পুলিশের বিরুদ্ধে অর্থ লুটের অভিযোগ
রাজধানীর শাহজাহানপুরের একটি বাড়িতে অভিযানের নামে পুলিশ কর্তৃক অর্থ ও
স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ উঠেছে। লুটের পর পরিবারের ৭ সদস্যকে মাদক ও
চুরির মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে একরাত থানায় আটকে রেখে শুক্রবার সকালে আদালতে
চালান করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন
পুলিশ কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার বিকেলে শাহজাহানপুর থানার উপ-পরিদর্শক নূরুল ইসলাম পুলিশ নিয়ে তল্লাশির উদ্দেশ্যে শাহজাহানপুরের পার্কওয়ে হাসপাতাল গলির অমিত এ্যাপার্টমেন্টের দ্বিতীয় তলার বি-১ নম্বর ফ্ল্যাটে যায়। পুলিশ ওই বাড়ি থেকে টাকা-পয়সা মালামাল লুণ্ঠন করে বলে পরিবারের তরফ থেকে গ্রেফতারকৃত মাফিয়ার ছেলে রনির অভিযোগ। রনি আরও অভিযোগ করেন, গ্রেফতারকৃতদের ছেড়ে দেয়ার শর্তে ১০ লাখ টাকা দাবি করে পুলিশ কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে থানার এসআই নূরুল ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে তাঁদের ছাড়া হবে বলে জানান। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় পুলিশ তাঁদের কোর্টে চালান করে দেয়। সেই ভয়ে থানায় যাচ্ছেনা বলে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন।
পুলিশ লুণ্ঠনের পর মাফিয়া বেগম (৭০), তার দুই বোন সোনিয়া আক্তার ও তানিয়া আক্তার এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্য হালিমা বেগম, ইয়াসিন, মানিক ও কাজের বুয়া নিলাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এর পর শুক্রবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এ ব্যাপারে পুলিশ কর্মকর্তা নূরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জনকণ্ঠের কাছে দাবি করেন, গত ২৮ অক্টোবর শহীদবাগের ৯০৫ নম্বর ডোম ইনোর সি-২ নম্বর ড. আলাউদ্দিনের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনা তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ১ নবেম্বর মনির নামে একজনকে আটক করা হয়। মনিরের তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার ওই বাড়ির দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ওই বাড়ি থেকে ৭টি চোরাই মোবাইল ফোন, ২ লাখ সাড়ে ৮২ হাজার টাকা, ৯টি ডিজিটাল ক্যামেরা, এক ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার, ৪ কেজি ওজনের সিটি গোল্ডের অলঙ্কার উদ্ধার হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে বেশ কিছু মালামাল ড. আলাউদ্দিনের বাড়ি থেকে খোয়া যাওয়া বলে শনাক্ত করা হয়। এ সময় ৭ জনকে আটক করা হয়।
তিনি আরও দাবি করেন, রনিকেও খোঁজা হচ্ছে। রনির মা মাফিয়া চুন্নী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৭২টি মামলা রয়েছে। তারা প্রায় এক লাখ টাকা ভাড়ায় বসবাস করে। ঢাকায় মাফিয়া চুন্নীর ৩টি বাড়ি রয়েছে। মূলত সে একজন অপরাধী। অনেক টাকার মালিক বিধায় ছেলের মাধ্যমে মিথ্যা অভিযোগ করে আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে পড়ার চেষ্টা করছে। ১০ লাখ টাকা দাবি করার বিষয়টি মিথ্যা বলেও তিনি দাবি করেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে শাহজাহানপুর থানার উপ-পরিদর্শক নূরুল ইসলাম পুলিশ নিয়ে তল্লাশির উদ্দেশ্যে শাহজাহানপুরের পার্কওয়ে হাসপাতাল গলির অমিত এ্যাপার্টমেন্টের দ্বিতীয় তলার বি-১ নম্বর ফ্ল্যাটে যায়। পুলিশ ওই বাড়ি থেকে টাকা-পয়সা মালামাল লুণ্ঠন করে বলে পরিবারের তরফ থেকে গ্রেফতারকৃত মাফিয়ার ছেলে রনির অভিযোগ। রনি আরও অভিযোগ করেন, গ্রেফতারকৃতদের ছেড়ে দেয়ার শর্তে ১০ লাখ টাকা দাবি করে পুলিশ কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে থানার এসআই নূরুল ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে তাঁদের ছাড়া হবে বলে জানান। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় পুলিশ তাঁদের কোর্টে চালান করে দেয়। সেই ভয়ে থানায় যাচ্ছেনা বলে সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন।
পুলিশ লুণ্ঠনের পর মাফিয়া বেগম (৭০), তার দুই বোন সোনিয়া আক্তার ও তানিয়া আক্তার এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্য হালিমা বেগম, ইয়াসিন, মানিক ও কাজের বুয়া নিলাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এর পর শুক্রবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এ ব্যাপারে পুলিশ কর্মকর্তা নূরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জনকণ্ঠের কাছে দাবি করেন, গত ২৮ অক্টোবর শহীদবাগের ৯০৫ নম্বর ডোম ইনোর সি-২ নম্বর ড. আলাউদ্দিনের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনা তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ১ নবেম্বর মনির নামে একজনকে আটক করা হয়। মনিরের তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার ওই বাড়ির দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ওই বাড়ি থেকে ৭টি চোরাই মোবাইল ফোন, ২ লাখ সাড়ে ৮২ হাজার টাকা, ৯টি ডিজিটাল ক্যামেরা, এক ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার, ৪ কেজি ওজনের সিটি গোল্ডের অলঙ্কার উদ্ধার হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে বেশ কিছু মালামাল ড. আলাউদ্দিনের বাড়ি থেকে খোয়া যাওয়া বলে শনাক্ত করা হয়। এ সময় ৭ জনকে আটক করা হয়।
তিনি আরও দাবি করেন, রনিকেও খোঁজা হচ্ছে। রনির মা মাফিয়া চুন্নী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৭২টি মামলা রয়েছে। তারা প্রায় এক লাখ টাকা ভাড়ায় বসবাস করে। ঢাকায় মাফিয়া চুন্নীর ৩টি বাড়ি রয়েছে। মূলত সে একজন অপরাধী। অনেক টাকার মালিক বিধায় ছেলের মাধ্যমে মিথ্যা অভিযোগ করে আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে পড়ার চেষ্টা করছে। ১০ লাখ টাকা দাবি করার বিষয়টি মিথ্যা বলেও তিনি দাবি করেন।
No comments:
Post a Comment