Pages

Saturday, November 3, 2012

শ্বাস দিয়ে বাঁচানো হল কচ্ছপের জীবন

শ্বাস দিয়ে বাঁচানো হল কচ্ছপের জীবন

 যুক্তরাজ্যের এক ডাক্তারের ত্বরিত সিদ্ধান্তে বেঁচে গেছে আট বছর বয়সী একটি কচ্ছপের জীবন। পোষা কচ্ছপটির শ্বাস-প্রশ্বাস হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে প্রথমে আবেগতাড়িত হয়ে গেলেও দ্রুতই নিজেকে সামলে নেন তিনি। তারপরই শুরু করে দেন মুখ থেকে মুখে শ্বাস দেয়ার কাজ। টানা ছয় মিনিট শ্বাস দেয়ার পর কচ্ছপটির শ্বাস-প্রশ্বাস চালু হয়।

মহত এই ডাক্তারের নাম বেন ওয়াটারফল। থাকেন উত্তর ডেভনে। বাড়ির পোষা কচ্ছপ ‘এটলাস’ তার খুব প্রিয়। সেদিন তিনি বাইরে থেকে ফিরে এসে দেখেন পানির চৌবাচ্চা থেকে বের হয়ে পড়েছে এটলাস। কাছে গিয়ে দেখেন এটা মরার মতো পড়ে আছে। শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ। বুদ্ধিমান ডাক্তার সময় ব্যয় না করে শুরু করে দেন কৃত্রিমভাবে শ্বাস দেয়ার কাজ। যেমনটি তিনি দেন মুমূর্ষু রোগীদের ক্ষেত্রে। সূত্র: ডেইলি মেইল।

দুবাইয়ে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৪ বাংলাদেশী নিহত

দুবাইয়ে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৪ বাংলাদেশী নিহত

দুবাইয়ে একটি শ্রমিক ক্যাম্পে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। বিস্ফোরণে মারাত্মক আহত হওয়ার পর হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানেই তাদের মৃত্যু হয়। অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন প্রায় ২০ শ্রমিক। এর মধ্যে আবার বাংলাদেশী রয়েছেন ১০ জন।

নিহতরা হলেন, শরিয়তপুরের আলাউদ্দিন সর্দারের ছেলে সুমন। সিলেটের ঈদ্রিস আলীর ছেলে আব্দুল কাদির। চাঁদপুরের আদম আলীর ছেলে রহিম এবং মৌলভীবাজারের রিয়াজ উদ্দীনের ছেলে সুমন উদ্দিন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দেশ দুবাইয়ে গত ২৯ অক্টোবর স্থানীয় সময় রাত আটটায় রান্না ঘরের গ্যাস সিলিন্ডারে এ বিস্ফোরণ ঘটে।

ওই শ্রমিক ক্যাম্পের ১৩০টি রুমে বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫০০ শ্রমিক বাস করেন। গরম চুলার পাশে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকদের কয়েকটি কক্ষে আগুন ধরে যায়। আহতদের দুবাইয়ের রাশেদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

রাজধানীতে অপহৃত ২ শিক্ষক উদ্ধার : ৪ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

রাজধানীতে অপহৃত ২ শিক্ষক উদ্ধার : ৪ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

 পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে অপহরণের ৭ ঘণ্টা পর রূপনগর আবাসিক এলাকা থেকে দুই স্কুল শিক্ষককে উদ্ধার করেছে।

অপহরণকারীরা এক কোটি টাকা মুক্তিপণ চেয়ে গত সন্ধ্যায় তাদের অপহরণ করে।

রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল রূপনগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে চারজন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করে এবং মিরপুর এলাকার ঢাকা সিটি স্কুলের দুই শিক্ষক মোহাম্মদ শাহজাদা (২৮) ও সাব্বির হোসেনকে (২৫) রাত প্রায় ২টার দিকে উদ্ধার করে।
 
আটককৃতরা হচ্ছে মোহাম্মদ আবদুল আজিজ ওরফে চান (৩৮), মোহাম্মদ জালাল হোসেন (৫৭), আসগর আলী (২২) ও শকওত আলী (৪০)।

অপহরণের শিকার শাহজাদা আজ সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে সাংবাদিকদের বলেন, চানের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র লোক বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে বন্দুকের মুখে একটি দোকান থেকে একটি প্রাইভেট কারে তুলে রূপনগর আবাসিক এলাকার একটি বোতল ফ্যাক্টরির নিচতলার এক কক্ষে আটকে রাখে। তারা রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আমাকে ভীষণ নির্যাতন করে এবং আমার পরিবারের কাছে এক কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

তিনি বলেন, সশস্ত্র গুন্ডারা তারপর আমার চাচাতো ভাই সাব্বির আহমেদকে ডাকতে বাধ্য করে। পরে তারা ফ্যাক্টরির ঠিক বিপরীত দিক রজনীগন্ধা এলাকা থেকে বন্দুকের মুখে তাকে আটক করে।
 
ওসি বলেন, অপহরণকারী ও ঘটনার শিকার দুই স্কুল শিক্ষকের মধ্যে পূর্বে শত্রুতা থাকতে পারে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, চানের বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজি ও অস্ত্রের মামলা রয়েছে।
 
পুলিশ জানায়, এই ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ তাদের ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে হাজির করেছে।

পরকীয়াগ্রস্ত এসআই লতিফের কাণ্ড

পরকীয়াগ্রস্ত এসআই লতিফের কাণ্ড

ভাষানটেক থানার পরকীয়াগ্রস্ত এসআই আব্দুল লতিফ তার প্রেমিকা লাভলিকে দিয়ে তার প্রাক্তন স্বামী আমানুর রহমানকে ফাঁসানের জন্য তিনিও তার স্বজনদের নামে একের পর এক মামলা দিচ্ছেন। প্রত্যেকটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থাকছেন তিনিই। এমনকি যে থানায় বদলি হয়ে যাচ্ছেন সে থানায়ই মামলা করা হচ্ছে।

