এ সময়ের যে ক’জন শিল্পী বৈচিত্রময় গান করছেন, সাজেদ ফাতেমী তাদের মধ্যে
অন্যতম। একাধারে গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও উপস্থাপক। লোকগান নিয়ে গবেষণা
করছেন দীর্ঘদিন থেকে। ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম একক অ্যালবাম ‘কতোদিন
তোমাকে দেখি না’। সেই থেকে একে একে নয়টি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তার। এসব
অ্যালবাম ও অন্যান্য কাজ নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন বার্তা২৪ ডটনেট
প্রতিনিধি।
প্রশ্ন: শুরুতে জানতে চাই সর্বশেষ প্রকাশিত অ্যালবাম ‘ফেরারী জোনাকি’ সম্পর্কে।
সাজেদ ফাতেমী: ‘ফেরারী জোনাকি’ ছিল আমার স্বপ্ন। দুই বছরেরও বেশি সময় নিয়ে ১৭টি গান তৈরি করেছিলাম। চারটি গানের কম্পোজিশন দুইজন সঙ্গীত পরিচালক দু’বার করেছেন। সেখান থেকে বাছাই করে ১০টি গান রেখেছি অ্যালবামে।
প্রশ্ন: গানগুলো কারা লিখেছেন?
সাজেদ ফাতেমী: লিখেছেন- বরকতউল্লাহ মারুফ, সাজেদ ফাতেমী, মুরশিদুল আলম চৌধুরী, তন্ময় চৌধুরী ও তানজিম। সুমন কল্যাণ ও বনি আহমেদের সঙ্গীতে গানগুলোর সুর আমারই করা। দুটির সুর করেছেন বনি আহমেদ।
প্রশ্ন: ‘কতোদিন তোমাকে দেখি না’ প্রকাশের নয় বছর পর ‘ফেরারী জোনাকি’- এত বিরতি কেন?
সাজেদ ফাতেমী: আসলে বিরতি দিয়েছি ঠিকই, কিন্তু এরই মধ্যে আরও সাতটি অ্যালবাম প্রকাশ করেছি। ‘কতোদিন তোমাকে দেখি না’ ছিল গতানুগতিক ধারার বিরহের গানের একটি অ্যালবাম। ওই সময় অবশ্য ওরকম গানেরই চাহিদা ছিল বেশি। তাই গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিয়েছিলাম। অ্যালবামটি সুপারহিট হলেও আমার মন খুঁজছিল অন্য কিছু। অবশ্য খুঁজতে খুঁজতে পেয়েও গেলাম।
প্রশ্ন: মন নিশ্চয়ই একেবাওে ব্যতিক্রম কিছু খুঁজছিল-
সাজেদ ফাতেমী: ঠিক তাই। ২০০৪ সালের নভেম্বরে এনটিভিতে বাউল গানের অনুষ্ঠান ‘মন আমার সন্ধান করি’ উপস্থাপনার সুযোগ পাই। এনটিভির তৎকালীন প্রযোজক পারভেজ চৌধুরী ওই সুযোগ করে দেন। অনুষ্ঠানটি করতে পুরো শু্যটিং ইউনিট নিয়ে ঢাকার বাইরে একেবারে বাউলদের বাড়িতে চলে যেতাম। প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই বাউল শিল্পীরা যে এতো অসাধারণ গান গাইতে পারেন, তা দেখে আমি অবাক হয়ে গেলাম। এক সময় তাদের তুলনায় আমার নিজেকে অনেক ক্ষুদ্র মনে হতে লাগলো। আমার মনে হলো, এই বাউল গান নিয়েই কিছু করা দরকার। তাই লোকগান নিয়ে গবেষণায় মন দিলাম। এরপর আর একক অ্যালবাম করার ইচ্ছে হয়নি।
প্রশ্ন: এবার আপনার অন্যতম আলোচিত একটি কাজ নিয়ে কথা বলতে চাই। ২০০৬ সালে বিবিসি শ্রোতা জরিপে নির্বাচিত দুই বাংলার সর্বশ্রেষ্ঠ গানগুলো নিয়ে আপনি দুটি মিশ্র অ্যালবাম তৈরি করেছেন।
সাজেদ ফাতেমী: হ্যাঁ। এই ওই অ্যালবাম দুটি আমার জীবনে করা সবচেয়ে মধুর ও সবচেয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার কাজ। ‘মানুষ মানুষের জন্য’ ও ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’ শিরোনামে অ্যালবাম দুটি এখনও মানুষ কেনে। এতে গান গেয়েছেন আব্দুল জববার, আপেল মাহমুদ, ফরিদা পারভীন, রফিকুল আলম, আবিদা সুলতানা, সামিনা চৌধুরী, রুমানা ইসলাম, সাজেদ ফাতেমী, রেবেকা সুলতানা ও উত্তম দেওয়ান। অ্যালবাম দুটি স্পন্সর করে বেক্সিমকো ফার্মা।
প্রশ্ন: গান করেন কবে থেকে?
