Pages

Monday, October 29, 2012

আজ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জন্মদিন

আজ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জন্মদিন
সোমবার ২৯ অক্টোবর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জন্মদিন। ১৯৪১ সালের এই দিনে তিনি পুরান ঢাকার ১০৯ আগা সাদেক রোডের পৈতৃক বাড়ি ‘মোবারক লজ’-এ জন্মগ্রহণ করেন। মা সৈয়দা মোবারুকুন্নেসা৷ বাবা মৌলবি আব্দুস সামাদ৷ তিনি পেশায় ছিলেন ঢাকা কালেক্টর অফিসের সুপার৷

নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে ছিল তাদের পৈতৃক নিবাস৷ নয় ভাই দুই বোনের পরিবারে জন্ম নেয়া মতিউর ছিলেন অষ্টম৷ ছেলেবেলা থেকেই তিনি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী, দুরন্ত, ডানপিটে৷ ১৯৫২ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীতে তার শিক্ষাজীবন শুরু ৷ ১৯৬০ সালে মতিউর কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বিভাগে মেট্রিক পাস করলেন ডিস্টিংশনসহ৷ এরপর ১৯৬১ সালের আগস্টের ১৫ তারিখে তিনি রিসালপুরে পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর একাডেমিতে ফ্লাইট ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেন জিডি পাইলট কোর্সে৷

মতিউর ছিলেন একজন চৌকস ক্যাডেট৷ তার একাগ্রতা, ইচ্ছা আর মেধা দিয়ে তিনি এগিয়ে গেলেন ৷ ১৯৬৭ সালে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হিসেবে পদোন্নতি হয় মতিউর রহমানের৷ ১৯৬৮ সালের ১৯ এপ্রিল বিয়ে করেন এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে মিলি খানকে৷ বিয়ের কয়েকদিন পরেই মতিউর চলে যান পাকিস্তানের চাকলালা বিমানঘাঁটিতে৷ ১৯৬৯ সালের ২৩ এপ্রিল জন্ম হয় এ দম্পতির প্রথম কন্যা মাহিনের৷ শহীদ হওয়ার পর বিজয় দিবসের মাত্র ২ দিন আগে ১৪ ডিসেম্বর,১৯৭১ জন্ম হয় মতিউরের দ্বিতীয় সস্তান তুহিনের৷

১৯৭১ সালের শুরুতে সারা দেশ যখন উত্তাল, তখন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে মতিউর সপরিবারে দুই মাসের ছুটিতে আসেন ঢাকা৷ ২৫ মার্চের কালরাতে মতিউর ছিলেন রায়পুরের রামনগর গ্রামে৷ তিনি আর স্থির থাকতে পারলেন না৷ পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একজন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হয়েও অসীম ঝুঁকি ও সাহসিকতার সাথে ভৈরবে একটি ট্রেনিং ক্যাম্প খুললেন৷ যুদ্ধ করতে আসা বাঙালি যুবকদের প্রশিক্ষণ দিতে থাকলেন৷ মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা অস্ত্র দিয়ে গড়ে তুললেন একটি প্রতিরোধ বাহিনী৷ পরে মতিউর ১৯৭১ সালের ৯ মে সপরিবারে করাচি ফিরে যান৷


এদিকে দুই মাসের ছুটিতে এসে চার মাস পেরিয়ে গেছে ততদিনে৷ করাচি পৌঁছে মতিউর লক্ষ করলেন বাঙালি অফিসারদের সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে৷ তাকেও তার নিজের দায়িত্ব না দিয়ে দেয়া হলো ফ্লাইট সেফটি অফিসারের দায়িত্ব৷ মতিউরের চিন্তা তখন কেবল একটি বিমানের৷ তিনি পরিকল্পনা শুরু করেন৷ সহকর্মীদের সাথে স্বাভাবিক ব্যবহার করছেন আর খুঁজছেন সুযোগ৷ পিআইএর একটি বিমান হাইজ্যাকের পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর বাঙালি অফিসারদের ওপর কড়া নজর রাখা শুরু হয়৷ বাঙালি পাইলটদের আকাশে উড্ডয়নের অনুমতি বাতিল করা হয়৷

মতিউর তখন করাচির মশরুর বিমানঘাঁটির বেস ফ্লাইট সেফটি অফিসার৷ এর আগে মতিউর ছিলেন ফ্লাইট ইন্সট্রাকটর৷ ছাত্রদের বিমান চালনার প্রশিক্ষণ দিতেন তিনি৷ তার অনেক পাকিস্তানি ছাত্রের একজন রশিদ মিনহাজ৷ সে পুরাতন ছাত্র৷ মতিউর জানতেন, সে একা আকাশে উড্ডয়নের অনুমতি পাবে৷ তাই তিনি তাকে টার্গেট করেন৷ ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট শুক্রবার৷ ফ্লাইট শিডিউল অনুযায়ী মিনহাজের উড্ডয়ন আজ৷ মতিউর পূর্ব পরিকল্পনামতো অফিসে এসে শিডিউল টাইমে গাড়ি নিয়ে চলে যান রানওয়ের পূর্ব পাশে৷ সামনে পিছনে দুই সিটের প্রশিক্ষণ বিমান টি-৩৩, রশিদ মিনহাজ বিমানের সামনের সিটে বসে স্টার্ট দিয়ে এগিয়ে নিয়ে আসছে৷ এবার মতিউরের পালা৷ মতিউর হাত তুলে বিমান থামালেন৷ হাতের ইশারায় বোঝানোর চেষ্টা করলেন, বিমানের পাখায় সমস্যা৷

রশিদ মিনহাজ বিমানের 'ক্যানোপি' খুলতেই মতিউর তাকে ক্লোরোফর্ম দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে বিমানের পেছনের সিটে লাফিয়ে উঠে বসলেন৷ কিন্তু জ্ঞান হারাবার আগে মিনহাজ বলে ফেললেন, 'আই হ্যাভ বিন হাইজ্যাক্ড৷' ছোট পাহাড়ের আড়ালে থাকায় কেউ দেখতে না পেলেও কনট্রোল টাওয়ার শুনতে পেল তা৷ বিমানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মতিউর বিমান নিয়ে ছুটে চললেন৷ রাডারকে ফাঁকি দেবার জন্য নির্ধারিত উচ্চতার চেয়ে অনেক নিচ দিয়ে বিমান চালাচ্ছিলেন তিনি৷ যদিও ততক্ষণে এফ ৮৬ ও একটি হেলিকপ্টার তাকে ধাওয়া করা শুরু করে কন্ট্রোল টাওয়ারের নির্দেশে৷

