বিজ্ঞানময় ইসলাম
আপাতবিরোধপূর্ণভাবে, ইসলামের বিজ্ঞান শাস্ত্রের সংগঠন ও ধরনের ব্যাপারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার বিষয়টি প্রতিভাত হয় তখন, যখন এ শিক্ষা বিদ্যমান ছিল না। এ ঘটনাটি ঘটে রাসূল সা:-এর সময়ে কুরআনিক ওহির যুগে। রাসূল মুহাম্মদ সা: তাঁর জনগণের মধ্যে বসবাসের সময়েই ওহি পেয়েছিলেন। এ জনগণের কেউ কেউ তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সাথী হয়েছিলেন। রাসূল সা: যে ২৩ বছর ধরে ওহি লাভ করেছিলেন তা বিবেচনা করলে যে-কেউ সহজেই সেই মর্মস্পর্শী আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় শিক্ষার পর্যায়গুলো উপলব্ধি করতে পারে। রাসূল সা: বা তাঁর সাহাবিদের কেউ ইসলামী বিজ্ঞান বা কোনো বিশেষীকরণের সুযোগ পাননি। তাঁরা আল্লাহর কাছ থেকে শিক্ষা পেয়েছেন। সেই বাণী দ্বারা বিধৌত হয়েছেন, যা তাদের ধারণাকে গভীরতর এবং বিশ্ব সম্পর্কে জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করেছে; আর এভাবেই তারা তাদের ব্যক্তি ও সম্প্রদায়ের বন্ধনের প্রকৃতিকে এক আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত করেছেন।
আল্লাহর তরফ থেকে প্রাপ্ত চেতনাবোধ থেকে স্পষ্ট ও ব্যাপক উপলব্ধির ভিত্তিতে তারা আচরণ করেছেন ও রাসূল সা:-এর শিক্ষার ওপর নির্ভর করে কাজ করেছেন, যা ছিল দীর্ঘ ২৩ বছরের শিক্ষা, যা ছিল নীরবতা ও ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের, শান্তি ও সংগ্রামের, জয় ও পরাজয়ের এবং কখনো কখনো মৃত্যুর সাথী। আল্লাহর মনোনীত মানুষ এসেছেন তাঁর মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিতে, সতর্ক করিয়ে দিতে, পাশাপাশি সমগ্র মানবজাতিকে, যিনি মানুষ ছাড়া ভিন্ন কিছু ছিলেন না, যাঁর ছিল মহান গুণাবলি, কিন্তু আমরা যেমন, তেমনই মরণশীল মানুষ। পূর্ববর্তী ওহিগুলোর মধ্যে কুরআনের মধ্যেই আমরা পয়গম্বরির তিনটি প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য দেখতে পাই। এগুলো হলোÑ ক. আল্লাহর বার্তাবাহক হওয়ার গুণাবলি, যাঁকে আল্লাহর অস্তিত্ব সমগ্র মানবজাতিকে স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। খ. এ বার্তাবাহক হবেন একজন মানুষ ও পথপ্রদর্শক আর অবশেষে গ. সবচেয়ে উত্তম আচরণ ও নৈতিক গুণাবলি দিয়ে গড়া একটি আদর্শ।
‘আমি তো তোমাকে সমগ্র মানবজাতির প্রতি সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি; কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ জানে না কত মহান তিনি যিনি তাঁর বান্দার প্রতি ফুরকান অবতীর্ণ করেছেন, যাতে সে বিশ্বজগতের জন্য সতর্ককারী হতে পারে।
বলো, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসো তবে আমাকে অনুসরণ করো, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করবেন।
বলো, ‘আমি তো তোমাদেরই মতোই একজন মানুষ, আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের ইলাহ একমাত্র ইলাহ। সুতরাং যে তার প্রতিপালকের সাক্ষাৎ কামনা করে, সে যেন সৎকর্ম করে এবং তার প্রতিপালকের ইবাদতে কাউকে শরিক না করে।’
তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও আখিরাতকে ভয় করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্য রাসূলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।
তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।
মানুষকুলের মধ্যে সদ গুণাবলির আধার হিসেবে মনোনীত একজন নবী ও রাসূল রূপে তাঁর কর্তব্য এক আল্লাহর ইবাদতের জন্য আহ্বান জানানোর সাথে একটি নতুন পথে গমনের অনুমতি দেয়া, যা মহাবিশ্ব তথা সমগ্র সৃষ্টিকে এবং উপাদানগুলোকে বিবেচনায় আনে। ওই সব হৃদয়ের উদ্দেশে প্রথম আয়াত ও সূরাগুলো নাজিল হয়েছিল, নতুনভাবে যা পূর্ণ হয়েছিল ঈমানের দ্বারা, এগুলোর উদ্দেশ্য ছিল সঙ্কীর্ণ দৃষ্টির মানুষকে পুরোপুরি সংশোধন ও বিগলিত করা। সেখান থেকেই শুরু হয়েছিল বিশ্বকে এবং সর্বোপরি তাদের নিজেদের সম্পূর্ণ বদলে দেয়ার কাজ :
‘পাঠ করো তোমার প্রতিপালকের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেনÑ সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ থেকে। পাঠ করো, আর তোমার প্রতিপালক মহামহিমান্বিত, যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেনÑ শিক্ষা দিয়েছেন, মানুষকে, যা সে জানত না।’ (সূরা আলাক : ১-৫)
তাঁর আয়াতের ভেতর থেকে এর বাইরে তাঁর সৃষ্টি থেকে তাওহিদ তথা আল্লাহর একাত্মকে উপলব্ধির পথে প্রাথমিক প্রবেশ একটি নতুন ও গভীর অন্তর্দৃষ্টি দান করেছিল। বিশ্বকে পর্যবেক্ষণ এবং এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে চিন্তা করার জন্য ঈমানদারকে উৎসাহিত করা হতো।
‘আমি তাদের জন্য আমার নিদর্শনাবলি ব্যক্ত করব বিশ্ব জগতে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে; ফলে তাদের কাছে সুস্পষ্ট হয়ে উঠবে যে, তা-ই সত্য। এটা কি যথেষ্ট নয় যে, তোমার প্রতিপালক সর্ববিষয়ে অবহিত?’
আল্লাহর হুকুমে এ বিশ্বই (আল কিতাব আল মানসুর) সত্য ওহির প্রথম সমর্থন ও নিশ্চয়তার (আল কিতাব আল মাসতুর) কথা বলে তথা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের কথা বলে। পুরো কুরআনে এ বিষয়টি বিভিন্ন আয়াতে বিধৃত হয়েছে। এর মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর ওপর ঈমান এনে নতুন একটা জগতে প্রবেশ করতে পারে।
‘সপ্ত আকাশ, পৃথিবী এবং তাদের অন্তর্বর্তী সব কিছু তাঁরই পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে এবং এমন কিছু নেই যা তাঁর সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে না; কিন্তু তাদের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা তোমরা অনুধাবন করতে পারো না।’
এটিই আসলে এক আল্লাহর ওপর ঈমান, এটিই গভীরতম আধ্যাত্মিকতা। যারা আল্লাহর ওপর ঈমান এনেছে তাদের কাছেই এ আধ্যাত্মিকতার দ্বার খুলে গিয়েছে। তারা আল্লাহর সৃষ্টিকে নতুনভাবে দেখে :
‘সূর্য ও চন্দ্র আবর্তন করে নির্ধারিত কক্ষপথে, তৃণলতা ও বৃক্ষাদি মেনে চলে তাঁরই বিধান।’
