Pages

Tuesday, October 2, 2012

নাম ফাটাতে চাইলে হয়ে গেছে: রিট প্রসঙ্গে সুরঞ্জিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

নাম ফাটাতে চাইলে হয়ে গেছে: রিট প্রসঙ্গে সুরঞ্জিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে ‘দফতরবিহীন মন্ত্রী’ হিসেবে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্ট বিভাগে আবেদন (রিট) করার প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাপরিষদের সদস্য ও দফতবিহীনমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, “কোনো উকিল যদি নাম ফাটানোর জন্য করে থাকে তাহলে তার কাজ হয়ে গেছে। আর যদি জুডিশিয়াল ডিসপোজার হয়, তাহলে আমি মনে করি এটা হেলদি এক্সারসাইজ। এটা নিয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই।”

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইউনিষ্টিউট মিলনায়তনের হলরুমে এক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ ময়েজউদ্দিন’র সন্মণসভা উপলক্ষে ‘জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু একাডেমি।
উল্লেখ্য, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে ‘দফতরবিহীন মন্ত্রী’ হিসেবে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্ট বিভাগে আবেদন (রিট) করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. তুহিন মালিক। তিনি ‘দফতরবিহীন মন্ত্রী’ পদের বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করেন আবেদনে।

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, “হাইকোর্ট খোলা রয়েছে, যে কোনো মামলা বা রিট হতেই পারে। তবে এটা বিচারক তার সুচিন্তিত মতামত দিবেন।”

তিনি বলেন, “পত্রিকায় এসেছে, সংবিধানে মন্ত্রী লেখা আছে কিন্তু দফতর বিহীন লেখা নেই, তাহলে প্রশ্ন করি দফতরপূর্ণ লেখা আছে নাকি? পইতা পড়লেই হিন্দু হয়, নামাবলি গায়ে দিলে হয়না, আবার টুপি পড়লেই মুসলমান?” তিনি বলেন, “আইএম মুসলিম বাই ফেইথ, আইএম হিন্দু বাই ফেইথ।”

আমি বসে বসে সরকারের কোষাগারের টাকা নেই- এমন অভিযোগ করা হয়েছে উল্লেখ করে দফতরবিহীন এ মন্ত্রী বলেন, “আমি এখনো নিজের বাসায় থাকি, সরকারের বাসায় উঠিনি, আমি কোবিনেট বৈঠকেও যাই না।” বিশ্বের সকল গণতান্ত্রিক দেশে দফরবিহীন মন্ত্রী থাকে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সংগঠনের উপদেষ্টা লায়ন মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ সেলিম ও ময়েজউদ্দিনের কন্যা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব হুমায়ুন কবির মিজি।

‘হ্যাঁ- না’ ভোট ছাড়া আইন প্রণয়নে বেশিরভাগ এমপির ভূমিকা নেই :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘হ্যাঁ- না’ ভোট ছাড়া আইন প্রণয়নে বেশিরভাগ এমপির ভূমিকা নেই :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জাতীয় সংসদে আইন পাস বা সংশোধনীর ক্ষেত্রে ‘হ্যা-না’ ভোটদান ছাড়া এককভাবে তেমন অবদান রাখেন না অধিকাংশ সংসদ সদস্য। বর্তমান সংসদে আইন প্রণয়নে তাদের আগ্রহ বা ভূমিকা কম।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বর্তমান সংসদে ৩৫০ জন সদস্যর মধ্যে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ জন আইন প্রণয়ন বিলের বিষয়ের ওপর নোটিশ দেন। অনেকেরই এ ব্যাপারে কোনো উৎসাহ নেই। তারা শুধু বিল পাসের সময় ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলে দায়িত্ব শেষ করেন।

বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেছেন জাতীয় সংসদের বর্তমান ও সাবেক স্পিকার, হুইপসহ বিশেষজ্ঞরা।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় সংসদে মহাজোট সরকারের তিন বছর নয় মাসে ১৪টি অধিবেশনের ৩২৭ কার্যদিবসে ১৯৬টি আইন পাস হয়েছে। এর মধ্যে বিরোধী দলসহ অন্যরা প্রায় ২ হাজার ৫০০টি নোটিশ ও  সংশোধনী প্রস্তাব দিলেও তা আলোচিত হয়নি।কারণ বিরোধীদলীয় সদস্যরা নোটিশ দিলেও তাঁরা সংসদে উপস্থিত থাকেন কম। তাই তাদের নোটিশও উত্থাপিত হয় না।

অন্যদিকে সরকারি দলের নির্দেশনার বাইরে সদস্যদের নোটিশ দেওয়াকে নিরুৎসাহিত করা হয়। ফলে  কোনো বিতর্ক ছাড়াই শুধু সরকারি দলের সদস্যদের ‘হ্যাঁ’ শব্দ উচ্চারণের মধ্য দিয়ে বর্তমান সংসদে ১৯৬টি বিল পাস হয়েছে। এসব বিল পাস হতে গড়ে সময় লেগেছে ২ থেকে ৫ মিনিট।

জাতীয় সংসদের স্পিকার আবদুল হামিদ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘আসলেই আইন প্রণয়নের বিষয়ে অধিকাংশ সংসদ সদস্যর আগ্রহ কম। তারা বিল পড়েও দেখেন না। এ বিষয়ে তাদের জানার আগ্রহও কম। তারা সবসময় স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে বেশি ভাবেন। দেশের জনগণও তা-ই চায়। আমি নিজেও যখন শুধুই সংসদ সদস্য ছিলাম, বিল নিয়ে ভাবতাম না।’

তিনি আরো বলেন, “একটি বিল মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং সংসদীয় কমিটি দেখার পর এতে সাধারণত করণিক ভুল ছাড়া অন্য কোনো ভুল থাকে না,  যে কারণে সরকারি বা বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের কোনো নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী মন্ত্রীরা সংসদে বিল উত্থাপন করেন। এরপর মন্ত্রী ইচ্ছা করলে সেই বিল জনমত যাচাই বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করতে পারেন। সাধারণত মন্ত্রী জনমত যাচাই বা বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন না, কিন্তু সংসদীয় কমিটিতে পাঠিয়ে থাকেন।  সেখান থেকে সংসদে ফিরে আসার পর এমপিরা বিলটির ব্যাপারে জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাব আনতে পারেন। কিন্তু বর্তমান সংসদে এমপিরা তা করেন না।”

সংসদের কার্যপ্রবাহ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বর্তমান সংসদে এ পর্যন্ত মোট ১৯৬টি বিল পাস হয়েছে। প্রথম অধিবেশনে ৩২টি, দ্বিতীয় অধিবেশনে ২৩, তৃতীয় অধিবেশনে ১১টি, চতুর্থ অধিবেশনে ২৩টি, পঞ্চম অধিবেশনে ২৪টি, ষষ্ঠ অধিবেশনে ১৩টি, সপ্তম অধিবেশনে ৪টি, অষ্টম অধিবেশনে ৬টি, নবম অধিবেশনে ৮টি, দশম অধিবেশনে ২টি, ১১তম অধিবেশনে ৭টি, ১২তম অধিবেশনে ১৫টি, ১৩তম অধিবেশনে ১৫টি ও ১৪তম অধিবেশনে ১৩টি।

এসব বিলের ব্যাপারে বিরোধী দলের সদস্যরা প্রায় ২ হাজার ৫০০ নোটিশ দিয়েছেন। স্বতন্ত্র সদস্য ফজলুল আজিম একাই দিয়েছেন ৫ শতাধিক নোটিশ। বিপরীতে সরকারি দলের সদস্যদের নোটিশের সংখ্যা ২০ থেকে ২৫। তবে মাঝেমধ্যে সরকারি ও বিরোধী দলের জ্যেষ্ঠ সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, চিফ হুইপ আব্দুস শহীদ, মওদুদ আহমদ, এম কে আনোয়ার, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকসহ অনেকেই বিলের ওপর অনির্ধারিত আলোচনা করেছেন।

তবে সরকারি ও বিরোধীদলের যথাযথ বিতর্ক ছাড়াই বেশির ভাগ বিল পাস হয়েছে। এর কারণ বিরোধী দলের অনুপস্থিতি।

সংসদের বুলেটিনে দেখা গেছে, বর্তমান সংসদের ৩২৭ কার্যদিবসের মধ্যে বিরোধী দল উপস্থিত ছিল ৭৪ দিন। এ সময়ের মধ্যে ১৯৬টি বিল পাস হলেও বিরোধী দল ৩৯টি বিল পাস হওয়ার সময় সংসদে উপস্থিত ছিল। অন্য সব বিল পাস হয়েছে সরকারি দল ও একমাত্র স্বতন্ত্র সদস্য ফজলুল আজিমের উত্থাপিত নোটিশের ভিত্তিতে। অনুপস্থিত থাকায় এসব বিলের ক্ষেত্রে বিএনপির নোটিশ থাকলেও উত্থাপিত হয়নি। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, দল সংসদে থাকলেও নোটিশদাতা অনুপস্থিত। এর ফলে বিরোধী দলের জমা দেওয়া নোটিশের ৯০ শতাংশই উত্থাপিত হয়নি।

