক যুগে) যতটা এগোনোর কথা ছিল ততটা সম্ভব হয়নি। বিসিবি সভাপতি বলেন,‘সীমিত ওভারের ক্রিকেটের জন্য আমরা যতটা সুযোগ-সুবিধা দিতে পেরেছি টেস্ট ক্রিকেটের জন্য ততটা দিতে পারি নি। বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটে এগোতে হলে আমাদের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে।

ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি বা টেস্ট যাই হোক না কেন আমাদের মূল ক্রিকেটার কিন্তু প্রায় একই। তাদের বিভিন্ন ফরম্যাটের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার জন্য প্রচুর খেলা প্রয়োজন। বড় দৈর্ঘ্যের ম্যাচ বাড়লে তাদের এই ফরম্যাটের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার আরো ভালো সুযোগ তৈরি হবে।’

বিসিবি টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করতে বয়স ভিত্তিক দল থেকে বড় দৈর্ঘ্যের ম্যাচের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। অনূর্ধ্ব-১৫ বয়সের ক্রিকেটারদের দুই দিনের ম্যাচ খেলে, অনূর্ধ্ব-১৭ থেকে ৩ দিনের ম্যাচ খেলতে পারে, চারদিনের জাতীয় ক্রিকেট লিগ রয়েছে, সামনে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক আরেকটি লিগ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। এসবই টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের আসন দৃঢ় কববে বলে আমি আমাবাদী।’’

ইউনূস সম্পর্কে মুহিতের বক্তব্য ব্যক্তিগত: হানিফ



শান্তিতে নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের করা মন্তব্য আওয়ামী লীগের বক্তব্য নয় বলে জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।



ওই বক্তব্য অর্থমন্ত্রীর ব্যক্তিগত বক্তব্য জানিয়ে তিনি বলেছেন, ড. ইউনূস আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেভাবে সংযুক্ত আছেন, এতে তিনি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভালো ভূমিকা রাখতে পারেন। তিনি যদি সেটা রাখেন, তাহলে বুঝব সত্যিকার অর্থেই তিনি দেশকে ভালোবাসেন।



শুক্রবার কুষ্টিয়ায় পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।



বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশে এত উন্নয়ন হচ্ছে কিন্তু সেটা ইউনূসের কারণে বিশ্বের কোথাও প্রাধান্য পায় না।

শিবির ঠেকাতে রাজপথে একট্রা হচ্ছে সমমনা রাজনৈতিক দল



জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডব ঠেকাতে রাজপথে একট্রা হচ্ছে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল, বামপন্থী প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল এবং স্বাধীনতা পক্ষের সকল শক্তি চিহ্ণিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকবে।



আওয়ামী লীগ দলীয় সুত্র জানিয়েছে, স্বাধীনতা পক্ষের সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রিত করে জোটের পরিধি বাড়ানো হতে পারে। জামায়াত-শিবিরকে এখনই প্রতিরোধ না করতে পারলে দেশের মধ্যে অরাজকতার সৃষ্টি হবে। পরে সামাল দেয়া সম্ভব নাও হতে পারেন ধারণা থেকে জোটের পরিধি বাড়ানো সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল। আগামী ১৬ নভেম্বর এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।



অন্যদিকে দুই জোটের বাইরে থাকা বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আপাতত জোট গঠন না করলেও স্ব স্ব দলের পক্ষ থেকে জামায়াত-শিবির বিরোধী এবং দ্রুত যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পন্ন করার অবস্থানে রাজপথে সহঅবস্থানে থাকবে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো।



মানবতাবিরোধী অপরাধে আটক জামায়াত নেতাদের মুক্তির দাবিতে জামায়াতের কর্মসূচি ঘোষণা এবং গত সোম ও মঙ্গলবার ঢাকাসহ সারাদেশে জামায়াত তাণ্ডব চালায়। জামায়াতের এ তাণ্ডব ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন ধারাবাহিক কর্মসূচি নিয়ে ইতোমধ্যে রাজপথে নেমেছে। দলটি ঘোষণা করেছে যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর‌্যন্ত তারা মাঠ ছাড়বে না। অন্যদিকে স্বাধীনতা বিরোধী ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য জামায়াত-শিবিরকে ঠেকাতে স্বাধীনতা পক্ষের সকল শক্তিকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, আসুন স্বাধীনতা পক্ষের সকল শক্তি ঐক্যবদ্ধ হই। যুদ্ধাপরাধীর শেষ আমাদের শুরু।



আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন গুলোও ইতোমধ্যে আটঘাট বেধে নেমে পড়েছে জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডব ঠেকাতে।



এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগরে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “যুদ্ধাপরাধীর বিচার বন্ধে জামায়াত-শিবির যে নারকীয় তাণ্ডব চালিয়েছে তা প্রতিরোধে স্বাধীনতা পক্ষের সকল শক্তি একত্রিত হওয়া প্রয়োজন।”



জোটের বাইরে থাকা বামপন্থী দলগুলোকে একত্রিত করা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আগামী ১৬ নভেম্বর দলের কার‌্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।” তিনি জানান, আমরা সব সময়ই চাই স্বাধীনতা পক্ষের সকল শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশবিরোধী শক্তিকে মোকাবেলা এবং ‍যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পন্ন করে অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ে তুলি।



১৪ দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এখনো আওয়ামী লীগ নেতাদের কোনো কথা হয়নি। তবে আওয়ামী লীগের বাইরে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল,গণআজাদী লীগ আজ অথবা কাল আলাদা বৈঠক করবে বলে তাদের দলীয় সুত্র জানিয়েছে।এর বাইরে গণঐক্য, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি(সিপিবি), বাসদ সহ স্বাধীনতা চেতনায় বিশ্বাসী সকল রাজনৈতিক দল জামায়াত-শিবিরকে প্রতিহত এবং যুদ্ধাপরাধীর বিচার দ্রুত করার দাবিতে মাঠে নামার পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে।



সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম জানান, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যখন অগ্রসর হচ্ছে এবং ২-১ জন যুদ্ধাপরাধীর ব্যাপারে রায় ঘোষণার তারিখ যতোই নিকটবর্তী হচ্ছে, ততোই জামায়াত-শিবির মরিয়া হয়ে এ আক্রমণ শুরু করেছে। আমরা জামায়াত-শিবিরের রাষ্ট্রদ্রোহী এ হামলা কঠোর হাতে মোকাবিলার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।



বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ও শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা করে জামায়াত-শিবির চক্র দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এদের ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। কারণ তারা স্বাধীনতার চেতনা মুছে ফেলতে ষড়য্ন্ত্র করছে।”



ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মল্লিক বলেন, “জামায়াত শিবিরের এই হামলার ঘটনা প্রমাণ করে এটা দেশের ভিতরে তাদের শক্তির মহড়া। এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে দেশের সকল অসম্প্রদায়িক শক্তিকে এক যোগে কাজ করতে হবে।”



গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুর রহমান সেলিম বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “রাজপথে জামায়াত-শিবিরকে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো একট্রা হয়ে প্রতিহত করা হবে।” আমাদের সব সময়ই আমাদের অবস্থান স্বাধীনতা বিরোধীদের বিপক্ষে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সরকারি দলের সাংসদের নাম ভাঙ্গিয়ে তাণ্ডব

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সরকারি দলের সাংসদের নাম ভাঙ্গিয়ে তাণ্ডব

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ব্যাবসায়ী রিপন হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে স্থানীয় সরকার দলীয় সাংসদ কায়সার হাসনাত আব্দুল্লার নাম ভাঙ্গিয়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে। তারা নিহতের স্বজন ও মামলার বাদীদের হত্যা করার হুমকি দিচ্ছে। সরকার দলীয় পরিচয় দেয়ায় প্রশাসনের লোকজনও নিরব থাকছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, গত ৭ জুন সকালে ড্রেজার ব্যবসার কাজের জন্য চাঁদা না দেয়ায় কায়সার হাসনাত আব্দুল্লা’র বিশেষ লোক বলে পরিচয় দানকারী জাকির হোসেনসহ ১৫/২০ জন সন্ত্রাসী অস্ত্র দিয়ে ব্যাবসায়ী রিপনকে হত্যা করে।

হত্যার পর নিহতের বাবা মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জাফর আলী বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় মামলা করে। মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়ে নিন্ম আদালতে উপস্থিত না হয়ে আসামিরা বাদীকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য প্রকাশ্যে বাদীর বাড়ির পাশে অস্ত্র মোহরা দিয়ে যাচ্ছে। আসামিদের হুমকিতে বাদী পরিবার আতঙ্কিত। এই অবস্থায় পুরো এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

এ প্রসঙ্গে মোবাইলে আলাপকালে সোনারগাঁ থানার ওসি হারুন অর রশিদ জানান, আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।

‘অমীমাংসিত ইস্যুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া উচিত’


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানী খার সাক্ষাত করেছেন। এসময়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ডি-৮ সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণপত্র দেন। শেখ হাসিনা তার এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন বলে জানা যায়।



এর আগে দুপুরে তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির সাথে সাক্ষাত করেন। তাদের এ বৈঠকে দীপু মনি একাত্তরের গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আবারো পাকিস্তানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানান। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানের জন্যও আলোচনা করেন। এসময় হিনা রাব্বানী বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে কিছু অমীমাংসিত ইস্যু তো রয়েছেই। সেগুলোকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া উচিত।



পাঁচ ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত সফরে শুক্রবার ঢাকায় আসেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খার। উন্নয়নশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম আট দেশের জোট ডি-এইটের ইসলামাবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে তিনি ঢাকা এসেছেন।



আগামী ২২ নভেম্বর ইসলামাবাদে ডি-এইটভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মেলন শুরুর কথা রয়েছে। সকাল সোয়া ১০টায় বিশেষ একটি ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তাকে অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস। বিকাল ৩টায় ঢাকা ছাড়ার আগে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদার সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।




সচিব মিজারুল কায়েস বলেন, ‘একটা বিষয় আপনাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে, এটি কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নয়। ডি-৮-এর সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণপত্র দেয়ার জন্য হিনা রাব্বানি খার বাংলাদেশে এসেছেন। কাজেই দ্বিপক্ষীয় কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি। বাংলাদেশ শুধু অমীমাংসিত বিষয়গুলো উত্থাপন করেছে। আমরা সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নিতে চাই।


সকালে হিনা রাব্বানি খার প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসেন। সকাল সোয়া ১০টার দিকে তাকে বহনকারী বিমানটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির বিশেষ দূত হিসেবে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠেয় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে এক দিনের সফরে হিনা ঢাকায় এসেছেন।

Friday, November 9, 2012

ফেইসবুকারদের জন্য বিনা মূল্যে ইন্টারনেট



যুক্তরাষ্ট্রে কফির দোকানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনা মূল্যে ওয়াইফাই বা তারহীন ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পেতে যাচ্ছেন ফেইসবুক ব্যবহারকারীরা। এ জন্য কোনো পাসওয়ার্ড প্রয়োজন হবে না। নিজেদের ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট থাকলেই চলবে। নতুন এ সুবিধা চালুর জন্য ওয়াই-ফাই হট স্পট নামে নতুন সেবার পরীক্ষামূলক কার্যক্রমও শুরু করেছে ফেইসবুক। জানিয়েছে, ডিসকভারি নিউজ। টম ওয়েডিংটন নামের এক সফটওয়্যার নির্মাতা এ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন।
ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ব্যবহারকারীদের দ্রুত ও সহজে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ করে দিতে প্রাথমিকভাবে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে ক্ষুদ্র পরিসরে ওয়াই-ফাই রাউটার স্থাপনের মাধ্যমে সেবাটি পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফেইসবুক রাউটার বসানো থাকবে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সরাসরি নিজেদের অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানটির ফেইসবুক পেইজে প্রবেশ করতে পারবেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির ফেইসবুক পেইজে ব্যবহারকারীরা কতগুলো লাইক দিয়েছে তা দেখতে পারবেন উক্ত প্রতিষ্ঠান বা দোকান কর্তৃপক্ষ।