বিমানটি যখন ভারতীয় সীমান্তের দিকে যাচ্ছে তখন মিনহাজের জ্ঞান ফিরে আসে এবং সে বাধা দিতে চেষ্টা করে ৷ সীমান্ত থেকে মাত্র দুই মিনিট দূরত্বে সিন্ধু প্রদেশের জিন্দা গ্রামে বালির ঢিবির উপর আছড়ে পড়ে ব্লুবার্ড-১৬৬ ৷ ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট দেশের জন্য শহীদ হন আমাদের এই বীর সন্তান মতিউর৷ মতিউরের বিমান হাইজ্যাকের স্বপ্ন সফল হলো না৷

এরপর মতিউর ও মিনহাজের লাশ উদ্ধার করা হয় এবং কোনো প্রকার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া মসরুর বিমানঘাঁটিতে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের জন্য নির্ধারিত স্থানে মতিউরের লাশ দাফন করা হয়৷ তাঁর কবরে লেখা হয় 'গাদ্দার' বা বিশ্বাসঘাতক৷ দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০০৬ সালের ২৫ জুন তার দেহাবশেষ বাংলাদেশে আনা হয়৷ ২৬ জুন মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়৷ দীর্ঘ ৩৫ বছর অবহেলায় থাকলেও মতিউর ফিরে আসেন তার স্বপ্নের স্বাধীন দেশে৷ ঠাঁই পান এ দেশের মাটিতে৷

সন্ধ্যার মধ্যে রাজধানীর বর্জ্য সরানোর নির্দেশ যোগাযোগমন্ত্রীর

সন্ধ্যার মধ্যে রাজধানীর বর্জ্য সরানোর নির্দেশ যোগাযোগমন্ত্রীর

রাজধানীর রাস্তাঘাট থেকে সন্ধ্যার মধ্যেই কোরবানির পশুবর্জ্য সরিয়ে ফেলতে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার সকালে পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের পর তিনি এ নির্দেশ দিলেন ।

কোরবানির বর্জ্যের ফলে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হওয়ার বিষয়টি অনেক পুরনো বলে উল্লেখ করে যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে সরকার সাধ্যমতো চেষ্টা করছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, অন্য বছরের চেয়ে এবার তাড়াতাড়ি বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। তবে সিটি করপোরেশন প্রশাসনে নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকলে এ কাজ আরো দ্রুত হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শায়েস্তা খাঁ রোডের পাশে স্তূপীকৃত পশুবর্জ্য অপসারণে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদেরও নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

রাস্তাঘাট থেকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের অগ্রগতি দেখতে ফুলবাড়িয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বাসস্ট্যান্ড থেকে থেকে লালবাগ এলাকা  পরিদর্শন করেন যোগাযোগমন্ত্রী ।
এছাড়া বাবুবাজার ব্রিজ ও সদরঘাট টার্মিনালও পরিদর্শন করে তিনি।

ফতুল্লায় গার্মেন্টসে আগুন, আহত ১০

ফতুল্লায় গার্মেন্টসে আগুন, আহত ১০

 নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার নয়ামাটি কুতুবাইল এলাকায় একটি রফতানিমুখী পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নেভানোর সময় ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মীসহ ১০ জন আহত হয়েছেন।

ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট সাত ঘণ্টা চেষ্টার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, ফতুল্লার ইউরো টেক্স লিমিটেড প্রতিষ্ঠানের ডাইং সেকশন থেকে রোববার রাত দুইটায় আগুন লাগে। ডাইং সেকশনে থাকা দাহ্য পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তে  আগুন চারদিকে  ছড়িয়ে পড়ে। এতে ডাইং সেকশন সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

পরে আগুন এক তলার বিদ্যুতের মোটা ক্যাবল দিয়ে গার্মেন্টসে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এসব ফ্লোরে গার্মেন্টসের বিপুল পরিমাণ শিপমেন্টের মালের কার্টন, কাটিং, ফিনিশিং সেকশন ও গোডাউন ছিল।

ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি ফায়ার স্টেশনের দশটি ইউনিটের শতাধিক কর্মী সাত ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে বিপুল পরিমাণ তৈরি পোশাক, কাপড় ও মেশিন পুড়ে গেছে। আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীসহ দশজন আহত হয়েছেন। আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে মালিকপক্ষ ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেননি।

এ ব্যাপারে ইউরো টেক্স গার্মেন্টস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শহিদুল ইসলাম জানান, গার্মেন্টস কারখানাটি ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা ঋণ নিয়েছে। গার্মেন্টসটি প্রায় একশ কোটি টাকার প্রকল্প। আগুনে এর বেশির ভাগই পুড়ে গেছে।


ঢাকা বিভাগের ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মো. জহিরুল আমিন জানান, ফায়ার সার্ভিসের দশটি ইউনিট প্রায় সাত ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে। তদন্তসাপেক্ষ ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ বলা যাবে।

টাঙ্গাইলে বাস খাদে, নিহত ১০

টাঙ্গাইলে বাস খাদে, নিহত ১০

 রোববার রাতে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী এলাকায় চারাভাঙ্গা ব্রিজের রেলিং ভেঙে বাস খাদে পড়ে যায়। এতে ১০ জন মারা যান এবং প্রায় ৪০ জন আহত হন।

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরের মাদারগঞ্জগামী একটি যাত্রীবাহী বাস রাত একটার দিকে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কের ধনবাড়ীর চারাভাঙ্গা সেতুতে ওঠে। এ সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ে যায়।