 জানা গেছে, নবম জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে ২০০৯-এর ৮ জুলাই মাত্র ২২ মিনিটে সাতটি বিল পাস হয়েছে। বিলগুলো হলো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সংক্রান্ত। এর মধ্যে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) বিলটি পাস হয়েছে মাত্র দেড় মিনিটে। পঞ্চম অধিবেশনে স্ট্যাম্প (সংশোধন), ইনকাম ট্যাক্স (সংশোধন) ও ক্যাডার-বহির্ভূত প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা (শুল্ক, আবগারি ও ভ্যাট) নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলি (সংশোধন) এই তিনটি বিল পাস হতে সময় লেগেছে মাত্র ১০ মিনিট।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, আরো বেশ কয়েকটি বিল দেড়-দুই মিনিটে পাস হয়েছে।  প্রধান বিরোধী দল না থাকলেও ওই সময় ৬০টির মতো বিলে একমাত্র স্বতন্ত্র সদস্য ফজলুল আজিমের নোটিশ উত্থাপিত হয়েছে। তা না হলে এসব বিলও তিন-চার মিনিটে পাস হয়ে যেত।

আইন মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ফজলে রাব্বি মিয়া বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “বিরোধী দল সংসদে না থাকলে প্রকৃত অর্থে ক্ষতিগ্রস্ত হয় সরকারি দল। এতে সরকারি দল খেয়াল-খুশিমতো কাজ করার সুযোগ পায়। ফলে আইনগুলো খুবই দুর্বলভাবে পাস হয়। বিরোধী দল থাকলে ত্রুটিপূর্ণভাবে বিল পাস হওয়ার সুযোগ কম থাকে।”

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “বিলের ব্যাপারে নোটিশ দেওয়া বড় ধরনের কোনো কঠিন কাজ নয়। তা সত্ত্বেও এ বিষয়ে  নোটিশ দেওয়ার সংস্কৃতি আমাদের এখানে তৈরি হয়নি। সুযোগ থাকলেও সরকারি দলের এমপিরা সচরাচর সরকারি সিদ্ধান্তের বাইরে নোটিশ দেন না। আর বিরোধী  দল শত শত নোটিশ দিলেও আলোচনার সুযোগ দেওয়া হয় না। এ কারণে অধিকাংশ বিল খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যে পাস হয়ে যায়।”

বিল পাসের ক্ষেত্রে উল্টো চিত্রও আছে। বিরোধী দলের উপস্থিতিতে বিল পাসের সময় তুমুল বিতর্কের কারণে সংসদ ছিল প্রাণবন্ত। এ ক্ষেত্রে অনেক বিল পাস হতে সময়  লেগেছে ৩০ মিনিট, আবার কখনো এক ঘণ্টারও বেশি। এসব বিলে বিরোধী দলের সদস্যদের সংশোধনী প্রস্তাব গ্রহণের নজিরও রয়েছে। সবচেয়ে  বেশি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে ফজলুল আজিমের। এর বাইরে বিএনপির জাফরুল ইসলাম  চৌধুরী, নিলুফার চৌধুরী মনি, রাশেদা বেগম হিরা ও জামায়াতের হামিদুর রহমান আযাদের সংশোধনী প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

সংসদ সচিবারয় সূত্রে জানা গেছে, দল থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে নোটিশ দেওয়াকে নিরুৎসাহিত করা হয়। কেউ দলীয় নির্দেশনা বা চিফ হুইপের পরামর্শ ছাড়া নোটিশ দিলে অনেক ক্ষেত্রেই আমলে নেওয়া হয় না। তারপরও মহাজোটের বেশ কজন এমপি দলীয় নির্দেশনার বাইরে সংবিধান সংশোধনীতে উত্থাপিত বিলের ওপর সংশোধনী প্রস্তাব দেন, যা পরে তুলে নেওয়া হয়। সরকারি বিলে বড় ধরনের  কোনো অসঙ্গতি দেখা দিলে শুধু তখনই বোঝাপড়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কয়েকজন দলীয় সদস্যকে দিয়ে নোটিশ দেওয়া হয়, যে কারণে ফজলে রাব্বি মিয়া, আ ক ম মোজাম্মেল হক, আবদুল মতিন খসরুসহ আরও দু-একজনকে  বেশি নোটিশ দিতে দেখা যায়।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দলের বিপক্ষে ভোট দিলে সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু এর সঙ্গে বিলসংক্রান্ত নোটিশের কোনো সম্পর্ক না থাকলেও অনেকেই মনে করেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিলের ব্যাপারে নোটিশ দিলে তা  যে কোনো সময় দলের বিপক্ষে ভোট হিসেবে গণ্য হতে পারে। এ আশঙ্কায় সদস্যরা সচরাচর দলীয় নির্দেশনার বাইরে নোটিশ দেন না।

এ বিষয়ে স্বতন্ত্র সদস্য ফজলুল আজিম বার্তা ২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমি প্রতিটি আইন পাস হওয়ার আগে পড়ি। তারপর কোনো কোনো ক্ষেত্রে সংশোধনী দেওয়া যাবে সেগুলো ঠিক করি। এরপর স্পিকারের কাছে আবেদন করি। আমার অনেক নোটিশের উপর আলোচনা করতে দেয়া হয়, আবার অনেক নোটিশ গ্রহণ করা হয় না।”

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “বর্তমান সংসদের মেয়াদ সাড়ে তিন বছর পার হয়েছে। এখনো বেশির ভাগ নতুন এমপির নোটিশ দেবার বিষয়ে ধারণা কম। তাদের দক্ষ করে তোলার জন্য সংসদ থেকে কোনো প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হয়নি। এ কারণে নতুনেরা নোটিশের ব্যাপারে আগ্রহী নন।”


এ বিষয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “নতুন আইন পাস ও পুরনো আইন সংশোধনীর বিষয়টি  আমাদের পুরনো সমস্যা । জাতীয় সংসদে আইনগুলো যখন আসে তখন ব্যাপকভাবে আলোচনা করা হয় না। আইনের খসড়া আসার পরে জনমত নেওয়া দরকার।”

তিনি বলেন, “আইন পাসের ক্ষেত্রে সরকারি দলের চেয়ে বিরোধী দলের ভূমিকা অনেক বেশি থাকে। বর্তমান বিরোধী দল সংসদ বর্জন করার কারণে সরকারি দল সুযোগ গ্রহণ করছে। কারণ ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের আইন পাসের ক্ষেত্রে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট ছাড়া তেমন ভূমিকা থাকে না।”

তিনি আরে বলেন, “নতুন নতুন আইন পাস হওয়ার ক্ষেত্রে সংসদে বিতর্ক ও জনমত যাচাই প্রয়োজন। সংসদে যদি এ ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় তাহলে গণতন্ত্রের প্রতিফলন ঘটবে।”

Facebook and us: রামু’র ঘটনায় পুলিশের ‘নিষ্ক্রিয়তা’ চ্যালেঞ্জ করে র...

 রামু’র ঘটনায় পুলিশের ‘নিষ্ক্রিয়তা’ চ্যালেঞ্জ করে র...

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বৌদ্ধমন্দির রক্ষায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ‘নিষ্ক্রিয়তা’কে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রামু উপজেলার বাসিন্দা ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এই রিটটি করেন।

বুধবার মির্জা হোসেইন হায়দার ও কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হবে বলে বার্তা২৪ ডটনেটকে জানিয়েছেন আবেদনকারীর আইনজীবী বি এম মো. ইলিয়াস।

এই রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং রামুর ওসিকে বিবাদী করা হয়েছে।

আবেদনে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও ঘটনার সময় রামু থানায় দায়িত্বরত ওসিকে আদালতে তলবের আবেদন করা হয়েছে।

একইসঙ্গে বৌদ্ধ মন্দির ও স্থানীয় জনগণকে রক্ষা এবং হামলা ও অগ্নিসংযোগে জড়িতদের গ্রেফতারে প্রশাসনের ‘নিষ্ক্রিয়তাকে’ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং অবশিষ্ট মন্দির ও ঘর-বাড়ি রক্ষায় কেন নির্দেশনা দেয়া হবে না এ মর্মে রুল দেয়ার আবেদন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ফেসবুকে কোরআন অবমাননার অভিযোগে শনিবার রাতে কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধমন্দির ও ঘরবাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায় কিছু উগ্রপন্থী। রাতভর হামলায় সাতটি বৌদ্ধ মন্দির, ৩০টি বাড়ি ও দোকান পুড়িয়ে দেয়া হয়।

ডেসটিনি কর্মকর্তাদের ৫৩৩ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দের নির্দেশ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ডেসটিনি কর্মকর্তাদের ৫৩৩ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দের নির্দেশ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 মুদ্রা পাচারের অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ ২২ পরিচালকের ৫৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দুদকের দায়ের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক জহুরুল হক এ আদেশ দেন।

সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম ও দুদকের উপ-পরিচালক মোজাহার আলী সরদার পৃথকভাবে মুদ্রা পাচারের দুটি মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ ২২ পরিচালকের ৫৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দসহ রেকর্ডপত্র অবরুদ্ধ করার আবেদন জানান। ওই দিন মূল আদালত বিডিআর’র মামলায় ব্যস্ত থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক আখতারুজ্জামান মঙ্গলবার এ ব্যাপারে শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করেন।