মিরপুর মডেল থানা ও ভাষানটেক থানা সূত্রে জানা যায়,  আমানুর রহমানের সঙ্গে মনোয়ারা বেগম লাভলীর ২০০৬ সালে বিয়ে হয়। তারা মিরপুর মডেল থানা এলাকার কল্যাণপুরে থাকতেন। এর মধ্যে লাভলীর সঙ্গে এসআই লতিফর পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এর জের ধরে  চলতি বছরের মে মাসে তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়। এর পর আমানুরের পরিবার ও তার নামে দুটি মামলা করেন লাভলী। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসাই লতিফ। প্রায় দুইমাস আগে এসআই লতিফ ভাষানটেক থানায় বদলি হন। সেখানে ১৫ অক্টবর আমানুর ও তার স্বজনদের নামে মামলা করেন লাভলী। এ মামলারও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লতিফ।

এ ব্যাপারে এসআই লতিফ জানায়, পরকীয়ার ঘটনা মিথ্যা। মামলা তদন্ত করে দেখছি। আপনি যে থানায় বদলি হচ্ছেন সে থানয় মামলা হওয়া এবং এসব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও আপনি থাকার কারণ কি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো উত্তর দেন নি।

মিরপুর মডেল থানা সূত্রে আরো জানা যায়, লাভলি কুসঙ্গে মিশে ও প্রেমিক পুলিশ অফিসারের সহায়তায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন। তার পিতা আব্দুর রউফ মেয়েকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে না পেরে ২০০৮ সেপ্টেম্বর মাসে মিরপুর মডেল থানায় মেয়ের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

আরো জান যায়, এসআই আব্দুল লতিফ এর আগে মোহাম্মদপুর থানায় থাকাকালে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে ধরা পড়েন। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে উপরমহলকে ম্যানেজ করে আবার চাকরিতে যোগদেন তিনি।

আজ জেলহত্যা দিবস

আজ জেলহত্যা দিবস

 ৩ নভেম্বর। কলঙ্কময় জেলহত্যা দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের যে কয়টি দিন চিরকাল কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে এরমধ্যে এ দিনটি অন্যতম।

বাঙালি জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করতে ৩৭ বছর আগে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

কারাগারের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা অবস্থায় এ ধরনের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। দিনটি জাতির ইতিহাসে একটি বেদনাবিধুর দিন।

এর আগে একই বছরের ১৫ আগস্ট তৎকালিন রাষ্ট্রপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর তার ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্যু-পাল্টা ক্যুর রক্তাক্ত অধ্যায়ে ৩ নভেম্বর সংঘটিত হয় জেল হত্যাকাণ্ড। সেই থেকে প্রতি বছর এ দিনটি জেলহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে ঘাতকচক্র স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগ সরকারকে সরিয়ে নিজেরা ক্ষমতা দখল করেছিল। আর একই চক্রান্তকারীরা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করে জাতির ৪ সূর্যসন্তানকে।

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের শ্রত্রুরা সেদিন দেশমাতৃকার সেরা সন্তান এই জাতীয় চার নেতাকে শুধু গুলি চালিয়েই ক্ষ্যান্ত হয়নি। কাপুরুষের মতো গুলিবিদ্ধ দেহকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে ক্ষমবিক্ষত করে একাত্তরের পরাজয়ের জ্বালা মিটিয়েছিল। বাঙালিকে পিছিয়ে দিয়েছিল প্রগতি-সমৃদ্ধির অগ্রগতি থেকে।

ইতিহাসের এই নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় শুধু বাংলাদেশের মানুষই নয়, স্তম্ভিত হয়েছিল সমগ্র বিশ্ব। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ড ছিল একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। বিশ্বাসঘাতক খুনিদের পরিকল্পনা, উদ্দেশ্য আজ জাতির সামনে পরিস্কার।

এই জঘন্যতম হত্যাযজ্ঞের ৩৬ বছর পেরিয়ে গেলেও এই কাপরুষোচিত হত্যা মামলার প্রকৃত বিচার হয়নি। অনেক খুনি ও তাদের দোসররা এখনও বহাল তবিয়তে। কবে সাজা পাবে ঘাতকরা তাও নিশ্চিত করে বলতে পারছে না কেউ।

জেল হত্যাকাণ্ডের পর ওই সময়ই লালবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ ২১ বছর এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সরকার জেলহত্যা মামলার প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবিত করে। এরপর দীর্ঘ ৮ বছরেরও বেশি সময় বিচারকাজ চলার পর বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলাটির রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ২০ আসামির মধ্যে ১৫ সাবেক সেনা কর্মকর্তার শাস্তি এবং অপর ৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে পলাতক তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং অপর ১২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, রিসালদার মোসলেম উদ্দিন ওরফে হিরন খান, দফাদার মারফত আলী শাহ এবং এলডি দফাদার আবুল হাসেম মৃধা।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন,  কর্নেল অব. সৈয়দ ফারুক রহমান, কর্নেল অব. সৈয়দ শাহরিয়ার রশিদ, মেজর অব. বজলুল হুদা, লে. কর্নেল খন্দকার আবদুর রশীদ বরখাস্ত, লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম, লে. কর্নেল অব. এমএইচএমবি নূর চৌধুরী, লে. কর্নেল অব. একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ, লে. কর্নেল অব. এএম রাশেদ চৌধুরী, মেজর (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) আহাম্মদ শরিফুল হোসেন, ক্যাপ্টেন অব. আবদুল মাজেদ, ক্যাপ্টেন (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) কিসমত হোসেন এবং ক্যাপ্টেন অব. নাজমুল হোসেন আনসার।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন বিএনপি নেতা প্রয়াত কেএম ওবায়দুর রহমান, জাতীয় পার্টি নেতা শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত তাহেরউদ্দিন ঠাকুর, নূরুল ইসলাম মঞ্জুর এবং মেজর অব. খায়রুজ্জামান।

২০০৮ সালের ২৮ আগস্ট হাইকোর্টের রায়ে কেবল রিসালদার মোসলেম উদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত দফাদার মারফত আলী শাহ ও এলডি দফাদার আবুল হাসেম মৃধা এবং যাজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত অপর চার আসামি লে. কর্নেল (বরখাস্ত) সৈয়দ ফারুক রহমান, লে. কর্নেল অব. শাহরিয়ার রশিদ খান, মেজর অব. বজলুল হুদা ও লে. কর্নেল অব. এ কেএম মহিউদ্দিন আহমেদকে মামলা থেকে খালাস দেয়া হয়।

নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ওই চার আসামির ৪টি আপিল ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেথ রেফারেন্স নিষ্পত্তি করে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আতাউর রহমান খান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ রায় দেন।

তবে জেল হত্যাকাণ্ডের সুদীর্ঘ সময় পর এর বিচারের রায় হলেও জাতীয় নেতার পরিবারের সদস্যরাসহ বিভিন্ন মহল থেকে ওই সময় রায়টিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' ও প্রহসনের রায়’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। একইসঙ্গে রায়টি প্রত্যাখ্যানও করা হয়। তাদের অভিযোগ জেলহত্যার ষড়যন্ত্রের দায়ে কাউকে শাস্তি দেয়া হয়নি। জাতির ইতিহাসের নৃশংসতম এ হত্যাকাণ্ডের পুনর্তদন্ত ও পুনর্বিচার দাবি করেন তারা।

অবশ্য জেলহত্যা মামলায় খালাস পেলেও লে. কর্নেল (বরখাস্ত) সৈয়দ ফারুক রহমান, লে. কর্নেল অব. শাহরিয়ার রশিদ খান, মেজর অব. বজলুল হুদা ও লে. কর্নেল অব. একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত হওয়ায় ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি এদের ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে।

অন্যদিকে হাইকোর্টের রায়ে পলাতক অপর ৮ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামি সম্পর্কে কোনো মতামত না দেয়ায় তাদের দণ্ডাদেশ বহাল রয়েছে।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতাসীন হওয়ায় এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ও ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার প্রেক্ষাপটে জেল হত্যাকাণ্ডের পুনর্বিচার হওয়ার সুযোগ এসেছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারেও এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ৩ নভেম্বরের জেল হত্যাকাণ্ডেরর পুনর্বিচার শুরুর জন্য গোটা জাতি অপেক্ষায় আছে।

ঠিক মতো কাজ না করলে সোজা বদলি: যোগাযোগমন্ত্রী

ঠিক মতো কাজ না করলে সোজা বদলি: যোগাযোগমন্ত্রী

বহুল আলোচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেন প্রকল্পের কাজের প্রত্যাশিত অগ্রগতি না দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে এসে সওজ কর্মকর্তাদের শাসিয়ে তিনি বলেন, ‘‘ঠিক মতো কাজ না করলে সোজা বদলি করে দেব’’।

এসময় তিনি সীতাকুণ্ডের শীতলপুর, ফৌজদার হাট, সিটিগেট এলাকায় গাড়ি থেকে নেমে সড়ক কাজের পরিদর্শনকালে কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘‘কাজ তো কিছুই হয়নি। লিখিত রিপোর্টের সঙ্গে বাস্তবের তো কোনো মিল নেই’’।

মন্ত্রী শুক্রবার দুপুরে সীতাকুণ্ডের বারৈয়ারহাটস্থ লোড কন্ট্রোল স্টেশন উদ্বোধন শেষে শহরে ফেরার পথে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে গাড়ি থামিয়ে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন।

লোড কন্ট্রোল স্টেশন উদ্বোধনকালে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২০ টনের বেশি মালবোঝাই কোনো ট্রাক বা কভার্ড ভ্যানকে চলতে দেয়া হবে না। এ মহাসড়কে অতিরিক্ত ভারি যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য সীতাকুণ্ডে চালু করা হয়েছে এ লোড কন্ট্রোল স্টেশন।

মন্ত্রী বলেন, আগামী ৬ মাসের মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ বাংলাদেশের অধিকাংশ সড়ক সম্পূর্ণ চলাচলের উপযোগী হবে। লোড কন্ট্রোল স্টেশন উদ্বোধনকালে যোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, চালকদের সতর্ক করার জন্য আগামী এক মাস এই স্টেশনে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলবে। এরপর থেকে ২০ টনের বেশি মালবোঝাই কোনো ট্রাক বা কভার্ড ভ্যানকে এ সড়কে চলাচল করতে দেয়া হবে না।
তিনি বলেন, গত ১১ মাসে বিভিন্ন মহাসড়কের ৫টি স্থানে লোড কন্ট্রোল স্টেশন স্থাপন করা হয়। আগামী ৪ নভেম্বর টেকনাফে ষষ্ঠ স্টেশনের উদ্বোধন করা হবে। এ মাসের শেষের দিকে সিলেটে চালু করা হবে সপ্তম স্টেশনটি।

অনেকগুলো স্টেশন আগেই স্থাপন করা হলেও কিছু লোকের অপকর্মের কারণে সেগুলো এতোদিন চালু করা যায়নি বলে মন্ত্রী জানান।

সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানাগেছে, ২০০৪ সালে তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকার সীতাকুন্ডের বড় দারোগারহাটে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের সর্বাধুনিক এক্সেল লোড কন্ট্রোল স্টেশনের নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। এনার্জী লিমিটেড নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল স্কেলটি নির্মাণের দায়িত্ব দেয়া হয়। প্রথম দিকে দেড় বছরের মধ্যে স্কেলটির কার্যক্রম শুরু করার কথা থাকলেও চারদলীয় জোট সরকারের শেষ দিকে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরকার পরিবর্তন ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ নানা কারণে কাজ পিছিয়ে পড়তে পড়তে এক পর্যায়ে কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এরই মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক বারবার ভাঙতে থাকলে এর কারণ খুঁজতে গিয়ে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানতে পারেন ওভার লোডিং জনিত কারণেই এটি বারবার ভাঙছে। প্রতিরোধের উপায় হিসেবে তিনি স্কেলটি চালুর সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি কর্মকর্তাদের শাসিয়ে বলেন, ঠিক মতো কাজ না করলে সোজা বদলি করে দেব। পরে তিনি বিকেলে অক্সিজেন-হাটহাজারী মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ পরিদর্শন এবং ফটিকছড়ির সাবেক সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ারের কুলখানি উপলক্ষে আয়োজিত মেজবানে যোগ দেন।