এতে বাসের চালকসহ ১০ জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আরো ৪০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ২০ জনকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ১২ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন: মাদারগঞ্জের এলাহি বাজার গ্রামের নাসির (৩৫) ও ধনবাড়ীর বানিয়াজান গ্রামের রফিকুল (৪৫)।
ধনবাড়ী থানার ওসি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। উদ্ধারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে পরে মধুপুর উপজেলার পুলিশ ও দমকলবাহিনীকে ডাকা হয়। পুলিশ ও দমকলবাহিনীর দুটি দল সেখানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের বিষয়ে নজর রাখা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের বিষয়ে নজর রাখা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমারের জাতিগত দাঙ্গা-হাঙ্গামা সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘আমাদের দেশে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়েছে, সে সমস্যা যেন আর না হয় সেদিকে নজর রাখা হবে।’

সোমবার সকালে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি শান্ত হয়ে এসেছে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ সেখানে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আমরা আশা করি, নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যবস্থা নেবেন মিয়ানমার সরকার। তাদের যে মূল সমস্যা আছে তা খুঁজে বের করে সমাধান করবেন।

তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রত্যাশা মিয়ানমারের কোনো জনগোষ্ঠীর মধ্যেও যাতে সমস্যা না হয়। সবাই যাতে অধিকার ও সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারেন।

ফেসবুকের অর্ধেক মালিকানা দাবি এবং গ্রেফতার

ফেসবুকের অর্ধেক মালিকানা দাবি এবং গ্রেফতার

ফেসবুকের অর্ধেক মালিকানা দাবি করে ফেঁসে গেছেন ব্রিটেনের এক ব্যবসায়ী। অভিযোগ করে নিজেই জড়িয়ে গেলেন প্রতারণা মামলায়। নিউইয়র্কে বসবাসরত এই ব্যবসায়ীর নাম পল সিগলাই।

মিথ্যা অভিযোগ করে ফেসবুক প্রধান মার্ক জুকারবার্গকে নাজেহাল করার অভিযোগে নিউইয়র্কের ওয়েলেসভিলের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন সিগলাই। এরপর শুক্রবার বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

এ সম্পর্কে যুক্তরাজ্যর এটর্নি প্রিট ভারারা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আদালতই সিগাইর পরিণতি ঠিক করবে।  

জানা গেছে, ২০০৩ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে সিগলাইর ফ্যাক্স ব্যবসায়ের প্রোগ্রামিং তৈরি করতে সম্মতি জানিয়েছিলেন ফেসবুক প্রধান মার্ক জুকারবার্গ। তার দাবি, ওই সময় ফেসবুক ধরনের একটি প্রোগ্রামিং নিয়েও কথা হয়েছিল। দুই পৃষ্ঠার একটি চুক্তিও হয়েছিলো। কিন্তু জুকারবার্গ পরে নিজেই এ ব্যবসা শুরু করেছেন। তাই আইনগতভাবে ফেসবুকের  অর্ধেক মালিকানার দাবিদার তিনি। এ বিষয়ে তিনি আদালতে একটি অভিযোগনামা দাখিল করে জুকারবার্গ বরাবর একটি দাবিনামাও পাঠান।

তবে বরাবরই আইডিয়া চুরির এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জুকারবার্গ। তিনি বলেছেন, ওই সময় ফেসবুকের আইডিয়া নিয়ে কোনো কথা হয়নি। তখন যে চুক্তিটি হয়েছিলো তা হচ্ছে স্ট্রিট ম্যাপিং সফটওয়্যার ডেভেলপসেন্ট নিয়ে।

আদালতে দায়েরকৃত অভিযোগনামার সাথে উপস্থাপিত চুক্তিপত্রটিতে জালিয়াতি করে প্রকৃত তথ্য আড়াল করার অপচেষ্টার নজির পেয়েছে বিচারক। চুক্তিপত্রটি যাচাই-বাছাই শেষে আদালতের নির্দেশে সিগলাইকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ।


চার সূর্যবিশিষ্ট নতুন গ্রহের সন্ধান

চার সূর্যবিশিষ্ট নতুন গ্রহের সন্ধান

বিজ্ঞানীরা আরো একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বলে জানা গেছে। নতুন এ গ্রহের আকাশে চারটি সূর্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন আমেরিকার নেভাদা অঙ্গরাজ্যের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল জ্যোতির্বিদ। চার সূর্যবিশিষ্ট এ ধরনের গ্রহের এই প্রথম সন্ধান পাওয়া গেল।

পৃথিবী থেকে এই গ্রহটির অবস্থান পাঁচ হাজার আলোকবর্ষ দূরে। গ্রহ অনুসন্ধানকারীদের সম্মানার্থে বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন পিএইচ১।

নতুন গ্রহ পিএইচ১ দুটি সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হচ্ছে। এছাড়া কিছু দূরত্বে রয়েছে আরো দুটি নক্ষত্র। পিএইচ থেকে এ দুটি নক্ষত্রের দূরত্ব পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্বের চেয়ে অন্তত এক হাজার গুণ বেশি।

সোমবার নেভাদার ডিভিশন ফর প্লানেটারি সায়েন্স অব দ্য আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির বার্ষিক বৈঠকে এ বিষয়ে গবেষণাপত্র জমা উপস্থাপন করা হয়।

এর আগে এ ধরনের কোনো গ্রহ আবিষ্কৃত হয়নি, যার আকাশে চারটি সূর্য আছে। এর আগে ছয়টি গ্রহ পাওয়া গেছে যাদের আকাশে আছে দুটি করে সূর্য আছে। মার্কিন বিজ্ঞানী কিয়ান জেক এবং রবার্ট গ্যাগলিয়ানো সর্বপ্রথম পিএইচ১-এর সন্ধান পান। পরে তাদের এ দাবিকে সমর্থন করেন হাওয়াইয়ে কর্মরত একদল ব্রিটিশ ও মার্কিন গবেষক।

পৃথিবীর চেয়ে ৬.২ গুণ বড় ব্যাসার্ধ রয়েছে নতুন এ গ্রহের আর নেপচুনের চেয়ে সামান্য বড় পিএইচ১। এর গঠন প্রক্রিয়া এবং জলবায়ুর ক্ষেত্রে এ গ্রহ কী ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে এখন তা খুঁজে দেখবেন বিজ্ঞানীরা। সূত্র: ওয়েবসাইট