দুদকের দায়ের করা আবেদনে বলা হয়, ২২ পরিচালকের ৫৩৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তিন হাজার তিনশ কোটি ৮৭ লাখ টাকা থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ১৫ কোটি ২৪ টাকা। মামলার তদন্তের স্বার্থে ব্যাংক অ্যাকাউন্টসহ টাকা জব্দ করা প্রয়োজন।

ডেসটিনির ওই ২২ পরিচালকরা হলেন- ডেসটিনি ২০০০ এর সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারুন-অর-রশিদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল আমীন, মো. হোসেন, মো. গোফরানুল হক, মো. সাইদ উর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, ডেসটিনির পরিচালক ইরফান আহমেদ সানি, মেজবাহ উদ্দিন স্বপন, সাজ্জাদ হোসেন, ফারাহ দিবা, জামশেদ আরা চৌধুরী,  শেখ তৈয়বুর রহমান, মজিবুর রহমান,  নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, আজাদ রহমান, আকবর হোসেন সুমন, শিরিন আক্তার, রকিবুল ইসলাম সরকার, সুমন আলী খান, সাইদুর ইসলাম খান ও অবসরপ্রাপ্ত  লেফটেনেন্ট কর্নেল দিদরুল আলম।

এর আগে ডেসটিনির বিরুদ্ধে মুদ্রা পাচারের দুটি মামলায় জামিন বাতিলের আবেদন মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। যে কারণে ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ২২ আসামির জামিন বাতিল হয়ে যায়।

দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইনে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেশন (এমএলএম) ও ট্রি-প্লানটেশন প্রকল্পের নামে গ্রাহকদের কাছ  থেকে সংগৃহীত অর্থ স্থানান্তরের ‘প্রমাণ’ পেয়ে দুটি মামলা দায়ের করেন।

সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাত করে বিদেশে পাচারের অভিযোগে গত ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দুটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

ট্রি-প্ল্যানটেশন প্রকল্প থেকে দুই হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা এবং এমএলএম অ্যাকাউন্ট থেকে এক হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা সরানোর অভিযোগ আনা হয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।

আসামিপক্ষে শুনানি করেন বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজিব উল্লাহ হিরু এবং এহসানুল হক সামাজী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন মোশারফ হোসেন কাজল।

পল্টনে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ চলছে, গাড়িতে আগুন, আটক ১০ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পল্টনে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ চলছে, গাড়িতে আগুন, আটক ১০ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
রাজধানীর পল্টনে মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে বিএনপি নেতাকর্মী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলছে। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা একটি মাইক্রোবাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ঘটনায় পল্টন থানা পুলিশ ১০ জনকে আটক করে। বিকেল ৫টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছিল। সর্বশেষ বিজয়নগর হোটেল একাত্তরের সামনে একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়ার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার রাতে নেত্রকোনা জেলায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলায় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর ও মঙ্গলবারের সেখানে বিএনপির কর্মী সমাবেশ পণ্ড হওয়ার ঘটনার জের ধরে পল্টনের এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের মতিঝিল জোনের এডিসি মেহেদী হাসান বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচির কথা বলে বিএনপি গাড়িতে আগুন দেয় ও ভাঙচুর চালায়। এ কারণে ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেখানে পুলিশ থাকবে বলে তিনি জানান।  

কক্সবাজারের ঘটনায় সরকারের মদদ রয়েছে, অভিযোগ ফখরুলের :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

কক্সবাজারের ঘটনায় সরকারের মদদ রয়েছে, অভিযোগ ফখরুলের :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “তদন্তের আগেই কক্সবাজারের রামুর ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগ বাড়িয়ে বিএনপির সংসদ সদস্যকে জড়িয়ে যে কথা বলেছেন এতেই মনে হয় এ ঘটনায় সরকারের মদদ রয়েছে। তারা বিরোধী দলকে সব সময় যেভাবে দায়ী করেন এ ঘটনায় সেভাবেই দায়ী করেছেন।”
 
সোমবার সকালে নয়াপল্টনের হোটেল ভিক্টরিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফখরুল এসব কথা বলেন।
 
মির্জা ফখরুল বলেন, “দেশ ও জাতি আজ এক মহাসংকটের সম্মুখীন। দেশের অস্তিত্ব ও গণতন্ত্রের সংকট দেখা দিয়েছে। গত ৪১ বছরে আর কখনো এ ধরনের সংকট সৃষ্টি হয়নি।”
 
সরকার নিজেদের গণতান্ত্রিক সরকার দাবি করে তারা পুরোপুরি ফ্যাসিবাদী দলে পরিণত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
 
ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা যুদ্ধের অনেক আগে থেকেই দেখেছি ছাত্র রাজনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তারা রাষ্ট্রভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সফল হয়েছিলেন। ৬৯ গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানি শাসকদের সরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ৭১’র মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রদের ভূমিকা অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল।”
 
বর্তমান স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের নতুন কমিটির নেতাদের কাছে দেশবাসী অনেক প্রত্যাশা করছে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা আলমগীর।
 
ফখরুল বলেন, “বিশ্বব্যাংকের অগ্রবর্তী দল আসার কথা ছিল পদ্মা সেতুর ঋণ নিয়ে আলোচনা করতে। তারা আসছে না। কারণ তারা দশ মাস আগে চিহ্নিত ব্যক্তিদের নাম দিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেছিল। কিন্তু সরকার ব্যবস্থা নেয়নি। এছাড়া এ বিষয়ে সরকারের মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী নেতারা এমনভাবে কথা বলেছেন যে, বিশ্ব ব্যাংক তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।”
 
বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের এমন আচরণের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, “একটি সরকার কিভাবে এ ধরনের কার্যকলাপে লিপ্ত হতে পারে তা আমার জানা নেই।”
 
তিনি দেশের মানুষকে নিয়ে এ ধরনের ছেলে খেলা থেকে বিরত থাকতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
 
ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি, সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, সিনিয়র সহসভাপতি বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব আহসান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এসএম ওবায়দুল হক নাসির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি মহিদুল হাসান হিরু, মহানগর উত্তরের সভাপতি আবুল মনছুর খান দীপক, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসহাক সরকার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ফয়সাল আহমেদ সজল প্রমুখ।

নারায়ণগঞ্জে বিকেএমইএ কার্যালয় ঘেরাও, শ্রমিকদের বিক্ষোভ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

নারায়ণগঞ্জে বিকেএমইএ কার্যালয় ঘেরাও, শ্রমিকদের বিক্ষোভ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
বকেয়া বেতনের দাবিতে নারায়ণগঞ্জের নগরের চাষাঢ়া বালুরমাঠস্থ বিকেএমইএর প্রধান কার্যালয় সোমবার বিকেলে পিকিউএস নিট ফ্যাশন লিমিটেডের শ্রমিকরা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন। পরে শ্রমিকরা বিকেএমইএ কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেন।

নগরের টানবাজারে অবস্থিত পিকিউএস নিট ফ্যাশন লিমিটেডের শ্রমিকরা জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে ২০০ শ্রমিক কাজ করেন। তাদের দু’মাস ১৫ দিনের বকেয়া বেতন পাওনা রয়েছে। কিন্তু মালিকপক্ষ তাদের বকেয়া পরিশোধ না করেই প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ ঘোষণা করেছে। এ কারণে শ্রমিকরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিকেএমইএ কার্যালয়ে এসে অভিযোগ করেন।

বিকেএমইএর নবনির্বাচিত পরিচালক ও লেবার অ্যাফেয়ার্স স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান জিএম ফারম্নক জানান, তারা অভিযোগ পেয়েছেন। মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। শিগগিরই ব্যবস্থা নেয়া হবে।  

সুপার ওভারে হেরে নিউজিল্যান্ডের বিদায় :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

সুপার ওভারে হেরে নিউজিল্যান্ডের বিদায় :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
 টি২০ বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ১৩৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ডও নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৩৯ রানের বেশি করতে পারেনি। ফলে ম্যাচটি টাই হয়। খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। সুপার ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জয়ী হওয়ায় বিদায় ঘণ্টা বাজে কিউইদের। সেইসাথে সেমিফাইনালের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। আজ রাতে ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার খেলার ফলাফলের ওপর নির্ভর করথে গ্রুপ-১ থেকে কোন দুটি দল সেমিফাইনালে খেলবে।

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পায় নিউজিল্যান্ড। ক্রিজে আসেন অধিনায়ক টেলর এবং ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। অপরদিকে ক্যারিবীয়দের পক্ষে বোলার ছিলেন মারলন স্যামুয়েলস। সুপার ওভারে ১৭ রান করে নিউজিল্যান্ড।

জবাবে ১ বল বাকি থাকতেই ক্যারিবীয় দুই ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল এবং মারলন স্যামুয়েলস ১৮ রান করলে জিতে যায় ক্যারিবীয়রা।

