জাতিসংঘ হঁশিয়ার করে বলছে সারা বিশ্বে -- বিশেষত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে -
বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। আর তাই এদের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল ইউএনএফপিএ’র এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী ১০ বছরের মধ্যে ষাটোর্দ্ধ মানুষের সংখ্যা ১০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।
২০৫০ সালের মধ্যে ৬০ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সীদের সংখ্যা ১৫ বছরের নীচে শিশুদের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাবে।
এই যে সারা পৃথিবীব্যাপী বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, একে এক হিসেবে বলা যায় উন্নততর স্বাস্থ্যসেবা আর পুষ্টি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যে সাফল্য, তারই পরিণাম।
সাধারণভাবে বলতে গেলে বিশ্বজুড়ে মানুষ এখন অতীতের যে কোন সময়ের চাইতে ভালো স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে, এবং আগের চাইতে বেশি পুষ্টিকর খাবার খেতে পারছে। সুতরাং তারা আগের চাইতে বেশিদিন বেঁচে থাকছে।
অন্যদিকে যেহেতু শিক্ষার হার বেড়েছে তাই পরিবারগুলোতে এখন সন্তানের সংখ্যাও যাচ্ছে কমে। পরিবার পরিকল্পনাও এখন আগের চাইতে সহজলভ্য হয়েছে।
কিন্তু জাতিসংঘ এবং হেল্পএজ ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান বলছে, ক্রমবর্ধমান বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যাপক অব্যবস্থাপনা দেখা যাচ্ছে।
হেল্পএজ বলছে, আরো বেশি সংখ্যক দেশে পেনশন স্কিম চালু করা দরকার।
এক্ষেত্রে শুধু আইন করাই যথেষ্ট নয়, এসব নতুন স্কিমগুলোতে যথাযথভাবে অর্থায়নও করতে হবে বলে প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে।
এসব ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নেয়া ভালো পদক্ষেপের দৃষ্টান্ত হিসেবে এই দাতব্য প্রতিষ্ঠানটি বলিভিয়ার কথা উল্লেখ করেছে।
বলিভিয়াতে ৬০-এর বেশি বয়সের সব নাগরিকই একটি পেনশন পান, যার পরিমাণ প্রতিমাসে ৩০ ডলারের সমান।
বলিভিয়াতে প্রায়ই বন্যা এবং ভূমিধস হয়ে থাকে এবং সেখানে বয়স্ক মানুষদের নিয়ে একটি ব্রিগেড গঠন করেছে - যাকে ডাকা হয় ‘পাকা-চুল ব্রিগেড’ নামে ।
এই বয়স্কজনরা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতিতে এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণের ক্ষেত্রে সাহায্য করেন। সূত্র: বিবিসি।
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল ইউএনএফপিএ’র এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী ১০ বছরের মধ্যে ষাটোর্দ্ধ মানুষের সংখ্যা ১০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।
২০৫০ সালের মধ্যে ৬০ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সীদের সংখ্যা ১৫ বছরের নীচে শিশুদের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাবে।
এই যে সারা পৃথিবীব্যাপী বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, একে এক হিসেবে বলা যায় উন্নততর স্বাস্থ্যসেবা আর পুষ্টি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যে সাফল্য, তারই পরিণাম।
সাধারণভাবে বলতে গেলে বিশ্বজুড়ে মানুষ এখন অতীতের যে কোন সময়ের চাইতে ভালো স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে, এবং আগের চাইতে বেশি পুষ্টিকর খাবার খেতে পারছে। সুতরাং তারা আগের চাইতে বেশিদিন বেঁচে থাকছে।
অন্যদিকে যেহেতু শিক্ষার হার বেড়েছে তাই পরিবারগুলোতে এখন সন্তানের সংখ্যাও যাচ্ছে কমে। পরিবার পরিকল্পনাও এখন আগের চাইতে সহজলভ্য হয়েছে।
কিন্তু জাতিসংঘ এবং হেল্পএজ ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান বলছে, ক্রমবর্ধমান বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যাপক অব্যবস্থাপনা দেখা যাচ্ছে।
হেল্পএজ বলছে, আরো বেশি সংখ্যক দেশে পেনশন স্কিম চালু করা দরকার।
এক্ষেত্রে শুধু আইন করাই যথেষ্ট নয়, এসব নতুন স্কিমগুলোতে যথাযথভাবে অর্থায়নও করতে হবে বলে প্রতিষ্ঠানটি মনে করছে।
এসব ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নেয়া ভালো পদক্ষেপের দৃষ্টান্ত হিসেবে এই দাতব্য প্রতিষ্ঠানটি বলিভিয়ার কথা উল্লেখ করেছে।
বলিভিয়াতে ৬০-এর বেশি বয়সের সব নাগরিকই একটি পেনশন পান, যার পরিমাণ প্রতিমাসে ৩০ ডলারের সমান।
বলিভিয়াতে প্রায়ই বন্যা এবং ভূমিধস হয়ে থাকে এবং সেখানে বয়স্ক মানুষদের নিয়ে একটি ব্রিগেড গঠন করেছে - যাকে ডাকা হয় ‘পাকা-চুল ব্রিগেড’ নামে ।
এই বয়স্কজনরা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতিতে এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণের ক্ষেত্রে সাহায্য করেন। সূত্র: বিবিসি।

No comments:
Post a Comment