গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশের উদ্বেগকে অমূলক আখ্যায়িত
করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি। তার মতে, যেসব ধারণা ও তথ্যের ভিত্তিতে
এ উদ্বেগ প্রকাশ করা করা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। রোববার দুপুরে রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দীপু মনি এ মন্তব্য করেন।
সিঙ্গাপুরের সফররত পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জুলফিকলি মাসাগোসের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষে দীপু মনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশিদের উদ্বেগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক সরকারের একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। সরকারি প্রতিষ্ঠান যেভাবে চলার কথা, সেভাবেই চলছে গ্রামীণ ব্যাংক। সরকার আইন ভেঙে কিছু করছে না। গ্রামীণ ব্যাংকের সুবিধাভোগী যাদের অধিকাংশ নারী, তাঁদের স্বার্থ যাতে সুরক্ষিত থাকে, সে ব্যাপারে সরকার সচেষ্ট। গ্রামীণ ব্যাংক খারাপ তো দূরে থাক, আগে যেভাবে চলেছে তার চেয়ে অনেক ভালো চলছে।
দীপু মনি বলেন, ‘কাজেই গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে যে উদ্বেগ রয়েছে, তা অমূলক। কারণ, যে তথ্য ও ধারণার ভিত্তিতে এ উদ্বেগ, তা বস্তুনিষ্ঠ নয়। বিদেশি বন্ধুদের যেসব ধারণা দেওয়া হয়েছে, তা সঠিক নয়।’
গ্রামীণ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে উদ্বেগ জানিয়ে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন সরকারকে যে চিঠি দিয়েছে সেটির উত্তর দেওয়া হবে কি না, জানতে চাইলে দীপু মনি চিঠির জবাবের বিষয়টি স্পষ্ট করেননি। তবে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন বিষয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।’
প্রসঙ্গত, আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন গ্রামীণ ব্যাংকের অধ্যাদেশ পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়ে গত ১৪ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি লেখেন। একই ধরনের উদ্বেগ জানিয়ে জার্মানি ও ফ্রান্স ওই দিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারকে একটি ই-মেইল দিয়েছে।
নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের চাপ
আগামী নির্বাচনের আগে প্রধান দুই দলের মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টির জন্য বিদেশি কূটনীতিকেরা কাজ করছেন। আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সরকারের ওপর বিদেশিদের চাপ রয়েছে কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘সংবিধান অনুসৃত পথেই নির্বাচন হবে। অতীতে নির্বাচনপ্রক্রিয়ার সঙ্গে বিদেশিরা সম্পৃক্ত হয়েছিলেন, কারণ নির্বাচন প্রক্রিয়া ভেঙে পড়েছিল। বর্তমান সরকারের সাড়ে তিন বছরে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের অধীনে পাঁচ হাজারের বেশি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘কাজেই নির্বাচন নিয়ে ভেতরের বা বাইরের কোনো উদ্বেগ থাকার কথা নয়। কোনো রাজনৈতিক কারণে কিংবা দলীয় বিবেচনায় উদ্বেগ থাকলে সেটি ঠিক করতে চাপের জায়গা আছে বলে মনে করি না। হয়তো অনেক সময় বিদেশি বন্ধুরা নির্বাচন নিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। তবে বর্তমান সরকার সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন আয়োজন করতে বদ্ধপরিকর। কাজেই বর্তমান পরিস্থিতিতে এখানে বাইরের কোনো প্রক্রিয়ার যুক্ত হওয়ার দরকার আছে বলে মনে করি না।’’ সূত্র: প্রথম আলো।
সিঙ্গাপুরের সফররত পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জুলফিকলি মাসাগোসের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষে দীপু মনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশিদের উদ্বেগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক সরকারের একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। সরকারি প্রতিষ্ঠান যেভাবে চলার কথা, সেভাবেই চলছে গ্রামীণ ব্যাংক। সরকার আইন ভেঙে কিছু করছে না। গ্রামীণ ব্যাংকের সুবিধাভোগী যাদের অধিকাংশ নারী, তাঁদের স্বার্থ যাতে সুরক্ষিত থাকে, সে ব্যাপারে সরকার সচেষ্ট। গ্রামীণ ব্যাংক খারাপ তো দূরে থাক, আগে যেভাবে চলেছে তার চেয়ে অনেক ভালো চলছে।
দীপু মনি বলেন, ‘কাজেই গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে যে উদ্বেগ রয়েছে, তা অমূলক। কারণ, যে তথ্য ও ধারণার ভিত্তিতে এ উদ্বেগ, তা বস্তুনিষ্ঠ নয়। বিদেশি বন্ধুদের যেসব ধারণা দেওয়া হয়েছে, তা সঠিক নয়।’
গ্রামীণ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে উদ্বেগ জানিয়ে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন সরকারকে যে চিঠি দিয়েছে সেটির উত্তর দেওয়া হবে কি না, জানতে চাইলে দীপু মনি চিঠির জবাবের বিষয়টি স্পষ্ট করেননি। তবে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন বিষয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।’
প্রসঙ্গত, আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন গ্রামীণ ব্যাংকের অধ্যাদেশ পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়ে গত ১৪ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি লেখেন। একই ধরনের উদ্বেগ জানিয়ে জার্মানি ও ফ্রান্স ওই দিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারকে একটি ই-মেইল দিয়েছে।
নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের চাপ
আগামী নির্বাচনের আগে প্রধান দুই দলের মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টির জন্য বিদেশি কূটনীতিকেরা কাজ করছেন। আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সরকারের ওপর বিদেশিদের চাপ রয়েছে কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘সংবিধান অনুসৃত পথেই নির্বাচন হবে। অতীতে নির্বাচনপ্রক্রিয়ার সঙ্গে বিদেশিরা সম্পৃক্ত হয়েছিলেন, কারণ নির্বাচন প্রক্রিয়া ভেঙে পড়েছিল। বর্তমান সরকারের সাড়ে তিন বছরে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের অধীনে পাঁচ হাজারের বেশি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘কাজেই নির্বাচন নিয়ে ভেতরের বা বাইরের কোনো উদ্বেগ থাকার কথা নয়। কোনো রাজনৈতিক কারণে কিংবা দলীয় বিবেচনায় উদ্বেগ থাকলে সেটি ঠিক করতে চাপের জায়গা আছে বলে মনে করি না। হয়তো অনেক সময় বিদেশি বন্ধুরা নির্বাচন নিয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। তবে বর্তমান সরকার সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন আয়োজন করতে বদ্ধপরিকর। কাজেই বর্তমান পরিস্থিতিতে এখানে বাইরের কোনো প্রক্রিয়ার যুক্ত হওয়ার দরকার আছে বলে মনে করি না।’’ সূত্র: প্রথম আলো।

No comments:
Post a Comment