১৪০ রানে জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নামা নিউজিল্যান্ড শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন পড়ে ১৪ রানের। অধিনায়ক টেইলর তখনো ক্রিজে ছিলেন। শেষ বলে কিউইদের প্রয়োজন পড়ে দুই রানের। স্ট্রাইকে ছিলেন ব্রেসওয়েল। স্যামুয়েলসের বলে দুই রান নিতে গিয়ে ডোয়াইন স্মিথের অসাধারণ থ্রো সরাসরি স্ট্যাম্পে আঘাত হানলে রান আউট হন ব্রেসওয়েল। রান সমান হওয়ায় ম্যাচ টাই হয়।

কিউদের পক্ষে সর্বোচ্চ অপরাজিত ৬২ রান করেন অধিনায়ক রস টেলর। এছাড়া গুপতিল ২১ এবং ব্রেন্ডন ম্যাককালামের ২২ রান উল্লেখযোগ্য। ক্যারিবীয় বোলারদের মধ্যে সুনীল নারাইন একাই নেন তিন উইকেট।

এর আগে পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৯.৩ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। গেইল ৩০ এবং কাইরন পোলার্ডের ব্যাট থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ২৮ রান। কিউইদের হয়ে টিম সাউদি এবং ব্রেসওয়েল উইয়েই তিনটি করে উইকেট ভাগাভাগি করে নেন। এছাড়া ম্যাককালাম দুটি উইকেট পেয়েছেন।

ক্যারিবীয়দের শুরুটা মোটেও ভালো ছিলো না। ব্রেসওয়েল-সাউদির বলে দলীয় ৩৬ রানের মধ্যে প্রথম সারির দুই উইকেট ওপেনার চার্লস (৮) এবং রাসেল (৬) আউট হন।

আরেক ওপেনার গেইল এবং স্যামুয়েলস প্রাথমিক ধাক্কা সামলানোর চেস্টা চালান। এই দুই জুটির ব্যাট থেকে আসে ২৫ রান। তবে দলীয় ৬১ রানের মাথায় টিম সাউদির বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন হার্ড-হিটার গেইল। আউট হওয়ার আগে গেইলের ব্যাট থেকে এসেছে ১৪ বলে ৩০ রান। যার মধ্যে তিনটি চার এবং দুটি ওভার বাউন্ডারির মার ছিলো।

গেইল আউট হলেও স্যামুয়েলস চেষ্টা করছিলেন দলের উইকেট বিপর্যয় ঠেকাতে। ৮৭ রানের সময় স্পিনার ম্যাককালামের শিকার হন স্যামুয়েলস। এই ব্যাটসম্যানের ব্যাট থেকে এসেছে ২৪ রান।

দলীয় ১২৩ রানের মধ্যে সাত উইকেট হারানো ক্যারিবীয়দের বাকি পথটুকু টেনে নেয়ার কাজটি করেন কাইরন পোলার্ড। ২২ বলে তিন চারের সাহায্যে ২৮ রান করে ব্রেসওয়েলের বলে টেইলরের হাতে ক্যাচ তুলে দেন পোলার্ড।

এরপর নিচের সারির আর কোনো ব্যাটসম্যানই কিউই বোলারদের সামনে মাথা তুলে দাড়াতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভার শেষ হবার আগেই সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান করে ক্যারিবীয়রা।

বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে জাতিসংঘের হুঁশিয়ারি :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে জাতিসংঘের হুঁশিয়ারি :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জাতিসংঘ হঁশিয়ার করে বলছে সারা বিশ্বে -- বিশেষত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে - বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। আর তাই এদের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল ইউএনএফপিএ’র এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী ১০ বছরের মধ্যে ষাটোর্দ্ধ মানুষের সংখ্যা ১০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।

২০৫০ সালের মধ্যে ৬০ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সীদের সংখ্যা ১৫ বছরের নীচে শিশুদের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাবে।

এই যে সারা পৃথিবীব্যাপী বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, একে এক হিসেবে বলা যায় উন্নততর স্বাস্থ্যসেবা আর পুষ্টি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যে সাফল্য, তারই পরিণাম।

সাধারণভাবে বলতে গেলে বিশ্বজুড়ে মানুষ এখন অতীতের যে কোন সময়ের চাইতে ভালো স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে, এবং আগের চাইতে বেশি পুষ্টিকর খাবার খেতে পারছে। সুতরাং তারা আগের চাইতে বেশিদিন বেঁচে থাকছে।

অন্যদিকে যেহেতু শিক্ষার হার বেড়েছে তাই পরিবারগুলোতে এখন সন্তানের সংখ্যাও যাচ্ছে কমে। পরিবার পরিকল্পনাও এখন আগের চাইতে সহজলভ্য হয়েছে।

কিন্তু জাতিসংঘ এবং হেল্পএজ ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান বলছে, ক্রমবর্ধমান বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যাপক অব্যবস্থাপনা দেখা যাচ্ছে।

হেল্পএজ বলছে, আরো বেশি সংখ্যক দেশে পেনশন স্কিম চালু করা দরকার।

এক্ষেত্রে শুধু আইন করাই যথেষ্ট নয়, এসব নতুন স্কিমগুলোতে যথাযথভাবে অর্থায়নও করতে হবে বলে প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে।

এসব ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নেয়া ভালো পদক্ষেপের দৃষ্টান্ত হিসেবে এই দাতব্য প্রতিষ্ঠানটি বলিভিয়ার কথা উল্লেখ করেছে।

বলিভিয়াতে ৬০-এর বেশি বয়সের সব নাগরিকই একটি পেনশন পান, যার পরিমাণ প্রতিমাসে ৩০ ডলারের সমান।

বলিভিয়াতে প্রায়ই বন্যা এবং ভূমিধস হয়ে থাকে এবং সেখানে বয়স্ক মানুষদের নিয়ে একটি ব্রিগেড গঠন করেছে - যাকে ডাকা হয় ‘পাকা-চুল ব্রিগেড’ নামে ।

এই বয়স্কজনরা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতিতে এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণের ক্ষেত্রে সাহায্য করেন। সূত্র: বিবিসি।

কলম্বিয়ায় ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

কলম্বিয়ায় ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কলম্বিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। প্রাথমিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ১০০ মাইল গভীরে। কওকা প্রদেশের রাজধানী পোপায়ান থেকে ৩০ মাইল দূরে সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভূমিকম্পটি আঘাত হেনেছে। কলম্বিয়ার মোট ৩২টি প্রদেশের মধ্যে ১০টিতেই ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি।

মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার দেয়া তথ্যানুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ভূ-পৃষ্ঠের ৯৪ মাইল গভীরে। ২০০৪ সালের পর এত বড় ভূমিকম্প আঘাত হানলো দেশটিতে। সেবার ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল সেখানে।

সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে মাসে পাকিস্তানের ব্যয় ৯ হাজার কোটি রুপি: ইমরান খান :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে মাসে পাকিস্তানের ব্যয় ৯ হাজার কোটি রুপি: ইমরান খান :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার এবং তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের প্রধান ইমরান খান বলেছেন, কথিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রতি প্রতি মাসে তার দেশের নয় হাজার কোটি রুপি ব্যয় হচ্ছে।

তিনি রাজধানী ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে আরো অংশ নেন সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত অ্যানে রাইট।

ইমরান খান দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলা বিরোধী বিক্ষোভের পরিকল্পনা সম্পর্কেও কথা বলেন। তিনি বলেন, এ বিক্ষোভে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিসহ পাকিস্তানে ততপর এনজিওগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। আমেরিকা ও ইউরোপের সাধারণ মানুষ যে পাকিস্তানের মার্কিন ড্রোন হামলার বিরোধী সে কথা বিক্ষোভের সময় ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের কাছে তুলে ধরা হবে বলে তিনি জানান।

আমেরিকার এনজিওগুলোর প্রতিনিধিরা সংবাদ সম্মেলন তাদের দেশে বিশ্বনবী সা.-এর অবমাননাকর সিনেমা তৈরির কঠোর সমালোচনা করেন। তারা বলেন, এ ন্যাক্কারজনক চলচ্চিত্র বানানোর মধ্য দিয়ে ঘৃণা উস্কে দেয়া হয়েছে এবং এ ধরনের ততপরতার মাধ্যমে মুসলমান ও আমেরিকার সাধারণ মানুষদের চেতনায় আঘাত হানা হয়েছে।

পাকিস্তানের আফগান সীমান্তবর্তী উপজাতীয় এলাকায় মার্কিন ড্রোন হামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে আমেরিকা থেকে পাকিস্তানে উড়ে এসেছে যুদ্ধবিরোধী একটি প্রতিনিধিদল। এ দলে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত অ্যানে রাইটসহ অন্তত ৪০ জন নারী রয়েছেন। তারা পাকিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করবেন এবং এসব হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন বলে কথা রয়েছে। অ্যানে রাইট ইসলামাবাদের সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তিনিসহ আমেরিকার বহু নাগরিক মার্কিন ড্রোন হামলার বিরোধী। সূত্র: আইআরআইবি

এক সন্তান নীতি, বিপাকে চীনের বয়স্করা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

এক সন্তান নীতি, বিপাকে চীনের বয়স্করা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বছর বারোর মেয়েটাকে হারিয়ে চোখে অন্ধকার দেখেছিলেন বেইজিংয়ের উ রুই। ভরসা বলতে ছিল মেয়েটাই। কিন্তু পঞ্চাশ পার করা উ-কে এখন নিজের পাশাপাশি বয়স্ক বাবা-মার দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে।