 

আমেরিকায় বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত রেজওয়ানের ১৭ বছর জেল

আমেরিকায় বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত রেজওয়ানের ১৭ বছর জেল

 

 বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আমেরিকান যুবক রেজওয়ান ফেরদৌসকে (২৭) ১৭ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

আমেরিকার সেনা সদর দফতর পেন্টাগন এবং ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল ভবন উড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনার অভিযোগে
শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে বোস্টনের ফেডারেল আদালত এ রায় দেয়।

গত বছর সেপ্টেম্বরে রেজওয়ানকে গ্রেফতার করে এফবিআই। তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ওপর হামলা চালানোর লক্ষ্যে আল কায়েদাকে রসদ সরবরাহেরও অভিযোগ আনা হয়।

দূর নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরকভর্তি বিমান দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ওই দুই স্থাপনায় হামলা চালানোর পরিকল্পনার অভিযোগে বস্টন আদালত চলতি বছর ২০ জুলাই মাসে রেজওয়ানকে দোষী সাব্যস্ত করে।

ম্যাসাচুসেটসের অধিবাসী রেজোয়ান বোস্টনের নর্থ ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক।

Friday, November 2, 2012

ছাত্রলীগ নেতার কাণ্ড :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

ছাত্রলীগ নেতার কাণ্ড :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

 স্কুল জীবনে ছাত্রশিবির, কলেজ জীবনের শুরুতে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগে যোগ দিয়ে উত্তরজেলা ছাত্রলীগের নেতা বনে গেছেন মিরসরাইয়ের ইব্রাহীম খলিল ভূঁইয়া নামে এক সন্ত্রাসী।

তার বাড়ি উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের গনকছরা গ্রামে। তার বাবা কোববাদ ভূঁইয়া।

মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার, উপসনালয় ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে হামলা, চাঁদাবাজীসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্থরা তার ভয়ে থানায় মামলা করতে ভয় পান। তার হাতে নির্যাতিত অনেকেই নাম প্রকাশে না করা শর্তে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইব্রাহীম খলিল ভূঁইয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময়ে ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরে ছাত্রদলের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তিনি ২০০৭ সালে উপজেলার ২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের দুই বছর মেয়াদী গঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগ দেন। এরপর থেকে মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের নাম ভাঙ্গিয়ে একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন।

তার অপকর্মে উপজেলা ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ লক্ষ করা গেছে। এমপির গাড়িতে করে বিভিন্ন সময় তাকে ঘুরতে দেখা যায়। তিনি বিভিন্ন স্থানে এমপির আস্থাভাজন নেতা দাবি করে নির্বিঘ্নে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন।

তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় একাধিক মারামারির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। উপজেলার বারইয়ারহাট ডিগ্রি কলেজ, বারইয়ারহাট পৌর বাজার এলাকায় একাধিক হামলার ঘটনা তার নেতৃত্বে হলেও ক্ষমতাসীন দলের নেতা হওয়ায় থানায় মামলা হয় না এবং ভুক্তভোগীরা তার ভয়ে মুখ খুলতে ভয় পান।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা এই প্রতিনিধির কাছে অভিযোগ করে বলেন, ইব্রাহীম একসময় শিবির এবং ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। এখন ছাত্রলীগে নাম লিখিয়ে নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে নেতৃস্থানীয় নেতাদের যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা। তা না হলে ভবিষ্যতে সে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবে।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সে প্রায় ২০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল নিয়ে বারইয়ারহাট পৌরসভার শিমলা হেয়ার কাটিং সেলুনে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলায় হেয়ার কাটিংয়ে কর্মরত জন্টু দাশ ও অর্জুন দাশ গুরুতর আহত হন।

শিমলা হেয়ার কাটিংয়ের সত্ত্বাধিকারী জনটু দাশ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “পৌর মেয়র আবু তাহেরকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানালেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি।”

একই বছরের আগষ্টস্ট মাসে উপজেলার ২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়নের পশ্চিম হিঙ্গুলী এলাকার তুচ্ছ বিষয় নিয়ে করের বাড়ির সাধুর উপসনালয়ে হামলা চালায়। এসময় পূজারী কালু সাধুকে বেদম মারধর করে এবং সাধুর আশ্রমের পূজার নানা জিনিসপত্র ফেলে দেয়। পরবর্তীতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি শালিসী বৈঠকের মাধ্যমে অর্থ জরিমানা করা হয়।

মিরসরাই উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি উত্তম কুমার শর্ম্মা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে ইব্রাহিম খলিল ভূঁইয়া বলেন, “কখন কি ঘটেছে তা সমাধান হয়ে গেছে এটা নিয়ে সাংবাদিকরা কেনো এখন আবার লিখবে।”

২০০৭ সালে গঠিত হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ শিফাত বলেন, “ইব্রাহীম ২০০৭ সালে দুই বছর মেয়াদী গঠিত হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে।”

শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে তৎকালীন ছাত্র শিবিরের উপজেলা সভাপতি রেদোয়ানুল হক বলেন, “বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময়ে সে ছাত্র শিবিরের কর্মী ছিল।”

অভিযোগ প্রসঙ্গে ইব্রাহীম খলিল ভূঁইয়া বলেন, “অভিযোগ কি শুধু আমার বিরুদ্ধে অন্য কারো বিরুদ্ধে নাই?” এ কথা বলে তিনি মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

পরবর্তীতে তিনি এ প্রতিনিধিকে ফোন করে বলেন, “আমি কলেজ জীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

তবে বারইয়াহাট পৌর ছাত্রলীগের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা নাম প্রকাশ না করা শর্তে এ প্রতিনিধিকে জানান, তার অত্যাচারে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সুনাম নষ্ট হচ্ছে। মূলত সে শিবির এবং ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল।