পাকিস্তানকে ক্ষমা চাইতে বলবে বাংলাদেশ



মুক্তিযুদ্ধে চালানো গণহত্যার জন্য পাকিস্তানকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানাবে বাংলাদেশ। এ ছাড়া আটকে পড়া পাকিস্তানিদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ২৮তম ব্যাচের পররাষ্ট্র বিভাগের কর্মকর্তাদের বিদায় অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামীকাল শুক্রবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খারের সঙ্গে অমীমাংসিত এসব বিষয় আলোচনায় আসবে।
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠেয় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খার আগামীকাল শুক্রবার ঢাকায় আসছেন। তিনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির বিশেষ দূত হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অণু বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গতকাল বুধবার প্রথম আলো ডটকমের কাছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর নিশ্চিত করেছেন।
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরের সময় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকায় অবস্থানের ব্যাপ্তি হবে প্রায় ১২ ঘণ্টা। এ সময় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে নিমন্ত্রণপত্র দেওয়ার পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে হিনা রাব্বানির।
এদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরটি এখনো নিশ্চিত নয়। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী না গেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন। ১৯ থেকে ২২ নভেম্বর ইসলামাবাদে ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।
বর্তমান সরকারের আমলে হিনা রাব্বানির সফরটি হবে দুই দেশের মধ্যে মন্ত্রী পর্যায়ের উল্লেখযোগ্য সফর। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে বসলে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা ও সম্পদের হিস্যার মতো দুই দেশের অমীমাংসিত প্রসঙ্গগুলো আলোচনায় আসবে।

প্রথম টেস্টের জন্য আকরাম খানের বির্তকিত দল ঘোষণা

প্রথম টেস্টের জন্য আকরাম খানের বির্তকিত দল ঘোষণা

হোম সিরিজের আগে বাংলাদেশের তিন দিনের প্রস্ত্ততি ম্যাচটা হলো না। কাল থেকে দুই দিনের একটি প্রস্ত্ততি ম্যাচ বিকেএসপিতে শুরু হবে।

যেহেতু তিন দিনের ম্যাচ দেখা হলো না তাই প্রধান নির্বাচক আকরাম খান টেস্ট সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করতে বিলম্ব করলেন না। বুধবার মিরপুরে বিসিবি একাদশের আড়ালে অধিকাংশ ক্রিকেটার যখন অনুশীলনে ব্যস্ত তখন আকরাম খান ১৪ সদস্যের জাতীয় ক্রিকেট দলের ঘোষণা দিলেন।

তবে আকরাম খানের এই ১৪ সদস্যের দলটি নিয়ে যে কেউ দ্বিমত পোষণ করবেন। কারণ টিম বাংলাদেশ বির্তকের বাইরে নির্বাচন হয়নি। দলে নতুন মুখ সোহাগ গাজী। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে নাজিম উদ্দিনকে নিয়ে।

কারণ আকরাম খানের ১৪ জনের তালিকায় চট্টগ্রামের নাজিম উদ্দিন আছেন। মাত্র ২ টেস্ট খেলা নাজিমউদ্দিন কেন টেস্টের তালিকায়! নাজিমের চেয়ে অভিজ্ঞ একাধিক ব্যাটসম্যান তো নির্বাচকদের হাতেই ছিল। যেমন রকিবুল হাসান, নাজিম নিশ্চয়ই রকিবুল হাসানের চেয়ে অভিজ্ঞ নয়?

এ সব কথা ওঠার কারণ প্রধান নির্বাচক আকরাম খানের মন্তব্য। মিরপুরে দল ঘোষণার পর আকমার খান মিডিয়ার মুখোমুখি হন। কোন পদ্ধতিতে টেস্টের জন্য দল নির্বাচন করা হলো? এমন প্রশ্নের জবাবে আকরাম খান বলেন, ‘প্রস্ত্ততি ম্যাচ হোক সেটা আমরা চেয়েছিলাম। সেটা হয়নি। যেহেতু প্রস্ত্ততি ম্যাচ হয়নি তাই সর্বশেষ টেস্ট ম্যাচে যারা খেলেছে তাদের পারফর্মেন্স আর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই দল তৈরি করা হয়েছে।’

আকরাম খানের বক্তব্যেই প্রশ্ন চলে আসে নাজিম উদ্দিনের জাতীয় দলের হয়ে টেস্টে এমন কোন হাতি-ঘোড়া-বাঘ মেরে রেখেছেন! যে কারণে রকিবুলের মতো পরীক্ষিত ব্যাটসম্যানকে বাদ দিয়ে নিজ এলাকার নাজিমউদ্দিনকে দলে সুযোগ দিলেন! যদিও এই প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায়নি।

নতুন মুখ সোগাহ গাজী প্রসঙ্গে আকরাম খান বলেন, ‘সে গত তিন বছর একাডেমী দল আর ‘এ’ দলের হয়ে অনেক সফর করেছে। তার অফ স্পিনটা খুবই ভালো। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের একাধিক বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান তাই এখন সোহাগকে বাংলাদেশের বেশি দরকার। আমরা সোহাগকে বেশি সুযোগ দেব। আর এনামুল হক জুনিয়র বাদ দিয়ে ইলিয়াস সানীকে নেয়া হয়েছে। আসলে এনামুলের বাদ পড়ার কারণ দলে বাঁ-হাতি স্পিনার বেশি। তাই প্রতিযোগিতাও বেশি। তবে সে আমাদের বিবেচনায় আছে। আমরা তাকে ফেলে দেব না। তবে আমাদের বেশি সমস্যা ব্যাটিং নিয়ে। সেটা নিয়েই বেশি চিন্তা। আর রুবেলকে কোচ ও ফিজিও সার্টিফিকেট দিয়েছে তাই তাকে নেয়া হয়েছে। রাজু দ্রুতগতির বোলার তাই শাহদাতের সঙ্গে তাকে রাখা হয়েছে।’

বিসিবি একাদশের ১২ ক্রিকেটার
মুশফিক রহিম (অধিনায়ক), মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (সহ-অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, শাহরিয়ার নাফীস, জুনায়েদ সিদ্দিকী, সাকিব আল হাসান, নাসির হোসেন, নাজিম উদ্দিন, আবুল হাসান রাজু, শাহদাত হোসেন, রুবেল হোসেন, ইলিয়াস সানী, সোগাহ গাজী ও নাইম ইসলাম।