সামান্য পেনশনে দিন চলে না। হঠাৎ ওষুধপত্রের জন্য বাড়তি খরচ ঘাড়ে চাপলে কী হবে, জানেন না উ। এই সমস্যাটা শুধু উ রুইয়ের নয়।

চীনে এক সন্তান নীতির প্রভাবে কোনো পরিবারে দাদা-দাদী এবং নানা-নানীর সঙ্গে সঙ্গে বাবা-মাও আর্থিকভাবে মাত্র একজনের উপরেই নির্ভরশীল। ১৯৮০ সাল থেকে এই নিয়ম চালু হওয়ার পর থেকে দেশ জুড়ে দশ লক্ষ পরিবার তাদের একমাত্র উত্তরাধিকারীকে হারিয়েছেন। আগামী ২০-৩০ বছরে আরও ৪০ থেকে ৭০ লক্ষ পরিবারকে এই অবস্থার শিকার হতে হবে বলে জানাচ্ছেন চীনের পরিসংখ্যানবিদরা।

উ রুই এখন বাড়িতেই বেশির ভাগ সময় কাটান। উল বোনেন। আর বদ্ধ রান্নাঘরে সবার জন্য খাবার তৈরি করেন। উ-এর ৮০ বছরের বাবা কানে শুনতে পান না। ছোট্ট ঘরে বিছানার এক কোণে পড়ে থাকেন। দড়ি থেকে ঝোলে একটা বাল্ব। আর ফাটা দেওয়াল গিলতে আসে উ-কে। ওষুধের খরচের চেয়েও উ-এর বড় ভয়, লরঝরে বাড়িটাই না কোনো দিন ভেঙে দেয়া হয়। বেইজিংয়ের বেশিরভাগ ভগ্নদশার বাড়ির ক্ষেত্রে সেটাই করা হয় যে। বাড়ি না থাকলে যদি কোনো অ্যাপার্টমেন্টে উঠতে হয়, তা কিনতে যা খরচ হবে উ-এর মাসিক পেনশন তার চেয়ে অনেক কম।

অথচ ২০০১ সালে জাতীয় আইন অনুযায়ী, যে সব পরিবার তাদের একমাত্র সন্তানকে হারাবে, স্থানীয় সরকার তাদের প্রয়োজনীয় সব রকম সাহায্য করবে। কিন্তু সেই সব সাহায্য যে কী, তা স্পষ্ট করে কোথাও বলা নেই। সিচুয়ান প্রদেশে যেমন সেই সব সন্তানহারা পরিবার ফের সন্তানধারণের আর্জি জানাতে পারে।

সাংহাইয়ে এ সব ক্ষেত্রে এককালীন কিছু টাকা দিয়ে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, বেইজিংয়ে এই রকম ক্ষেত্রে পরিবারপিছু মাসে ২০০ ইউআন দেয়া হয়। আর ওই সব পরিবারের বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে সঙ্গ দিতে পাঠানো হয় যুবক-যুবতীদের।

নিয়ম যতই থাকুক, সেগুলো কোনোটাই বিশেষ কাজে লাগে না বলে মনে করেন আমেরিকার শিক্ষাবিদ ই ফুক্সিয়ান। চীনের পরিবার-পরিকল্পনার নীতির সমালোচনা করে তিনি বলছেন, “এ দেশে মৃত্যুহারের পরিসংখ্যান আমরা খতিয়ে দেখেছি। তার মধ্যে ২৫ বছর বয়সের আশপাশে মৃত্যুর সংখ্যা হিসেব করলে বলতে হয়, চীনের ২১ কোটি ৮০ লক্ষ পরিবারের ৪.৬৩ শতাংশ কিন্তু তাদের একমাত্র সন্তানকে হারাবে। সেই পরিবারগুলোর কী হবে?” ফুক্সিয়ানের পাশাপাশি জনগণনা-বিশেষজ্ঞরাও মানছেন এক সন্তান নীতি দ্রুত বন্ধ করা উচিত। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঠেকাতে এই নীতি প্রাথমিক ভাবে কার্যকর হলেও তৈরি হয়েছে অন্য সমস্যা। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০৫০ সাল নাগাদ চীনে জনসংখ্যার ৩০ শতাংশই দখল করে নেবেন ষাট পেরনো মানুষেরা। গোটা পৃথিবীর ক্ষেত্রে যে হার ২০ শতাংশ। আর ২০০০ সালে চীনে যে হার ছিল মাত্র ১০ শতাংশ। বেইজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গু বাওচ্যাং বলছেন, “এক সন্তান নীতি প্রয়োগের পরে ৩২ বছর কেটে গিয়েছে। অভিভাবকদের প্রথম প্রজন্ম বার্ধক্য ছুঁয়েছে। তাই গণ্ডগোলটা এত দিনে বোঝা যাচ্ছে।”

তাই ফুক্সিয়ানের মতো অনেকেই মনে করছেন চীন এখন জন্মহার বাড়াতেই পারে। কিন্তু দেশের জনসংখ্যা এবং পরিবার পরিকল্পনা কমিশনের প্রধান লি বিন বলছেন, “যে নিয়ম মেনে আমরা চলছি, সেটাই মেনে চলা দরকার।” তবে বয়স্ক-জনসংখ্যার হার বৃদ্ধির বিষয়টাও উদ্বেগের, মানছেন লি। তাই হয়তো কিছু কিছু পরিবারকে এক সন্তান নীতির নিয়ম থেকে ছাড় দেয়া হচ্ছে। কিন্তু এটা আরও আগে হওয়ার দরকার ছিল বলে মনে করেন বাওচ্যাং। বেইজিংয়ের উ-এর মতো অসংখ্য মানুষকে তাই শুধু অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ তাড়া করে বেড়ায় না। পারিবারিক গণ্ডির মধ্যে একটা অদ্ভুত শূন্যতা গ্রাস করে তাদের।  সূত্র: ওয়েবসাইট।

গুপ্তচরের কাজে লাস্যময়ী, কবুল মোসাদের :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

গুপ্তচরের কাজে লাস্যময়ী, কবুল মোসাদের :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
মনে আছে জিংক্সকে? ‘ডাই অ্যানাদার ডে’ সিনেমায় জেমস বন্ডের সঙ্গে সমানে পাল্লা দিয়েছিলেন এই মার্কিন মহিলা গুপ্তচর। আর সেই ভূমিকায় অসাধারণ অভিনয় করেছিলেন হ্যালি বেরি। বাস্তবেও জিংক্সের মতো চরিত্র আছে। অন্তত তা-ই বলছে ইসরাইলি গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের সদস্য পাঁচ তরুণীর সাক্ষাৎকার। সম্প্রতি এক ইসরাইলি পত্রিকায় ছাপা হয়েছে এই সাক্ষাৎকার।

তরুণীরা প্রত্যেকেই অসাধারণ রূপসী। এদের ঝাঁ-চকচকে জীবনযাপন অনায়াসেই হার মানাতে পারে সিনেমার নায়িকাদের। দীর্ঘদিন প্রশিক্ষণ নিয়ে এখন তারা মোসাদের হয়ে কাজ করেন। এই সুন্দরীদের কথায়, মহিলা হওয়ার সুবাদে একটু বেশিই সুযোগ পান তারা। সহজ সরল চোখ দু’টিকে প্রথমেই অবিশ্বাস করতে মন সরে না কারও। কোনো পুরুষকে ঢুকতে দিতে যেখানে অনেকেই দু’বার ভাববেন, সেখানে হাস্যমুখ লাস্যময়ীকে উপেক্ষা করা শুধু কঠিনই নয়, প্রায় অসম্ভব। আর এরই পূর্ণ মাত্রায় সদ্ব্যবহার করে থাকেন এই মহিলা-চরেরা।

প্রেমে বা রণাঙ্গনে ঠিক সব কিছুই। এটাই আপ্তবাক্য এই লাস্যময়ীদের। সাক্ষাৎকারে ইয়েল নামের এক তরুণী জানিয়েছেন, অস্ত্র বা মগজাস্ত্র তো রয়েইছে। মহিলাদের বাড়তি পাওনা তাদের সহজাত আকর্ষণী ক্ষমতা। এমনিই সুন্দরীদের দেখে বুক কাঁপে তাবত পুরুষকুলের। তার উপর মেয়েরাই যদি এগিয়ে এসে ভাব জমায়, তা হলে তো কথাই নেই। উপরমহল থেকেও এই লাস্যময়ী চরেদের নির্দেশ দেয়া থাকে, ‘ফ্লার্ট’ করে যান এমনভাবে যাতে উল্টো দিকে থাকা পুরুষ সঙ্গীটির মনে ঘুণাক্ষরেও কোনো প্রশ্ন না জাগে। মোহময়ীর হাতছানিতে এক বার শুধু সাড়া দিলেই হল, পুরুষটি কাবু হবেনই হবেন। আর এতেই কেল্লা ফতে। তাকে ভুলিয়ে গোপন তথ্য বার করে আনা শুধুই কিছুটা সময়ের অপেক্ষা।