সংসদ সদস্যের না ভাঙ্গিয়ে প্রভাব বিস্তার প্রসঙ্গে ওই নেতা বলেন, “সেপ্টেম্বর মাসে সে বারইয়াহাট পৌর বাজারের শাহাদাত হোটেলের মালিককে মারতে উদ্যত হলে বাজারের লোকজন তাকে ঘিরে ফেলে। ফলে সে বলে, আমাকে ছেড়ে দাও নইলে আমি মোশাররফ ভাইকে (ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন) ফোন করছি।”
তবে মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে তার কোনো সখ্যতা নেই বলেও পৌর ছাত্রলীগের ওই নেতা এ প্রতিনিধিকে জানান।

মিরসরাইয়ের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের ব্যবহারিত মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

প্রশ্নের মুখে চিনের এক সন্তান নীতি ::

প্রশ্নের মুখে চিনের এক সন্তান নীতি ::

চীনের এক সন্তান নীতি আবারও তাদের নিজের দেশেই প্রশ্নবিদ্ধ। খোদ চীন সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীরই এক অংশ এর বিরুদ্ধে দেশের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। তারা দাবি করছেন, ২০১৫ সালের মধ্যেই এক সন্তান নীতি থেকে সরে এসে প্রতি পরিবারের জন্যে দুই সন্তান গ্রহণের অনুমতি দয়া হোক। ইতিমধ্যেই চায়না ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ ফাউন্ডেশন সরকারের কাছে এ প্রস্তাব পাঠিয়েছে
চায়না ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ ফাউন্ডেশনের বেঁধে দেয়া এ সময়কে কোনো কোনো জনসংখ্যাতাত্ত্বিক কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বিপক্ষে নেয়া একটা দৃঢ় পদক্ষেপ বলে মনে করছেন। অনেকে এমনটাও মনে করছেন এক্ষেত্রে ধীরে চলো নীতি গ্রহণ করলে চীনে কঠোর জন্মনিয়ন্ত্রণ নীতির কারণে যে ক্ষতি ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে, তা কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, ফাউন্ডেশন সুপারিশ করেছে কিছু কিছু প্রদেশে দুই সন্তান নীতি এ বছরই গ্রহণ করা হোক। আর সারা দেশে ২০১৫ সালের মধ্যে।
তাদের পেশ করা ঐ সুপারিশের বরাত দিয়ে সিনহুয়া জানায়, ইতিমধ্যেই এক সন্তান নীতির কারণে চীনকে বিশাল সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যয় বহন করতে হয়েছে। এর ফলে সামাজিক বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে, প্রশাসনিক ব্যয় বেড়েছে এবং জাতি এক দীর্ঘমেয়াদি লিঙ্গ-অসমতার মধ্যে পড়েছে।
তবে এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে চীনা নেতৃবৃন্দের মনোভাব এখনো জানা যায়নি। বুধবার পর্যন্ত চীনের জাতীয় জনসংখ্যা এবং পরিবার পরিকল্পনা কমিশনের পক্ষ থেকে এই সুপারিশের ব্যাপারে কোনো মতামত জানানো হয়নি।
চীনে যা এক সন্তান নীতি বলে পরিচিত, এর আইনটা যথেষ্ট জটিল। এই আইনে সরকারের পক্ষ থেকে শহরাঞ্চলে দম্পতিদের এক সন্তান নিতে বাধ্য করা হয়। অথচ গ্রাম এলাকায় যদি কোনো দম্পতির প্রথম সন্তান মেয়ে হয় তবে তাদের জন্য দ্বিতীয় সন্তান গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া আরো কয়েক রকমের ব্যতিক্রমও রয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য ছাড় রয়েছে। আবার বাবা-মায়ের যদি কোনো ভাইবোন না থেকে থাকে তাহলে সেই দম্পতিরও দুই সন্তান গ্রহণের সুযোগ আছে।
চীনের জনগণের মধ্যে এই নীতি নিয়ে প্রথম থেকেই দ্বিধা ছিল। তবে কিছু দিন আগে এর প্রতিবাদ জানানোর সাহস না করলেও এখন পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। অনেক সংস্থার পক্ষ থেকেই জন্মদানের অধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেবার দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। সিবিসি নিউজ

মঙ্গলে হাওয়াই দ্বীপের মতো মাটি! :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মঙ্গলে হাওয়াই দ্বীপের মতো মাটি!

 মঙ্গল গ্রহে হাওয়াই দ্বীপের মতো ‘মাটি’ পাওয়া গেছে। এই মাটি দেখতে যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট মাটির মতোই।
 
গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা এ কথা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞানীরা জানান, ওই মাটির বালুকণার রং কমলা-তামাটে। এগুলো অতিক্ষুদ্র ও স্বচ্ছ খনিজ পদার্থ। কিউরিওসিটি মঙ্গলের যে জায়গায় অবতরণ করেছে, তার সর্বত্রই এ ধরনের বালুকণার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, গেইল নামের ওই জ্বালামুখ এলাকাটি মঙ্গলের ঝড় বা প্রাচীন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের অবশিষ্টাংশ থেকে গঠিত হয়েছে।
কিউরিওসিটিতে থাকা বিশেষ ধরনের সরঞ্জাম দিয়ে ওই মাটি শনাক্ত করা হয়েছে।
 
নাসার বিজ্ঞানী ডেভিড ব্লেইক জানান, এই প্রথম মঙ্গল গ্রহে এক্স-রে রশ্মি ব্যবহার করা হয়েছে এবং মাটি শনাক্ত করার বিষয়টি সত্যিই বিস্ময়কর।
 
ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির খনিজবিদ ডেভিড বিশ বলেন, মঙ্গলের বেশির ভাগ জায়গাই ধূলিকণা দিয়ে আবৃত এবং এসব খনিজ ধূলিকণার গঠন সম্পর্কে এখনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি। সূত্র: ফক্স নিউজ।

Wednesday, October 31, 2012

বন্ধ হয়ে গেল হলমার্কের সব কারখানা

বন্ধ হয়ে গেল হলমার্কের সব কারখানা

 সাভারে হলমার্ক গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার রাতে লিফলেটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কারখানাগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

হলমার্ক গ্রুপের শ্রমিকসহ স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাতে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি ‘হলমার্ক গ্রুপের সকল কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ- আদেশক্রমে কর্তৃপক্ষ’ সম্বলিত একটি লিফলেট বিলি করেন। মুহূর্তের মধ্যে এ খবর হেমায়েতপুরসহ আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