প্রস্ত্ততি ম্যাচ হলে ভালো হত-শেন জার্গেনসেন

প্রস্ত্ততি ম্যাচ হলে ভালো হত-শেন জার্গেনসেন 

হোম সিরিজে বিসিবি একাদশ প্রস্ত্ততি ম্যাচে মাঠে নামতে না পেরে আজ অনুশীলনের নেমে ছিল। বিসিবি একাদশ নামার কারন মুল দলের তালিকা তখনও প্রকাশ করেননি নির্বাচকরা। তবে দুপুরের পর নির্বাচক আকরাম খান সিরিজের প্রথম টেস্টের জন্য দল ঘোষনা করে দেন।

তখন শেন জার্গেনসেন-র অধীনে চলছে ক্রিকেটারদের অনুশীলন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ঢাকায় পা রাখার পর আজই প্রথম ক্রিকেটারা মাঠে নামে অনুশীলনের উদ্দেশ্যে। যে কারনে মিডিয়ার আগ্রহ ছিল দলের পক্ষথেকে কেউ কিছু বলবে। অবশেষে কোচ জার্গেনসেন মুখোমুখি হলেন মিডিয়ার। তিনি বলেন,‘প্রথম টেস্টকে সামনে রেখে আমরা অনুশীলন শুরু করেছি। নির্বাচকদের জন্য দল গঠন করা বেশ কঠিন কাজ ছিল। জাতীয় ক্রিকেট লিগের শেষ দুই ম্যাচ খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রস্ত্ততি ম্যাচ হলে ভালো হত। তা না হলেও এখনো টেস্টের প্রস্ত্ততি নেয়ার জন্য আমাদের হাতে চার দিন রয়েছে। এই চারদিন আমাদের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।’

ঘোষিত জাতীয় দলের নতুন মুখ প্রসঙ্গে কোচ বলেন,‘সোহাগ গাজী খুব ভালো ক্রিকেটার। তার অফস্পিন বেশ কার্যকর, জাতীয় লিগে তার একটি শতকও রয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের টপ অর্ডারে কয়েকজন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান থাকায় তিনি বেশ কার্যকর হবেন বলে আশা করছি। দলে দুই-তিন জন তরম্নণ খেলোয়াড় সুযোগ পেয়েছেন। গাজী (সোহাগ), রাজু (আবুল হাসান) এসেছেন। তারা সুযোগ পাওয়ায় আমি খুশী। টেস্ট ম্যাচ ক্রিকেটের সবচেয়ে কঠিনতম। ব্যাটসম্যানদের জন্য টেস্ট ম্যাচ সবসময়ই বড় চ্যালেঞ্জ।’

কন্ডিশন সম্পর্কে জানতে চাইল জার্গেনসেন বলেন,‘এটা আমাদের মাঠ, আমাদের দেশ। এই কন্ডিশন, এই উইকেটের সঙ্গে আমরাই সবচেয়ে ভালো পরিচিত। প্রথম দিনের প্রথম সেশন থেকে আমাদের আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে হবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য সবকিছু প্রথম থেকেই কঠিন করে তুলতে হবে। প্রথম টেস্টের প্রথম সেশন ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এই সেশনে নিজেদের সেরা খেলাটা খেলে নিজেদের চালকের আসনে নিয়ে আসতে হবে।

সাকিবের সঙ্গে মাঠের বাইরে বেশ ভালো বন্ধুত- সুনীল নারায়ন

সাকিবের সঙ্গে মাঠের বাইরে বেশ ভালো বন্ধুত- সুনীল নারায়ন

মিরপুরে আজ অতিথি ক্রিকেট দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় বারের মতো অনুশীলন করেছে। কারন আজ বিকেএসপিতে প্রস্ত্ততি মাঠে গড়ায়নি। প্রসত্মতি ম্যাচ না হওয়াতে মিরপুরেই তারা ছির ব্যসত্ম। এই ব্যসত্ম সময়ের পর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অতিথি দলের নতুন সদস্য সুনীল নারায়ন মুখোমুখি হলেন।
তিনি বলেন,‘যে কোনো ক্রিকেটের জন্য মাইন্ডসেট ভীষণ গুরম্নত্বপূর্ণ। অন্য কিছু নিয়ে ভাবছি না, আমি নিজের বোলিং নিয়েই ভাবছি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ পেছনে ফেলে এসেছি। সেই ম্যাচ নিয়ে আর ভাবছি না। এখান আমরা সম্পূর্ণ নতুন দুটি ম্যাচ খেলবো, তার দিকেই আমাদের মনযোগ।
প্রস্ত্ততি ম্যাচ হলে ভালো হত। তা না হলেও আমরা এখানে অনুশীলন করছি, মানসিকভাবে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি। মিরপুরের উইকেটে খুব বেশি পবির্তন আশা করছি না। উইকেটে বাউন্স পেলে আমার ভালোই লাগবে। টেস্টে ভালো করতে হলে প্রচুর বল করতে হবে, প্রচুর খেলতে হবে।’
সাকিব আল হাসানের প্রসঙ্গে বলতে বলা হলে তিনি বলেন,‘সাকিবের সঙ্গে মাঠের বাইরে বেশ ভালো বন্ধুত্ব। কিন্তু মাঠে দুই জন যার যার দেশের হয়ে খেলবো। তিনি উঁচু মানের একজন ক্রিকেটার। এখনো দলের মিটিংয়ে প্রতিপক্ষ দুর্বলতা-সবলতা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। সেই সময় যখন আসে তখন হয়তো তার ব্যাপারে বলবো।

 

সোনারগাঁয়ে হত্যার মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

সোনারগাঁয়ে হত্যার মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ব্যাবসায়ী রিপন হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লার দলের লোক পরিচয়ে বাদীকে হত্যার হুমকি দিচ্চে।

গত ৭ জুন সকালে ড্রেজার ব্যবসায়ী রিপন চাঁদা  না দেয়ায় সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লার লোক বলে পরিচয় দানকারী জাকির হোসেনসহ ১৫/২০ জনের সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করে।

হত্যার পর নিহতের পিতা মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জাফর আলী বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় মামলা করেন। মামলায় আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে আসামিরা মামলা তুলে নিতে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিচ্ছে। আসামিদের হুমকিতে বাদীর পরিবার আতংকিত।

এ প্রসঙ্গে মোবাইল ফোনে সোনারগাঁও থানার ওসি হারুন অর রশিদ বলেন, আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।

