ভারতে এই প্রথমবারের মতো ইউনিক একটি রিয়েলিটি শো’ অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে।
‘সুর ক্ষেত্র’ নামের এই শো'তে বিচারক হিসেবে থাকবেন ভারত, পাকিস্তান ও
বাংলাদেশের কয়েকজন প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী। সম্মানিত সেই বিচারকরা হলেন-
আবিদা পারভিন, গুলাম আলি, আতিফ আসলাম, রুনা লায়লা ও আশা ভোঁশলে।
বিচারকদের প্রত্যেকেই যে যার দেশে বিরল সম্মানের অধিকারী একেকজন মানুষ। ‘সুর ক্ষেত্র’ রিয়েলিটি শো'কে কেন্দ্র করে ভারতের মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) প্রধান রাজ ঠেকারি বিদ্রুপের বান ছুঁড়েছেন গায়িকা আশা ভোঁশলের দিকে। রাজ উম্মা প্রকাশ করে বলেছেন, আশা ভোঁশলের উচিত হয়নি বিশেষ করে পাকিস্তানের গায়কদের সঙ্গে অনুষ্ঠান করার ব্যাপারে সম্মতি দেয়া। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ভারতকে ধ্বংস করার প্রয়াসে লিপ্ত। বিষয়টি আশা ভোঁশলের কানে পৌঁছালে তিনি বিনয়ের সঙ্গে জানান ‘অতিথি দেব ভবে’। রাজ ঠেকারি আশার দিকে পাল্টা বিদ্রুপ ছুঁড়ে দেন -অতিথি দেব ভবে নাকি পয়সা দেব ভবে’!
যাই হোক! বিতর্কের বিষয়ে অনুভূতি জানতে চেয়ে ইন্ডিয়ার সর্বাধিক পাঠক পঠিত সংবাদপত্র টাইমস্ অব ইন্ডিয়া বাংলাদেশের গানের পাখি রুনা লায়লার মুখোমুখি হয়েছেন।
সবচেয়ে উঁচুতে ভালোবাসার আধিপত্য: রুনা লায়লা রাজ ঠেকারে বিষয়ক বিতর্ক নিয়ে টাইমস্ অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি। তবে রুনা বলেন, “আমি নিয়মিত ভারতে যাতায়াত করি এবং নিঃদ্বিধায় বলতে চাই ভারতবাসী আমার প্রতি প্রচণ্ড ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছেন। সেজন্যে আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। সেইসঙ্গে আমি এটাও বলতে চাই- যখনই কোনো ভারতীয় স্টার বাংলাদেশে যান বাংলাদেশী মানুষও ঠিক একইভাবে তাদের আপ্যায়িত করেন। লোগ উনে আপনি পালকি পে বেঠাতে হ্যায়।’’
আশা’জির সঙ্গে বোঝাপড়া: সহ-বিচারক আশা ভোঁশলের সঙ্গে রুনা লায়লার বোঝাপড়া কতখানি জিজ্ঞাসা করা হলে রুনা লায়লা বলেন, আগে আশাজি’র সঙ্গে আমার খুব কম যোগাযোগ ও সংক্ষিপ্ত কথাবার্তা হয়েছে কিন্তু পরবর্তীতে অনেকবার সাক্ষাত হওয়ার ফলে সেই জড়তা কেটে যায়। আমরা এখন ঠিক দুবোনের মতো। যখন তিনি ঢাকা আসলেন সেসময় আমার বাড়িতে নৈশভোজের অংশ নিয়েছেন। আমরা ঘণ্টাব্যাপি গান পরিবেশন করেছি। সময়টা বেশ উপভোগ করেছি। আবার আমি ভারতে আসলে আশা’জি আমার জন্য চিংড়ি ও ভুনা মাংস রান্না করেছেন। আমি সত্যিই অভিভূত হয়েছি। পরবর্তীতে তার হাতের মারাঠি কিউজিন রান্না খেতে চাই।
গনেশ আমার বন্ধু: এখন রুনা লায়লা এই রিয়েলিটি শো'য়ের জন্যে ভারতে অবস্থান করছেন। টাইমস্ অব ইন্ডিয়া তার শপিং প্ল্যান জানতে চান। রুনা জানান, আমি ভেবে রেখেছি একটা গণপতি বাড়িতে নিয়ে যাব। বিভিন্ন আকৃতির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গণেশের সংগ্রহ আছে আমার কাছে। সুতরাং সেই সংগ্রহশালায় আমি আরেকটি গণেশ যোগ করতে চাই।