সাজেদ ফাতেমী: সেই ছোটবেলা থেকে। ক্লাশ সেভেনে থাকতেই বিভিন্ন জায়গায় গান গাইতে যেতাম।
প্রশ্ন: আপনি তো থিয়েটারের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন।
সাজেদ ফাতেমী: হ্যাঁ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে আসার পর সবমিলিয়ে প্রায় ১০ বছরের থিয়েটার করেছি। থিয়েটার জীবনে ১৭টি মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেছি। তিনটি নাটকের নির্দেশনাও দিয়েছি।
প্রশ্ন: গানওয়ালা ব্যান্ড গঠন করলেন কবে ?
সাজেদ ফাতেমী: ২০০৭ সালে লোকগানের ওপর ভিত্তি করে ‘গানওয়ালা’ নামে একটি ব্যান্ড গঠন করি। ২০০৮ সালে ব্যান্ডের প্রথম অ্যালবাম ‘নজর রাখিস’ প্রকাশ করি।
প্রশ্ন: আপনি তো শুধু মা’কে নিয়ে এবং শুধু বাবাকে নিয়ে অ্যালবাম করেছেন।
সাজেদ ফাতেমী: ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক মা দিবসে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো শুধু মা’কে নিয়ে মৌলিক গানের একটি মিশ্র অ্যালবাম প্রকাশ করেছি। আমার লেখা ও সুরে ‘মা জননী’ শিরোনামে ওই অ্যালবামে আমি ছাড়াও গান গেয়েছেন তপন চৌধুরী, সামিনা চৌধুরী, ফাহমিদা নবী, ফকির শাহাবুদ্দিনসহ নয়জন শিল্পী। ২০১০ সালের জুন মাসে বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষ্যে শুধু বাবাকে নিয়ে আমার সুরে পিতা’ শিরোনামে একটি মিশ্র অ্যালবাম তৈরি করি। ২০১১ সালের জুলাইয়ে আমার গবেষণা ও পরিকল্পনায় শুধু ভাওয়াইয়া গানের মিশ্র অ্যালবাম ‘পূবাল বাতাস’ প্রকাশিত হয় লেজার ভিশনের ব্যানারে। এতে গান করেন নাশিদ কামাল, পূর্ণচন্দ্র রায়সহ দেশের বিখ্যাত ভাওয়াইয়া শিল্পীরা।
প্রশ্ন: আপনার ‘মা জননী’ ও ‘পিতা’ শিরোনামে অ্যালবাম দুটি কিন্তু অডিও ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সাজেদ ফাতেমী: হয়তো তাই। কারণ আমার জানামতে, শুধু মা’কে নিয়ে কিংবা শুধু বাবাকে নিয়ে গানের অ্যালবাম এদেশে এর আগে হয়নি। সে ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা সংযোজন তো বটেই।
প্রশ্ন: লোকগান নিয়ে বৈশাখী টেলিভিশনে আপনার গবেষণা ও উপস্থাপনায় একটি সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়েছে। এটি কতদিন চলে ?
সাজেদ ফাতেমী: অনুষ্ঠানটির নাম ‘জীবন এতো ছোট ক্যানে’। ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয়ে ২০১২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত চলে।
প্রশ্ন: গানের মিউজিক ভিডিও বা অন্য নতুন কোনো খবর আছে?