তবে মঙ্গলবার দুপুরে সাভারের হেমায়েতপুরের নন্দখালী এলাকায় হলমার্ক গ্রুপে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষকে কারখানায় খুঁজে পাওয়া যায়নি। কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ থাকায় এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি।

শিল্প পুলিশ সাভার সার্কেলের পরিদর্শক (ওসি) আব্দুল বাতেন জানান, লিফলেট বিলি করে প্রতিষ্ঠানটির সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হলেও কারা বা কী কারণে লিফলেট বিতরণ করেছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সাভার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মশিউদ্দৌল্লাহ রেজা জানান, কারখানা বন্ধের ব্যাপারে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে সব ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্কাবস্থায় রয়েছেন।

আলোচিত ব্যাংক কেলেঙ্কারির নায়ক তানভীর মাহমুদের মালিকানাধীন হলমার্ক গ্রুপের প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিক তাদের চলতি মাসের বেতন, ঈদ বোনাস এবং অতিরিক্ত কাজের মজুরির দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছিল। এ নিয়ে দফায় দফায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে শ্রমিকদের আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এক পর্যায়ে কারখানাটি ঈদের আগে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। বাসস।

সোনারগাঁয়ে গলিত লাশ উদ্ধার

সোনারগাঁয়ে গলিত লাশ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জে সেলিম মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তির ভাসমান গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর শীতলক্ষা নদী থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সেলিম মিয়া গত শনিবার রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে দোকানে চা খেতে গিয়ে আর ফেরেনি। পরে তার আত্মীয় স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুঁজি করেও সন্ধান না পাওয়ায় সোনারগাঁ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

মঙ্গলবার সকালে কাঁচপুর এলাকায় শীতলক্ষা নদীতে তার ভাসমান গলিত লাশ দেখতে পেয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ দুপুরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হারুন অর রশিদ জানান, নিহত সেলিম মিয়া মাদকাসক্ত ছিলো। ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসলেই তার মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
 

তাণ্ডব শেষে দুর্বল স্যান্ডি

তাণ্ডব শেষে দুর্বল স্যান্ডি

 যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্করী হারিকেন স্যান্ডি আমেরিকার পূর্বাঞ্চলে আরো অভ্যন্তরে অগ্রসর হওয়ার পথে মঙ্গলবার সকালে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তবে এখনো ঝড়টির প্রভাবে প্রবল বাতাস ও বন্যা দেখা দেওয়ার শংকা রয়েছে।

গ্রিনিচ সময় ০৯০০টায় মায়ামিভিত্তিক জাতীয় হারিকেন কেন্দ্র জানায়, ঘণ্টায় ৬৫ মাইল (১০৫ কিলোমিটার) বেগে দক্ষিণাঞ্চলীয় পেনসিলভেনিয়ার ওপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি প্রবাহিত হচ্ছে। পূর্ব উপকূলের বেশ কটি এলাকার ওপর দিয়ে এখনো দমকা বাতাস বইছে।

সোমবার সন্ধ্যায় নিউ জার্সিতে আঘাত হানার কিছু আগে দুর্বল হয়ে মৌসুমী ঝড়ে পরিণত হলেও ব্যাপক তাণ্ডব চালায় স্যান্ডি ।

ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে ঘনবসতিপূর্ণ পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকায় প্রবল বর্ষণ ও বাতাসের সৃষ্টি হয়। ম্যানহাটানের নিম্নাঞ্চলের একটি বড় এলাকা প্লাবিত হয়। ফলে গণপরিবহনগুলো স্থবির হয়ে পড়ে এবং লাখ লাখ মানুষকে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় থাকতে হয়।

এ ঘটনায় নিউ ইয়র্ককে দুর্যোগ-আক্রান্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। এএফপি।

এবারও আদালতে হাজির হননি গ্রামীণফোন প্রধান

এবারও আদালতে হাজির হননি গ্রামীণফোন প্রধান

 এবারও আদালতে হাজির হননি গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী। পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী মঙ্গলবার গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী টোরে জনসেন ও সাবেক প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা হারুন ভাট্টির আদালতে হাজির হবার কথা থাকলেও আদালতে হাজির না হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে সময় বাড়ানোর প্রার্থনা করেছেন তারা। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন অফিসে জরুরি মিটিং থাকার কথা।

এদিকে শুনানির একদিন আগে সোমবার পৃথক দুটি মামলায় জামিন নিয়েছেন গ্রামীণফোনের ৯ শীর্ষ কর্মকর্তা। তবে জামিন নেননি মামলায় অভিযুক্ত অপর গ্র্রামীণফোনের সাবেক প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা হারুন ভাট্টি।

এর আগে শ্রম আইন ভঙ্গ করে কর্মী ছাঁটাইয়ের অভিযোগে দায়ের করা ফৌজদারি মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন ঢাকার শ্রম আদালত-১। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শ্রম আদালত-১-এর চেয়ারম্যান জেলা ও দায়রা জজ মিয়া মোহাম্মদ শরীফ অভিযুক্তদের সশরীরে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন। একই সাথে ৩০ অক্টোবর বেলা ১২টায় আদালতে হাজির না হলে তাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়া হয়।

গ্রেপ্তার এড়াতে গত সোমবার আদালতে এসে জামিন নেন অভিযুক্তরা। সোমবার গ্রামীণফোন প্রধান নির্বাহী টোরে জনসন ছাড়াও গ্রামীনফোনের পিএনও শরীফুল ইসলাম, তাওহীদ আবদুল্লাহ, নাঈমুজ্জামান এবং সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কর্মকার্তা নাসের ফজলে আযম, সাজ্জাদ হাসিব ও আওলাদ হোসেন জামিন প্রার্থনা করেন বলে জানিয়েছেন বিবাদী পক্ষের আইনজীবী গাজী এম শওকত।

একই সাথে অফিসের জরুরি কাজে মঙ্গলবার আদালতে হাজির হতে না পারার কারণ দেখিয়ে সময় প্রার্থনা করা হয়। আদালত সময় মঞ্জুর করে আগামী ৩০ ডিসেম্বর অভিযুক্তদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