সালমানের জন্য চেতন

সালমানের জন্য চেতন

 ভারতীয় ইংরেজি সাহিত্যের জনপ্রিয়তম লেখক চেতন ভগত নতুন ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চলেছেন। এবার তার অভিষেক ঘটতে চলেছে রুপোলি জগতে। সালমান খানের আগামী সিনেমা `কিক`-এর চিত্রনাট্য লিখছেন তিনি।

ভগত ছিলেন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কার। তারপর হলেন বেস্টসেলার লেখক।ওখান থেকে এক লাফে চিত্রনাট্যকার। আগের দুই ভূমিকাতেই চেতন অত্যন্ত সফল। লেখক হিসেবে ভারতীয় ইংরেজি সাহিত্যের মানেই বদলে দিয়েছেন। তৈরি করেছেন ঝরঝরে ভাষার এক নতুন ঘরানার। তার লেখায় নেই ভাবনাচিন্তার বিশেষ অবকাশ। নেই ব্যাকরণের চোখরাঙানি। তাই ইংরেজিতে বিশেষ বুৎপত্তি না থাকলেও চেতনের লেখা আস্বাদন করা যায়। এ গুণের কারণেই চেতন ভারতে ইংরেজি বইয়ের পাঠকেরসংখ্যাও বাড়িয়েছেন কয়েক গুণ। এমনকি তাকে দেখেই সাহিত্যচর্চা শুরু করেছেন বহু লেখক।

তাই চেতন যখন চিত্রনাট্যকারের ভূমিকায় এলেন, তখন সিনেমায় তার লেখার ম্যাজিক ঠিক কতখানি চলে তা নিয়ে উৎসুক সবাই।

তবে বলিউডের সঙ্গে তার যোগাযোগটা নতুন নয়। এর আগেও তার উপন্যাসটি `ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান` নিয়েই হয়েছে `থ্রি ইডিয়টস`-র মতো দুর্দান্ত ছবি। `ওয়ান নাইট এট কল সেন্টার` অবলম্বনে সালমান খান তৈরি করেছেন ` হেলো`। তার আর এক বেস্টসেলার বই `থ্রি মিসটেকস অব লাইফ`ও পর্দায় প্রকাশের মুখে।

 কিন্তু এগুলোর কোনোটিরই চিত্রনাট্য লেখেননি তিনি। এবারই প্রথম সরাসরি হাত দিলেনি চিত্রনাট্য  তৈরিতে।

সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার পরিচালনায় `কিক`-এর চিত্রনাট্য লেখার সুযোগ পেয়ে তাই বেশ খুশি চেতন। টুইটারে তিনি জানিয়েছেন `কিক্`-এর চিত্রনাট্য লেখার সুযোগ পেয়ে আমি ভীষণ খুশি। চিত্রনাট্যকার হিসেবে আত্মপ্রকাশের এর চেয়ে ভালো মঞ্চ পেতাম না। ছবিটি যেহেতু একটি তেলেগু সিনেমার রিমেক, তাই মূল সুর বজায় রেখে বেশ কিছু পরিবর্তন থাকছে এতে। এই সিনেমাটা নিয়ে আমি খুব আশাবাদী।

 এই সিনেমায় সালমানের ভূমিকা অনেকটা রবিন হুডের মতো। ভালো পরিবারের ভালো ডাকাত। দুষ্টু লোকদের কাছ থেকে টাকা পয়সা কেড়ে নিয়ে গরিবদের মধ্যে বিলিয়ে দেয়। এখন দেখা যাক রবিন হুডের বলিউডি সংস্করণ চেতনের কলমের খোঁচায় কতটা ব্যবসা করতে পারে। সূত্র: ওয়েবসাইট

‘মস্তিষ্ক ক্যান্সারের সঙ্গে মোবাইল ফোনের সম্পর্ক আছে’

‘মস্তিষ্ক ক্যান্সারের সঙ্গে মোবাইল ফোনের সম্পর্ক আছে’

 “মস্তিষ্কে টিউমার সৃষ্টির সঙ্গে মোবাইল ফোন ব্যবহারের একটি যোগসূত্র রয়েছে” বলে রায় দিয়েছেন ইতালির সুপ্রিম কোর্ট ।

 ৬০ বছর বয়সী সাবেক ব্যবসায়ী ইননোসেন্টে মার্কোলিনি এ মামলাটি দায়ের করেছিলেন। মামলার আরজিতে তিনি বলেন, “দিনে প্রায় ছয় ঘণ্টা করে ১২ বছর ধরে মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে তার মস্তিষ্কে টিউমার হয়েছে। ফলে তার মুখমণ্ডল আংশিকভাবে অবশ হয়ে গেছে।”

শুনানির পর ইতালির কোর্ট তার রায়ে বলেন, “মস্তিষ্কে ক্যান্সারের সঙ্গে মোবাইল ফোন ব্যবহারের একটি সম্পর্ক আছে।” ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক অ্যানজিনো জিনো লেভিস আদালতে এ মামলার পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি এ রায়কে 'অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ' হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “বিদ্যুত-চৌম্বকীয় তরঙ্গমালা ও টিউমার হওয়ার মধ্যে সম্পর্কের কথা এ রায়ের মাধ্যমে মেনে নেয়া হলো।”

মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে এ বক্তব্যের বিরোধিতা করে আসছে এবং তাদের বক্তব্য প্রমাণ করার জন্য অনেক গবেষণায় তহবিলের জোগানও দিয়েছে বলে জানান তিনি। অধ্যাপক লেভিস আরো বলেন, মোবাইল ফোন ব্যবহার মস্তিষ্কে টিউমার হওয়ার আশঙ্কা যে বাড়িয়ে দেয়, এ রায়ের মাধ্যমে সে কথাই প্রমাণিত হলো।

নজির সৃষ্টিকারী এ রায়ের পথ ধরে আরো হাজার হাজার মামলা শুরু হতে পারে বলে আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর আগে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানের তালিকায় মোবাইল ফোনের নাম লিপিবদ্ধ করেছে। সূত্র: রেডিও তেহরান

দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীতে কোরবানির আমেজ

দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীতে কোরবানির আমেজ

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীর অনেক অলিগলিতে দেয়া হয়েছে পশু কোরবানি। শহর ঘুরে দেখা যায়, অনেক এলাকাতেই কোরবানির আমেজ কাটেনি এখনও।

গতকাল ঈদের দিনেও বিভিন্ন হাটে কোরবানিকে কেন্দ্র করে বেপারিদের পশু বিক্রি করতে দেখা গেছে।

সকাল থেকেই ধানমন্ডি, আদাবর, মিরপুর, কাফরুল, গাবতলী, পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার, তাঁতীবাজার. নয়াটোলা, আরমানীটোলা, সদরঘাট ঘুরে দেখা যায়, ঈদের দ্বিতীয় দিনেও পশুর কোরবানি দেয়া হচ্ছে।

পুরান ঢাকায় আদি ঐতিহ্য হিসেবেই পশু কোরবানির রেওয়াজ থাকায় রাজধানীর অন্য এলাকার চেয়ে এদিন ঈদের আমেজ ছিল ভিন্ন রকম।

পুরান ঢাকার নাসির মোল্লা আজ রোববার সকালে তার পশু কোরবানি দিয়েছেন। তিনি জানান, “ঈদের দিন পশু কোরবানি দিতে হলে অতিরিক্ত চাপ নিতে হয়। কসাই ও লোকবলের অভাব থাকে। তাই আজ কোরবানি দিয়েছি।”

ধানমন্ডি পাঁচ নম্বরের আফজাল চৌধুরী আজ সকালে তার কেনা পাঁচটি গরুর মধ্যে তিনটি গরু কোরবানি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “ ঈদের দিন দুটি গরু কোরবানি করে গরিব-দুখী মানুষদের মাঝে মাংস বণ্টন করেছি। আজ কোরবানি দেয়া গরুর মাংসের অর্ধেক অংশ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বণ্টন করব। নিজেদের জন্য বাকি অর্ধেক রেখে দেব।”

তিনি আরো বলেন, “ ঈদের দিন কোরবানি দেয়াটা বেশ কষ্টসাধ্য। জবাই দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত মানুষ পাওয়া যায় না। তাই ঈদের দ্বিতীয় দিনেই জবাই দেয়াটা সুবিধাজনক।”

সরকার ধর্ম ও ধর্মীয় অনুভূতিতে কোনো আঘাত পছন্দ করে না: প্রধানমন্ত্রী

সরকার ধর্ম ও ধর্মীয় অনুভূতিতে কোনো আঘাত পছন্দ করে না: প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী বলে তার সরকার ধর্ম, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে কোনো প্রকার আঘাত পছন্দ করে না।
তিনি বলেন, আমরা ধর্ম, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় অনুভূতিতে কোনো ধরনের আঘাত দেখতে চাই না। আমরা চাই সকল ধর্মের মানুষ অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে।
প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে রোববার সকালে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কাল তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা আরো বলেন, সম্প্রতি রামু ও উখিয়ায় বৌদ্ধ পল্লীতে হামলার তদন্ত চলছে এবং ওই হামলার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের ধরা হবে এবং উপযুক্ত শাস্তি দেয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে ২৯ সেপ্টেম্বর সংঘটিত বর্বরোচিত ওই ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, কোনোভাবেই এটা বিশ্বাস করা যায় না যে এ ধরনের অমানবিক ঘটনাও ঘটতে পারে।
তিনি বলেন, “আমার প্রশ্ন হলো কারা কোন উদ্দেশ্যে এই পৈশাচিক ঘটনা ঘটালো।”
শেখ হাসিনা বলেন, সকল ধর্মেই মানবিক বিষয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। শান্তির বার্তা রয়েছে এবং একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধার কথা বলা হয়েছে। তিনি বলেন, “কিন্তু মাঝে মধ্যে আমাদের সমাজে এ ধরনের আত্মঘাতী ঘটনা ঘটে যে পথ ধরে আসে অশান্তি এবং এখানে কোনো ভ্রাতৃত্ববোধ থাকে না।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে বৌদ্ধ মন্দির ও ঘরবাড়িতে হামলার মধ্যদিয়ে এ দেশের হাজার বছরের ধর্মীয় সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্য বিনষ্ট হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমাদের দেশের হাজার বছরের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্য রয়েছে। কিন্তু কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বৌদ্ধ মন্দির ও ঘরবাড়িতে হামলা চালিয়ে তা বিনষ্ট করা হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, সংঘনায়ক সুদ্ধানন্দ মহাথেরো, সংঘরাজ ধর্মসেন মহাথেরো, বৌদ্ধ ফেডারেশনের সভাপতি বিশ্বপতি বড়–য়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির মহাসচিব অজিত রঞ্জন বড়–য়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের মহাসচিব ও আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য অধ্যাপক কনক কুমার বড়–য়া, বৌদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্টের সহ-সভাপতি সজল তালুকদার বড়–য়া ও ঢাকা আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রীমাত ধর্মমিত্র মহাথেরোও বক্তৃতা করেন।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া ও বৌদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সুপ্তা ভূষণ বড়ুয়া। সূত্র: বাসস

Sunday, October 28, 2012

আইনশৃঙ্খলায় বাধা দিলে সর্বক্ষমতা দিয়ে প্রতিহত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী :

আইনশৃঙ্খলায় বাধা দিলে সর্বক্ষমতা দিয়ে প্রতিহত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী :
বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, ‘যদি কোনো দল বা বিশেষ গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে বাধার সৃষ্টি করে, তাহলে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে প্রতিহত করা হবে।’

রোববার চাঁদপুরের কচুয়া বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে যুবলীগের প্রতিনিধি সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,  এই দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। তাহলেই এ দেশকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, দলকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াতসহ সব অপশক্তির বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।

কচুয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি-সাহিত্যিক বোরহানউদ্দীন খান জাহাঙ্গীর, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, জেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বিল্লাল।

