ছাত্রলীগ নেতার কাণ্ড :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
স্কুল জীবনে ছাত্রশিবির, কলেজ জীবনের শুরুতে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক
এবং বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগে যোগ দিয়ে উত্তরজেলা
ছাত্রলীগের নেতা বনে গেছেন মিরসরাইয়ের ইব্রাহীম খলিল ভূঁইয়া নামে এক
সন্ত্রাসী।
তার বাড়ি উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের গনকছরা গ্রামে। তার বাবা কোববাদ ভূঁইয়া।
মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার, উপসনালয় ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে হামলা, চাঁদাবাজীসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্থরা তার ভয়ে থানায় মামলা করতে ভয় পান। তার হাতে নির্যাতিত অনেকেই নাম প্রকাশে না করা শর্তে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইব্রাহীম খলিল ভূঁইয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময়ে ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরে ছাত্রদলের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তিনি ২০০৭ সালে উপজেলার ২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের দুই বছর মেয়াদী গঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগ দেন। এরপর থেকে মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের নাম ভাঙ্গিয়ে একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন।
তার অপকর্মে উপজেলা ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ লক্ষ করা গেছে। এমপির গাড়িতে করে বিভিন্ন সময় তাকে ঘুরতে দেখা যায়। তিনি বিভিন্ন স্থানে এমপির আস্থাভাজন নেতা দাবি করে নির্বিঘ্নে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন।
তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় একাধিক মারামারির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। উপজেলার বারইয়ারহাট ডিগ্রি কলেজ, বারইয়ারহাট পৌর বাজার এলাকায় একাধিক হামলার ঘটনা তার নেতৃত্বে হলেও ক্ষমতাসীন দলের নেতা হওয়ায় থানায় মামলা হয় না এবং ভুক্তভোগীরা তার ভয়ে মুখ খুলতে ভয় পান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা এই প্রতিনিধির কাছে অভিযোগ করে বলেন, ইব্রাহীম একসময় শিবির এবং ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। এখন ছাত্রলীগে নাম লিখিয়ে নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে নেতৃস্থানীয় নেতাদের যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা। তা না হলে ভবিষ্যতে সে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবে।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সে প্রায় ২০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল নিয়ে বারইয়ারহাট পৌরসভার শিমলা হেয়ার কাটিং সেলুনে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলায় হেয়ার কাটিংয়ে কর্মরত জন্টু দাশ ও অর্জুন দাশ গুরুতর আহত হন।
শিমলা হেয়ার কাটিংয়ের সত্ত্বাধিকারী জনটু দাশ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “পৌর মেয়র আবু তাহেরকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানালেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি।”
একই বছরের আগষ্টস্ট মাসে উপজেলার ২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়নের পশ্চিম হিঙ্গুলী এলাকার তুচ্ছ বিষয় নিয়ে করের বাড়ির সাধুর উপসনালয়ে হামলা চালায়। এসময় পূজারী কালু সাধুকে বেদম মারধর করে এবং সাধুর আশ্রমের পূজার নানা জিনিসপত্র ফেলে দেয়। পরবর্তীতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি শালিসী বৈঠকের মাধ্যমে অর্থ জরিমানা করা হয়।
মিরসরাই উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি উত্তম কুমার শর্ম্মা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে ইব্রাহিম খলিল ভূঁইয়া বলেন, “কখন কি ঘটেছে তা সমাধান হয়ে গেছে এটা নিয়ে সাংবাদিকরা কেনো এখন আবার লিখবে।”
২০০৭ সালে গঠিত হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ শিফাত বলেন, “ইব্রাহীম ২০০৭ সালে দুই বছর মেয়াদী গঠিত হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে।”
শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে তৎকালীন ছাত্র শিবিরের উপজেলা সভাপতি রেদোয়ানুল হক বলেন, “বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময়ে সে ছাত্র শিবিরের কর্মী ছিল।”
অভিযোগ প্রসঙ্গে ইব্রাহীম খলিল ভূঁইয়া বলেন, “অভিযোগ কি শুধু আমার বিরুদ্ধে অন্য কারো বিরুদ্ধে নাই?” এ কথা বলে তিনি মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
পরবর্তীতে তিনি এ প্রতিনিধিকে ফোন করে বলেন, “আমি কলেজ জীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
তবে বারইয়াহাট পৌর ছাত্রলীগের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা নাম প্রকাশ না করা শর্তে এ প্রতিনিধিকে জানান, তার অত্যাচারে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সুনাম নষ্ট হচ্ছে। মূলত সে শিবির এবং ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল।
সংসদ সদস্যের না ভাঙ্গিয়ে প্রভাব বিস্তার প্রসঙ্গে ওই নেতা বলেন, “সেপ্টেম্বর মাসে সে বারইয়াহাট পৌর বাজারের শাহাদাত হোটেলের মালিককে মারতে উদ্যত হলে বাজারের লোকজন তাকে ঘিরে ফেলে। ফলে সে বলে, আমাকে ছেড়ে দাও নইলে আমি মোশাররফ ভাইকে (ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন) ফোন করছি।”
তবে মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে তার কোনো সখ্যতা নেই বলেও পৌর ছাত্রলীগের ওই নেতা এ প্রতিনিধিকে জানান।