কর্মসূচি জামায়াতের, চাঙ্গা আওয়ামী লীগ



কর্মসূচি জামায়াতের, চাঙ্গা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর পরই অনেকটাই দিবস ভিত্তিক কর্মসূচি পালন করে আসছিল। একাধিক বার দল গোছানো এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও বিরোধী দলের অপ্রচার জনগণের সামনে তুলে ধরতে কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হলে তা আতুর ঘর পার হতে পারেনি।

মানবতাবিরোধী অপরাধে আটক জামায়াত নেতাদের মুক্তির দাবিতে জামায়াতের কর্মসূচি ঘোষণা এবং গত সোম ও মঙ্গলবার ঢাকাসহ সারাদেশে জামায়াত তাণ্ডব চালায়। জামায়াতের এ তাণ্ডব ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের এ কর্মসূচি চলবে বলে দলীয় সূত্র জানায়।

আওয়ামী লীগ নেতাদের মতে, ঘুমিয়ে থাকা আওয়ামী লীগকে জাগিয়ে দিয়েছে জামায়াত। জামায়াত-বিএনপি কে কোনো ভাবেই রাজনৈতিক মাঠ দখলে নিতে দিবে না। তাছাড়া যেখানেই জামায়াত-শিবির সেখানেই প্রতিরোধের ঘোষণাও দিয়েছে সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম বন্ধ এবং দলের নয় শীর্ষ নেতার মুক্তি দাবিতে সোম ও মঙ্গলবার ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভরত জামায়াতকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। মহাজোট সরকার গঠনের পর এটাই জামায়াতের প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে রাজপথে নামা।

মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধারনমন্ডীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। তিনি ওই বৈঠক শেষে তিনদিনের কর্মসূচি ঘোষণা দেন। কর্মসূচির মধ্যে ছিল বুধবার ছাত্রলীগের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ। এছাড়াও ১০ নভেম্বর রাজধানীতের বিক্ষোভ সমাবেশ ও ১১ নভেম্বর বর্ধিত সভায় আগামীর কর্মসূচি ঘোষণা করবে। শুক্রবার ও শনিবার বিকেলে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল বের করবে যুবলীগ, শুক্রবার ও সোমবার জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ করবে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। ছাত্রলীগ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জামায়াত-শিবির প্রতিরোধে সজাগ থাকবে, সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচি। অন্যান্য সহযোগী সংগঠনগুলোও জামায়াত-শিবিরের নাশকতা ঠেকাতে মাঠে নামার ঘোষণা দিবে দু-একদিনের মধ্যেই।

ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোকে এত সক্রিয় হতে দেখা যায়নি। অনেকটাই দিবস ভিত্তিক ছিল দলীয় কর্মসূচি। মাঝে মধ্যে বিশেষ বর্ধিত সভা, কার্যকরি কমিটি ঘরোয়া সভার আয়োজন এবং হঠাৎ করে বিশেষ সংবাদ সম্মেলন। তাছাড়া দলীয় ভাবে ধারাবাহিক বা সরকারের উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে কর্মসূচির ঘোষণা দিলেও পালন করতে তেমনটা দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগ নেতাদের মতেই, ঘুমন্ত আওয়ামী লীগ এখন জেগে উঠেছে। আগের অনেক সক্রিয় ও সজাগ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। কোনোভাবেই জামায়াত-শিবিরকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দিবে না। আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাজপথে জামায়াত-শিবিরকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে। যেখানেই জামায়াত শিবির সেখানেই প্রতিরোধ করা হবে জানান ছাত্রলীগ নেতারা।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, আওয়ামী লীগ কোনোভাবেই স্বাধীনতা বিরোধী চক্র জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্য কর্মকাণ্ড বরদাসত করবে না। তাদের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগ মাঠে থাকবে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, আওয়ামী লীগ গণ মানুষের রাজনীতি করে। দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনকে সহায়তা করতে সরকারি দল হিসেবে আমাদের কর্তব্য রয়েছে।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতাদের মুক্তি এবং বিচার বন্ধের হুমকিতে তারা (জামায়াত) মড়ন কামড় দিয়ে মাঠে নেমেছে। তারা দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যুদ্ধাপরাধীর বিচার এবং জামায়াতের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে হবে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও এক কেন্দ্রীয় নেতা বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, গত বছরের ডিসেম্বরে জামায়াত শিবির হঠাৎ তাণ্ডব চালিয়ে গর্তে চলে যায়। আবার তারা দুইদিন দেশব্যাপী তাণ্ডবলীলা চালিয়ে ঘুমন্ত আওয়ামী লীগকে জাগিয়ে দিয়েছে।

তারা বলেন, যুদ্ধাপরাধীর বিচার বন্ধে প্রকাশ্যে যুদ্ধ ঘোষণা এবং তাণ্ডবলীলা চালানোর পর সরকারি দল হিসেবে আওয়ামী লীগ আর ঘরে বসে থাকতে পারে না। রাজপথে জামায়াত-শিবিরকে প্রতিহত করা হবে।

যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, সরকার ও প্রশাসনকে সহযোগিতা দিতে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির পাশাপাশি আমাদের নিয়মিত কর্মসূচিও থাকবে। রাজপথে জামায়াত-শিবির ও তাদের দোসরদের ছাড় দেয়া হবে না।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং যুদ্ধাপরাধীদের রার যে কোনো চক্রান্তের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মসূচি থাকবে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম বলেন, গত কয়েকদিনে জামায়াত-শিবির যে তান্ডব দেখিয়েছে, তা দেখে বোঝা যায় একাত্তরে তারা কেমন ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিলো। আমি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ছাত্রলীগের প থেকে সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের যেখানেই জামায়াত-শিবির সেখানেই গণধোলাইয়ের নির্দেশ দিচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, সামনে আমাদের বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। এ স্বাধীনতার মাসে তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে গোখরা সাপের মতো ফনা তুলতে পারে। যে কারণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ যেখানেই জামায়াত-শিবিরকে দেখবে সেখানেই প্রতিরোধ করতে।
জামায়াত-শিবিরে তানণ্ডবের পর আওয়ামী লীগের এবং সহযোগী সংগঠনের এ রকম ধারাবাহিক কর্মসূচি এটাই প্রথম বলে জানিয়েছে দলীয় নেতাকর্মীরা। এতদিন নিজ নিজ আখের খোছাতে ব্যস্ত থাকলেও এখন রাজপথে সক্রিয় হচ্ছে তারা।