বাস্তব ও দৃশ্যমান হওয়ার কারণে বুদ্ধি দ্বারা গ্রহ-নক্ষত্রের পরিভ্রমণের পথকে বোঝা যায় : উপর্যুক্ত আয়াতের প্রথম অংশটি থেকে আমরা আমাদের প্রশ্নের জবাব পাই। আয়াতের দ্বিতীয় অংশটি আমাদের অন্তরের ভেতরের অবস্থানকে বর্ণনা করে, আমাদের মনের কথা বলে। এর মাধ্যমে আমরা বৃক্ষরাজি ও নক্ষত্রমণ্ডলীকে অবিরাম সিজদারত দেখতে পাই। ঈমান বা বিশ্বাস হলো নতুন বাস্তবতার একটি বিশেষ পথ, যার মাধ্যমে মানুষ আপাত অস্তিত্বহীন আর অপ্রকৃতের (ঁহৎবধষ) কাছে পৌঁছে যায়। আপাতদৃষ্টিতে মনে হবে কুরআনের বাণী যা হচ্ছে আর যা অনুমিত হতে পারে তার পুরো বিপরীত।
তারা কি দেশ ভ্রমণ করেনি? তাহলে তারা জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন হৃদয় ও শ্রুতিশক্তিসম্পন্ন শ্রবণের অধিকারী হতে পারত। বস্তুত চু তো অন্ধ নয়, বরং অন্ধ হচ্ছে বক্ষস্থিত হৃদয়।
গভীরভাবে ঈমানকে উপলব্ধি করা আর সৃষ্টিকর্তার নৈকট্যকে বোঝার জন্য প্রয়োজন বিশ্ব ও নিজেকে জানা আর সৃষ্টির উদ্দেশ্যকে চিন্তা করা। রাসূল সা:-এর অশ্রুসিক্ত বিনিদ্র রজনীর এটিই ছিল কারণ। রাসূলের সাথী বিলাল ফজরের সময় বিশ্বাসীদের সালাতে ডাকার জন্য আজান দিতে এলেন। তিনি দেখলেন অন্ধকারে রাসূল সা: বসে শুধু কাঁদছেন। রাসূল সা:-এর কাছে বিলাল কান্নার কারণ জানতে চাইলেন। তিনি সা: বললেন, ‘আমি কি কাঁদবো না, সপ্ত-আকাশমণ্ডলী থেকে এ আয়াত আমার ওপর নাজিল হয়েছে?’ এ বলে রাসূল সা: তিলাওয়াত করলেন : আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে, দিবস ও রাত্রির পরিবর্তনে নিদর্শনাবলি রয়েছে বোধশক্তিসম্পন্ন লোকদের জন্য।
তিনি আরো বললেন, ‘দুঃখ তার জন্য, যে এ আয়াত শোনেনি আর যে এ আয়াতের বিষয়ে চিন্তা করে না।’ কোনো দুর্বিপাকের কারণে বা কোনো শাস্তির ভয়ে তিনি কেঁদেছেন তা নয়, বরং সমস্ত সৃষ্টির পেছনে যে পবিত্র ও সত্যিকারের একটা অর্থ রয়েছে, যা লালিত হয়েছে দৃশ্যমান আয়াত ও আল্লাহর প্রতি সৃষ্টির পূর্ণ আনুগত্য স্বীকারের মাধ্যমে। সৃষ্টিকর্তার এ বিষয়টি তারই জন্য যার দেখার, শোনার ও অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করার ক্ষমতা আছে। সংক্ষেপে বলতে গেলে যারা সত্যকে স্বীকার করে না তাদের জন্য এই গুণাবলির বিষয়গুলো কল্পনা করা যাবে না।
‘তাদের হৃদয় আছে কিন্তু তা দিয়ে তারা উপলব্ধি করে না, তাদের চু আছে তা দিয়ে দেখে না এবং তাদের কর্ণ আছে তা দিয়ে শ্রবণ করে না।’
এটি অন্তর্ভেদী শিক্ষার প্রথম ধাপ : সব কিছুই আল্লাহর উপস্থিতির সাক্ষ্য বহন করে। আর এর মাধ্যমেই মানুষ চরম তাকওয়ার দিকে পৌঁছে যেতে পারে এবং ঈমানদারের হৃদয়ে কুরআনের সত্য সুপ্রতিষ্ঠা করতে পারে।
‘এটা সেই কিতাব; এতে কোনো সন্দেহ নেই, মুত্তাকিদের জন্য পথনির্দেশ।’
এ স্বর্গীয় কিতাবকে অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করতে হবে আর মনের সব প্রশ্নের উত্তর এখান থেকে খুঁজতে হবে। আদম আ: থেকে রাসূল সা: পর্যন্ত মানবজাতির দীর্ঘ ইতিহাস, তাঁর সাহাবিদের ইতিহাস আমাদের জানতে হবে।
