১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ একযুগ পূর্তির পর টেস্ট খেলতে নামবে। আর কাল হচ্ছে সেই পূর্তির ১০ নভেমস্বর। ঠিক এর আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বললেন,‘টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করতে হলে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগুতে হবে।
২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পাওয়াকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের বিশাল একটি বড় অর্জন স্বীকার করলেও তিনি মনে করেন বার বছরে (এক যুগে) যতটা এগোনোর কথা ছিল ততটা সম্ভব হয়নি। বিসিবি সভাপতি বলেন,‘সীমিত ওভারের ক্রিকেটের জন্য আমরা যতটা সুযোগ-সুবিধা দিতে পেরেছি টেস্ট ক্রিকেটের জন্য ততটা দিতে পারি নি। বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটে এগোতে হলে আমাদের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে।
ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি বা টেস্ট যাই হোক না কেন আমাদের মূল ক্রিকেটার কিন্তু প্রায় একই। তাদের বিভিন্ন ফরম্যাটের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার জন্য প্রচুর খেলা প্রয়োজন। বড় দৈর্ঘ্যের ম্যাচ বাড়লে তাদের এই ফরম্যাটের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার আরো ভালো সুযোগ তৈরি হবে।’
বিসিবি টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করতে বয়স ভিত্তিক দল থেকে বড় দৈর্ঘ্যের ম্যাচের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। অনূর্ধ্ব-১৫ বয়সের ক্রিকেটারদের দুই দিনের ম্যাচ খেলে, অনূর্ধ্ব-১৭ থেকে ৩ দিনের ম্যাচ খেলতে পারে, চারদিনের জাতীয় ক্রিকেট লিগ রয়েছে, সামনে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক আরেকটি লিগ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। এসবই টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের আসন দৃঢ় কববে বলে আমি আমাবাদী।’’
No comments:
Post a Comment