ফরমালিন আমদানিতে সরকারের কড়াকড়ি, বিজ্ঞপ্তি জারি


মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ফরমালিন আমদানির বিষয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করে এক গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সরকার।

মাছ বা ফলের মতো পচনশীল খাদ্যদ্রব্য বেশিদিন তাজা রাখার জন্য বিক্রেতারা এতে ফরমালিন মেশায় - এমন অভিযোগ রয়েছে বহুদিন ধরেই।

অনেকেই এখন নিশ্চিত যে বাজার থেকে যেসব ফল, মাছ, কিংবা শাকসব্জিসহ কিনে আনা হচ্ছে তাতে ফরমালিন মেশানো থাকবে এবং এটা অনেকটা স্বাভাবিক।

রাজধানীর ইন্দিরা রোডের বাসিন্দা মাজেদা খানম বীথি বলছিলেন, সব ফল আর মাছেই ফরমালিন পাবেন। এটাই স্বাভাবিক। আমি আপেল কিনে ফ্রিজে রেখেছিলাম, যা দু'মাস পরেও নষ্ট হয় নি - ফরমালিন ছাড়া এটা কিভাবে হয়?

এ ধরণের অবৈধ ব্যবহার ঠেকানোর জন্যই ফরমালিন আমদানির ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার এই চেষ্টা বলে কর্মকর্তারা বলছেন।

ফরমালিন মূলত বিভিন্ন ল্যাবরেটরি ও শিল্পে ব্যবহৃত হয়। স্কুল-কলেজ ছাড়াও ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও এর বহুল ব্যবহার রয়েছে মূলত নানা জিনিস সংরক্ষণের জন্য। তাছাড়া চামড়া, টেক্সটাইল, মেলামাইন এবং হ্যাচারি শিল্পেও এর বহুল ব্যবহার যৌক্তিক কারণেই।

কিন্তু জনস্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর ব্যবহার ঠেকানোর জন্যেই এখন সরকার ফরমালিন আমদানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

ফরমালিন আমদানি করতে হলে এখন থেকে সরকারের অনুমতি নিতে হবে এবং বিক্রেতাদের এই রাসায়নিক বিক্রির হিসেব রাখতে হবে।

বৃটিশ সংবাদ সংস্থা বিবিসিকে সরকারের পক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রী জি এম কাদের বলেছেন - ফল, মাছ, শাকসব্জিসহ বিভিন্ন খাদ্যে ফরমালিনের অপব্যবহার ঠেকানোর জন্যই অননুমোদিত আমদানি বন্ধ এবং বাজার পর্যবেক্ষণ ও জোরদার করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তবে রাসায়নিক পদার্থ আমদানীকারকদের অনেকেই বলছেন, যেসব শিল্পে এই ফরমালিন প্রয়োজন শুধু তাদেরই লাইসেন্স দিলে এর নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।

রাসায়নিক আমদানীকারক পদ্মা ট্রেডিং এজেন্সির প্রধান মামুনুর রশীদ বলেন, যেসব শিল্প ফরমালিন ছাড়া চলবে না, মন্ত্রণালয়ের উচিৎ এই অনুমতি শুধু তাদেরই দেয়া ।

তিনি বলেন, আমদানীর অনুমতি বাণিজ্যিাক প্রতিষ্ঠানকে দিলে তারা যে কোন জায়গায় বিক্রি করতে পারে।

বিবিসির ঢাকাস্থ প্রতিবেদক ফরিদ আহমেদকে বাণিজ্যমন্ত্রী জি এম কাদের জানান, সরকার পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা শক্ত করছে আর আমদানীকারকদের সাথে এ বিষয়ে বৈঠক করা হয়েছে। তাদের দিক থেকেও এই সিদ্ধান্তে কোন আপত্তি আসেনি।

হিনার সফর পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের পর্যালোচনা আশা করছে ঢাকা


পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানি খারের সফরকালে বিদ্যমান ইস্যুসমূহসহ ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পর্কের পর্যালোচনা আশা করছে বাংলাদেশ। এ খবর দিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা- বাসস।

হিনা রব্বানি খার একদিনের সফরে আগামীকাল ঢাকা আসছেন। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাসস’কে বলেন, ঢাকায তার (হিনা) সফর সংক্ষিপ্ত হবে এবং যদি বিমানে সিডিউল অপরিবর্তিত থাকে তাহলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির তার বৈঠক সর্বোচ্চ ৪৫ মিনিট স্থায়ী হতে পারে।

তিনি বলেন, দীপু মনির সঙ্গে হিনার নির্ধারিত বৈঠকে বিদ্যমান ইস্যুগুলোসহ দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে পর্যালোচনা আশা করা হচ্ছে। বিদ্যমান বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- ১৯৭১ পূর্ব সম্পদের ভাগ প্রদান, আটককেপড়া পাকিস্তানীদের প্রত্যার্পণ এবং ১৯৭১ সালের নৃশংসতার জন্য ইসলামাবাদের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা ও বর্তমান নিরাপত্তা ইস্যু।

তিনি বলেন, বর্তমানে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক চাঙ্গা হয়ে উঠছে, পাশাপাশি পাকিস্তানের বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১শ’ কোটি ডলার। এতে প্রায় ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এছাড়াও সম্প্রতি বাংলাদেশে তৈরি একটি জাহাজ কিনেছে পাকিস্তান এবং আরও জাহাজ নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

দীপু মনির সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে হিনা রব্বানি খারের সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে। হিনা এসময় ইসলামাবাদে ডি-৮ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানাবেন।

২০০৮ সালের ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিনার এই সফরই হবে পাকিস্তানী কোন শীর্ষ কর্মকর্তার প্রথম ঢাকা সফর। বাংলাদেশের শিক্ষা ও বাণিজ্যমন্ত্রীদ্বয় ওই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়েছেন।

এর আগে গত ২৫ অক্টোবর হিনা রব্বানির ঢাকা সফর করার কথা ছিল। কর্মকর্তারা জানান, ‘অনিবার্য কারণে’ ওই সফরসূচি বাতিল করা হয়।