পকর্মী ছাঁটাইয়ে দেশে বিদ্যমান শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে গত ৩০ আগস্ট গ্রামীণফোন প্রধান নির্বাহী টোরে ইয়ানসেন ও সাবেক প্রধান মানব সম্পদ কর্মকর্তা হারুন ভাট্টির বিরুদ্ধে একই আদালতে মামলা করেন চাকরিচ্যুত কর্মী রাসুলুল আমিন মুরাদ ও আদিবা জেরিন। ৩ সেপ্টেম্বর মামলাটি নথিভুক্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত। সমন অনুযায়ী ৩০ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তরা আদালতে হাজির না হওয়ায় ফের ৩০ অক্টোবর তাদের সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী সেলিম আহসান খান জানান, শ্রম আইনের ১৮৬ ধারার ১ ও ২ উপধারা, ১৯৫ ধারার (ঘ) এবং দণ্ডবিধির ২৯১ ও ৩০৭ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণফোনের আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মোবাইল টাওয়ারের কারণে ক্ষতির বিষয়ে জানাতে হাইকোর্টের নির্দেশ

মোবাইল টাওয়ারের কারণে ক্ষতির বিষয়ে জানাতে হাইকোর্টের নির্দেশ

 মোবাইল ফোন টাওয়ারগুলো থেকে ক্ষতিকর তেজষ্ক্রিয়তার ফলে স্বাস্থ্যগত কী ক্ষতি হয় তা আগামী ৩ মাসের মধ্যে জানাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে মোবাইল ফোন টাওয়ারগুলো থেকে ক্ষতিকর তেজষ্ক্রিয়তা নির্গমন বন্ধে প্রশাসনের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা  হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করা হয়েছে।

এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত  অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
জনস্বার্থে মানবাধিকার সংগঠন  হিউম্যান রাইটস্ এ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে এ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ রিটটি করেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বিটিআরসির চেয়ারম্যান, পরিবেশ সচিব, টেলিযোগাযোগ সচিবসহ ৭ জনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া চার সপ্তাহের মধ্যে তেজস্ক্রিয়তার পরিস্থিতি সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন দিতে আনবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রিটকারী মনজিল মোরশেদ জানান, গত ১৮ অক্টোবর বেসরকারি টেলিভিশন ইটিভির একুশের চোখ অনুষ্ঠানে প্রচারিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে রিট করার পরে মঙ্গলবার এ আদেশ দেন আদালত। শুনানিতে রিটকারী মনজিল মোরেশেদ অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের হাইকমিশনার

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের হাইকমিশনার 


বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার দেশের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী ও প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের শুভেচ্ছা বার্তা কাছে পৌঁছে দেন।

এ সময় তিনি জানান, ভারতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ জনগণের সমৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

হাইকমিশনার একই সঙ্গে তার দেশের নেতৃবৃন্দের ঈদ শুভেচ্ছা বার্তাও প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, ভারতীয় নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের জনগণের সমৃদ্ধির জন্য শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন।
 
ভারতীয় নেতৃবৃন্দ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশেষ করে ম্যাক্রো অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও মুদ্রাস্ফীতির হার কম হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন।


বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও হাইকমিশনার ভারতের শিলিগুড়ি থেকে রংপুর হয়ে গ্যাস আমদানি এবং সিলেট ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মেঘালয়কে সংযুক্ত করে দ্বিতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা করেন।

এছাড়া পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আরো অনেক বিষয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে বৈঠকে দু দেশের সীমান্তের জমি বিনিময়ে ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির ভিত্তিতে ঢাকা-দিল্লির মধ্যে স্বাক্ষরিত সীমান্ত প্রোটোকলের বাস্তবায়ন ও ভারতীয় ঋণে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। বাসস

র‌্যাবের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে লিমনের মাকে ডিসির প্রস্তাব!

র‌্যাবের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে লিমনের মাকে ডিসির প্রস্তাব!

র‌্যাবের গুলিতে পঙ্গু ঝালকাঠির রাজাপুরের সাতুরিয়ার কলেজছাত্র লিমনের মাকে র্যাবের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তুলে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক অশোক কুমার বিশ্বাস।

বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসক লিমন ও তার মা হেনোয়ারা বেগমের সঙ্গে দেখা করে এ প্রস্তাব দেন।

জানা গেছে, গত বুধবার বেলা ১২টায় কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলামের অফিস কক্ষে লিমন ও তার মা হেনোয়ারা বেগমকে ডেকে নিয়ে গোপন বৈঠকের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক এ প্রস্তাব করলেও গণমাধ্যমসহ কাউকে বৈঠকের কথা জানানো নিষেধ ছিল।

কিন্তু সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে বৈঠকের ব্যাপারে সোমবার এ তথ্য বেরিয়ে এলে লিমন, কাউখালী নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এ বৈঠকের সত্যতা স্বীকার করেন। কিন্তু প্রস্তাবের কথা অস্বীকার করেন।

লিমন ও তার মা হেনোয়ারা বেগম জানান, জেলা প্রশাসক এ কথা কাউকে বলতে নিষেধ করায় তারা কাউকে জানাননি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত বুধবার সকাল ১২টায় কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম লিমন ও তা মা হেনোয়ারা বেগমকে তার কার্যালয়ে ডেকে পাঠান।

তারা সেখানে উপস্থিত হলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক অশোক কুমার বিশ্বাস ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এ ব্যাপারে লিমন হোসেন বলেন, “আমাদের ডাকার পর ইউএনও সাহেব একজন বড় মেহমান আমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানান। পরে ডিসি সাহেব আমাদের কুশলাদি জিজ্ঞেস করেন।”

লিমনের মা হেনোয়ারা বেগম বলেন, “ডিসি সাহেব আমাকে মামলা প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেন। আমরা মামলা প্রত্যাহার করলে আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলাও প্রত্যাহার করা হবে বলে জানান তিনি। এ সময় ইউএনও সাহেবও মামলা প্রত্যাহারের করার অনুরোধ করেন।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম মামলা প্রত্যাহারের প্রস্তাব করার কথা অস্বীকার করে বলেন, “ওই দিন ছুটি ছিল বলে ডিসি স্যার এখানে এসেছিলেন। লিমনদের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেয়ার জন্যই তিনি তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।”