বিচারকদের প্রত্যেকেই যে যার দেশে বিরল সম্মানের অধিকারী একেকজন মানুষ। ‘সুর ক্ষেত্র’ রিয়েলিটি শো'কে কেন্দ্র করে ভারতের মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) প্রধান রাজ ঠেকারি বিদ্রুপের বান ছুঁড়েছেন গায়িকা আশা ভোঁশলের দিকে। রাজ উম্মা প্রকাশ করে বলেছেন, আশা ভোঁশলের উচিত হয়নি বিশেষ করে পাকিস্তানের গায়কদের সঙ্গে অনুষ্ঠান করার ব্যাপারে সম্মতি দেয়া। বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ভারতকে ধ্বংস করার প্রয়াসে লিপ্ত। বিষয়টি আশা ভোঁশলের কানে পৌঁছালে তিনি বিনয়ের সঙ্গে জানান ‘অতিথি দেব ভবে’। রাজ ঠেকারি আশার দিকে পাল্টা বিদ্রুপ ছুঁড়ে দেন -অতিথি দেব ভবে নাকি পয়সা দেব ভবে’!
যাই হোক! বিতর্কের বিষয়ে অনুভূতি জানতে চেয়ে ইন্ডিয়ার সর্বাধিক পাঠক পঠিত সংবাদপত্র টাইমস্ অব ইন্ডিয়া বাংলাদেশের গানের পাখি রুনা লায়লার মুখোমুখি হয়েছেন।
সবচেয়ে উঁচুতে ভালোবাসার আধিপত্য: রুনা লায়লা রাজ ঠেকারে বিষয়ক বিতর্ক নিয়ে টাইমস্ অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি। তবে রুনা বলেন, “আমি নিয়মিত ভারতে যাতায়াত করি এবং নিঃদ্বিধায় বলতে চাই ভারতবাসী আমার প্রতি প্রচণ্ড ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছেন। সেজন্যে আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। সেইসঙ্গে আমি এটাও বলতে চাই- যখনই কোনো ভারতীয় স্টার বাংলাদেশে যান বাংলাদেশী মানুষও ঠিক একইভাবে তাদের আপ্যায়িত করেন। লোগ উনে আপনি পালকি পে বেঠাতে হ্যায়।’’
আশা’জির সঙ্গে বোঝাপড়া: সহ-বিচারক আশা ভোঁশলের সঙ্গে রুনা লায়লার বোঝাপড়া কতখানি জিজ্ঞাসা করা হলে রুনা লায়লা বলেন, আগে আশাজি’র সঙ্গে আমার খুব কম যোগাযোগ ও সংক্ষিপ্ত কথাবার্তা হয়েছে কিন্তু পরবর্তীতে অনেকবার সাক্ষাত হওয়ার ফলে সেই জড়তা কেটে যায়। আমরা এখন ঠিক দুবোনের মতো। যখন তিনি ঢাকা আসলেন সেসময় আমার বাড়িতে নৈশভোজের অংশ নিয়েছেন। আমরা ঘণ্টাব্যাপি গান পরিবেশন করেছি। সময়টা বেশ উপভোগ করেছি। আবার আমি ভারতে আসলে আশা’জি আমার জন্য চিংড়ি ও ভুনা মাংস রান্না করেছেন। আমি সত্যিই অভিভূত হয়েছি। পরবর্তীতে তার হাতের মারাঠি কিউজিন রান্না খেতে চাই।
গনেশ আমার বন্ধু: এখন রুনা লায়লা এই রিয়েলিটি শো'য়ের জন্যে ভারতে অবস্থান করছেন। টাইমস্ অব ইন্ডিয়া তার শপিং প্ল্যান জানতে চান। রুনা জানান, আমি ভেবে রেখেছি একটা গণপতি বাড়িতে নিয়ে যাব। বিভিন্ন আকৃতির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গণেশের সংগ্রহ আছে আমার কাছে। সুতরাং সেই সংগ্রহশালায় আমি আরেকটি গণেশ যোগ করতে চাই।


