এফরত নামের আর এক তরুণীর কথায়, ফ্লার্টে কোনো কড়াকড়ি নেই ঠিকই, কিন্তু তাদের সীমারেখা ওই পর্যন্তই। কেউ যৌনতার কথা ভাবলেই, দাঁড়ি পরে যায় তাদের কাজে। তথ্য জোগাড়ে মোহময় দুই চোখের হাতছানি পর্যন্ত ঠিক আছে, কিন্তু তা যৌন সম্পর্কের দিকে এগোলেই ঘোরতর আপত্তি রয়েছে মোসাদের। তবে ভাববেন না, কেবল আবেদনের দৌলতেই এই ‘যজ্ঞে’ ঠাঁই হয়েছে মহিলাদের। মোসাদের প্রধান তমির পারদোর মতে, ‘মাল্টিটাসকিং’-এও পুরুষদের অবলীলায় পিছনে ফেলে দেন মহিলারা। কোনো জায়গার বিশেষ অবস্থান, বা পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচারে মেয়েরা বিশেষ পারদর্শী। আর এই সবক’টি কারণেই মোসাদের অধিকাংশ সদস্যই মেয়ে।
অতএব, মায়া জড়ানো দুই চোখের প্রেমে পড়ার আগে একটু সাবধান। সূত্র: ওয়েবসাইট।

মাছরাঙা থেকে সুলতানা রহমানের পদত্যাগ :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

মাছরাঙা থেকে সুলতানা রহমানের পদত্যাগ :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কর্তৃপক্ষের ‘পরামর্শে’ পদত্যাগ করেছেন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা বিভাগের বিশেষ প্রতিনিধি সুলতানা রহমান। রোববার সন্ধ্যায় তিনি তার পদত্যাগপত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে চ্যানেলটির বার্তা বিভাগের একাধিক সূত্র।

সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই সুলতানা রহমান অনেকটা অলস সময় কাটাচ্ছিলেন। চ্যানেলটি যাত্রা শুরু করার পর এই রিপোর্টার যতটা সক্রিয় ছিলেন ততটাই নিষ্ক্রিয় ছিলেন তিনি শেষ সময়টাতে।দীর্ঘদিন তিনি রিপোর্টিং থেকে দূরে সরে ছিলেন বলে জানা যায়।

সূত্র জানাচ্ছে, বেশ কিছু কারণে দীর্ঘদিন ধরেই উচ্চপদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে সুলতানা রহমানের দূরত্ব সৃষ্টি হয়। পদত্যাগের ঘটনাটি এই দূরত্বেরই ফলাফল বলে মনে করা হচ্ছে।

আরেকটি সূত্র জানায়, মাছরাঙা কর্তৃপক্ষ এখন চাইছে যেসব কর্মী বা সংবাদকমী প্রত্যাশানুযায়ী কাজ করছেন না তারা নিজে থেকেই সরে যাক। রোববার সন্ধ্যায় বার্তা বিভাগের সিনিয়র কয়েকজন সাংবাদিকদের এক্ষেত্রে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, সুলতানা রহমানের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে মাছরাঙা সংবাদকর্মীদের মধ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা এখন পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, চ্যানেলটির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার সাথে দ্বন্দ্বের জেরে গত মাসে পদত্যাগ করেছিলেন চ্যানেলটির বার্তা প্রধান শাহ আলমগীর।

বুয়েটে ১ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষা :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট

বুয়েটে ১ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষা :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১ ডিসেম্বর। সোমবার বুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুয়েটের পুরকৌশল অনুষদের ডিন মো. জাকারিয়ার সভাপতিত্বে একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয। উপাচার্য অধ্যাপক এস এম নজরুল ইসলাম অনুপস্থিত থাকায় তিনি সভাপতিত্ব করেন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১০ অক্টোবর থেকে অনলাইনে ভর্তির আবেদনপত্র পাওয়া যাবে। আবেদন করা যাবে ২২ অক্টোবর পর‌্যন্ত।

জানা গেছে, এবার কোনো আসনসংখ্যা বাড়ানো হয়নি। আগের বারের মতোই এক হাজার আসনের বিপরীতে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

আবেদনকারীদের এসএসসি পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ-৪ এবং এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন, গণিত ও ইংরেজিতে জিপিএ-৫ করে পেতে হবে।

প্রসঙ্গত, দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ ঠিক হলেও উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হওয়ায় বুয়েটে এতদিন তা হয়নি।

বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ আন্দোলনের কারণে সৃষ্টি হয়েছিল ওই অচলাবস্থা।

৯ সেপ্টেম্বর উপ-উপাচার্য অধ্যাপক হাবিবুর রহমানকে তার পদ থেকে অপসারণের পর পরিস্থিতি শান্ত হয়।

১৮ সেপ্টেম্বর স্থাপত্য অনুষদের ডিন অধ্যাপক রোকসানা হাফিজকে প্রধান করে বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার জন্য একটি কমিটি করা হয়। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে একাডেমিক কাউন্সিল ভর্তির তারিখ চূড়ান্ত করেছে বলে জানা গেছে।

মাছ রক্ষা এখনো সম্ভব :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মাছ রক্ষা এখনো সম্ভব :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 মানবদেহে প্রোটিনের চাহিদা পূরণের প্রধান উৎস মাছ। অধিক হারে মাছ ধরার ফলে বিশ্বজুড়ে মাছের প্রজাতি ও সংখ্যা কমে আসছে।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নতুন গবেষণা দাবি করেছে, বিপন্ন হতে চলা মাছ রক্ষা করা এখনো সম্ভব।

গবেষকরা বিশ্বের প্রায় ১০ হাজার ছোট-বড় মাছ ধরার স্পট পর্যবেক্ষণ করে এ কথা জানিয়েছেন। এ ১০ হাজার স্পট থেকে বিশ্বের ৮০ শতাংশ মাছের চাহিদা পূরণ হয়। গবেষকরা নিশ্চিত করেছেন, সেসব স্থানে নতুন করে মাছ উৎপাদন সম্ভব।

এর আগে এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছিল, বিশ্বের প্রায় ৬০ শতাংশ মৎস্য স্পটের মাছ কমে আসছে।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক স্টিভ গেইনস জানান, গবেষণায় দেখা গেছে-মাছের সংখ্যা এখনো বিলুপ্তির পর্যায়ে যায়নি। দক্ষ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মাছের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব এবং এতে গোটা বিশ্বের চাহিদা পূরণ করা যাবে।

গবেষকরা নিশ্চিত করেছেন, আরো দীর্ঘ সময় ভোক্তারা ইচ্ছামতো মাছ খেতে পারবেন। সূত্র: এএফপি

প্রযুক্তির আধুনিকায়নে শিথিল হচ্ছে সহকর্মী বন্ধন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রযুক্তির আধুনিকায়নে শিথিল হচ্ছে সহকর্মী বন্ধন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 যোগাযোগপ্রযুক্তির আধুনিকায়নে দিন দিন কমতে শুরু করেছে মুখোমুখি আলাপ বা রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স। একই ভবনে থাকা সত্ত্বেও বেশির ভাগ অফিসেই ইন্টারকম, আইপিফোন কিংবা সেলফোন অথবা ইন্টারনেটের মাধ্যমেই পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ সেরে নিচ্ছেন সহকর্মীরা।

এতে করে কাজের গতি বাড়লেও কমছে হৃদ্যতা। অফিস সহকর্মীদের মধ্যকার চিরায়ত পারিবারিক বন্ধনও শিথিল হচ্ছে। ফলে একই অফিসে খুব বেশি দিন স্থায়ী হচ্ছেন না কর্মীরা। চাকরি বদলের হার বাড়ছে।

সম্প্রতি অফিসব্রোকার নামে এক ওয়েবসাইট প্রায় ৬০০ চাকরিজীবীর ওপর জরিপনির্ভর এমন অভিজ্ঞতা ও মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে ভারতের প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়া।

প্রতিবেদন মতে, ওই জরিপে অংশ নেয়া ৭০ শতাংশ মুখোমুখি সংলাপের চেয়ে সহকর্মীকে ফোন বা ই-মেইল করা পছন্দ করেন। এমনকি একই ভবনে বসে কাজ করলেও তারা এ পদ্ধতিতে যোগাযোগ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

জরিপে অংশ নেয়া কর্মীরা জানান, সহকর্মীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কাজ পাওয়ার বিড়ম্বনা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত প্রশ্ন এড়াতে তারা এ পদ্ধতি ব্যবহার করেন। তাদের ভাষায়, সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে দ্রুত উপায় সহকর্মীর সঙ্গে সরাসরি চ্যাটিং।

জানা গেছে, জরিপে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের অর্ধেকেরও বেশি সহকর্মীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন না। এর চেয়ে স্কাইপের মতো ভিডিও চ্যাটিং অ্যাপ্লিকেশন, ফোন ও ই-মেইল তাদের কাছে যোগাযোগের সহজ মাধ্যম।

অ্যান্ড্রয়েড প্রিমো ওয়ালটনের নতুন স্মার্টফোন আসছে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