এ ব্যাপারে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক অশোক কুমার বিশ্বাস জানান, তিনি কাউখালি ইউএনওর একটি দাওয়াতে ওই দিন সেখানে গিয়েছিলেন। লিমন ও তার মায়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তবে মামলা তুলে নেয়ার প্রস্তাব বা ওই সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে কথা হয়নি বলে তিনি জানান।

নৌমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা খারিজ

নৌমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা খারিজ


নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এবং আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য শ্রম ও জনসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইস্রাফিল আলমের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, হুমকি ও মানহানির অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেছিলেন শামীম চৌধুরী নামের এক আইনজীবী। বিকেলে এ মামলটি খারিজ করে দেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সহিদুল ইসলাম।
 
২৩ অক্টোবর একটি বেসরকারি চ্যানেল আরটিভির টক শোতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে চোখ তুলে নেওয়ার হুমকি দেন নৌমন্ত্রী শাজাহান খান। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ ঢাকার সিএমএম আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়।
 
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সহিদুল ইসলামের আদালতে মামলার শুনানি হয়। আদালত শুনানি শেষে জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং নথি পর্যালোচনা করে পরে আদেশ দেবেন বলে উল্লেখ করেছিলেন। আদালত তার খারিজ আদেশে উল্লেখ করেন, মামলার বাদীর এ মামলা আনয়ন করার কোনো এখতিয়ার না থাকায় মামলাটি খারিজ করা হলো।
 
উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের উপস্থাপনায় সরাসরি একটি টক শোতে ‘ঈদে ঘরে ফেরায় যাত্রীদের দুর্ভোগ’ নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়েন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া।
 
বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে তা চরম আকার ধারণ করে এবং উভয়েই উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এ সময় একজন অন্যজনের দিকে হাত তুলে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করতে থাকেন। উপস্থাপক তাদের থামাতে চাইলেও ব্যর্থ হন। ব্যারিস্টার রফিক এক পর্যায়ে শাজাহান খানকে উদ্দেশ্য করে ‘স্টপ ইট’ বললে, মন্ত্রী শাহজাহান খান তা ‘স্টুপিড’ শুনে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনিও রফিকুল ইসলাম মিয়াকে ‘বেয়াদব’ বলে আখ্যায়িত করেন এবং বলেন, ‘হারামজাদা, তোর চোখ তুলে ফেলবো’।
 
এ সময় টক শোতে আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা, গোলাম মাওলা রনি, সাংবাদিক মনির হায়দার, র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের কমান্ডার সোহায়েল আহমেদ, নিরাপদ সড়ক চাই-এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন, পূজা কমিটির সভাপতি বাসুদেব ধর প্রমুখ।
 
মামলার আরজিতে বলা হয়, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া একজন স্বনামধন্য আইনজীবী এবং সাবেক মন্ত্রী। তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ এবং হত্যা করার চেষ্টায় ক্ষুব্ধ হয়ে তার পক্ষে আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়।
 
এ নিয়ে ঢাকার আদালতে বর্তমান সরকারের দুই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা হলো। ইতিপূর্বে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী  গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্বে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে ঐ দিনই মামলাটি খারিজ করে দেন আদালত। এ মামলাটিও দিনের মধ্যেই বাদির এখতিয়ারহীনতায় খারিজ করা হলো।

টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে ৪২ রোহিঙ্গাকে ফেরত

টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে ৪২ রোহিঙ্গাকে ফেরত 

 কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী, পালংখালী, ঘুমধুম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪২ মিয়ানমারের নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি।

জানা গেছে, মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশের রাজধানী সিটওয়েসহ আশপাশের এলাকায় নতুন করে জাতিগত সহিংসতা শুরু হওয়ায় বাংলাদেশের সীমান্তের কাছাকাছি ওপারে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এতে গত কয়েক দিন থেকে ঘুমধুম বালুখালী পয়েন্ট দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে দেড় শতাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করে স্বদেশে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি সদস্যরা।

কক্সবাজারস্থ বিজিবি ১৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল খালেকুজ্জামান জানান, অনুপ্রবেশের এ চেষ্টাটি স্বাভাবিক ঘটনা। আরাকানে নতুন করে সহিংসতার পর উখিয়া এবং নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা শান্ত থাকলেও বিজিবির টহলদলকে সতর্ক অবস্থায় রাখার পাশাপাশি সীমান্তে পাহারাও জোরদার করা হয়েছে।

অপরদিকে টেকনাফের নাফ নদী থেকে সেন্টমার্র্টিন সমুদ্র উপকূল পর্যন্ত বিজিবির পাশাপাশি কোস্টগার্ডের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

বিজিবি-৪২ টেকনাফস্থ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জাহিদ হাসান জানান, সাগরপথে কোনোভাবেই যাতে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে বিজিবি এবং কোস্টগার্ড। এ ব্যাপারে টেকনাফে বিজিবির জনবলও বাড়ানো হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের ১৪ কোটি টাকার দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

বিশ্বব্যাংকের ১৪ কোটি টাকার দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

 সুনামগঞ্জে বিশ্বব্যাংকের ১৪ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির বিষয় খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবসস্থা নেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন  দাসের সমন্বয়ে গঠিত  অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

জনস্বার্থে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস্ এ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে এ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ রিটটি করেন।

মনজিল মোরশেদ বলেন গত ২৫ অক্টোবর একটি জাতীয় দৈনিকে ‘কাজ না করে বিশ্বব্যাংকের ১৪ কোটি টাকা আত্মসাত’ শিরোনামে প্রকাশিত পত্রিকার কাটিং সংযুক্ত করে রিটটি আদালতে উপস্থপন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে পরিকল্পনা, অর্থ সচিব ও এলজিআরডি সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্নীতি তদন্তে পাঁচ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করতে পরিবেশ ও অর্থ সচিবকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।