সাজেদ ফাতেমী: আছে। ফেরারী জোনাকি অ্যালবামের ‘ভিজা বালু’ গানটি নতুন করে কম্পোজিশন করে মিউজিক ভিডিও করেছি। শ্রোতাদের ব্যাপক রেসপন্সের পরিপ্রেক্ষিতে মিউজিক ভিডিও’র জন্য এ গানটি বেছে নিয়েছি। এটি নির্মাণ করেছেন আলমগীর হোসেন। আর নতুন করে কম্পোজিশন করেছেন মীর মাসুম। আশা করছি ঈদের পরপরই প্রায় সব চ্যানেলে এই মিউজিক ভিডিও প্রচার হবে।
সম্প্রতি দেশ টিভির ফোনো লাইভ অনুষ্ঠান ‘প্রিয়জনের গান’ এ অংশগ্রহণের পর বিভিন্ন চ্যানেল থেকে লাইভ শো করার প্রস্তাব পেয়েছি। ঈদের পরপরই কয়েকটি শো করবো আশা করছি। তাই প্রস্ত্ততি নিচ্ছি।
প্রশ্ন: শুরুতে জানতে চাই সর্বশেষ প্রকাশিত অ্যালবাম ‘ফেরারী জোনাকি’ সম্পর্কে।
সাজেদ ফাতেমী: ‘ফেরারী জোনাকি’ ছিল আমার স্বপ্ন। দুই বছরেরও বেশি সময় নিয়ে ১৭টি গান তৈরি করেছিলাম। চারটি গানের কম্পোজিশন দুইজন সঙ্গীত পরিচালক দু’বার করেছেন। সেখান থেকে বাছাই করে ১০টি গান রেখেছি অ্যালবামে।
প্রশ্ন: গানগুলো কারা লিখেছেন?
সাজেদ ফাতেমী: লিখেছেন- বরকতউল্লাহ মারুফ, সাজেদ ফাতেমী, মুরশিদুল আলম চৌধুরী, তন্ময় চৌধুরী ও তানজিম। সুমন কল্যাণ ও বনি আহমেদের সঙ্গীতে গানগুলোর সুর আমারই করা। দুটির সুর করেছেন বনি আহমেদ।
প্রশ্ন: ‘কতোদিন তোমাকে দেখি না’ প্রকাশের নয় বছর পর ‘ফেরারী জোনাকি’- এত বিরতি কেন?
সাজেদ ফাতেমী: আসলে বিরতি দিয়েছি ঠিকই, কিন্তু এরই মধ্যে আরও সাতটি অ্যালবাম প্রকাশ করেছি। ‘কতোদিন তোমাকে দেখি না’ ছিল গতানুগতিক ধারার বিরহের গানের একটি অ্যালবাম। ওই সময় অবশ্য ওরকম গানেরই চাহিদা ছিল বেশি। তাই গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিয়েছিলাম। অ্যালবামটি সুপারহিট হলেও আমার মন খুঁজছিল অন্য কিছু। অবশ্য খুঁজতে খুঁজতে পেয়েও গেলাম।
প্রশ্ন: মন নিশ্চয়ই একেবাওে ব্যতিক্রম কিছু খুঁজছিল-
সাজেদ ফাতেমী: ঠিক তাই। ২০০৪ সালের নভেম্বরে এনটিভিতে বাউল গানের অনুষ্ঠান ‘মন আমার সন্ধান করি’ উপস্থাপনার সুযোগ পাই। এনটিভির তৎকালীন প্রযোজক পারভেজ চৌধুরী ওই সুযোগ করে দেন। অনুষ্ঠানটি করতে পুরো শু্যটিং ইউনিট নিয়ে ঢাকার বাইরে একেবারে বাউলদের বাড়িতে চলে যেতাম। প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই বাউল শিল্পীরা যে এতো অসাধারণ গান গাইতে পারেন, তা দেখে আমি অবাক হয়ে গেলাম। এক সময় তাদের তুলনায় আমার নিজেকে অনেক ক্ষুদ্র মনে হতে লাগলো। আমার মনে হলো, এই বাউল গান নিয়েই কিছু করা দরকার। তাই লোকগান নিয়ে গবেষণায় মন দিলাম। এরপর আর একক অ্যালবাম করার ইচ্ছে হয়নি।
প্রশ্ন: এবার আপনার অন্যতম আলোচিত একটি কাজ নিয়ে কথা বলতে চাই। ২০০৬ সালে বিবিসি শ্রোতা জরিপে নির্বাচিত দুই বাংলার সর্বশ্রেষ্ঠ গানগুলো নিয়ে আপনি দুটি মিশ্র অ্যালবাম তৈরি করেছেন।
সাজেদ ফাতেমী: হ্যাঁ। এই ওই অ্যালবাম দুটি আমার জীবনে করা সবচেয়ে মধুর ও সবচেয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার কাজ। ‘মানুষ মানুষের জন্য’ ও ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’ শিরোনামে অ্যালবাম দুটি এখনও মানুষ কেনে। এতে গান গেয়েছেন আব্দুল জববার, আপেল মাহমুদ, ফরিদা পারভীন, রফিকুল আলম, আবিদা সুলতানা, সামিনা চৌধুরী, রুমানা ইসলাম, সাজেদ ফাতেমী, রেবেকা সুলতানা ও উত্তম দেওয়ান। অ্যালবাম দুটি স্পন্সর করে বেক্সিমকো ফার্মা।
প্রশ্ন: গান করেন কবে থেকে?