Thursday, November 8, 2012

ফের ওবামা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফের ওবামা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

 

দ্বিতীয় মেয়াদেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ওবামা ২৯০টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন। অন্যদিকে রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মিট রমনি পেয়েছেন ২০১টি ভোট। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন। সব জল্পনা-কল্পনা উড়িয়ে দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ ২৭৪টি ভোট পেয়ে বেশ সহজেই জয়লাভ করলেন ওবামা। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার প্রথম প্রহরে শুরু হয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট গ্রহণ। ১৯৪৮ সাল থেকে চলা ঐতিহ্য অনুযায়ী নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের দুই ছোট গ্রামের বাসিন্দারা প্রথম ভোট দেন। নির্বাচনের আগে প্রকাশিত বিভিন্ন জনমত জরিপের ফলাফলে দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস দেয়া হয়েছিল। তবে সব ভবিষ্যদ্বাণী ও অনুমান উড়িয়ে দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ের হাসি হাসলেন ওবামা।

বঙ্গোপসাগরে রোহিঙ্গা ট্রলার ডুবি, শতাধিক নিখোঁজ


অন্তত ১০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী নিয়ে আরেকটি ট্রলার ডুবে গেছে বঙ্গোপসাগরে। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বুধবার সকালে এ ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে।



বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড- বিজিবি'র কমান্ডার লে. কর্নের জাহিদ হাসান জানিয়েছেন, কক্সবাজার উপকূলে ডুবে যাওয়ার সময় মালয়েশিয়াগামী ট্রলারটিতে ১১০ জনের বেশি যাত্রী ছিল। স্থানীয় জেলেদের সহযোগিতায় ১১ যাত্রীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে বলে হাসান জানান। তিনি বলেন, ট্রলারটি অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছিল। উদ্ধারকৃত সবাইকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে অন্তত দু'জন রোহিঙ্গা মুসলমান।



কোস্টগার্ডের অপর কর্মকর্তা লে. বদরুদ্দোজা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহযোগিতায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান চলছে।



মিয়ানমারের উগ্র বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী ও নিরাপত্তা বাহিনীর পাশবিক হামলার মুখে দেশটি থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন রোহিঙ্গা মুসলমানরা। গত ২৮ অক্টোবর মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৩৫ রোহিঙ্গাকে নিয়ে আরেকটি ট্রলার ডুবে গিয়েছিল। সে ট্রলারের মাত্র ছয় জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং বাকিদের সলিল সমাধি হয়েছে।



প্রাণ বাঁচাতে নৌকা ও ট্রলারে করে বাংলাদেশ উপকূলে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ঢাকা। জাতিসংঘ বাংলাদেশ সরকারের এ পদক্ষেপের সমালোচনা করলেও ঢাকা বলেছে, এসব শরণার্থী বাংলাদেশের নাগরিক নয় বলে তাদেরকে গ্রহণ করতে পারবে না দেশটি। এ ছাড়া, আগে থেকেই বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী অবস্থান করছেন। বাংলাদেশ বরং রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর গণহত্যা বন্ধে পদক্ষেপ নিতে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহবান জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ও লাওসের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের যাত্রা শুরু :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশ ও লাওসের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের যাত্রা শুরু :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও লাওসের প্রধানমন্ত্রী থংসিঙ থামাভংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও লাওসের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের যাত্রা শুরু হয়েছে।
আজ বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, বৈঠককালে দুই প্রধানমন্ত্রী মানবসম্পদ উন্নয়ন, দারিদ্র্য দুরীকরণ, শিক্ষা, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানে পরস্পরকে সহযোগিতা করতে সম্মত হন।
শেখ হাসিনা লাওস সফরে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য থামাভংকে এবং মনোরম ভিয়েনতিয়েন নগরীতে তাঁকে ও তাঁর সফরসঙ্গীদের লাওস সরকার ও দেশটির জনগণের উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
লাওসে বাংলাদেশের কোন সরকার প্রধানের এই প্রথম সফর। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এ সফর দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত থাকবে। শেখ হাসিনা বলেন, লাওসে তাঁর সফর অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে লাওস ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অপর দেশগুলোর সাথে যোগাযোগ সম্প্রসারণে তাঁর সরকারের লক্ষ্য পূরণ করবে। লাওসের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সাথে চমৎকার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক শৃংখলার ক্ষেত্রে সহযোগিতার প্রস্তাব দেন। এছাড়া তিনি নারী ও যুব সমাজের উন্নয়নের জন্য ক্ষুদ্রঋণ খাতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
থামাভং বলেন, লাওস সরকার এ দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করবে। লাওস প্রধানমন্ত্রী যতদ্রুত সম্ভব ঢাকা সফরে শেখ হাসিনার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, অ্যাম্বাসেডর অ্যাট-লার্জ এম জিয়াউদ্দিন, পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস ও লাওসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সুপ্রদীপ চাকমা এখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
পরে দু’দেশের কর্মকর্তারা দু’দেশের সরকারি কর্মকর্তা ও কূটনীতিকদের ভিসার প্রয়োজনীয়তা উঠিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। দু’দেশের কর্মকর্তারা পারস্পরিক স্বার্থে ভবিষ্যতে দু’দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করতে সম্মত হন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং লাওসের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী থংলুন সিসুলিথ দু’দেশের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের উপস্থিতিতে এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
পরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লাওসের প্রেসিডেন্ট চুম্মালি সেয়াসোনের সঙ্গে তার বাসভবনে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। শেখ হাসিনা লাওসের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন এবং তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। তারা দু’দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী লাওসের প্রেসিডেন্টকে বলেন, লাওস বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স, শিক্ষক, আইটি বিশেষজ্ঞ, অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং কৃষি ও নির্মাণ শিল্পের জন্য জনবল নিতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৪ নভেম্বর নবম এশিয়া-ইউরোপ মিটিং সামিট (এএসইএম৯)-এ যোগ দিতে এখানে পৌঁছেন। সূত্র: বাসস

Wednesday, November 7, 2012

কানাডায় বাংলাদেশের অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ রয়েছে: কানাডার রাষ্ট্রদূত