স্কটল্যান্ডে ইউনিভার্সিটি চ্যান্সেলর হলেন ড. ইউনূস :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

স্কটল্যান্ডে ইউনিভার্সিটি চ্যান্সেলর হলেন ড. ইউনূস :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো ক্যালেডোনিয়ান ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর নিযুক্ত হয়েছেন। শুক্রবার ইউনিভার্সিটির সলটায়ার সেন্টারে জাকজমকপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে এ দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।

ঢাকার ইউনূস সেন্টার গতকাল এক বিবৃতিতে এ খবর জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে প্রায় সাড়ে তিনশ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথি উপস্থিত ছিলেন।  এর আগে নতুন চ্যান্সেলর ড. ইউনূস, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক পোশাক পরে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করেন।

দায়িত্ব নেওয়ার পর ড. ইউনূস বলেন, “চ্যান্সেলর হিসেবে আমি আমার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করব। এর মধ্য দিয়ে তরুণদের সঙ্গে কাজ করার আরও সুযোগ তৈরি হলো।”

তিনি বলেন, তিনি যা করেছেন তা নতুন কিছু নয় এবং তরুণ প্রজন্ম চেষ্টা করলেই তা করতে পারে।

গ্লাসগো ক্যালেডোনিয়ান ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর পামেলা গিলিস একে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “আমার বিশ্বাস ড. ইউনূসের নেতৃত্ব আমাদের প্রতিষ্ঠানকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

অনুষ্ঠানে ড. ইউনূসের কন্যা অপেরা গায়িকা মনিকা ইউনূসও ছিলেন। অনুষ্ঠানে তিনি গান পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন স্কটল্যান্ডের শিক্ষামন্ত্রী মাইক রাসেল এবং স্টুডেন্ট প্রেসিডেন্ট কারলা ফাইফে।

এর আগে ২০০৮ সালে মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডি লিট দিয়েছিল এই ইউনিভার্সিটি।

বিবৃতিতে জানা গেছে, গত জুনে মাসে ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর পামেলা গিলিসের আহ্বানে এর চ্যান্সেলর পদ নিতে সম্মত হন ড. ইউনূস।

টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার

টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার
 মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে নতুন করে শুরু হওয়া জাতিগত দাঙ্গার সূত্র ধরে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। বিশেষত টেকনাফের নাফ নদী থেকে সেন্টমার্টিন সমুদ্র উপকূল পর্যন্ত বিজিবির পাশাপাশি কোস্টগার্ডের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতার কারণে আরাকানের রোহিঙ্গারা যাতে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বিজিবি এবং কোস্টগার্ডকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।
গত সপ্তাহের রোববার থেকে আরাকানের চকপো, পাত্তরখিল্যা, ম্রো, মিনবাউসহ কয়েক টাউনশিপে নতুন করে জাতিগত দাঙ্গা শুরু হয়। এ সময় রোহিঙ্গাদের শত শত বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ হামলা ও লুটপাট করা হয়। এসব হামলায় বাস্তুচ্যুত হয়ে শত শত রোহিঙ্গা ছোট বড় ইঞ্জিন নৌকা করে বাংলাদেশের দিকে পালিয়ে আসার চেষ্টা করে।
এসব রোহিঙ্গারা যাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন, পুলিশ-বিজিবি এবং কোস্টগার্ড সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ নজরদারির ব্যবস্থা করেছে।
বিজিবি টেকনাফের ৪২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জাহিদ হাসান রোববার সকালে টেকনাফের নাফনদীর শাহপরীর দ্বীপ পয়েন্ট থেকে সেন্টমার্টিন উপকূল পর্যন্ত নিজেই বিজিবির টহল পরিচালনা করেন।
সন্ধ্যায় তিনি জানান, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নাফনদীল মোহনা থেকে সেন্টমার্টিন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের নিয়ে কোনো নৌযানকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় দেখা যায়নি।
তিনি আরো জানান, সাগরপথে কোনোভাবেই যাতে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে বিজিবি এবং কোস্টগার্ড। এ ব্যাপারে টেকনাফে বিজিবির জনবলও বাড়ানো হয়েছে।
অপরদিকে উখিয়ার বালুখালী, ঘুমধুম এবং নাইক্ষ্যংছড়ির তমব্রু সীমান্ত দিয়ে গতকাল ১০ জন এবং আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত ২০ জন রোহিঙ্গাকে অনুপ্রবেশকালে আটক করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি।
কক্সবাজারের বিজিবি ১৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল খালেকুজ্জামান জানান, অনুপ্রবেশের এ চেষ্টাটি স্বাভাবিক ঘটনা। আরাকানে নতুন করে সহিংসতার পর উখিয়া এবং নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা শান্ত থাকলেও বিজিবির টহলদলকে জোরদার রাখা হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের জরুরি ত্রাণ প্রয়োজন: জাতিসংঘ

রোহিঙ্গাদের জরুরি ত্রাণ প্রয়োজন: জাতিসংঘ

মিয়ানমারে বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গা মুসলিমদের মধ্যে নতুন করে দাঙ্গা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ বলছে, এই সহিংসতায় বাস্তচ্যুত হাজার হাজার মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণসাহায্য দরকার।
মিয়ানমার সরকারের হিসাবেই জুন মাসে দাঙ্গা শুরুর পর থেকে ২০ হাজারের মতো লোক গৃহহীন হয়েছে। তবে জাতিসংঘের হিসাবে গৃহহীনের সংখ্যা অন্ত লাখখানেক, যাদের সিংহভাগই রোহিঙ্গা মুসলিম।

পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে সর্বশেষ এই সহিংসতায় আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি বাড়িঘর। শরণার্থীদের বেশির ভাগই আশ্রয় নিয়েছে অস্থায়ী ক্যাম্প, নৌকা, বিভিন্ন দ্বীপ ও পাহাড়ের চূড়ায়।

সরকারি প্রতিনিধি দলের সাথে শনিবার এসব এলাকা সফরে গিয়ে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা বলছেন যে, তাদের এখন জরুরি  ত্রাণসাহায্য প্রয়োজন।

