নিয়মিত বিনোদন সম্ভার হিসেবে চার্লি চ্যাপলিনের ছবি আমাদের কাছে খুব
আদরের বস্তু। ভাষা নিজের ভাব প্রকাশ করার উল্লেখযোগ্য একটি মাধ্যম। তবে এটা
প্রমাণিত যে- মানুষ মুখে বলে যা প্রকাশ করে তার চেয়ে অনেক বেশি প্রকাশ করে
না বলে। নিরবতাই কখনো কখনো হয়ে উঠতে পারে প্রতিবাদের ভাষা। আর কে-না জানি
আবেগ প্রকাশের ক্ষেত্রে মুখের ভাষার চেয়ে মোক্ষম চোখের ভাষা-ঠিক তেমনি। কেউ
তার ছবিগুলো না দেখে থাকলে এখনি জেনে নিন তার উল্লেখযোগ্য ছবিগুলোর নাম
এবং দেখে ফেলুন।
দ্য গোল্ড রাশ: চার্লি চ্যাপলিনের ছবিগুলোর মধ্যে ‘দ্য গোল্ড রাশ’ উল্লেখযোগ্য মনোরম একটি ছবি। কমেডি হলেও ভক্ত ও সমালোচক দুধরনের দর্শক দ্বারাই এই ছবি সমাদৃত হয়েছে। এই নির্বাক ছবির অরিজিনাল রিলিজ হয় ১৯২৫ সালে। নতুন ভার্সন রিলিজ হয় ১৯৪২ সালে।
মডার্ন টাইমস্: কিছু কিছু সৃষ্টি কখনো বিম্মৃত হয় না। যে কোনো প্রজন্মের কাছেই সমানভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায়। আমরা যাকে বলি এভারগ্রীণ, চার্লি চ্যাপলিনের মডার্ন টাইমস্ ছবিটি ঠিক তেমনই একটি ছবি। ১৯৩৬ সালে ছবিটি মুক্তি পায়।
মসিঁয়ে ভারডক্স: চার্লি চ্যাপলিনের ছবিগুলোর মধ্যে মসিঁয়ে ভারডস্ক ছবিটি চলচ্চিত্র জগতে রীতিমতো একটি রত্নখঁচিত জায়গা দখল করে আছে। এই ছবিতে একজন বেকারের করুন জীবন কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। এই বেকারত্বের পেছনে আছে রাষ্ট্রীয় কিছু নীতিগত অসামঞ্জস্যতা। ছবিতে বিষয়টি দুর্দান্তভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ১৯৪৭ সালে মসিঁয়ে ভারডক্স মুক্তি পায়।
দ্য কিড: ‘দ্য কিড’ চার্লি চ্যাপলিনের প্রথম পূর্ণ দৈঘ্য ছবি। ছবিটির কাহিনী বর্ণিত হয় চার্লির দত্তক পূত্র সন্তানকে ঘিরে। ১৯২১ সালে ছবিটি মুক্তি পায় এবং মুক্তির পরপরই অস্বাভাবিক ব্যবসা সফল হয়। কমেডি ও ড্রামার কারণে ‘দ্য কিড’ তখন ফেনোমেনালে পরিণত করে। ছবিতে অভিনয়কারী শিশুর অভিনয় শৈলী ব্যাপক সমাদৃত হয়।
দ্য গ্রেট ডিকটেটর: চার্লি চ্যাপলিন ক্ষুরধার লেখনি এবং গতানুগতিক থেকে ব্যতিক্রম পছন্দ করতেন। যেখানে সর্বত্র কথার ঝাপি খুলে সবাই বসে আছে সেখানে চার্লি অনুভুতি প্রকাশ করতেন কথা না বলে। কিন্তু এই প্রথম চার্লি চ্যাপলিন অভিনয় করলেন ভাষা ব্যবহার করে। ‘দ্য গ্রেট ডিকটেটর’ ছবির নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে এই ছবির বিষয়বস্তু এডলফ হিটলার ও তার ফ্যাসিজম নিয়ে। কমেডির মাধ্যমে এই ছবিতে এন্টি-ফ্যাসিজমের মেসেজ দেয়া হয়েছে। আমেরিকা যখন জার্মানির সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে উন্মুখ ঠিক সেসময় ১৯৪০ সালে মুক্তি পাওয়া চার্লির এই ছবিটি রীতিমত অ্যাটম বোম্ব ফাটিয়েছিল।
দ্য সারকাস: ১৯২৮ সালে মুক্তি পাওয়া দ্য সারকাস একটি নির্বাক কমেডি ছবি। দর্শকদের মনোরঞ্জনের জন্য সার্কাসের পরিচালক একটি জোকার ভাঁড়া করে আনে। এই জোকারকে কেন্দ্র করে মজাদার সব কাহিনী ঘটতে থাকে। সমালোচকদের দৃষ্টিতে ‘দ্য সারকাস’ ছবির অন্তরালে চার্লির নিজের জীবন কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। একইভাবে ‘দ্য গোল্ড রাশ’ ছবির কাহিনীও চার্লির নিজের জীবনের সঙ্গে মিলে যায়।