সাজেদ ফাতেমী: সেই ছোটবেলা থেকে। ক্লাশ সেভেনে থাকতেই বিভিন্ন জায়গায় গান গাইতে যেতাম।
প্রশ্ন: আপনি তো থিয়েটারের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন।
সাজেদ ফাতেমী: হ্যাঁ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে আসার পর সবমিলিয়ে প্রায় ১০ বছরের থিয়েটার করেছি। থিয়েটার জীবনে ১৭টি মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেছি। তিনটি নাটকের নির্দেশনাও দিয়েছি।
প্রশ্ন: গানওয়ালা ব্যান্ড গঠন করলেন কবে ?
সাজেদ ফাতেমী: ২০০৭ সালে লোকগানের ওপর ভিত্তি করে ‘গানওয়ালা’ নামে একটি ব্যান্ড গঠন করি। ২০০৮ সালে ব্যান্ডের প্রথম অ্যালবাম ‘নজর রাখিস’ প্রকাশ করি।
প্রশ্ন: আপনি তো শুধু মা’কে নিয়ে এবং শুধু বাবাকে নিয়ে অ্যালবাম করেছেন।
সাজেদ ফাতেমী: ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক মা দিবসে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো শুধু মা’কে নিয়ে মৌলিক গানের একটি মিশ্র অ্যালবাম প্রকাশ করেছি। আমার লেখা ও সুরে ‘মা জননী’ শিরোনামে ওই অ্যালবামে আমি ছাড়াও গান গেয়েছেন তপন চৌধুরী, সামিনা চৌধুরী, ফাহমিদা নবী, ফকির শাহাবুদ্দিনসহ নয়জন শিল্পী। ২০১০ সালের জুন মাসে বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষ্যে শুধু বাবাকে নিয়ে আমার সুরে পিতা’ শিরোনামে একটি মিশ্র অ্যালবাম তৈরি করি। ২০১১ সালের জুলাইয়ে আমার গবেষণা ও পরিকল্পনায় শুধু ভাওয়াইয়া গানের মিশ্র অ্যালবাম ‘পূবাল বাতাস’ প্রকাশিত হয় লেজার ভিশনের ব্যানারে। এতে গান করেন নাশিদ কামাল, পূর্ণচন্দ্র রায়সহ দেশের বিখ্যাত ভাওয়াইয়া শিল্পীরা।
প্রশ্ন: আপনার ‘মা জননী’ ও ‘পিতা’ শিরোনামে অ্যালবাম দুটি কিন্তু অডিও ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সাজেদ ফাতেমী: হয়তো তাই। কারণ আমার জানামতে, শুধু মা’কে নিয়ে কিংবা শুধু বাবাকে নিয়ে গানের অ্যালবাম এদেশে এর আগে হয়নি। সে ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা সংযোজন তো বটেই।
প্রশ্ন: লোকগান নিয়ে বৈশাখী টেলিভিশনে আপনার গবেষণা ও উপস্থাপনায় একটি সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়েছে। এটি কতদিন চলে ?
সাজেদ ফাতেমী: অনুষ্ঠানটির নাম ‘জীবন এতো ছোট ক্যানে’। ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয়ে ২০১২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত চলে।
প্রশ্ন: গানের মিউজিক ভিডিও বা অন্য নতুন কোনো খবর আছে?
সাজেদ ফাতেমী: আছে। ফেরারী জোনাকি অ্যালবামের ‘ভিজা বালু’ গানটি নতুন করে কম্পোজিশন করে মিউজিক ভিডিও করেছি। শ্রোতাদের ব্যাপক রেসপন্সের পরিপ্রেক্ষিতে মিউজিক ভিডিও’র জন্য এ গানটি বেছে নিয়েছি। এটি নির্মাণ করেছেন আলমগীর হোসেন। আর নতুন করে কম্পোজিশন করেছেন মীর মাসুম। আশা করছি ঈদের পরপরই প্রায় সব চ্যানেলে এই মিউজিক ভিডিও প্রচার হবে।
সম্প্রতি দেশ টিভির ফোনো লাইভ অনুষ্ঠান ‘প্রিয়জনের গান’ এ অংশগ্রহণের পর বিভিন্ন চ্যানেল থেকে লাইভ শো করার প্রস্তাব পেয়েছি। ঈদের পরপরই কয়েকটি শো করবো আশা করছি। তাই প্রস্ত্ততি নিচ্ছি।

No comments:
Post a Comment