মিয়ানমারে জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণবিষয়ক প্রধান আশোক নিগম বলছেন, প্রকৃত শরণার্থীর সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে।

কোনো কোনো খবরে বলা হচ্ছে, এদের কেউ কেউ সাগরে ডুবে মারা গেছেন, আবার কেউ কেউ নিখোঁজ।

আশোক নিগম বলেছেন, পরিস্থিতি খুবই গুরুতর এবং তাদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কাজটাই এখন সবচে বড় চ্যালেঞ্জ।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করার পর মিয়ানমারে  জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার প্রতিনিধি হান্স টেড ফেল্ড বিবিসিকে বলছেন, “জরুরি ভিত্তিতে যা করা দরকার সেটা হচ্ছে তাদের জন্যে খাবার-দাবার ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা। তাদের কাছে অন্যান্য সামগ্রীও পৌঁছাতে হবে। কারণ আগুনে তারা সবকিছু হারিয়ে ফেলেছে।”

এদিকে, মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্য সরকারের মুখপাত্র দাবি করছেন পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে।
তবে রাজধানী সিতওয়েতে নতুন করে কোনো শরণার্থীকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

এর আগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পক্ষ থেকে বলা হয়, সবশেষ এই সহিংসতায় উপকূলীয় চাওপিউ শহরের রোহিঙ্গা মুসলিম-অধ্যুষিত একটি এলাকার পুরোটাই ধ্বংস হয়ে গেছে। সংস্থাটি স্যাটেলাইট থেকে তোলা ওই এলাকার ছবিও প্রকাশ করেছে।

মিয়ানমারে প্রেসিডেন্টের একজন মুখপাত্র বিবিসির কাছে ওই ছবির সত্যতা স্বীকার করেছেন।

গত জুন মাস থেকে এই সহিংসতা শুরু হয় যাতে এ পর্যন্ত এক লাখের মতো মানুষ উদ্ধাস্ত হয়েছে। এদের প্রায় সকলেই রোহিঙ্গা মুসলিম।
সরকারও স্বীকার করেছে যে সহিংসতায় ৮০ জনের মতো নিহত হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ চেষ্টা, ৬০ জনকে ফেরত ::

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ চেষ্টা, ৬০ জনকে ফেরত 
 মিয়ানমারে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের নতুন করে শুরু হওয়া দাঙ্গায় এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৮২ জন মারা গেছে। এছাড়া অগ্নিসংযোগে অন্তত ২০ হাজার রোহিঙ্গা গৃহহীন হয়ে পড়েছে। সহিংসতায় উপকূলীয় চাওপিউ শহরের রোহিঙ্গা মুসলিম-অধ্যুষিত একটি এলাকার পুরোটাই ধ্বংস হয়ে গেছে।

দাঙ্গা শুরুর পর থেকেই ট্রলার ও নৌকায় করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে দুর্ভাগ্যতবলিত রোহিঙ্গারা। গত দুই দিনে টেকনাফ ও উখিয়া থেকে ৬০ জনকে আটক করে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

দেশ টিভির টেকনাফ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, শনিবার গভীর রাতে বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৩ হাজার রোহিঙ্গা ৪০টি ট্রলারে করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি ও কোস্টগার্ডের বাধায় পরে তারা ফিরে যায়।
গত দুই দিনে টেকনাফের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে কমপক্ষে ৬০ জনকে আটক করা হয়েছে। এর পর তাদের ফেরত পাঠানো হয়।

মিয়ানমারে পশ্চিমাঞ্চলে রাখাইন ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে সহিংসতায় হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন বলেন, মিয়ানমারে নতুন করে জাতিগত দাঙ্গা শুরু হলেও কোনো রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ অনুপ্রবেশের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। সরকারের শীর্ষ মহলের নির্দেশে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ সাগরে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশকে সতর্ক প্রহরায় রয়েছে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে টেকনাফের নয়াপাড়া ও উখিয়ার কুতুপালং পাহাড়ে প্রায় ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বাস করছে। এছাড়া সরকারি পাহাড় দখল করে বসবাস করছে আরো দুই লাখের বেশি রোহিঙ্গা। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন তাদের বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে সববাসের সুযোগ করে দিতে সরকারকে চাপ দিয়ে আসছে।
গত মে মাসে একজন বৌদ্ধ নারীকে কয়েকজন মুসলমান ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। সহিংসতায় প্রায় ৮০ জন নিহত এবং হাজার হাজার মানুষ তাদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়েছিল।

সে সময় পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও সেখানে এক ধরনের চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে রোববার থেকে দেশটিতে আবারো জাতিগত সহিংসতা শুরু হয়।সূত্র: বিবিসি ও দেশ টিভি।

চামড়ার প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না মৌসুমি ব্যবসায়ীরা :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

চামড়ার প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ::

চামড়ার প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগের তীর ট্যানারি মালিকদের দিকে। মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ট্যানারি মালিকরা সিন্ডিকেট করে চামড়ার দাম কমিয়ে দিয়েছে যাতে তারা বাজার থেকে কম দামে চামড়া কিনতে পারে।

ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর সাইন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে ঈদের দিন ও ঈদের পর দিন চামড়া কেনাবেচা হয়। সেখানে সরেজমিনে গিয়ে এ তথ্য জানা যায়।

এদিকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানান, ট্যানারি মালিকদের কিছু ফড়িয়া আছে। তারা এগুলোর সঙ্গে যুক্ত। তাদের দিয়ে ইচ্ছে করে এগুলো করানো হয়।

এ ব্যাপারে মিরপুর থেকে আসা মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী আরিফুর রহমান বলেন, অনেক বেশি দামে এলাকা থেকে চামড়া কিনেছি। অথচ এরা যা দাম বলছে তাতে লাভ দূরে থাক, চালানও উঠবে না। তিনি বলেন, আমরা ২ হাজার আড়াই হাজার টাকা দিয়েও চামড়া কিনেছি কিন্তু এখানে সিন্ডিকেট করে গড়ে ১ হাজার ৬০০ টাকার উপড়ে কেউ চামড়ার দাম বলছে না।