কানাডায় বাংলাদেশের অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ রয়েছে: কানাডার রাষ্ট্রদূত

ঢাকায় নিযুক্ত কানাডিয়ান রাষ্ট্রদূত এইচ হিদার ক্রডেন বলেছেন, ‘‘কানাডার বাজারে বাংলাদেশের জন্য অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ রয়েছে। এ অবস্থায় কানাডা বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধিতে আগ্রহী। বর্তমানে দু’দেশের মধ্যে এক দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলারের মতো বাণিজ্য রয়েছে।’’

মঙ্গলবার দুপুরে আশুলিয়ার ইফাদ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শনের সময় তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ইফাদের কারখানা পরিদর্শন শেষে মি. ক্রডেন বলেন, ‘‘এখানে গম থেকে গুণগত মানের আটা, ময়দা ও সুজি তৈরি হচ্ছে এবং পরবর্তীতে এগুলো থেকে বিস্কুট ও নুডুলস তৈরি হচ্ছে। এ দেখে আমি সত্যিই অভিভুত। ’’


কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কেও কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। ২০০৩ সাল থেকে বাংলাদেশ কানাডার বাজারে অবাধ বাণিজ্যের সুবিধা ভোগ করে আসছে। ’’


ইফাদ গ্রুপের চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ টিপু বলেন, ‘‘দেশের উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে হলে অর্থনীতির চাকা সুদৃঢ় করতে হবে। আমরা অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং দেশের মানুষের ভাল মানের খাবারের চাহিদা মেটাতেই এই প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছি।’’


ইফাদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভির আহম্মেদ বলেন, ‘‘বাংলাদেশে তৈরী পোশাক শিল্প সারা বিশ্বে একটি অবস্থান তৈরি করেছে। তেমনি বিশ্বের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি খাদ্যদ্রব্য স্থান করে নিতে চায়। আমরা উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের বাজারে ইতিমধ্যে রফতানি শুরু করেছি। অচিরেই আমরা বিশ্ব বাজারের খাদ্য তালিকায় বাংলাদেশকে ব্রান্ড হিসেবে উপস্থাপন করবো।’’


উল্লেখ্য, ইফাদ মাল্টি প্রডাক্টস লিমিটেড এর যাত্রা শুরু হয় ২০০৭ সালে। এখানে প্রতিদিন ১৬০ টন আটা, ময়দা ও সুজি উৎপাদন হয়ে থাকে। মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনকারী আমাদের প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ ময়দাজাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পেয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে(আড়াইহাজার) ফেনসিডিল কারখানা আবিষ্কার



নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার বালিয়াপাড়া এলাকায় নকল ফেনসিডিল তৈরির কারখানা আবিষ্কার করেছে পুলিশ।

সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি বসত বাড়িতে ওই কারখানা আবিষ্কার করা হয়। এ সময় ওই কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ সময় এক নারীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন, মাদক ব্যবসায়ী সোনা মিয়া, হাবু মিয়া ও সোনা মিয়ার পুত্রবধূ ফাহিমা।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম জানান, উপজেলার ব্রাক্ষ্মন্দী ইউনিয়নের বালিয়াপাড়া এলাকার সোনা আক্তার ও হাবুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ফেনসিডিল তৈরির কারখানা আবিষ্কার করা হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল, ইয়াবা ও ফেনসিডিল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া মাদকের মধ্যে দেড়শ বোতল ফেনসিডিল, তিনশ’ পিস ইয়াবা, তিন লিটার লুজ ফেনসিডিল, ৪৫ কেজি ফেনসিডিল তৈরির ক্যামিকেলের (চিনির মতো দানাদার পদার্থ) বস্তা এবং ২০/২৫টি ফেনসিডিলের খালি বোতল বোতল।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সোনা মিয়া ও হাবুর ঘরে দানাদার পদার্থ দিয়ে নকল ফেননিডিল তৈরি করে বাজারজাত করা হতো।

তুরাগ ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে বালু ব্যবসা বন্ধের নির্দেশ


তিন দিনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর কাঁচপুর ও মিরপুরের তুরাগ নদীর তীরে বালু ব্যবসা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে আদালত আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নদীর তীরের বালু অপসারণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এসব আদেশ বাস্তবায়ন করে চার সপ্তাহের মধ্যে একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিষয়টির পরবর্তী শুনানির জন্য ৯ ডিসেম্বর কার্যতালিকায় থাকবে।

এছাড়াও শীতলক্ষ্যা নদী দখল করে কাঁচপুর সেতু এলাকায় এবং তুরাগ নদী দখল করে মিরপুরের সিন্নিরটেকে সব ধরনের বালু ব্যবসা বন্ধে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন। একইসঙ্গে নদী তীরের বালু অপসারণের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

নৌ-পরিবহন সচিব, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদফতরের ডিজি, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের ডিসি, বিআইডব্লিউটিএ-র পরিচালক (পরিকল্পনা), পরিচালক (বন্দর ও ট্রাফিক), প্রধান প্রকৌশলী ও উপ-পরিচালক (নারায়ণগঞ্জ), ঢাকা নদী বন্দরের জ্যেষ্ঠ উপ-পরিচালক, নারায়ণগঞ্জের এসপি, মিরপুর জোনের পুলিশের উপ-কমিশনার, মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

সোমবার হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ এবং সোসাইটি অব জাস্টিসের পক্ষে এ রিট আবেদনটি করা হয়।

একটি জাতীয় পত্রিকায় ৩১ আগস্ট প্রকাশিত ‘কাঁচপুর সেতু এলাকায় নতুন করে ১৭ বিঘা জায়গা দখল’ শীর্ষক প্রতিবেদন রিট আবেদনে যুক্ত করা হয়।

ওই প্রতিবেদেন বলা হয়, ‘‘আইনকানুনের তোয়াক্কা না করে নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে দখল চলছেই। গত প্রায় দুই মাসে কাঁচপুর সেতুসংলগ্ন এলাকায় নদীর অন্তত ১৭ বিঘা জায়গা বাঁধ তৈরি করে দখল করা হয়েছে। সেখানে বালু-পাথর-মাটির অবৈধ ব্যবসাও অব্যাহত রয়েছে।’’