অ্যান্ড্রয়েড প্রিমো ওয়ালটনের নতুন স্মার্টফোন আসছে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
শিগগিরই বাজারে আসছে ওয়ালটনের স্মার্টফোন, ওয়ালটন অ্যান্ড্রয়েড প্রিমো। তৃতীয় প্রজন্মের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ এই মোবাইল হ্যান্ডসেটটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়। ‘গেট অ্যান্ড্রয়েড প্রিমো-বি এন্টারটেইন্ড’- স্লোগান নিয়ে বাজারে আসা এই ফোনে রয়েছে তৃতীয় প্রজন্মের কাঙ্খিত প্রায় সবকিছু। ওয়ালটনের স্মার্ট ফোনে থাকছে মাল্টিমিডিয়ার সব সুবিধা। আগামি কয়েকদিনের মধ্যেই ওয়ালটনের এই স্মার্টফোন ওয়ালটন প্লাজা ও পরিবেশকদের মাধ্যমে সারাদেশে পাওয়া যাবে।

ওয়ালটন মোবাইল ফোনের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা এসএম রেজওয়ান আলম বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, ‘নতুন প্রজন্মের ব্যবহারকারিদের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে এই হ্যান্ডসেটটি আকর্ষণীয়ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। এতে থাকছে দ্বৈত সিম ব্যবহারের জন্য দ্বিকক্ষের সিম চেম্বার। গ্রাহকরা অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবেন জিপিএস, জিএসএম, ডাব্লিউসিডিএমএ, ওয়াই ফাই ও এজ। রয়েছে মোশন, গ্রাভিটি, লাইট ও প্রঙিমিটি সেনসর। থাকছে ফেসবুক থেকে শুরু করে কিং সফট অফিস ও এডব রিডার সুবিধা। সংযুক্ত আছে আধুনিক ক্যামেরা ও রেডিও সিস্টেম। হ্যান্ডসেটটিতে কোয়ালকম-১ গিগাহার্টজ প্রসেসর সংযোজন করা হয়েছে যাতে ৩২ গিগাবাইট পর্যন্ত মেমোরি কার্ড সহজেই ব্যবহার করা যাবে।

ওয়ালটনের গবেষণা ও উন্নয়ন শাখার প্রকৌশলী নাশিদ আনজুম জানান, ‘ওয়ালটন স্মার্ট ফোনে রয়েছে তিন দশমিক ৫ ইঞ্চির সুদৃশ্য ডিসপ্লে মনিটর। ৪ গিগাবিট র‌্যাম ও রম এটির কার্যদক্ষতা আরো বাড়িয়েছে। গ্রাহকরা পাচ্ছেন ১৪২০ লিথিয়াম আয়ন mAh পাওয়ারের ব্যাটারি যা দীর্ঘসময় ফোন সচল রাখতে সহায়তা করবে। হ্যান্ডসেটের সঙ্গে বিনামূল্যে দেওয়া হবে ৪ গিগাবাইটের একটি মেমোরি কার্ড ও তিনটি ভিন্ন রঙের সুদৃশ্য ব্যাক কাভার।

উল্লেখ্য, অত্যাধুনিক এই হ্যান্ডসেটের ডিজাইন ও উন্নয়ন করা হয়েছে ওয়ালটনের নিজস্ব গবেষণাগারে। এটির দামও থাকছে সকল শ্রেণীর ক্রেতার নাগালের মধ্যে। সেইসঙ্গে ওয়ালটনের অন্যসব হ্যান্ডসেটও দেশের সকল মোবাইল ফোন ডিলার ও বিক্রয়কেন্দ্রে পাওয়া যাবে।

সমালোচনার মুখে ফিলিপাইনের সাইবার অপরাধ আইন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

সমালোচনার মুখে ফিলিপাইনের সাইবার অপরাধ আইন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ফিলিপাইনের তথ্যপ্রযুক্তি জগতে অপরাধ দমনে তৈরি নতুন আইন নিয়ে সমালোচনা চলছে৷ ব্লগার এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই আইনের সমালোচনা করছে৷ ফেসবুক-টুইটারে মানহানিকর মন্তব্যের জন্য ১২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে৷

রক্ষণশীল ক্যাথলিক রাষ্ট্র ফিলিপাইনের সরকার এতদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে উৎকণ্ঠিত থাকলেও খুব একটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিল না৷ এছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেয়ার জন্য পুলিশের হাতে যথেষ্ট ক্ষমতা ছিল না৷ তাই তারাও এতদিন এ নিয়ে অভিযোগ তুলছিল৷ ফলে অবশেষে ইন্টারনেটে অশ্লীল ছবি প্রকাশ, হ্যাকিং, তথ্য চুরি, পরিচয় গোপন এবং ক্ষতিকর বার্তা ছড়ানোর মতো অপরাধকর্ম দমনে কড়া আইন প্রণয়ন করেছে দেশটির সরকার৷

কিন্তু এই আইন প্রচলিত গণমাধ্যমের জন্য চালু থাকা আইনের চেয়েও বেশি কঠোর হয়ে গেছে এবং এর ফলে একদিকে বাকস্বাধীনতা খর্ব হওয়া আর অন্যদিকে ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে৷ কারণ এই নতুন আইন অনুসারে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য কিংবা ছবি প্রকাশের জন্য ১২ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ পেসো তথা ২৪ হাজার ডলার অর্থদণ্ড হতে পারে৷ অথচ একই অপরাধের জন্য প্রচলিত গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রের সাংবাদিক কিংবা সম্পাদকরা ভোগ করবেন চার বছরের কারাদণ্ড এবং মাত্র ছয় হাজার পেসো৷

এই আইনের আওতায় এখন সরকারি কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে৷ এছাড়া স্কাইপ-এর মতো ভয়েস চ্যাট কিংবা ভিডিও অ্যাপলিকেশনগুলোতে আঁড়ি পেতে তথ্য শোনার ক্ষমতাও দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে৷

নাগরিক গণমাধ্যম ওয়েবসাইট হিসেবে পরিচিত ‘ব্লগ ওয়াচ' এর অন্যতম সম্পাদক এবং রাজধানী ম্যানিলার স্বনামধন্য ব্লগার নোয়েমি দাদো বলেন, উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েরা অসতর্কভাবে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে কোনো বিদ্বেষমূলক ছবি, মন্তব্য কিংবা নিবন্ধ প্রকাশ কিংবা পুনর্বার প্রকাশ করলেও তারা এই আইনের আওতায় শাস্তি ভোগ করবে৷

তিনি বলেন, “সবাইতো বিশেষজ্ঞ নয় যে, কোন বিষয়গুলো বিদ্বেষমূলক কিংবা মানহানিকর তা যাচাই করতে পারবে৷ আমার মতো একজন মায়ের কথাই ধরুন, কিংবা এমন শিশু-কিশোরদের কথা যারা নাটকীয়ভাবে নিজেদের বক্তব্য প্রকাশ করতে পছন্দ করে - তাদের জন্য তো এখন বেশ বিপদ হলো৷ এটি আসলেই আমাদের স্বাধীনতা খর্ব করবে৷”

নিউ ইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’র এশিয়া দফতরের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন, “এই আইন ফিলিপাইনের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক যোগাযোগের জগতে একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে৷ কারণ ফেসবুক ও টুইটার ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি হার রয়েছে যেসব দেশে সেগুলোর একটি ফিলিপাইন৷ দেশটির প্রায় ১০ কোটি মানুষের এক তৃতীয়াংশই ইন্টারনেট ব্যবহার করে৷ আর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৯৬ শতাংশেরই রয়েছে ফেসবুকে নিয়মিত বিচরণ৷”

যাহোক, এই আইনকে অসাংবিধানিক অ্যাখ্যা দিয়ে এবং এর যথার্থতা চ্যালেঞ্জ করে ইতিমধ্যে দেশটির সর্বোচ্চ আদালতে পাঁচটি আবেদন জমা হয়েছে৷ এই আইনটি যখন সংসদে অনুমোদনের জন্য ভোটাভুটি হয়, তখন এর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিলেন সংসদ সদস্য তেওফিস্তো গুইঙ্গোনা৷ ইতিমধ্যে তিনি এই আইনের বিরুদ্ধে আদালতে গেছেন৷

তিনি আদালতে বলেন, ‘‘মানহানির অপরাধ কিংবা এর জন্য দায়ী ব্যক্তি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা না থাকায় দৃশ্যত এখন যেকোনো ব্যক্তি ইন্টারনেটের কোনো বক্তব্য কিংবা ছবির পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্য কিংবা পুনর্বক্তব্য দিলেই অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে৷”

নতুন আইন নিয়ে এমন বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ার পর সংসদে এই আইনের পক্ষে থাকা কিছু এমপি এই আইনের সঙ্গে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা বিচ্ছিন্ন করছেন৷ এমনকি তাদের কেউ কেউ বলছেন, তারা আইনে উল্লিখিত বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্যের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পড়ে দেখেননি৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