মিরসরাইয়ের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের ব্যবহারিত মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
তার বাড়ি উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের গনকছরা গ্রামে। তার বাবা কোববাদ ভূঁইয়া।
মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার, উপসনালয় ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে হামলা, চাঁদাবাজীসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্থরা তার ভয়ে থানায় মামলা করতে ভয় পান। তার হাতে নির্যাতিত অনেকেই নাম প্রকাশে না করা শর্তে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইব্রাহীম খলিল ভূঁইয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময়ে ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। পরে ছাত্রদলের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তিনি ২০০৭ সালে উপজেলার ২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের দুই বছর মেয়াদী গঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন।
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগ দেন। এরপর থেকে মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের নাম ভাঙ্গিয়ে একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন।
তার অপকর্মে উপজেলা ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ লক্ষ করা গেছে। এমপির গাড়িতে করে বিভিন্ন সময় তাকে ঘুরতে দেখা যায়। তিনি বিভিন্ন স্থানে এমপির আস্থাভাজন নেতা দাবি করে নির্বিঘ্নে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন।
তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় একাধিক মারামারির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। উপজেলার বারইয়ারহাট ডিগ্রি কলেজ, বারইয়ারহাট পৌর বাজার এলাকায় একাধিক হামলার ঘটনা তার নেতৃত্বে হলেও ক্ষমতাসীন দলের নেতা হওয়ায় থানায় মামলা হয় না এবং ভুক্তভোগীরা তার ভয়ে মুখ খুলতে ভয় পান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা এই প্রতিনিধির কাছে অভিযোগ করে বলেন, ইব্রাহীম একসময় শিবির এবং ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। এখন ছাত্রলীগে নাম লিখিয়ে নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে নেতৃস্থানীয় নেতাদের যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা। তা না হলে ভবিষ্যতে সে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবে।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সে প্রায় ২০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল নিয়ে বারইয়ারহাট পৌরসভার শিমলা হেয়ার কাটিং সেলুনে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলায় হেয়ার কাটিংয়ে কর্মরত জন্টু দাশ ও অর্জুন দাশ গুরুতর আহত হন।
শিমলা হেয়ার কাটিংয়ের সত্ত্বাধিকারী জনটু দাশ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “পৌর মেয়র আবু তাহেরকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানালেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি।”
একই বছরের আগষ্টস্ট মাসে উপজেলার ২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়নের পশ্চিম হিঙ্গুলী এলাকার তুচ্ছ বিষয় নিয়ে করের বাড়ির সাধুর উপসনালয়ে হামলা চালায়। এসময় পূজারী কালু সাধুকে বেদম মারধর করে এবং সাধুর আশ্রমের পূজার নানা জিনিসপত্র ফেলে দেয়। পরবর্তীতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি শালিসী বৈঠকের মাধ্যমে অর্থ জরিমানা করা হয়।
মিরসরাই উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি উত্তম কুমার শর্ম্মা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে ইব্রাহিম খলিল ভূঁইয়া বলেন, “কখন কি ঘটেছে তা সমাধান হয়ে গেছে এটা নিয়ে সাংবাদিকরা কেনো এখন আবার লিখবে।”
২০০৭ সালে গঠিত হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ শিফাত বলেন, “ইব্রাহীম ২০০৭ সালে দুই বছর মেয়াদী গঠিত হিঙ্গুলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে।”
শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে তৎকালীন ছাত্র শিবিরের উপজেলা সভাপতি রেদোয়ানুল হক বলেন, “বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময়ে সে ছাত্র শিবিরের কর্মী ছিল।”
অভিযোগ প্রসঙ্গে ইব্রাহীম খলিল ভূঁইয়া বলেন, “অভিযোগ কি শুধু আমার বিরুদ্ধে অন্য কারো বিরুদ্ধে নাই?” এ কথা বলে তিনি মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
পরবর্তীতে তিনি এ প্রতিনিধিকে ফোন করে বলেন, “আমি কলেজ জীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
তবে বারইয়াহাট পৌর ছাত্রলীগের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা নাম প্রকাশ না করা শর্তে এ প্রতিনিধিকে জানান, তার অত্যাচারে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সুনাম নষ্ট হচ্ছে। মূলত সে শিবির এবং ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল।
সংসদ সদস্যের না ভাঙ্গিয়ে প্রভাব বিস্তার প্রসঙ্গে ওই নেতা বলেন, “সেপ্টেম্বর মাসে সে বারইয়াহাট পৌর বাজারের শাহাদাত হোটেলের মালিককে মারতে উদ্যত হলে বাজারের লোকজন তাকে ঘিরে ফেলে। ফলে সে বলে, আমাকে ছেড়ে দাও নইলে আমি মোশাররফ ভাইকে (ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন) ফোন করছি।”
তবে মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে তার কোনো সখ্যতা নেই বলেও পৌর ছাত্রলীগের ওই নেতা এ প্রতিনিধিকে জানান।
মিরসরাইয়ের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের ব্যবহারিত মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
No comments:
Post a Comment