আগামী বছর থেকে মেডিক্যালে ভর্তি পরীক্ষা হবে না:স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিত
আগামী বছর থেকে মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজগুলোতে আর ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে
না। এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি নেয়া হবে। এমন
সিদ্ধান্তেরই ইঙ্গিত দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক আ ফ ম রুহুল হক।
শুক্রবার মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনকালে
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি তাদের এই ঝামেলা (ভর্তি পরীক্ষা)
থেকে মুক্তি দিতে চাই। তবে সবার সঙ্গে আলোচনার পরেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত
সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দেশের ২৩টি কেন্দ্রে এক ঘণ্টার এমসিকিউ পরীক্ষা হয়। আট হাজার ৪৯৩টি আসনের বিপরীতে ৫৮ হাজার ৭২৩ জন শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বছর দেশের ২২টি সরকারী মেডিক্যাল কলেজে দুই হাজার ৮১১টি এবং ৫৩টি বেসরকারী মেডিক্যালে চার হাজার ২৪৫টি আসনে এমবিবিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আর নয়টি সরকারী ডেন্টাল কলেজ ও মেডিক্যাল কলেজের ডেন্টাল ইউনিটের ৫৬৭টি আসন এবং ১৪টি বেসরকারী ডেন্টাল ইনস্টিটিউটের ৮৭০টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বিডিএস কোর্সে। শুক্রবার পরীক্ষা চলাকালে প্রতিটি কেন্দ্রে মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ শতাধিক কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত দল তদারকি করেছেন।
ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন’ পরিদর্শক দল দেশের প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন। কোথাও অনাকাক্সিক্ষত কিছু ঘটার সংবাদ পাওয়া যায়নি বলে জানান মন্ত্রী।
এদিকে, প্রতি বছর মেডিক্যালে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সরকারের বাড়তি মনোযোগ থাকলেও এবার ভর্তি পদ্ধতি সংস্কারের উদ্যোগ ঠেকাতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং নকল ঠেকাতে পরীক্ষার হলে ঘড়ি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের কারণে আলোচনা নতুন মাত্রা পায়। পাশাপাশি ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তন নিয়েও বেশ আলোচনা হয়। গত ১২ আগস্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর ভিত্তিতে মেডিকেল ও ডেন্টালে শিক্ষার্থী ভর্তির ঘোষণা দিলে সারা দেশে আন্দোলন শুরু করে মেডিক্যাল ভর্তিচ্ছুরা। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত আদালতেও গড়ায়। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সরকার। গত ১০ সেপ্টেম্বর আদালত পরীক্ষা নিয়ে মেডিক্যাল ও ডেন্টালে শিক্ষার্থী ভর্তির নির্দেশনা দিলে সরকার ২৩ নবেম্বর পরীক্ষার দিন রাখে।
শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দেশের ২৩টি কেন্দ্রে এক ঘণ্টার এমসিকিউ পরীক্ষা হয়। আট হাজার ৪৯৩টি আসনের বিপরীতে ৫৮ হাজার ৭২৩ জন শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বছর দেশের ২২টি সরকারী মেডিক্যাল কলেজে দুই হাজার ৮১১টি এবং ৫৩টি বেসরকারী মেডিক্যালে চার হাজার ২৪৫টি আসনে এমবিবিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আর নয়টি সরকারী ডেন্টাল কলেজ ও মেডিক্যাল কলেজের ডেন্টাল ইউনিটের ৫৬৭টি আসন এবং ১৪টি বেসরকারী ডেন্টাল ইনস্টিটিউটের ৮৭০টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বিডিএস কোর্সে। শুক্রবার পরীক্ষা চলাকালে প্রতিটি কেন্দ্রে মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ শতাধিক কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত দল তদারকি করেছেন।
ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন’ পরিদর্শক দল দেশের প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন। কোথাও অনাকাক্সিক্ষত কিছু ঘটার সংবাদ পাওয়া যায়নি বলে জানান মন্ত্রী।
এদিকে, প্রতি বছর মেডিক্যালে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সরকারের বাড়তি মনোযোগ থাকলেও এবার ভর্তি পদ্ধতি সংস্কারের উদ্যোগ ঠেকাতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং নকল ঠেকাতে পরীক্ষার হলে ঘড়ি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের কারণে আলোচনা নতুন মাত্রা পায়। পাশাপাশি ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তন নিয়েও বেশ আলোচনা হয়। গত ১২ আগস্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর ভিত্তিতে মেডিকেল ও ডেন্টালে শিক্ষার্থী ভর্তির ঘোষণা দিলে সারা দেশে আন্দোলন শুরু করে মেডিক্যাল ভর্তিচ্ছুরা। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত আদালতেও গড়ায়। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সরকার। গত ১০ সেপ্টেম্বর আদালত পরীক্ষা নিয়ে মেডিক্যাল ও ডেন্টালে শিক্ষার্থী ভর্তির নির্দেশনা দিলে সরকার ২৩ নবেম্বর পরীক্ষার দিন রাখে।
No comments:
Post a Comment