‘ফেরারী জোনাকি’ ছিল আমার স্বপ্ন: সাজেদ ফাতেমী :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘ফেরারী জোনাকি’ ছিল আমার স্বপ্ন: সাজেদ ফাতেমী :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 এ সময়ের যে ক’জন শিল্পী বৈচিত্রময় গান করছেন, সাজেদ ফাতেমী তাদের মধ্যে অন্যতম। একাধারে গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও উপস্থাপক। লোকগান নিয়ে গবেষণা করছেন দীর্ঘদিন থেকে। ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম একক অ্যালবাম ‘কতোদিন তোমাকে দেখি না’।  সেই থেকে একে একে নয়টি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তার। এসব অ্যালবাম ও অন্যান্য কাজ নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন বার্তা২৪ ডটনেট প্রতিনিধি।

প্রশ্ন: শুরুতে জানতে চাই সর্বশেষ প্রকাশিত অ্যালবাম ‘ফেরারী জোনাকি’ সম্পর্কে।
সাজেদ ফাতেমী: ‘ফেরারী জোনাকি’ ছিল আমার স্বপ্ন। দুই বছরেরও বেশি সময় নিয়ে ১৭টি গান তৈরি করেছিলাম। চারটি গানের কম্পোজিশন দুইজন সঙ্গীত পরিচালক দু’বার করেছেন। সেখান থেকে বাছাই করে ১০টি গান রেখেছি অ্যালবামে।

প্রশ্ন: গানগুলো কারা লিখেছেন?
সাজেদ ফাতেমী: লিখেছেন- বরকতউল্লাহ মারুফ, সাজেদ ফাতেমী, মুরশিদুল আলম চৌধুরী, তন্ময় চৌধুরী ও তানজিম। সুমন কল্যাণ ও বনি আহমেদের সঙ্গীতে গানগুলোর সুর আমারই করা। দুটির সুর করেছেন বনি আহমেদ। 

প্রশ্ন: ‘কতোদিন তোমাকে দেখি না’ প্রকাশের নয় বছর পর ‘ফেরারী জোনাকি’- এত বিরতি কেন?
সাজেদ ফাতেমী: আসলে বিরতি দিয়েছি ঠিকই, কিন্তু এরই মধ্যে আরও সাতটি অ্যালবাম প্রকাশ করেছি। ‘কতোদিন তোমাকে দেখি না’ ছিল গতানুগতিক ধারার বিরহের গানের একটি অ্যালবাম। ওই সময় অবশ্য ওরকম গানেরই চাহিদা ছিল বেশি। তাই গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিয়েছিলাম। অ্যালবামটি সুপারহিট হলেও আমার মন খুঁজছিল অন্য কিছু। অবশ্য খুঁজতে খুঁজতে পেয়েও গেলাম।

প্রশ্ন: মন নিশ্চয়ই একেবাওে ব্যতিক্রম কিছু খুঁজছিল-
সাজেদ ফাতেমী: ঠিক তাই। ২০০৪ সালের নভেম্বরে এনটিভিতে বাউল গানের অনুষ্ঠান ‘মন আমার সন্ধান করি’ উপস্থাপনার সুযোগ পাই। এনটিভির তৎকালীন প্রযোজক পারভেজ চৌধুরী ওই সুযোগ করে দেন। অনুষ্ঠানটি করতে পুরো শু্যটিং ইউনিট নিয়ে ঢাকার বাইরে একেবারে বাউলদের বাড়িতে চলে যেতাম। প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই বাউল শিল্পীরা যে এতো অসাধারণ গান গাইতে পারেন, তা দেখে আমি অবাক হয়ে গেলাম। এক সময় তাদের তুলনায় আমার নিজেকে অনেক ক্ষুদ্র মনে হতে লাগলো। আমার মনে হলো, এই বাউল গান নিয়েই কিছু করা দরকার। তাই লোকগান নিয়ে গবেষণায় মন দিলাম। এরপর আর একক অ্যালবাম করার ইচ্ছে হয়নি।

প্রশ্ন:  এবার আপনার অন্যতম আলোচিত একটি কাজ নিয়ে কথা বলতে চাই। ২০০৬ সালে বিবিসি শ্রোতা জরিপে নির্বাচিত দুই বাংলার সর্বশ্রেষ্ঠ গানগুলো নিয়ে আপনি দুটি মিশ্র অ্যালবাম তৈরি করেছেন।
সাজেদ ফাতেমী: হ্যাঁ। এই ওই অ্যালবাম দুটি আমার জীবনে করা সবচেয়ে মধুর ও সবচেয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার কাজ। ‘মানুষ মানুষের জন্য’ ও ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’ শিরোনামে অ্যালবাম দুটি এখনও মানুষ কেনে। এতে গান গেয়েছেন আব্দুল জববার, আপেল মাহমুদ, ফরিদা পারভীন, রফিকুল আলম, আবিদা সুলতানা, সামিনা চৌধুরী, রুমানা ইসলাম, সাজেদ ফাতেমী, রেবেকা সুলতানা ও উত্তম দেওয়ান। অ্যালবাম দুটি স্পন্সর করে বেক্সিমকো ফার্মা।

প্রশ্ন: গান করেন কবে থেকে?
সাজেদ ফাতেমী: সেই ছোটবেলা থেকে। ক্লাশ সেভেনে থাকতেই বিভিন্ন জায়গায় গান গাইতে যেতাম।

প্রশ্ন: আপনি তো থিয়েটারের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন।
সাজেদ ফাতেমী: হ্যাঁ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে আসার পর সবমিলিয়ে প্রায় ১০ বছরের থিয়েটার করেছি। থিয়েটার জীবনে ১৭টি মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেছি। তিনটি নাটকের নির্দেশনাও দিয়েছি।

প্রশ্ন: গানওয়ালা ব্যান্ড গঠন করলেন কবে ?
সাজেদ ফাতেমী: ২০০৭ সালে লোকগানের ওপর ভিত্তি করে ‘গানওয়ালা’ নামে একটি ব্যান্ড গঠন করি। ২০০৮ সালে ব্যান্ডের প্রথম অ্যালবাম ‘নজর রাখিস’ প্রকাশ করি।

প্রশ্ন: আপনি তো শুধু মা’কে নিয়ে এবং শুধু বাবাকে নিয়ে অ্যালবাম করেছেন।
সাজেদ ফাতেমী: ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক মা দিবসে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো শুধু মা’কে নিয়ে মৌলিক গানের একটি মিশ্র অ্যালবাম প্রকাশ করেছি। আমার লেখা ও সুরে ‘মা জননী’ শিরোনামে ওই অ্যালবামে আমি ছাড়াও গান গেয়েছেন তপন চৌধুরী, সামিনা চৌধুরী, ফাহমিদা নবী, ফকির শাহাবুদ্দিনসহ নয়জন শিল্পী। ২০১০ সালের জুন মাসে বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষ্যে শুধু বাবাকে নিয়ে আমার সুরে পিতা’ শিরোনামে একটি মিশ্র অ্যালবাম তৈরি করি। ২০১১ সালের জুলাইয়ে আমার গবেষণা ও পরিকল্পনায় শুধু ভাওয়াইয়া গানের মিশ্র অ্যালবাম ‘পূবাল বাতাস’ প্রকাশিত হয় লেজার ভিশনের ব্যানারে। এতে গান করেন নাশিদ কামাল, পূর্ণচন্দ্র রায়সহ দেশের বিখ্যাত ভাওয়াইয়া শিল্পীরা।

প্রশ্ন: আপনার ‘মা জননী’ ও ‘পিতা’ শিরোনামে অ্যালবাম দুটি কিন্তু অডিও ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সাজেদ ফাতেমী: হয়তো তাই। কারণ আমার জানামতে, শুধু মা’কে নিয়ে কিংবা শুধু বাবাকে নিয়ে গানের অ্যালবাম এদেশে এর আগে হয়নি। সে ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা সংযোজন তো বটেই।

প্রশ্ন: লোকগান নিয়ে বৈশাখী টেলিভিশনে আপনার গবেষণা ও উপস্থাপনায় একটি সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়েছে। এটি কতদিন চলে ?
সাজেদ ফাতেমী: অনুষ্ঠানটির নাম ‘জীবন এতো ছোট ক্যানে’। ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয়ে ২০১২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত চলে।

প্রশ্ন: গানের মিউজিক ভিডিও বা অন্য নতুন কোনো খবর আছে?
সাজেদ ফাতেমী: আছে। ফেরারী জোনাকি অ্যালবামের ‘ভিজা বালু’ গানটি নতুন করে কম্পোজিশন করে মিউজিক ভিডিও করেছি।  শ্রোতাদের ব্যাপক রেসপন্সের পরিপ্রেক্ষিতে মিউজিক ভিডিও’র জন্য এ গানটি বেছে নিয়েছি। এটি নির্মাণ করেছেন আলমগীর হোসেন। আর নতুন করে কম্পোজিশন করেছেন মীর মাসুম। আশা করছি ঈদের পরপরই প্রায় সব চ্যানেলে এই মিউজিক ভিডিও প্রচার হবে।

সম্প্রতি দেশ টিভির ফোনো লাইভ অনুষ্ঠান ‘প্রিয়জনের গান’ এ অংশগ্রহণের পর বিভিন্ন চ্যানেল থেকে লাইভ শো করার প্রস্তাব পেয়েছি। ঈদের পরপরই কয়েকটি শো করবো আশা করছি। তাই প্রস্ত্ততি নিচ্ছি।