এ ওম্যান অব প্যারিস: এই ছবিতে চার্লি চ্যাপলিন নিজেকে ভেঙ্গে একেবারে নতুনভাবে আবির্ভুত হয়েছেন। এখানে চার্লি তার ট্র্যাডিশনাল চরিত্রের বাইরে অভিনয় করেছেন। সীমাবদ্ধতা থেকে বের হয়ে এসেছেন। ১৯২৩ সালে ছবিটি মুক্তি পায়। ছবিটি সমালোচকদের কাছে তুমুল সমাদৃত হলেও কোনো অজানা কারণে দর্শকপ্রিয়তা পায়নি। হয়তো পরিচিত অবয়ব থেকে বাইরে আসার কারণেই চার্লি দর্শক গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছিলেন।
এ কিং ইন নিউইয়র্ক: ছবটি মুক্তি পায় ১৯৫৭ সালে। এই ছবির কমেডির ভেতরের গুঢ় অর্থ হলো বিদ্রুপাত্মক। আন্তজাতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মানানসই এই ছবির সাফল্য মুক্তির ৫৫ বছর পরেও একই রকম আছে
সিটি লাইফ: ১৯৩১ সালে মুক্তি পাওয়া সিটি লাইফ ছবিটি চার্লি চ্যাপলিনের উল্লেখযোগ্য সৃজনশীল কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই ছবির কাহিনী লেখা এবং পরিচালনা দুটোই চার্লির করা। এখানে অন্য ছবিগুলোর মতোই হাস্যরসের কোনো কমতি নেই তবে এই ছবির প্রতিটা সিকোয়েন্স অর্থবোধক। দর্শকদের কাছে ছবির প্রসংশিত হয়।
দ্য পিলগ্রিম: ১৯২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য পিলগ্রিম’ চার্লির আরেকটি অনবদ্য একটি নির্বাক ছবি। কাহিনী লেখা এবং পরিচালনায় চার্লি নিজেই করেছেন। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন চার্লি নিজেই, শেষের দিকে এসেছেন অভিনেতা এডনা পারভিয়েন্স। এই ছবিতে চার্লির পারফর্মেন্স ভক্ত দর্শক থেকে শুরু করে সমালোচক নির্বিশেষে গ্রহণ করে।
দ্য গোল্ড রাশ: চার্লি চ্যাপলিনের ছবিগুলোর মধ্যে ‘দ্য গোল্ড রাশ’ উল্লেখযোগ্য মনোরম একটি ছবি। কমেডি হলেও ভক্ত ও সমালোচক দুধরনের দর্শক দ্বারাই এই ছবি সমাদৃত হয়েছে। এই নির্বাক ছবির অরিজিনাল রিলিজ হয় ১৯২৫ সালে। নতুন ভার্সন রিলিজ হয় ১৯৪২ সালে।
মডার্ন টাইমস্: কিছু কিছু সৃষ্টি কখনো বিম্মৃত হয় না। যে কোনো প্রজন্মের কাছেই সমানভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায়। আমরা যাকে বলি এভারগ্রীণ, চার্লি চ্যাপলিনের মডার্ন টাইমস্ ছবিটি ঠিক তেমনই একটি ছবি। ১৯৩৬ সালে ছবিটি মুক্তি পায়।
মসিঁয়ে ভারডক্স: চার্লি চ্যাপলিনের ছবিগুলোর মধ্যে মসিঁয়ে ভারডস্ক ছবিটি চলচ্চিত্র জগতে রীতিমতো একটি রত্নখঁচিত জায়গা দখল করে আছে। এই ছবিতে একজন বেকারের করুন জীবন কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। এই বেকারত্বের পেছনে আছে রাষ্ট্রীয় কিছু নীতিগত অসামঞ্জস্যতা। ছবিতে বিষয়টি দুর্দান্তভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ১৯৪৭ সালে মসিঁয়ে ভারডক্স মুক্তি পায়।