এ সময় হাজারীবাগ থেকে চামড়া নিয়ে আসা সাজ্জাদ কবির বলেন, প্রতি বছর আমাদের চামড়া কেনার একটি দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয় কিন্তু এ বছর তা নির্ধারণ করা হয়নি। এর দরুন আমরা আগের বছরের দাম দিয়ে চামড়া কিনেছি।

চামড়ার দাম আছে কিন্তু ট্যানারি মালিকরা ইচ্ছে করে বাজার ফেলছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।


এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ট্যানারি মালিক আদনান করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদনান রহমান প্রিন্স মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ট্যানারি মালিকদের কোনো সিন্ডিকেট নেই। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দাম কম। এ কারণে আমরাও দাম দিয়ে চামড়া  কিনতে পারছি না।

তিনি আরো বলেন, না বুঝে কেউ চামড়া কিনলে তাকে ক্ষতি স্বীকার হতে হবে। কারণ এ বছর আমরা আগে থেকেই জানিয়েছি যে, বাজার ভালো হবে না।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে পর্যাপ্ত ঋণ না পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা চামড়ার মজুদ আগের মতো করতে পারবেন না বলে তিনি মনে করেন। তাই সব কিছু মিলিয়ে চামড়ার বাজার আগের বছরের চেয়ে কিছুটা খারাপ রয়েছে বলে তিনি জানান।
তবে অন্য একটি সূত্র মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা থাকার পরও আমাদের দেশে চামড়ার বাজার ভালো আছে।

গাছের চূড়ায় নারিকেলের অঙ্কুরোদ্গম

গাছের চূড়ায় নারিকেলের অঙ্কুরোদ্গম

 

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় গাছের চূড়াতেই নারিকেলের অঙ্কুরোদগম হয়েছে! এই গাছের মালিক মিরসরাই থানা।
মিরসরাই থানার উত্তর সীমানার নারিকেল গাছগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে অনেক নারিকেল পেকে ঝুলে আছে। কয়েকটি গাছে ৫০ থেকে ১০০টি পর্যন্ত নারিকেল পেকে আছে। এছাড়া গাছগুলো  অযত্নে-অবহেলায় ভুতুড়ে হয়ে আছে।
এই অবহেলার মধ্যে প্রায় ৩০ ফুট দীর্ঘ একটি নারিকেল গাছের চূড়ার একটি নারকেলে অঙ্কুরোদগম হয়েছে। সেখানে চারা হয়ে বেড়ে উঠছে। কিন্তু এই চারার ভবিষ্যৎ কী?

 

ভারতে ৬ মাস কারাভোগের পর ৬ বাংলাদেশীকে ফেরত ::


ভারতে ৬ মাস কারাভোগের পর ৬ বাংলাদেশীকে ফেরত :: 

দীর্ঘ ছয় মাস ভারতে কারাভোগের পর শনিবার রাতে শিশুসহ ছয় বাংলাদেশী নারী-পুরুষকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় বিএসএফ। বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান জানান, নড়াইল জেলার শিশুসহ ছয় নারী-পুরুষ ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে ভারতে যান। ভারতের ব্যাঙ্গালোর শহরে যাওয়ার পর সেখানকার পুলিশ তাদের আটক করে। পরে ব্যাঙ্গালোর সেন্ট্রাল জেলে দীর্ঘ ছয় মাস কারাভোগের পর সাজার মেয়াদ শেষ হলে ভারত সরকার তাদের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। ফেরত আসা নারী পুরুষরা হলেন আজম শিকদার (২৫), রেশমা (২২), মান্নান সরদার (৩৮), সনিয়া (২৫), লামিয়া (৯) ও রাবেয়া (২৫)।

মহিলা টি-২০ এশিয়া কাপের সেমিতে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা

মহিলা টি-২০ এশিয়া কাপের সেমিতে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা

 মহিলা টি-২০ এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ওঠেছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। শনিবার গ্রুপ এ-তে থাকা পাকিস্তান মহিলা ক্রিকেট দল ১৪২ রানের বিশাল ব্যবধানে হংকং মহিলা দলকে পরাজিত করে। এর ফলে ২ খেলায় ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান। এর আগে এই গ্রুপ থেকে ভারত ২ খেলার দুটিতে জয়ী হয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে উন্নীত হয়।

অপরদিকে গ্রুপ-বি থেকে সেমিফাইনালে ওঠেছে শ্রীলঙ্কা। শনিবার গ্রুপ-বি ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ৯ উইকেটে চায়না মহিলা দলকে পরাজিত করে দুই খেলার দুটিতে জয়ী হয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেমির টিকিট পায়। এর আগে এই গ্রুপ থেকে বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দল দুই খেলার দুটিতে জয়ী হয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে।

শনিবার গুয়াংগং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গ্রুপ-বির ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে পাত্তাই পায়নি চায়না মহিলা ক্রিকেট দল।

টসে জিতে শ্রীলঙ্কা চায়নাকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায়। ক্রিকেট বিশ্বে নতুন দল হিসেবে চায়না অবশ্যই কৃতিত্ব দাবি করতে পারে। কারণ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পুরো ২০ ওভার ব্যাট করেছে তারা। লঙ্কান প্রমিলা ক্রিকেটাররা তাদের অলআউট করতে পারেনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে চায়নার সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৫২ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা মাত্র ৫.৩ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৫৪ রান স্কোরবোর্ডে জমা করলে ৯ উইকেটে জয়ী হয় শ্রীলঙ্কা।

অপরদিকে একই মাঠে গ্রুপ-এ’র ম্যাচে হংকং মহিলা ক্রিকেট দলের বিপক্ষে পাকিস্তান মহিলা ক্রিকেট দল টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে করে ১৫৭ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নামা হংকং মহিলা দল মাত্র ১৫ রানে গুটিয়ে গেলে ১৪২ রানের বড় জয় পায় পাকিস্তান। হংকংয়ের সাতজন ব্যাটসম্যান রানের খাতা খুলতে পারেননি। ১৫ রানের মধ্যে অতিরিক্ত থেকে আসে ৯ রান। বাকি চার ব্যাটসম্যান মিলে করেন ৬ রান।