এভাবেই আল্লাহর ওহি ইতিহাসের ওপর নতুনভাবে আলোকপাত করে আর আমাদের বিশ্বাস ও আল্লাহ ভীরুদের মাধ্যমে আমাদের চার পাশের এবং তার বাইরের জগৎ সম্পর্কে আমাদেরকে চিন্তা করা সুযোগ করে দেয়। অতীতের মধ্যে ডুবে গিয়ে আমরা একটা নতুন প্রেক্ষাপট, নতুন ধরনের একটি অদৃশ্যমান জগৎ সম্পর্কে জানতে পারি। এ জগৎ সৃষ্টির সময়ে আমরা ছিলাম না বা এটিকে আমরা দেখিওনি, আল্লাহ তার আকাশমণ্ডলী আর পৃথিবী সৃষ্টির ব্যাপারে আমাদেরকে সাক্ষ্য হিসেবেও রাখেননি, এমনকি আমাদের সৃষ্টির বেলাতেও কোনো রূপ সাক্ষ্য রাখা হয়নি। আল্লাহর ওহি আমাদের সময়কে অতিক্রম করে যায়। এটি মানুষ সৃষ্টিরও আগের বিষয় :
স্মরণ করো, যখন তোমার প্রতিপালক ফিরিশতাদের বললেন : …‘আমি পৃথিবীতে প্রতিনিধি সৃষ্টি করছি।’
এবং আমরা তাঁর সৃষ্টির প্রথম প্রভাতটি অবলোকন করলাম :
‘এবং তিনি আদমকে যাবতীয় নাম শিক্ষা দিলেন, তৎপর সে সমুদয় ফিরিশতাদের সম্মুখে প্রকাশ করলেন এবং বললেন, এ সমুদয়ের নাম আমাকে বলে দাও, যদি তোমরা সত্যবাদী হও। তারা বলল, ‘আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন তা ছাড়া আমাদের তো কোনো জ্ঞানই নেই। বস্তুত আপনি জ্ঞানময় ও প্রজ্ঞাময়।’
প্রথম নবী আদম আ:-এর ঘটনার সাথে সাথে আল্লাহর ওহি দিয়ে ঈমানদারকে জ্ঞানময় অতীতের আর মহাবিশ্বের অভিজ্ঞতা দান করেছেন যার সম্পর্কে মানুষের কোনো জ্ঞানই ছিলো নাÑ ‘এ জ্ঞান ছিল মানুষের অতীত অভিজ্ঞতারও বাইরে।’ এটি মহাবিশ্বের এমন একটি স্থান যেখানে আল্লাহর ফিরিশতারা বসবাস করে, যারা প্রতি ঘণ্টা, মিনিট, মুহূর্তে অবিরাম সর্বশক্তিমান আল্লাহর গুণগান করে। এটি অদৃশ্য এক জগৎ, জৈবিক অনুভূতির বাইরের জগৎ। এ জগতের ওপরই বিজ্ঞানী বা যুক্তিবাদীরা, বিশ্লেষণী দর্শন গবেষণা করে থাকে : এখানে মানুষ অনুভূতির স্পর্শ পায়, মানুষের গভীর বিশ্বাস জন্মে, আধ্যাত্মিক সত্তা ও শক্তির বিষয়ে মানুষ চিন্তা করতে পারে। জন্মের পর মৃত্যুর, বিশ্বজগৎ সৃষ্টির উদ্দেশ্য, আল্লাহর ওপর ঈমানের বিষয়কে মানুষ হৃদয়ঙ্গম করতে পারে। মানুষের এ ঈমান হবে আদি ও অনন্তের প্রারম্ভিক পদ্ধতির ওপর, যা এ সময়ে মানুষের মধ্যে মজবুত হবে ও আরো বেশি করে ঈমান বৃদ্ধি পাবে।
এ প্রেক্ষাপটকে নিয়ে নতুন আলোকে মানুষের ইতিহাস অধ্যয়ন করা হয়ে থাকে। এর আলো মানুষের চিন্তার সব দিকে আলোকিত করে। এ এক অর্থবহ আলো, এটি আমাদের জানা কাহিনী ও ঘটনাপ্রবাহের বাইরের ইতিহাসের একটি বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট আমাদের সম্মুখে প্রকাশ করে। আদমের পর শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষের কাছে যত নবী-রাসূল এসেছেন তাঁরা সবাই মানুষকে এক আল্লাহর ওপর ঈমান আনার বিষয়টি শিক্ষা দিয়েছেন। (চলবে)
অনুবাদক : এম রুহুল আমিন
লেখক : ১৯৬২ সালে তারিক রমাদান জেনেভায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আল আজহার থেকে অ্যারাবিক অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজে ডক্টরেট করেছেন। বর্তমানে বিশ্বের ইসলামী পুনর্জাগরণে বিশেষ করে পাশ্চাত্য এবং সমকালীন বিশ্বে ইসলাম সম্পর্কিত তর্কবিতর্কে লেখা ও বক্তৃতার মাধ্যমে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন
No comments:
Post a Comment