মাহি জানতো না পকেটে কাঁচি রাখতে নেই
স্কুল বন্ধ থাকায় গতকাল বাড়িতেই ছিল দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র মাহি (৮)। কাঁচি আর কাগজ নিয়ে ঘরে বসেই খেলছিল কাটাকুটি। সকাল ১১টার দিকে ফোন এলো মায়ের মোবাইলে। হাতের কাঁচিটা বুক পকেটে রেখে মোবাইল সেটটা হাতে নিয়েই দেখল বিদেশ থেকে ফোন করেছেন বাবা। বাবার সঙ্গে কথা বলতে বলতে মাকে খুঁজতে লাগল সে। আশপাশে দেখতে না পেয়ে বুঝল মা নিচতলার রান্নাঘরে। সিঁড়ি দিয়ে নিচে ছুটল মাহি। কিন্তু ফোনালাপে ব্যস্ত থাকায় পা পিছলে গেল বেখেয়ালে। পকেটের কাঁচিটা ঢুকে গেল ছোট্ট মাহির পেটে। তবু সাহস হারাল না মাহি। নিজেই পেট থেকে টেনে বের করল কাঁচি। ফিনকি দিয়ে ছুটল রক্তের ধারা। তার আর্তচিৎকার শুনে ছুটে এলেন মা। কিন্তু এই ছোট্ট দেহে আর কতটা ধকল সয়। তাই হাসপাতালে নিতে নিতেই ঝরে পড়া রক্তের সঙ্গে ঝরে গেল ছোট্ট মাহির প্রাণও।
গতকাল বুধবার রাজশাহী নগরীর আসাম কলোনি এলাকায় ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। রাজপাড়া থানার বহরমপুর এলাকার প্রবাসী মিঠুন হোসেন মিঠুর ছেলে মাহি।
মাহির মা বিথী বেগম সাংবাদিকদের জানান, মাহিকে নিয়ে তিনি তাঁর বাবার বাড়ি নগরীর আসাম কলোনি এলাকায় থাকেন। গতকাল সকাল ১১টার দিকে মাহি ঘরে বসে খেলছিল। তিনি ছিলেন নিচতলার রান্নাঘরে। হঠাৎ মাহির চিৎকার শুনে সিঁড়ি কাছে ছুটে গিয়ে দেখেন মাহি মেঝেতে পড়ে আছে। তার পেট থেকে রক্ত ঝরছে। এরপর তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই কথাগুলো জানায় মাহি। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সে। মাহি মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
স্কুল বন্ধ থাকায় গতকাল বাড়িতেই ছিল দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র মাহি (৮)। কাঁচি আর কাগজ নিয়ে ঘরে বসেই খেলছিল কাটাকুটি। সকাল ১১টার দিকে ফোন এলো মায়ের মোবাইলে। হাতের কাঁচিটা বুক পকেটে রেখে মোবাইল সেটটা হাতে নিয়েই দেখল বিদেশ থেকে ফোন করেছেন বাবা। বাবার সঙ্গে কথা বলতে বলতে মাকে খুঁজতে লাগল সে। আশপাশে দেখতে না পেয়ে বুঝল মা নিচতলার রান্নাঘরে। সিঁড়ি দিয়ে নিচে ছুটল মাহি। কিন্তু ফোনালাপে ব্যস্ত থাকায় পা পিছলে গেল বেখেয়ালে। পকেটের কাঁচিটা ঢুকে গেল ছোট্ট মাহির পেটে। তবু সাহস হারাল না মাহি। নিজেই পেট থেকে টেনে বের করল কাঁচি। ফিনকি দিয়ে ছুটল রক্তের ধারা। তার আর্তচিৎকার শুনে ছুটে এলেন মা। কিন্তু এই ছোট্ট দেহে আর কতটা ধকল সয়। তাই হাসপাতালে নিতে নিতেই ঝরে পড়া রক্তের সঙ্গে ঝরে গেল ছোট্ট মাহির প্রাণও।
গতকাল বুধবার রাজশাহী নগরীর আসাম কলোনি এলাকায় ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। রাজপাড়া থানার বহরমপুর এলাকার প্রবাসী মিঠুন হোসেন মিঠুর ছেলে মাহি।
মাহির মা বিথী বেগম সাংবাদিকদের জানান, মাহিকে নিয়ে তিনি তাঁর বাবার বাড়ি নগরীর আসাম কলোনি এলাকায় থাকেন। গতকাল সকাল ১১টার দিকে মাহি ঘরে বসে খেলছিল। তিনি ছিলেন নিচতলার রান্নাঘরে। হঠাৎ মাহির চিৎকার শুনে সিঁড়ি কাছে ছুটে গিয়ে দেখেন মাহি মেঝেতে পড়ে আছে। তার পেট থেকে রক্ত ঝরছে। এরপর তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই কথাগুলো জানায় মাহি। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সে। মাহি মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
No comments:
Post a Comment