দ্য কিড: ‘দ্য কিড’ চার্লি চ্যাপলিনের প্রথম পূর্ণ দৈঘ্য ছবি। ছবিটির কাহিনী বর্ণিত হয় চার্লির দত্তক পূত্র সন্তানকে ঘিরে। ১৯২১ সালে ছবিটি মুক্তি পায় এবং মুক্তির পরপরই অস্বাভাবিক ব্যবসা সফল হয়। কমেডি ও ড্রামার কারণে ‘দ্য কিড’ তখন ফেনোমেনালে পরিণত করে। ছবিতে অভিনয়কারী শিশুর অভিনয় শৈলী ব্যাপক সমাদৃত হয়।
দ্য গ্রেট ডিকটেটর: চার্লি চ্যাপলিন ক্ষুরধার লেখনি এবং গতানুগতিক থেকে ব্যতিক্রম পছন্দ করতেন। যেখানে সর্বত্র কথার ঝাপি খুলে সবাই বসে আছে সেখানে চার্লি অনুভুতি প্রকাশ করতেন কথা না বলে। কিন্তু এই প্রথম চার্লি চ্যাপলিন অভিনয় করলেন ভাষা ব্যবহার করে। ‘দ্য গ্রেট ডিকটেটর’ ছবির নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে এই ছবির বিষয়বস্তু এডলফ হিটলার ও তার ফ্যাসিজম নিয়ে। কমেডির মাধ্যমে এই ছবিতে এন্টি-ফ্যাসিজমের মেসেজ দেয়া হয়েছে। আমেরিকা যখন জার্মানির সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে উন্মুখ ঠিক সেসময় ১৯৪০ সালে মুক্তি পাওয়া চার্লির এই ছবিটি রীতিমত অ্যাটম বোম্ব ফাটিয়েছিল।
দ্য সারকাস: ১৯২৮ সালে মুক্তি পাওয়া দ্য সারকাস একটি নির্বাক কমেডি ছবি। দর্শকদের মনোরঞ্জনের জন্য সার্কাসের পরিচালক একটি জোকার ভাঁড়া করে আনে। এই জোকারকে কেন্দ্র করে মজাদার সব কাহিনী ঘটতে থাকে। সমালোচকদের দৃষ্টিতে ‘দ্য সারকাস’ ছবির অন্তরালে চার্লির নিজের জীবন কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। একইভাবে ‘দ্য গোল্ড রাশ’ ছবির কাহিনীও চার্লির নিজের জীবনের সঙ্গে মিলে যায়।
এ ওম্যান অব প্যারিস: এই ছবিতে চার্লি চ্যাপলিন নিজেকে ভেঙ্গে একেবারে নতুনভাবে আবির্ভুত হয়েছেন। এখানে চার্লি তার ট্র্যাডিশনাল চরিত্রের বাইরে অভিনয় করেছেন। সীমাবদ্ধতা থেকে বের হয়ে এসেছেন। ১৯২৩ সালে ছবিটি মুক্তি পায়। ছবিটি সমালোচকদের কাছে তুমুল সমাদৃত হলেও কোনো অজানা কারণে দর্শকপ্রিয়তা পায়নি। হয়তো পরিচিত অবয়ব থেকে বাইরে আসার কারণেই চার্লি দর্শক গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছিলেন।
এ কিং ইন নিউইয়র্ক: ছবটি মুক্তি পায় ১৯৫৭ সালে। এই ছবির কমেডির ভেতরের গুঢ় অর্থ হলো বিদ্রুপাত্মক। আন্তজাতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মানানসই এই ছবির সাফল্য মুক্তির ৫৫ বছর পরেও একই রকম আছে
সিটি লাইফ: ১৯৩১ সালে মুক্তি পাওয়া সিটি লাইফ ছবিটি চার্লি চ্যাপলিনের উল্লেখযোগ্য সৃজনশীল কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই ছবির কাহিনী লেখা এবং পরিচালনা দুটোই চার্লির করা। এখানে অন্য ছবিগুলোর মতোই হাস্যরসের কোনো কমতি নেই তবে এই ছবির প্রতিটা সিকোয়েন্স অর্থবোধক। দর্শকদের কাছে ছবির প্রসংশিত হয়।
দ্য পিলগ্রিম: ১৯২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য পিলগ্রিম’ চার্লির আরেকটি অনবদ্য একটি নির্বাক ছবি। কাহিনী লেখা এবং পরিচালনায় চার্লি নিজেই করেছেন। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন চার্লি নিজেই, শেষের দিকে এসেছেন অভিনেতা এডনা পারভিয়েন্স। এই ছবিতে চার্লির পারফর্মেন্স ভক্ত দর্শক থেকে শুরু করে সমালোচক নির্বিশেষে গ্রহণ করে।


















